Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026

    আফ্রিকার লোকগল্প – অশোককুমার মিত্র

    April 23, 2026

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী এক পাতা গল্প189 Mins Read0
    ⤷

    প্রতিশোধ – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    প্রতিশোধ

    ঘুম ভাঙতেই রজত টের পেল ট্রেনটা স্টেশনে থেমেছে। বাইরে হকারদের চিৎকার, ব্যস্ত লোকজনের মালপত্র নিয়ে এদিক- ওদিক ছোটাছুটি। কিছু লোক কৌতূহলী চোখে ট্রেনের দিকে তাকাচ্ছে। এসি ফার্স্ট ক্লাসের জানালার কাচে নাক ঠেকিয়ে ভেতরে কে আছে দেখার চেষ্টা করছে।

    মোটা কাচের জানালার ওপারে স্টেশনের নামটা পড়ার চেষ্টা করল রজত। বাইরে প্ল্যাটফর্মের হালকা আলোয় স্টেশনের নামের আধখানা দেখে আন্দাজ করল—টাটানগর। মাঝরাত্রি পেরিয়ে গেছে। খানিকক্ষণ দাঁড়াবে এখানে ট্রেনটা। বোধহয় খাবার তোলা হচ্ছে।

    হাওড়া থেকে ট্রেনে ওঠার সময় ও একাই ছিল কেবিনে। কিন্তু এখন আর ও একা নয়। মাঝে কোনও স্টেশনে কেউ একজন উঠেছে। কোনও একজন বলাই ভালো, কারণ তার আর অন্য কোনও পরিচয় পাওয়ার উপায় নেই। উলটো দিকে মুখ করে শুয়ে আছে! পায়ের দিকে শুধু একটা পুরোনো দিনের ভারী সুটকেস। এসি ফার্স্ট ক্লাসের সঙ্গে একেবারেই মানানসই নয়। কাঁধ অবধি কম্বল টেনে দিব্যি নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে।

    ট্রেনে ওঠার পরপরই খেতে দিয়েছিল। খাবার প্লেটটা এখনও পড়ে আছে। ওটাকে সিটের নীচে ভেতর দিকে ঠেলে দিয়ে লেখার খাতাটা বার করল রজত। মাথার কাছের আলোটা জ্বেলে দিল। বাকি কেবিনের অন্ধকার আরও খানিকটা বাড়িয়ে দিয়ে সাদা আলো ওর সিটের ঠিক মাথার কাছে ছড়িয়ে পড়ল। অনেকক্ষণ ঘুম হয়ে গেছে। এখন ঘুম একবার যখন ভেঙেছে, চট করে আর আসবে না। তাই দিব্যি খানিকক্ষণ নিশ্চিন্তে গল্প লেখা যাবে।

    ইদানীং দু’একটা ম্যাগাজিনে লেখা বেরোচ্ছে রজতের। ওর প্রফেশনটা যদিও আলাদা। সিএ পাস করে একটা মাঝারি মানের কোম্পানিতে চাকরি করে ও। লেখাটা মূলত ওর নেশা। তাই সময় পেলেই কাগজ পেন নিয়ে বসে যায়। সবে লিখতে শুরু করবে এমন সময় বাধা এল।

    কেবিনের দরজা খুলে এক প্রকাণ্ড চেহারার ভদ্রলোক প্রবেশ করলেন। ছ’ফুটের ওপর হাইট। ডান গালে জড়ুল। ফরসা। ধ্যাবড়া নাকের উপর একটা রিমলেস চশমা। চোখের নীচের অংশ বসা। মাথা ভরতি পাকা চুল। বয়স ষাটের কাছাকাছি হবে। বেশিও হতে পারে। অ্যাথলেটিক মেদহীন চেহারা। জামাকাপড় দেখেই বোঝা যায় বেশ অবস্থাপন্ন। ভদ্রলোককে দেখেই খুব চেনা মনে হল রজতের। কেন ঠিক খেয়াল করতে পারল না।

    দুটো ব্যাগ কুলিকে বাংকের নীচে ঢুকিয়ে রাখতে বলে রজতের উলটো দিকে এসে বসলেন। উপরের বাংকের ভদ্রলোকের দিকে ইঙ্গিত করে বললেন, ‘একসঙ্গে?’

    —না, ওনাকে আমি চিনি না।

    —গুড, এক কেবিনে তিনজন—কেউ কাউকে চিনি না। ভালো, আমার নাম আশিস মাইতি, তা তোমার নাম কী? কী করো?

    —আমি রজত। সবে চার্টার্ড পাস করে চাকরিতে ঢুকেছি।

    —তা, অফিসের কাজে?

    —না, এমনিই বেরিয়ে পড়লাম। এখন সোজা পুনে। সেখান থেকে গোয়া। সাত দিনের ট্রিপ।

    —বলো কী! একা! তোমার বয়সে একা একা ট্রিপ? তা বন্ধুবান্ধব কেউ নেই?

    মাথা নেড়ে মুচকি হাসল রজত। জানে সবারই এটা খুব অদ্ভুত লাগবে। ওর মতো বয়সি একজনের একা একা ঘোরাটা। আসলে ছোটোবেলা থেকেই রজত খুব একা একা থাকত। এখন সেটা অভ্যেসে দাঁড়িয়ে গেছে। বাবা খুব কম বয়সে মারা যান। তারপর থেকে মামাবাড়িতে মানুষ। বড়োমামার খুব শাসন ছিল। বাড়ির বাইরে কারও সঙ্গে মেলামেশা একদম পছন্দ করতেন না। মা’ও বাবার হঠাৎ মৃত্যুতে এত আঘাত পেয়েছিলেন যে কখনওই বাড়ির বাইরে বেরোতেন না। সবরকম আনন্দ-উৎসব এড়িয়ে চলতেন। আর তারই ছায়া এসে পড়েছিল রজতের উপরেও।

    আশিসবাবু মানিব্যাগ থেকে বিজনেস কার্ডটা বার করে রজতের দিকে এগিয়ে দিলেন, ‘পুরোনো বিজনেস কার্ড। তিন মাস হল রিটায়ার করেছি। বায়োমেডের নাম শুনেছ?’

    —হ্যাঁ, তা শুনব না! ভারতের এক নম্বর ওষুধ তৈরির কোম্পানি। আর তা ছাড়া…

    —’ম্যানেজিং ডিরেক্টর ছিলাম’—রজতকে কথাটা সম্পূর্ণ করতে না দিয়েই আশিসবাবু বলে উঠলেন। বলে একটু গর্বের হাসি হাসলেন।

    —চার-চারটে বছর। একসময় বায়োমেডকে কেউ চিনত না। আমার জন্যই—এই আশিস মাইতির জন্যই বায়োমেডকে এখন সারা পৃথিবী চেনে।—বলে কোটের পকেট থেকে একটা কাঠের বাক্স হাতে নিয়ে একটা চুরুট বার করলেন।

    —লাইটার আছে?—একটু থেমে বলে উঠলেন আশিসবাবু।

    —নাহ, আমি স্মোক করি না।

    —আমার লাইটারটা ওই ডান দিকের লেদারের ব্যাগটার সাইড পকেটে আছে। বের করে দাও তো—বেশ অর্ডারের ভঙ্গিতে বললেন আশিসবাবু।

    রজতের হাত থেকে লাইটারটা নিয়ে চুরুট জ্বালিয়ে একটা তৃপ্তির টান দিয়ে উপরের বাংকের দিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন—’লোকটা মরার মতো ঘুম লাগিয়েছে দেখছি। আর সঙ্গে আবার মান্ধাতা আমলের ব্যাগ। কোনও সেন্স নেই। আমার অফিসে ঠিক এইরকম একটা ব্যাগ নিয়ে কে একজন আসত—ঠিক খেয়াল হচ্ছে না। তা যাকগে, বায়োমেডের কোনও ওষুধের নাম জানো?

    —অ্যাসিবিওন। মাথাব্যথার ওষুধ।

    —বাহ, জানো তাহলে, খুব হিট প্রাোডাক্ট। আমার রিসার্চ টিমই করেছিল। সে প্রায় পঁচিশ বছর আগের কথা।

    —আমার বাবাও বায়োমেডে কাজ করতেন। অনেকদিন আগে।

    —’তাই!’—একটু অবাক হলেন—’কী নাম ওনার?’

    —রঞ্জন চ্যাটার্জি। রিসার্চ সায়েন্টিস্ট ছিলেন।

    কেবিনের আবছা আলোতে মনে হল আশিসবাবু যেন একটু চমকে উঠলেন—’রঞ্জন!’

    —আপনি বাবাকে চিনতেন? উনি আপনাদের গুরগাঁও অফিসে কাজ করতেন।

    একটু গলা খাঁকরে চুরুটের ছাইটা নীচের কার্পেটের উপর ফেলে টান হয়ে উঠে দাঁড়ালেন আশিসবাবু।

    —নাহ বড় কোম্পানি তো। অনেক এমপ্লয়ি ছিল। সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট হলে চিনতে পারতাম। আমার তো সব সিনিয়র লোকদের সঙ্গেই কাজ ছিল। যাই, চুরুটটা বাইরে গিয়ে শেষ করি। ভিতরে ধোঁয়া ধোঁয়া হয়ে যাচ্ছে। আবার কখন স্মোক অ্যালার্ম বেজে উঠবে। অবশ্য সবই টাকা দিয়ে ম্যানেজ করা যায়। বুঝলে ইয়ং ম্যান! কোনও নিয়মের তোয়াক্কা আশিস মাইতি করে না।

    আশিসবাবু কেবিনের দরজা খুলে বাইরে বেরিয়ে গেলেন। সত্যি বলতে কী—এত সিনিয়র লোক, অথচ ভদ্রতার অভাব। কেবিনে যে আরও দুজন আছে, তাতে কোনও ভ্রূক্ষেপ না করে দিব্যি চুরুট খাচ্ছিলেন!

    অবশ্য তাতে কেবিনের অন্যজনের কোনও অসুবিধা হয়েছে বলে মনে হয় না। অন্য দিকে মুখ করে এখনও দিব্যি ঘুমিয়ে যাচ্ছে। আশিসবাবুকে যে কেন এত চেনা লাগছিল মনে করার চেষ্টা করল রজত। এত চেনা মুখ। ভাবতে ভাবতে হঠাৎ মনে পড়ল কেন এত চেনা লাগছে। হ্যাঁ, এগজ্যাক্টলি। পরিষ্কার মনে পড়ে গেছে। কয়েক মাস আগে ‘জয়ন্তী’ পত্রিকায় যে গল্পটা লিখেছিল, তার সঙ্গে ছবিটা রজতই এঁকেছিল। সেই ছবিতে গল্পের প্রধান অপরাধী আগরওয়ালের যে ছবি ছিল, তার সঙ্গে আশিসবাবুর প্রচণ্ড মিল। কিন্তু আশিসবাবুকে তো রজত আগে কখনও দেখেনি—তাহলে ওই ছবিটা আশিসবাবুর হল কী করে? এতটা মিল আপনা থেকে! রজত আরেকটু ভাবার চেষ্টা করল। ঠিক একইরকম—ডান গালে জড়ুল। ধ্যাবড়া নাক। চোখে রিমলেস চশমার মধ্যে দিয়ে একইরকম শ্যেনদৃষ্টি। ছবিতে লোকটার বয়স অবশ্য কম ছিল।

    আচ্ছা, একেই কি ঘুরেফিরে সেই ভয়ের স্বপ্নটাতে দেখত রজত! ছোটোবেলা থেকে যে স্বপ্নটা বারবার ঘুরেফিরে আসত। এখনও যে দু:স্বপ্ন দেখে ভয়ে মাঝেমধ্যে জেগে ওঠে রজত! সেরকমই কি দেখতে এই লোকটাকে? ঠিক তাই। স্বপ্নে যার চেহারা দেখতে পায়, তারও ডান গালে জড়ুল। চোখের নীচটা ঠিক একইরকম বসা। ধ্যাবড়া নাক। কী অদ্ভুত কাণ্ড!

    কেবিনের দরজাটা আবার খুলে গেল, আশিসবাবু ঢুকলেন। দরজা বন্ধ করে নিজের সিটে এসে বসলেন। মিনিটখানেক চুপচাপ। তারপর বলে উঠলেন,—হ্যাঁ, এখন মনে হচ্ছে রঞ্জনের নামটা শুনেছি। হঠাৎ হার্ট অ্যাটাকে মারা যান, তাই না?

    —হ্যাঁ, আমি তখন খুব ছোটো। বছর দুয়েক বয়স, বাবার সঙ্গে পার্কে গিয়েছিলাম। আমি খেলছিলাম। বাবা পার্কের বেঞ্চে বসেছিলেন। ওখানেই র্হাট অ্যাটাকে মারা যান। আমি নাকি বাবাকে বারবার করে ডাকছিলাম। বাবা সাড়া দিচ্ছিলেন না। তাই দেখে আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসে। বাবাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখানে জানানো হয় বাবা মারা গেছেন। আমার অবশ্য কিছুই মনে নেই।

    —কিচ্ছু মনে নেই? কী হয়েছিল হঠাৎ করে? বাবা কি সাহায্য চেয়েছিলেন?

    —না, আমার কিছুই মনে নেই। বাবার চেহারাটাও আমার মনে পড়ে না। বাবার সব স্মৃতি হল এখন বাবার ছবি। তাই তো সবসময় সঙ্গে বাবার ছবি রাখি। এই যে—বলে মানিব্যাগে রাখা ছবিটা তুলে ধরে রজত।

    —দেখি—বলে মানিব্যাগটা হাতে ধরে খানিকক্ষণ তাকিয়ে রইলেন আশিসবাবু—নাহ, চেহারাটা ঠিক খেয়াল হচ্ছে না।

    একটু দ্বিধা করে কথাটা বলেই ফেলল রজত—আপনাকে আমার শুরু থেকেই খুব চেনা মনে হচ্ছিল। আমার একটা গল্পে আমার আঁকা একটা ছবি ছিল সঙ্গে থাকলে দেখাতাম। ছবিটা হুবহু আপনার মতো।

    —’সে কী!’ নড়েচড়ে বসলেন আশিসবাবু—’খবরের কাগজে আমার ছবি দেখেছ নাকি?’

    —’না, আমিও তাই ভাবছিলাম। আপনাকে তো আগে কখনও দেখিনি। ছবিটা ঠিক আপনার মতো হল কী করে! পরে মনে হল আমি একটা স্বপ্ন ছোটোবেলায় খুব দেখতাম। এখনও মাঝেমধ্যে দেখি। স্বপ্নটা এরকম—একটা লোক বেঞ্চে বসে আছে। হঠাৎ দুজন লোক তার দিকে এগিয়ে এল। একজন—তাকে দেখতে ঠিক আপনার মতো, সে বেঞ্চে বসা লোকটার সঙ্গে কী সব কথা বলল। এর মধ্যে হঠাৎ করে সঙ্গের অন্য লোকটা পিছন থেকে বেঞ্চে বসা লোকটার মুখে রুমাল চেপে ধরল।

    —তার—তারপর?

    —বাকিটা একেকবার একেকরকম দেখি।

    —আমার মতো দেখতে লোকটা কী করল?—আশিসবাবু উদগ্রীব হয়ে বলে উঠলেন।

    —সেটা ঠিক বুঝতে পারি না। কী একটা জিনিস দিয়ে যেন বেঞ্চে বসা লোকটার হাতটা চেপে ধরল।

    —হা: হা:, তাহলে তোমার স্বপ্নে আমি ভিলেন—কী বলো?

    —এ স্বপ্নটা ছোটোবেলায় খুব দেখতাম, এখন কম দেখি। কিন্তু এত স্পষ্ট, মাঝেমধ্যে মনে হয় স্বপ্ন নয়—সত্যি।

    —স্বপ্ন এত বিচিত্র হয়, তবে ওসবের কোনও মাথামুণ্ডু থাকে না। যে ভালো লোক, তাকে স্বপ্নে হয়তো খারাপ দেখি। যত হাবিজাবি। বকোয়াস।

    একটু থেমে আশিসবাবু ফের বলে উঠলেন—এসব নিয়ে একদম ভাববে না। এমন ঘুমিয়ে নয়—জেগে স্বপ্ন দেখবে। আমার মতো। তা না হলে বড়ো হওয়া যায় না। উহ, আজকে এত মাথা ধরেছে না! কোনও ওষুধও আনিনি সঙ্গে। আছে তোমার কাছে কোনও ওষুধ?

    —আপনার কোম্পানিরই ওষুধ আছে। অ্যাসিবিওন। নেবেন? ওটাতে তো আমার বেশ কাজ দেয়।

    —না, না, অ্যাসিবিওন আমার সুট করে না—দরকার নেই। চুপ করে শুলে আপনা থেকেই মাথাব্যথা ছেড়ে যাবে।—বলে আশিসবাবু চাদর-কম্বল পেতে শোবার ব্যবস্থা করতে থাকেন।

    হঠাৎ কে যেন ধমকে উঠল—মিথ্যে কথা আশিস! সত্যি কথাটা বলব? অ্যাসিবিওন খেলে কী হয় তা তুমি জানো।

    চমকে উঠল রজত। উপরের বাংকের লোকটা উঠে বসেছে। আবছা আলোতে মুখ না দেখা গেলেও গলার আওয়াজ ওদিক থেকেই আসছে। রজতের উপরের বাংকে, তাই আশিসবাবুর মুখোমুখি।

    ধমক খেয়ে আশিসবাবুর মুখটা ছাই-ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। কোনওরকমে সিটে পাতা সাদা চাদরের প্রান্ত দু’হাত দিয়ে চেপে ধরে বসে আছেন। কেমন যেন গুটিয়ে গেছেন ভয়ে।

    —ফেজ ফোর ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল, অ্যাসিবিওন ড্রাগ বাজারে ছাড়ার আগে তার উপর পরীক্ষানিরীক্ষা চলছে। আগের টেস্টগুলো পাস করে গেছে অ্যাসিবিওন। ফেজ ফোরটা পেরোলেই বাজারে ওই ওষুধ। আমার পথ প্রশস্ত হয়ে যাবে। ফেজ ফোরে দেখা হয় পেশেন্টদের উপর ওষুধের লং টার্ম এফেক্ট। অর্থাৎ ওষুধ খাওয়ার দু-তিন বছরের মধ্যে পেশেন্টের কী হয়! ঠিক এই সময় দেখা গেল পঞ্চাশ বছর বয়সের বেশি কেউ ওই ওষুধ খেলে তার ক্যানসার হচ্ছে। যে পাঁচজন টেস্ট সাবজেক্টের বয়স পঞ্চাশের বেশি, তাদের প্রত্যেকেরই ক্যানসার হয়েছে দু’বছরের মধ্যে। অর্থাৎ ওই ওষুধ বাজারে আনা যাবে না। ঠিক কি না আশিস! আর তাই ঠিক সে কারণেই তুমি নিজে ওই ওষুধ খাও না! ঠিক কিনা!

    উপর থেকে গম্ভীর গলা ফের ধমকে বলে উঠল—আমি ছিলাম ওই ওষুধের রিসার্চ সায়েন্টিস্ট। তোমার টিমে। তোমরা ওই তথ্য লুকিয়ে ওষুধটা তবুও বার করতে চাইলে। কোটি টাকার উপরে ওষুধ তৈরিতে খরচ হয়ে গেছে। বাধা হয়েছিলাম আমি। কোনওরকম কম্প্রোমাইজ করতে চাইনি। তাই আমাকে সরিয়ে দিলে। ছেলেকে পার্কে বেড়াতে নিয়ে গেছি, তখন প্ল্যান করে খুন করলে। ইঞ্জেকশন দিয়ে। একবারও ভাবলে না ছোটো ছেলেটার কথা। নেহাত ও দূরে খেলছিল, টের পাওনি। তা না হলে হয়তো ওকেও মারতে—তাই না?

    আশিসবাবু নড়ছেন না, পাথরের মতো বসে আছেন। অন্ধকারে ফের ওই একই গলায় শোনা গেল—’নাও, আমার ছেলের হাত থেকে অ্যাসিবিওন খেয়ে নাও—খেতে তোমাকে হবেই। কী? ক্যানসারের এত ভয়? এতদিনে যে লক্ষ লোক মারা গেছে এ ওষুধ খেয়ে। তারা জানেও না এর আসল কারণ। তোমাদের এত পপুলার প্রাোডাক্ট, নিজে খাবে না!’

    আবার অট্টহাসি হেসে উঠল বাংকের উপরের যাত্রী—নাহ, আর দরকার নেই দেখছি। আমার হার্ট অ্যাটাক বলে কেস সাজিয়েছিলে তুমি, তোমার ক্ষেত্রে ওরকম কেস সাজানোর দরকার নেই দেখছি। সত্যিকারের হার্ট অ্যাটাক।

    কথাটা থেমে গেল। বাইরে ট্রেনের ঝিকঝিক আওয়াজটা যেন বেড়ে গেছে। দূরে আলোগুলো দুরন্ত বেগে উলটো দিকে ছুটে যাচ্ছে গাছগাছালি সঙ্গে নিয়ে। মেঘের সঙ্গে লুকোচুরি খেলতে থাকা চাঁদের আলোছায়া হাত বাড়িয়েছে কামরাতেও। বাইরে সার দেওয়া গাছগুলোর ছায়া ছায়া অবয়ব যেন আড়চোখে এ কামরার দিকেই তাকিয়ে আছে।

    যা হয় হবে! সমস্ত সাহসে ভর করে উঠে দাঁড়াল রজত। উপরের বাংকে আর কেউ নেই। শুধু সামনের নীচের বাংকে পড়ে আছে আশিসবাবুর নিথর দেহ। আর তার পাশে একটা পুরোনো ফাইল—’অ্যাসিবিওন প্রজেক্ট রিপোর্ট।’

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleহাউ টু টক টু এ্যানিওয়ান – লেইল লোনডেস
    Next Article বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Our Picks

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026

    আফ্রিকার লোকগল্প – অশোককুমার মিত্র

    April 23, 2026

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }