Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    তারার দেশের হাঁস – আলী ইমাম

    লেখক এক পাতা গল্প147 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. প্রতীক্ষা

    প্রতীক্ষা

    আমি একজন ভূ-তাত্ত্বিক। অন্য গ্রহের ভূ-তত্ত্ব সম্পর্কে গবেষণা করতে আমি খুবই আগ্রহী। গত গ্রীষ্মকালে চাঁদে এসেছি একটি ভূ-তাত্ত্বিক অভিযানের নেতা হিশেবে। আমার সাথে রয়েছে বেশ বড় একটা দল। মহাকাশের প্রধান সরবরাহ স্টেশন এখান থেকে পাঁচশো মাইল দূরে। ওখান থেকে আমাদের বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি আনা হয়েছে।

    আমরা এখন রয়েছি চাদের সমতল ভূমির দক্ষিণ দিকে। যাতায়াতের জন্যে আমাদের সাথে রয়েছে তিনটি রকেট। যাতে করে সহজেই অল্প দূরত্ব অতিক্রম করতে পারি। চাঁদের বিভিন্ন স্থানে যাওয়ার জন্যে ব্যবহার করি কাটারপিলার ট্রাক্টর। উঁচু নিচু জমিতে এই যানটি সহজেই চলতে পারে।

    চাঁদের এই জায়গাটা হলো তিনশো মাইল ব্যাসের একটি সমতল ভূমি। চারদিকে পাহাড়। পূর্ণিমার সময় দক্ষিণ দিকে যখন চাঁদ ওঠে তখন ডান প্রান্তরের উপরে লম্বাটে গোল আকারের একটি ছোট ছায়া দেখা যায়। এ অঞ্চলে চাদের অন্য অংশের মতো আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ নেই।

    এখানে উৎসাহের সাথে গবেষণার কাজ করছি। এক সময় এখানে সমুদ্র ছিল। কোটি কোটি বছর আগে। যখন পৃথিবীতে সবেমাত্র প্রাণের সূচনা হচ্ছে তখন এখানে শেষ সময় ঘনিয়ে এলো। পানি নেমে গেল বিশাল খাড়ি থেকে। জমা হলো চাঁদের গভীর প্রদেশে। শুকিয়ে গেল সমুদ্র। পাহাড়গুলো এরই চারপাশে। পাহাড়ের ধার ঘেঁষে সাবধানে আমরা চলেছি।

    চাদের সময় অন্য রকমের। এখানে অনেকক্ষণ ভোর থাকে। সূর্য ডোবার সময় আসে অনেক পর। এই সময়ে পৃথিবীর হিশেব হলো এক সপ্তাহ। আমরা ট্রাক্টর চালিয়ে যাই। সকলের পরনে স্পেস স্যুট। খনিজ পদার্থের খোজ করি। যে পথ দিয়ে এগিয়ে যাই সেখানে চিহ্ন রেখে যাই। যাতে ভবিষ্যতের অভিযাত্রীরা সহজেই পথ নির্দেশ পায়।

    আমাদের ট্রাক্টরগুলো হলো চাপ নিয়ন্ত্রিত। এর ভেতরে সহজেই মাস খানেক সময় অনায়াসে থাকা যায়।

    এদিককার পাহাড়গুলো খাঁজকাটা। দেখতে রুক্ষ। এই অভিযানে এক ধরনের রোমাঞ্চও রয়েছে। যখন পাহাড়ি অঞ্চলের একটা করে বাঁক পেরোই ভাবি এই বুঝি সামনে কোনো অজানা সৌন্দর্য রয়েছে। এই রহস্যের আকর্ষণে পেরিয়ে যাই দূর্গম রুক্ষ পথ।

    এখানকার সমতল ভূমির দক্ষিণ দিকটা হলো এক বিরাট ব-দ্বীপ । অনেকগুলো নদী এক সময় এখানে প্রবাহিত হতো। নদীগুলো গিয়ে মিশতো সমুদ্রে।

    শুকনো খাতের উপর দাঁড়িয়ে আমি অতীতের সেই দৃশ্যটা ভাবার চেষ্টা করি। আগ্নেয়গিরিগুলো তখন সক্রিয়। জ্বালামুখ থেকে বেরুচ্ছে লাভাস্রোত । মুষলধারে ঝরছে বৃষ্টি। নদীগুলো ফুলে উঠেছে।

    আমার খুব ইচ্ছে করে এই নদীখাত দিয়ে সামনে এগিয়ে যাই। দূরের পাহাড়ে অভিযান চালাই। কিন্তু জরিপের কাজ এখনো অনেক বাকি। আরো একশো মাইল আমাদের জরিপ করতে হবে। আমাদের ট্রাক্টরে যে ঘড়িটা আছে তাতে রয়েছে পৃথিবীর সময়ের হিশেব। কাজ শেষে রাত দশটায় এখানকার প্রধান: বেস’-এ শেষ বেতার সংকেত পাঠানো হয়। বাইরে তখন গনগন করছে সূর্য। প্রখর তাপে ঝলসে যাচ্ছে প্রান্তর। ট্রাক্টরের ঘড়ির সময়ে তখন রাত। এই উজ্জল তাপের মধ্যেও আমরা ঘুমাতে যাব। আমাদের ঘুমের জন্যে সময় হলো আট ঘণ্টা।

    ঘুম থেকে ওঠার পর তৈরি হবে সকালের খাবার। সসেজ ভাজা হবে। শর্ট ওয়েভে বাজতে থাকবে পৃথিবীর বেতার কেন্দ্র।

    আমার মনে পড়ছে সেদিনের কথা। বেতারে প্রিয় একটা সুর শুনছি। ড্রাইভার গেছে গাড়ির চাকা দেখতে । সহযাত্রী গার্নেট লগ বুকে গতকালের বিবরণ লিখছে। সসেজ ভাজা হচ্ছে। বাইরের পাহাড়গুলোর দিকে তাকিয়ে আছি। সবচাইতে কাছের পাহাড়টাও এখান থেকে কুড়ি মাইল দূরে। তবু স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি পাহাড়টা। চাঁদে দূরত্বের জন্যে দৃষ্টি খর্ব হয় না। পৃথিবীর মতো দূরের জিনিস এখানে ঝাপসা দেখায় না।

    সমতল থেকে পাহাড়গুলো খাড়া উঠে গেছে। কোনো ভূমিকম্পে মাটির স্তর দুমড়ে এভাবে উপরে উঠে গিয়েছিল। সমতল ভূমির দু’দিকের ঢাল দেখা যায়। ঐসব পাহাড় চুঁড়াতে এখনো কোন মানুষ যায়নি। অতীতের অনেক ঘটনার সাক্ষী এই পাহাড়গুলো। এখানকার উত্তাল সমুদ্র থেকে পানি নেমে যেতে দেখেছে। দেখেছে কিভাবে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে ভবিষ্যত জীবনের সম্ভাবনা।

    রোদে পাহাড়গুলো ঝকমক করছে। অনেক সময় তীব্র আলোর ঝলক। অথচ খানিক উপরেই ঘন কালো আকাশ। সেখানে ঝিকমিক করছে তারাপুঞ্জ।

    আমি সেদিন তাকিয়েছিলাম পশ্চিম সমুদ্রের পাহাড়শ্রেণির দিকে। হঠাৎ চোখে পড়ল পাহাড়শ্রেণির উপরে রহস্যময় আলো। কেমন ধাতব আলোর বিচ্ছুরণ। মনে হচ্ছে বেশ মসৃণ পাথরের গা থেকে আলোর প্রতিফলন হচ্ছে। কৌতূহলী হলাম। কোন জাতীয় পাথর থেকে এ ধরনের প্রতিফলন সম্ভব? পর্যবেক্ষণ মঞ্চে উঠলাম। সেখানে বসানো চার ইঞ্চি টেলিস্কোপ। সেটার মুখ পশ্চিম দিকে ঘোরালাম।

    পাহাড় চূড়োটা স্পষ্ট দেখতে পেলাম। যে বস্তুতে প্রতিফলন হচ্ছিল সেটা খুব ছোট। টেলিস্কোপে ঠিকমতো ধারণা করা গেল না। বুঝতে পারলাম জিনিশটার আকার আশ্চর্য রকমের সুষম । তার শরীর চেপ্টা। জ্বলজ্বল করছে। কি এই রহস্যজনক বস্তু!

    কিছুক্ষণ পর আমরা জরিপ কাজে বেরিয়ে গেলাম। স্পেস স্যুট পরা বলে কথাবার্তা চলছে বেতারে। আমার সহযাত্রীরা বলছে চাঁদে কোনোদিন বুদ্ধিমান প্রাণির অস্তিত্ব ছিল না। এই গ্রহের একদম প্রাথমিক স্তরে কিছু উদ্ভিদ ছিল। ওটাই ছিল একমাত্র প্রাণের চিহ্ন।

    আমার কৌতূহল ক্রমশ বাড়ছে। সিদ্ধান্ত নিলাম, পশ্চিমের ঐ পাহাড়ে আমি যাব। রহস্যময় বস্তুটি আমাকে তীব্রভাবে আকর্ষণ করছে। চাঁদের ঐ পাহাড়টা হবে বারো হাজার ফুটের কম। পৃথিবীর মহকার্ষে যা হবে দু’হাজার। ঐ অঞ্চলটা ঘুরে আসতে আমার চব্বিশ ঘণ্টার বেশি সময় লাগবে না। গার্নেট আমাকে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করল।

    যদি এখানে উঠতে গিয়ে তোমার ঘাড় ভেঙে যায়। পা মচকে যায়। তুমি যদি আহত হও। বেস্ এর অন্যেরা তখন উপহাস করবে।

    আমার কিছু হবে না। ভুলে যেও না এখানে হেলিক চূড়াতে আমিই প্রথম উঠেছিলাম।

    গার্নেটকে আমার পাহাড়ে চড়ার অভিযানে সঙ্গী করে নিলাম। আমাদের গাড়িটা পাহাড়ের আধ মাইলের মধ্যে এসে পৌছালো। চালক থাকবে গাড়িতে।।

    হঠাৎ করে ঐ খাড়া উঠে যাওয়া পাহাড় দেখে ওখানে চড়া অসম্ভব বলে মনে হবে। এখানে একটা সুবিধে হলো সব ওজনই ছয় ভাগের এক ভাগ। পাহাড়ে চড়াও এখানে অনেক সহজ।

    আমি আর গার্নেট ওঠা শুরু করলাম। সমতল থেকে চার হাজার ফুট উপরে উঠলাম। সেখানে চাতালের মতো একটা জায়গা। সেখানে খানিক বিশ্রাম নিলাম। নিচে আমাদের ট্রাক্টরটাকে একটা ধূসর পোকার মতো দেখাচ্ছে। চালকের সাথে বেতার বার্তা বিনিময় করলাম। স্পেস স্যুটের ভেতরটা বেশ ঠাণ্ডা।

    যত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি ততই বিশাল দৃশ্যপট দেখছি। আমার ভেতরে তখন রোমাঞ্চকর এক অনুভূতি। আমি এমন এক স্থানের দিকে চলেছি যেখানে পৃথিবীর কোনো মানুষের আগমন ঘটেনি।

    এক সময় এসে পৌছালাম সেই খাড়া পাথরের দেয়ালের কাছে। মাথার উপর প্রায় পঞ্চাশ ফুট যাবার পর হঠাৎ করেই যেন দেয়ালটা শেষ হয়ে গেছে। এর উপরেই সেই সমতল জায়গা। যেখান থেকে সেই রহস্যময় আলো প্রতিফলিত হচ্ছিল।

    কি সেই প্রতিফলক বস্তুটা? হয়তো প্রাচীনকালের কোনো উল্কাপাতের ফলে পাথরের ভগ্নাংশ। এখানে কোনো কিছুর ক্ষয় হয় না তাই সেগুলো দীর্ঘদিন অবিকৃতভাবে রয়েছে।

    মসৃণ পাথর বেয়ে ওঠা অসম্ভব। পাথরের কোনো খাঁজও নেই। সাথে রয়েছে লম্বা দড়ির মুখে তিন মাথা হুক। সেটাই ছুঁড়ে দিলাম । এক সময় আটকে গেল হুকটা।

    আমি দড়ি বেয়ে ওঠা শুরু করলাম। হাতের ভর দিয়ে উঠতে লাগলাম। একেবারে শেষ প্রান্তে এসে থামলাম। আমার সামনে সেই রহস্যময় অধিত্যকা। উপত্যকার প্রান্তে দাঁড়িয়ে রয়েছি। সমতল জমি। উল্কা বর্ষণে এর মসৃণ শরীর কোথাও ফুটো হয়েছে। আমি সেখানে এক বিস্ময়কর জিনিশ দেখলাম। পিরামিডের আকারের একটি স্তম্ভ। স্তম্ভটি পাথরের গায়ে বসানো। উচ্চতা দুমানুষ সমান। কাটা রত্নের মতো বস্তুটি। সেখানে ঝলসে উঠছে সূর্যের আলো।

    সেই রহস্যময় স্তম্ভটির দিকে তাকিয়ে আমি বিস্মিত হলাম। অন্য এক ধরনের অনুভূতি সঞ্চারিত হলো আমার মাঝে।

    এখন মনে হচ্ছে, চাঁদে উন্নত সভ্যতা বলে কিছু ছিল। এতোদিন জানতাম এখানে শুধু আদিম জাতীয় কিছু শ্যাওলা ছিল। এখন সে ধারণা ভুল বলে প্রমাণিত হবে। এই বিস্ময়কর, উত্তেজনাপূর্ব খবরটি আমি প্রথম পৃথিবীতে প্রচার করব।

    কি এই রহস্যময় বস্তুটা! এটা কি কোনো উপাসনা গৃহ নাকি বাড়ি, বাড়ি হলে এ রকম দূর্গম স্থানে বানাবে কেন? এটা হয়তো ধর্মীয় প্রার্থনার স্থান। এখানকার প্রাচীন বিচিত্র আকারের সভ্য প্রাণিরা হয়তো এখানে এসে আকুল প্রার্থনা করেছিল। চাঁদ থেকে দ্রুত অপসৃয়মান জীবনের সাথে তারাও যেন বিলুপ্ত না হয়। বস্তুটি খুব নিখুঁত। যারা এটি নির্মাণ করেছে তারা যথেষ্ট উন্নত সভ্যতার অধিকারী ছিল।

    একটি অদ্ভুত জিনিশ দেখলাম। উল্কাপাতের ফলে এখানকার পাথুরে জমি ঝাঝরা। তার ওপর মিহি ধূলোর আস্তরণ । যেহেতু বাতাস নেই তাই ধুলো সরতে পারে না। যেখানে ধূলো পরে সেখানেই জমতে থাকে। অনন্ত কাল ধরে। আমি বিস্মিত হয়ে দেখলাম এই মহাজাগতিক ধুলো আর উল্কাপাতের গর্তগুলো একস্থানে এসে হঠাৎ মিলিয়ে গেছে ঐ বস্তুটি ঘিরে একটি বৃত্তাকার লাইন বরাবর। মনে হবে কোনো অদৃশ্য দেয়াল বুঝি পিরামিড আকারের বস্তুটিকে মহাকাশের ধুলো থেকে উল্কাপাতের আঘাত থেকে রক্ষা করতে চাইছে। গার্নেট নিচ থেকে বেতার বার্তায় আমার সাথে যোগাযোগ করছে। ওকে উপরে উঠে আসতে বললাম। আমি এক টুকরো পাথর নিয়ে সেই অদৃশ্য বৃত্তের দিকে ছুঁড়ে দিলাম। নুড়ি পাথরটা একটা গোল দেয়ালে ধাক্কা খেয়ে গড়িয়ে পড়ে গেল।

    আমি তখন অনুভব করলাম আমার সামনে একটি যন্ত্র রয়েছে। এই যন্ত্রটি প্রচণ্ড এক শক্তি দিয়ে সুরক্ষিত। এমনভাবে এই সুরক্ষার ব্যবস্থা যাতে অনন্ত কাল ধরে এটি সক্রিয় রয়েছে। সময়ের কোনো থাবা একে থামাতে পারে নি।

    বিস্ময়কর এক অনুভূতি তখন আমাকে অনেকটা যেনো আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। আমি হয়তো সেই প্রবল ক্ষমতাধর শক্তির পরিমণ্ডলের অনেক বেশি কাছাকাছি চলে এসেছি।

    গার্নেট উঠে এসেছে। সেও বস্তুটি দেখে বিস্মিত। নির্বাক হয়ে গেছে। আমি একপাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে ভাবছি। নিচে দেখা যাচ্ছে চাঁদের সমতল ভূমি। অগণিত নক্ষত্রের আড়ালে দেখা যাচ্ছে ছোট্ট পৃথিবী।

    যখন এখানে রহস্যজনক পিরামিডের নির্মাতারা কাজ করছিল তখন আমাদের পৃথিবীর অবস্থা কি রকম ছিল! কোন সময়কে অতিক্রম করছিল পৃথিবী? তখন কি সেখানে ছিল সভ্য জনপদ! নাকি প্রাগৈতিহাসিক মানুষ! নাকি ছিল শুধু বৃষ্টি ভেজা অরণ্য। সেখানে দর্পিতভাবে ঘুরেছে বিশাল সরীসৃপগুলো। আকাশে উড়ছে দাঁতওয়ালা পাখি।

    হঠাৎ আমার মাথায় একটা চিন্তা এলো। আমি কেন ভাবছি এই বস্তুটি চাঁদের আদি সভ্য প্রাণিদের তৈরি? এমনওতো হতে পারে অন্য গ্রহের কোনো প্রাণিরা এই বিচিত্র যন্ত্রটিকে এখানে স্থাপন করে গেছে।

    গত তিন দশক ধরে চাঁদে অনেকগুলো অভিযান করেছি। সংগ্রহ করেছি প্রচুর তথ্য। কিন্তু এতোগুলো অভিযানে প্রাণের চিহ্ন হিসেবে চোখে পড়েছে অল্প কিছু আদিম গুল্ম। শ্যাওলা । চাঁদে অন্য কোনো উন্নত সভ্যতার চিহ্ন পাই নি। যদি উন্নত, বুদ্ধিমান প্রাণিরা এখানে থাকত তবে তাদের আর কোনো নিদর্শন নেই কেন?

    আমার সামনে সেই রহস্যময় তিন কোনা বস্তুটি। চাঁদের এই রুক্ষ পাথুরে পরিবেশের সাথে জিনিশটা একেবারে বেমানান। কোনোমতেই খাপ খায় না।

    এরপর থেকে শুরু হলো আমাদের এক সংগ্রাম। ঐ অদৃশ্য, স্বচ্ছ পাথরের দেয়ালটা ভেদ করতে আমাদের এরপরে আরো কুড়ি বছর লাগল। ঐ দেয়াল ভাঙতে আমাদের শেষ পর্যন্ত পরমাণু শক্তি ব্যবহার করতে হলো। তারপর পৌছাতে পারলাম সেই বিচিত্র যন্ত্রটার কাছে।

    যন্ত্রটার টুকরোগুলো এখন আমাদের হাতে। এর জটিল প্রযুক্তি বোঝার ক্ষমতা আমাদের নেই। সম্ভবত ভৌত জগতের বাইরের কোনো নিয়ম দিয়ে এই প্রযুক্তি তৈরি ।

    এখন তো সৌর জগতের সব গ্রহেই মানুষ আসা যাওয়া করছে। পৃথিবী ছাড়া এখনো অন্য কোথাও বুদ্ধিমান প্রাণিদের অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায় নি। এতে চাদের পিরামিড রহস্য আরো বেড়েছে। ঐ উপত্যকার উল্কাপাতের ফলে যে ধূলো জমেছে তার বয়স চিহ্নিত করা গেছে। সময়ের হিশেব করে জানা গেছে ঐ পিরামিডটি যখন এখানে স্থাপন করা হয় তখন পৃথিবীতে স্থলভাগেরই সৃষ্টি হয়নি। তরল পৃথিবীর বুকে তখনো শক্ত ডাঙ্গা জেগে ওঠেনি।

    ধারণা করছি সুদূর নক্ষত্রলোক থেকে তারা সৌর জগতের মধ্য দিয়ে তীব্র বেগে ছুটে যাবার সময় চাঁদে এই নিদর্শনটি রেখে গেছে।

    কিন্তু এতদিন ধরে যন্ত্রটা এখানে কি কাজ করছিলো? আমি এই রহস্য ভেদ করার জন্যে গবেষণা শুরু করলাম। পুরো ব্যাপারটি আমাকে যথেষ্ট আলোড়িত করেছিল। গবেষণা করে আমি বেশ কয়েকটি অনুমান করতে পারলাম। এই অনুমানগুলো হলো, বিশাল এই ছায়াপথের বৃত্তাকার পথে লক্ষ কোটি তারা আবর্তিত হচ্ছে। আজকে আমরা সভ্যতার যে স্তরে এসে পৌছাতে পেরেছি নিশ্চয়ই অন্য সব নক্ষত্রলোকের প্রাণিরা সেই অবস্থায় পৌছে গিয়েছিল। সে অনেক…কাল আগের কথা। এমনও হতে পারে তাদের সভ্যতা হয়তো আমাদেরও অতিক্রম করে গিয়েছিল। সৃষ্টির আদিপর্বে গুটিকয় জাতি তখন সভ্যতার উচ্চ শিখরে উঠেছিল।

    তখন বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের অন্যত্র সবেমাত্র প্রাণের সূচনা শুরু হয়েছে। তখন নিশ্চয়ই সেই গ্রহগুলোর সভ্য প্রাণিরা অন্য সব নক্ষত্র খুঁজে দেখেছে। উন্নত সভ্য প্রাণের অনুসন্ধান করেছে। তখন নক্ষত্রলোকের অন্যান্য গ্রহে বিরাজ করছে বুদ্ধিহীন সরীসৃপ জাতীয় প্রাণি । কোথাও জলচর প্রাণি। যাদের চিন্তা করার কোনো রকম ক্ষমতা তো নেই। বার্তা বিনিময় করার কোনো রকম কৌশল জানা নেই। এমনও হতে পারে গ্রহগুলো একেবারেই প্রাণহীন। আমাদের পৃথিবীও তখন ছিল ঐ অবস্থায়। জ্বলন্ত এক পিণ্ড । ধোয়ায় ঢাকা আগ্নেয়গিরিগুলো টগবগ করছে।

    এই রকম এক সময়ে পুটো গ্রহের ওপার থেকে এলো তাদের সেই মহাকাশযান। সূর্য থেকে দূরের শীতল গ্রহগুলো পার হয়ে এলো তারা। উষ্ণ গ্রহগুলোতে তারা অনুসন্ধান চালাতে চায়। তারা খুঁজে ফিরছে আখাঙ্ক্ষিত সঙ্গীদের।

    তখন হয়তো তারা পৃথিবীর চারপাশও ঘুরেছিল। তারা হয়তো বুঝতে পেরেছিল এক সময় এই গ্রহটিতে প্রাণের উন্মেষ ঘটবে। বুদ্ধিমান প্রাণিরা আসবে। কিন্তু সে তো অনেক পরের কথা। তাদের যে অপেক্ষা করার মতো সময় নেই। সামনে অগণিত নক্ষত্রলোক।

    তাদের পাড়ি দিতে হবে দীর্ঘ পথ। তারা সেখানে একটি প্রহরী রেখে যেতে চায়।

    এ ধরনের অনেক প্রহরী তারা ব্রহ্মাণ্ডের বিভিন্ন প্রান্তে রেখে এসেছে। তাদের যেখানে মনে হয়েছে প্রাণের সম্ভাবনা রয়েছে সেখানেই প্রহরী রেখে এসেছে।

    স্বচ্ছ পাথরের যন্ত্রটিকে তখন তারা চাঁদের বুকে একস্থানে স্থাপন করল। তাদের এ রকম ধারণা ছিল যদি কোনোদিন পৃথিবীর মানুষ নিজেদের ক্ষমতায়, যোগ্যতায় চাঁদে আসতে সক্ষম হয় তবে তাদের সম্পর্কে আগ্রহী হবে।

    মহাকাশের কঠিন যাত্রাপথ অতিক্রম করা এক উন্নত প্রযুক্তির ব্যাপার। যারা এগুলো করতে পারবে তারা এই জ্ঞান অর্জনের অধিকার অর্জন করতে পারবে। এ পর্যন্ত আসতে হলে পরমাণু শক্তিকে করায়ত্ব করতে হবে।

    ঐ সভ্য প্রাণিরা এ কথা বিশ্বাস করেছিল চাঁদে গিয়ে এক সময় এই অদৃশ্য দেয়াল ভাঙা হবে। তারপর ভেতরের যন্ত্রটিকে টুকরো করা হবে।

    শেষ পর্যন্ত হলো তাই। ভাঙার পর এখন ঐ যন্ত্রটি সংকেত পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। বুদ্ধিমান প্রাণিরা এতোদিন ঐ সংকেত বিশেষ পদ্ধতিতে গ্রহণ করছিল। এখন তারা পৃথিবী নামের গ্রহটির ওপর মনোযোগ দেবে। তারা হয়তো আমাদের সভ্যতার সাথে যোগাযোগ করতে চাইবে।

    আমি প্রায়ই তাকিয়ে থাকি বিশাল ছায়াপথের দিকে। ভাবি, কারা বুঝি এগিয়ে আসছে মেঘের আড়াল থেকে আমাদের দিকে।

    আমাদের এখন প্রতীক্ষা করে থাকতে হবে। কতদিন? কত কাল?

    আর্থার সি ক্লার্কের কাহিনি অবলম্বনে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকিশোর রহস্য রোমাঞ্চ গল্পসমগ্র ১ – আলী ইমাম
    Next Article দ্য উলফ লিডার – আলেক্সান্ডার দ্যুমা

    Related Articles

    আশাপূর্ণা দেবী

    সমুদ্র কন্যা – আশাপূর্ণা দেবী

    April 24, 2026
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Our Picks

    অপেক্ষার বারোমাস – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026

    শ্মশানকোকিলের ডাক – সৌভিক চক্রবর্তী

    May 1, 2026

    এসো না অসময়ে – অর্পিতা সরকার

    May 1, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }