Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    কংসাবতীর তীরে – কোয়েল তালুকদার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তারার দেশের হাঁস – আলী ইমাম

    লেখক এক পাতা গল্প147 Mins Read0
    ⤷

    ০১. তারার দেশের হাঁস

    পত্রিকা অফিসের টেবিলে ঝুঁকে একমনে লিখছিলেন প্রধান সংবাদদাতা রাফারতি। হঠাৎ ফোন বেজে উঠল। একজন উত্তেজিতভাবে জানাচ্ছে সবুজ প্রান্তরের খামার বাড়ির কাছে সে একটি উড়োজাহাজকে ভেঙে পড়তে দেখেছে। রাফারতি সাথে সাথে গাড়িতে উঠলেন। অন্য সাংবাদিকরা জানার আগেই তাকে এই দুর্ঘটনার খবর সংগ্রহ করতে হবে।

    শহর ছাড়িয়ে ছুটল গাড়ি। কিছুক্ষণের মধ্যেই সবুজ প্রান্তরের সীমানায় এসে পড়লেন। দূরে দেখা যাচ্ছে একটি খামার বাড়ি। হলুদ বুনো ফুলের ঝোপ দুলছে বাতাসে। ফোনের তথ্য অনুযায়ী সেখানেই উড়োজাহাটি ভেঙে পড়েছে। কিন্তু সেদিকে কোনো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে না। আশেপাশের ঘাসবনও পুড়ে যায় নি। কেমন শুনশান পরিবেশ। স্থানটিকে দুর্ঘটনাকবলিত বলে মোটেই মনে হচ্ছে না।

    খামার বাড়িটির কাছে এসে থামল রাফারতির গাড়ি। কোথাও লোকের ভিড় নেই। অ্যাম্বুলেন্স নেই। কোনোরকম সাড়াশব্দ নেই। পুরানো একটি বাড়ি। ভাঙা বেড়া। মুরগির ঘরে কক কক করে ডাকছে মুরগিগুলো। বাড়িটি বুড়ো চাষি আলসোপের। রাফরতি কাঠের দরজা ঠেলে ভেতরে ঢুকলেন। কয়েকটা কাঠবেড়ালি ছুটে গেল। না, দুর্ঘটনার কোনো চিহ্নই তো সেখানে দেখা যাচ্ছে না। তবে কি টেলিফোনে কেউ মিথ্যে খবর দিল? রসিকতা করল? সবুজ প্রান্তরে তো আর কোনো খামার বাড়ি নেই।

    বুড়ো আলসোপ রাফারতিকে দেখে এগিয়ে এলেন। এতক্ষণ বাগানে গাজর আর লেটুস পাতা তুলছিলেন।

    রাফারতি জিজ্ঞেস করে,

    -আচ্ছা, এ বাড়ির কাছাকাছি কি কোনো উড়োজাহাজ ভেঙে পড়েছে?

    -কই, না তো।

    এমন সময় ভেতর থেকে মিসেস আলসোপ বেরিয়ে এলেন। রাফারতি খানিকটা বিস্মিত।

    -একজন লোক আমাকে ফোন করে জানাল এই মাঠে নাকি একটি জ্বলন্ত বিমান ভেঙে পড়েছে। মৃদু হাসলেন মিসেস আলসোপ।

    -এই কথা। খবরটা সত্যি। তবে বিমানটা ভেঙে পড়ে নি। নিজের থেকেই এ মাঠে নেমে এসেছে। আর ওটা তো কোনো বিমান নয়। কারণ ওটার কোনো ডানা নেই।

    রাফারতি কথাগুলো ঠিক বুঝে উঠতে পারলেন না।

    -আপনি বলছেন এখানে বিমান নেমেছে। আবার বলছেন তার ডানা নেই।

    -তা আপনি নিজে গিয়েই দেখে আসুন না ওটার ডানা আছে কি নেই। ঐ তো গোলাবাড়ির কাছেই রয়েছে ওটা। ওটার মালিকেরা কিন্তু আবার অদ্ভুত ধরনের। দেখতে বিচিত্র। ওরা হাতুড়ি দিয়ে লোহাকে বাঁকিয়ে দিতে পারে।

    ঝানু সাংবাদিক রাফারতি এবার ব্যাপারটার ভেতরে একটা রহস্যজনক খবরের সূত্র খুঁজে পেলেন। মিসেস আলসোপ স্বামীকে বললেন, -তুমি ভদ্রলোককে গোলাবাড়ির কাছে নিয়ে যাও। সাবধানে যেও কিন্তু। জায়গাটা আবার কাদায় ভরা। কাঠের তক্তার উপর দিয়ে যাবে।

    নড়বড়ে কাটের তক্তার উপর দিয়ে যেতে যেতে বুড়ো আলসোপ বলতে লাগল,

    -বুঝলেন, আমার খামারে রয়েছে উন্নত জাতের মুরগি। খুব চাহিদা এদের। আপনার কী মনে হয় উপরের তারার দেশে ওগুলো বেশ ভালো চলবে?

    কথাটা ঠিক বুঝতে পারলেন না রাফারতি। একবারে তাকালেন আকাশের দিকে।

    -আপনি কোন দেশের কথা বলছেন? আমি বলছি উপরের তারার দেশের কথা। রাফারতির তখন মনে হলো বুড়ো চাষি তার সাথে নির্ঘাত রসিকতা করছে। নয়ত তার মাথায় ছিট রয়েছে।

    গোলাবাড়ির দরজার কাছে এসে তারা পৌঁছালো। পুরানো জংধরা দরজা। পাল্লায় মরচে পড়েছে। মি. আলসোপ বললেন,

    -একটু জোরে ধাক্কা দিতে হবে যে। তা নইলে খুলবে না। রাফারতি বেশ জোরে ধাক্কা দিলেন। ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দ করে খুলে গেল দরজাটা। ভেতরে তাকিয়ে রীতিমতো বিস্মিত হলেন রাফারতি। একি দেখতে পাচ্ছেন তিনি! ঘরের মধ্যে রয়েছে একটা বিরাট আকারের প্লাস্টিকের বেলুন। মাথার দিকটা গোল। নিচের দিকটা চ্যাপটা। নিচের অংশটা রয়েছে বড় বিছানো মেঝেতে। রাফারতির মনে হলো তিনি একটি মহাকাশযান দেখছেন। পত্রিকার জন্যে বেশ একটা জবর খবর হবে। স্থানীয় চাষি কর্তৃক চাঁদে অভিযানের জন্যে মহাকাশযান তৈরি।

    রাফারতি কৌতূহলী।

    -আপনি এই বেলুনযানটি তৈরি করেছেন?

    -মোটেই না। আমার ক্ষমতাই হবে না এ রকম একটি জিনিশ বানাতে। এতে করে আমাদের কয়েকজন বন্ধু এসেছে উপর থেকে।

    -বন্ধু এসেছে কথাটা বুঝতে পারলেন রাফারতি। কিন্তু খটকা লাগল তারা উপর থেকে এসেছে শুনে। কি সব উদ্ভট কথা বলে তার মাথাটাকে একদম ঘুলিয়ে দিতে চাইছে এই বুড়ো চাষিটা।

    -তা আপনার এই বন্ধুদের পরিচয়টা কি?

    আলসোপ কথা বলে মাথা ঝাকিয়ে।

    -তাদের পরিচয় এখনো জানতে পারি নি। তারা কথা বলে না। দেখতে ভীষণ অদ্ভুত।

    বিশাল বেলুনটা ঝকঝক করছে। কেমন রহস্যময় এক ধরনের চাপা আলো বেরুচ্ছে ওটা থেকে। রাফারতি এ ধরনের জিনিশ আগে আর কখনো দেখেন নি। বেলুনটা ঠিক কি দিয়ে যে তৈরি তাও তিনি বুঝে উঠতে পারলেন না। তবে প্লাস্টিক যে নয় তাতে নিশ্চিত। রাফারতি আরেকটু কাছে যেতেই ব্যথায় চিৎকার করে উঠলেন। তিনি একটি শক্ত জিনিশের সাথে ধাক্কা খেয়েছেন। তার মনে হলো তিনি যেন একটা বৈদ্যুতিক শক খেলেন। শরীরটা তখনো কাঁপছে।

    বৃদ্ধ আলসোপ লজ্জিত স্বরে বলে

    -আমি বলতে ভুলেই গিয়েছিলাম ঐ বেলুনের চারপাশে একটা অদৃশ্য দেয়ালের মতো জিনিশ রয়েছে। ওতে ধাক্কা খেলে বেশ যন্ত্রণা হয়। দেয়ালটা আবার চোখেও দেখা যায় না।

    অদৃশ্য দেয়াল! তার সামনে। রাফারতির বিস্ময়ের মাত্রা বাড়ছে। দূর থেকে মুরগির ডাক শোনা যাচ্ছে।

    -আপনার ঐ অদ্ভুত বন্ধুরা কোথায়?

    -বাড়ির ভেতরে আছে। ইচ্ছে করলে দেখা করতে পারেন। তবে তাদের সাথে কোনোরকম কথাবার্তার আদান প্রদান করা যায় না।

    -চলুন তো দেখে আসি। কোন দেশের লোক তারা।

    ওরা দু’জন খামার বাড়ির দিকে চলা শুরু করল। কাদাতে পুরো আঙিনা থিকথিক করছে। কাঠের তক্তাগুলোর ওপর দিয়ে খুব সাবধানে হেঁটে যেতে হচ্ছে।

    বৃদ্ধ আলসোপ রাফারতিকে বোঝাতে চাইছে, -আপনি ওদের দেখলে অবশ্যই চমকে যাবেন। আশ্চর্য হয়ে যাবেন। প্রথমে ওরা এলো ছ’বছর আগে। এসে কিছু ডিম চাইল। আমরা তো ডিমেরই ব্যবসা করি। এদের ধারণা যেখানে ওরা থাকে সেখানে ডিমগুলো নিয়ে গিয়ে উন্নত জাতের মুরগির বাচ্চা তৈরি করা যাবে।

    -ওরা থাকে কোথায়?

    -সেটাই তো বিস্ময়ের কথা। ওরা যেখানে থাকে সেখানে যেতে লাগে তিন বছর।

    -মানে! আলসোপ তাকায় আকাশের দিকে।

    ঐ তারার দেশ থেকে এসেছে তারা। সে বারের যাত্রার সময় ডিমগুলো পচে গিয়েছিল। তাই এবার আবার এসেছে নতুনভাবে ডিম নিতে। আমি এবার খুব শক্ত একটা বাক্স তৈরি করে দিয়েছি। এতে যাবার পথে ডিম ফুটে বাচ্চা হতে পারবে। কোনো অসুবিধা হবে না।

    বৃদ্ধ আলসোপের কণ্ঠে তখন আবেগ।

    -ভাবনু তো একবার দৃশ্যটা। আকাশপথে তীব্র গতিতে ছুটে যাচ্ছে ওদের বেলুন। তার ভেতরে রয়েছে আমার খামারের ডিম থেকে বেরুনো মুরগির বাচ্চার দল। চিকচিক করছে। ওরা চলেছে মহাশূন্যের পথে তারার দেশে।

    রাফারতির তখন মনে হলো বুড়ো চাষিটার মাথা খারাপ।

    খামার বাড়ির সামনে দাঁড়িয়েছিলেন মিসেস আলসোপ। হাতে ধরা বেতের ঝুড়িতে রঙিন ব্যাঙের ছাতা। খাবারের স্যুপ তৈরির জন্যে মাঠ থেকে তুলে এনেছে। রাফারতিকে দেখে বললেন,

    -দেখেছেন তো ওদের বেলুনটা। চমৎকার না?

    মি. আলসোপ বললেন, -আপনি ওদের সাথে দেখা করার সময় আমার স্ত্রীর সাথে যাবেন। আমার স্ত্রী আবার ওদের সাথে ভাবের আদান প্রদান করতে পারে। ওরাও তাকে যথেষ্ট পছন্দ করে।

    ঘরের ভেতর ঢুকে ভীষণ অবাক হয়ে গেলেন রাফারতি। এ তিনি কাদের দেখতে পাচ্ছেন! ঘরে দু’জন আগন্তুক বসে আছে। একজন পুরুষ অন্য জন নারী। বিচিত্র তাদের আকৃতি। তাদের দেহে সরু শুঁড় লিকলিক করে দুলছে। তাদের মুখের রঙ বেগুনি। মুখে কোনো আবেগের চিহ্ন নেই। প্রত্যেকের মুখে বড় বড় দুটি গোল চোখ। মনে হয় ওরা বুঝি মুখে বিচিত্র মুখোশ সেঁটে রেখেছে।

    রাফারতি তার অভিজ্ঞ চোখ দিয়ে বুঝতে পারলেন এই আগন্তুক পৃথিবীর কোনো বাসিন্দা নয়। এরা গ্রহান্তরের প্রাণি। দারুণ বিস্ময়ে সে হতবাক হয়ে গেছে। এই রকম একটি দুর্লভ দৃশ্য জীবনে দেখবে কখনো ভাবে নি। দীর্ঘ সাংবাদিক জীবনে কম উত্তেজনাময় দৃশ্য দেখে নি। সব কিছু এই ঘটনার কাছে যেন ম্লান হয়ে গেল।

    মিসেস আলসোপ বললেন,

    -এরাই এসেছে ঐ বিমানে করে। অদ্ভুত আগন্তুকেরা তখন শুঁড় বাঁকালো। মিসেস আলসোপ এগিয়ে এলেন।

    -বুঝলেন মি. রাফারতি, এরা কিন্তু কথা বলতে পারে না। কেবল ছবি তৈরি করতে পারে। এই যে দেখছেন মাথার উপর দুটো শুঁড় সে দুটো কারো দিকে লক্ষ্য করে এগিয়ে দিয়ে ওরা যা চিন্তা করে তাই ভাবতে থাকে। ওদের প্রশ্ন করলে উত্তরে ওরা আপনার চিন্তার ক্ষেত্রে ছবি পাঠিয়ে দেবে।

    রাফারতি বুঝলেন এই আশ্চর্য পদ্ধতির মাধ্যমেই গ্রহান্তরের প্রাণিরা সংযোগ স্থাপন করবে। রাফারতি তাদের কাছে জানতে চাইলেন ওরা কোথা থেকে এসেছে। মেয়ে আগন্তুক তখন সাড়া দিল। তার মাথার শুঁড় রাফারতির কপালের মাঝখানের জায়গাটা লক্ষ্য করল।

    তখন রাফারতির ভেতরে এক বিরাট পরিবর্তন ঘটে গেল। রাফারতির মনে হলো তার মস্তিষ্কে বেশ কিছু ছবির জন্ম হচ্ছে। ধীরে ধীরে রঙ রেখা ফুটে উঠছে। সে দেখতে পাচ্ছে সীমাহীন মহাশূন্য। নক্ষত্র, গ্রহ আর উল্কাপিণ্ডগুলো তীব্র গতিতে ছুটে যাচ্ছে। রাফারতিও ছুটে যাচ্ছে সেই সাথে। তার শরীর শিহরিত হচ্ছে। এক সময় এসে পড়ল এক উজ্জ্বল তারার জগতে। আলোতে ঝলমল করছে চারদিক। তারপর ছবিটা অদৃশ্য হয়ে গেল।

    রাফারতি আবার ফিরে এলো খামার বাড়িতে। তার শরীর তখন থরথর করে কাঁপছে। স্নায়ুর উপর প্রবল চাপ পড়েছে।

    রাফারতির মনে হলো পৃথিবীর ইতিহাসের এক বিস্ময়কর ঘটনাকে সে আজ প্রত্যক্ষ করল। সবচাইতে মূল্যবান, উত্তেজনাময়, শিহরণমূলক খবরটি সে এখন সংগ্রহ করল। নিরিবিলি সবুজ প্রান্তরের ছোট্ট খামার বাড়িটির একটি ঘরে ঘটে গেল এই চরম বিস্ময়কর ঘটনাটি। নাটকীয়তার দিক থেকে যার কোনো তুলনা হয় না। তখনো বিস্ময়ের ঘোর কাটে নি রাফারতির। এই অকল্পনীয় খবরটা জানাতে হবে পাঠকদের। তারা রুদ্ধশ্বাসে এটা পাঠ করবে। উত্তেজনায় তখন কাঁপছে রাফারতির শরীর।

    -মি. আলসোপ, আপনাদের ফোনটা কোথায়? আমাকে এখনি অফিসে খবর পাঠাতে হবে।

    -দুঃখিত, আমাদের কোনো ফোন নেই। কিছু দূরে পেট্রোল পাম্প রয়েছে। সেখান থেকে ফোন করা যেতে পারে। কিন্তু এরা যে কয়েক মিনিটের মধ্যেই চলে যাবে। ওদের বেলুনে মুরগির বাচ্চা আর ডিমগুলো তুলে দেয়া হয়েছে। ওদের আর কোনো কাজ নেই এখানে। আকাশে উড়বে এখনি।

    রাফারতি ওদের চলে যাওয়ার কথা শুনে চমকে উঠলেন। কি করে এদের কিছুক্ষণ এখানে আটকে রাখা যায়। অন্তত ছবি তোলা বা পত্রিকার অফিসে খবর দেয়া পর্যন্ত। ঘটনাটার একটা সাক্ষ্য প্রমাণ তো রাখতে হবে পাঠকদের বিশ্বাসযোগ্যতার জন্যে।

    -মিসেস আলসোপ, ওদের কিন্তু এখন যেতে দেবেন না। আরো কিছুক্ষণ থাকতে বলুন।

    -বৃথা চেষ্টা হবে। একটা নির্দিষ্ট সময়ে ওদের যাত্রা করতেই হবে। আকাশের এই বিশেষ জায়গায় চাঁদ এসে পড়লেই ওদের বেলুন আকাশে উড়বে।

    গ্রহান্তরের রহস্যময় প্রাণিরা চুপচাপ বসে আছে। তারা এখন কোনো পৃথিবীবাসীর মস্তিষ্কে তাদের চিন্তার তরঙ্গ প্রেরণ করছে না।

    রাফারতি অস্থির হয়ে উঠলেন। এত বড় খবর প্রকাশের একটা সুযোগ এভাবে হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। এরকম সুযোগ এখন পর্যন্ত কোনো সংবাদদাতার কাছে আসে নি। চিৎকার করে উঠলেন রাফারতি।

    -মি: আলসোপ, আমাকে একটা ক্যামেরা এনে দিন। যে কোনো ক্যামেরা।

    মাথা চুলকে বললেন আলসোপ।

    -তাই তো, কোথায় যে রেখেছি আমার বক্স ক্যামেরাটাকে। দেখি খুঁজি।

    রাগে, হতাশায় নিজের মাথার চুল তখন ছিড়তে ইচ্ছে করছে রাফারতির। একটি সুবর্ণ সুযোগ তার হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। গ্রহান্তরের প্রাণিদের ছবি তুলে রাখতে পারলে এক অবিস্মরণীয় ব্যাপার হতো। পৃথিবীর লোকেরা এসব ছবি দেখে স্তম্ভিত হয়ে যেত।

    গ্রহান্তরের প্রাণিরা বসে আছে। আর কিছুক্ষণ পর এরা উড়ে যাবে মহাশূন্যে। সুদূর এক তারার গ্রহজগৎ থেকে এসেছে ওরা।

    পাশের কক্ষ থেকে মি, আলসোপের গলা শোনা গেল। বক্স ক্যামেরাটা খুঁজে পেয়েছি। কিন্তু ফিল্ম যে নেই। কাজেই ছবি তোলা যাবে না।

    গ্রহান্তরের প্রাণিরা চট করে উঠে পড়ল। তারপর জোনাকির মতো উড়ে ঘর থেকে বাইরে গেল। ওরা গেল গোলাবাড়ির দিকে। রাফারতি ছুটল ওদের পিছু পিছু।

    আঙিনায় যেতে যেতেই দেখল গোলাবাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছে বিশাল বেলুনটা। হিসহিস শব্দ হচ্ছে। একটা চক্কর মেরে সাঁই করে বেলুনটা উড়ে গেল। নিমিষেই মেঘের আড়ালে চলে গেল।

    প্রবল হতাশা এসে গ্রাস করল রাফারতিকে। গ্রহান্তরের প্রাণিদের আগমনের কোনো চিহ্ন তিনি রাখতে পারলেন না। কেউ এখন তার এই সংবাদকে বিশ্বাস করবে না। এই প্রাণিরা সবুজ প্রান্তরের মি. আলসোপের খামার বাড়ি থেকে অনেকগুলো মুরগির ডিম নিয়ে গেছে। আচ্ছা, এমনও তো হতে পারে ঐ প্রাণিরা আলসোপ দম্পতির কাছে কোনো নিদর্শন রেখে গেছে।

    রাফারতি ছুটে এলেন মি, আলসোপের কাছে।

    -আচ্ছা, ওরা কি কখনো আপনাদের কিছু দিয়েছে? কোনো উপহার?

    -ছ’বছর আগে যখন প্রথম এসেছিল তখন আমাদের কিছু ডিম দিয়েছিল। ওদের দেশের ডিম।

    -কি রকমের ডিম?

    -অদ্ভুত আকারের। ওদের ডিম থেকে যখন বাচ্চা হলো তখন সেগুলোর নাম দিলাম তারার দেশের হাঁস। ডিমগুলো আকার ছিল তারার মতো ছুঁচলো।

    -ঐ তারা হাঁস কি রকম ছিল?

    -বিচ্ছিরি দেখতে। অনেকটা সোয়ালো পাখি আর ছোট জলহস্তীর মতো। ঐ অদ্ভুত প্রাণিদের পা ছিল তিন জোড়া। মাত্র দুটো তারার হাঁস বেঁচে গিয়েছিল।

    -কোথায় সে দুটো? আমরা খেয়ে ফেলেছি। বড় দিনের উৎসবের সময়।

    না, কোনোমতেই এখান থেকে কোনো রকমের নিদর্শন পাওয়া যাচ্ছে না।

    শেষ চেষ্টা করলেন রাফারতি। ঐ তারার হাঁস দুটোর কঙ্কাল কোথায় রয়েছে? দেখতে চাই। ঐ হাঁস দুটোর হাড় আমাদের পোষা কুকুরকে দিয়েছিলাম।

    রাফারতি হতাশ হয়ে খামার বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলেন। মেঘলা আকাশ। সবুজ প্রান্তরের বুকে হু হু করে বাতাস বইছে। দুলছে ঘাসবন। আকাশের দিকে তাকালেন রাফারতি। মহাকাশযানটা এতক্ষণে বহু দূর চলে গিয়েছে। পৃথিবীতে তাদের আসার কোনো প্রমাণ নেই।

    মাথার উপর দিয়ে এক ঝাঁক বুনোহাঁস উড়ো গেল। রাফারতি একবার পেছন ফিরে তাকালেন খামার বাড়িটির দিকে। ঐ বাড়িতে জন্মেছিল তারার দেশের হাঁস।

    নিজের গাড়ির দিকে ধীর পায়ে এগিয়ে গেলেন রাফারতি।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য রোমাঞ্চ গল্পসমগ্র ১ – আলী ইমাম
    Next Article দ্য উলফ লিডার – আলেক্সান্ডার দ্যুমা

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026
    Our Picks

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    কংসাবতীর তীরে – কোয়েল তালুকদার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }