Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    কিশোর রহস্য রোমাঞ্চ গল্পসমগ্র ১ – আলী ইমাম

    লেখক এক পাতা গল্প241 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. জলজ মানুষ

    ইস্পাতের তৈরি চকচকে বিরাট গোলকটার সামনে অনেকক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছেন লেফট্যানেন্ট। তার সঙ্গে রয়েছে স্টিভেনস। এ ধরনের অদ্ভুত জিনিস ওরা আগে কখনও দেখেননি। লেফট্যানেন্ট বললেন, যন্ত্রটা দেখে তোমার কাছে কী মনে হচ্ছে স্টিভেন্স? সমুদ্রের তলায় পানির প্রবল চাপে এটা আবার খুঁড়িয়ে যাবে না তো?

    স্টিভেন্স একটু ঘুরে বললেন, আমার ধারণা এলাস্টেড সবদিক চিন্তা-ভাবনা করেই এই গোলকটা বানিয়েছে ।

    তুমি ব্যাপারটা ঠিকমতো বুঝতে পারছ না। সমুদ্রের নিচে পাঁচ মাইল নেমে যাওয়াটা কী ভয়ানক ব্যাপার। সমুদ্রের উপরতলে এক ইঞ্চির উপর পানির চাপ হলো চৌদ্দ পাউন্ড । ত্রিশ ফুট নিচে এই চাপ পড়ে আঠাশ পাউন্ড । এভাবে বাড়তে বাড়তে এক মাইল নিচে গিয়ে চাপ পড়ে যায় প্রায় দেড় টনের মতো। তাহলে পাঁচ মাইল নিচে সমুদ্রের মাটিতে কত চাপ পড়বে আমি তা চিন্তা করতে পারছি না।

    এ কথা শুনে স্টিভেন্স যেন একটু চিন্তিত হলেন।

    যা বললেন তা শুনে সত্যিই বেশ ভয় লাগছে। কিন্তু ইস্পাতের আবরণটা তো খুব পুরু।

    লেফট্যানেন্ট আর কিছু বললেন না। তারা ভাবছে ইস্পাতের সেই বিরাট গোলকটি নিয়ে। এর বাইরের ব্যাস প্রায় নয় ফুটের মতো। এর গায়ে একদিকে দুটো গোল মোটা কাঁচের জানালা। একটির গায়ে স্কু দিয়ে একটি গোলাকার দরজা আটকানো। সেটা এখন আধখোলা অবস্থায় রয়েছে। তার ফাঁক দিয়ে গোলকটির ভেতরের অংশ দেখা যাচ্ছে। সেখানে বাতাসের গদি দিয়ে দেয়াল আর মেঝে মোড়া। বাইরের কোনোরকমের আঘাতেও ভেতরের মানুষটির বা যন্ত্রপাতির কোনোকম ক্ষতি হবে না। লেফট্যানেন্ট তখনও নিশ্চিন্ত হতে পারছেন না । তিনি আবার বললেন, দেখো, ওই জানালা দুটো সমুদ্রের তলার পানির চাপ একেবার সহ্য করতে পারবে না। প্রথমে বেঁকে ফুলে উঠবে। তারপর খুঁড়িয়ে যাবে। তখন সমুদ্রের পানি প্রচণ্ড বেগে গোলকের মধ্যে ঢুকতে থাকবে। সেই পানি বন্দুকের গুলির মতো ছুটে গিয়ে এলাস্টেডের মাথায়, বুকে বিঁধে তাকে একদম ঝাঁঝরা করে ফেলবে। যন্ত্র তখন থাকবে সমুদ্রের তলায় মাটিতে। আর তার মধ্যে এলাস্টেড মাখনমাখা নরম পাউরুটির টুকরোর মতো মেঝের উপর থেতলে পড়ে থাকবে।

    ওই সময় সেখানে এলাস্টেড এসে উপস্থিত হলো। শাদা পোশাক পরনে ছিমছাম এক যুবক। বড় টুপির নিচে তার চোখ দুটো কী এক আনন্দে চকচক করছে। তাদের কথাবার্তার শেষটুকু সে শুনেছে। প্রসন্নভাবে বলে উঠল, দেখেছ, আজকের দিনটা কী সুন্দর! চমক্কার আবহাওয়া। আকাশ ঝকঝকে নীল। সমুদ্রও শান্ত। খানিক পরই গোলকটাকে সমুদ্রে নামাতে হবে। আর মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই আমি ওটাতে চড়ে সমুদ্রের অতলে পাড়ি দেব।

    এ কথা বলে এলাস্টেড জাহাজের রেলিঙের কিনারে গিয়ে ঝুঁকে নীল সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে রইল। জাহাজের ডেকের এক প্রান্তে বিরাট একটা ক্রেন। তার সঙ্গে আটকে রাখা হয়েছে গোলকটাকে। এলাস্টেড এগিয়ে যায়।

    প্রথমে আমি কাচের জানালার ভেতর দিয়ে গোলকটার মধ্যে প্রবেশ করব। এরপর তোমরা স্কু দিয়ে ভালো করে জানালাটার পাল্লা বন্ধ করে দিও। আমি ভেতরে ঠিকমতো বসে কেবিনের ইলেকট্রিক বাতিটা তিন বার জ্বালাব আর নিভাব। এই সঙ্কেত পেয়ে তোমরা গোলকটাকে ক্রেনে করে পানিতে নামিয়ে দিও। কতগুলো বড় বড় সীসের ভার আটকানো আছে গোলকটার নিচে। যন্ত্রের মাথার উপরেও কতগুলো সীসের ভার কয়েক ফ্যাদম লম্বা মোটা দড়ি দিয়ে বাঁধা। যখন জাহাজটার সঙ্গে বাঁধা মোটা দড়িটা তোমরা কেটে দেবে তখন গোলকটা জোরাল ভাবে পানির নিচে নামতে থাকবে। ওর নিচে বাঁধা সীসের ভারগুলোর মধ্যে একটা লোহার রড পরানো আছে। ওই রডের সঙ্গে লাগানো আছে ঘড়ির মতো একটা যন্ত্র। সমুদ্রের তলায় মাটিতে যন্ত্রটা বসে পড়লেই ওই লোহার রড ঘড়ির মতো যন্ত্রটাকে চালিয়ে দেবে। আর এ মোটা দড়িটা রডের গায়ে জড়িয়ে যেতে থাকবে। কেবিনের আলো সারাক্ষণ জ্বলতে থাকবে। একটা সার্চ লাইটও থাকবে। তাই দিয়ে আমি পানির নিচে চারদিকটা ভালো করে দেখব। আধঘণ্টা যাওয়ার পর ঘড়ির মতো যন্ত্রটা থেকে একটা ছুরি বেরিয়ে দড়িটাকে কেটে দেবে। সঙ্গে সঙ্গে গোলকটা ভারমুক্ত হয়ে উপরে উঠতে থাকবে। তখন কামানের গোলার মতো তীব্র গতিবেগ হবে আমার গোলকের। ভেসে উঠলেই কেবিনের মাথায় আলোর নিশানা জ্বলে উঠবে । তা দেখলেই তোমরা বুঝতে পারবে আমি কোথায় ভেসে উঠেছি। এটাই হলো আমার মহাসাগরের অতলে আসা যাওয়ার পরিকল্পনা।

    সেদিন দুপুর এগারোটায় গোলকটাকে সমুদ্রে নামানো হলো। এলাস্টেড ওর কেবিনের বাতি তিন বার জ্বালাল আর নিভাল। একজন নাবিক যে দড়িটি দিয়ে গোলকটি বাঁধা ছিল সেটা কেটে দিল। দুলতে দুলতে গোলকটা পানির নিচে ডুবে গেল। ডেকের ওপর যখন ছিল তখন গোলকটাকে বেশ বড় দেখাচ্ছিল। এখন পানির নিচে সেটাকে ছোট দেখাচ্ছে। গোলকটার কাচের জানালা দুটো বুঝি উপরের দিকে তাকিয়ে আছে। যেন বিদায় জানাচ্ছে বাইরের পৃথিবীকে। অনেকেই রুমাল নাড়াল। একটু উৎসাহধ্বনি দিল।

    খুব তাড়াতাড়ি নেমে যাচ্ছে গোলকটা। তিন গোনার আগেই ওটা পানির নিচে অদৃশ্য হয়ে গেল। জাহাজটাকে সরিয়ে নিয়ে একটু দূরে দাঁড় করানো হলো। যদি উপরে ওঠার সময় গোলোকটা জাহাজের নিচে ধাক্কা মারে তাই এই সাবধানতা।

    আধঘণ্টা পেরিয়ে গেল। সবার মুখে এক কথা। কেমন আছে। এলাস্টেড? কী দেখছে, কী করছে? ওর কি খুব শীত করছে? প্রায় পঁয়ত্রিশ মিনিট হলো। এখনও দেখা নেই এলাস্টেডের। ধীরে ধীরে সবার মনে দুশ্চিন্তা দেখা দিচ্ছে । মিনিটের পর মিনিট কেটে যাচ্ছে। গোলকটা আর ভেসে উঠছে না। সকল নাবিক অধীর আগ্রহে রেলিং ধরে ঝুঁকে রয়েছে। সবার দৃষ্টি তখন সমুদ্রের দিকে। এলাস্টেডের বন্ধুরা তাকিয়ে রয়েছে আকাশের দিকে। কখন উঠবে আলোর নিশানা।

    সারারাত কেটে গেল চাপা উত্তেজনায় । তবু গোলকের দেখা নেই। আলো ছড়িয়ে পড়েছে সমুদ্রের বুকে। এলাস্টেডের ফিরে আসার সম্ভাবনা বুঝি ক্ষীণ হয়ে আসছে। কেউ বলছে কাঁচের জানালা দুটো গুঁড়ো হয়ে গেছে। কেউ বা আবার বলছে ঘড়ির মতো যন্ত্রটা ঠিকমতো দড়িটা গোটাতে পারেনি। তাই গোলকটা আর ভেসে উঠতে পারল না। এমনি সব অশুভ চিন্তার আলোচনায় সময় কেটে যাচ্ছে।

    এমন সময় আকাশের গায়ে একটা আলোর ছটা ঝলসে উঠল। এক প্রান্ত থেকে অন্য এক প্রান্ত পর্যন্ত তীব্র আলোর রেখার সঙ্কেত পাঠাল। এলাস্টেডের বন্ধু ওয়েব্রিজ খুশিতে দু হাত তুলে চিৎকার করে উঠল, ওই যে আলোর সঙ্কেত। নিশ্চয়ই সে কোথাও ভেসে উঠেছে। এখনই ঢেউ-এর ওপর গোলকটাকে দেখা যাবে। সবাই মিলে চারদিকে ভালো করে নজর রাখো।

    অনেকক্ষণ খোঁজার পর তারা গোলকটাকে ভাসতে দেখল। তখনই ক্রেনে করে সেটাকে তোলা হল জাহাজের ডেকে। কাচের জানালাটা খুলে দেখা গেল ভেতরটা একেবারে অন্ধকার। বাইরের সার্চ লাইটটাও নেভানো। মেঝের ওপর এলাস্টেড অচেতন হয়ে লুটিয়ে পড়ে আছে। ভেতরটা ভীষণ গরম। কাচের জানালার ধারে রবারের যে প্লেটটা লাগানো ছিল সেটাও নরম হয়ে গেছে। জাহাজের চিকিৎসক এলাস্টেডের অচেতন দেহটাকে কাঁচের জানালার ভেতর দিয়ে অনেক কষ্টে টেনে বের করে আনলেন। এলাস্টেডকে নিয়ে যাওয়া হলো ওর নিজের কেবিনে। সারা দিন রাত পড়েই রইল আচ্ছন্নের মতো। ধীরে ধীরে জ্ঞান ফিরে এলো তার। কথা বলতে পারল কয়েক দিন পর। এক রোমাঞ্চকর কাহিনি তখন তাদের শোনাল এলাস্টেড।

    তোমরা ভেবেছিলেন সমুদ্রের নিচে আমি কেবলমাত্র কাদামাটি দেখতে পাব। তার পরিবর্তে সেখানে আমি নতুন এক বিচিত্র জগৎ আবিষ্কার করেছি। সেটা এত অবিশ্বাস্য যে শুনলে আমার মানসিক সুস্থতা নিয়ে হয়তো সন্দেহ করবে। তখন তোমরা ক্রেনের সঙ্গে লাগানো দড়িটা কেটে দিলে তখন গোলকটা পানির মধ্যে ডুবে গিয়ে ওলটাপালট খেতে লাগল। আমার অবস্থাটা একবার ভাব। একটি ফুটবলের মধ্যে ছোট ব্যাঙ-এর মতো। আমার পা দুটো যেন নিজের বশে ছিল না। মেঝের গদির ওপর পড়ে গেলাম একটা ডিগবাজি খেয়ে। হঠাৎ করে সেই দুলুনিটা বন্ধ হয়ে গেল। গোলকটা তখন সোজা হয়ে নিচে নামতে লাগল। আমি তখন কেবিনে কাচের জানালা দিয়ে বাইরের বিচিত্র সব দৃশ্য দেখতে লাগলাম। চারদিকের পানি সব সবুজ নীল। গোলক যত নিচে নামতে লাগল অন্ধকার তত গভীর হতে লাগল। উপরের পানি তারার আলোয় আলোকিত আকাশের মতো অস্পষ্ট অন্ধকার। আর নিচের পানি গভীর অন্ধকার। ছোট ছোট স্বচ্ছ প্রাণী গোলকের পাশ দিয়ে সবুজ ঝিলিক তুলে ছুটে যাচ্ছে। গতির তীব্র ঘর্ষণে গোলকটা গরম হয়ে উঠল। আমার শরীর ঘামে জবজব। জানালার কাচও গরম হয়ে উঠেছে । হঠাৎ পায়ের নিচে হিশহিশ করে একটা শব্দ ক্রমে বাড়তে লাগল। আর কেবিনের গা থেকে বুদবুদ ঝাঁক বেঁধে উপরে উঠল। এগুলো কি বাষ্পবিন্দু, নিশ্চয়ই গরম গোলকের স্পর্শে এসে সমুদ্রের পানি কিছুটা বাষ্পে পরিণত হয়েছে। আমার ভয় করতে লাগল। জানালার কাচ বোধ হয় এই উত্তাপে ফেটে যাবে। কিছুক্ষণ পর সব থেমে গেল। বুদবুদগুলোও মিলিয়ে গেল আস্তে আস্তে। জানাল কাচ ভাঙল না। এবারের মতো বুঝি মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে গেলাম। কেবিনের আলোয় দেখলাম আমি অনেকক্ষণ ধরে পানিতে নেমেছি। আর কয়েক মিনিট পরে আমি সমুদ্রের মাটি স্পর্শ করব। তোমরা তখন পাঁচ মাইল উপরে জাহাজের ডেকে দাঁড়িয়ে নিশ্চয়ই আমার কথা ভাবছিলে। গোলক তখন মাটির তলা স্পর্শ করেছে। ভারি জিনিসটা বসার জন্যে চারদিকে কাদামাটির একটা আস্তরণ নিচ থেকে উপরে ছড়িয়ে গেল। সেই থিকথিকে অন্ধকার ভেদ করে সার্চ লাইটের আলো ঘুরতে লাগল। দেখলাম সমুদ্রের মাটিতে কাদার ঢিবির আশেপাশে লিলি ফুলের গাছ পাতা মেলে রয়েছে। সুন্দর সুন্দর বিরাট স্পঞ্জ ঘুরে বেড়াচ্ছে দলে দলে। এদিক-ওদিকে ছড়ানো লাল আর কালো ঘাসের ঝোপ। তার ফাঁকে ফাঁকে খেলা করছে বিচিত্র রঙের সব মাছ। তাদের গায়ে নীলচে আভা।

    এতটুকু বলে এলাস্টেড কিছুক্ষণ চুপ করে রইল। তার চেহারা দেখে মনে হচ্ছে কী এক বিস্ময়কর জিনিসের কথা যেন ভাবছে।

    সেই আলোমাখা প্রাণীর ঝাক গোলকের মাথার উপর দিয়ে ভেস চলে গেল। আর তাদের পেছনে পেছনে ভেসে এলো অদ্ভুত আকৃতির কতগুলো মূর্তি। দেখে যেন মনে হলো কতগুলো বিচিত্র মানুষ হেঁটে আসছে। সার্চ লাইটের তীব্র আলোয় তাদের চোখ বন্ধ। আমি স্পষ্ট দেখলাম তারা মেরুদণ্ডি প্রাণী। তাদের প্রায় গোলাকার দেহগুলো লম্বা লম্বা দুটো পা আর মোটা শক্ত লেজের উপর বসানো। পাগুলো ঠিক ব্যাঙের পায়ের মতো। দেহের সামনে ব্যাঙের হাতের মতো হাতও লাগানো রয়েছে। মাথা তাদের কালো সামনের দিকের কপালটা বেশ উঁচু। মুখটাতে মানুষের মুখের মতো একটা আদল রয়েছে। বড় বড় দুটো চোখ সরীসৃপের চোখের মতো কোটর থেকে বেরিয়ে এসেছে। ঠোট দুটোও সরীসৃপের ঠোটের মতো। হালকা নীল রঙ। এদের লম্বা লম্বা হাত মাথা তামা দিয়ে বাঁধানো। আমি বিস্ময়ে হতবাক হয়ে এসব দেখতে লাগলাম। কিছুক্ষণ আলোর চোখ বুজে দাঁড়িয়ে থেকে তারা চোখ খুলল। তারপর তাদের ভেতর থেকে একজন বীভৎসভাবে চিৎকার করে উঠল। সেই ভয়ঙ্কর শব্দ কেবিনের ভেতরে থেকেও শুনতে পেলাম। চারদিকে যেন তার প্রতিধ্বনি হতে লাগল। আমি তাড়াতাড়ি আলো নিভিয়ে দিলাম। সঙ্গে সঙ্গে নরম কোনো জিনিস গোলকটাকে ধাক্কা দিতে লাগল। নড়ে উঠল গোলকটা। কারা এমন করে ধাক্কা দিচ্ছে? খুব দুলছে গোলকটা। আবছা অন্ধকারে দেখলাম আরও কয়েকটি ওই রকম বিচিত্র আকারের মানুষ এসে জুটেছে। সবার গায়ে ফসফরাসের নীলচে আলো এর ফলে অন্ধকার কিছুটা ফিকে হয়ে এসেছে। ঘড়ির মতো যন্ত্রটাকে তারা শক্ত কিছু দিয়ে আঘাত করছে। ভীষণভাবে নড়ছে গোলকটা। আমার তখন যে কী অসহায় অবস্থা। যদি ওই যন্ত্রটা নষ্ট হয়ে যায় তবে গোলকটা আর কখনও ভেসে উঠতে পারবে না উপরে । আমি তখন প্রচণ্ড ভয় পেয়ে সার্চ লাইট জ্বেলে দিলাম। সেই তীব্র আলোর ঝলকানিতে দিশেহারা হয়ে ওরা সব মিলিয়ে গেল। আমি কিন্তু বুঝতে পারছিলাম না কারা গোকটাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে। সমস্ত আলো নিভিয়ে দিয়ে আমি নিঃশব্দে অপেক্ষা করতে লাগলাম। এমন সময় দেখি দূরে অনেকটা জায়গা অল্প আলোয় আললাকিত। সেদিকেই গোলকটাকে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। যত এগিয়ে যাচ্ছি ততই কিছু কিছু জিনিস স্পষ্ট হয়ে উঠছে। ঘরবাড়িগুলোর কাছে কতগুলো ভাঙা জাহাজের অংশ পড়ে আছে। তার পাটাতনের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে একদল ওই অদ্ভুত জলজ মানুষ। তারা অবাক বিস্ময়ে দেখছে গোলকটাকে। আমাকে দেখতে পেয়ে তারা আনন্দে চিৎকার করে উঠল। আমি আবার চট করে আলো। নিভিয়ে দিলাম। তখন ওদের চোখে আমি অদৃশ্য। ঘড়িতে দেখি অনেকটা সময় কেটে গেছে। জ্বলজ্বল করছে ঘড়ির ডায়ালটা। আমার সঙ্গে আর মাত্র চার ঘন্টা চলার মতো অক্সিজেন রয়েছে। তখনই আমার সমুদ্রের উপরে ভেসে ওঠা দরকার। এবার দড়িটা কেটে দিতে হবে। নইলে গোলক ভাসতে পারবে না। ঘড়ির মতো যন্ত্রটাকে নষ্ট করে দিয়েছে। সেটা থেকে ছুরিটা বেরিয়ে দড়ি কাটতে পারবে না। আমি তখন নিরুপায়। কেবিনের আলো জ্বেলে হাত মুখ নেড়ে ওদের সেই কথাটা বোঝাতে চাইলাম। ওরা কিন্তু কিছুই বুঝতে পারল না।

    ভেতরে ভেতরে আমার অস্থিরতা বেড়ে যাচ্ছে। হঠাৎ একটু পর গোলকটা জ্বলে ওঠে তীব্র গতিতে উপরে উঠতে লাগল। তাকিয়ে দেখি দড়িটা কাটা অবস্থায় বাইরে ঝুলছে। টানাটানির সময় হয়তো হঠাৎ টান পড়েছে ওটাতে। দড়ির নিচের সীসের ভারগুলো কখন যে খসে পড়ে গেছে। এর ফলে খুব গরম হয়ে উঠেছে গোলকটা। চারদিকের শীতল পানির সংস্পর্শে এসে গরম গোলকের গা থেকে বাস্পের অজস্র বুদবুদ ভেসে উঠছে। এ রকমটা নিচে নামার সময়ও হয়েছিল। এমন সময় মনে হলো একটা প্রকাণ্ড চাকা আমার মাথার উপর খুলে পড়ল। জ্ঞান হারিয়ে আমি তখন লুটিয়ে পড়লাম। এরপর জ্ঞান ফিরে পেয়ে। দেখি আমি শুয়ে আছি আমার কেবিনে। আর তোমরা রয়েছে আমার চারপাশে। প্রায় বারো ঘণ্টা আমি ছিলাম সেই অতলের রাজত্বে। তোমরা হয়তো ভাবছ এসব আমার উদ্ভট কল্পনা। না, তা নয়। এগুলো আমার কোনো কল্পনা নয়। আজগুবি গল্প নয়। জ্যাকিংস এডামের মতো প্রখ্যাত জীববিজ্ঞানীরা এরকম জলজ মানুষের কথা বলে গেছেন। সমুদ্রের তলায় প্রচণ্ড চাপ এরা সহ্য করতে পারে। আর পানির মধ্যে নিশ্বাস প্রশ্বাস নেয়ার মতো ক্ষমতা রয়েছে এই প্রাণীদের। এরা আমাদের মতো নতুন লাল বালু পাথরের যুগের সৃষ্টি। আমরা যেমন আকাশে ধূমকেতু দেখে বা উল্কাপাত দেখে বিস্মিত হই ওরাও তেমনি পানির নিচে ওদের জগতে যখন বাইরের কোনো কিছুকে নেমে আসতে দেখে তখন আবার অবাক হয়। পৃথিবীর গভীর জঙ্গলে সভ্য জগতের বাইরে যে বুনো আদিম আদিবাসীরা বাস করে তারা যখন দেখে বিমান থেকে অভিনব পোশাক পরা মানুষ তাদের মাঝখানে নেমে আসছে। তখন তারা বিচিত্র ভঙ্গিতে পূজা করে। এই জলজ মানুষেরাও তেমনি। যখন দেখল গোলকের মধ্যে অদ্ভুত পোশাক পরে আমি রয়েছি তখন তারা ভয় পেয়ে এক সময় আমাকে পুজো করছিল। আমি আবার যাব ওদের কাছে। ওদের জীবন রহস্য আরও ভালো করে জানার জন্যে। তারপর আমার এই বিচিত্র আবিষ্কারের কথা জানাব বিশ্ব জগতকে।

    এতগুলো কথা বলে চুপ করল এলাস্টেড। এরপর সে নিজের মনের মতো করে গোলকটাতে যন্ত্রপাতি লাগিয়েছিল। তারপর ১৮৯৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সমুদ্রের তলায় পাড়ি দিয়েছিল সে। তার বন্ধুরা তের দিন ধরে সমুদ্রের নানা অংশে তাকে খুঁজে বেরিয়েছে। এখনও খুঁজছে। কিন্তু এলাস্ট্রেড এখনও ফেরেনি। সমুদ্রের তলায় বিচিত্র জলজ মানুষের জীবন রহস্য জানার চেষ্টায় সে সমুদ্রের অতলে হারিয়ে গেল।

    এইচ জি. ওয়েলস-এর ছায়া অবলম্বনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনবি মুহাম্মদের ২৩ বছর – আলি দস্তি
    Next Article তারার দেশের হাঁস – আলী ইমাম

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }