Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তারার দেশের হাঁস – আলী ইমাম

    লেখক এক পাতা গল্প147 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. রহস্য

    রহস্য

    সকাল থেকেই পিকলুর মনে চাপা একটা উত্তেজনার ভাব। আজ ফাইনাল পরীক্ষার রেজাল্ট বের হবে। ও তো ভালো করেই জানে কি প্রচণ্ড রকম খারাপ পরীক্ষা দিয়েছে। বিকেল বেলায় অফিস থেকে ফিরে বাবা যখন রেজাল্ট জানতে চাইবেন তখন কোন্ মুখে সামনে গিয়ে দাঁড়াবে সে। এবারও বুঝি নির্ঘাত ফেল করবে। অথচ তার জন্যে তিন তিনটে জাঁদরেল মাস্টার রাখা হয়েছিল। পরীক্ষার দু’মাস আগে থেকে হরলিক্স ওভালটিন দুটোই খাওয়ানো হয়েছে। সকালের নাস্তায় দুটো করে ডিম পোচ দেয়া হতো। বাড়ির কাজের লোক রহমত ভাই শুধু মুচকি হেসে বলত, বড় সাব দেহি আপনার জন্যে খুব চিন্তা করে। আমারে খালি কয় ভালা ভালা খাওন দিতে। বেশি কইরা খান।

    পিকলু ওদের কি করে বোঝাবে শুধু হালি হালি ডিম গিললেই মাথা সাফ হয় না। বুদ্ধি লকলক করে বাড়ে না। অঙ্কের কঠিন কঠিন সূত্রগুলোর সমাধান করা যায় না। আর বাংলা থেকে ইংরেজির ট্রান্সলেট করা যায় না। উফ কি সব ভয়ঙ্কর ব্যাপার। ওর মাথায় কেন জানি অঙ্ক একদম আসতেই চায় না। অনেকদিন ভেবেছে অঙ্ক জাতীয় ব্যাপারটা না থাকলে এই পৃথিবীর কি এমন ক্ষতিটা হতো। জ্যামিতির উপপাদ্যের সমাধান না করতে পারলে এই সমাজ সংসার কি রসাতলে যাবে? ক্লাসের অন্য ছেলেগুলো কি ট্যারা। দেখলেই মনে হয় এইমাত্র কোত্থেকে জানি ঘুসাঘুসি করে এসেছে। ডিমও তেমন খায় না। অথচ অঙ্কে কি দারুণ তুখোড়। স্যাররা বলেন, পলু আমাদের স্কুলের ব্রিলিয়ান্ট ছেলে। পিকলুর খুব হিংসে হয় পলুর জন্যে। একদম ওর সুনাম সহ্য করতে পারে না পিকলু। অনেকদিন ভেবেছে স্কুল ছুটির পর তাকে রাস্তায় একলা পেয়ে ল্যাং মেরে ফেলে দিয়ে আচ্ছামত পেটাবে। কিন্তু তার এ ইচ্ছেটা এখনও বাস্তবায়িত করতে পারেনি। আর বাড়ির লোকগুলোও যেন কি। সারাক্ষণ খালি পড়াশোনার কথা জিজ্ঞেস করবে। বাবা যা রাশভারী। বেশ কয়েকবার তার পিঠে বেত ভেঙেছেন। অথচ পিকলুর খুব ইচ্ছে করে চিলেকোঠার ঘরে বসে রহস্য রোমাঞ্চ সিরিজের বইগুলো মুখ গুঁজে পড়তে। কি সব লোমহর্ষক লেখা। পড়তে পড়তে রীতিমতো গায়ের রোম শিউরে ওঠে। কখনও বুকের স্পন্দন যায় বেড়ে। রুদ্ধশ্বাসে এগিয়ে চলে কাহিনির গতি। প্রচণ্ড সাসপেন্স আর থ্রিলার। পাহাড়ের খাদে গড়িয়ে যাচ্ছে নায়ক। কুমির ছুটে এসে তাকে টুকরো টুকরো করে ফেলবে। পড়তে পড়তে বুক দুরদুর করে ওঠে। চারপাশের সবকিছু ভুলে তখন রহস্য বইয়ের পাতায় ডুব দিয়ে থাকে। কিন্তু না। নায়ক পড়ে নি। গড়িয়ে নামার অবস্থাতেই দুঃসাহসী নায়ক একটা বুনো ঝোপ হ্যাঁচকা মেরে ধরে ফেলেছে। নিজের শরীরটাকে কায়দা করে পাহাড়ের খাঁজে কোনোমতে আটকে ফেলেছে। উফ, কি টেনশনেই না ছিল এতক্ষণ পিকলু। এবার বড় বাঁচা বেঁচে গেছে নায়ক। পাড়ার পাঠাগার থেকে রোমাঞ্চ সিরিজের আরও বেশকটি বই যোগাড় করা হয়েছিল। কিন্তু বাবার কাছে এসব খবর কুইক পাচার করে দিল ছোট বোন টুম্পা। মেয়ে তো নয় যেন একটা বিচ্ছু। সারাক্ষণ ওর পিছে লেগে আছে। ব্যস, টুম্পার দেয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে অনুসন্ধান চলল। পিতার নির্দেশে শুরু হলো অভিযান। পিকলুর ড্রয়ার থেকে আবিষ্কৃত হলো চারটি নতুন গোয়েন্দা কাহিনি। সেবার মারের চোটে পিকলুকে তিনদিন সটান বিছানায় পড়ে থাকতে হয়েছিল। বাবা হুঙ্কার ছেড়ে বলেছিলেন এই রকম অপগণ্ড ছেলেকে তিনি সোজা বনে পাঠিয়ে দেবেন।

    আহা, বাবা সত্যি যদি তাই করতেন। কি চমৎকার আর উত্তেজনাময় ব্যাপারই না তাহলে হতো। বনজঙ্গল হচ্ছে পিকলুর কাছে এক দারুণ রহস্যময় জায়গা। অজস্র গাছপালা। ছায়া ছায়া অন্ধকার। পাখির কিচমিচ ডাক। পাতার ফাঁক দিয়ে আলো চুইয়ে নামছে। কোনো গাছের ডালে লাফালাফি করছে সোনালি পশমের বাঁদরের দল। রাতেরবেলা হরিণের ঝাঁক আসবে ঝিলে পানি খেতে। চাদের রুপোলি আলো ছড়িয়ে থাকবে চারপাশে। রহস্যময় শব্দ। নিশাচর পাখিদের ডানা ঝাপটে উড়ে চলা। এসব দৃশ্যের কথা ভাবতে গিয়ে পিকলু তো রীতিমতো রোমাঞ্চিত হয়। কিন্তু বাবা শুধু প্রহার করেই খালাস। বনেজঙ্গলে পাঠাবার আর কোনোরকম উদ্যোগ গ্রহণ করলেন না। খুব একরোখা মানুষ এই বাবা। পিকলু যত অঙ্কে খারাপ করছে ততই যেন তার রাগ চেপে যাচ্ছে। তিন তিনটি মাস্টার রাখলেন। ছেলেকে তিনি ভালো ছাত্র বানিয়ে ছাড়বেনই। অথচ অঙ্ক করতে বসলেই পিকলুর মাথা শুধু ঝিমঝিম করে। কপালের দু’পাশের রগ দপদপ করতে থাকে। বুক কেমন শুকিয়ে যায়। শুধু পানির তেষ্টা পেতে থাকে। জ্যামিতিকে মনে হয় চিরতার মতো তেতো। একদিন পিকলুতো হাউমাউ করে কেঁদেই ফেলল।

    বলি তোমরা পেয়েছ কি আমাকে? আমার কোনটা ভালো লাগে আর কোনটা ভালো লাগে না তাও বুঝতে চাইবে না। খালি নিজেদের ইচ্ছেগুলোকে আমার ওপর জোর করে চাপিয়ে দেবে?

    মা তো পিকলুর ওই রকম ফ্যাকাসে মলিন চেহারা দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। তার চোখ দুটো ছলছল করে উঠেছিল। তিনি বাবাকে বোঝাতে গেলেন পিকলুর সেই অসহায় অবস্থার কথা। ব্যস তোপে যেন আগুন লাগল। গরম তেলে যেন বেগুন পড়ল। হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন বাবা। সোফা থেকে তড়াক করে লাফিয়ে উঠলেন। সেই ধাক্কায় টেবিল থেকে পিতলের ফুলদানিটা ঝনাৎ করে পড়ে গেল। পুষিটা লেজ তুলে পালাল। বাজখাই গলাই চেঁচিয়ে উঠলেন তিনি।

    -ভেবেছে কি ওই স্টুপিডটা। ওর ইচ্ছেমতো কি আমাকে চলতে হবে? ওর কথামতো আমাকে ধেই ধেই করে নেচে অঙ্কের মাস্টারগুলোকে প্রত্যাহার করে নিতে হবে। এত কষ্ট করে ওর পেছনে যে কাড়ি কাড়ি টাকাগুলো ঢালছি সেটা নবাবপুত্তর আমলই দিচ্ছে না। নিজের ভালোটাও বোঝে না। আমি স্রেফ বলে দিলাম ও একটা হনুমান হয়ে গাছে গাছে ঝুলবে। এটাই হলো ওর ভবিষ্যৎ।

    বাবা রীতিমতো একটা লেকচার ঝেড়ে দিলেন। পাশের ঘরে বসে সব শুনল পিকলু। টুম্পা এ্যাকুরিয়ামে মাছের খাবার দিতে দিতে সুর করে গান গাইল, মাসিগো মাসি পাচ্ছে হাসি। নিম গাছেতে ধরছে শিম।

    পিকলু যেন স্পষ্ট দেখতে পেল টুম্পা মুচকি হাসছে। তার শরীরে যেন কেউ বিছুটি লাগিয়ে দিল। ওদিকে বাবার তড়পড়ানি আর এদিকে টুম্পার গা জ্বালানো হাসি। আশ্চর্য পাজি তো এই মেয়েটা। পিকলুকে কোনো বেকায়দায় পড়তে দেখলেই তার যত খুশি। চিবিয়ে চিবিয়ে পিকলু বলল।

    টুম্পা নির্বিকারভাবে এ্যাকুরিয়ামে ধীরে টোকা দিয়ে বলল,

    -বা রে, আমি আবার হাসলাম কোথায়? পরশু স্কুলে ফাংশান হবে। সুকুমার রায়ের লেখা গানটার একটু প্র্যাকটিস করছিলাম। আমাকে যে সেখানে গাইতে হবে।

    টুম্পার এই অভিনয়টুকু অসহ্য। পিকলুর এখন ইচ্ছে হচ্ছে ছুটে গিয়ে টুম্পার গালে ঠাস ঠাস করে দুটো চড় বসিয়ে দিতে। কিন্তু এমন হলে টুম্পা যে চিলচিৎকার করবে। বাড়ি মাথায় তুলবে সে ব্যাপারে পিকলু নিশ্চিত।

    তখনকার মত রাগটাকে কোনোমতে পুষে রাখে পিকলু। এরকম আগেও বারকয়েক তাকে রাগ পুষে রাখতে হয়েছে।

    পিকলুর বুক ঢিপ ঢিপ করছে। যতই স্কুলে যারার সময় হচ্ছে ততই অস্থিরতা বাড়ছে। এই রেজাল্ট বের হওয়ার দিনটা কি যে ভয়াবহ। সবাই কেমন নিষ্ঠুর হয়ে যায়। ওর এখন ইচ্ছে করছে নীল সমুদ্র পাড়ি দিয়ে কোনো নির্জন দ্বীপে চলে যেতে। যেখানে কোনো চেনা মুখ আর তাকে খুঁজে পাবে না। তাকে দেখে অনুকম্পা করবে না। কিন্তু বাস্তব পৃথিবীটা বড় কঠিন। রহমত ভাই দরজার ফাঁক দিয়ে মুখ বের করে বলে।

    -ছোড সাব অহনো তৈরি হন নাই। বড় সাব অফিসে যাওয়ার আগে আমারে বারবার কইয়া গেছে আপনেরে যেন আইজ তাড়াতাড়ি স্কুলে লইয়া যাই।

    কাটা ঘায়ে যেন নুনের ছিটে। পিকলু কি কচি খোকা নাকি যে রহমত ভাই তার হাত ধরে তাকে স্কুলে নিয়ে যাবে। বাবার কাণ্ড শুনে ভীষণ রাগ হচ্ছে। রহমত ভাই নিশ্চয়ই বাবার স্পাই। লোকটাকে একদম বিশ্বাস করা চলে না। চেহারা দেখে মনে হয় সাতেও নেই পাঁচেও নেই। গোয়েন্দা বইতে পড়েছে এইসব চেহারার লোকেরাই খুব ডেঞ্জারাস ধরনের হয়ে থাকে।

    -রহমত ভাই, আমার যে পেট কামড়াচ্ছে।

    -অষুদ আনতাছি।

    সর্বনাশ! মিথ্যে বলতে গিয়েও ফ্যাসাদ। এখনি রহমত ভাই টপাটপ করে ঝাঁজালো ওষুধ গিলিয়ে দেবে। তার চাইতে স্কুলে যাওয়া অনেক নিরাপদ। যা থাকে কপালে। ঝটপট তৈরি হয়ে নেয় পিকলু।

    স্কুলে যাবার পথটা খুব দীর্ঘ মনে হচ্ছে। অনেকটা পথ শিরীষ গাছের ছায়ায় ঢাকা। ফুরফুর করে হাওয়া বইছে। কিন্তু পিকলু রীতিমতো ঘামছে।

    যা ভেবেছিল তাই। রেজাল্ট শিট হাতে নিয়ে ঠাণ্ডা হয়ে গেল পিকলু। সে পরীক্ষায় ফেল করেছে। অঙ্কে পেয়েছে মাত্র তেরো। চোখের সামনে ভেসে উঠল বাবার লাল চোখ। হাতে লিকলিক করছে বেত। টুম্পা হাসিমুখে গানের প্র্যাকটিস করছে। এখন যদি এই শহর ছেড়ে পিকলু পালিয়ে যেতে পারত। তাকে আর কেউ খুঁজে পেত না। রহমত ভাইটা খপ করে ধরে ফেললেন পিকলুর হাত। মনে হয় এইবারও ছোট সাব ডাব্বু পাইছেন।

    ইস। কথার কি ছিরি। ডাব্বু একটা শব্দ হলো? আচ্ছা এ লোকটার সহানুভূতি বলেও কি কোনো কিছু নেই। দেখতে পাচ্ছে পিকলু এখন ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। তারপরে তাও দেখে বলছে ডাব্বু পাওয়ার কথা। মন খারাপ করে বাড়ির পথ ধরল পিকলু। যা থাকে কপালে। সে বিবাগী হয়ে যাবে। বাউল হয়ে চলে যাবে। দু’টাকা ছ’আনা দিয়ে একটা নারকেল খোলের দোতারা কিনে রেখেছে। ওটাই টুং টুং করে বাজাতে বাজাতে মেঠো পথ দিয়ে যাবে। ছায়াছবির একটা গান তো মুখস্থ আছেই, তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়।

    চুল থাকবে উসখুস। পা হবে ধূলিধূসর। পথের শেষ নেই জানার। যা একটা চমৎকার দৃশ্য হবে না। রহমত ভাই যেভাবে শক্তভাবে ধরে রেখেছে তাতে আপাতত বাউল হওয়ার সাধটি পরিত্যাগ করতে হলো। আশ্চর্য, বিকেলে অফিস থেকে বাবা ফিরে রেজাল্ট শিট দেখে হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন না। দাঁত কিড়মিড় করে বেত হাতে নিলেন না। কান দুটো মুচড়ে লাল করে দিলেন না। কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে রইলেন। সেই নীরবতাটুকু পিকলুর কাছে ভয়াবহ মনে হচ্ছিল। শান্ত গলায় বাবা বললেন,

    -বুঝতে পেরেছি তোমাকে দিয়ে শুধু চাষাবাদ হবে। গ্রামের বাড়িতে আমার কিছু জমি খালি পড়ে আছে। সেখানে গিয়ে তোমাকে চাষাবাদ করতে হবে। আজ রাতের ট্রেনেই চলে যাবে।

    একথা শুনে পিকলুর শরীর হিম হয়ে যায়। বাবা যখন শান্তভাবে কথা বলেন তখন সেটাই হয় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। তাকে সে সিদ্ধান্ত থেকে নাড়ানো যাবে না। মা শুধু বলতে চাইলেন, ওর কাছে। কিন্তু পারলেন না।

    -কিরে পিকলু রবিশস্যের চাষ করতে পারবি না? পিকলু ঢোক গিলে কোনোমতে বলে, পারব বাবা। বাবা খুব প্রসন্নভাবে মায়ের দিকে তাকালেন।

    -দেখলে, তোমার ছেলে কেমন প্রত্যয়ের সঙ্গে বলছে পারব। আমি জানি চাষাবাদটাই হচ্ছে ওর একমাত্র কর্ম। কইরে রহমত ওর মালপত্র গুছিয়ে দে। আজ রাতেই তোদের রওনা হতে হবে। পিকলুকে গ্রামে রেখে আসবি।

    বাবা আস্তে করে উঠে পাশের ঘরে চলে গেলেন। সবাই জেনে গেল বাবার এই সিদ্ধান্ত আপাতত পাল্টাবে না।

    রাতের ট্রেনেই রওনা হতে হলো পিকলুকে। ঝকর ঝকর করে ট্রেন চলেছে।

    মা পরোটা আর ভুনা মাংস টিফিন ক্যারিয়ারে ভরে দিয়েছে। এমন আদরের খাবার কপালে আর বেশিদিন নেই। গ্রামে গিয়ে না জানি কি হবে। দূর সম্পর্কের এক চাচা থাকে সেখানে। শুনেছে ছোট একটা ঘর বানিয়ে থাকেন। ওখানে উঠতে হবে তাকে।

    কাঁকনডিহি স্টেশনে শেষ রাতে এসে থামল গাড়ি। ওখানেই নামল পিকলু আর রহমত। আবছা অন্ধকার তখনও চারদিকে। প্লাটফর্মে কিছু লোক গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে। কাঁকনডিহি থেকে তাদের গ্রাম মহিশাকুড়া প্রায় তিন মাইলের রাস্তা। যেতে হবে গরুর গাড়িতে। ভয়ানক খারাপ রাস্তা। ক্যাঁচর ক্যাঁচর শব্দ তুলে যাবে গাড়ি। রহমত ভাই এদিক ওদিক তাকিয়ে বললেন,

    -আলোডা একটু ফুডলেই আমরা রওনা দিমু।

    অজস্র গাছ স্টেশনের চারপাশে। পাখি ডাকছে। ভোরের নরম আলো ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে। কোণার ছোট চায়ের দোকানে চুলো জ্বালা হচ্ছে। স্টেশনের বাইরে কয়েকটা ছইঅলা গরুর গাড়ি দেখা গেল। পেছনে আখ ক্ষেত। দরদাম ঠিক করে একটা গাড়িতে উঠে পড়ল ওরা। এবড়োখেবড়ো রাস্তা। গরুর গাড়ি চলছে হেলেদুলে। বেশ ঝাঁকুনি খেতে হচ্ছে।

    পিকলুর মনে হলো গরুর গাড়ির চাকা দুটো তাকে বুঝি বলছে,

    -কিহে শহর ঢাকার স্মার্ট ঝকঝকে ছেলে পিকলু। ভিডিও দেখা কমিকস বই পড়া, থ্রিলার পড়া, ক্যাসেটে রক মিউজিক শোনা তুখোড় ছেলে। চলেছ কোথায়? মাটি কোপাতে? হালের বলদের পেছনে পাচন হাতে হেঁই হেঁই করে ছুটতে?

    দু’পাশে আখের খেত। ভোরের স্নিগ্ধ আলো চারদিকে। সবুজ গাছপালা। পাখিদের ঝাঁক উড়ে যায়। ফুরফুর করে বাতাস বইছে। বেশ ভালোই লাগছে পিকলুর। তালগাছে ঝুলছে বাবুই পাখির বাসা। মাথায় আনাজপাতির ঝাঁকা নিয়ে গ্রামের লোকেরা যাচ্ছে। কোনো কোনো বাড়ির উঠোনে হাঁসমুরগি চড়ছে।

    গাড়োয়ান হাত তুলে বলল। হুই যে। মহিশাকুড়া গাঁও।

    একটু উঁচু ঢিবির মতো জায়গা দেখা যাচ্ছে। কেমন অদ্ভুত আকৃতির মনে হলো।

    -এটা কি?

    -কান্তি রাজার গড়।

    -মানে?

    তাতো জানি না সাব। ছোডবেলা থেইকা দেইখা আইছি। খুব আজব জায়গা।

    -আজব কেন?

    ওই গড়ের উপর দিয়ে কখনও কোনো পাখি উইড়া যায় না। আরও আজব কথা ওই গড়ে কোনো পশুও যায় না।

    পিকলু তাকিয়ে থাকে উঁচু ঢিবিটার দিকে। গাড়োয়ান যা যা বলছে তা কি সত্য? যেন রহস্য মিশে আছে ওখানে। মনে মনে পিকলু রোমাঞ্চিত হয়। ভালোই হলো। মহিশাকুড়া গ্রামে আসতে আসতেই একটা রহস্যের সাধ পাওয়া গেল।

    পিকলুদের বাড়িতে থাকে ওর দূর সম্পর্কের এক ছোট চাচা। রহমত ভাই তাকে বুঝিয়ে বলল পিকলু ক’দিন এখানে থাকবে। মাঠে কাজ করবে। ব্যাপারটা ছোট চাচার কাছে বিস্ময়কর। তিনি এটাকে শহরের বড়লোকদের একটা আজব খেয়াল হিশেবে ভেবে নিলেন। পিকলুর জন্যে দক্ষিণের ঘরটা ঠিক করে দিলেন। বাড়ির গাছের শবরিকলা আর ঘনদই চিড়ের সঙ্গে মিশিয়ে চমৎকার সকালের খাওয়া হলো। অন্যরকমের আনন্দ পাচ্ছে পিকলু। এত ঘন দই এর আগে দেখে নি সে। এ অঞ্চলে মহিষের ভালো দই পাওয়া যায়।

    ছোট চাচা ডোবা থেকে মাছের নৌকো টেনে তুললেন। ঘাস লতা পাতা দিয়ে ঢাকা। বড় বড় জিয়োল মাছ পাওয়া গেল। ছোট চাচী মাগুর মাছের ভাজি রাঁধলেন। সঙ্গে মাষকলাইয়ের ডাল। ভাতে মেশানো হলো ঘরে তৈরি ঘি। দুপুরের খাবার হলো তোফা। পিকলু এর মধ্যেই ওর ঘরটা গুছিয়ে নিয়েছে। রহমত ভাই দুদিন পর চলে যাবে। বাবার দেয়া কৃষিবিজ্ঞানের বইগুলো বের করল। জেদ চেপে যাচ্ছে পিকলুর। সে আর অন্য কিছু ভাববে না। বাবার নির্দেশ মাথা পেতে নিয়েছে। মন ঢেলে এখন থেকে শুধু চাষাবাদের কাজ করবে কমিউনিষ্ট চীন দেশের ছেলে মেয়েরা নাকি প্রচুর চাষের কাজ করে। শহর থেকেও স্কুলের লম্বা বন্ধের দিনগুলোতে গ্রামে যায় চাষাবাদের কাজ করতে নতুন উৎসাহ নিয়ে।

    বিকেলবেলায় হাঁটতে হাঁটতে উঁচু ঢিবিটার কাছে এলো পিকলু। কান্তি রাজার গড়। সুনসান করছে জায়গাটা। সবুজ গাছপালার ফাঁকে লাল ইটের দেয়াল দেখা যাচ্ছে। সত্যিই তো কোনো পাখি তো এর উপর দিয়ে উড়ছে না। পায়ে পায়ে এগিয়ে গেল সে। ছোট একটা দরজা দেখা যাচ্ছে। সাপের ফিনফিনে খোলস ঝুলছে ঝোপের ভেতরে। পিকলু দরজাটা ধাক্কা দেয়। ক্যাঁচক্যাঁচ করে শব্দ হয়। দরজাটা খুলে যায়। পিকলু ভেতরে ঢোকে। শেষে বিকেলের ম্লান আলো তখন চারদিকে ছড়িয়ে আছে। পিকলু বিস্মিত চোখে দেখে একটা নীলাভ পাথরে বাঁধানো চত্বর চকচক করছে। কেমন রহস্যময় মনে হলো পিকলুর। কে বানিয়েছে এরকম চত্বর।

    রাতেরবেলা হারিকেনের আলোতে কৃষিবিজ্ঞানের বইয়ের পাতা উল্টাচ্ছিল পিকলু। বারেবারেই তার চোখের সামনে ভেসে উঠছিল শেষ বিকেলে দেখা গড়ের ভেতরের সেই নীলাভ পাথরের চত্বরটি। একটা তীব্র আকর্ষণ অনুভব করছে সে। রাতেরবেলায় খাবার সময় পিকলু ছোট চাচাকে জিজ্ঞেস করে,

    -ওই কান্তি রাজার গড়ের কথাটা কি?

    ছোট চাচা কেমন ভীত হয়ে বলেন,

    -আমরা ওদিকে যাই না। গায়ের কোনো লোকই যায় না। খুব বদনাম আছে ওই জায়গাটার। একবার দুটো লাশ পাওয়া গিয়েছিল সেখানে। সারা শরীর ছিল খুবলানো।

    -শুনেছি সেখানে নাকি কোনো প্রাণি থাকে না।

    -ঠিক। কোনো প্রাণিই যায় না সেখানে। অদ্ভুত এক জায়গা।

    সে রাতে মহিশকুড়া গ্রামের একটি ছোট ঘরে শুয়ে পিকলু স্বপ্ন দেখল আকাশ থেকে একজন নীল রঙের দেবদূত যেন নেমে এসেছে। দেবদূত এসে নামল কান্তি রাজার গড়ের পাথরের চত্বরে। হাঁটু গেড়ে বসে আছে পিকলু। দেবদূত তার মাথায় ফুল স্পর্শ করছে। ঘুম ভেঙে গেল পিকলুর। পরদিন খুব ভোরেই পিকলু চলে গেল কান্তি রাজার গড়ে। সেই চত্বরটার কাছে গিয়ে দেখল তার ওপর কয়েকটি নকশা। কিসের নকশা এগুলোর? সে এড়িক ফন দানিকেনের কয়েকটি বই পড়েছিল। একটি বইতে দেখেছিল, এ ধরনের নকশার কিছু ছবি। দানিকেন লিখেছিলেন, ‘গ্রহান্তরের মানুষেরা পৃথিবীতে এসে কিরিবাতি দ্বীপের পাথরে এসব নকশা এঁকে গেছে। এগুলো তাদের সাঙ্কেতিক চিহ্ন। আবার পিকলুর শরীর শিরশির করে উঠল।

    সারাদিন মহিশকুড়া গ্রামের মাঠে মাঠে আচ্ছন্নের মতো ঘুরল পিকলু। দুপুরে শুনল জংলা ঘুঘুদের একটানা ডাক। বেতঝোপের ভেতরে দেখল ডাহুকের লাল ছানা।

    মহিশকুড়া গ্রামের মাঠের চাষিরা অবাক হয়ে দেখল শহর থেকে আসা পিকলুকে। তাদের অনেকেই শুনেছে এখন থেকে এই ছেলেটি নাকি তাদের মতোই মাঠে কাজ করবে। গ্রামে নতুন কোনো কথা সহজেই ছড়িয়ে যায়। পিকলুর কথাটিও এভাবে ছড়িয়ে গেছে।

    সে রাতে পিকলু বিছানায় চুপচাপ শুয়ে আছে। ঘুম আসছে না। অনেক রাতে জানালার বাইরে তাকালো। আকাশকে কেমন রহস্যময় দেখাচ্ছে। হঠাৎ পিকলুর মনে হলো একটা নীল আলোর শিখা যেন নেমে আসছে। দারুণ কৌতূহলী হয়ে তাকালো সে। শিখাটি যেন কান্তি রাজার গড়ের ওপর খানিকক্ষণ স্থির হয়ে রইল। তারপর টুপ করে নেমে গেল গড়ের ভেতরে। দৃশ্যটা দেখতে দেখতে পিকলুর মনে পড়ল একটা সায়েন্স ফিকশনের ছবির কথা। এ রকম আলোর বিন্দু নেমে এসেছিল আকাশ থেকে। কি এক তীব্র আকর্ষণে পিকলু বিছানা ছেড়ে উঠে পড়ে। দরজা খুলে বেরিয়ে যায়। তাকে প্রবলভাবে টানছে কান্তি রাজার গড়। শুনশান রাত। গাছের পাতা ঝিরঝির করে কাঁপিয়ে বাতাস বইছে। পিকলু টর্চটা নিয়ে বেরিয়ে পড়ে। তাকে এখন কান্তি রাজার গড়ের দিকে যেতে হবে।

    টর্চের আলো ফেলে এগুচ্ছে পিকলু। রাতের মহিশকুড়া গ্রাম নিস্তব্ধ হয়ে আছে। একসময় সে এসে দাঁড়ায় গড়ের সামনে। তার বুকটা অনবরত কাঁপছে। পিকলু একটা গাছের পেছনে দাঁড়িয়ে দেখে গড়ের ভেতর থেকে আবছা নীলাভ আলো বেরিয়ে আসছে। পা টিপে টিপে ভেতরে ঢুকল। সেই চত্বরের ওপর একটা স্ফটিক গোলককে দেখতে পেল। এটাই কি তবে নীল আলোর শিখা হয়ে কিছুক্ষণ আগে আকাশ থেকে নেমে এসেছে। গোলকটি পিকলুকে টানছে চুম্বকের মতো। হঠাৎ পিকলুর মনে হলো গোলকটির ভেতর থেকে একটা যন্ত্র যেন বিড়বিড় করে উঠল। আশ্চর্য পিকলু এই শব্দের অর্থ বুঝতে পারছে। যন্ত্রটি যেন বলছে, আমরা জিরাকন গ্রহ থেকে এসেছি। এখানে মাঝে মাঝে আসি আমরা। আমাদের গ্রহের বৈজ্ঞানিকরা অঙ্কে আর রসায়নে অত্যন্ত দক্ষ। আমরা পৃথিবীতে আসি উদ্ভিদের উপাদান সংগ্রহ করতে। আমাদের গ্রহে উদ্ভিদের চাষ করতে চাই।

    পিকলুর সমস্ত শরীর শিহরিত হচ্ছে। সে এখন দাঁড়িয়ে আছে গ্রহান্তরের এক অদ্ভুত যানের কাছে। ভিডিওতে এটি ছবিতে এমন একটি দৃশ্য দেখেছিল। কে জানত এক অদ্ভুত রহস্যময় ঘটনা তার জীবনেও ঘটবে। পিকলুর মনে হলো সেই যন্ত্রটি তাকে বলছে, তুমি অঙ্কে খুব কাঁচা ছেলে। এখনি তোমার মস্তিষ্কে আমরা অঙ্কের জ্ঞান ট্রান্সফার করে দিচ্ছি। তোমার আর কোনো চিন্তা থাকবে না। কিন্তু সাবধান আমাদের কথা কখনও ফাঁস করতে পারবে না। যখনি ফাঁস করবে তুমি, তোমার এই জ্ঞান তোমার মস্তিষ্ক থেকে অবলুপ্ত হয়ে যাবে। আর এই জ্ঞান নিয়ে তুমি মানুষের মঙ্গল করবে। কল্যাণ করবে। যখনি কোনো অমঙ্গলের পরিকল্পনা আঁটবে তখনি তোমার কাছ থেকে জ্ঞান চলে যাবে।

    স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে পিকলু। গোলকটি থেকে আলোর একটি শিখা তার মস্তিষ্কে যেন প্রবেশ করে। পিকলুর মাথাটা ঝিমঝিম করে ওঠে। তার সমস্ত শরীরের ভেতরে তীব্র আলোড়ন হচ্ছে। মূৰ্ছিত হয়ে পড়ে যায় সে।

    কিছুক্ষণ পর চত্বর থেকে স্ফটিক গোলকটি উঠে শাঁ করে আকাশে মিলিয়ে যায়। ভোরবেলায় মূৰ্ছা ভাঙে পিকলুর। শরীরটা এখন বেশ ঝরঝরে লাগছে। পিকলু তাড়াতাড়ি হেঁটে আসে ছোট চাচার বাড়িতে। রহমত ভাই ঢাকায় যাওয়ার জন্যে তৈরি হচ্ছে। পিকলু তার সামনে গিয়ে বলে,

    -আমিও তোমার সঙ্গে ঢাকা যাব।

    -কন কি?

    -ঠিকই বলছি।

    -বড় সাব আমারে ঠিক মাইরা ফালাইব।

    কিছু করবে না। পিকলুর কণ্ঠস্বরে তখন কেমন প্রত্যয় শোনা যায়।

    ঢাকায় পিকলুকে ফিরে আসতে দেখে সবাই অবাক। তার চোখে খুশি। বাবা গম্ভীর গলায় তাকিয়ে বললেন।

    -ফিরে এলি যে। চাষাবাদের কি হলো?

    -ওসব আমার কাজ না।

    -তবে কি তোমার কাজ শুনি।

    বাবা ধীরে ধীরে রেগে যাচ্ছেন।

    -আমার কাজ অঙ্ক করা। জটিল জটিল সব অঙ্কের সমাধান করা।

    -ফাজলামো করছ আমার সঙ্গে?

    -মোটেই না।

    -লজ্জা করে না এ কথা বলতে? তিন তিনটি মাস্টার রাখার পরেও তো এবার অঙ্কে পেয়েছ তেরো।

    -আপনি আমাকে যেকোনো কঠিন অঙ্ক দিয়ে দেখতে পারেন বাবা।

    পিকলুর বাবা গণিত বিভাগের প্রথম শ্রেণি পাওয়া ছাত্র। পিকলু তখন গড় গড় করে বেশ কিছু কঠিন অঙ্কের থিয়োরি বলে গেল। ওর বাবা বিস্মিত চোখে তার দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    -বাবা আপনি আমাকে যেকোনো বড় অঙ্কের পূরণফল করতে দিন। আমি সঙ্গে সঙ্গে উত্তর বলে দেব।

    ওর বাবা কয়েকটি পূরণফলের কথা জিজ্ঞেস করলেন। কম্পিউটারের মতো উত্তর দিয়ে গেল পিকলু।

    বাড়ির সবাই তখন চারপাশে বিস্মিত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু এই রহস্যের কথা তো পিকলু তাদের কাছে ফাঁস আর করতে পারবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য রোমাঞ্চ গল্পসমগ্র ১ – আলী ইমাম
    Next Article দ্য উলফ লিডার – আলেক্সান্ডার দ্যুমা

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }