Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তারার দেশের হাঁস – আলী ইমাম

    লেখক এক পাতা গল্প147 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. আমার বাবা

    আমার বাবা

    আমার নাম ডগলাস। বয়স চৌদ্দ। একটি ছোট পাহাড়ি শহরে আমরা থাকি। নিরিবিলি, সবুজ একটি শহর। আমার বাবা একজন মহাকাশযানের চালক। একজন দক্ষ চালক হিশেবে তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে। প্রায় সময় তাকে মহাকাশে থাকতে হয়। আমাদের ঘরে বসে তার জন্যে শুধু অপেক্ষা করি। কখন সুদূরের প্রান্ত থেকে নেমে আসবেন তিনি।

    কোনো কোনো মাঝ রাতে আমার ঘুম ভেঙে যায়। বুঝতে পারি পাশের ঘরে মা জেগে আছে। আমি নীল বোতামে হাত ছোঁয়াই। তখন আমার যান্ত্রিক খাটটা দুলতে থাকে। মিষ্টি সুর ভেসে আসে স্পিকার থেকে। ঘুম পাড়ানি সুর। হঠাৎ দেখি আমাদের ঘরের দেয়ালগুলো এক মুহূর্তের জন্যে জ্বলে ওঠে রঙিন হয়। বুঝতে পারি আমাদের বাড়ির উপর দিয়ে এখন মহাকাশযানটি উড়ে গেল। যা চালাচ্ছেন আমার বাবা। পাশের ঘর থেকে মার কণ্ঠ ইন্টারকমে ভেসে আসে।

    -ডগলাস, বুঝতে পেরেছিস।

    -হ্যাঁ মা। বাবা আসছেন।

    এরপরের সব ঘটনাগুলো আমাদের জানা। হিশেব মতো ঘটবে। মহাকাশযানটি নামবে স্রীপ্রংফিল্ডে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে আমার বাবা নদী, পাহাড় পেরিয়ে আমাদের ছোট শহরের হেলিপ্যাডে নামবেন। তারপর হেঁটে আসবেন তিনি। বাড়িতে আসার সময় কখনো বাবা গাড়ি ব্যবহার করেন না। বাবা আসবেন বড় পার্কটার ভেতর দিয়ে। এরপর শোনা যাবে বাবা আমাদের বাগানের দরজা খুলে সিঁড়ি দিয়ে উঠে আসছেন। আমি আর মা তখন বারান্দায় দাঁড়িয়ে। বাবা তার ঘরে ঢুকে প্রথমে কালো বাক্সটা রাখবেন। ওটার ভেতরে রয়েছে তার মহাকাশযানের ইউনিফর্মটা। তারপর পাশের ঘরে খেতে যাবেন।

    আমি ঠিক ঐ সময়টার জন্যেই অধীরভাবে অপেক্ষা করি। যেইমাত্র বাবা পাশের ঘরে চলে যান আমি তখন বাবার ঘরে ঢুকি। সেই কালো বাক্সটাকে তুলে নিয়ে আসি নিজের ঘরে। প্রচণ্ড এক কৌতূহলে খুলি বাক্সের ডালা। ভেতর থেকে বের করে আনি বাবার ইউনিফর্ম। ঐ পোশাকটা দেখলেই আমি যেন অন্য রকমের হয়ে যাই। আমার চোখে ঘনিয়ে আসে সুদূর নীহারিকাপুঞ্জের স্বপ্ন। আমি কালো পোশাকটার গন্ধ শুকতে থাকি। মনে হয় ঐ পোশাক থেকে পাচ্ছি মঙ্গল গ্রহের লোহার গন্ধ। শুক্র গ্রহের সবুজ শ্যাওলার গন্ধ। বুধ গ্রহের পোড়া গন্ধকের মতো গন্ধ। চাঁদের দুধের মতো মিষ্টি গন্ধ। এসব গ্রহ নক্ষত্রের চিহ্ন লেগে রয়েছে পোষাকে।

    এরপর আমি ঐ পোশাকটাকে আমার তৈরি করা সেন্ট্রিফিউজ মেশিনের ভেতরে ঢুকিয়ে দেই। এতে মেশিনের বকযন্ত্রের ভেতরে কিছু মিহি গুঁড়ো জমে। এই গুঁড়োগুলো লেগেছিল পোশাকে। তারপর পোশাকটাকে আবার কালো বাক্সের ভেতরে রেখে আসি। কেউ জানতেও পারে না কিভাবে আমি আমার স্বপ্নের জিনিশগুলোকে সংগ্রহ করেছি।

    রাত বাড়ে। এক সময় সবাই ঘুমিয়ে যায়। বাবা মা ঘুমায়। আমাদের বাড়ির কাজ করে দেবার রোবটগুলো বৈদ্যুতিক নিদ্রায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে। আমি তখন আমার অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে রাখি ঐ মিহি গুঁড়োগুলো। তখন আমার সামনে উদ্ভাসিত হয় বিশাল ছায়াপথ। আমি যেন দেখতে পাই উল্কাকণা, মহাজাগতিক ধূলি। ধূমকেতুর উজ্জ্বল পুচ্ছ। বৃহস্পতি গ্রহের লালচে মাটি। অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে দূরের মহাকাশ তার অসীম রহস্য নিয়ে জ্বলজ্বল করতে থাকে। আমি তখন সে অনন্তু অসীম রাজ্যে স্বপ্নের সোনালি পাখায় ভর করে সাঁতরাতে থাকি।

    বাবা এবার এসেছেন তিন মাস পর। বিকেলে বাবাকে দেখি বাগানে মাটি খুঁড়ছেন। বিভিন্ন ধরনের গাছের ডালপালা ছাটছেন। চারাগাছ পুঁতছেন। এক মনে মাথা নিচু করে কাজ করে যান। তখন একবারও আকাশের দিকে তাকান না।

    সন্ধেবেলায় আমরা বাগানে বিশ্রাম নেই। বাগানে একটি যন্ত্র দোলনা রয়েছে। দোলনা থেকে গান শোনার ব্যবস্থা রয়েছে। আমরা বসে থাকি ঐ দোলনায়। চাঁদের রুপোলি আলো চারপাশে ঝকঝক করছে। আমরা লেবুর ঠাণ্ডা রস খাচ্ছি। বাবা স্টিরিও খবরের কাগজ পড়ছেন। এই কাগজগুলো বসানো থাকে এক ধরনের টুপির মধ্যে। তিন বার পরপর চোখের পাতা ফেললেই কাগজের মাইক্রো পাতাগুলো আতশ কাচের পেছনে চলে আসে।

    বাবা একবার তাকালেন আকাশের দিকে। বাবা আকাশে তাকালেই মা কেমন চমকে যান। একটা অজানা আশঙ্কা তার মুখে ছায়া ফেলে। বাবা বুঝি এখনি পাখা মেলে উড়ে যাবেন আকাশে।

    বাড়িতে আসার তৃতীয় রাতে বাবা বেশি করে তাকাবেন আকাশের দিকে। আমার মা রাতের ঐ তারা ঝিকমিক আকাশকে খুব ভয় পায়।

    পরদিন সকালে দেখা যাবে বাবা তৈরি। কালো বাক্সটা বের করেছেন।

    -চলি আবার তিন মাসের জন্যে।

    ঠিক এভাবেই চলে আসছে। এবার কিন্তু অন্য রকম হচ্ছে। বাবা এবার একটু বেশি গম্ভীর।

    আমি ভাবি, আমার বাবা এতো গ্রহে যায় কিন্তু কখনো আমার জন্যে মহাকাশ থেকে কিছু আনে না। শনি, নেপচুন, প্লুটোতে এতোবার গিয়েছে। কখনো কিছু আনেনি। আমার বন্ধুদের বাবারা কত জিনিশ আনে। কালো উল্কার টুকরো, নীল বালি, লালচে ঝামা পাথর।

    আশ্চর্য, কেন যে বাবা এসব আনে না। তবে মার জন্যে মাঝে মাঝে আনে। একবার মঙ্গল থেকে এনেছিল কয়েকটি সূর্যমুখীর চারা। লাগিয়েছিল বাগানে। চারাগুলো লকলকে করে বেড়েছিল। একদিন কি কারণে মা সেগুলো উপড়ে ফেলে দিলেন।

    বাবাকে একদিন জিজ্ঞেস করি আচ্ছা বাবা, ওপরটা তোমার কাছে কি রকম লাগে? আমার প্রশ্ন শুনে মা কেমন ভিত হন। বাবার চোখে তখন আনন্দ।

    -বুঝলে ডগলাস, জীবনে যা কিছু সবচাইতে সুন্দর সে সবের চাইতেও কিন্তু অনেক অনেক সুন্দর ঐ ওপরটা।

    কোন গ্রহে বা নক্ষত্রে যেতে হবে এটা তখন ঠিক করত মহাকাশযান চালকেরা।

    আমার খুব ইচ্ছে বাবাকে একদিন ইউনিফর্ম পরা অবস্থায় দেখি। এই ইচ্ছের কথা বললে মা রেগে যায়। তখন মাকে দেখলে মনে হয় তিনি বুঝি এক সর্বনাশের কথা শুনছেন। আমারও জেদ চাপে। বাবাকে ঐ পোশাকে দেখবই।

    একদিন রাজি হলেন বাবা। এই রাজি হওয়াতে মা ক্রুদ্ধ চোখে তাকালেন আমার দিকে।

    কালো চকচকে পোশাক পরে বাবা এসে দাঁড়ালেন আমাদের সামনে। রুপোলি বোতাম লাগানো। কালো বুট জোড়া। গোড়ালির কাছে রুপোর বালা।

    কি চমৎকার লাগছে আমার বাবাকে তখন। মনে হচ্ছে নীহারিকাপুঞ্জ থেকে জিনিশ এনে এই বিশেষ পোষাক বানানো হয়েছে। কালো পোশাকটিতে ঝিকমিক করছে তারা। ঐ পোশাক থেকে ভেসে আসছে দূর গ্রহের ধাতু আর মহাকাশের গন্ধ।

    মা খুব চুপচাপ থাকেন। তার সব সময় মন খারাপ। বাবা যেকোনো সময় উড়ে চলে যাবেন। এই আশঙ্কা তাকে ঘিরে রাখে। বাবা কিন্তু কখনো মহাকাশ থেকে আমাদের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে না।

    আমি একবার জিজ্ঞেস করেছিলাম। বাবা উত্তরে বলল,

    -মহাকাশ থেকে তোমাদের সাথে কথা বললেই আমার তখন তোমাদের কাছে পেতে ইচ্ছে করবে। আর তাহলেই মন খারাপ হয়ে যাবে।

    সেদিন সকালে বাবা রঙিন টিকিট নিয়ে হৈচৈ করে বাড়িতে এলেন। আমরা বেড়াতে যাব। ক্যালিফোর্নিয়া আর মেক্সিকো যাওয়ার রকেট টিকিট।

    -চলো, আমরা এবার মন ভরে বেড়াব। আনন্দ করব। প্রচুর মজা করব।

    আমরা বেরিয়ে পরলাম। প্রশান্তু মহাসাগরের উপকূল দিয়ে ছুটে গেলাম। ডেরা বাঁধলাম মালিবুর বালিয়াড়িতে। রাতে আগুন জ্বালিয়ে ঝলসানো মাংস খাওয়া। তিতির পাখি আর কচি ভেড়ার মাংস। বাবা গান গাইলেন। তিনি যেন চারপাশের সব কিছুকে ভালোবাসছেন। সব কিছুর প্রতি তার প্রবল মায়া জন্ম নিচ্ছে। বাবা শুয়ে পড়লেন। রকেটে এই জিনিশটারই অভাব।

    বাবা কিন্তু আগে কখনো আমাদের কাছে এ ধরনের কথা বলেন নি। তিনি জানাননি রকেটে কিসের অভাব। রকেটে যে এমন নোনা বাতাসের ঝাপটা পাওয়া যায় না, এমন ঝকঝকে নীল আকাশ আর প্রসন্ন আবহাওয়া নেই সে কথা বলেন নি। কখনো বলেন নি রকেটে মার হাতের মতো সুস্বাদু রান্না পাওয়া যায় না। চৌদ্দ বছরের কিশোর ছেলের সাথে কথা বলা যায় না।

    আমি তখন কলকল করে বাবাকে আমাদের স্কুলের গল্প বলি। আমি কত দ্রুত সাঁতার কাটতে পারি। বনে পাহাড়ে গিয়ে অর্কিড চিনতে পারি। বাবা আমার চুল আদর করে টেনে দেন। তার মুখে খুশির ছাপ।

    আমরা তখন রকেটের কথা বলি না। মহাকাশের কথা বলি না। বিশাল ছায়াপথের কথাও বলি না। আমরা তখন গল্প করি মেক্সিকোর পাহাড়ি অরণ্যের কথা। তার সোনালি রোদের কথা। কিভাবে গভীর বনের ভেতরে বৃষ্টির মধ্যে প্রজাপতি ধরেছিলাম সেই গল্প। অজস্র প্রজাপতি তখন দেখেছিলাম আমরা। ঝাঁক বেঁধে উড়ছিল।

    বাবা খুব আগ্রহ নিয়ে আমার সব কথা শুনছেন। বাবা যেন কান ভরে সব শব্দ শুনতে চান। পাখির ডাক, সমুদ্রের ঢেউ আর অরণ্যের পাতা ঝরার শব্দ। এক সময় বাবাকে দেখি মাঠের সবুজ ঘাসের ঘ্রাণ বুক ভরে নিচ্ছেন। পৃথিবী নামের এই নীল গ্রহটার জন্য বাবার এতো মায়া।

    সেদিন বিকেলে বাবা আমাকে কাছে ডাকলেন। শোন, আজ তুমি আমাকে একটা কথা দেবে।

    -কি কথা বাবা? কখনো মহাকাশযানের চালক হবে না। আমি চুপ করে রইলাম। বাবা আমার কাধ ধরলেন।

    -কখনো না। কারণ যখন তুমি ওপরে থাকবে তখন তোমার মন চাইবে এখানে থাকতে আর যখন এখানে থাকবে তখন মন চাইবে উড়তে। এটা হলো একটা ফাঁদের মতো।

    -কিন্তু …।

    ডগলাস, তুমি আমার এই কষ্টটা বুঝতে পারবে না। যতবার উপরে যাই তখন ভাবি এবার পৃথিবীতে ফিরে এলে আর উড়ব না। কিন্তু তবু ঠিকই বেরিয়ে যেতে হয়। মনে হয় সারা জীবন এভাবেই যাবে।

    -আমি জানি, আজ রাতে বাবা বারান্দায় বসে আকাশের কালপুরুষ দেখবেন।

    বাবা মমতা মাখা কণ্ঠে আমাকে বলছেন খোকা, কথা দাও, তুমি আমার মতো হবে না।

    -কথা দিলাম।

    সে রাতে খুব চমৎকার খাওয়া হলো। হাঙ্গরের ডানার স্যুপ। বুনো কুমড়োর আচার। কড়াইশুটির তরকারী। দইমাখা লেটুস পাতা। তিতির পাখির রোস্ট।

    বাবা প্রত্যেকটি খাবারের গন্ধ নিলেন। মা টেবিল সাজিয়েছেন খুব চমৎকার করে। বাবা যেন আমাদের ঘরকে ভালোবেসে আর মহাকাশে না যান।

    ঠিক সে সময় ঘর কাঁপিয়ে একটা হেলিকপ্টার উড়ে গেল। জানালার কাচের শার্সিগুলো ঝনঝন করে উঠল।

    বাবা তাকালেন জানালার দিকে। আকাশে তখন সন্ধ্যাকাশের নীল তারা পুবে লাল মঙ্গল গ্রহ। বাবা তাকিয়ে রইলেন মঙ্গলের দিকে।

    সে রাতে আমার ঘুম আসছিল না। বিছানায় শুয়ে ছটফট করছিলাম। বাতাস বইছে। চাঁদের মায়াবী আলোতে ফকফক করছে সব কিছু।

    বাবা বাগানের যন্ত্র দোলনায় বসে রয়েছে। আমি সিঁড়ি দিয়ে নেমে বাবার কাছে গেলাম। বাবা তাকালেন আমার দিকে। একটা রাতচরা পাখি পেছনের ঝাকড়া গাছ থেকে ডেকে উঠল।

    -আচ্ছা বাবা, একটা কথা বলবে?

    -কি খোকা?

    -মহাকাশে কি কি ভাবে মৃত্যু হতে পারে?

    -অনেক ভাবে।

    -যেমন?

    -এই মনে কর উল্কাপিণ্ডে ধাক্কা খেল তোমার রকেট। তখন রকেটের বাতাস গেল ফুরিয়ে। কিংবা ধূমকেতুর লেজের ঝাঁপটা খেল। সংঘর্ষ বিস্ফোরণ হলো। কত রকমের বিকিরণ হচ্ছে। যেকোন ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

    -ওখানে কেউ মারা গেলে কি কবর দেয়া হয়?

    -খুঁজেই পায় না কেউ।

    -মৃতদেহ তাহলে কোথায় যায়?

    হারিয়ে যায়। কোটি কোটি মাইল দূরে। মৃতদেহগুলো উল্কা বা গ্রহের মতো একটা কিছু হয়ে চিরকাল ধরে মহাকাশে চলতে থাকে।

    পরদিন সকাল।

    বাবা দাঁড়িয়ে রয়েছেন বারান্দায়। খাঁচার বন্দী হলুদ ক্যানারি পাখিটা গান শোনাচ্ছে। বাবা খাঁচায় টোকা দিচ্ছে। ক্যানারিটা পুঁতির মতো চোখ দিয়ে বাবাকে দেখছে। আমি পেছনে এসে দাঁড়াই।

    বাবা দেখেন আমাকে।

    বুঝলে ডগলাস, আমি মন স্থির করে ফেলেছি। এর পরের বার যখন আসব তখন আর বেরুব না। একেবারে থেকে যাব।

    বাবা যাবার জন্যে তৈরি হচ্ছেন। মা তখনো ঘুমুচ্ছেন।

    ঘুম থেকে উঠলে তোমার মাকে বলো। আবার দেখা হবে তিন মাস পর।

    বাবা নেমে গেলেন সিঁড়ি দিয়ে। হাতে ধরা সেই কালো বাক্স। সামনের জামগাছের নুয়ে থাকা ডাল থেকে কয়েকটা টসটসে জাম পাড়লেন। তারপর ভোরের নরম আলোর ভেতরে মিলিয়ে গেলেন।

    ঘুম থেকে উঠলে আমি মাকে বাবার চলে যাওয়ার কথা বললাম। মা আমার দিকে শান্ত চোখে তাকিয়ে রইল।

    আচ্ছা মা, বাবা বলছিল তুমি নাকি এমন ভাব কর যে বাবাকে তোমার সামনে দেখতে পাচ্ছ না। তিনি অদৃশ্য। তার কোনো কথা শুনতে পাচ্ছ না।

    ঠিক।

    তোমার এরকম অদ্ভুত আচরণের মানে?

    তোমার বাবা দশ বছর আগে প্রথম মহাকাশে গেলেন। তখন থেকেই আমি তাকে মৃত হিসেবে ধরে নিয়েছি। বছরে মাত্র তিন চার বার ফিরে আসে। বেশির ভাগ সময় থাকে মহাকাশে। তার কোনো প্রভাবই আমাদের জীবনে নেই। আমার কাছে তিনি মৃত ছাড়া আর কি?

    কিন্তু বাবা যে আজ আমাকে বলে গেলেন এরপর ফিরে এসে তিনি আর যাবেন না থাকবেন।

    উনি আর ফিরবেন না। উনি মৃত।

    তুমি দেখ মা, বাবা আবার বেঁচে উঠবেন। মাকে তখন কেমন বিষন্ন দেখাচ্ছে।

    আমি ভাবতাম যদি শুক্র গ্রহে ওর মৃত্যু হয় তাহলে কি হবে? তাহলে তো আমি আর শুকতারাটির দিকে তাকাতে পারব না। যদি মঙ্গলে মৃত্যু হয়? তাহলে তো ঐ লাল গ্রহের দিকে তাকানো যাবে না। কিংবা যদি শনি বা নেপচুনে? তখন কি করব? যেসব রাতে ঐ গ্রহগুলো আকাশে জ্বলজ্বল করবে সেসব রাতে তারাভরা আকাশ আর দেখতে পারব না।

    আমি দেখলাম মার চোখ চিকচিক করছে। খবরটা পেলাম পরদিন।

    মহাকাশকেন্দ্র থেকে এসেছে সংবাদদাতা। আমার হাতে তুলে দিল বার্তাটি। তখন সূর্য অস্ত যাচ্ছে। মা পেছনে দাঁড়িয়ে। বার্তাটি খোলা ।

    আমার বাবার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। বাবার মহাকাশযান পড়ে গিয়েছিল সূর্যের মধ্যে।

    বাবার মৃত্যুর পর মা অনেক দিন দিনের বেলা ঘুমুতেন। বাইরে যেতেন না। আমরা রাতে বেশির ভাগ কাজ করতাম। দিনে ঘুমাতাম।

    আর দিনের বেলায় যদি বেরুতে হতো তাহলে বেছে নিতাম বৃষ্টি ঝরার দিন। যখন আকাশে সূর্য দেখা যায় না।

    বে. ব্র্যাডবেরির কাহিনি অবলম্বনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য রোমাঞ্চ গল্পসমগ্র ১ – আলী ইমাম
    Next Article দ্য উলফ লিডার – আলেক্সান্ডার দ্যুমা

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }