Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026

    জীবন স্রোতের আঁকেবাঁকে – অর্পিতা সরকার

    July 3, 2026

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    সায়ক আমান এক পাতা গল্প285 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জোনাকির রঙ – ১১

    (একাদশ অধ্যায়)

    বিনি চোখ খুলতেই দেখল, সমস্ত ঘরটা একটা লালচে আলোয় ভরে আছে। এই ঘরটা ওর চেনা নয়। ওর বাড়িতে এমন কোনও ঘর নেই। উঠে বসে চারদিকটা দেখার চেষ্টা করতেই শরীরে একটা অদ্ভুত শিরশিরানি লাগল। ঠান্ডা পাথরের মেঝের সঙ্গে শরীর স্পর্শ লাগছে। এর আগে কখনও হয়নি এমনটা…

    হাতটা পায়ের কাছে স্পর্শ করতেই একটু চমকে উঠল বিনি। পরমুহূর্তে একটা অদ্ভুত অনুভূতি গ্রাস করে ফেলল ওকে। সমস্ত শরীরের কোথাও কোনও কাপড় নেই। কেবল বুক আর থাইয়ের উপর একটা পাতলা গামছাজাতীয় চাদর পড়ে আছে। একটু দূরে সিঁদুর দিয়ে একটা বৃত্ত আঁকা। তার পাশে ওর দিকে পেছন ফিরে বসে আছে একটা লোক। বিড়বিড় করে কী যেন মন্ত্র পড়ছে লোকটা।

    হাত দিয়ে নিজের শরীর ঢাকার চেষ্টা করল বিনি, কিন্তু হাত দুটো বাঁধা। গলা দিয়ে আওয়াজ বেরোল না।

    “মা-বাবা…” আওয়াজের বদলে গোঙানি বেরিয়ে এল।

    কোনও উত্তর এল না। তার বদলে কয়েক সেকেন্ড পরে লাল কাপড়-পরা লোকটা ফিরে তাকাল ওর দিকে। লোকটার মাথায় জটাজুট, অবিন্যস্ত দাড়ি, হলদে চোখ দুটো ফুলে রয়েছে। বিশ্রী মদের গন্ধ ভাসছে বাতাসে।

    “এই যে মা… তোমার ঘুম ভেঙেছে….”

    বিনির প্রায় উলঙ্গ শরীরে চোখ বোলাতে লাগল লোকটা। ও শত চেষ্টাতেও বাঁধা হাত দুটো ছাড়াতে পারল না। চেয়ে দেখল, ওর ঠিক পাশেই একটা ছোট পাত্র পড়ে আছে।

    বুকের সমস্ত শক্তি একত্র করে একটু জোরে চিৎকার করে উঠল বিনি। লোকটার তেমন হেলদোল হল না, শান্ত স্বরেই বলল, “ওঁরা পাশের ঘরে আছেন, তুমি একটু অপেক্ষা করো। চলে আসবেন….”

    “শুয়োরের বাচ্চা, আমাকে ছেড়ে দে একবার, তারপর…”

    “ছি, নোংরা কথা বলতে নেই, মা…” লোকটা ভারী নরম একটা হাসি হাসে। তারপর এসে বসে পড়ে ওর পাশে— “মাথার উপরে ভগবান আছেন, সব দেখছেন কিন্তু…”

    “আমার হাতটা একবার খুলে দে খানকির ছেলে, তারপর তোর সঙ্গে তোর ভগবানেরও চোখ উপড়ে নেব…

    “তোমাকে এই কথাগুলো কে শিখিয়েছে, মা?” লোকটা ভুরু কুঁচকে ওর মুখের উপরে ঝুঁকে পড়ে। একটা কাঠিজাতীয় জিনিস বুলোতে থাকে বুকের উপর।

    “পুনা, তা-ই না? আমি জানি তোমার একটুও দোষ নেই। শয়তান তোমার দেহের সঙ্গে জুড়ে আছে…” লোকটা এবার ওর পেটের উপর হাত রাখে। ওর সমস্ত দেহ চোখ দিয়ে চাটতে চাটতে বলে, “ভগবান তোমাকে রক্ষা করবেন….”

    “আমি ভগবানে বিশ্বাস করি না…”

    “আজকের পর থেকে করবে…”

    বিনির চিৎকার আস্তে আস্তে বদলে যায়। রাগে আর লজ্জায় লাল হয়ে উঠেছে ওর সমস্ত মুখ। চিৎকার করে কাকে যেন ডাকার চেষ্টা করে ও, “পুনা… পুনা, তুই কোথায়?”

    “আছি, তোর পাশেই…” মাথার দিকে তাকিয়ে পুনাকে দেখতে পায় বিনি। “তুই দেখছিস, লোকটা কী করছে আমাকে? আমাকে বাঁচা পুনা…”

    পুনার মুখটা গম্ভীর দেখায়— “এ পৃথিবীতে কাউকে বাঁচানো যায় না। কেবল যে মারতে আসছে, তাকে মেরে ফেলা যায়…”

    “তাহলে মেরে ফেল…”

    “না…” তেমন গম্ভীর মুখেই মাথা নাড়ে পুনা।

    “কেন? তুই আমার বন্ধু না? তুই তো সব কিছু পারিস” এতক্ষণে পুনা ওর মুখের দিকে তাকায়, “অনেকটা অন্ধকার না জমলে দৈত্য জন্মায় না, বিনি। তুই তাকিয়ে থাক। দেখ… একটু পরে আরও ঘন অন্ধকার নামবে… তুই তাকিয়ে তাকিয়ে দেখবি, কী করে অন্ধকার নামে তোর গোটা জীবনে… তুই তোর মা-কে, বাবাকে খুন করতে পারবি না, এই লোকটাকে খুন করতে পারবি না… শুধু শুয়ে শুয়ে দেখবি শরীর জুড়ে অন্ধকার…”

    “আমি খুন করতে চাই…”

    “কাকে?”

    “সবাইকে… আগে এই লোকটাকে….

    পুনা এবার মুখ নামিয়ে আনে ওর মাথার কাছে, বলে, “তোর পাশে রাখা বাটিটায় জলের মতো একটা জিনিস আছে। ওটা একটু পরে তোকে জোর করে খাইয়ে দেবে লোকটা। খেলে মরেও যেতে পারিস, বেঁচেও থাকতে পারিস….”

    “আমি কিছুতেই খাব না।”

    “উঁহু, খাবি… তবে একসঙ্গে পুরোটা না, একটু একটু করে, তোর শরীর ঝিমিয়ে পড়বে, তারপর লোকটা হাত আর পায়ের বাঁধন খুলে ঘরের আলো নিবিয়ে দেবে….”

    “কেন?”

    পুনা একটা চাপা হাসি হাসে— “তোর শরীর থেকে শয়তান তাড়াতে গেলে শরীরটাকে একটু চিনতে হবে না?”

    “তারপর কী করব?”

    “ওই যে বললাম, অন্ধকার বাঁচিয়ে নেবে তোকে…”

    বিনির শরীর ঝিমিয়ে পড়তে লোকটা আলো নিবিয়ে এগিয়ে যায় ওর দিকে। মুখে এখনও বিড়বিড় করে কী যেন মন্ত্র পড়ে চলেছে। হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দেয় একটা একটা করে। বুকের উপর থেকে চাদর সরিয়ে ফ্যালে।

    ঠিক এই সময়ে হঠাৎ সচল হয়ে ওঠে বিনির শরীরটা। পায়ের কাছে একটা কাঠ তোলার সাঁড়াশি পড়ে ছিল। হাত-পা বাঁধা ছিল বলে সেটা সরিয়ে ফেলার কথা মাথায় আসেনি লোকটার। বিনির উলঙ্গ দেহটা দ্রুত তুলে নেয় সেটা। ফিকে চাঁদের আলোয় ঝাঁপিয়ে পড়ে খামচে ধরে লোকটার চুলগুলো। সে কিছু বুঝে ওঠার আগেই লোকটাকে মাটির উপর ফেলে গলায় পা তুলে শ্বাস আটকে দেয়। তারপর সাঁড়াশির সরু প্রান্তটা একটু ফাক করে ঢুকিয়ে দেয় লোকটার চোখে। খচ করে একটা শব্দ হয় তাতে। শব্দটা সুরের মূর্ছনার মতো মন ভরিয়ে দেয় বিনির।

    পাশবিক চিৎকারে ভরে ওঠে সমস্ত হলঘর। পায়ের চাপ বাড়িয়ে দেয় বিনি। চিৎকার গোঙানিতে পরিণত হয়।

    “বলেছিলাম না, একবার হাত খুলে দিলে তোর আর তোর ভগবান দুজনেরই চোখ….”

    “ভগবান বা শয়তান বলে কিছু হয় না, বিনি। যার হাতে সাঁড়াশি, সে-ই অন্যের কাছে ভগবান। যার চোখে সাঁড়াশিটা ঢুকে যায়, তার কাছে শয়তান….”

    চোখের ভেতর থেকে মাংস আর রক্ত-মাখা একটা পিণ্ড তুলে এনে ছুড়ে ফেলে দেয় বিনি। তারপর লুটিয়ে পড়ে মেঝেয়। সেই তরলটা এতক্ষণে কাজ শুরু করেছে। একটু একটু করে মাটির উপর খসে পড়ে ওর নগ্ন দেহটা …

    জ্ঞান হারানোর আগে ও চেয়ে দ্যাখে, পুনার দেহটা আস্তে আস্তে পালটে যাচ্ছে। আকারে অনেকটা বড় হয়ে যাচ্ছে ও। কুচকুচে কালো হয়ে যাচ্ছে দেহটা। ধীরে ধীরে একটা ভয়ংকর দৈত্যে পরিণত হচ্ছে পুনা।

    *

    ছাদের দরজা খুলে খোলা হাওয়ায় বেরিয়ে এল শতরূপ। সকালেই জংলুর কাছ থেকে জোগাড় করেছে ছাদের চাবি। আপাতত একটু খুঁড়িয়ে হলেও হাঁটতে পারছে রূপ।

    ছাদ থেকে সামনের লাল পাথুরে রাস্তাটা ভারী সুন্দর দেখায়। তার থেকে একটু দূরে জংলুর সাইকেলটা ঠেস দিয়ে রাখা।

    ছাদে আসতেই শতরূপের দিকে এগিয়ে এল নীহারিকা। এ বাড়িতে ওদের দুজনের কথা বলার জন্য এর থেকে নিরিবিলি জায়গা আর নেই।

    কেমন যেন জড়োসড়ো ভাব ওর মধ্যে। দুটো হাত প্যান্টের পকেটে পোরা। পিঠের পেছনে ক্লিপ দিয়ে বাঁধা চুলগুলো ছড়িয়ে রয়েছে।

    “ভেবেছিলাম, তোর সঙ্গে আর দেখা হবে না কখনও…” শান্ত গলাতেই বলে নীহারিকা।

    একদিকের রেলিং-এর পাশে গিয়ে দাঁড়ায় শতরূপ। কথা বলে না। “কাকু-কাকিমা মারা যাওয়ার পর থেকেই তুই কেমন যেন একটা হয়ে গেলি। আগের থেকে আরও বেশি গুটিয়ে নিলি নিজেকে… আমি নিজের দিক থেকে আর কত চেষ্টা করব বল? ভেবেছিলাম, নিজের মতো আছিস। চাকরি পাওয়ার পর থেকে মনে হল, তুই অহংকারী হয়ে গেছিস।”

    রেলিং-এর দিক থেকে ইস্পাতের মতো কঠিন কণ্ঠস্বর ভেসে আসে, “আমি এখানে তোর এই যাত্রাপালার ডায়ালগ শুনতে আসিনি…. ঐন্দ্রিলার ব্যাপারে কী জানিস তুই?”

    নীহারিকা সামলে নেয় নিজেকে। ওর পাশে গিয়ে দাঁড়ায়, দূরের দিকে চেয়ে থাকতে থাকতে বলে, “আমি তিন বছর ধরে দেখছি ওকে। কী জানতে চাস বল….

    “ওর বাবা-মায়ের সঙ্গে দেখা হয়েছে তোর?”

    “হয়েছে, ভিডিয়ো কলে…”

    “কী বলছে তারা?”

    “তেমন কিছু না। ওকে নিয়ে ওরা খুব একটা বদার্ড না। মেয়ের হাত থেকে নিষ্কৃতি পেয়ে খুশিই হয়েছে।”

    “বদার্ড না মানে? একটা বাচ্চা মেয়েকে বিষ দিয়ে মেরে ফেলতে চায় যারা…”

    “ওদের মনে হয়েছিল, বিনির শরীরে অন্য কেউ বাসা বেঁধেছে।”

    “কে বাসা বেঁধেছে?”

    “বিনির সেই ইম্যাজিনারি ফ্রেন্ড…. ডেভিল।”

    “এইসব শিক্ষিত জানোয়ার কেন যে ছেলেমেয়ে পয়দা করে কে জানে…” পাঁচিলের উপরেই একটা ঘুসি মারে রূপ।

    “এগারো বছর হল বাবা-মায়ের সঙ্গে কোন যোগাযোগ নেই ওর। তা-ও

    ছেলেবেলাটা ওকে তাড়া করে বেড়াত।”

    “পুনার সঙ্গে শেষ কবে অবধি কথা বলেছে?”

    নীহারিকা পাঁচিলে কোমর রেখে ঘুরে দাঁড়ায়— “তিন বছর আগে আমার কাছে আসে। তখন অলরেডি পুনার সঙ্গে যোগাযোগ কমে এসেছে। অবসেশনটা একটু অন্য রকমের হয়ে গেছে…”

    “ঠিক কবে থেকে কমেছে?”

    একটু ভাবে নীহারিকা, “দেখ, আমার মনে হয় পুনা ওর অলটার ইগো। বাবা-মায়ের অত্যাচারটা কমে আসতেই সেটার দরকার কমে আসে। তারপর থেকে সেটার রিমিনিসেন্স রয়ে গেছে কেবল। মানে আবার কখনও দরকার পড়লে ফিরে আসতে পারে পুনা। আপাতত ওর অবসেশন অন্য কিছু…

    “কী?”

    “তুই…”

    “মানে?” চমকে ওঠে শতরূপ।

    “শি ওয়াজ অবসেড অ্যাবাউট ইউ। ব্যাপারটা একেবারেই স্বাভাবিক নয়। কারও ফ্যান-ট্যান হওয়া আলাদা জিনিস। কিন্তু…”

    “আমি রেডিয়ো জয়েন করি ষোলোতে। মিস্টার দত্তর কাছে ও থাকতে শুরু করে দু-হাজার দশ নাগাদ। মানে তার আগে ছ-বছর কেটেছে। এই সময়টায় কেমন ছিল ও?”

    “জানি না।” ঘাড় নাড়ে নীহারিকা, “তোর অ্যানালিসিস কী?”

    “কিছু বুঝতে পারছি না। পুনা নাকি মাটি খুঁড়ে কী একটা খুঁজে নিতে বলেছিল ওকে। আমার যতদূর মনে হয় ‘মাটি খুঁড়ে’ খুঁজে নেওয়ার ব্যাপারটা একটা কল্পনা। আসলে বাবা-মায়ের কাছে থাকতেই বাড়ি থেকে অন্য কিছু খুঁজে পেয়েছিল। সে জিনিসটা খুঁজে পেলেই অনেকটা বোঝা যাবে…”

    “ডায়েরিগুলো পড়েছিস তুই?”

    “হুম… তেমন কিছু হেল্প হয়নি অবশ্য। খালি একটা ছবি….”

    “ওই সূর্যের সামনে দরজা? আমারও খটকা লেগেছিল ওতে। যদিও মানে উদ্ধার করতে পারিনি। তা ছাড়া অনেক জায়গায় এক অন্ধ বুড়োবুড়ির কথা লিখেছে। যারা নিজেদের দৃষ্টি ফিরে পেতে চাইছে। এটার মানে কী বল তো?”

    কাঁধ ঝাঁকায় রূপ, “অনেক প্রশ্নের উত্তর নেই। একটা মেয়ের এতগুলো অতিলৌকিক ক্ষমতা… কাল্পনিক বন্ধুর আগমন এবং প্রস্থান… ভালো কথা, তোকে একটা কথা…”

    “বল, হেজিটেট করিস না।”

    “আমার নিজের কিছু প্রবলেম হচ্ছে।”

    “কী প্রবলেম?”

    “আমি একটা ছেলেকে দেখতে পাচ্ছি। আই মিন, হ্যালুসিনেট করছি। কখনও গাড়ির সামনে এসে পড়ছে, কখনও ডুবে মরছে…”

    “কিন্তু বাস্তবে সেখানে কেউ থাকছে না?”

    “হুম…”

    একটু চিন্তায় পড়ে নীহারিকা, “তোর আগে হয়েছে এরকম?” উত্তরটা দিতে একটু সময় লাগে শতরূপের— “ভেবেছিলাম, হয়নি। এখন মনে হচ্ছে, ঘটনাটা আগেও ঘটেছে। কিন্তু এতদিন আগে যে মনে পড়ছে না।”

    “ঠিক কী ঘটেছিল বল তো?”

    ঘাড় চুলকোয় রূপ। মুখটা ভারী অবসন্ন দেখায় ওর— “কাইন্ড অব আ রিকারিং ড্রিম। আমি বুঝি জিনিসটা বাস্তব নয়। তা-ও দেখার সময় মনে হয়, সত্যি দেখছি। কোনও অ্যাক্সিডেন্ট বা ওই জাতীয় কিছু ঘটার হলেই তার আগে একটা বাচ্চা ছেলেকে দেখতে পেতাম আমি। বার দুয়েক ঘটেছে আগে। এখানে এসে থেকেও কয়েকবার ঘটেছে। কেন জানি না…”

    “তাহলে তো বিনির সঙ্গে এর সম্পর্ক…”

    “আছে…” পাঁচিলের উপরে চাপড় মারে শতরূপ— “এখানে এসে থেকে যে কবার ওকে দেখতে পেয়েছি আমি, তার মধ্যে দুবার অ্যাক্সিডেন্টের ধারেকাছে ছিলাম না। শেষবার…” কথাটা বলতে গিয়ে থমকায় শতরূপ, “শেষবার মনে হল, বিনি ইচ্ছা করে আমাকে দেখাল…”

    “ক্লেয়ারভয়েন্ট! আর ইউ কিডিং…”

    “আমি জানি না অন্য কারও উপর জিনিসটা কাজ করে কি না। কিন্তু আমার উপর….”

    নীহারিকা উত্তর খুঁজে পায় না। বুকের ভেতরটা গরম হয়ে উঠেছে ওর, নিচু গলায় বলে, “আর-একটা ব্যাপার কিছুতেই বুঝতে পারছি না আমি।”

    “কী?”

    “তোর আর আমার এতদিন পরে হঠাৎ এভাবে দেখা হয়ে গেল, ব্যাপারটা কাকতালীয়?”

    “নয় বলছিস?”

    “জানি না, তবে আশিস দত্ত ঘাগু লোক। কিছু একটা লুকোচ্ছে আমাদের থেকে। হি ইজ আপ টু সামথিং …”

    “হুম….”

    “আর তুইও কিছু একটা লুকোচ্ছিস!”

    “আমি কী লুকোলাম?” বিরক্ত হয়ে ফিরে তাকায় শতরূপ। “কাল রাতে মন্দিরের ছাদ থেকে তোর পড়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক ছিল না। বিনয় সবই দেখেছে…”

    এক সেকেন্ডের জন্য থমকে যায় শতরূপ। ছাদের উলটোদিকে হাঁটতে থাকে, “জানি। দেখ, আমি এইটুকুনি বুঝতে পেরেছি, বিনির স্মৃতির অন্তত কিছুটা ফিরে এসেছে। তবে সেটা আমি ছাড়া এখনই কেউ জেনে যাক তা আমি চাই না….”

    “এমন কী স্মৃতি হতে পারে, যাতে একটা মানুষকে হঠাৎ ছাদ থেকে ঠেলে ফেলে দিতে ইচ্ছা করল ওর? বিশেষ করে যাকে নিয়ে এত অবসেশন ছিল!”

    “তোর কী মনে হয়?”

    “দেখ, ঐন্দ্রিলার মতো পেশেন্ট মনোবিজ্ঞানীদের কাছে নতুন কিছু নয়। ছোটবেলায় অ্যাবিউসিভ প্যারেন্টিং-এর শিকার হয়ে ক্রমশ নিজের একটা জগৎ তৈরি করেছিল ও। পুনা ওকে সোশ্যাল ডিলেমাগুলো থেকে ডিফেন্ড করত। তুই আসার পর থেকেই পুনাকে একেবারে ভুলে গেছে ও। হয়তো সেই জেলাসি থেকেই পুনার রিমিনিসেন্সটা তোকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিল।”

    শতরূপ কিছু উত্তর দেয় না। কপালের ভাঁজগুলো চওড়া হয়। “ওকে এত বছর ধরে দেখে একটা ব্যাপার খেয়াল করেছি, জানিস, যদিও তেমন গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়…” নীহারিকা শতরূপের পেছনে হাঁটতে থাকে।

    “কী ব্যাপার?”

    “শি ওয়াজ অবসেড অ্যাবাউট ডেথ। মানুষ মারা যাওয়ার সমস্ত উপায় নিয়ে ভীষণ আগ্রহ ছিল ওর। নিজে বহুবার সুইসাইড অ্যাটেম্পট করেছে। কিন্তু মোস্ট পপুলার ফর্ম অব সুইসাইড—গলায় দড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেনি কখনও। আমার কেমন যেন মনে হয় ওর কাছে সুইসাইডটা রিচুয়ালের মতো…”

    শতরূপ হঠাৎ থমকে যায়। ঠোঁট কামড়ে বলে, “রিচুয়াল!”

    “তুই তো জানিস, পৃথিবীর বহু দেশে সুইসাইড রিচুয়ালস চালু আছে। সেসব থেকে ইনফ্লুয়েন্সড হয়ে যদি….”

    ‘রিচুয়াল’ শব্দটা কিছুক্ষণ মাথার মধ্যে ঘোরাফেরা করে ওর। বিড়বিড় করে বলে, “যদি সত্যিই জিনিসটা রিচুয়াল হয় তাহলে সেই রিচুয়ালটা কোন ধর্মস্থানে করা হয়ে থাকে। এবং ধর্মস্থান বলতে….

    “ওই মন্দিরটা তো? ওখানে আগেও গেছি আমি। কিন্তু ওখানে আদৌ কিছু আছে বলে মনে হয় না।”

    “মন্দিরের একটা গর্ভগৃহে একবার আটকে পড়েছিল ও। সেখানে নাকি দেখতে পেয়েছিল কাকে। তা ছাড়া মন্দিরে গিয়ে ‘নয়’ সংখ্যাটার কথা মনে পড়ছিল ওর। মনে হয়, তখনও ওর চেতনাটা পুরোপুরি আসেনি। সংখ্যাটার সঙ্গে মন্দিরের কিছু একটা যোগাযোগ আছে…” আচমকা নীহারিকার দিকে ফেরে শতরূপ— “তই একটা কাজ করতে পারবি? অন্তত একটা রাতের জন্য ওকে ঘুম পাড়িয়ে রাখতে হবে…”

    নীহারিকা একটু ঘাবড়ে যায়, তারপর বলে, “সেটা এমন কোনও বড় কথা নয়। রাতে সিডেটিভ দিয়ে দিলেই সকাল অবধি ঘুমিয়ে থাকবে। কিন্তু ওকে ঘুম পাড়িয়ে তুই করবিটা কী?”

    “ওই মন্দিরটায় যাব একবার, আজ রাতে….”

    “মন্দিরে! খেপেছিস নাকি? শরীরের এই অবস্থা নিয়ে।”

    “দেরি করা উচিত হবে না। আমার মনে হয়, বিনির কল্পনাগুলোর একটা বড় অংশ লুকিয়ে আছে ওই মন্দিরে।”

    শতরূপের চোয়াল শক্ত হয়ে ওঠে। নীহারিকা বোঝে তাকে নিরস্ত করা অসম্ভব— “বেশ। তুই যাবি, তাতে আপত্তি করব না। কিন্তু তুই একা যেতে পারবি না। আমি যাব তোর সঙ্গে…”

    *

    টর্চটা মন্দিরের ভাঙা দেয়ালের উপর গিয়ে পড়তেই একটা অদ্ভুত গা-ছমছমে ভাব ঘিরে ধরল শতরূপকে। আগের দিন ঐন্দ্রিলা সঙ্গে ছিল বলে এতটা ভয় করছিল না ওর। আজ কীসের একটা ভয় ঘিরে ধরল ওকে। পায়ের ব্যথাটা এখনও পুরোপুরি সারেনি।

    মনের ভেতর থেকে কে বলে উঠল এই জায়গাটায় ওর আসার কথা নয়। নীহারিকার মুখের দিকে একবার দেখল। ওর মনে কী চলছে কে জানে?

    আকাশে চাঁদের আলো আছে আজ। ঝিমঝিমে হাওয়া বইছে জঙ্গলের ভেতরটায়। চাতালে দাঁড়িয়ে গর্ভগৃহটাকে অন্ধকূপের মতো দেখাচ্ছে।

    নীহারিকা সাবধানে হেঁটে শতরূপের দিকে এগিয়ে এল, একটু হেসে বলল, “কখনও ভেবেছিলাম, এত বছর পর রাতে নর্থ বেঙ্গলের জঙ্গলে পোড়ো মন্দিরে হামলা করব তোর সঙ্গে?”

    দুজনে হেঁটে এগিয়ে যায় সামনে। শতরূপ বলে, “ভূতপ্রেতে তো বিশেষ আগ্রহ ছিল না তোর…”

    “তাতে কী? তোর গল্পগুলো শুনতাম প্রথমদিকে। তারপর… বিবাহিত মানুষের জ্বালা তুই আর কী বুঝবি? কাকিমা বলত…” কথা থামিয়ে অন্য এ প্রসঙ্গে চলে যায় নীহারিকা, “কাকিমার কথা খুব মনে পড়ে, জানিস? তোর বাড়িতে গেলেই আমাকে ডেকে যা রান্না হয়েছে তা-ই খাওয়াত। মাঝে মাঝে আবার তোকে দিয়ে পাঠিয়ে দিত আমাদের বাড়িতে। একবার মায়ের সঙ্গে খুব রাগারাগি হয়েছিল। বাড়িতে খাইনি। তুই যখন বাড়িতে ছিলিস না, কাকিমা ডেকে সারাদিন বুঝিয়ে সুঝিয়ে রেখেছিল আমাকে….”

    “জানি ভাই, আমার মা আমার চেয়ে তোকে অনেক বেশি ভালোবাসত।”

    “আজ্ঞে না, তোর থেকে আমার ভালোবাসা বোঝার ক্ষমতা বেশি ছিল…” নিজের মনেই যেন বলতে থাকে নীহারিকা।

    শতরূপ বড় করে শ্বাস নেয়, “এই পাঁচ বছরে একটা কথা ভীষণ মনে হত। এত ভালো বন্ধুত্বটা কেমন হঠাৎ করেই শেষ হয়ে গেল, না? তোর থেকে ছশো টাকা পেতাম আমি। সেটা একদিন দিলি, তারপর থেকে আমাকে অ্যাভয়েড করা শুরু করলি। আমার ফোনটা পর্যন্ত রিসিভ করতিস না। জীবনের এতগুলো সময় কাটালাম একটা মানুষের সঙ্গে, এতগুলো গল্পের চরিত্র ছিলাম আমরা। ভালোমতো কান্নাকাটি করে, চিৎকার-চ্যাঁচামেচি করে সব কিছু শেষ হত… তা না করে….”

    “যাদের যাওয়ার আগে চিৎকার-চ্যাঁচামেচি হয়, কান্নাকাটি হয়, তাদের যাওয়া হয় না। যারা চিরকালের মতো চলে যায়, তারা এরকম পাংশু মুখে চলে যায়…” কথাটা বলে গর্ভগৃহের সামনে এসে দাঁড়ায় নীহারিকা— “মাঝে মাঝে মনে হয়, যদি এইসব কিছু না ঘটত, যদি কাকু-কাকিমা সেই সময় মারা না যেত, যদি আজও মন খারাপ হলে তোর বাড়ির ছাদে ওই শতরঞ্চিটার উপর গিয়ে শুয়ে পড়তে পারতাম…”

    “তাহলে এখানে এই মন্দিরে আসা হত না, ঐন্দ্রিলাকে চিনতাম না। তা ছাড়া…”

    “তা ছাড়া কী?”

    “আমাদের সবার মনের ভেতরে ওরকম একটা ফাঁকা শতরঞ্চি আছে। যেখানে কারও শুয়ে থাকার কথা ছিল, কিন্তু কেউ শোবে না। যাদের সেখানে থাকার কথা, তারা অন্য কোথাও জ্যোৎস্না মাখবে। ঠিক যেমন এই মন্দিরটা কারা তৈরি করেছিল কেউ জানে না… মনে হয় এখনও যেন কারও পূজা পাওয়ার অপেক্ষা করে আছে…”

    আজ হালকা মেঘ আছে আকাশে। মেঘ ফুঁড়ে রুপালি আলোর বন্যায় ভেসে যাচ্ছে জঙ্গলটা।

    ছোট একটা সিঁড়ি নেমে গেছে গর্ভগৃহের ভেতর। টর্চের আলোয় ধীরে ধীরে সেটার উপরে নেমে আসে ওরা দুজন। ভেতরটা খুব একটা বড় নয়। বেশির ভাগটাই ঝুল আর ধুলোতে ভরে আছে। ভালো করে লক্ষ করলে ঘরের একদিকের কোণে পুরোনো বেদির চিহ্ন দেখা যায়। একটা ইঁদুরজাতীয় প্রাণী আরাম করে শুয়ে ছিল সেটার উপর। টর্চের আলো পড়তেই বিরক্ত হয়ে সরে পড়ল সে।

    “আচ্ছা ধর, যদি আমরাও আটকা পড়ে যাই এখানে?” নীহারিকা গলায় রহস্য এনে জিজ্ঞেস করে।

    “আমার মনে হয় না ও নিজে আদৌ আটকা পড়েছিল এখানে। ওটা সম্ভবত অভিনয়।”

    “কিন্তু কেন?”

    শতরূপ আলো ঘুরিয়ে চারদিকটা দেখতে থাকে, “বিনি যেসব জিনিসে ভয় পায়, সেগুলোর প্রতি ওর একটা বিশেষ আচরণ আছে। মন্দিরটা নিয়ে ভয়ের বদলে আগ্রহ আছে মনে হয়। এখানে কিছু দেখার অভিনয়টা করেছিল অন্য কারও এখানে আসা আটকাতে।”

    “কেউ এখানে এলে ওর কী ক্ষতি?”

    “ক্ষতি কিছু নেই। কিন্তু মন্দিরে ভগবান আছে বলে ও যদি বিশ্বাস করে থাকে তাহলে হুটহাট লোকজন সেই ভগবানের বেদিতে এসে তাকে বিরক্ত করে গেলে ওর অস্বস্তি হবে বই-কি। আমার কৌতূহল হচ্ছে ওই নয় সংখ্যাটা নিয়ে…”

    হাত দিয়ে সামনের ঝুল সরিয়ে দেওয়ালটা দেখার চেষ্টা করল নীহারিকা— “এখানে আদৌ নয়-টয় বলে তো কিছু দেখছি না। নয় দিয়ে কী বোঝাতে চাইল বিনি? ন-টা দেবতা? ঘড়ির নয়ের কাঁটা?”

    “উহ… চুপ কর। একটু দেখতে দে…”

    দেওয়ালটা ভালো করে দেখে শতরূপ। নানারকম সিমেন্ট-খসা দাগ আর সময়ের আঁকিবুকি আছে তার উপর। বেদির ঠিক পেছনের দেওয়ালের উপর চোখ রাখে। সেদিকে ঝুঁকে পড়ে বলে, “এখানে কিছু একটা আঁকা আছে…”

    শতরূপের থেকে টর্চটা নিয়ে আলোটা সেদিকে করে ঝুঁকে পড়ে নীহারিকা। মন দিয়ে খেয়াল করে দ্যাখে, সত্যি দেওয়ালের আঁকিবুকির জটাজালের মধ্যে ছোট একটা ছবি আঁকা আছে সেখানে। এতই ছোট আর ক্ষীণ যে ভালো করে লক্ষ না করলে মনেই হবে না আদৌ কিছু আঁকা আছে বলে।

    নীহারিকা বিড়বিড় করে, “একটা লোক মনে হচ্ছে। নাকটা যেভাবে খোদাই করা হয়েছে, তাতে আঁকার স্টাইলটা…..”

    “মায়ান এম্পায়ারে দেবতাদের এভাবে আঁকা হত।” নিচুস্বরেই বলে শতরূপ।

    “কিন্তু এই খোদাইটা তো ছেনি-হাতুড়ি দিয়ে করা হয়েছে…. খুব একটা পুরোনো বলে মনে হচ্ছে না…”

    “হুম… কোনও মায়ান দেবতাকে আঁকতে চেয়েছে কেউ। কিন্তু সেটা বড় কথা নয়। দেবতার গলায় কিছু একটা বাঁধা আছে, দেখতে পাচ্ছিস?”

    ভালো করে দ্যাখে নীহারিকা— “একটা দড়ি মনে হচ্ছে। উপর থেকে সাপের মতো…. ওঃ! লোকটা গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলছে…

    শতরূপের পা কেঁপে ওঠে। এই শীতেও কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমতে শুরু করেছে ওর, “ইক্সট্যাব। মায়ান গড অব সুইসাইড!”

    “মায়ান গড অব সুইসাইড! কিন্তু সে এখানে কী করে… আর সব থেকে বড় কথা, এর সঙ্গে নয়-এর কী সম্পর্ক!”

    ওর দিকে ফেরে শতরূপ— “সম্পর্কটা বানানের। ইক্সট্যাবের বানানটা খেয়াল কর। আই-এক্স, টি-এ-বি। দেবতার নামের প্রথম দুটো অক্ষর রোমান নিউমারিক্যালে ‘নাইন’। ঐন্দ্রিলার বিক্ষিপ্ত মনে গোটাটা গুলিয়ে গিয়ে…”

    “কিন্তু এই দেবতার সঙ্গে ঐন্দ্রিলা…”

    “শশশশ…” ঠোঁটে আঙুল দিয়ে নীহারিকাকে থামিয়ে দেয় শতরূপ। একটা আঙুল উঠে আসে গর্ভগৃহের দরজার দিকে— “কে যেন ডাকছে আমাদের শুনতে পাচ্ছিস?”

    ভালো করে শোনে নীহারিকা। একটা খসখসে আওয়াজ আসছে বটে, কিন্তু… চিনতে পারে নীহারিকা। হাতির পাল বেরিয়েছে। মন্দিরের দিকেই আসছে।

    “কেউ ডাকছে না রূপ, ওটা…” কথা শেষ হওয়ার আগেই অবাক হয়ে নীহারিকা চেয়ে দ্যাখে, শতরূপ বাইরের সিঁড়ির দিকে পা বাড়িয়েছে। মুখে বিড়বিড় করে চলেছে, “ওই দেখ, দাঁড়িয়ে আছে বাইরে, ডাকছে আমাকে…”

    “কে ডাকছে?” নীহারিকা চিৎকার করে ওঠে।

    “ওই যে… রূপ। ও ডাকছে আমাকে…. ওই তো দেখতে পাচ্ছিস না ওর মুখে….

    নীহারিকা প্রমাদ গোনে। আবার হ্যালুসিনেট করতে শুরু করেছে শতরূপ। সিঁড়ি থেকে বাইরে বেরিয়ে কার দিকে এগিয়ে চলেছে ও… নাকি কারও সঙ্গে…

    “রূপ! ওদিকে যাস না…” বুক ফাটিয়ে চিৎকার করে ওঠে নীহারিকা, “হাতির পাল আসছে ওদিকে…”

    “আমি সব ভুলে গিয়েছিলাম রে… আমাদের একসঙ্গে চলে যাওয়ার কথা ছিল। রূপ বারবার ডাকছিল আমাকে। আমি সব ভুলে গিয়েছিলাম। আমাকে ক্ষমা করে দিস রূপ…” চিৎকার করে কথাগুলো বলতে বলতে উন্মত্ত হাতির পালের দিকে হাঁটতে থাকে শতরূপ।

    নীহারিকা কী করবে, বুঝতে পারে না। রূপকে নিশ্চিত মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজীবন স্রোতের আঁকেবাঁকে – অর্পিতা সরকার
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025
    Our Picks

    জোনাকির রঙ – সায়ক আমান

    July 4, 2026

    জীবন স্রোতের আঁকেবাঁকে – অর্পিতা সরকার

    July 3, 2026

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }