Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প555 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. স্বর্গের বেশ্যা যাঁহারা = স্বৰ্গবেশ্যা

    ভারতের প্রাচীন গ্রন্থগুলিতে–বিশেষ করে পুরাণ, রামায়ণ, মহাভারতে প্রচুর গণিকার উল্লেখ আছে। এইসব গণিকাদের মধ্যে বেশ কিছু গণিকা ‘স্বৰ্গবেশ্যা’ হিসাবেই পরিচিতা। সংস্কৃত শব্দ অপ্ (বাংলা অর্থ জল) থেকে এঁদের উৎপত্তি, তাই ‘অপ্সরা’ বলা হয়। ঋগবেদে অপ্সরা হলেন গন্ধর্বের স্ত্রী। অপ্সরা আবার দুই ধরনের–লৌকিক ও বৈদিক। অপ্সরাদের সৌন্দর্য ও যৌন আবেদনের কথা সবসময়ে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, অপ্সরারা মায়ারূপিনী, তাঁরা শরীর বা দেহ পরিবর্তন করতে পারত, অর্থাৎ চূড়ান্ত ছলনাময়ী ছিলেন। অথর্ব বেদে উল্লেখ আছে, এঁরা পাশা খেলতে খুব ভালোবাসত। পারদর্শিতার সঙ্গে খেলত। দেবাসুরের সমুদ্রমন্থনকালে এঁরা সমুদ্র থেকে উত্থিত হয়েছিলেন। কথিত আছে, দেবতা ও অসুরের সমুদ্রস্নানের সময় গণিকারা সমুদ্রের ভিতর থেকে অসংখ্য নারীর সঙ্গে উঠে আসেন। কিন্তু এইসব গণিকাদের কী দেবকুল কী অসুরকুল, কেউই গ্রহণ করতে রাজি হলেন না। তাহলে সমুদ্র থেকে উত্থিত এই নারীদের ভবিষ্যৎ কী? অতএব গ্রহণ করা না-গেলেও পণ্য করে নিতে কোনো বাধা নেই। প্রভাবশালী মানুষদের যৌন-বিনোদনের জন্য বিতরণ করা যেতেই পারে। একই সঙ্গে শরীরী ফাঁদ পেতে ধনী ও প্রভাবশালী পুরুষদের বিভ্রান্ত করাই হবে এঁদের কাজ।

    অধিকাংশ স্বৰ্গবেশ্যার স্বামী ছিলেন গন্ধর্বরা। তবে অপ বা জল থেকে উৎপন্ন হননি, এমন কিছু অতুলনীয় নারীকেও স্বৰ্গবেশ্যা হিসাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। এঁদের মধ্যে স্বর্গের কিছু স্বাধীনা স্বৰ্গবেশ্যাও আছেন। এঁদেরকে সপ্তম মনু সৃষ্টি করেছিলেন বলে জানা যায়। এদের সংখ্যা প্রায় ৬০,০০০। এই ৬০,০০০ স্বৰ্গবেশ্যাদের অধিপতি ছিলেন কামদেবতা। এঁরা নৃত্যকলায় পারদর্শী ছিলেন। অধিকাংশ সময় গন্ধর্বদের সঙ্গে এঁরা ইন্দ্রের সভায় নর্তকী হিসাবে নৃত্য প্রদর্শন করতেন।

    ভরত মুনির নাট্যশাস্ত্রের প্রথম অধ্যায় ৪৫-৫০ শ্লোকে পাওয়া যায়, ব্রহ্মা ভরতকে কৌশিকীনৃত্তির জন্য শিবের নৃত্য থেকে শৃঙ্গাররসের উপযোগী কোমল অঙ্গহার, আত্মা রস, ভাব ও ক্রিয়া নামক উপাদান দেন। এ সকল উপাদান নারী ছাড়া পুরুষ এককভাবে প্রয়োগ করতে পারে না। তাই ব্রহ্মা কিছু নিপুণ অপ্সরা তৈরি করলেন। এই অপ্সরা ছিলেন মঞ্জুকেশী, সুকেশী, মিশ্রকেশী, সুলোচনা, সৌদামিনী, দেবদত্তা, দেবসেনা, মনোরমা, সুদতী, সুন্দরী, বিদগ্ধা, সুমালা, সন্ততি, সুনন্দা, সুমুখী, মাগধী, অর্জুনী, সরলা, কেরলা, ধৃতি, নন্দা, সুপুষ্কলা ও কলভা। হিন্দু পৌরাণিক কাহিনিগুলোতে যে সমস্ত স্বৰ্গবেশ্যা বা অপ্সরার নাম পাওয়া যায়, তাঁরা হলেন—অদ্রিকা, অরুণা, অর্জুনী, অলম্বুষা, অসিতা, উর্বশী, কলভা কেরলা, ঘৃতাচী, জানপদী, তিলোতমা, দেবদত্তা, দেবসেনা, ধৃতি, নন্দা, নাগদত্তা, পুঞ্জিকাস্থলা, বিদগ্ধা, বিদ্যুৎপর্ণা, বিশ্বাচী, পঞ্চচূড়া, পূর্বচিত্তি, মঞ্জুকেশী, মনোরমা, মাগধী, মিশ্রকেশী, মেনকা, রম্ভা, রুচিরা, সরলা, সুকেশী, সুদতী, সুনন্দা, সন্ততি, সুন্দরী, সুপুষ্কলা, সুবাহু, সুমধ্যা, সুমালা, সুমুখী, সুলোচনা, সোমা, সৌদামিনী, হেমা প্রমুখ। এঁদের মধ্যে মেনকা, উর্বশী, রম্ভা ও তিলোত্তমা হলেন অন্যতম। পুরাণে নানা রকম নারী আছে। স্বৰ্গবেশ্যা নারী, সতী নারী, ছলনাময়ী নারী, রহস্যময়ী নারী। পুরাণ থেকে নারী সরিয়ে দিলেই তা আর পুরাণ থাকে না।

    খুব সুন্দরী মেয়েদের ‘অপ্সরা সুন্দরী’ বলার সময় কি কাদের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে সুন্দরীদের ভাবা হয়? সে যাই হোক, এইসব অপ্সরারা যে অতীব সুন্দরী ছিলেন, এটা মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত। তাঁরা শুধু অতীব সুন্দরী ছিলেন, তা নয়। তাঁরা নৃত্য ও সংগীতেও পারদর্শিনী ছিলেন। ইন্দ্রের সভায় এঁদের গায়িকা ও নর্তকী হিসাবে পাই। এঁদের উপস্থিতিতে ইন্দ্রের সভা সর্বদাই ঝলমলে থাকত। স্বর্গের গণিকাদের অধিপতি ছিলেন স্বয়ং কামদেব। তাই কামদেব এইসব গণিকাদের যৌনপ্রতিমা করে গড়ে তুলেছিলেন। মোদ্দা কথা, গণিকা মানেই সাক্ষাৎ যৌনপ্রতিমা। যৌনক্রিয়ায় ইচ্ছাপূরণ দেবী যেন। তথাকথিত দেবতারা আসন্ন বিপদের ঘ্রাণ পেলেই সেই বিপদ থেকে মুক্তি পেতে পরমা সুন্দরী গণিকাদের লেলিয়ে দিত। এই লেলিয়ে দেওয়ার কাজটি করতেন স্বয়ং ইন্দ্র। দেবরাজ ইন্দ্র প্রায়ই এঁদের পাঠিয়ে দিত মুনি-ঋষিদের প্ররোচিত ও প্রলোভিত করে ধ্যানভঙ্গ করার জন্য। কারণ তাঁদের ধ্যান সমাপ্ত হলে তাঁরা যদি প্রবল পরাক্রান্ত হয়ে ওঁর ইন্দ্ৰত্ব (ইন্দ্রত্ব’ বিষয়টি আর কিছু নয়। ইন্দ্রত্ব একটি পদমাত্র। ইন্দ্রের পদ এবং ঐশ্বর্য ) দাবি করে বসে! গণিকারা ছলা আর কলায় তাঁদের বিভোর করে কাজ হাসিল করে নিত। এইসব গণিকারা মুনি-ঋষিদের ধ্যান ভাঙাতেন। কেন ধ্যান ভাঙাতেন? উদ্দেশ্য কী? কারণ বৈদিক যুগে কঠোর তপস্যার বলে কখনো-কখনো দেবতাদের চেয়েও বেশি ক্ষমতাধর উঠতেন মুনি-ঋষিরা। যাতে তাঁরা দেবতাদের চেয়ে ক্ষমতাধর হয়ে না-পড়েন, সেই কারণেই গণিকাদের নিয়োগ করা হত। এমনকি অসুরদের কবজা করতেও এঁদের নিয়োগ করা হত।

    পাঠকগণ, আলোচনায় দেবতা প্রসঙ্গে বিভ্রান্ত হবেন না। হিন্দুসমাজের দেবতা কোনো অশরীরী, অলৌকিক কোনো বিষয় নয়। কিছু নিছক কাল্পনিক হলেও বেশিরভাগই শরীরী, রক্তমাংসের অস্তিত্ব। দেবতাদের জন্ম আছে, পূর্বাপর-সম্বন্ধ আছে। এক দেবতা থেকে আর-এক দেবতার জন্ম আছে। প্রায় সব বিষয়েই মানুষের সঙ্গে দেবতাদের মিল দেখা যায়। তাই হিন্দুধর্মের দেবতাদের মধ্যে মানুষেরই প্রতিরূপ পাওয়া যায়। সেই কারণে পুরাণের বর্ণিত দেবতারা মানুষের মতো দোষেগুণে (ষড়রিপু = কাম, ক্রোধ, লোভ, মোহ, মদ ও মাৎসর্য) গড়ে উঠেছে। আবার অনেক দেবতা সাধারণ মানুষ থেকেও জন্মেছেন। তাই আহার-বিহার, যানবাহন, বসন-ভূষণ প্রভৃতি ব্যাপারে অনেক দেবতা মানুষের কাছাকাছি। ইতিহাস থেকে আমরা দুই ধরনের দেবতাদের পাই–(১) আর্য দেবতা এবং (২) অনার্য দেবতা। বস্তুত পুরাণ থেকে আমরা প্রচুর দেবতার কাহিনি পাই। বিভিন্ন অলৌকিক কাণ্ডকারখানার মধ্য দিয়ে এই দেবদেবীদের প্রকাশ। এত দেবদেবতার প্রাবল্য একমাত্র সনাতন ধর্মেই দেখা মেলে। তবে গ্রিস ও রোমেও দেবদেবতাদের আধিক্য দেখা যায় যাঁদের দেখতে অবিকল মানুষের মতোই। সনাতনী দেবতারাও মানুষের রূপধারী। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মানুষই দেবতায় উন্নীত হয়েছে সনাতন ধর্মে। আজও মানুষ দেবতায় উন্নীত হয়–ভগবান রজনীশ, ভগবান চন্দ্রস্বামী, ভগবান সাঁইবাবা, ভগবান আশারাম, ভগবান সারথীবাবা ইত্যাদি!!! ভগবান মনু রাজাদেরও দেবতা বা দেবতারূপী বলেছেন। বস্তুত প্রাচীন যুগে রাজা বা শাসকরাই ছিলেন স্বঘোষিত ভগবান। এঁরা পুজো পান। ভক্তদের কাছে অমিতাভ বচ্চনও দেবতা। কলকাতাতেই অমিতাভ বচ্চনের মূর্তি গড়ে মন্দির বানিয়ে পুজো দেওয়া হয়। আবার গুজরাটে গান্ধি হত্যাকারী নাথুরাম গডসেকেও মূর্তি গড়ে মন্দির বানিয়ে পুজো দেওয়া হয়। আসুন, কতিপয় স্বৰ্গবেশ্যাদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিই।

    মেনকা : মহাঋষি বিশ্বামিত্রের ধ্যান ভাঙার জন্য গণিকা মেনকাকে নিয়োগ করা হয়েছিল। মেনকা নগ্ন হয়ে কামনামদির নৃত্য প্রদর্শন করে কামশৃঙ্গারে বিশ্বামিত্রকে বিচলিত করেছিল। তারই ফলস্বরূপ বিশ্বামিত্র গণিকা মেনকার সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হতে বাধ্য হন এবং শকুন্তলার জন্ম দেন। যেহেতু এই ধরনের সম্পর্ক এবং সম্পর্কের ফলে জন্মানো সন্তান সমাজ স্বীকৃত নয়, সেহেতু সেই সদ্যজাত শিশুকে মালিনী নদীর তীরে নিক্ষেপ করে মেনকা পালিয়ে যায়। পালাবেই না-কেন, মেনকা তো মা হওয়ার আকাঙ্ক্ষায় জন্ম দেননি। তিনি আজ্ঞাবাহক মাত্র। ঋষির ধ্যান ভাঙতে সফল হয়েছেন, সেইসঙ্গে তাঁর দায়িত্ব ও কর্তব্যও শেষ হয়েছে।

    হিন্দুধর্ম মতে, ব্রাহ্মণগণ কঠোর তপস্যার ফলে দেবতা পদে উন্নীত হতে পারতেন। বিশ্বামিত্র তেমনই একজন ব্রাহ্মণ, দোর্দণ্ডপ্রতাপ। দেবরাজ ইন্দ্র তাঁকে যেমন সমীহ করতেন, তেমনি ঈর্ষাও করতেন। ভয়ও করতেন। ইন্দ্র সর্বদাই এক আতঙ্কে ভুগতেন, এই বোধহয় কেউ এসে তাঁর সিংহাসন ও পদ দখল করে নিল। ইন্দ্র আশঙ্কায় থাকতেন, ইন্দ্রের রাজ্যে বিশ্বামিত্র হানা দিতে পারেন। বিশ্বামিত্র তপস্যায় মগ্ন হলে ইন্দ্র বিশ্বামিত্রের ধ্যান ভাঙার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হন। হাতিয়ার করলেন গণিকা মেনকাকে। বিশ্বামিত্রের ধ্যানভঙ্গের জন্য মেনকাকে নির্দেশ দিলেন। অবাক হওয়ার কিছু নেই। সেই ট্র্যাডিশন আজও সমানভাবে চলছে। আজও বিভিন্ন কার্যসিদ্ধির উদ্দেশ্যে নেতা-মন্ত্রী-ধনী-পুঁজিপতিরা গণিকাদের রূপ-যৌবনকে কাজে লাগায়। এমনকি সেনানায়কদেরও কুপোকাৎ করে গোপন নথি সরিয়ে ফেলা হয়। গণিকা নিয়োগের মাধ্যমে কত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে যাচ্ছে, তার হিসাব কে রেখেছে! খেলোয়াড়দের মনোযোগ নষ্ট করার জন্য নারীকে নগ্ন করিয়ে মাঠের মাঝখান দিয়ে দৌড় করানোর রেকর্ড তো আছেই। খেলোয়াড়দের নারীমাংসের আবেশে ভুলিয়ে রাখার জন্য কত গণিকা যে হোটেল পর্যন্ত হানা দেয়!

    কালিকাপুরাণে আমরা মেনকাকে দক্ষকন্যা সতীর সখী হিসাবে পাই। মহাভারতেও মেনকাকে পাই গন্ধর্বরাজ বিশ্বাবসুর স্ত্রী হিসাবে। বিশ্বাবসু ও মেনকার মিলনে এক কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। সেই কন্যাকে মহর্ষি স্থূলকেশের আশ্রমের পাশে বয়ে চলা এক নদীতীরে চলে যান। মহর্ষি সেই পতিত কন্যা দেখতে পেয়ে তাঁকে আশ্রমে এনে লালনপালন করতে থাকেন। নাম দেন প্রমদ্বরা। প্রমদ্বরা মহাভারতে উল্লিখিত বিখ্যাত রাজা রুরুর স্ত্রী।

    উর্বশী : উর্বশী নাকি নারায়ণের উরু থেকে জন্ম নিয়েছেন। সে যেখান থেকেই জন্ম নিক, ইনি একজন স্বনামখ্যাত স্বর্গের পরমা সুন্দরী গণিকা। শতপথব্রাহ্মণে উর্বশী ও পুরূরবার প্রেমকাহিনি আছে। এই কাহিনি ঋগবেদেও কিছুটা পাওয়া যায়। সেই কাহিনি এখানে উল্লেখ করার প্রাসঙ্গিকতা নেই। পদ্মপুরাণে আছে, বিষ্ণু ধর্মপুত্র হয়ে পর্বতে তপস্যা করছিলেন। তাঁর এই তপস্যায় ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পড়লেন। অতএব বিষ্ণুর তপস্যায় বিঘ্ন ঘটাতে হবে। ভাবনার বাস্তবায়ন করতে ইন্দ্র কয়েকজন গণিকার সঙ্গে বসন্ত ও কামদেবকে চক্রান্তে নিয়োগ করলেন। তাঁদের পাঠিয়ে দিলেন বিষ্ণুর ধ্যানভঙ্গ করতে। বলা হয়েছে, সেই দল তপস্যা ভঙ্গে ব্যর্থ হলে স্বয়ং কামদেব অন্যান্য গণিকাদের উরু থেকে উর্বশীকে সৃষ্টি করলেন এবং বিষ্ণুর ধ্যানভঙ্গ করতে পাঠিয়ে দিলেন। এর কার্যসিদ্ধি হল। কার্যসিদ্ধি করলেন গণিকা উর্বশী ধ্যান ভাঙলে বিষ্ণু উর্বশীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। উর্বশী রাজি হয়ে যান। উর্বশীর পতন হল পরে। না, বিষ্ণুর কারণে নয়। উর্বশীর পতন হল মিত্র ও বরুণের অভিশাপে (পড়ুন নির্দেশে)। বিষ্ণুর কিছু পরে মিত্র ও বরুণ উর্বশীকে কাছে পেতে চাইলেন। উর্বশী তা প্রত্যাখ্যান করেন। সেই অপরাধে উর্বশীকে মনুষ্যভোগ্যা করে মর্ত্যলোকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। কারোকে প্রত্যাখ্যানের অধিকার গণিকার নেই। তাই এই চরমতম শাস্তি।

    রম্ভা : রম্ভা হলেন স্বর্গগণিকাদের মধ্যে অন্যতম। রম্ভা নামের মানে কলাগাছের মতো পুষ্ট যে নারীর উরু। রামায়ণের উত্তরকাণ্ডে উল্লেখ আছে, লঙ্কেশ্বর রাবণ পথে রম্ভাকে একা পেয়ে জোরপূর্বক যৌনসঙ্গম করেন। রম্ভা কুবেরের পুত্র নলকুবেরের কাছে অভিসারে যাওয়ার সময় রম্ভাকে দেখে কামদগ্ধ হয়ে পড়ে রাবণ। লঙ্কেশ্বর রাবণ সংযম হারিয়ে খোলা আকাশের নীচেই রম্ভাকে ধর্ষণ করেন। এরপর রম্ভা নলকুবেরের কাছে পৌঁছে সমস্ত ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা করেন। সেই অপরাধে নলকুবের রাবণকে অভিসম্পাত করেন–রাবণ যদি কখনো নারীকে বলপ্রয়োগ করে ধর্ষণ করবে, তখনই তাঁর মাথা সাত খণ্ডে বিভক্ত হয়ে যাবে।

    স্কন্ধপুরাণে উল্লেখ আছে, বিশ্বামিত্রের তপস্যায় ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে দেবরাজ ইন্দ্র গণিকা রম্ভাকে নিয়োগ করেন। কিন্তু ইন্দ্র এই অপারেশন চরমভাবে ব্যর্থ হন, সেইসঙ্গে বিশ্বামিত্রের ক্রোধে বিশ্বামিত্রের আশ্রমে রম্ভা ১০০০ বছরের জন্য শিলায় পরিণত হন। বিশ্বামিত্রের আশ্রমে যেসময় রম্ভার শিলারূপে অবস্থান করছিলেন, সেসময় অঙ্গকার নামে রাক্ষুসী নানারকম উপদ্রব করছিলেন। সেসময় ওই আশ্রমে তপস্যারত শ্বেমুনি বায়ব্য অস্ত্রে ওই শিলারূপী রম্ভাকে দু-টুকরো করে রাক্ষুসীকে লক্ষ করে নিক্ষেপ করেন। রাক্ষুসীর মৃত্যু হয়। রম্ভা আবার নিজরূপ ফিরে পান। স্কন্ধপুরাণের অন্য এক কাহিনি বলছে, ইন্দ্রের সভায় নৃত্য পরিবেশনের সময় রম্ভার তালভঙ্গ হয়। ইন্দ্র ক্ষুব্ধ হন এবং রম্ভাকে স্পন্দনহীন বিকলাঙ্গ করে সভা থেকে বহিষ্কার করে ভূতলে নিক্ষেপ করেন। গণিকার ভুল হতে নেই যে। পরে অবশ্য ব্ৰহ্মর্ষি নারদের পরামর্শে শিবকে সন্তষ্ট করে ইন্দ্রলোকে ফিরে আসতে সক্ষম হন।

    অন্য এক পুরাণে উল্লেখ আছে, জাবালি মুনির তপস্যা ভঙ্গ করতে ইন্দ্র গণিকা রম্ভাকে নিয়োগ করেন। রম্ভা ইন্দ্রের ষড়যন্ত্র সফল করেন। রম্ভার রূপ-যৌবনে কামমোহিত হয়ে জাবালি মুনির সঙ্গে যৌনকর্মে লিপ্ত হন। এর ফলে মুনির ঔরসে রম্ভা এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। জাবালি এই কন্যার প্রতিপালন করেন। কন্যার নাম দেন ফলবতী। জাবালি মুনি বিশ্বামিত্রের মতোই অসংযমী হলেও বিশ্বামিত্রের মতো নিজ সন্তানকে প্রত্যাখ্যান করেননি। তবে বিশ্বামিত্রের সময়ে মেনকা যে কাজটি করেছেন, রম্ভাও সেই কাজ করেছেন। নিজ সন্তানকে ত্যাগ করে চলে যান। সেটাই স্বাভাবিক। তাঁরা গণিকাধর্ম পালন করেছেন, সন্তানের মা হতে নয়।

    তিলোত্তমা : কালিকাপুরাণে আমরা গণিকা তিলোমাকে পাই। অপরূপা গণিকাদের মধ্যে অন্যতম। দৈত্যরাজ নিকুম্ভের দুই পুত্র সুন্দ ও উপসুন্দকে রূপের জালে ফাঁসানোর জন্য তিলোত্তমাকে নিয়োগ করা হয়েছিল। সুন্দ ও উপসুন্দ দুই ভাই ত্রিলোক বিজয়ের জন্য কঠোর তপস্যার মাধ্যমে ব্রহ্মার কাছে অমরত্ব প্রার্থনা করেন। কিন্তু ব্রহ্মা এঁদেরকে অমরত্ব দানে মোটেই রাজি নন। শেষপর্যন্ত অমরত্ব দিতেই হল, তবে তা কৌশল করেই। বলা হল, স্থাবর-জঙ্গমের কোনো প্রাণীই তাঁদের কোনো ক্ষতি করতে পারবে না। এ পর্যন্ত এটা একপ্রকার অমরত্ব বলেই ভ্রম হতে পারে। মৃত্যুহীন জীবনযাপন করতে পারবে তা কি হয়? অর্থাৎ এরপর সংযোজন করা হল–তাঁদের মৃত্যু তখনই হবে, যখন দুই ভাই পরস্পর পরস্পরের হাতে হত্যা করবে। সুন্দ ও উপসুন্দ দুই ভাইয়ের মধ্যে এত ভাব-ভালোবাসা ছিল যে, এঁরা স্বপ্নেও ভাবতে পারেনি এক ভাইয়ের দ্বারা অন্য ভাইয়ের ন্যূনতম ক্ষতি হতে পারে। তাই অমরত্বের দাপটে স্বর্গলোকে দাপিয়ে বেড়াতে লাগল। ওঁরা স্বপ্নে কখনো ভাবতে না পারলেও বরদাতা ব্রহ্মা সেই ব্যবস্থা করে নিলেন, যাতে দুই ভাইয়ের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। টোপ হিসাবে ব্যবহার করা হল যৌন-আবেদনময়ী লাস্যময়ী নারীকে। এতটাই যৌন-আবেদনময়ী নারীকে ব্যবহার করা হল, তেমন নারী গোটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডেও দেখা গেল না। তাই স্বয়ং ব্রহ্মা স্পেশাল নারী সৃষ্টি করলেন, যিনি স্বর্গীয় সুন্দরী তিলোত্তমা। যাঁকে দেখে পাথর পর্যন্ত গলে যাবে, আর সুন্দ ও উপসুন্দ তো রক্তমাংসের! ত্রিভুবনের সমস্ত উত্তম বস্তু তিল তিল করে সংগ্রহ করে ব্রহ্মা এই তিলোত্তমাকে সৃষ্টি করলেন। সুন্দ ও উপসুন্দকে নিকেশ করতে নিয়োগ করা হল তিলোত্তমাকে। পরমা সুন্দরী তিলোত্তমা দুই ভাইয়ের সামনে সম্পূর্ণ নগ্ন উপস্থিত হয়ে নৃত্য শুরু করে দিলেন। তিলোতমার ভুবনমোহিনী রূপ আর কামোদ্দীপক দেহবল্লরীর ঝাঁকুনিতে দুই ভাই বিমূঢ় হয়ে পড়লেন। দুজনেই তিলোত্তমাকে কাছে পেতে চাইলেন। কিন্তু একজন নারীকে দুইজন কীভাবে পেতে পারে! তার উপর এইসব গণিকারা যত জনের সঙ্গেই যৌনমিলন করুক না-কেন, এঁরা পুনরায় কুমারীত্ব ফিরে পায়। এরা সসময়ই কুমারী। এ স্বাদের তো ভাগও করা সম্ভব নয়। অতএব যুদ্ধ, এক নারীকে পাওয়ার জন্য দুই ভাইয়ের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল। যুদ্ধে দুই ভাইয়েরই মৃত্যু হল একে অপরের শাণিত অস্ত্রে। বোধহয়, স্বয়ং ঈশ্বর গণিকা সৃষ্টি করলেন কামুক পুরুষদের ধ্বংসের জন্য।

    ঘৃতাচী : স্বর্গের আরও একজন গণিকার কথা না বললেই নয়। তিনি ঘৃতাচী। ইন্দ্রের হুকুমে ইনিও নিজের নগ্ন রূপ দেখিয়ে প্রচুর মুনি-ঋষিদের তপস্যাকর্মে জল ঢেলে দিয়েছেন। ঘৃতাচী এতটাই যৌন-আবেদনময়ী ছিলেন যে, তাঁকে দেখামাত্রই পুরুষদের বীর্যপাত হয়ে যেত। যেমন-তেমন পুরুষ নয় এমন মুনি-ঋষিদেরও একই হাল হত। ঘৃতাচীকে দেখে ভরদ্বাজ ঋষিরও বীর্যপাত হয়ে যায়। এই পতিত বীর্যেই দ্রোণের জন্ম হয়। ইনিই মহাভারতের দ্রোণাচার। অপরদিকে চ্যবন ও সুকন্যার পুত্র প্রমতির সঙ্গে ঘৃতাচী যৌনমিলন হয় এবং রুরুর জন্ম হয়।

    একবার ব্যাসদেব সুমেরু পর্বত থেকে নিজ আশ্রমে ফিরে হোমের আয়োজন করছিলেন। সেসময় সেই হোম অনুষ্ঠানে গণিকা ঘৃতাচী এসে উপস্থিত হন। ঘৃতাচীকে দেখামাত্রই ব্যাসদেব কামাতুর হয়ে পড়েন। এমতাবস্থায় অনিবার্য ধর্ষণের আশঙ্কায় ঘৃতাচী পড়িমরি করে অকুস্থল থেকে পালিয়ে যান শুকপাখির রূপ ধরে। কিন্তু চরম কামোত্তেজনায় ব্যাসদেবের বীর্যপাত হয়ে যায়। সেই বীর্য অরণির (অরণি হল একপ্রকার কাঠ, যে কাঠের ঘর্ষণে আগুন জ্বলে) উপর ছিটকে গিয়ে পতিত হয়। ব্যাসদেব সেই অরণি মন্থন করতে শুরু করে দিলেন। মন্থনের ফলে এক শিশুপুত্রের জন্ম হয়। ঘৃতাচীকে স্মরণ করে সেই শিশুপুত্রের নাম রাখেন শুক। স্বর্গের সব গণিকাদের নিয়ে আলোচনা করাই যেত। কিন্তু তাতে কলেবর বৃদ্ধি হয়, লাভ কিছু হয় না। কয়েকজন গণিকার বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করলাম স্বর্গের গণিকাদের বিষয়ে কিঞ্চিত আভাস দেওয়ার জন্য। আর-একটু সংযোজন করি। এইসব অনন্তযৌবনা গণিকারা দেবরাজ ইন্দ্রের নির্দেশে গুপ্তচরবৃত্তি ও গুপ্তহত্যার কাজে নিযুক্ত হতেন। রামায়ণেও প্রচুর গণিকার উল্লেখ আছে, যাঁরা গুপ্তচর বৃত্তির কাজে নিয়োজিত ছিল। রামচন্দ্রের অভিষেকের সময় প্রচুর গণিকা অংশগ্রহণ করেছিলেন। রামায়ণের যুগে বিশিষ্ট অভ্যাগতদের অভ্যর্থনায় রাজপরিবারের মানুষদের মৃগয়ায় গণিকাদের নিয়োগপ্রথার প্রচলন ছিল। গণিকা কর্তৃক ঋষ্যশৃঙ্গ মুনির প্রলোভনের আখ্যান রামায়ণে সুখ্যাত হয়ে আছে।

    মহাভারতের যুগে এমন জনা পাঁচেক মুনি-ঋষির নাম পড়ে পড়ছে, যাঁরা গণিকাদের শরীরী ছলনায় বশীভূত হয়ে কামার্ত হয়ে যৌন-সংসর্গ করেছিলেন। এঁরা হলেন–বিশ্বামিত্র, শরদ্বান, ভরদ্বাজ, ব্যাস, বশিষ্ঠ, পরাশর, দীর্ঘতমা প্রমুখ। মহাভারতের যুগে অপরাপর সম্মানজনক বৃত্তিগুলির মধ্যে গণিকাবৃত্তি ছিল অন্যতম। রাজদরবারে ও বিবিধ রাজকীয় অনুষ্ঠানে গণিকাদের উপস্থিতি ছিল অপরিহার্য। এঁরা মনোহর রত্ন, সোনা ও মণিমুক্তাখচিত অলংকারাদি ও মহামূল্য পোশাকে আচ্ছাদিত হয়ে রাজপথে অবাধে বিচরণ করতেন। যে-কোনো অনুষ্ঠানে ও শোভাযাত্রায় আয়োজন হলে পুরোভাগে বস্ত্রালংকার শোভিত সুন্দরী গণিকারা থাকতেন।

    শুধু সুরলোকেই নয়, অন্যত্র গণিকাদের প্রয়োজনীয়তা ছিল যথেষ্ট, উপস্থিতিও ছিল লক্ষ্যণীয়। মহাভারতে তৃষ্টা নামক এক ঋষির কথা জানা যায়। ত্বষ্টার পুত্র ছিলেন ত্রিশিরা। ত্রিশিরা ছিলেন মদ্যপ ও নিষ্ঠাবান ধার্মিক। তাঁর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বর্গলোক জয়। যেহেতু স্বর্গলোকের চৌকিদার স্বয়ং ইন্দ্র, সেইহেতু ইন্দ্রের ভয়ের কারণ হল ত্রিশিরা। উপায় খুঁজতে রূপবতী গণিকাদের শরণাপন্ন হলেন পুরন্দর ইন্দ্র। ত্রিশিরার তপস্যা ভঙ্গ করতে সুন্দরী গণিকাদের কাজে লাগালেন দেবরাজ। এখনকার মতো মহাভারতের যুগেও সমরসম্ভারের সঙ্গে সৈন্যশিবিরে সুন্দরী গণিকাদের স্থান দেওয়া হত। সেনাদের একঘেয়েমি নিবারণ ও যৌনক্ষুধা মেটানোর জন্য এঁদের মজুত রাখা হত। যুযুধান দুইপক্ষ পাণ্ডব ও কৌরব সেনাশিবিরে অসংখ্য সৈন্যদের বিনোদন ও মনোরঞ্জনের জন্য শত সহস্র গণিকা নিয়োগ করা হয়েছিল। পাণ্ডব সেনাশিবিরে যেসব ‘বেশস্ত্রী’ অর্থাৎ বেশ্যা বা গণিকা নিয়োগ করা হয়েছিল। তাঁদের সুযোগসুবিধা যা কিছু দেখভালের দায়িত্ব সবই ধর্মরাজ যুধিষ্ঠিরের উপর ন্যস্ত ছিল। রামায়ণে রামচন্দ্রের জন্য যে স্বতন্ত্র সৈন্যবাহিনী গঠন করা হয়েছিল, সেই বাহিনীতে বিবিধ সমরসম্ভারেও অজস্র যৌবনবতী গণিকা নিয়োগ করা হয়েছিল।

    শুধু হিন্দুধর্মেই নয়, আমরা ইসলাম ধর্মেও স্বৰ্গবেশ্যাদের কথা জানতে পারি, যাদের হুরপরি বলা হয়। বেহেশতকামীদের লোভ দেখাতেই এই স্বৰ্গবেশ্যাদের উপস্থাপনা। যাদের সঙ্গে বেহেশতবাসী পুরুষরা অনন্তকাল সেক্স করতে পারবে। মাসের পর মাস তাঁরা সেক্স করবে, কিন্তু সেই সেক্স কোনোদিন শেষ হবে না। তাঁরা ক্লান্ত হবে না, সেই বেশ্যারাও ক্লান্ত হবে না। কেমন হবে সেই গণিকারা? কেমন বর্ণনা দেওয়া হয়েছে সব বেশ্যাদের? স্বৰ্গবেশ্যাদের শারীরিক বর্ণনা যা পাওয়া যায়, তা হচ্ছে অনেকটা এরকম–

    প্রত্যেক বেহেশতবাসীকে দেওয়া হবে ৭২টি অনিন্দ্য সুন্দরী হুরপরি তাঁদের ভোগের জন্য। বেহেশতবাসীরা যে কোনো বয়সেই মারা যাক না-কেন, তাঁরা যখন বেহেশতে প্রবেশ করবে তখন তাঁদের বয়স হবে ৩০ বছরের যুবকের মতো এবং তাঁদের বয়সের আর কোনো পরিবর্তন হবে না; আর প্রত্যেক বেহেশতবাসীকে ১০০টি শক্তিশালী পুরুষের সমান যৌনশক্তি দান করা হবে (তিরমিজি, অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ১৩৮)। হজরত আলি বর্ণনা করেছেন, নবি বলেছেন যে বেহেশতে একটি মস্ত বড় খোলা বাজার থাকবে, যেখানে কোনো কেনাবেচা হবে না। সেখানে শুধুই থাকবে অতিসুন্দরী উন্নবক্ষা হুরপরিরা, যাঁরা ফলের দোকানের মতো সেজেগুজে বসে থাকবে বেহেশতবাসীদেরকে আকর্ষণ করার জন্য। বেহেশতবাসীদের পছন্দ হলেই তৎক্ষণাৎ তাঁরা সেই হুরির সঙ্গে যৌনকর্ম শুরু করে দেবে ঠিক সেখানেই (সহি হাদিস, অধ্যায় ৪, পৃষ্ঠা ১৭২, নং ৩৪)। হুরপরিরা এত বেশি সুন্দরী ও রূপসী হবে যে, তাঁরা যদি আকাশের জানালা দিয়ে পৃথিবীর দিকে তাকায়, তাহলে সমস্ত দুনিয়া আলোকিত হবে এবং সুঘ্রাণে ভরে যাবে আকাশ ও পৃথিবীর মাঝখানের সব জায়গা। একজন হুরির মুখমণ্ডল হবে আয়নার চেয়েও মসৃণ বা পরিষ্কার, যাতে নিজ চেহারা দেখতে পাবে এবং হুরির পায়ের মজ্জা দেখা যাবে খালি চোখে (মিসকাত অধ্যায় ৩, পৃষ্ঠা ৮৩-৯৭)। একজন হুরি অনিন্দ্যসুন্দরী যুবতী, যাঁর শরীর হবে আয়নার মত স্বচ্ছ বা মসৃণ। তাঁর পায়ের হাড়ের ভেতরের মজ্জা দেখতে পাওয়া যাবে যেন মণি-মুক্তোর ভিতরে রেখার মতো। তাঁকে মনে হবে একটি সাদা গ্লাসে রাখা লাল মদের মতো। সে হবে সাদা রঙের দুধে আলতা মিশানো এবং তাঁর কখনো হায়েজ (মাসিক), মলমুত্র ত্যাগ, গর্ভবতী হওয়া ইত্যাদি কিছুই হবে না। হুরি হবে অল্পবয়স্কা, যাঁর স্তনযুগল হবে বড়ো বড়ো ও গোলাকার, যা কখনোই ঝুলে পড়বে না; সবসময় তীরের মতো তীক্ষ্ণ থাকবে। এসব হুরিরা থাকবেন এক অতি উজ্জ্বল এবং জৌলুসপূর্ণ জায়গায় (তিরমিজি, অধ্যায় ২, পৃষ্ঠা ৩৫ ৪০)।

    আবু ওমামা বলেছেন যে, আল্লাহর রসুল বলেছেন—“আল্লাহ যাকে ইচ্ছা বেহেশতে স্থান দেবেন এবং প্রতিটি বেহেশতবাসীকে বিবাহ দেবেন ৭২ জন অনিন্দ্যসুন্দরী রমণীয় সঙ্গে; যাঁদের মধ্যে দুইজন হবে চিরকুমারী আয়তলোচনা এবং বড়ো বড়ো চোখওয়ালা হুরি এবং বাকি ৭০ জন হবে উত্তরাধিকার, যা সে লাভ করবে জাহান্নমবাসীদের গনিমতের মাল থেকে। প্রত্যেকটি সুন্দরী রমণীর থাকবে খুব সুখদায়ক যৌনাঙ্গ এবং বেহেশতি পুরুষের যৌনাঙ্গ সর্বদাই শক্ত ও খাড়া হয়ে থাকবে, কখনো বাঁকা হবে না যৌনতার সময়। অর্থাৎ মূলত পুরুষাঙ্গটি সবসময়ই হুরপরিদের যোনির ভিতরে প্রবিষ্ট থাকবে পালাক্রমে একের পর এক প্রায় ৭০ বছর ধরে (হাদিস নং ৪৩৩৭ ইবনে মাজাহ, ভলিউম ৫, পৃষ্ঠা ৫৪৭)। আবু উমামা কর্তৃক বর্ণিত, আল্লাহর রসুল বলেছেন–“আল্লাহ যাঁদের জান্নাতে প্রেরণ করবেন, তাঁদের প্রত্যেককে ৭২ জন হুরির সঙ্গে বিবাহ দেওয়া হবে; যাঁর দুটি হুরি এবং বাকি সত্তরখানা হবে জাহান্নামবাসীদের সম্পত্তির। তাঁদের সকলের থাকবে কামুক যৌনাঙ্গ এবং তাঁর লিঙ্গ থাকবে অনন্তকাল উত্থিত [সুনান ইবনে মাজা, যুহদ (Book of Abstinence) ৩৯]। দারাজ ইবনে আবি হাতিম কর্তৃক উল্লেখিত, আবু সাইদ আল-খুদরির কাছ থেকে প্রাপ্ত, আবু আল-হায়থাম আবদুল্লাহ ইবনে ওহাব কর্তৃক বর্ণিত, যিনি শুনেছেন, নবি বলেছেন–“জান্নাতের সবচেয়ে ছোটো পুরস্কার হবে একটি প্রাকৃতিক ঘর, যেখানে আট হাজার ভৃত্য এবং ৭২ জন হুরি থাকবে, যার গম্বুজ থাকবে মুক্তো, পান্না ও চুনি দ্বারা সজ্জিত, এবং যা প্রশ্বস্ত হবে আল-জাবিয়াহ থেকে সানার মধ্যকার দুরত্বের সমান (আল-তিরমিজি, ভল্যুম ৪, চ্যাপ্টার ২১, নাম্বার ২৬৮৭)। একজন হুরির সঙ্গে প্রতিবার শয্যাগ্রহণকালে আমরা তাঁকে কুমারী হিসেবে পাব। তাছাড়া জান্নাতিদের লিঙ্গ কখনো নমনীয় হবে না। এই লিঙ্গোত্থান হবে অনন্তকালের জন্য; প্রতিবার তোমরা যে আনন্দ উপভোগ করবে, তা হবে পরম তৃপ্তিদায়ক যা এই দুনিয়ার কেউ পায়নি, এবং তোমরা যদি সেই পুলক দুনিয়াতে থেকে লাভ করতে তাহলে অজ্ঞান হয়ে যেতে। নির্বাচিত প্রতিটি মুসলিম বান্দা তাঁদের পৃথিবীর স্ত্রীদের ছাড়া আরও ৭০ খানা হুরির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হইবে, এবং তাঁদের সকলের থাকবে অত্যন্ত কামুক যোনি। (আল-ইতকান ফি উলুম আল-কুরান, পৃষ্ঠা ৩৫১)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article শিখণ্ডী খণ্ড – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }