Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    প্রীতম বসু এক পাতা গল্প123 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – ৩

    ।। তিন।।

    ৬ আগস্ট, ২০১৯

    ‘বায়োপাইরেসি!’

    বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির ‘ডিন অব আর্টস ফ্যাকাল্টি’ পদে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে গত কয়েক মাস ধরে প্রায় রোজই নতুন নতুন জ্ঞানগর্ভ শব্দ নমিতার ভোকাবুলারিতে স্থান পাচ্ছে। আজ আরেকটা যোগ হল। বিকেলে বাড়ি যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে এমন সময় ওর অফিসের দরজায় উঁকি দিলেন অলিভ গ্রিন ট্রাউজার্স আর হাতা গোটানো অফ হোয়াইট শার্ট পরা, কাঁধে লুই ভাটানের চামড়ার ব্রিফকেস ঝোলানো, মাথার চুলে গাঁথা রে-ব্যানের সানগ্লাসেস, উচ্চবিত্ত অ্যাপিয়ারেন্সের এই মধ্যবয়স্কা মহিলা। পরিচয় দিলেন—মাধবী বসাক, দিল্লি হাইকোর্টের আইনজীবী। প্রথম দর্শনে মহিলাকে দেখেই অস্বস্তি হয়েছিল নমিতার। বয়স ওর মতোই আর্লি বা মিড ফিফটির হবে, মাথায় সোনালি হাইলাইট করা চুল ঘাড় পর্যন্ত নেমে এসেছে, দু’গাল ভাঙা। টিয়াপাখির মতো টিকালো নাকের দু’পাশে চোখ দুটো এমনভাবে ঠিকরে বেরিয়ে এসেছে যে মনে হচ্ছে অক্ষিকোটরের পিছন থেকে যেন কেউ চোখের সাদা অংশটাকে জোরে ঠেলা মেরেছে। মহিলার শরীরে এক আউন্স এক্সট্রা ফ্যাট নেই। বারবার অন্যমনস্ক হয়ে যাওয়া চাহনি। একসেন্ট্রিক মনে হয়েছিল। এই অস্বস্তিকর দেখতে মহিলাকে এন্টারটেইন করাটা চরম ভুল হয়ে গেছে। আর নমিতা সেই ভুলের মাশুল দিচ্ছে গত পনেরো মিনিট ধরে। মহিলা ননস্টপ দুর্বোধ্য এত বায়োলজি মেশানো আইনি শব্দ আউড়ে চলেছেন যে নমিতার নিজেকে নিরক্ষর মনে হচ্ছে। এ শব্দটা আগে শুনলেও ঠিক মনে করতে পারছে না বিষয়টা ঠিক কী? ভ্রূ কুঁচকে জিজ্ঞাসা করল নমিতা—‘বায়োপাইরেসি ব্যাপারটা ঠিক –?’

    দিল্লির আইনজীবী মহিলার দু’চোখে সারাদিনের পরিশ্রমের ক্লান্তি ঝরে পড়ছে, কিন্তু ঠোঁটের হাসি মিলিয়ে যায়নি—‘বিলিয়ন ডলারের বিজনেস। তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলির প্রাচীন জ্ঞানকে নিজেদের আবিষ্কার বলে চালাচ্ছে ইউরোপ আমেরিকার কিছু জায়েন্ট ড্রাগ প্রোডিউসিং কোম্পানি। আমরা বলি বায়োপাইরেসি, আর ওরা বলে বায়ো-প্রসপেক্টিং।’

    ‘ও আচ্ছা,’ আরেকটা জটিল শব্দ, নমিতা সাবধানে পাস কাটাতে চাইল।

    কিন্তু এই মহিলা আইনজীবীর থামার কোনো লক্ষণই নেই বিদেশের কোম্পানিগুলো এরকম প্রায় পাঁচ হাজার পেটেন্ট ইস্যু করেছে আমাদের প্রাচীন মেডিসিনাল প্ল্যান্ট আর ট্র্যাডিশনাল সিস্টেমের ওপর। এর ভ্যালু কত জানেন?’

    ‘কত?’

    ‘প্রায় বারোশো ষাট কোটি টাকা।’

    ‘বারোশো হোয়াট!’ এবার নমিতার চোয়াল ফ্রিজ হয়ে গেল। নমিতা বুঝল ব্যাপারটার ইমপর্টেন্স। ‘আর ইউ কিডিং? আমাদের দেশ কিছু করছে না?’

    ‘করছে। ভারত সরকার প্রায় দু’লাখ প্রাচীন ভেষজকে পাবলিক প্রপার্টি বলে ডিক্লেয়ার করে বলেছে এগুলো যে কেউ ব্যবহার করতে পারবে, কিন্তু ব্র্যান্ড- নেম জুড়ে বিক্রি করতে পারবে না। তাছাড়া এসব ভেষজের একটা ডেটাবেস বানিয়ে ইউরোপিয়ান পেটেন্ট অফিসকে অ্যাকসেস দিয়েছে যাতে বায়োপাইরেসি বন্ধ হয়। কিন্তু ওরা বড় বড় সব কোম্পানি। আইনের অনেক মার-প্যাঁচ জানে, নানারকমভাবে ঘুরিয়ে নাক দেখিয়ে তাও পেটেন্ট নিয়ে চলেছে।’

    ব্যাপারটা আরো গুলিয়ে গেল নমিতার। তার জন্য দিল্লি থেকে হাইকোর্টের উকিল কলকাতায় ওর কাছে কেন এসেছে? মহিলাকে এড়িয়ে যেতে চাইল নমিতা ‘ম্যাম, তাহলে আপনার বোধহয় বায়োলোজি ডিপার্টমেন্টে যাওয়া উচিত। বায়োসায়েন্স আর তাছাড়া আমি পরশু থেকে দু’সপ্তাহের ভেকেশনে স্পিতি ভ্যালি যাচ্ছি

    ‘আমাকে আপনি মিস বসাক বলতে পারেন,’ মহিলার ঠোঁটে ভদ্রতার হাসি। ‘আমি জানি আমি ঠিক জায়গাতেই এসেছি। একটা হিটেড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইটসের মামলায় আপনার হেল্প খুবই দরকার, ড. স্যান্যাল, ‘ অ্যাডভোকেট বললেন। ‘এখানে একজনের লাইফ অ্যাণ্ড ডেথ সিচুয়েশনের জন্য আমায় আসতে হয়েছে। আমি শেষ রাতে বিছানা ছেড়ে আর্লি মর্নিং ফ্লাইট ধরে দিল্লি থেকে সাত-সকালে কলকাতা ছুটে এসেছি, তারপর সারাটা দিন— ‘

    নমিতার তীব্র অনিচ্ছুক দৃষ্টি বোধহয় আইনজীবীর নজর এড়াল না। ‘আচ্ছা, আমায় আধ ঘন্টা সময় দিন? আপনাকে এই কেসের জেনেসিসটা একটু বোঝাই? প্লিজ? তারপর আমাকে হেল্প করবেন কী করবেন না দ্যাটস ইয়োর কল।’

    মহিলার আবেদন নমিতা ভদ্রতাবশত অগ্রাহ্য করতে পারল না। ‘ঠিক আছে বলুন।’

    ‘অ্যামফার্মার নাম আপনি শুনেছেন?’

    ‘না, আমি সরি—’

    ‘না না সরি কিসের। অ্যামফার্মা একটা বিখ্যাত আমেরিকান কোম্পানি। জায়েন্ট ড্রাগ প্রোডিউসার। বাল্টিমোরে হেড অফিস, আমেরিকা ইউরোপে ওদের সাতটা দেশে অফিস আর বিশাল বিশাল ল্যাবরেটারি আছে। বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের ওষুধ বিক্রি। লং স্টোরি শর্ট, আমেরিকার পেটেন্ট অফিস অ্যামফার্মাকে সর্পদংশনের বিষ প্রতিরোধের ‘ভেনম’ নামে একটা ওষুধের পেটেন্ট গ্র্যান্ট করে ২০১৫ সালে। অথচ আমাদের কলকাতারই একটা ছোট্ট আয়ুর্বেদ ওষুধের কোম্পানি ‘সুশ্রুত’ সর্পদংশনের বিষ প্রতিরোধের একই ওষুধ ‘বিষহরি’ ২০০৬ সাল থেকে বানিয়ে বাংলার বাজারে বিক্রি করে আসছে। ২০১৫ সালে অ্যামফার্মা পেটেন্ট পেতেই অ্যামফার্মার উকিল একটা ‘সিজ অ্যান্ড ডেসিস্ট’ নোটিস ধরিয়ে দেয় সুশ্রুতকে। বলে ইমিডিয়েটলি সুশ্রুতকে এই ওষুধের প্রোডাকশন এবং সেল বন্ধ করতে হবে। সুশ্রুত রাজি হয় না, কারণ সুশ্রুতের কাছে ড্রাগ কন্ট্রোলার অব ইন্ডিয়ার কম্পালসারি লাইসেন্স আছে। অ্যাকচুয়্যালি আমি জানি সুশ্ৰুত কোম্পানির একজন সায়েন্টিস্ট ওই ওষুধের সব কাগজপত্র নিয়ে ২০১৩ সালে আমেরিকা পালায়। সেই সায়েন্টিস্টই ওই কাগজ ও ফর্মুলা অ্যামফার্মাকে বেচে দেয়।’

    ‘ছিঃ!’ নমিতার গলায় নিন্দার স্বর। ‘বাঙালি সায়েন্টিস্ট?’

    ‘হ্যাঁ, নাম ড. তথাগত দাস। যাই হোক, সুশ্ৰুত বিক্রি বন্ধ করতে রাজি না হওয়ায় অ্যামফার্মা তখন ভারতের ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অ্যাপিলেট বোর্ডের কাছে আবেদন করে যে সুশ্রুত তাদের পেটেন্ট ইনফ্রিঞ্জমেন্ট করেছে এবং সুশ্রুতকে আদেশ দেওয়া হোক যাতে ওরা এই ওষুধ বানাতে ও বিক্রি করতে না পারে। কিন্তু ইন্ডিয়ান ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অ্যাপিলেট বোর্ড অ্যামফার্মার সেই আবেদন নাকচ করে দেয়।’

    ‘পেটেন্ট থাকা সত্ত্বেও?’

    ‘পাবলিক ইন্টারেস্টে এটা করা যায়। বিদেশে ওষুধ তৈরির খরচা অনেক। তাই অ্যামফার্মার বাল্টিমোরে তৈরি ওষুধ বাংলার বাজারে এল আকাশ ছোঁওয়া দামে। ভাবতে পারেন বাংলার মফঃস্বলে এই ওষুধ সাড়ে ন’হাজার টাকায় বিক্রির জন্য ওষুধের দোকানে এল। ক’জন গ্রামের গরীব লোক এত টাকা দিয়ে ওষুধ কিনতে পারে? অথচ সুশ্রুত ‘বিষহরি’ মাত্র সাড়ে তিনশো টাকায় বাজারে বিক্রি করছিল।’

    ‘তারপর?’

    ‘এরপর ২০১৬ সালে অ্যামফার্মা কলকাতা হাইকোর্টে কেস করল সুশ্রুতের বিরুদ্ধে। ওরা সুশ্রুতের বিরুদ্ধে রয়্যালটি এবং লস অব বিজনেসের জন্য আট কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।’

    খুব হেকটিক গেছে দিনটা, নমিতার ক্লান্ত মস্তিষ্ক এত ড্রাই টেকনিক্যাল কথাবার্তা রেজিস্টার করতে পারছিল না। নমিতা দায়সারাভাবে বলল, ‘আই সি। ঠিক আছে, কোর্ট তাহলে নিশ্চয়ই ফয়সলা করবে যে কে দোষী।’

    ‘হ্যাঁ, কলকাতা হাইকোর্টে প্রায় তিন বছর ধরে হিয়ারিং চলছে। এখন একজন নতুন জাজ এসে ট্রায়ালের ডেট দিয়ে দিয়েছে। দু’সপ্তাহ পরে ট্রায়াল। কুড়ি আর একুশে আগস্ট। কিন্তু কাল একটা মারাত্মক ব্যাপার ঘটেছে।’ অ্যাডভোকেট বসাক ব্রিফকেস থেকে আইপ্যাড বের করে ফটো অ্যালবামে গিয়ে নমিতাকে কয়েকটা ছবি স্ক্রল করে করে দেখালেন। ছবিগুলো দেখে নমিতা শিউরে উঠল।

    প্রথম ছবিটা একটা গাড়ি অ্যাক্সিডেন্টের। গাড়ির বাঁদিকটা একদম থেঁতলে গেছে। ‘ওঃ মাই গড়!’ নমিতা আঁতকে উঠে বলল। একদম পিষে দিয়ে গেছে!’

    ‘হ্যাঁ গাড়িটা চালাচ্ছিল সুশ্রুত কোম্পানির মালিক ডক্টর আরুষি মিশ্ৰ। ‘মালিক মেয়ে?’

    ‘কেন? হতে পারে না? মালিক সব সময় পুরুষই হতে হবে?’

    ‘না না তা বলিনি,’ লজ্জা পেল নমিতা। ‘আসলে সেরকম বেশি দেখা যায় না তো তাই।’

    ‘এই বত্রিশ বছরের বৈজ্ঞানিক মেয়ে আমেরিকান ড্রাগস জায়েন্ট অ্যামফার্মার সঙ্গে কোর্টে পেটেন্ট ইনফ্রিঞ্জমেন্ট কেস লড়ছে।’

    ‘লড়ছে, উনি কি বেঁচে আছেন?’

    ‘হ্যাঁ, ফরচুনেটলি। এখনো আইসিইউ-তে। আমি কাল রাতে খবরটা পেয়ে আজ সকালের ফার্স্ট ফ্লাইটে দিল্লি থেকে এসে সোজা নার্সিংহোমে চলে গেছিলাম। সারাটা দিন ছিলাম নার্সিংহোমে। এখন কন্ডিশন স্টেবল। কিন্তু বাঁ- পায়ের হাড়ে কম্পাউন্ড ফ্র্যাকচার, ডিসলোকেটেড কলার বোন, তাছাড়া কপালে ব্রুজ, উইন্ডশিল্ডের কাচের কুচি মুখে গেঁথে গেছিল।’ অ্যাডভোকেট বসাক দ্বিতীয় ছবিটা দেখালেন। নমিতা দেখল যেন ব্যান্ডেজে মোড়া একটা মিশরের মমি হাসপাতালের বিছানায় বাঁ পা স্লিং এ ঝুলিয়ে শুয়ে আছে।

    ‘কখন কোথায় হল এই অ্যাকসিডেন্ট?’ নমিতা বলল।

    ‘কাল রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ। বাইপাসে। একটা ট্রাক হঠাৎ রঙ রুটে উল্টোদিক থেকে এসে ওর গাড়ির বাঁদিকে ছুঁয়ে গেছে, তার ইম্প্যাক্টে—’

    ‘ড্রাইভার ধরা পড়েছে?’

    ‘না। হিট অ্যান্ড রান। কিন্তু পুলিশ বলছে অন্য কথা।’

    ‘কী বলছে পুলিশ?’

    ‘পুলিশ ড. আরুষি মিশ্রের বিরুদ্ধে ড্রাঙ্কেন ড্রাইভিং এর চার্জ এনেছে।’

    ‘ড. মিশ্র ড্রিঙ্ক করে ড্রাইভ করছিল?’

    ‘পুলিশের রিপোর্ট তাই বলে। তাছাড়া পুলিশ ড. মিশ্রের গাড়ির ট্রাঙ্ক থেকে নার্কোটিক ড্রাগস আবিষ্কার করেছে।’

    খুব কমপ্লিকেটেড কেস, নমিতা ভাবল। তবে কোনো মন্তব্য না করাই সমীচীন বলে চুপ রইল।

    ‘এখানে একটা খটকা আছে। দু’দিন আগে ড. মিশ্রের সঙ্গে ওর নিজের উকিল আদিত্য মেহেতার খুব কথা কাটাকাটি হয় এবং ড. আরুষি মিশ্র ওর উকিলকে ফায়ার করেন।

    ‘ওর উকিলকে ফায়ার? মানে—আপনি ওঁর উকিল নন?’

    ‘ড. আরুষি মিশ্র আমার মেয়ে।’

    ‘আপনার মেয়ে?’ এবার নমিতার ঝটকা লাগল।

    ‘ওর বাবার পদবী মিশ্র। ওর বাবার সঙ্গে যখন আমার ডিভোর্স হয়েছিল তখন আরুষির পাঁচ বছর বয়স।’

    ‘সরি মিস বসাক,’ নমিতা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল থেকে কী চান?

    ‘বলুন আপনি আমার

    ‘যদিও আরুষি লড়ছে, কিন্তু ওর সামর্থ্য খুবই কম। দেশি ছোট কোম্পানিগুলো বিদেশী কোম্পানিগুলোর সঙ্গে এই লড়াই বেশিদিন টানতে পারে না।’

    ‘কেন?’

    ‘রিসোর্স,’ ভদ্রমহিলার মুখ ক্লান্তিতে, গরমে একদম শুকিয়ে গেছে। এত ঘোরাঘুরির বোধহয় অভ্যাস নেই। নমিতা ভদ্রতা করে বলল, ‘আপনি সারাদিন নার্সিংহোমে ছিলেন, ওখানে কিছু খেয়েছেন? কিছু খাবার আনাই?’

    ‘আয়্যাম গুড। দুপুরে স্যান্ডুইচ খেয়েছি। আর আমি খুব কম খাই।’

    ‘তাহলে চা?’

    ‘অসুবিধা না হলে, অ্যাডভোকেট বসাক খুশি হলেন।

    ‘আমার এখানে টি-ব্যাগ। কোনো অসুবিধা নেই।’ নমিতা কামরার কোণায় টেবিলে রাখা কাপে টি-ব্যাগ রেখে তাতে ইলেকট্রিক কেটলের গরম জল ঢেলে নিজের জন্য এক কাপ আর অ্যাডভোকেট বসাকের জন্য আরেক কাপ চা বানিয়ে নিজের চেয়ারে ফিরে এল। অ্যাডভোকেট বসাক এবার চায়ের কাপে চুমুক দিলেন। তারপর বললেন, ‘চায়ের দারুণ ফ্লেভার তো! দার্জিলিং টি?’

    ‘সিকিমের টেমি। ফার্স্ট ফ্লাশ।’

    ‘আপনার এই অফিস দেখলে খুব সম্ভ্রম জাগে ড. স্যান্যাল, মিস বসাকের দৃষ্টিতে প্রশংসা। ‘বাপরে কত সার্টিফিকেট আর প্ল্যাক আপনার পিছনের দেওয়ালে।’

    ‘একটা প্রবচন শুনেছেন নিশ্চয়ই—অকর্মা নাপিতের ধামাভরা ক্ষুর,’ নমিতা মৃদু হাসল।

    ‘আপনি খুব মডেস্ট!’ মিস বসাকের ঠোঁটে হাসি। ‘এটা কার ছবি? কন্যা?’

    ‘হ্যাঁ,’ নমিতা হেসে ডেস্ক থেকে ফ্যামিলি ফটো ফ্রেমটা তুলল।

    ‘আর এটা? অল্পবয়সে মিঞা-বিবি খুব হাইকিং করতেন বুঝি?’

    ‘হ্যাঁ। শতদল হাইকিং-পাগল ছিল। ছুটি পেলেই আইস-এক্স আর অ্যালপাইন টেন্ট রাকস্যাকে বেঁধে এ-পাহাড় সে পাহাড়। মেয়ের জন্য ফ্যাক্টরিতে গিয়ে স্পেশাল ছোট স্লিপিং ব্যাগ বানিয়েছিল।’

    ‘এবারও ভেকেশনে তিনজনে লাহুল-স্পিতির পাহাড়ে হাইক করবেন?’

    ‘নাঃ,’ দীর্ঘশ্বাস ফেলল নমিতা। ‘মেয়ে এখন টেক্সাস অস্টিনে মাস্টার্স করছে। এক বছর আগে দমদমে সি-অফ করে এসেছি। আর ছ’বছর আগে স্বামীকে নিমতলায় সি-অফ করে এসেছিলাম। এখন আমি একলাই।’

    ‘আমি সরি, ড. স্যান্যাল, মিস বসাক ক্ষমা চাইলেন।

    ‘না, ঠিক আছে,’ নমিতা বলল। ‘জীবন তো থেমে নেই। একলা-দোকলা যেভাবেই থাকুন জীবন আপনাকে নিয়েই এগোবে। কাজেই আনন্দ খুঁজে পেয়েছি। ওসব কথা থাক। আচ্ছা, আপনি নিজে একজন ল-ইয়ার। আপনি নিজে কেন আপনার মেয়ের পেটেন্ট কেসটা লড়েননি?’

    মিস বসাকের মুখ থেকে হাসি যেন ঝোড়ো হাওয়ায় উড়ে গেল। মিস বসাক হঠাৎ গম্ভীর হয়ে গেলেন। ‘আমার মেয়ে আমাকে এত ঘেন্না করে যে আমি আজ আইসিইউতে ওর বেড পর্যন্ত যেতে পারিনি,’ মিস বসাক দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। ‘ছেড়ে দিন, ওসব পার্সোনাল টপিক আলোচনা করে লাভ নেই।’

    ‘তাহলে এখন আপনি কেন মেয়ের হয়ে লড়তে এগিয়ে এসেছেন? দেশে আরো তো উকিল আছে।’

    ‘এদেশে খুব ভালো পেটেন্ট ল-ইয়ারের সংখ্যা খুব কম। সবচেয়ে নামী এবং দামি হল দিল্লির আহুজা ল’ ফার্ম। অ্যামফার্মাকে রিপ্রেজেন্ট করছে আহুজা। সমীর আহুজা ইজ আ লেজেন্ড। একজন নটোরিয়াস ল-ইয়ার। খুবই এক্সপেন্সিভ উকিল। টোয়েন্টি থাউজ্যান্ড রুপিজ পার আওয়ার চার্জ করে। একদিন কোর্টে অ্যাপিয়ার করতে পাঁচ লাখ টাকা চার্জ করে।’

    ‘একবার কোর্টে হাজিরা দিতে পাঁচ লাখ!’

    ‘আহুজা ট্রায়ালগুলো একদম ক্লিনিক্যালি ফিনিশ করে। ওর ল’ ফার্মের একঝাঁক জুনিয়র ওর কেসের আগাপাস্তলা রিসার্চ করে আহুজার হাতে মোক্ষম সাপোর্টিং ডকুমেন্টস তুলে দেয়। আরুষির প্রত্যেকটা ইমেইল, চিঠিকে মাইক্রোস্কোপের নীচে রেখে ওদের দেখা হয়ে গেছে। একদল প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর আহুজা ল’ফার্মের পে-রোলে। ওদের কাছে সব খবর পৌঁছে যায়। সমীর আহুজা নিজে আইনের ওয়াকিং এনসাইক্লোপিডিয়া। আদালতে এসে দাঁড়ালে জাজরাও খুব সম্ভ্রমের সঙ্গে কথা বলে। ওর বিরুদ্ধে লড়ে নিজেদের রেকর্ডে লাল দাগ ফেলতে অনেক ল-ফার্মই চায় না। আজ আমার এক্স শ্বশুরের সঙ্গে আইসিইউর বাইরে অনেকক্ষণ কথা বললাম। উনি বললেন মেহেতাকে ফায়ার করার পর গত পরশু আর কাল সারাদিন ধরে আরুষি নাকি রেপুটেড অন্তত পাঁচজনের কাছে অ্যাপ্রোচ করেছিল। কিন্তু কেউ ওর কেস নিতে রাজি হয়নি।’

    ‘কেন?’

    ‘প্রথমত ট্রায়াল আর মাত্র দু’সপ্তাহ দূরে। তাছাড়া আমাদের দেশে উকিলদের মধ্যে একটা গ্রেপভাইন কমিউনিকেশনস চলে। আদিত্য মেহেতা সম্ভবত পিছন থেকে অন্য ল-ফার্মগুলোকে আরুষির নামে ব্যাড মাউথ করেছে। সম্ভবত কেন, আমি শিওর যে করেছে। পাঁচটা ল-ফার্মই ওকে রিপ্রেজেন্ট করতে রিফুউজ করেছে। এদিকে কোর্টের ডেট এগিয়ে এসেছে। তার মধ্যে ড্রাইভিং আন্ডার ইনফ্লুয়েন্স। আর কোনো রাস্তাও খোলা নেই—’

    ‘বুঝেছি। কোনো বিকল্প না দেখে ও আপনাকে নিতে রাজি হল, তাই তো?’

    ‘না। আরুষি আমাকে এত ঘেন্না করে যে ও মরে গেলেও আমায় ওর অ্যাটর্নি হিসেবে রিটেইন করবে না।’

    ‘তাহলে—’

    ‘ওর দাদু—সুব্রত মিশ্র। আমার এক্স শ্বশুর। উনিই সুশ্রুত কোম্পানির ফাউন্ডার। কাল অনেক রাতে হাসপাতাল থেকে উনিই উদ্বিগ্ন হয়ে ফোন করে আমাকে জানালেন আরুষির অ্যাকসিডেন্টের কথা। আরুষি আইসিইউ-তে তখন অচেতন। আজ অনেকক্ষণ কথা বললেন উনি আমার সঙ্গে। উনি আমাকে বললেন যে আরুষির সামনে আর কোনো রাস্তা খোলা নেই। উনিই আমাকে অনুরোধ করেন এই কেসটা যেন আমি হাতে নিই। আমি বললাম, আরুষি রাজি হবে? উনি বললেন, উনি যেভাবেই হোক না কেন আরুষিকে রাজি করাবেনই, মিস বসাক একটু থামলেন। ‘আমাকে কাল গভীর রাতে উনি এই কেস হিস্ট্রির একটা ফোল্ডারের লিঙ্ক পাঠিয়েছেন। কাল সারা রাত, তারপর আজ ভোরে এয়ারপোর্টে, প্লেনে আমি এসব পড়তে পড়তে এসেছি।’ মিস বসাক এবার বললেন, ‘ড. স্যান্যাল, এটা আমার জীবনের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ট্রায়াল হতে চলেছে। আর মাত্র দুটো সপ্তাহ হাতে। আমি দিনরাত এক করে দেব, কিন্তু এই ট্রায়ালটা আমাকে জিততেই হবে। অ্যাট এনি কস্ট।’

    নমিতা কনফিউজড। যে মা মেয়ের জন্য এত কমিটেড, তাঁকে তাঁর মেয়ে এত ঘেন্না করে কেন?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    Next Article আফ্রিকার লোকগল্প – অশোককুমার মিত্র

    Related Articles

    প্রীতম বসু

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }