Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026

    জীবন স্রোতের আঁকেবাঁকে – অর্পিতা সরকার

    July 3, 2026

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প285 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জোনাকির রঙ – ১০

    (দশম অধ্যায়)

    প্রিয় বাবু,

    তোকে ছোটবেলা থেকে গল্প শোনাইনি আমি কখনও, ওসব তোর মা আর দাদু শোনাত। আমি বাড়িতেই বা থাকতাম কতটুকুনি? আজ যাওয়ার আগে তাই ভাবলাম, তোকে একটা গল্প শোনাই। গল্পের শেষে একটা অনুরোধ আছে, বা উপদেশও বলতে পারিস। আগে গল্পটা শুনে নে, কেমন?

    মায়ের কাছে গল্প শুনলেও ছোটবেলা থেকে আমাকেই বেশি ভালোবাসতিস তুই। আমাদের সেই এক কামরার ভাড়াবাড়িটার কথা মনে আছে তোর? তখন টাকাপয়সার খুব টানাটানি ছিল আমাদের। ভারী কষ্ট করে মানুষ করেছি তোকে।

    মনে আছে, রাতে রুটি খেতে গিয়ে তোর পাতে তরকারি বেঁচে গেলে সেই তরকারিটা আমার পাতে ঢেলে দিতিস তুই। তখন থেকেই বুঝতিস,

    ওটুকু নিজে খেয়ে নিলে বাবার কম পড়তে পারে। মায়ের কাছ থেকে নেতাজির গল্প শুনে হঠাৎ একদিন “আমাকে নেতাজি এনে দাও” বলে সে কী কান্না তোর! কিছুতেই থামাতে পারি না। শেষে আমি নিজেই গোল চশমা আর লম্বা টুপি পরে নেতাজি সেজে তোকে ঠান্ডা করলাম।

    প্রথম যেদিন আমার মাথায় সাদা চুল দেখতে পেলি, সেদিনও ভয়ংকর কান্না জুড়েছিলি বাবা বুড়ো হয়ে যাচ্ছে ভেবে। কার কাছ থেকে যেন জেনেছিলি, বাবা-মা চিরদিন বাঁচবে না, সেদিন মাঝরাতে ঘুম ভেঙে তোর সে কী কান্না! এখন বললে লোকে বিশ্বাস করবে না কিন্তু ছোট থেকে তুই ভীষণ ছিঁচকাঁদুনে ছিলিস।

    ছোট থেকে বড় হতে আমার সেই অসহায় ছিঁচকাঁদুনে ছেলেটা যে কোথায় হারিয়ে গেল, কবে হারিয়ে গেল, বুঝতে পারিনি। তাতে অবশ্য খুশি হয়েছিলাম। সারাজীবন কান্না থামানোর জন্য তো বাবা-মা থাকে না। নিজেকেও শিখে নিতে হয়। প্রকৃতি হয়তো নিজের নিয়মে সন্তানকে কান্না লুকোতে শিখিয়ে দেয়, আর বাবা-মা-কে কান্না না-শোনার অভ্যাসটা তৈরি করে দেয়…

    আজ শুধু মনে হচ্ছে, যে প্রকৃতি আমাকে দিয়ে আজকের এই অসম্ভব কাজটা করিয়ে নিচ্ছে, সে তোকে এই যন্ত্রণাটাও সহ্য করার মতো শক্তি দেবে।

    যা-ই হোক, তারপর আমরা গরিব থেকে মধ্যবিত্ত হলাম। তুই বড় স্কুলে পড়াশোনা করলি, নিজের ইচ্ছামতো কেরিয়ার তৈরি করলি, তোকে যখন শার্ট আর জিন্স পরে কলেজে যেতে দেখতাম, তখন মনে মনে ভাবতাম, সত্যিই আমাদের ছোট্ট ছেলেটা বড় হয়ে গেছে, নিজেরটা বুঝে নিতে শিখে গেছে, তুই আর আগের মতো কাঁদিস না। নিজের চারপাশে একটা জগৎ তৈরি করে নিয়েছিস, একটা কল্পনার জগৎ। গল্প, কবিতা, উপন্যাসের জগৎ।

    মাঝে মাঝে মনে হত, না, ছেলেটা সত্যি বড় হয়নি। আজ চলে যাওয়ার আগে হঠাৎ খুব ছোট মনে হচ্ছে তোকে। আচ্ছা রূপ, তুই কি সত্যিই বড় হোসনি?

    আমি জানি, পৃথিবীতে এমন কিছু মানুষ থাকে, যারা বড় হয়েও হয় না। ভেতরটা কাঁচামাটির থেকে যায়। আমার এখন ভীষণ ইচ্ছা করছে, তুই আমার কাছে এসে ছোটবেলার মতো নির্দ্বিধায় কাঁদতে কাঁদতে বল, “আমার ছোটবেলার বাবা চাই….. আমি জানি না কোথায় হারিয়ে গেছে লোকটা। কোন সময়ের গর্ভে তলিয়ে গেছে… আমার শুধু ফেরত চাই, ব্যাস…”

    আমি আবার আমার পুরোনো শার্টটা পরে মাথায় কলপ করে তোকে বোঝানোর চেষ্টা করব যে তোর বাবা কোথাও হারিয়ে যায়নি। যেমন তুই বলতে পারলি না, তেমন আমিও হতে পারলাম না। আমরা কেউ কারও কাছে যেতে পারলাম না কেন, বাবু? জানি না।

    তুই এই চিঠি তখন পড়বি, যখন আমি থাকব না, এটা ভেবেই এতগুলো কথা লিখে ফেলছি হয়তো। জানিস, কোথায় একটা যেন পড়েছিলাম, এই পৃথিবীতে যতগুলো আত্মহত্যা হয়েছে, তার কয়েক হাজারগুণ বেশি এই চিঠিটা…

    সুইসাইড নোট লেখা হয়েছে। তা-ই যদি হয় তাহলে হয়তো লুকিয়ে ফেলব রূপ, আমি জানি, তুই ভগবানে বিশ্বাস করিসনি কোনদিন। তোর মা মন্দিরে পুজো দিতে গেলে বাইরে সিঁড়িতে বসে থাকতিস। পুজো হয়ে গেলে ফিরে আসতিস মায়ের সঙ্গে। তোকে হয়তো বোঝাতে পারব না মানুষ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে উপস্থিত হলে ঠিক কতটা ভয় পায়। একাকিত্ব কী ভীষণরকম ভয় দেখাতে পারে… ঠিক কতটা অবসাদ গ্রাস করতে পারে….

    আজ এই ঘরে বসে তোর মা চলে যাওয়ার পর আমি আমার বাকি জীবনে সীমাহীন আতঙ্ক ছাড়া আর কিছু দেখতে পাচ্ছি না। হয়তো একদিন তুইও বাবা হবি, হয়তো সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হবে, সেদিন হয়তো বুঝতে পারবি, আজ আমার, তোর, তোর মায়ের কারও কোনও দোষ ছিল না।

    আমরা সেই আমাদের এক কামরার ভাঁড়ারঘর থেকে যেদিন বেরিয়ে এসেছিলাম, যেদিন প্রথমবার তোর কান্না শান্ত হয়ে গিয়েছিল, আমরা প্রশ্ন করিনি এখনও কোথাও কিছু বাকি আছে কি না, এখনও তোর আমাদের প্রয়োজন আছে কি না, যেদিন তোর প্রথম মনে হয়েছিল, জীবনে এমন কিছু দুঃখ থাকে, যার ওষুধ বাবা-মায়ের কাছে নেই, সেদিন থেকে একটার পর একটা ভুল জমতে জমতে আজ এই চিঠিটা লেখা হচ্ছে। এতে আমাদের কারও দোষ নেই, বাবু, কিংবা সবারই দোষ আছে…

    বলেছিলাম না চিঠি শেষে একটা অনুরোধ করব? এই চিঠিটা কাউকে দেখাতে হবে না। তোর বন্ধুবান্ধবদেরও না। শুধু কোনওদিন ফেলে দিস না চিঠিটা। এটা রেখে দিস। আমার স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে নয়। যদি জীবনে কখনও মনে হয় আজ আমার চলে যাওয়ার জন্য একটুখানি হলেও তুই দায়ী, তাহলে এই চিঠিটা খুলে পড়িস। জীবনের শেষদিন অবধি পড়িস। বুঝতে পারবি, তোর কোনও দোষ ছিল না।

    খুব ভালো থাকিস বাবু, জীবনটা খুব আনন্দে কাটাস। আমাদের সুখের খোঁজ ঠিক কোনও না কোনও মানুষের কাছে থাকে। সে মানুষটাকে খুঁজে নিস। যদি নিজের জন্য না-ও হয়, অন্তত আমার জন্য, আমাদের তিনজনের জন্য…

    ইতি,
    তোর বাবা

    .

    আহিরিটোলায় নেমে কুমোরটুলির রাস্তা ধরে বাগবাজার ঘাটে পৌঁছোল শতরূপ। এই ঘাটটা ওর বহুদিনের চেনা। পুজোর মরশুম শুরু হতে এখন প্রচুর দেরি আছে। ফলে ঠাকুর তৈরির তেমন তাড়া নেই। গঙ্গার ধারে বেশ কয়েকটা খড়ের মূর্তি দাঁড় করান। ছোটবেলায় মূর্তিগুলোকে দেখে শতরূপ খুব ভয় পেত। এখন আর পায় না।

    একটা ফাঁকা ঘাট খুঁজে নিয়ে সেদিকে এগিয়ে এল রূপ। গঙ্গার ধারে আসলে মনটা হালকা হয়ে যায়। অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল, গঙ্গার ধারে একটা বাড়ি কিনে থাকবে। কিন্তু এখনও সেভাবে বড়সড়ো চাকরি করে না। টাকাপয়সা নিয়েও টানাটানি চলছে। ফলেও স্বপ্নগুলো আপাতত গঙ্গার জলেই বইয়ে দিয়েছে।

    তবে আজ স্বপ্ন দেখতে আসেনি। একাকী ঘাটে একটা ভাঙা সিঁড়ি খুঁজে নিয়ে তার উপর বসে পড়ে ও। একটু দূরে পুজোর ফুল আর বেলপাতা পড়ে আছে। একটা গামছা-পরা লোক ঘাট থেকে উঠে কোথায় যেন চলে গেল। একবার চারদিকটা ভালো করে দেখল শতরূপ। তারপর পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে আনল। ওর বাবার সুইসাইড নোটটা।

    আরেকবার ভালো করে পড়ল চিঠিটা, তারপর আরেকবার, একসময় ওর ঠোঁটে একটা মিহি হাসি ফুটে উঠল। হাসিটা জীবনে অনেকবার হেসেছে ও। বিজয়ীর হাসি।

    সেইভাবে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকে আবার পকেটে হাত ঢুকিয়ে একটা ইরেজার বার করে আনল। ইরেজারটাকে রাখল কাগজের ঠিক উপর। চিঠিটা পেনে লেখা। ফলে ইরেজার দিয়ে মোছা যাবে না।

    কাগজটা দিয়ে ঢেকে বেশ কয়েকবার মুড়িয়ে ইরেজারটা দলা পাকিয়ে ফেলল রূপ। ছোট্ট বলটা হাতে চেপে ধরে থাকল কিছুক্ষণ। তারপর আচমকাই সেটা ছুড়ে ফেলে দিল গঙ্গার জলে।

    ‘চুপ’ শব্দ করে ডুবে গেল ইরেজার সমেত কাগজটা। একসঙ্গে হারিয়ে গেল গঙ্গার জলের তলায়।

    রূপ বেশ কিছুক্ষণ ওভাবেই দাঁড়িয়ে রইল। জলের ছোঁয়া-লাগা একটা নরম হাওয়া ঝিরঝির করে মুখে লাগছে। অনেকটা আকাশ দেখা যায় এখান থেকে। আকাশের এক-এক প্রান্তে এক-এক রকমের রং ধরেছে। উশকোখুশকো চুলগুলো আরও অবিন্যস্ত হয়ে যাচ্ছে সেই হাওয়ায়।

    অনেকক্ষণ কেটে যেতে ওর মনে হল, এতক্ষণ ঘাটে কোনও লোক আসেনি, কিংবা হয়তো এসেছিল, ও খেয়াল করেনি। কী যেন একটা ভাবনায় ডুবে ছিল এতক্ষণ।

    উঠে পড়ল রূপ। বাড়ি ফিরতে হবে। সিঁড়ি বেয়ে উঠতে যাবে এমন সময় ওর পকেটে ফোনটা ভাইব্রেট করে উঠল। পকেটে একটা ফোন আছে, সেটা এতক্ষণ খেয়াল ছিল না ওর।

    ফোনটা বের করে স্ক্রিনের উপর নজর রাখল। আননোন নাম্বার। রিসিভ করে “হ্যালো” বলতে ওপাশ থেকে একটা উচ্ছ্বসিত গলা শোনা গেল, “হ্যালো, ইজ দিস মিস্টার ঘোষ স্পিকিং?”

    “হ্যাঁ বলছি। আর বাংলায় বলুন, আমি ইংরেজি আর হিন্দি বলতে পারি না…”

    “ও.কে. মিস্টার ঘোষ, আমরা বাংলা এফএম থেকে বলছি। আপনি একটা অডিশন দিয়ে গিয়েছিলেন?”

    “হ্যাঁ, মাসখানেক আগে দিয়েছিলাম। কেন বলুন তো?”

    “কনগ্র্যাচুলেশনস, আপনি আমাদের অডিশনে সিলেক্টেড হয়েছেন। যদিও এখন কোনও পার্মানেন্ট জব অফার আপনাকে করতে পারছি না। কিন্তু কনট্র্যাক্ট বেসিসে…”

    আরও দু-চার কথা বলার পর ফোনটা রেখে দিল শতরূপ। একটা অদ্ভুত অনুভূতি গ্রাস করছে ওর মনটাকে। এই ছোট্ট কাজটার জন্য মাস ছয়েক ধরে টানা প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এভাবে হঠাৎ করে পেয়ে যাবে, সেটা কাল রাত অবধি ভাবতে পারেনি।

    কীসের যেন একটা ধুকপুকানি হচ্ছে ওর মধ্যে, দুঃখ হোক বা আনন্দ, যে-কোনও অনুভূতিতে এত ছটফট করে কেন কে জানে?

    কলটা কেটে গিয়েছিল। ফোনের দিকে তাকিয়ে একটা অদ্ভুত ইচ্ছা হল ওর। ইচ্ছা হল এরকম কাউকে খবরটা দিতে, যে খবরটা শুনে ওর থেকেও বেশি খুশি হবে। এরকম কেউ, যে ওর লড়াইটা দেখেছে, এমন কেউ, যে ওর সঙ্গে অপেক্ষা করছিল এই ফোন কলটার। হোয়াট্সঅ্যাপে গেল শতরূপ। খুঁজে পেল না কাউকে। তারপর কনট্যাক্ট লিস্টে, সেখানেও খুঁজে পেল না কাউকে। ফোনটা লক করে আবার ঢুকিয়ে রাখল পকেটে….

    ঘাট থেকে উঠে আসতেই একটা ঘটিগরমওয়ালা সামনে পড়ল। ওকে দেখে ফিক করে একগাল হেসে লোকটা বলল, “ঘটিগরম দেব নাকি দাদা? গঙ্গার হাওয়ায় বসে খাবেন মুচমুচে ঘটিগরম?”

    “দিন, দশ টাকার দিন…” হেসে বলল শতরূপ।

    ঘটিগরমের ঠোঙা নিয়ে ঘাট থেকে বেরিয়ে আসতেই একটা হইচই ভেসে এল পাশ থেকে। কিছুই নয়, একটা বয়স্ক লোক তার নাতিজাতীয় কাউকে সঙ্গে নিয়ে এসেছিল গঙ্গায় পুজো দিতে। ঘাটের কাছাকাছি আসতেই ছেলেটা বায়না ধরেছে, সে গঙ্গায় স্নান করবে। বুড়ো কিছুতেই তা হতে দেবেন না। ছেলেটাও প্রায় গায়ের জোরে দাদুকে টেনে নিয়ে যেতে চাইছে জলের দিকে। বুড়ো কিছুতেই তাকে সামলাতে পারছেন না। নানারকম ভয় দেখাচ্ছেন, কিন্তু কিছুতেই কাজ হচ্ছে না। সামান্য একটা লাঠি দিয়ে সিঁড়িতে ঠেকনা রেখেছেন। আরেকটু হলেই সিঁড়ি থেকে গড়িয়ে পড়বেন।

    প্রায় কাতর চোখে শতরূপের দিকে তাকালেন ভদ্রলোক, “বলছি ভাই, তুমি ওকে একটু ধরতে পারবে? আমি পুজোটা দিয়েই বেরিয়ে আসব…”

    “আচ্ছা বেশ তো, রেখে যান, আমি ম্যানেজ করে দেব…”

    বুড়ো কিন্তু আশ্বস্ত হতে পারেন না, “ও কিন্তু মহাবিচ্ছু ছেলে, ভাই। সুযোগ পেলেই জলে নেমে যাবে, কেন যে মরতে ওর মায়ের কথা শুনে নিয়ে এলাম?”

    শতরূপ একটা ভরসার হাসি হাসে-”চিন্তা করবেন না। নিশ্চিন্তে পুজো দিয়ে আসুন।”

    “তুমি শুধু দশ মিনিট ওকে আটকে রাখো, কেমন?” নাতির দিকে চেয়ে বলেন, “এই যে, এই দাদা জলে নিয়ে যাবে তোমাকে, আমি ততক্ষণ পুজো দিয়ে আসি?”

    ছেলেটা এগিয়ে এসে বসে পড়ে রূপের পাশে। ওর দিকে সন্দেহের দৃষ্টি হেনে বলে, “তুমি সাঁতার জানো?”

    “ডুবসাঁতার, চিতসাঁতার, বাটারফ্লাই, সব জানি। শিখবে নাকি?” ছেলেটা আর কিছু বলে না। গম্ভীর মুখ নিয়েই জলের দিকে চেয়ে থাকে। গঙ্গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে না ভেবে গোমড়া হয়ে গেছে সে। শতরূপ ওর কাঁধে একটা টোকা দিয়ে বলে, “কী বস, জলে নামবে নাকি?”

    “কত নিয়ে যাবে, সব জানি…” মুখ বেঁকায় ছেলেটা।

    “ও মা, নিয়ে যাব না কেন?” শতরূপ ফিশফিশে গলায় বলে, “চাইলেই নিয়ে যেতে পারি। কিন্তু জলের ভেতর কী আছে, সেটা তো শুনে নাও আগে…”

    “কী আছে?”

    শতরূপ একটা বাঁকা হাসি হাসে। তারপর কাঁধে হাত রেখে বলে, “আগে সেই গল্পটা শোনো তাহলে… একটা দৈত্যের গল্প…”

    “কোন দৈত্য?”

    “সেই যে দৈত্যটা যুদ্ধের নেশায় নিজের মা-বাবাকে খুন করে ফেলেছিল… তারপর….”

    “তারপর?”

    ওর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে গঙ্গার দিকে তাকায় শতরূপ…

    *

    ঘরের ভেতর কেবল খচখচ করে এগিয়ে চলা ঘড়ির আওয়াজ আসছে। চারদিকের জানালা দিয়ে আসা রোদ খেলা করছে ঘরের মেঝেতে। দেওয়ালের শোকেস জুড়ে অসংখ্য বই। বেশির ভাগই রংচঙে।

    দেওয়ালে কয়েকটা ইতস্তত ছবি রয়েছে। এই ছবিগুলোর মধ্যেও নরম রঙের খেলা। একবার দেখলেই চোখ জুড়িয়ে আসে। সামনে বসা মেয়েটার বয়স নীহারিকার থেকে বছর সাতেক কম হবে। দেখে মনে হয়, সে কথাবার্তা বিশেষ বলে না। কেবল চোখ দুটো ভারী উজ্জ্বল। একটানা বেশিক্ষণ তাকিয়ে থাকলে বুকের ভেতরটা কেমন খালি হয়ে যায়।

    নীহারিকা আজ প্রথম দেখছে মেয়েটাকে, তা-ও মেয়েটার ওর দিকে কোনও আগ্রহ নেই। যেন বাইরে দরকারি কিছু একটা হচ্ছে। ওর এক্ষুনি সেখানে ছুটে যাওয়া দরকার।

    “আমার ছোট থেকে খুব শখ ছিল তোমার মতো ডাগর ডাগর চোখের…” আলাপ জমানোর চেষ্টা করে নীহারিকা।

    মেয়েটা হাসে। কিছু বলে না।

    “তোমার এরকম কোনও শখ ছিল না?”

    “ছিল। না-জন্মানোর…”

    নীহারিকার ভুরুতে ছোট একটা দাগ দেখা দিয়েই মিলিয়ে যায়। প্রসঙ্গটা খানিকটা নরম করতে সে বলে, “কেন? তুমি তোমার জীবন নিয়ে খুশি না? তোমাকে দেখতে এত মিষ্টি, এত গুণ আছে তোমার… কাকামশাই তোমায় এতটা ভালোবাসেন…”

    মেয়েটা ঠোঁট কামড়ে বলে, “কী করে বলি? আপনাকে তো আমি ভালো করে চিনি না। আপনি আমার সম্পর্কে এত কিছু জানেন, অথচ আমি আপনার সম্পর্কে কিছুই জানি না…”

    “বেশ তো, বলো কী জানতে চাও?”

    এইবার যেন মেয়েটার চোখে-মুখে একটা উদ্দীপনা ফুটে ওঠে। নীহারিকার গল্প জানতে ভারী আগ্রহ তার। দুটো হাত সামনে জড়ো করে বলে, “আপনাকে কে ভালোবাসে বা ভালোবাসত?”,

    “আমার হাজব্যান্ড আছে, আমার বন্ধুবান্ধবরা আছে, আমার মা-বাবা আছে…”

    মেয়েটা একটা অদ্ভুত বাঁকা হাসি হাসে-”কে ভালোবাসে জানতে চাইলে যারা এতগুলো নাম বলে, তাদের আসলে কেউ ভালোবাসে না…”

    নীহারিকা এবার খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে, বলে, “তুমি বেশ বুদ্ধি করে কথা বলতে পারো তো। আচ্ছা বলো তো, বাড়িতে থাকলে কী করতে ভালো লাগে তোমার?”

    “গল্পের বই পড়তে। আর গল্প শুনতে রেডিয়োতে…

    রেডিয়োতে! তোমার কাকামশাই বলছিল বটে রেডিয়োতে কার সঙ্গে কথা বলো তুমি… রেডিয়ো শুনতে ভালো লাগে?”

    “হুম, আরজে রূপের গলা…”

    একটু থমকে যায় নীহারিকা। একবার ঘড়ির দিকে তাকায়। টেবিল থেকে রুমাল নিয়ে মুখটা মুছে আবার নামিয়ে রাখে।

    “বেশ, কীসের গল্প শোনো?”

    “ভূতের, দৈত্যের…”

    “দৈত্যের!” নীহারিকা চোখ কুঁচকে তাকায়— “তোমার সঙ্গে কথা বলে মনে হচ্ছিল তুমি ভারী প্র্যাকটিক্যাল মেয়ে…

    “দৈত্যের থেকে বেশি প্র্যাকটিক্যাল কী আছে, মিসেস গাঙ্গুলি? আমাদের সবার ভেতরেই একটা দৈত্য আছে। আপনি কখনও অনেকক্ষণ কারও সঙ্গে কথা না বলে থেকেছেন? একটা অন্ধকার ঘরে দিনের পর দিন কারও সঙ্গে যোগাযোগ না করে যদি কাটান, বুঝতে পারবেন সবার মধ্যে একটা দৈত্য আছে… কখনও সে একটু বেশি জেগে ওঠে, কখনও ঘুমিয়ে পড়ে….

    “তোমার দৈত্যটা কবে জেগেছিল?”

    চোখ তুলে তাকায় বিনি— “অনেকবার। আজ, এখন আপনার চেম্বারে ঢোকার ঠিক পরেও…”

    “কেন? এখানে কী হল?”

    “আমার দৈত্যটা আরেকটা দৈত্যের গন্ধ পেল। আপনার মধ্যে।”

    “আমার মধ্যে! স্ট্রেঞ্জ!”

    “হুম… আসলে একটা দৈত্য আরেকটা দৈত্যকে চিনতে পারে…”

    হঠাৎ নীহারিকার মনে হয়, ও বেশ কিছুক্ষণ ধরে চেয়ে আছে ঐন্দ্রিলার চোখের দিকে। যেন চাইলেও সে চোখ সরাতে পারবে না। নীহারিকা শুনেছে, কিছু মানুষ কেবলমাত্র চোখের দৃষ্টিতে সম্মোহিত করতে পারে। তেমন কিছু ক্ষমতা আছে নাকি ঐন্দ্রিলার? সে বহু চেষ্টা সত্ত্বেও নিজের অবচেতনের উপর নিয়ন্ত্রণ হারায়।

    “আপনার কীসের দুঃখ হয়, মিসেস গাঙ্গুলি? রোজ রাতে ঘুমোতে যাওয়ার পর, ঘুম থেকে ওঠার পর আপনি কী ভাবেন?”

    “জানি না কেন ছোট হয়ে যেতে ইচ্ছা করে আমার…”

    “কেন?”

    “ছোটবেলায় একটা ছেলেকে আমি ভালোবাসতাম….”

    “তারপর?”

    “তারপর জানি না কেন ও কোথায় যেন…”

    ওর চোখ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে নেয় বিনি। মুহূর্তে ঘোরটা কেটে যায়। এক ঝটকায় ঘর থেকে বেরিয়ে আসে নীহারিকা। বাইরে রিসেপশনিস্টের কাছে বসেছিলেন আশিস দত্ত। বিজনেস ম্যাগাজিন জাতীয় কিছু একটা নিয়ে পাতা ওলটাচ্ছিলেন। তাঁকে প্রায় হিড়হিড় করে টেনে বাইরে নিয়ে আসে।

    নিজের ছোট্ট অফিস রুমে ঢুকেই গনগনে লোহার মতো প্রশ্ন ছুড়ে দেয়, “আপনি সব জানেন, তা-ই না?”

    “আমি!” ভদ্রলোক অবাক হয়ে যান, “আমি কী জানলাম?”

    “আপনার ভাইঝি সারাদিন রূপের গল্প শোনে, সেটা আপনি জানতেন….”

    “আমি! মানে….” কী যেন ভাবে লোকটা। তারপর চোখ থেকে চশমাটা খুলে বলে, “উনি আপনার পরিচিত নাকি?”

    একটু ধাতস্থ হয় নীহারিকা – “ছোটবেলার বন্ধু। একসময়কার বেস্ট ফ্রেন্ড। অনেকদিন হল যোগাযোগ নেই…

    “তো এতসব আমি কী করে বলব? আপনার কবে কার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল…..”

    “দেখুন মিস্টার দত্ত, ন্যাকা সাজবেন না। আপনার ট্যাঁকের যা জোর, তাতে এই গোটা দেশের সব থেকে বড় সাইকোলজিস্টকে আপনি কনসাল্ট করতে পারতেন। কিন্তু সেসব ছেড়ে আমাকে কেন হায়ার করলেন?”

    “ওটা আমার কোম্পানি পলিসি, মিসেস গাঙ্গুলি। আমরা নতুনদের উপর ভরসা করে থাকি…”

    “কোম্পানি পলিসি মাই ফুট। শুধু আপনি নয়, আপনার মেয়েও সমস্ত ব্যাপারটা জানে।”

    “খেপেছেন নাকি! ও কী করে জানবে? বিনি কারও সঙ্গে মেশেই না। নিজের হাজারটা সমস্যা আছে ওর…”

    “জানি না, কিন্তু বারবার আমার পেট থেকে কথাগুলো বের করতে চাইছে…”

    “আগেই বলেছিলাম আমার ভাইঝি আপনার পাঁচটা পেশেন্টের মতো নয়। কিছু অস্বাভাবিক ক্ষমতা আছে ওর। সাধারণ মানুষের থেকে ওর মাথা অনেক দ্রুত চলে। মানুষের মনের ভেতরের কথা পড়ে ফেলতে…”

    “আপনার এই কেস আমি হ্যান্ডেল করতে পারব না, আপনি অন্য কাউকে খুঁজে নিন….”

    “আচ্ছা, আপনাকে এভাবে বিব্রত করে আমার লাভ কী বলুন তো?”

    “সেটা আমার জানার দরকার নেই। আই অ্যাম স্ট্রেট আউট অব দিস…. “মিসেস গাঙ্গুলি,” গলাটা ভারী হয়ে আছে আশিস দত্তর— “আপনি কলেজ থেকে বেরোনোর সময় গোল্ড মেডালিস্ট ছিলেন, জীবনে চ্যালেঞ্জ নিতে পিছিয়ে আসেননি, আজ আমার মেয়ে মাত্র আধ ঘণ্টায় আপনাকে এভাবে হারিয়ে দেবে, সেটা আমি ভাবতে পারিনি। ঠিক আছে, আপনি যদি চান…”

    কথার মাঝখানে গটগট করে আবার ঘরের ভেতর ঢুকে আসে নীহারিকা। আবার গিয়ে বসে নিজের চেয়ারে। একটা পেন তুলে নিয়ে আনমনে ক্রমাগত ঘষতে থাকে কাগজের উপর।

    কয়েক সেকেন্ড পরে ওর মাথা শান্ত হয়ে আসে। মুখ তুলে তাকায় ঐন্দ্রিলার দিকে— “বেশ, করো আমাকে কী জিজ্ঞেস করবে…”

    চোখ বন্ধ করে চেয়ারে মাথা এলিয়ে দেয় নীহারিকা। ওপাশ থেকে শান্ত কন্ঠস্বর ভেসে আসে। নীহারিকা বুঝতে পারে, ঐন্দ্রিলা চেয়ার থেকে উঠে পড়েছে, ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে ওর দিকে— “আপনার মাঝে মাঝে মরে যেতে ইচ্ছা করে, তা-ই না মিসেস গাঙ্গুলি?”

    “করে… সবার করে…. অস্বাভাবিক কিছু না…” চোখ বুজেই উত্তর দেয় নীহারিকা।

    “তখন কী ভাবেন? এক্ষুনি মরে গেলে ভালো হত? না আজ থেকে কয়েক বছর আগে, কি কয়েক মাস আগে…”

    “কয়েক বছর আগে।”

    “বুঝেছি। এমন একটা সময় যখন মরে যাওয়ার কোনও কারণ ছিল না, মনে হয়, তারপর থেকে সমস্ত কিছু খারাপ হয়েছে, তা-ই না?”

    “হ্যাঁ…..”

    “কোন সময়?”

    “আমার বন্ধুকে ছেড়ে এসেছিলাম যেদিন, ওর বাড়ি থেকে বেরিয়ে চলে আসার সময় যেদিন বুঝতে পেরেছিলাম, আর ওর সঙ্গে যোগাযোগ রাখব না। সেদিন সেই মুহূর্তে যখন ফিরে আসছিলাম, তখন একটা গাড়ির অ্যাক্সিডেন্ট…” ঢোঁক গেলে নীহারিকা, “আমি চাইছিলাম, সেদিন আমার রক্ত-মাখা দেহটা পড়ে থাক মাটির উপরে, আমার মাথাটা ও কোলে তুলে নিক, একদৃষ্টে চেয়ে দেখুক আমার দিকে… ভয় পাক, একটা গোটা জীবন আমাকে ছেড়ে কাটানোর ভয়… তারপর অসহায় মুখের দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে একটু একটু করে…”

    “চোখ খুলুন মিসেস গাঙ্গুলি, ভয় নেই। আমি আর আপনার সামনে বসে নেই…”

    এক ঝটকায় চোখ খোলে নীহারিকা। সামনে আয়নাটা চোখে পড়ে। ওর পেছনে দাঁড়িয়ে আছে ঐন্দ্রিলা। নিজের মুখটা লালচে দেখাচ্ছে। একটা অদ্ভূত অস্বস্তি ঘিরে ধরে ওকে। নগ্ন মনে হয় নিজেকে।

    “আপনার অস্বস্তি হচ্ছে, তা-ই না? মিসেস গাঙ্গুলি, আমরা সব কথা বলতে চাই, কিন্তু যাকে-তাকে নয়…..”

    কথাটা বলে আবার সামনের চেয়ারটায় বসে ঐন্দ্রিলা। কয়েক সেকেন্ড মেঝের দিকে তাকিয়ে থেকে একটা পায়ের উপর আরেকটা পা তুলে বসে— “চলুন, অন্য কিছু খেলা যাক… আপনি আমাকে যা জিজ্ঞেস করবেন, আমি চেষ্টা করব তার উত্তর দিতে। বদলে আমি আপনাকে যা জিজ্ঞেস করব, সেগুলোও আমাকে বলবেন আপনি, রাজি?”

    ঘণ্টাখানেক পরে ঐন্দ্রিলাকে নিয়ে নীহারিকার চেম্বার থেকে বেরিয়ে আসেন আশিস দত্ত। বাইরের ডার্ক-ব্লু সিডানটা দাঁড়িয়ে ছিল। সেটায় উঠে ড্রাইভারকে নির্দেশ দেন। ঐন্দ্রিলা গাড়িতে উঠে বসে।

    আশিস দত্ত হেঁটে খানিকটা এগিয়ে এসে পকেট থেকে মোবাইলটা বার করে একটা নাম্বার ডায়াল করেন। উনি হ্যালো বলার আগেই ওপাশ থেকে কথা শোনা যায়, “হ্যাঁ স্যার, ওই ছেলেটার খবর নিয়েছি। রেডিয়োর চাকরি তো, তবে…”

    “তবে কী?”

    “ইদানীং রেপুটেশন একটু ডাউন যাচ্ছে। মেজাজ ঠিক থাকছে না, একদিন নাকি মাল খেয়ে বাথরুমে কী সব ভাঙচুর করেছে শুনলাম…”

    “ব্যাস, ওটাকে কাজে লাগাও। টাকাপয়সার টানাটানি যাতে হয়, সেটা এনশিয়োর করে…” সিগারেটটা মুখে পুরে কঠিন গলায় বলেন আশিস দত্ত। “ছেলেটাকে নিয়ে আপনি কী করতে চান, স্যার?” লোকটা একটা ফচকে হাসি হেসে জিজ্ঞেস করে।

    “সেটা তোমার না জানলেও চলবে। তুমি জাস্ট এমন একটা সিচুয়েশন করবে, যাতে আমাদের প্রোপোজালটা মেনে নেওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় না থাকে….”

    ফোনটা কেটে যেতে গাড়ির দিকে হাঁটতে হাঁটতে একগাল মুচকি হাসেন আশিস দত্ত।

    দাবার বোর্ডের সব খুঁটি ছোট্ট একটা খোপের মধ্যে জড়ো হয়েছে। কতকগুলো অদ্ভুত সরলরেখা একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে এক জটিল নকশা তৈরি করছে। নকশাটা মাথার ভেতর ফুটে ওঠে। সেটার দিকে অনেকক্ষণ চেয়ে থাকেন তিনি…..

    *

    “আচ্ছা, এই গোটা উপন্যাসটায় তোর সব থেকে খারাপ লাগে কাকে?” ঐন্দ্রিলা জিজ্ঞেস করে।

    “ব্যান্ডারস্ন্যাচ।”

    “কেন? ও মনস্টার বলে?”

    “ধুর, মনস্টার তো ভালো লাগে। কিন্তু ভালো লেখকরা সব সময় সাহস করে মনস্টারদের একটা সুন্দর ব্যাকস্টোরি দেয়। ব্যান্ডারস্ন্যাচের কোনও ব্যাকস্টোরি নেই।”

    “ব্যাকস্টোরি!”

    “মানে ধর, হুট করে একটা দৈত্য এল কী করে? এমনি এমনি তো আর কেউ দৈত্য হয়ে যায় না…”

    “উঁহু, এমনি এমনি হয় না। দৈত্যকে জাগাতে হয়। সোনার কাঠি, রুপোর কাঠি দিয়ে যেমন রাজকন্যা জাগাতে হয়, তেমনি দৈত্যকেও কিছু একটা দিয়ে জাগাতে হয়…”

    “তুই একবার একটা দৈত্যকে জাগিয়েছিলি।”

    “তা-ই নাকি! কী দিয়ে?”

    “একটা সাঁড়াশি…”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজীবন স্রোতের আঁকেবাঁকে – অর্পিতা সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026

    জীবন স্রোতের আঁকেবাঁকে – অর্পিতা সরকার

    July 3, 2026

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }