Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প555 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. দেবদাসীর অন্য নাম গণিকা

    দাসপ্রথারই একটা বিশেষ দিক এই দেবদাসী প্রথা। বিজয়ী জাতি বিজিত জাতিদের দাসে পরিণত করত। পুরুষ বন্দিরা দাস, নারীরা হত দাসী। দাসদের নিয়ে কী করা হত, সে বিষয়টি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়। তবে বিজিত বন্দি নারীরা হতেন ভোগের বস্তু। লালসা নিবৃত্তির যন্ত্র মাত্র। দাসত্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছেন নারী। অসম্মানিত হয়েছেন চরমভাবে। তাঁদের শরীর তাঁদের অধিকারে ছিল না। সেই অধিকার ছিল ভোগীদের। হাটে বিক্রি হত নারী। সেই হাটে নগ্ন করে দেখা হত নারী-শরীর। পছন্দ হলে ক্রেতারা ভোগের জন্য নিয়ে যেত। নারীদেহ চিরদিনই ভোগের সামগ্রী। বিংশ শতাব্দীর শেষপ্রান্তে এসেও এই পণ্য ব্যাবসায় ভাটা পড়েনি। এখান থেকেই শুরু হল দেবদাসীর চর্চা। এটি একটি ঘৃণিত প্রথা। ধর্মের মোড়কে বেশ্যাবৃত্তির মহান স্বীকৃতি। এরা নিতান্তই ভোগসুখের উপকরণ হিসাবে ব্যবহৃত হল মেয়েরা। রাজা, রাজপুরুষ মায় পুরোহিতদের যৌন-মনোরঞ্জন করাই হল এঁদের অবশ্য কর্তব্য। পুরোহিতদের পৌরোহিত্যেই এই পবিত্র’ প্রথা যুগ যুগ ধরে চলে এসেছে। আর এই যৌন-মনোরঞ্জনের আয়োজন হয় মন্দির বা দেবালয়ে। দেবতার নামে চলে নারীমাংসের উৎসব। শুধু ভারতেই নয়, এই প্রথা সারা বিশ্বজুড়ে চলে নানা মুখোশে, নানা রূপে। তবে ভারতে এই প্রথা ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল।

    নারীপণ্যের একটা বিশাল বাজারই হল মন্দির। মন্দিরে হত বলেই দেবদাসী, মন্দির ছাড়া অন্য কোথাও হলে ‘গণিকা’। ভারতীয় নারীসমাজ বহুকাল যাবৎ এই প্রথার কারণে অসম্মানিত এবং অত্যাচারিত। এই প্রথা কেন বিস্তার লাভ করেছে, অতীত ও বর্তমানের অবস্থা বোঝা ও জানা প্রয়োজন।

    মিশর পৃথিবীর প্রাচীনতম সভ্য দেশ বলে পরিচিত। এই দেশেই আমরা দেখতে পাই প্রথম দেবদাসী বৃত্তির কথা। আমন, আমনের স্ত্রী মুট এবং তাঁদের পুত্রসন্তান খোন সু–এই তিন দেবতার প্রতিষ্ঠা করেন মিশরের রাজারা। খ্রিস্টজন্মের প্রায় ১৪০০ বছর আগে রাজা তৃতীয় আমেস হোটেপ থিবস নগরীতে মহাসমারোহে মন্দির নির্মাণ করেন। মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমাণে ধনসম্পদ লুঠ করে এই মন্দির নির্মাণ এবং দেবতার ভোগের উপকরণের জন্য ব্যয় করেন। এই মন্দিরে দাসদাসীও প্রচুর মজুত ছিল। এই সময়ের একটি দলিল থেকে জানা যায়, তৃতীয় রামেসিস আমন মন্দিরের জন্য ৮৬,৪৮৬ জন দাসদাসী উৎসর্গ করেছিলেন। ‘Great Harris Papyrus’ নামে এই দলিলটি সম্ভবত মন্দিরে দেবদাসী নিয়োগের প্রামাণ্য দলিল।

    রামেসিস বংশের শেষ রাজার মৃত্যুর পর মিশরের শাসনভার যুগ্মভাবে তানিসের ফারাও ও থিবসের প্রধান পুরোহিতের উপর ন্যস্ত হয়। তানিসের রাজকন্যারা থিবসের মন্দিরে আমনদেবের স্ত্রী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হতে থাকেন। সমাজের উচ্চকোটি নারী থেকে ক্রীতদাসী পর্যন্ত মন্দিরের দেবদাসী হিসাবে অংশগ্রহণ করত। আসিরীয় ও ব্যাবিলনীয় সভ্যতার ইতিহাসে দেবী ইশরাতের সঙ্গিনীরূপে নারীরা মন্দিরে দেবদাসী হিসাবে নিযুক্ত হত। এসময় ব্যাবিলনের দেবতারা হলেন–মারডুক, শামাশ, তাম্বুজ ও ইশতার। প্রাচীন ব্যাবিলনে প্রতিটি বিবাহযোগ্যা নারী দেবী ইশতারের মন্দিরে বসে থাকবেন। প্রথমেই যে পুরুষ অভীষ্ট নারীর কোলে একটি রৌপ্যমুদ্রা ফেলবেন, সেই পুরুষের সঙ্গেই নারীটি যৌনমিলনে প্রবৃত্ত হবেন। বিবাহ-পূর্ব বেশ্যাবৃত্তি এভাবেই শুরু হয়ে যেত। মন্দির-দাসীদের এই হল বেশ্যাবৃত্তির ইতিহাসের বাধ্যতামূলক সোপান।

    আফ্রিকার উত্তর উপকূলে ফিনিশীয় মন্দিরগুলিতেও নর্তকী ও দেবদাসীর কথা জানা যায়। প্রাচীন গ্রিসের মন্দিরগুলোতেও দেবদাসী নিযুক্ত হত। Hierodule নামে এই দেবদাসীরা সূর্যদেবতা অ্যাপোলোর মন্দিরে সর্বত্রই দেবদাসী থাকত। শুধু অ্যাপোলোর মন্দিরেই নয়, গ্রিসের অন্যান্য মন্দিরেও দেবদাসী মজুত থাকত যথেষ্ট সংখ্যায়। এদের কাজ ছিল নৃত্যগীত প্রদর্শন এবং বাধ্যতামূলক গণিকাবৃত্তি। কেবলমাত্র পুরোহিত, রাজা ও ক্ষমতাশালীদের কাছেই এরা ভোগ্যা ছিল। আর্টেমিসের মদিরা দেব বাছুজের মন্দিরে দাসীরা বাধ্য হত এক বিচিত্র জীবনযাপনে। এই দাসীদের কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হত। যেমন–Maenad, Amazon ইত্যাদি। Maenad নারীদের শিশু বয়স থেকেই দেবদাসীর উপযুক্ত করে প্রশিক্ষণ দেওয়া হত। Amazon নারীরা যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শিনী। তাঁরা এতটাই উৎসর্গীকৃত ছিল যে, ডান কাঁধে তূণ রাখতে যাতে বাধা সৃষ্টি না-হয়, সেজন্য ডানদিকের স্তনটি কেটে ফেলতেন। বস্তুত একস্তনী হয়ে যেতেন বলেই এঁদের নাম A-mazon। এঁদের যে সন্তানসন্ততি হত, তাঁর মধ্যে কন্যাসন্তানটিকেই বাঁচিয়ে রাখা হত এবং পুরুষসন্তানদের হত্যা করা হত, নতুবা দেশ থেকে বিতাড়িত করা হত। কন্যাসন্তানদের বাঁচিয়ে রাখা হত মানে এই নয় যে, সন্তান খুব আদরনীয় ছিল। আদরনীয় ছিল, তবে তা ছিল ভোগ্যবস্তু বানানোর জন্য।

    রোমান সভ্যতাতেও দেবদাসী প্রথার সন্ধান পাওয়া যায়। দাসনির্ভরশীল এই রোমান সভ্যতার জিউস, জুনো ও ভেনাসের মন্দির সহ অন্যান্য মন্দিরগুলিতে প্রচুর দেবদাসীও নিযুক্ত থাকত। পুরোহিতদের মনোরঞ্জন করাই ছিল মূল কাজ। তবে রাজা ও রাজপুরুষদেরও ভোগ্য ছিল। মনে করা হত, দেবতার ভোগ আর রাজাদের ভোগ সমপর্যায়ের। দেবদাসীদের পাশাপাশি রাজনটী ও নগরনটীদেরও আবির্ভাব হয়েছিল এ সময়। এদের Hataera বলা হত। তবে এঁদের সম্মান-মর্যাদা ছিল বেশ। এঁদের মতামতেরও মূল্য দিতেন জ্ঞানীগুণীরা।

    Hataera-দের মতো জাপানের Geisha-দেরও যথেষ্ঠ মর্যাদা ছিল। সুন্দরী শিক্ষিতা এই নারীরা শুরুতে আলাপাচারণে শ্রোতাদের মোহাবিষ্ট করার কাজে নিয়োজিত হলেও পরে অবশ্য সরাসরি গণিকাবৃত্তিতে প্রবিষ্ট হতেন। তবে প্রাচীন জাপানে দেবদাসী ছিল কি না সে বিষয়ে কিছু জানা যায় না। ইনকা সভ্যতাতেও আমরা দেবদাসী প্রথার সন্ধান পাই। ইনকা সম্রাটদের সূর্যের সন্তান বলা হত। ইনকার সূর্যের মন্দিরের তত্ত্বাবধানের জন্য পুরোহিত ছিল। এই মন্দিরে নারীরা সূর্যকুমারী হিসাবে মন্দিরবাসিনী হত। মন্দিরবাসিনী এই নারীদের কাজ ছিল পুরোহিত ও রাজবংশীয়দের মনোরঞ্জন করা। দেবদাসী প্রথা ছিল আটজেক সভ্যতার ইতিহাসেও।

    ভারতে দেবদাসী প্রথা নামে গণিকাবৃত্তি একেবারে জাঁকিয়ে প্রাচীন যুগে এবং মধ্যযুগে, যা বর্তমান যুগেও ফল্গুনদীর মতো বহমান। ভারতের দেবদাসী প্রথার সূচনার ইতিহাস ঘাঁটলে আমরা খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীর এক গুহালিপি পাই। যে গুহালিপিতে সুতনুকা নামে এক দেবদাসীর কথা জানতে পারি। উল্লিখিত উত্তীর্ণ লিপিতে বলা হয়েছে–“সুতনুকা নাম দেবদাসিক্য তং কাময়িখ বালানশেয়ে দেবদিন্নে নাম লুপদকখে”। অর্থাৎ, সুতনুকা নামে দেবদাসী, তাঁকে কামনা করেছিল বারাণসীবাসী দেবদিন্ন (দেবদত্ত) নামে রূপদক্ষ। যোগীমায়া গুহা, সীতাবেন্দা ইত্যাদি নামে যে গুহার সন্ধান পাওয়া গেছে, লিপির সাহায্যে দ্বিধাহীনভাবে প্রমাণিত হয়েছে, এই গুহামঞ্চবাসীরা মূলত দেবদাসী শ্রেণির ছিল। পুরাণাদিতে আমরা যে স্বৰ্গবেশ্যা তথা অপ্সরাদের কথা জানতে পাই, তাঁরা ছিল আসলে হাই-প্রোফাইলের দেবদাসী।

    ভরতের নাট্যশাস্ত্রে আমরা অপ্সরাদের পাচ্ছি নৃত্যগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী হিসাবে, যাঁরা তথাকথিত দেবতাদের মনোরঞ্জনে ব্রতী হতেন। অপ্সরারা কোনো অলৌকিক বা কাল্পনিক অস্তিত্ব নয়, তাঁরা প্রকৃতপক্ষে রক্তমাংসের মানবী মাত্র। নাট্যশাস্ত্রের শুরুতেই এইসব নাট্যকুমারীদের কথা এবং অপ্সরাদের কথা বলা হয়েছে। এই নাট্যকুমারীরা একটি বিশেষ গোষ্ঠীভুক্ত ছিল, একথাও উল্লেখ আছে। এঁদের যে-কোনোভাবে সংগ্রহ করে অতি সহকারে নৃত্যগীতবাদ্য শিক্ষা দিয়ে রঙ্গমঞ্চে হাজির করা হত, তার বিশদ বর্ণনা আছে ভরতের নাট্যশাস্ত্রে। প্রসিদ্ধ তামিল নাটক ‘শিল্পপ্পাদিকর’-এর কয়েকটি অধ্যায়ে দক্ষিণ ভারতীয় প্রাচীন সংগীত ও নৃত্যের উল্লেখ আছে। এই নৃত্য অবশ্যই দেবদাসী নৃত্য। ধনবানদের বিলাসকলার অন্যতম প্রধান উপকরণ ছিল নারী। আর নারীরা ছিলেন সুশিক্ষিতা, সুবেশা এবং অবশ্যই কামশাস্ত্রনিপুণা।

    বঙ্গদেশে দেবদাসী প্রথার প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় অষ্টম শতকে কলহনের ‘রাজতরঙ্গিনী’ গ্রন্থে, নর্তকী কমলার প্রসঙ্গে। বঙ্গদেশে পালযুগেও দেবদাসী প্রথার অনেক বর্ণনা পাওয়া যায়। গুপ্তযুগেও এইসব নর্তকীদের সম্বন্ধে বহু বর্ণনা পাওয়া যায়। বিজয়সেনের দেওপাড়া প্রশস্তিও এই প্রথার ব্যাপকতার ইঙ্গিত মেলে। দেওপাড়া প্রশস্তির কবি উমাপতি ধর লিখেছেন–বিষ্ণুমন্দিরে উৎসর্গীকৃত দেবদাসীরা যেন রূপ ও সৌন্দর্যের দ্বারা কামদেবতাকে পুনরুজ্জীবিত করেছেন। ভট্ট ভবদেবের ভুবনেশ্বর প্রশস্তিও একই কথা বলেছে। দ্বাদশ শতাব্দীর সূচনায় কর্ণরাজের রত্নগিরি তাম্রশাসন থেকে জানা যায়, তাঁর রানি কর্পূরশ্রী সলোনপুরের বৌদ্ধমন্দিরের দেবদাসী ছিলেন। কর্পূরশ্রীর মা মাহুনদেবীও দেবদাসী ছিলেন। কর্ণাটকে দ্বাদশ শতাব্দীর সূচনায় চালুক্যরাজ বিক্রমাদিত্য ইত্তাগিতে চণ্ডালেশ্বর মন্দির প্রতিষ্ঠা করে বিভিন্ন দেশ থেকে সুন্দরী নারীদের এনে সেখানে দেবদাসীরূপে নিয়োগ করেন। পহুবী লিপিগুলিতে দেবদাসীদের কথা উল্লেখ আছে। দেবদাসীদের নিয়ে আলাদা বর্ণনা পাওয়া যায় ‘মেঘদূত’ সহ বিভিন্ন কাব্যে।

    সম্প্রতি “কর্ণাটক রাজ্যের দেবনগর জেলার উত্তরঙ্গমালা দুর্গা মন্দিরে রাতের বেলায় নারীদের দেবতার নামে উৎসর্গ করার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে”–এই মর্মে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন এক বেঞ্চ রাজ্যের মুখ্যসচিবকে ওই অনুষ্ঠান বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এই কুপ্রথা কার্যত নারীদের যৌনশোষণ, যা ভারতে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। আশা ছিল এর ফলে দেবদাসীদের সামাজিক যৌনশোষণ বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু তা হয়নি। এখনও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে, বিশেষ করে দক্ষিণ ভারতে, মহারাষ্ট্রে, ওড়িশায় এবং দেবতাকে উৎসর্গ করার নামে দেবদাসীদের প্রধানত দেহভোগের কাজেই ব্যবহার করা হয়। দেবতা বা মন্দিরে উৎসর্গ করার পর তাঁদের পরিচয় হয় দেবদাসী। কোনো কোনো অঞ্চলে তাঁদের বলা হয় যোগিনী।

    প্রায় হাজার বছরের প্রাচীন এই প্রথা ধর্মীয় ও সামাজিক রীতিনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এর পিছনের বড়ো কারণগুলি হল চরম দারিদ্রতা, বর্ণবৈষম্য ও পুরুষতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা। গরিব ঘরের মা-বাবা তাঁদের কুমারী মেয়েদের রজস্বলা হওয়ার আগেই নিয়ে আসত মন্দিরে। প্রথমে কুমারী মেয়েদের নিলাম করা হয়। তারপর মন্দিরের প্রধান পুরোহিত উৎসর্গ করার নামে বিগ্রহের সঙ্গে কুমারী তথাকথিত ‘বিয়ে’ দিয়ে দেন। এর ফলে সেই মেয়ের কোনো পুরুষই স্বামী হতে পারে না। নিরাকার দেবতাই তাঁর একমাত্র স্বামী। খাওয়া-পরার বিনিময়ে মন্দিরের বাসিন্দা হয়ে তাঁদের সারাজীবন কাটিয়ে দিতে হয়। কায়িক পরিশ্রমের সঙ্গে সঙ্গে মন্দিরের প্রধান পুরোহিত থেকে মন্দিরের অন্যান্য পুরুষদের সঙ্গে যৌনক্রিয়া করতে হত। এছাড়াও সমাজের উচ্চবর্গীয় ধনী কিংবা সামন্তপ্রভুদের রক্ষিতার ভূমিকা পালন করতে হয়। মন্দিরের পূজারী ব্রাহ্মণ এবং সামন্তপ্রভুদের যোগসাজসে কৃষক ও কারুশিল্পী বা কারিগরদের উপর ধর্মীয় প্রভাব খাঁটিয়ে দেবদাসীদের গণিকাবৃত্তিকে দেওয়া হয় ধর্মীয় সিলমোহর। উৎসর্গের পর দেবদাসীকে ভোগ করার প্রথম অধিকার মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের। আজব ব্যাপার, অন্য কোনো পুরুষকে নিজের স্বামী রূপে গ্রহণ করা যাবে না, কিন্তু যৌনমিলনে কোনো বাধা নেই! এই ধর্মীয় প্রথার উৎপত্তির ইতিহাস নিয়ে নানা কাহিনি, বিতর্ক এবং বিভিন্ন জনশ্রুতি প্রচলিত আছে। দেবদাসীদের তথ্য ঐতিহাসিক বা পুরাতাত্ত্বিক বিভিন্ন মন্দিরের গাত্রে আজও উৎকীর্ণ আছে।

    দক্ষিণের তিরুপতি মন্দিরে দেবদাসী সংগ্রহের প্রাচীন পদ্ধতি সম্পর্কে খ্রিস্টান মিশনারি অ্যাবে জে এ র্দুবা এক সমীক্ষায় লিখেছেন–“বছরের একটি বিশেষ দিনে এই মন্দিরের পুরোহিতেরা ভগবান বেঙ্কটেশ্বরের প্রতিমূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করতেন এবং পথে যত সুন্দরী মেয়ে চোখে পড়ত তাঁদেরকে দেবদাসী করার দাবি জানাত। শুধু কুমারী মেয়েই নয়, সুন্দরী বিবাহিত মেয়েদেরও দাবি করত তাঁরা। এ থেকেই বোঝা যায়, দেবদাসী করার জন্য মেয়েদেরকে জোর করেই তুলে আনা হত।” দুবার এহেন মন্তব্য। গবেষক পণ্ডিত জি জি ফ্রজার পশ্চিম আফ্রিকায় দেবদাসী সংগ্রহের যে অভিনব উপায়ের উল্লেখ করেছেন, তা থেকে জানা যায়–মেয়েদের জোর করে তুলে এনে দেবদাসী থেকে গণিকা বানানো হত। ফ্রিজার লিখেছেন–“পুরোহিতরা একটা বিশেষ দিনে নগরের পথে পথে ঘুরে বেড়াত এবং সেদিন দুয়ারের বাইরে যত কুমারী মেয়ে পেত তাঁদের সবাইকে ধরে নিয় যেত মন্দিরে দেবদাসী করার জন্যে।”

    রাজ্য জয় করে রাজারা যেমন গোরু-ছাগলের মেয়েদের মতো তুলে আনত, তেমনই সেইসব মেয়েদের ধরে ধরে দেবদাসী তথা গণিকায় পরিণত করত। আদতে এভাবেই দেবতাদের বউ বানানোর অছিলায় মেয়েদেরকে গণিকা বানিয়ে গণভোগ্যা বানিয়ে নিত সমাজের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা। ১৮৬৭-৬৮ সালে জন শর্ট লন্ডনের অ্যানথ্রোপলজিক্যাল সোসাইটিতে ভারতের দেবদাসীদের প্রসঙ্গে একটি বিস্ফোরক রিপোর্ট পেশ করেন। রিপোর্টে বলা হয়েছে–মন্দিরে দেবদাসীদের কুমারীত্ব’ বহিরাগত ধনীদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করা হত। তারপর তাঁরা গণিকাবৃত্তিতে নিয়োজিত হত।

    এ প্রসঙ্গে বলা যায়, সব মেয়েকে যে জোর করে দেবদাসী বানিয়ে নেওয়া হত, তা কিন্তু নয়। দেবদাসী মাহাত্ম এমন পর্যায়ে প্রচার করা হয়েছিল যে, অনেকেই স্বেচ্ছায় দেবতার কাছে নিজেদের উৎসর্গ করে দিত। পুণ্যলাভের আশাতেও মা-বাবারা দেবতার সঙ্গে মেয়েদের বিয়ে দিয়ে দিত। তবে এঁদেরকে মন্দিরে আত্মসমর্পণ করতে হত না, গণভোগ্যাও হতে হত না। অবশ্যই দেবতা বিয়ে করে দেবতার কাছে আত্মসমর্পণ করে সারাজীবন কাটিয়ে দিত। এমনই এক বিখ্যাত দেবদাসী মীরা তথা মীরাবাঈ। রাজস্থানের এক অভিজাতবংশীয় হিন্দু পরিবারের সন্তান। বাল্যকালে এক পরিব্রাজক সন্ন্যাসীর দ্বারা আরাধিত একটি কৃষ্ণমূর্তির প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়েছিলেন এবং কৃষ্ণকে স্বামী হিসাবে গ্রহণ করেন। তাঁর মা তাঁর এই ভক্তিভাবের সমর্থক ছিলেন। শৈশবেই চিতোররাজ রানা সংগার জ্যেষ্ঠ পুত্র ভোজরাজের সঙ্গে মীরার বিয়ে হয়। কিন্তু বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন তিনি শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। স্বামী ভোজরাজকে বলেন, তিনি মীরার শরীর পাবেন, কিন্তু মন পাবেন না। কারণ মীরা তাঁর মনপ্রাণ সব কৃষ্ণের পায়ে নিবেদন করেছে।

    ভবিষ্যপুরাণে আছে–“বেশ্যাকম্বকং যস্তু দদ্যাৎ সূর্যায় ভক্তিতঃ সগচ্ছেৎ পরমং স্থানং যত্র তিষ্ঠতি ভানুমান”। মহাকবি কালিদাস তাঁর মেঘদূতে উজ্জয়িনী মহাকাল মন্দিরে চামরহস্তা দেবদাসীদের ‘বেশ্যা’ বলে পরিচিত করিয়েছেন। দেবদাসী সৃষ্টির পিছনে ছিল মানুষের অশিক্ষা, কুশিক্ষা, ভুল ধারণা ও ধর্মান্ধতা। সাধারণ মানুষ মনে করত আত্মজাকে দেবদাসী করে দিতে পারলে শুধু দাতার নয় কন্যারও স্বর্গলাভের একটা পাকা ব্যবস্থা হয়ে যাবে। যে ভাবনা থেকে নবমবর্ষীয় কন্যাকে কুলীন বৃদ্ধের কাছে গৌরীদান করত ভারতীয় হিন্দু পিতামাতারা। যেমনভাবে বোঝানো হত মৃত স্বামীর সঙ্গে চিতায় উঠে সহমরণে গেলে সরাসরি স্বর্গের জমি নিশ্চিত। সতী হিসাবেও পুজো পাবে সেই অভাগা নারী। আসলে এমনই বোঝানো হত। বোঝাত হিন্দু সমাজের পুরোহিতকুল।

    কৌটিল্য তাঁর অর্থশাস্ত্রে দেবদাসীদের আলোচনা করেছেন। তবে তিনি দেবদাসী শ্রেণির আইনকানুন লিপিবদ্ধ করেননি। তিনি এটা অবশ্যই বলেছেন যে, এসব ব্যাপারে আইনকানুনের দায়িত্ব পুরোহিত তথা পুরোহিততন্ত্রের। অর্থাৎ মধ্যযুগ থেকেই দেবদাসীদের উপর ওই পুরোহিতকুলের অধিকার ইতিহাস স্বীকৃত। যাঁরা দূরদর্শনে ‘অগ্নিজল’ ধারাবাহিকটি চাক্ষুষ করেছেন, তাঁরা নিশ্চয়ই এতদিনে জেনে গেছেন দেবদাসী নিয়ন্ত্রণে পুরোহিতদের কী দাপট! পুরোহিতদের আধিপত্য এতটাই যে দোর্দণ্ডপ্রতাপ রাজাও ভয়ে সিঁটিয়ে থাকত। রাজাদের তরফ থেকে দেবদাসীদের বিষয়ে কোনো ভালো-মন্দ পরামর্শই পুরোহিতরা গ্রহণ করত না। পুরোহিতরা নিজেরা যেসব আইনকানুন বা বিধিনিষেধ আরোপ করত, তা অতি যত্নে গোপন রাখা হত। পুরোহিততন্ত্র নিজেদের স্বার্থেই দেবদাসীদের লোকচক্ষুর আড়ালে রাখত চাইত। যা কিছু আড়ালে-আবডালে তাতেই মানুষের মোহবৃদ্ধি। এটাই মনস্তাত্ত্বিক বিষয়।

    দেবদাসীদের মোটামুটি ছয় ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন–(১) বিক্রিতা, (২) ভৃত্যা, (৩) ভক্তা, (৪) দত্তা, (৫) হৃতা এবং (৬) অলংকারা। এই বিভাজন কেন? এই ভাগ-বিভাগ কেন? আসুন একটু বিস্তারিত জেনে নিই।

    (১) বিক্রেতা : এই মেয়েদের অর্থের বিনিময়ে কিনে নেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এরা অত্যন্ত গরিব পরিবারের সুন্দরী মেয়ে। অধিক মেয়েদের পিতামাতারা অর্থের বিনিময়ে এরকম দু-একটি মেয়েকে তুলে দিত পুরোহিতদের মালিকানায়। দেবদাসীর গর্ভজাতা মেয়েও এই দলেই অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। এইসব মেয়েরা যৌবনপ্রাপ্তা হলে মন্দিরের পুরোহিত নিজে অথবা তাঁর প্রিয়পাত্রকে দিয়ে সেই মেয়ের কৌমার্য নষ্ট করে দেবদাসী হিসাবে নিয়োগ করতেন।

    (২) ভৃত্যা : বিশেষণ পড়েই বুঝতে পারছেন এরা আসলে ভৃত্য বা চাকরানি শ্রেণির। তাই স্বাভাবিকভাবেই এরা পদমর্যাদায় ‘বিক্রেতা’ দেবদাসীর নিচে। যৌবনবতীদের কর্তব্য ছিল মন্দিরের অতিথিবর্গকে দেহদানের মাধ্যমে শরীরী-পরিসেবা দেওয়া।

    (৩) ভক্তা : স্বেচ্ছায় কোনো মহিলা (কুমারী, সধবা, স্বামী পরিত্যক্তা যে কেউ) মন্দির কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করে যখন দেবদাসী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে, তাহলে সে ভক্তা। ভক্তিই এদের আধার। এরা অতি উচ্চ সম্মানের পদাধিকারী। তবে এদেরকে যৌনকর্মে লিপ্ত হতে হত না।

    (৪) দত্তা : কোনো ধর্মান্ধ পুণ্যলোভী পিতা মনোবাসনা চরিতার্থ করার জন্য, মানত রাখার জন্য, স্বেচ্ছায় নিজের মেয়েকে মন্দিরে দান করলে সেই মেয়ে দত্তা হয়।

    (৫) হৃতা : এই মেয়েদের মূলত চুরি করে আনা হত। নিরুদ্দিষ্টার সন্ধান পেত না সেই অঞ্চলের নগরকোটালও। সেই মেয়ে বহুদূর দেশে মন্দিরের অন্ধকূপে বন্দিনী হিসাবে থাকত।

    (৬) অলংকারা : যে-কোনো শ্রেণির দেবদাসীই রূপ-গুণ নৃত্যগীত পারদর্শিতার বিচারে অলংকারা পদে উন্নীতা হতে পারে। ঐহিক বিচারে এই মেয়েরা শীর্ষস্থানীয় হলেও শ্রদ্ধা ও সম্মানের দিক থেকে ভক্তা শ্রেণির নিচে।

    দেবদাসী প্রথা নির্মূল হয়ে গেছে বলে যাঁরা নিশ্চিন্তের ঢেঁকুর তোলেন। তাঁদের বলি, তুলবেন না সেঁকুর। খবর আছে। কর্ণাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের কিছু মন্দিরে এখনও বিগ্রহের কাছে মেয়েদের বিসর্জন দেওয়া হয়। আজকের দেবদাসীরা আর দেবতার দাস নয় অনেকক্ষেত্রেই। মূলত তাঁরা লোলুপ পুরুষের লালসার শিকার। আর এই লালসা তৃপ্ত করতে এগিয়ে এসেছে যেসব মন্দিরের রক্ষক, সেগুলির মধ্যে শ্রেষ্ঠ কর্ণাটকের ইয়েলাম্মা মন্দির। যেহেতু মন্দিরকন্যাদের বিয়ে হয় না, তাই তাঁদের বিনা বাধায় সম্ভোগ করে সমাজের বিভিন্ন স্তরের পুরুষরা। যে পূজারী দেবদাসী অর্পণের কাজে লিপ্ত, তিনি মোটা অঙ্কের অর্থপ্রাপ্ত হন। যাঁরা এই প্রথাকে তাঁদের জাতিগত ঐতিহ্যের অংশ মনে করেন, তাঁরা বড়োই তৃপ্ত হন! তা ছাড়া ইয়েলাম্মা মন্দিরের মেয়েরা প্রকৃত অর্থে দেবদাসী নন। এঁরা না বোঝেন চৌষট্টি কলা, না কোনো ধনীব্যক্তির রক্ষিতা। একপ্রকার খোলাখুলিভাবেই দেহবিক্রিই তাঁদের কাজ।

    মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকের প্রান্তিক জেলাগুলি থেকে প্রতি বছর প্রায় ৫০০০ হরিজন শ্রেণির মেয়েদেরকে ইয়ালাম্মার কাছে অর্পণ করা হয়। এই প্রথার পিছনে শুধু বহু যুগের বিশ্বাস এবং অজ্ঞতা আছে তা নয়–আছে আর্থিক কারণ, আছে পুরোহিতদের প্ররোচনা। প্রাচীন প্রথার এই দুঃসহ আধুনিকীকরণ সবচেয়ে বেশি প্রচলিত কর্ণাটকের বেলগাঁও, ধারওয়ার, বিজাপুর, গলবর্গা ও বেলারি জেলায়। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রের সিতারা, কোলাপুর, শোলাপুর ও ওসমানাবাদ অঞ্চলে এবং তেলেঙ্গানাতে যথাক্রমে ১০,০০০ এবং ২৫,০০০ দেবদাসী আছে। বংশপরম্পরায় এই মেয়েরা পুরুষদের ভোগ্যা।

    সর্বোপরি যেটা না বললে অন্যায় হবে, তা হল–দেবদাসীরা ভারত-সংস্কৃতিকে দিয়েছে অনেক সম্পদ। কথাকলি, ভারতনাট্যম, মোহিনী-আউম, কুচিপুড়ি–এ সবই দেবদাসী সংস্কৃতি। যুগে যুগে এঁর দেবদিন্নদের উদ্বুদ্ধ করেছে মন্দিগাত্র অলংকরণে–কোনারক, খাজুরাহো, বেলুড়, হালেবিড থেকে বাঁকুড়ার মন্দিরেই রয়ে গেছে শ্বাশত প্রমাণ। তাঁদের দান অক্ষয়, অমর।

    দেবদাসী প্রথার বিরুদ্ধে বহুদিন ধরে সংগ্রাম চলছে। তা সত্ত্বেও জাতীয় বা আন্তর্জাতিক ভাবনায় বিশেষ পরিবর্তন হয়নি। ১৯২৯ সালে ডাঃ মুথুলক্ষ্মী রেডিড নামে এক মনস্বিনী মহিলার নেতৃত্বে দেবদাসী প্রথা উচ্ছেদের যে সংগ্রাম শুরু হয়, তার ফলে দেবদাসী প্রথা বিলোপের জন্য মাদ্রাজ বিধানসভায় আইন প্রণয়ন করে এই প্রথা নিষিদ্ধ করা হয়। বোম্বাই বিধানসভায় ডাঃ হরি সিং গৌরও অনুরূপ চেষ্টা করেছিলেন। ১৯৪৭ সালে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে দেবদাসী প্রথা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আক্ষেপ এই যে, ভারতে দেবদাসী প্রথা আজও বিলুপ্ত হল না। এখনও যেসব অঞ্চলে দেবদাসী বহাল তবিয়তে চলছে, সেগুলি হল–কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, গোয়া ও কেরলের একটা বড়ো অংশ। তাই দেবদাসী প্রথা বিলুপ্তির জন্য আন্দোলন থেমে যায়নি। ফলে আবার নতুন করে শুরু হয়েছে দেবদাসী-বিরোধী আন্দোলন। নেতৃত্ব দিচ্ছেন ‘দেবদাসী মুক্তি বাহিনী। নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও, আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কীভাবে দেবদাসী রমরম করে চলছে, সে ব্যাপারে স্থানীয়ভাবে কয়েকটি সমীক্ষা করা হয়েছে। সেই সমীক্ষায় উঠে এসেছে চমকপ্রদ তথ্য। জানা গেছে, এই দেবদাসী প্রথার মাধ্যমে মুম্বাই, বেঙ্গালুরু, দিল্লি, চেন্নাই পতিতালয়গুলি সমৃদ্ধ করা হচ্ছে। কারা এই প্রথাকে জিইয়ে রাখতে চাইছে কীভাবে রাখতে পারছে, সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজা প্রয়োজন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article শিখণ্ডী খণ্ড – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }