Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প555 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৯. গণিকালয়ের নাম সোনাগাছি

    গণিকা ও গণিকালয় নিয়ে লেখালেখি হবে, অথচ সোনাগাছি নিয়ে আলোচনা হবে না! সোনাগাছি নিয়ে আলোচনা করার জন্য তাই আলাদা একটি অধ্যায় রাখা হল। সোনাগাছি’, এই শব্দটি ফিসফিস করে উচ্চারণ করতে হয় ভদ্রসমাজকে। অনেকে অবশ্য সোনাগাছি না-বলে গণিকাপল্লি বোঝাতে ‘বি কে পাল অ্যাভিনিউ’ বা ‘চিৎপুর’ বা ‘যাত্রাপাড়া’ও বলে থাকে। সোনাগাছি, এই শব্দটির সঙ্গে গণিকাপল্লির ৪০০ বছরের ইতিহাস আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে আছে। সুনামেই হোক বা দুর্নামেই হোক–গণিকালয় হিসাবে সোনাগাছি অদ্বিতীয়তম্। ‘সোনাগাছি’ আর ‘গণিকালয়’ আজ একটি সমার্থক শব্দ। বাংলা সাহিত্যে-সিনেমায় কখনোই উপেক্ষিতা হয়নি। বাংলা সাহিত্যে-সিনেমার আনাচে-কানাচে সোনাগাছির অন্ধকার উঠে এসেছে।

    বস্তুত ব্রিটিশ-ভারত সরকারের আমলেই সোনাগাছি বৃহৎ আকার ধারণ করে। এলাকা বৃদ্ধি আজও অব্যাহত। শুধু ঊনবিংশ শতাব্দীই নয়, বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত সোনাগাছির সীমানা ছিল উত্তরে কর্নওয়ালিস স্ট্রিট (বর্তমানে বিধান সরণি), দক্ষিণে চিৎপুর রোড (বর্তমানে রবীন্দ্র সরণি), পূর্বদিকে শোভাবাজার বি কে পাল অ্যাভিনিউ এবং পশ্চিমে জোড়াসাঁকো ঠকুরবাড়ির প্রায় সংলগ্ন অঞ্চল। পরে সোনাগাছির মাঝখান দিয়ে একটা রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। উত্তর থেকে দক্ষিণে, অর্থাৎ বাগবাজার থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত। শুরুতে চিত্তরঞ্জন, পরে ভূপেন্দ্র বসু অ্যাভিনিউ। চিত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউয়ের পূর্বদিকের অঞ্চলটায় ক্রমশই নির্বাসিত হল গণিকারা। সোনাগাছির উল্টোদিকের দর্জিপাড়া অঞ্চলটি ক্রমশই গৃহস্থদের দখলে চলে যাচ্ছে। অথচ এই দর্জিপাড়াই একসময় গণিকাপল্লির সমার্থক ছিল। এখন সেখান থেকে গণিকাদের পাততাড়ি গোটাতে হয়েছে। নবনির্মিত গৃহস্থ পাড়ায় গণিকাদের জায়গা দিতে নারাজ ভদ্র বাবুবিবিরা। এইভাবেই দর্জিপাড়া হাতছাড়া হয়ে গেল গণিকাদের। এলাকা ছোটো হোক বা বড়ো, এখন পুরো অঞ্চলটিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘রেড লাইট এরিয়া হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। অনেকে বলেন এশিয়ার সর্ববৃহৎ নিষিদ্ধপল্লি। ভারতের তো বটেই, পশ্চিমবঙ্গেরও।

    ঊনবিংশ শতাব্দীর শুরুতেই সোনাগাছির জন্ম। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঠাকুর্দা দ্বারকানাথ ঠাকুর ইংরেজদের হাতে তামুক খেতে খেতে ‘প্রিন্স’ উপাধিও পেয়ে গেছেন। আর এটা পেয়েছেন ইংরেজদের ভেট দিয়ে। ভেটের মধ্যে অন্যতম ছিল নারীশরীর। দ্বারকানাথ নিজেও ছিলেন প্রচণ্ড নারীবিলাসী। স্বদেশ-বিদেশ যেখানের তিনি থাকুন না-কেন নারীই তাঁর নিত্যসঙ্গী। তিনি জাহাজের ব্যাবসা, নীলের ব্যাবসা, সিল্কের ব্যাবসা সবেতই দখল নিয়েছিলেন ইংরেজদের আনুকূল্যে। ইংরেজদের আনুকূল্যে পেয়েছিলেন বিশাল জমিদারি। জোড়াসাঁকো থেকে শোভাবাজারের জমি। এই অংশেই ছিল সোনাগাছি অঞ্চল। আসলে এই অঞ্চলটির আদি নাম সোনাগাজির চত্বর। এই সোনাগাজিই লোকের মুখ-ফেরতা হয়ে হয়ে এখন সোনাগাছি। কেউ বলেন, স্বর্ণ নামে এক বাইজি ওই এলাকায় বাস করত। তাঁর নাম থেকেই সোনাগাছি। আবার কেউ বলেন, সোনাগাজি বা মুসলিম পির সনা উল্লাহ গাজি নামে এক পির বসবাস করত। তাঁর নামে একটি মসজিদও আছে এই এলাকায়। ৩০০ বছরের পুরোনো সেই মসজিদ। সেই সোনাগাজি থেকেই নাকি সোনাগাছি।

    বিভিন্ন সময়ে কলকাতা শহরে আরও অনেক নিষিদ্ধপল্লি গড়ে উঠেছিল। যেমন মধ্য কলকাতার বউবাজার এলাকার হারকাটা গলি, দক্ষিণ কলকাতার কালীঘাট অঞ্চল, খিদিরপুর সহ আরও বহু জায়গায় তৈরি হয় গণিকাপল্লি। একসময় হুতোম কলকাতাকে ‘বেশ্যাশহর’ আখ্যা দিয়েছেন। বুলবুলির লড়াইয়ে কলকাতা শহরে হুতোমি ডিকশনে ‘বেশ্যাবাজী’ ছিল বড়ো মানুষের এলবাত। শুধু সোনাগাছি অঞ্চলেই আছে ১০,০০০ যৌনকর্মী। আছে কয়েকশো বহুতল বাড়ি। সোনাগাছি অঞ্চলে যৌনকর্মীরা আসে সাধারণত নেপাল, বাংলাদেশ থেকে এবং ভারতের অন্য রাজ্য থেকেও। আছে নানা ভাষাভাষীর মানুষ। গোটা ভারতবর্ষই ঢুকে পড়েছে সোনাগাছির অন্দরমহলে। এখানকার কোনো বাড়ি ৫ কামরার তো কোনো বাড়িতে ২৫ কামরা। এমন কয়েকশো বাড়িতে যৌন পরিসেবা দিয়ে চলেছে যৌনকর্মীর মেয়েরা। আবার দেখা গেছে একই ঘরে একাধিক পার্টিশন দিয়ে যৌনকর্ম চলে। সেই পার্টিশনগুলি এতটাই সংকীর্ণ যে, কোনোমতে দুটো শরীরই আটতে পারে।

    সোনাগাছির বর্তমান অবস্থান উত্তর কলকাতার মার্বেল প্যালেসের উত্তরে চত্তরঞ্জন অ্যাভিনিউ, শোভাবাজার ও বিডন স্ট্রিটের সংযোগস্থলের কাছে। নানা ক্যাটাগরির যৌনকর্মী অপেক্ষা করে থাকেন রসিক ক্লায়েন্টদের জন্য। শরীর-মূল্য প্রতি ঘণ্টায় ১০০ টাকা থেকে ২০০০ টাকা বা তারও বেশি। এই সমস্ত পল্লি এলাকায় ঢুকলেই। চোখে পড়বে গলির দু-ধারে এবং আশেপাশে বিভিন্ন বয়সের মেয়েরা দাঁড়িয়ে আছে। এঁরা মুখে সস্তার রং মেখে উৎকট প্রসাধনে সেজে বিশেষ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে থাকে। এঁরা নিজের নিজের ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে, গলির মুখে দাঁড়ায়, দরজায় চৌকাঠে। এঁদের শরীর-মূল্য খুবই কম। উচ্চমূল্যে, অতি উচ্চমূল্যে শরীর বিক্রি করেন এমন যৌনকর্মীও আছে এই পল্লিতে। তাঁদের খুঁজে নিতে হয়। যাঁর যেমন সামর্থ্য সে তেমন মূল্যের যৌনকর্মীর যৌন পরিসেবা নেন। তবে যিনি যে মূল্যেই যৌন-পরিসেবা নিক না-কেন কন্ডোম বাধ্যতামূলক। শুধু সোনাগাছিই নয়, কন্ডোম ছাড়া কোনো এলাকার কোনো যৌনকর্মীই যৌন-পরিসেবা দেয় না।

    সোনাগাছিতে বেশকিছু বিলাসবহুল বাড়ি আছে, যেখানে উচ্চমূল্যের যৌনকর্মীরা থাকে। বাড়িগুলি বিভিন্ন নামে পরিচিত। যেমন–প্রেমবন্ধন, নাইট লাভার্স, ১২ নম্বর, কাঞ্চন প্যালেস, গঙ্গা-যমুনা, নীলকমল ইত্যাদি। এঁদের বেশিরভাগই ভিনরাজ্যের। আগ্রা, দিল্লি, পাঞ্জাব ইত্যাদি প্রদেশ থেকে আসা মেয়েরা। এঁরা শীততাপনিয়ন্ত্রিত ফানিশড সুগন্ধযুক্ত ঘরেই যৌন পরিসেবা দিয়ে থাকে। যদিও এইসব বাড়িগুলি ছাড়াও অন্য বাড়িতেও যৌনকর্মীরা ফার্নিশড ঘর না-হলেও শীততাপনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থা রেখেছে। তবে তার জন্য অতিরিক্ত ৬০০ টাকা গুণতে হয় ক্লায়েন্টকে। নামাঙ্কিত বাড়িগুলির মাসিক ভাড়া ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকা। তাহলে বুঝতেই পারছেন এইসব বাড়ির যৌনকর্মীদের শরীর-মূল্য কত হতে পারে! যেমন গুড় তেমন মিষ্টি আর কী! এইসব যৌনকর্মীর শুধু যৌন-পরিসেবাই দেয় না, সঙ্গে নাচ-গানও চলে। শুধু নাচ-গানও শুনতে বা দেখতেও কেউ কেউ আসে এখানে। নাচ বলতে সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে নাচ। যৌনমিলন ছাড়া এই ধরনের কাজের রেটও আলাদা। ৩২০০ টাকা থেকে শুরু। যৌনকর্মে আলাদা রেট। আজকাল সোনাগাছির কিছু কিছু বাড়িতে ম্যাসাজ সেন্টারের নামেও এক ধরনের যৌনপেশা চালু হয়েছে। বলা হয়, ১৫ মিনিটের ‘ফুল বডি ম্যাসাজের রেট ৫০০ টাকা, ‘অন্য কিছু চাইলে প্রতি ঘণ্টায় ১৫০০ টাকা। পারিশ্রমিকের এত বৈচিত্র্য ভারতের আর কোনো গণিকালয়ে পাওয়া যায় না। যেমন সোনাগাছির ‘আগ্রাওয়ালিদের কোঠি’ বলে পরিচিত এই বাড়ির যৌনকর্মীদের কাছ থেকে যৌন পরিসেবা নিতে হলে বেশ চড়া মূল্য গুণতে হয়। যে-কোনো যৌনপল্লিতে প্রবেশ করলেই দুটি শব্দ আপনার কানে আসবে। একটি হল—‘বসবে’? এখানে বসবে’ মানে আমার সঙ্গে শোবে’? দ্বিতীয় শব্দটি হল–‘শট’। শট শব্দের মানে যোনিমূলে লিঙ্গের প্রবেশ (Penetration)। অর্থাৎ ক্লায়েন্ট কতবার যৌনমিলন করবেন। প্রতি যৌনমিলনে রেট নির্ধারিত হয়। এক একটি ইনিংস কমপক্ষে এক ঘণ্টার হয়ে থাকে। তবে। ক্লায়েন্টের বীর্যস্থলনের সঙ্গে সঙ্গে একটি শট শেষ হয়ে যায়।

    সোনাগাছিতে তিন শ্রেণির গণিকাদের পাওয়া যায়—(১) যাঁরা এই অঞ্চলের স্থায়ী বাসিন্দা। এঁরা হয় বিক্রি হয়ে আসা, নয় পাচারকৃত হয়ে আসা, নয় প্রতারণার শিকার হয়ে আসা। (২) যাঁরা স্থায়ী বাসিন্দা নয়, সকালে এসে কাজ করে সন্ধ্যায় নিজের বাড়ি ফিরে যায়। প্রয়োজন হলেই ফুল নাইট’ কাজ করে। ফুল নাইট কাজ তখনই করে, যখন কোনো একজন ক্লায়েন্ট তাঁকে সারা রাতের জন্য চায়। এঁদের বয়স মোটামুটি তিরিশের নিচে। এঁরা স্বেচ্ছায় এই পেশা বেছে নিয়েছে। এবং (৩) এঁরা স্থায়ী বসিন্দা যেমন নয়, তেমন বাড়ি থেকে এসেও এখানে ঢোকে না। এঁরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে সোজা এসে কাছাকাছি বিভিন্ন মানুষের যাতায়াতের জায়গায় দাঁড়ায়। যেমন–উল্টাডাঙা বা শিয়ালদহ স্টেশন সংলগ্ন এলাকা, বুকিং কাউন্টারের সামনে, ভিআইপি ফুটব্রিজের উপরে, আশেপাশে ক্লায়েন্টের জন্য অপেক্ষা করে। এছাড়া ছবিঘর, প্রাচী, মেট্রো, পূরবী সিনেমা হলের সামনে শো টাইমে দাঁড়ায়। ক্লায়েন্ট জুটে গেলে তাঁকে নিয়ে সোজা সোনাগাছির কোনো ঘরে নিয়ে এসে যৌন পরিসেবা দেয়। কেউ কেউ কাছাকাছি হোটেলেও পরিসেবা দেয়। এইসব যৌনকর্মীরা সাধারণত মধ্যবয়স্কা ও পড়ন্ত যৌবনা। এঁরাও স্বেচ্ছায় এই পেশা বেছে নিয়েছে। সবাই যে শুধুমাত্র পেটের জন্য আসে, তা নয়। কথা বলে জানা গেছে, অনেক মেয়েরা বহুগামিতা চেতনা থেকেও এই পেশায় আসে। তাঁদের বহু পুরুষের সঙ্গ না পেলে ভালো লাগে না। তাঁদের কাছে যৌনতা একটা প্যাশন। জনৈক শরীর-ব্যাবসায়ী স্পষ্টত জানালেন–“আমি আমার ক্লায়েন্টদের ক্লায়েন্ট’ ভাবি না। বন্ধু ভাবি এবং ভাবাই। আর্থিক লেনদেন থাকলেও ক্লায়েন্টদের বন্ধু হই এবং বন্ধুত্বসুলভ আচরণ করি। ক্লায়েন্টদেরও বোঝাতে সক্ষম হই যে, আমি তোমার কিছু মুহূর্তের জন্য যৌনসঙ্গী হলেও, বন্ধুও। বিভিন্ন পুরুষের সঙ্গে সেক্স করতে আমার ভালো লাগে। বিচিত্র যৌন অভিজ্ঞতা হয় আমার, যা খুবই মজাদার। পূর্ণ স্বাধীনতায় আমি আমার কাজ করি। ইচ্ছে হল করি, ইচ্ছে না হলে করি না। বাড়িতে রেস্ট নিই। আমি সোনাগাছি অঞ্চলে কাজ করি বটে। কিন্তু থাকি না। ঘড়ি ধরে বাড়ি থেকে বেরোই, আবার ঘড়ি ধরে বাড়িতে ঢুকে যাই। বেরোনোর সময় কোনো ক্লায়েন্ট এলেও ছেড়ে দিই। বাড়ির সবাই জানে আমি চাকরি করি। এটা আমার কাছে এখন আর পেশা নয়, নেশা। অর্থ ও যৌনসুখ দুই-ই পাই।”

    অষ্টাদশ ও ঊনবিংশ শতাব্দীর বখে যাওয়া বাঙালি বাবু’ সম্প্রদায় এই অঞ্চলে নিজ নিজ উপপত্নীদের প্রতিপালন করতেন। এই অঞ্চলের বেশ কিছু বাড়ি নির্মিত হয়েছিল ব্রিটিশ আমলে। প্যারিসের যৌনকর্মীরাও এই সোনালি অঞ্চলের (Golden District) খ্যাতি সম্পর্কে অবহিত ছিল। সেই বাবু সম্প্রদায় আজ নিশ্চয় নেই। তবে অন্য এক বাবুরা তো আছেন যাঁরা লুকিয়ে গণিকাদের সঙ্গ নেন। রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব থেকে সমাজের মান্যগণ্য অনেক ব্যক্তিবাবুরাই গণিকালয়ে পদধূলি দেন। সোনাগাছিতে আর-এক ধরনের ‘বাবু’-র সন্ধান পাওয়া যায়। আসুন, সেইসব বাবুদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই।

    সোনাগাছির অন্দরমহলে ‘বাবু’ কাকে বলে? নিষিদ্ধপল্লিতে ‘বাবু’, ‘বসা’, ‘বাড়ি’ ইত্যাদি শব্দগুলির চালু আছে। শুধু বাবুদের কথাই বলি, সাধারণ ক্লায়েন্ট বা খরিদ্দারদের আর বাবুদের মধ্যে তফাতটা বুঝে নিই। বাবু তাঁরাই, যাঁরা যৌনকর্মীদের খরিদ্দার। সাধারণ খরিদ্দাররা শুধুমাত্র যৌন উত্তেজনা প্রশমণ করতে যৌনকর্মীদের সঙ্গ নেয় কিছু সময়ের জন্য। এঁদের অন্য কোনো দায় নেই। পয়সা ফেলবে, তার বিনিময়ে যৌনসুখ নেবে। ফেলো কড়ি মাখো তেল। কিন্তু বাবুদের দায় আছ। দায় থাকে। বাবু হল বাঁধা কাস্টমার, যাঁর সঙ্গে একজন যৌনকর্মীর সম্পর্ক প্রায় স্বামী-স্ত্রীর মতো। সেই সম্পর্কে ভালোলাগা থাকে, ভালোবাসা থাকে, আবার একটু আশ্রয়ের জন্যেও হতে পারে। এই যৌনকর্মীরা মূলত সোনাগাছি এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা। বাঁধা খরিদ্দারের দায়িত্ব অনেক বেশি। এঁরা বসন্তের পাখি নয়। এঁদের কেউ কেউ উপাসনালয়ে গিয়ে শাখাসিঁদুর পরিয়ে বিয়েও করে নেয়। কাঁধে তুলে নেয় আজীবনের দায়িত্বভার। এঁরা গণিকাপল্লিতে ‘বাবু’ হিসাবেই পরিচিত।

    সমাজের যে-কোনো স্তরের খরিদ্দাররাই বাবু হতে পারে। কোনো বাছবিচার নেই। অফিসের পিওন থেকে শুরু করে কোনো উচ্চপদস্থ রাজকর্মচারী, ডাক্তার, আইনজীবী, মাফিয়া ডন, পুরোহিত, কুলি-কামিন, ঠ্যালাওয়ালা–কে নয়! তবে সব মাছ যেমন ইলিশ নয়, তেমন সব পুরুষই জাত-বাবু নয়। বাবুদেরও প্রকারভেদ আছে। বাবুদের দায়বদ্ধতাকে কেন্দ্র করেই প্রকারভেদ।

    (১) টাইমের বাবু : ইনি সেই পুরুষ, যিনি কাম্য নারীর কাছে টাইমে আসেন, টাইমেই যান। মধু খেতে আসেন, খাওয়া হলেই ফুড়ৎ। ইনি বসন্তের পাখি। দায়িত্ব তো নেই-ই, উলটে বিপদ বুঝলেই ধা। তবে নীতিগতভাবেই এই পুরুষটি অন্য মেয়ের ঘরে যান না। তাই ইনি বাঁধা বাবুর মর্যাদা পান।

    (২) সাহসী বাবু : ইনি সেই পুরুষ, যিনি ভালোবাসার কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। যৌনকর্মীটিকে বিয়েও করেছেন। বিয়ে করে নিজের বাড়িতেও নিয়ে যান মর্যাদার সঙ্গে নিজের বাড়ি না-থাকলে ঘর ভাড়া করেও অন্যত্র থাকেন।

    (৩) অভিজাত বাবু : ইনি সেই পুরুষ, যিনি ভালোবাসার বিবিকে সাহস করে নিজের বাড়ি বা অন্য কোথাও নিয়ে যেতে পারে না। তবে বিবিটির সারাজীবনের দায়িত্ব নেন। অন্য কোনো বাবুর সঙ্গে সেই বিবি সহবাস করতে পারবে না। তবে বাবুটি মেয়েটির ‘যৌনকর্মী’ হিসাবে বিশ্বস্ত থাকবেন, এমন কোনো গ্যারান্টি নেই। বাবুটি অন্য একাধিক যৌনকর্মীর সঙ্গে শোবেন, শুতে পারেন।

    (৪) খাওয়া-মোছা বাবু : এই বাবু অবশ্য কাঠ-বেকার পুরুষ। কোনো যৌনকর্মীর অন্নে প্রতিপালিত হয়। বিনিময়ে ঘর মুছে দেওয়া, রান্না করে দেওয়া, বাজার করে দেওয়া, বিভিন্ন ফাইফরমাস খাটা ইত্যাদি।

    পড়ন্ত বয়সে যৌনকর্মীদের পরিণতি কী? এই প্রশ্নটার উত্তর তো খুঁজতে হবে। দুটি পরিণতি দেখতে পাওয়া যায়–(১) গেরস্ত হওয়া এবং (২) হাফ-গেরস্ত হওয়া। গেরস্ত হওয়া মানে যদি কোনো বাঁধা বাবু’, সে মজুর দালাল পাতি চাকুরে বা ব্যাবসায়ী যেই হোক তাকে ধরে কপালে সিঁদুর নিয়ে কোথাও সংসার পাতা যায়। অপরদিকে হাফ-গেরস্ত মানে অন্তত কোনো বাঁধা বাবু’ পাওয়া, যে তাঁকে বিপদে-আপদে দেখবে, হয়তো দু চার পয়সা মূলধন দিয়ে সাহায্য করবে, যাতে কিনা সে কালেকালে বাড়িওয়ালি’ হয়ে উঠতে পারে। এইভাবেই তাঁর পেশার উত্তরণ হয়। এই দুয়ের মধ্যে কিছুই না-হলে ক্ৰমে ওই পল্লিতেই ঝি-গিরি করে পেট চালাতে হয়। নয়তো পথে পথে ভিক্ষে করে বেড়াতে হয়। যদি দেশ-গাঁঘর-আত্মীয় বলে কিছু খুঁজে পাওয়া যায়, তবে। সেখানেই বেঁচে থাকার অন্তিম ঠাঁই মেলে।

    যে সমস্ত পুরুষরা ওই পাড়ায় থাকে তাঁরা অধিকাংই নেশাগ্রস্ত, বেকার, গণিকাদের উপার্জনের নির্লজ্জ পরজীবী। ওইসব নিষ্কর্মা গুলিশোর পুরুষরাই ওদের (গণিকাদের) প্রহার করে, অত্যাচার করে। সংগঠনের সদস্য অলংকৃত করে, মতামত প্রদান করে। এইসব পুরুষপুঙ্গবদের হাত থেকে, দালালদের হাত থেকে, মাসিদের হাত থেকে অত্যাচারিত মেয়েদের রক্ষা করতে পারবে কারা? সংগঠন? সংগঠনের কর্মকাণ্ডে মিশে গেছে অত্যাচারী যাঁরা, তাঁরাও। গণিকাপল্লির স্থায়ী বাসিন্দা দুর্ভাগা গণিকাদের কথা বলবে কারা? সংগঠন? ওদের কণ্ঠ কারা? সংগঠন ও স্বেচ্ছাসেবীরা, যাঁরা মৌচাকে রানি-মৌমাছি হয়ে বসে আছে পিরামিডের চূড়ায়। সংগঠনের অফিস আছে, অফিসে মোটা বেতনের চাকুরে আছে, সংগঠনের প্রেস আছে, সভা-সমিতি আছে। সংগঠনের রাজনীতি আছে। পাড়া কোন রাজনৈতিক দলের কুক্ষিগত থাকবে, তা নিয়ে নিত্য লড়াই-সংঘর্ষ আছে।

    যৌনপল্লির মেয়েদের যৌনজীবন ঠিক কেমন? গড়পড়তা একজন যৌনকর্মীকে প্রতিদিন কমপক্ষে চারবার যৌন-সম্পর্ক করতেই হয়। দিনের বা রাতের খরিদ্দারটির জন্য যখন সে ‘বসছে’, তখন সে অবসন্ন, ক্লান্ত। সপ্তাহে সাতদিন, মাসে তিরিশ দিনে, বছরে তিনশো পঁয়ছট্টি দিন নিরন্তর যৌবন বিক্রি করতে হয় যৌনকর্মীদের। ইচ্ছা হলে কাজ করব, না-ইচ্ছা হলে কাজ করব না–এমন চিন্তা মাথাতেই আনতে পারবে না। যৌনপল্লির এইসব স্থায়ী বাসিন্দারা। এঁদের একপ্রকার যৌনদাসীই বলা যায়। এঁরা শ্রমিক, যেমন কলকারখানায় কায়িক শ্রমের বিনিময়ে অর্থোপার্জন করে। ভালো না-লাগলেও একঘেয়ে লাগলেও শ্রম দিয়ে যেতে হয়। কারণ এই শ্রমটা না-দিলে সেই যৌনকর্মীর মুখে ভাত উঠবে না। বসিয়ে বসিয়ে কে কাকে খাওয়ায় এ পৃথিবীতে!

    বিচ্ছিন্ন প্রবাসী শ্রমিকদের বস্তির মধ্যে গণিকাপল্লি এখনও জাঁকিয়ে বসতে পারেনি, যেখানে কলকাতার মেয়েরা ওভারটাইম খাটে। গণিকাদের কাজ হল যথাযথ অর্থের বিনিময়ে পুরুষদের যৌনসুখ দিতে হয়। শুধুই কি যৌনসুখ? একজন পুরুষ যখন মূল্য দিয়ে একতাল নারীমাংস ভাড়ায় নেয়, তখন সে মনে করে সব কিনে নিয়েছে। তখন যৌনসুখ যৌনকর্মীদের মাথায় উঠে যায়। ক্রেতাপুরুষটি মনে করে মূল্য যখন সে দিয়েছে, তখন সে যা খুশি করতে পারে। সে যেমন সঙ্গম করতে পারে, তেমনি যৌন-বিকৃতি চরিতার্থ করতে পারে, যৌনকর্মীকে প্রহার করতে পারে, ধর্ষকাম মেটাতে পারে, যৌনকর্মীর যৌনাঙ্গে জ্বলন্ত সিগারেট ঠুসে দিতে পারে।

    শুধু কলকাতার সোনাগাছিই নয়। সোনাগাছি ছাড়াও আরও বেশ কয়েকটি প্রসিদ্ধ যৌনপল্লি আছে কলকাতাতে। যেমন হাড়কাটা গলি, বউবাজার, খিদিরপুর আরও অনেক। কলকাতা ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলাতে অসংখ্য গণিকাপল্লি আছে। জেলার হোটেল ও রিসোর্টগুলিতেও যৌনকর্মীদের রমরমা ব্যাবসা চলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article শিখণ্ডী খণ্ড – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }