Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    গণিকা-দর্শন – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প555 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. প্রাক-আধুনিক ও আধুনিক সাহিত্যে গণিকা

    প্রাক-আধুনিক যুগের সাহিত্যে এসে গণিকাদের প্রকটভাবে আর পাওয়া যায় না। প্রাক-আধুনিক যুগকে যদি চর্যাপদ ধরি, সেখানে গণিকাদের উপস্থিতি নেই। কেন নেই? হঠাৎ করে সমাজ বদলে যাওয়ার তো কোনো কারণ নেই। সে সময়কার মানুষের জীবনযাত্রা উল্লেখ করার মতো সংযত ছিল, এমন আভাস কোথায়! প্রকট না-হলেও প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত কিন্তু মেলে। কিন্তু ব্রাহ্মণ প্রভৃতি উচ্চবর্ণের নাগরিকেরা যে মাঝেমধ্যে গোপনে রমণীদের সঙ্গে সম্পর্ক করতেন, তার স্পষ্ট ইঙ্গিত মেলে এই পদগুলিতে–“টালত ঘর মোর নাহি পড়বেষী”, উঞ্চা উঞ্চা পাবত তহি বসহি সবরী বালী”, “নগর বাহিরি রে ডোম্বি তোহের কুড়িআ”। এইসব গণিকা-রমণীরা ছিল আর্থিক ও সামাজিকভাবে বিপর্যস্ত, অস্পৃশ্য ও অবহেলিত। ব্যভিচারিতা বলা যায় না, বরং বলা যায় এটা ছিল হতদরিদ্র নারীদের এটাই ছিল জীবিকার্জনের অন্যতম পথ। বলা যায় এসময় থেকেই গণিকাদের মর্যাদার পতন শুরু। ঘৃণ্য হতে শুরু করল।

    ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গলের দ্বিতীয় খণ্ড বিদ্যাসুন্দরে জনৈকা হীরামালিনী, শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের বড়ায়িরা দূতী হিসাবে পরিচিত হলেও সংস্কৃত সাহিত্যে এঁরা গণিকা রূপেই অঙ্কিত। প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্যে গণিকাদের উপস্থিতি যেভাবে প্রকটিত হয়েছিল, মধ্যযুগ তথা প্রাক-আধুনিক যুগে এসে অনেকটাই প্রচ্ছন্ন হয়ে যায়। এহেন পরিবর্তন কীভাবে সম্ভব হল? আসলে সেসময়টা ছিল নানবিধ উত্থান-পতনে জর্জরিত। গোটা মধ্যযুগ জুড়ে ছিল অস্থিরতা। শক, হুন, পাঠান, মোঘল, এমনকি বর্গি আর ঠগিদের দৌরাত্ম্যে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। চারিদিক যুদ্ধ, হানাহানি, হিংসা, আক্রমণ, প্রতি-আক্রমণের মানুষের মানবিক মূল্যবোধ প্রায় তলানিতে। এহেন অস্থির পরিমণ্ডলে কবি-লেখকদের লেখনী প্রায় স্তব্ধ হয়ে যায়। সম্ভব হয়ে উঠছিল না মননশীল সাহিত্য রচনা। সেইসঙ্গে ব্রাত্য ও অপাঙক্তেয় হল গণিকা। সম্ভবত এই কারণেই প্রাক-আধুনিক বাংলা সাহিত্যে তেমন একটা গণিকাঁচরিত্রের সন্ধান পাওয়া যায় না। সমগ্র মধ্যযুগের ভরকেন্দ্র ছিল ধর্ম, বিশেষ করে বঙ্গদেশে। সেসময় যতটা-না সামাজিক সাহিত্য রচিত হয়েছে, তার চেয়ে কয়েকশো গুণ বেশি ধর্মাশ্রিত সাহিত্য রচিত হয়েছে। ফলে সে সময়ের অন্য সাহিত্যে গণিকাদের নিয়ে ভাবার অবকাশ লেখকেরা পাননি। তার মানে এই নয় যে, সেসময়ের সমাজে গণিকারা ছিল না। অবশ্যই ছিল, তবে ধর্মীয় অনুশাসনের বেড়াজালে নারীর জীবন প্রান্তিকায়িত হয়ে গেল।প্রাক্‌-আধুনিক যুগ ও তারও পরে গণিকাজীবন অবহেলিত থেকে গেল বাংলা সাহিত্যে।

    প্রাক্‌-আধুনিক যুগ পেরিয়ে আধুনিক যুগে এসে সমাজ ও রাষ্ট্র (সেসময় রাষ্ট্র বলতে সমগ্র ভারত বোঝাত না) খানিকটা থিতু হয়ে এলে বাংলা সাহিত্যে পুনরায় জাঁকিয়ে প্রবেশ ঘটল গণিকাদের। প্রবেশ ঘটল বটে, তাঁদের হৃত সম্মান ফিরে এলো না। এ সময়ে গণিকারা ক্রমশ ঘৃণ্য ও প্রান্তিক হয়ে গেল। কী সমাজে, কী সাহিত্যে। তৎকালীন সমাজের গণিকাদের প্রতিচ্ছবিই সাহিত্যেও প্রতিফলন ঘটেছে। অথচ প্রাচীনকালে ভারতীয় উপমহাদেশের সমাজ জুড়ে ছিল গণিকাদের মাথা উঁচু করে চলার অবাধ ও স্বাধীন বিচরণক্ষেত্র। এখনকার মতো গোপনীয় ও বিপন্নতা ছিল না গণিকাজীবন ও বৃত্তি। সম্মান ও মর্যাদা ছিল সমাজের অন্য পেশার মানুষদের মতো। বরং বলা যায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে অন্য পেশার মানুষদের চেয়েও বেশি সম্মান ছিল। গণিকাদের সমাজ ও জীবন ছিল বিশেষ মনোরম ও উপভোগ্য। এখনকার মতো মোটেই ক্লেদাক্ত জীবন ছিল। তবে প্রাচীন যুগে কখনো-সখনো নিয়মনিষ্ঠ শাস্ত্রকারেরা গণিকাদের সম্পর্কে কঠোর বাক্যবাণ প্রয়োগ করলেও বেদ, মহাকাব্য, পুরাণ সর্বত্রই গণিকাদের গৌরবোজ্জ্বল, রাজকীয়, দৃষ্টিনন্দন পদচারণা অনুভব করা

    আধুনিক যুগে এসে গণিকার কথা জানতে পাচ্ছি এক গণিকা কলমে। মানদাদেবীর কলমে। লেখিকা মানদাদেবী নিজে একজন গণিকা। মানদাদেবীর গ্রন্থের প্রথম পর্বে বর্ণিত হল তাঁর জীবনের কৈশোর পেরিয়ে কীভাবে তিনি গণিকা হলেন। এরপর পাই একজন শিক্ষিতা গণিকায় মুখে তাঁর নিজের অভিজ্ঞতার বর্ণনা।এমন একটি নির্ভেজাল নির্মোহ গণিকার আত্মচরিত আগে কখনো পাওয়া যায়নি। সেই অর্থে বলা যায় এই দুর্লভ আত্মচরিত সেইসময়কার গণিকাদের জীবন সম্পর্কে আমাদের অনেকগুলো জানালা খুলে দিয়েছে।

    আধুনিক যুগের লেখকদের লেখায় ফুটে উঠল গণিকাদের জীবনযাপন, তবে গণিকাদের প্রতি সমাজের ঘৃণ্য ও অমানবিক দৃষ্টিভঙ্গি। অনেকক্ষেত্রেই সমাজ কলুষিত করছে এমন অভিযোগ গণিকাদের কাঠগোড়ায় দাঁড় করিয়েছে। গণিকারাও মানুষ, তাঁদেরও যে আর পাঁচটা মানুষের মতো স্বাভাবিক জীবনযাপন করার অধিকার আছে, স্বপ্ন আছে, সে বিষয়টি লেখকদের লেখায় প্রাধান্যই পায়নি। গণিকারা সমাজে অগ্রহণীয় হয়ে উঠল। গণিকাদের স্বাদ নেওয়া যায়, কিন্তু সমাজে গ্রহণ করা যায় না।

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা সংকলনে গণিকার চরিত্রায়ণ খুব একটা সুলভ নয়। যেটুকে এসেছে তাও সংস্কৃত ও পালি সাহিত্য চয়ন করা। তাঁর কাব্য ও নাট্যে শ্যামা, বাসবদত্তা নান্মী গণিকা চরিত্রগুলিরই পুনর্নির্মাণ লক্ষ করা যায়। তাঁর সমসাময়িক কোনো গণিকার কথা তাঁর সাহিত্যে উঠে আসেনি। রবীন্দ্র কথাসাহিত্যে গণিকাঁচরিত্রের স্বল্পতার কারণে তাঁর কাব্য-নাট্যে যে চরিত্রগুলি উঠে এসেছে তার আলোচনা প্রায় অনিবার্য হয়ে ওঠে। রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যজীবনের যে বিশেষ পর্যায়টি অতীতের দিকে মোহমুগ্ধ দৃষ্টিতে ফিরে দেখায়, সেই সময়পর্বে লেখা কবিতাগুলির কথা উল্লেখ করতে পারি। যেমন–অভিসার, পতিতা, পূজারিনী, পরিশোধ, অপমানবর ইত্যাদি। প্রাচীন সাহিত্য, বৌদ্ধজাতক ও অবদান সাহিত্য এবং ভক্তমাল থেকে বিষয়বস্তু গ্রহণ করে তিনি এই কাব্যগুলিতে গণিকা চরিত্রগুলির পুনর্নির্মাণ করেছেন বলা যায়। মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের আলোয় তিনি চিনতে চেয়েছেন দুঃখে-দ্বন্দ্বে-ক্রন্দনে সিক্ত গণিকাদের মনোজগৎটিকে। গণিকাদের তিনি শুধু নষ্ট মেয়ে হিসাবে দেখেননি, দেখতে চেয়েছেন আর পাঁচটা ঘাত-প্রতিঘাতে জর্জরিত সাধারণ নারী হিসাবে। প্রাচীন কাব্যে যে গণিকাদের পাওয়া যেত শাসকের হাতের পুতুল হিসাবে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হাতে পড়ে সেই গণিকাদের মধ্যে প্রকাশ পেল তাঁদেরই অন্তর্দ্বন্দ্ব, অনুশোচনা ও আত্মশুদ্ধি এক ব্যক্তিত্বময় অভিব্যক্তি। তিনি কেন প্রাচীন সাহিত্য থেকে আবিষ্কৃত গণিকাদের অন্যভাবে প্রকাশ করলেন, তার জবাব কবি নিজেই দিয়েছেন–“রমণী পুষ্পতুল্য, তাহাকে ভোগে বা পূজায় তুল্যভাবে নিয়োগ করা যাইতে পারে। তাহাতে যে কদর্যতা বা পবিত্রতা প্রকাশ পায়, তাহা ফুলকে বা রমণীকে স্পর্শ করে না–ফুল বা রমণী চিরপবিত্র, চির অনাবিল।… যে সহজ-পূজ্য তাহাকে ভোগ্যের পদবিতে যে নামাইয়া আনে সেও একটা আনন্দ পায় বটে, কিন্তু সে আনন্দ অতি নিকৃষ্ট শ্রেণির। পতিতা হইলেও নারীর স্বাভাবিক পবিত্রতা তাহার ভিতর প্রচ্ছন্ন থাকে। … পাপের অন্যায়ে সে তাহার আত্মাকে কলুসিত করিয়াছে বটে, কিন্তু তাহার আত্মা একেবারে বিনষ্ট হইয়া যায় নাই–তাহার আত্মা বাষ্পচ্ছন্ন দর্পণের ন্যায় ক্ষণিকের জন্য তাহার সহজ স্বচ্ছতা ও শুচিতা হারাইয়াছে।”

    রবীন্দ্রনাথের ‘বিচারক’ গল্পে একজন গণিকার কথা পাওয়া যায়। গণিকা ক্ষীরোদা। ক্ষীরোদাই এই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র। ক্ষীরোদার যে জীবনবৃত্তান্ত এই গল্পের উপজীব্য তাতে গৃহস্থ ঘরের মেয়ে কেন গণিকাবৃত্তি গ্রহণ করে তার শেষ পরিণতি কী হয় সেই প্রসঙ্গই বিশ্লেষিত হয়েছে কবির কলমে। গল্পটির রচনাকাল উনিশ শতকের শেষ দশকে। উনিশ দশক জুড়ে গণিকা সম্পর্কে যে তাচ্ছিল্য ব্যঙ্গ ঘৃণা বর্ষিত হয়েছে, শেষ দশকে রচিত গণিকা ক্ষীরোদার চরিত্র তা থেকে আলাদা। আলাদা এই কারণে যে, পূর্ববর্তী লেখকেরা সমাজে গণিকাদের প্রবল উপস্থিতিকে স্বীকার করে নিলেও সাধারণভাবে তাঁদের প্রতি মোটেই সহানুভূতিশীল ছিল না। তাঁদের সামাজিক দৃষ্টিকোণ কিছুটা ভিক্টোরিয়ান শুচিতাবোধ, আবার কিছুটা গোঁড়া হিন্দু রক্ষণশীলতায় আচ্ছন্ন। রবীন্দ্রনাথ গণিকাদের দরদি হৃদয় দিয়ে বিশ্লেষণ করেন। এতদসত্ত্বেও রবীন্দ্র কথাসাহিত্যে গণিকা চরিত্র আর সৃজিত হয়নি। আশি বছরের দীর্ঘ জীবনের অর্ধাংশ রবীন্দ্রনাথ কাটিয়েছেন বিশ শতকের দ্রুত পরিবর্তিত আর্থ সামাজিক পরিবেশে। এমতাবস্থাতেও সময়ের প্রেক্ষাপটে গণিকা চরিত্র তাঁর কোনো গল্প-উপন্যাসে চিত্রিত হয়নি।

    শরৎসাহিত্যে অবহেলিত, বঞ্চিত, দুর্ভাগা নারীরাই প্রধান উপজীব্য হয়ে উঠেছে। মানবিক রূপ নিয়ে এসেছে পতিতা তথা গণিকাদের কথাও। শরৎ চট্টোপাধ্যায়ের সময়ে পতিতা শব্দের অর্থও গেল বদলে। গণিকা বা পতিতা মানে কেবল দেহোপজীবিনীই নয়, দেহ ছাপিয়ে এই অপবাদ আরও বিস্তার করেছে নারীর জীবনে। শরৎসাহিত্যে গণিকারা হল ‘দেবদাস’-এর চন্দ্রমুখী, শ্রীকান্ত’-এর পিয়ারি বাইজি, ‘আঁধারে আলো’-র বিজলী।

    শরবাবুর সময়ে ‘পতিতা’ শব্দটি সামাজিক অর্থে গৃহীত হয়ে গেছে। পতিতা হিন্দুসমাজের দৃষ্টিতে ‘সতী’ শব্দের বিপরীত অর্থবোধক। ভারতীয় নারীদের বিবাহমন্ত্রনির্দিষ্ট স্বামীই একমাত্র গ্রহণীয় পুরুষ। সুতরাং হিন্দুসমাজে নারী দেহ এবং মনে একজন মাত্র পুরুষকে সাধনা এবং কামনা করতে পারবে। অন্যথা সে পতিতা। সমাজের বিচারে স্বামী ছাড়া অন্য পুরুষকে মনে মনে কল্পনা করলেও সে নারী পতিতা। পতিব্রতা নারীর মর্যাদা নষ্ট হয়। নারী পতিতা হয়। হিন্দুশাস্ত্রে শুধুমাত্র মনে মনে কোনো পরপুরুষকে কামনা করলেও সেই নারী পতিত হয়। রেণুকার কাহিনি সংক্ষেপে দু-চার লাইনে স্মরণ করতে পারি। ব্রাহ্মণ জমদগ্নির স্ত্রী ক্ষত্রিয় রেণুকা। পরশুরাম হলেন তাঁদের পুত্রসন্তান। যিনি স্বাভাবিকভাবেই ব্ৰহ্মক্ষত্রিয়। অন্য চারপুত্ররা হলেন—বসু, বিশ্ববসু, বৃহদ্ভানু ও বৃহৎকশ্ব। যাই হোক, যেটা বলতে চাই সেটা হল–একবার চিত্ররথ নামক এক রাজাকে সস্ত্রীক জলবিহার করতে দেখে পরশুরামের মা রেণুকা কামার্তা হয়ে পড়েন। ধ্যানযোগে এ দৃশ্য দর্শন করে পরশুরামের পিতা জমদগ্নি তাঁর পুত্রদের মাতৃহত্যার আদেশ দেন। বসু, বিশ্ববসু, বৃহদ্ভানু ও বৃহৎকৰ্থ–এই চারপুত্র পিতার আদেশ অগ্রাহ্য করলেও পরশুরাম তাঁর কুঠার দিয়ে মায়ে মাথা-ধড় আলাদা করে দেন। বাকি কাহিনি এখানে বলার প্রয়োজন নেই।

    শরৎসাহিত্যে প্রথম পরিচিত গণিকা বা পতিতা হল দেবদাস গ্রন্থের চন্দ্রমুখী। যেভাবে দেবদাসের সঙ্গে চন্দ্রমুখীর প্রথম পরিচয় পর্ব বর্ণিত হয়েছে, তাতে মনে হয় শৌণ্ডিকালয় বা শুড়িখানায় প্রথম পরিচয়ের দ্বিধা, সংকোচ, সংস্কারের আঘাত ও বিবেকের তাড়না যেন লেখকজীবনের বাস্তব ঘটনা। শুধুমাত্র মানসচক্ষে বিচারবুদ্ধি দিয়ে চন্দ্রমুখীর চরিত্রায়ণ এমন জীবন্তভাবে মোটেই সম্ভব নয়। চন্দ্রমুখী শুধুমাত্র শরীরী টানেই দেবদাসকে মুগ্ধ করেনি, ব্যক্তিগত আকর্ষণ দেবদাসের জীবনে কম প্রভাব বিস্তার করেনি। চন্দ্রমুখীর সহৃদয় ব্যবহার, সমাহিত আলাপ, দেবদাসকে সুপথে নিয়ে যাওয়ার আন্তরিক চেষ্টা করেছিল। স্নেহবুভুক্ষু দেবদাসের মনে সবচেয়ে বেশি মোহ বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল। দেবদাস যেমন চন্দ্রমুখীর শরীরকে কেন্দ্র করে পিচ্ছিল পথে নেমেছিল, তেমনই প্রেমেও পড়েছিল। যে চন্দ্রমুখী একদিন শুধুমাত্র শরীরের আবেদনে রূপের পসরা সাজিয়ে সমাজের বাইরে দাঁড়িয়েছিল, সেই নারী একসময় দেবদাসকে কেন্দ্র করে একনিষ্ঠ প্রেমের সন্ধানে সমস্ত বিলাস, বিভ্রম ও ঐশ্বর্যকে পর্যন্ত বিসর্জন দিয়েছিল। হিন্দুঘরের বিবাহিতা নারী যেমন বিবাহের পর স্বামীর চরণে নিজেকে নিঃস্ব করে বিলিয়ে দেয়, ঠিক তেমনই চন্দ্রমুখীও দেবদাসকে দেবতার আসনে বসিয়ে নিজেকে নিঃস্ব করে দিয়েছিল। তবুও চন্দ্রমুখীর মলিনত্ব ঘুচল না। কারণ সমাজ তাঁর দুঃখাভিশপ্ত কপালে কলঙ্কতিলক পরিয়ে দিয়েছে। সে তো আর কেউ নয়–গণিকা, বারাঙ্গনা, পতিতা।

    শ্রীকান্ত গ্রন্থে এক বাইজিকে পাই, যার নাম পিয়ারী। দেবদাসে চন্দ্রমুখীর ঘরে ঢোকার সময় লেখকের যে জড়তা দেখেছি, শ্রীকান্তে এসে সেই জড়তা কাটিয়ে উঠতে পেরেছে সে। মজঃফরপুরে বন্ধু মহাদেবের ঘরে পিয়ারী বাইজির সামনে শ্রীকান্ত বেশ অপ্রকৃতস্থ। মাতলামি, মাতালের অর্থহীন প্রলাপ, লাম্পট্যের অভদ্র ইঙ্গিত এবং নর্তকীর বিলোল আভাস শ্রীকান্তকে আর বিভ্রান্ত করে না। পিয়ারি বাইজি সঙ্গে পরিচয়ও প্রগাঢ় হল। পিয়ারী বাইজি ওরফে রাজলক্ষ্মী ছিল শ্রীকান্তের বাল্যকালের খেলার সাথী, আজ সে যৌবনের অভিসারিকা। ব্রাহ্মণকন্যা ভদ্রঘরে জন্ম নিয়েও বিবাহিতা রাজলক্ষ্মী অবস্থার বিপর্যয়ে নর্তকী, গণিকা, দেহবিলাসিনী। পিয়ারী বাইজি আর রাজলক্ষ্মী এক দেহে পৃথক সত্তা। জীবিকার্জনে রাজলক্ষ্মীকে হতে হয়েছিল পিয়ারী বাইজি। দেহ ব্যাবসা নিজের দেহকে সে অপবিত্র করেছে। সমাজে চোখে সে হীনা, আত্মীয়স্বজনের কাছে রুদ্ধদ্বার। যদিও বারবিলাসিনী নর্তকীজীবনকে রাজলক্ষ্মী কখনো স্বচ্ছন্দ মনে গ্রহণ করেনি। তাই সমাজের বাইরে দাঁড়িয়েও রাজলক্ষ্মী কখনো সমাজবন্ধনকে পায়ে দলিত করতে চেষ্টা করেনি। শ্রীকান্ত নানাভাবে রাজলক্ষ্মীকে নিজের দিকে আকর্ষণ করার চেষ্টা করেছিল বটে, কিন্তু রাজলক্ষ্মী তাঁর উচ্ছিষ্ট দেহ ধ্যানের দেবতাকে উৎসর্গ করতে পারেনি। নিজের অতীত জীবনের স্মৃতি প্রতিনিয়ত পীড়িত করত লজ্জা দিত রাজলক্ষ্মীকে।

    ‘আঁধারে আলো’ গ্রন্থে বিজলীও গণিকা। জমিদারপুত্র অনভিজ্ঞ সত্যেনকে বিজলী গঙ্গাতীরে প্রলুব্ধ করতে চেষ্টা করছিল। সুন্দর দেহ বিনিময়ে সে বহুপুরুষকে আকর্ষণ করেছে। দক্ষ মৎস্যশিকারির মতো পুরুষ তুলতে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। একদিন ছল করে বিজলী সত্যেনকে তাঁর ঘরে আহ্বান করে। সত্যেন বিজলীর ঘরে ঢুকে জানতে পারল সে এক গণিকার ঘরে উপস্থিত হয়েছে। বিজলী মনে করেছিল সত্যেন আর পাঁচজন পুরুষের মতো দেহলোলুপ। কিন্তু অতর্কিতে বিজলী প্রথম দেখল তাঁর দেহসীমা অতিক্রম করে সত্যেন দাঁড়িয়ে আছে। বিজলীও চন্দ্রমুখীর মতো অমৃতস্পর্শে জেগে উঠেছিল। বিজলী বাইজী পারিজাত স্পর্শে মরেছে। চন্দ্রমুখীও একদিন দেবদাসের স্পর্শে মরেছিল। দানে রাজলক্ষ্মী অতুলনীয়া, চন্দ্রমুখী ত্যাগে গরীয়সী, বিজলী কিন্তু সত্যেনের কাছে কোনোরূপ প্রতিদান প্রার্থনা করেনি। সেই নিস্পৃহ প্রেমই বিজলীকে মহীয়সী করেছে। মোটের উপর শরৎবাবুর তিনজন গণিকার পিছনে ছিল নারীর প্রচ্ছন্ন সত্তা এবং প্রচ্ছন্ন সত্তার বিশ্লেষণ করে তিনি গণিকার নতুন রূপ দেখিয়ে দিয়েছেন।

    সর্বোপরি শরৎবাবুর ‘পতিতা’ চরিত্রগুলি পতিতা হিসাবে ততটা পরিস্ফুট হয়নি, যতটা হয়েছে নারীচরিত্র। সেখানে কোনো নারী সামাজিক অর্থে পতিতা না অ-পতিতা, তা সাহিত্যিকের কাছে নিতান্ত অকিঞ্চিৎকর বিষয়। জীবননাট্যলীলায় তাঁর ভূমিকাটি সাহিত্যিক সৌন্দর্যমণ্ডিত হয়ে অঙ্কিত হয়েছে কি না, সেটাই সাহিত্যসমাজে বিবেচ্য বিষয়। শরত্যাবু অবিবাহিত বা বিবাহিত এই প্রশ্নের সমাধান না করেও বলা যায় যে, নারীর প্রতি তাঁর সহজ আকর্ষণ প্রবলতম। নারী-মন সন্ধানে শরত্যাবু নারীজগতের বহু অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করেছিলেন। শরৎচন্দ্র ব্ৰহ্মপ্রবাসকালে ‘বেঙ্গল সোসিয়াল ক্লাব’-এ স্বরচিত ‘নারীর ইতিহাস’ পাঠ করেন এবং সাতশত পতিতা নারীর জীবনকাহিনি সংবলিত একটি পুস্তক প্রণয়ন করেছিলেন। ঘটনার বিপর্যয়ে শরৎচন্দ্র প্রথম যৌবনে সমাজচ্যুত হয়েছিলেন। সেই অবসরে নারীর সঙ্গে তাঁর পরিচয় সাধারণত সমাজের বাইরে।

    সেসময়ের সাহিত্যিকদের সাহিত্যে যেমন গণিকারা স্থান পেয়েছিল, ঠিক তেমনইভাবে সাহিত্যিকদের জীবনেও গণিকারা স্থান পেয়েছিল। সুরাপান, গণিকাসক্তি ও রক্ষিতা-পোষণ সেকালে এক ধরনের সামাজিক স্বীকৃতি লাভই করেছিল। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তো গণিকাঁচর্চা গৌরব ও মর্যাদার প্রতীক হিসাবেও বিবেচিত হত। আঠারো-উনিশ শতকে কলকাতার নাগরিক জীবন এমনকি মফসসল শহরেও গণিকাঁচর্চা জীবনযাত্রার অনিবার্য প্রয়োজনীয় অনুসঙ্গ হয়ে ওঠে। ভারতপথিক রাজা রামমোহন রায় নিকির নাচ দেখেই সন্তুষ্ট ছিলেন না, বাঁধা রক্ষিতাও ছিল তাঁর। এই যবনী রক্ষিতার গর্ভে একটি পুত্রসন্তানও ‘উপহার’ দিয়েছিলেন। গণিকা সুকুমারী দত্তের প্রেমে মজেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর। মরমি কবি হাসন রাজা তো হর হামেশাই গণিকা-দর্শনে গণিকালয়ে যেতেন। কবি নজরুল ইসলামও বাদ যাননি, তিনি গণিকা কাননবালার ঘরে নিয়মিতই যেতেন। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জীবনে গণিকা ও বৈধতাও প্রশ্নহীন নয়। সাহিত্যিক জগদীশ গুপ্তও রক্ষিতা পুষতেন। রাজনারায়ণ বসু লিখছেন–“এক্ষণকার লো পানাসক্ত ও পূৰ্ব্বাপেক্ষা বেশ্যাসক্ত। যেমন–পানদোষ বৃদ্ধি পাইতেছে, তেমনি বেশ্যাগমনও বৃদ্ধি হইতেছে। সে কালে লোকে প্রকাশ্যরূপে বেশ্যা রাখিত। বেশ্যা রাখা বাবুগিরির অঙ্গ বলিয়া বিবেচিত হইত, এক্ষণে তাহা প্রচ্ছন্নভাবে ধারণ করিয়াছে, কিন্তু সেই প্রচ্ছন্নভাবে তাহা বিলক্ষণ বৃদ্ধি পাইতেছে। বেশ্যাগমন বৃদ্ধি পাইতেছে, তাহার প্রমাণ বেশ্যাসংখ্যার বৃদ্ধি। পূৰ্ব্বে গ্রামের প্রান্তে দুই এক ঘর দৃষ্ট হইত; এক্ষণে পল্লিগ্রাম বেশ্যার সংখ্যা বিলক্ষণ বৃদ্ধি পাইয়াছে। এমনকি স্কুলের বালকদিগের মধ্যেও এই পাপ প্রবলাকারে ধারণ করিয়াছে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভারতে ইসলাম ভারতীয় মুসলিম – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article শিখণ্ডী খণ্ড – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }