Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    প্রীতম বসু এক পাতা গল্প123 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – ৫

    ।। পাঁচ।।

    ৭ আগস্ট, ২০১১

    আহিরীটোলায় একটু আগে আগেই পৌঁছে গেল নমিতা। অনেক বছর পর এল এই এলাকায়। গঙ্গার গা ঘেঁষা রাস্তার ধারে একটু ফাঁকা দেখে গাড়িটা পার্ক করল। রাস্তাটা সরু না, কিন্তু ঘিঞ্জি। গিজগিজ করছে ভিখারি, ঘাট-কাজে আসা মৃত মানুষের নিকটবর্তী আত্মীয়স্বজন, পুরোহিতরা এদিক-ওদিক চলে ফিরে বেড়াচ্ছে, নাপিতরা ক্ষৌরি করছে, মাথা মুণ্ডনের পর চুলের দলা পাশে পড়ে রয়েছে। এ জায়গাটাতে খুবই অস্বস্তি লাগে নমিতার। রাস্তার ধারে ধারে ভিখারির দল বসে গেছে কলাই করা বাসন নিয়ে, পুণ্যার্থীরা ওদের থালায় থালায় ভোগপ্রসাদ, সুজি, লাড্ডু, ফল, খুচরো পয়সা এসব দিতে দিতে এগিয়ে চলেছে। প্রসাদ শেষ হয়ে গেলে যে পাচ্ছে না সে দাতার পিছনে গিয়ে ঘ্যান ঘ্যান করছে। নমিতার পাগল পাগল লাগছিল।

    নমিতা নদীর দিকে এগিয়ে গেল। ঘাটের চওড়া সিঁড়ির ধাপের জায়গায় জায়গায় ফাটা। নদীতে এখন ভাটা, তাই পাড়ে কাদা মেখে ছড়িয়ে রয়েছে ব্যবহৃত ফুলের মালা, ধুপকাঠির বাক্স, কলাপাতায় মাখা চাল-তিলের পিণ্ড, ভাঙা হাঁড়ি-পাতিল, এক কোণে ডাই করা ফেলে রাখা ছাড়া অশৌচের সাদা থান। কুকুর চালের পিও শুঁকছে। নমিতা ঘড়ি দেখল, এখনো ওকে পনেরো মিনিট কাটাতে হবে।

    রাস্তা এগিয়ে লেভেল ক্রসিং পার হয়ে ওপাশে চলে গেছে। ওদিকে ভীড় অপেক্ষাকৃত কম, নমিতা লেভেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় দেখল রেল লাইনের দু’পাশে সারি সারি বস্তি। খুপরির মতো ছোট ছোট চালাঘর। কারোর মাথায় নীল প্লাস্টিকের চাদরের ছাদ, কারোর ছাদে তেরপল। রেল লাইনের ফিশপ্লেটের ওপর বসে বসে কোনো মা তার মেয়ের উকুন বেছে দিচ্ছে। কেউ বা লাইনের ফিশপ্লেটের ওপর বসে নিম দাঁতন করছে। এখান দিয়ে ট্রেন যায় কীভাবে? নমিতা ভাবতে ভাবতে অন্যদিকে তাকাল। সেদিকে একটা প্ল্যাটফর্ম। প্ল্যাটফর্মের লাগোয়া রেললাইনে কাগজের প্লেট, কাগজের চায়ের কাপ, পলিথিনের ফাটা প্যাকেট ইতস্তত ছড়িয়ে রয়েছে। রেললাইনের ওপাশে লাল ইটের একটা পুরোনো বিল্ডিং, তার নীচে নুড়ি পাথরের ওপর ভেরেণ্ডা গাছ বাড়ছে। স্টেশনের নাম পড়ল নমিতা—শোভাবাজার আহিরীটোলা। প্ল্যাটফর্মে শেডের নীচে লম্বা লোহার বেঞ্চে কিছু যাত্রী বসে অপেক্ষা করছে ট্রেনের। প্ল্যাটফর্মে দেওয়ালের গায়ে মেঝেতে বসে গোটা দশেক অল্পবয়সী ভিখারি মেয়ে। তাদের সামনে একটা লোহার ট্রাঙ্ক রাখা, ট্রাঙ্কের ওপর বসে একজন মহিলা। তার পরনে ময়লা শাড়ি। মহিলার মুখ পাশ থেকে দেখা যাচ্ছে।

    ‘আপনি কতক্ষণ?’ পিছন থেকে অ্যাডভোকেট মাধবী বসাকের গলা। ‘একটু আগেই এসেছি।’

    ‘গগনের সঙ্গে ফোনে কথা হল। ওর আসতে একটু দেরি হবে বলল, ‘ মিস বসাকের মুখে বিরক্তি। ‘এসব লোকের টাইমের কোনো গ্যারান্টি নেই। আমি নার্সিংহোমে আরো কিছুক্ষণ থাকতে পারতাম।’

    ‘কেমন আছে মেয়ে?’

    ‘বেটার, মিস বসাক বললেন। ‘আজ রুমে দিয়ে দেবে। কাছে যেতে সাহস হল না। তবু খবরটা যে পেলাম এতেই নিশ্চিন্ত। সব মায়ের তো আর সমান ভাগ্য হয় না! বইটা পড়লেন?’

    লজ্জা পেল নমিতা। ‘কাল এত মাথা ধরেছিল যে বইটা খোলা হয়নি। আজ পড়ে ফেলব।’ তারপর কথা ঘোরাতে নমিতা বলল, ‘ওদিকটা দেখছেন, নমিতা প্ল্যাটফর্মের দিকে দেখাল।

    ‘প্ল্যাটফর্মে স্কুল!’ মিস বসাক বললেন।

    ‘পথশিশুদের পড়াশোনা শেখাবার এরকম চেষ্টা অনেক জায়গায় চলছে,’ নমিতা বলল। ‘চলুন একবার কাছে যাবেন নাকি? দেখে আসি?’

    ‘পথশিশু!’ মিস বসাক বললেন। ‘আচ্ছা বুঝেছি। হাতে সময় আছে। চলুন ওদিকেই যাই। এদিকটা এত নোংরা, গা ঘিনঘিন করছে। বাপরে এত ভিখারি!’

    দু’জনে পায়ে পায়ে পড়ুয়া ভিখারিদের কাছে এসে উপস্থিত হল। দিদিমণির সঙ্গে সঙ্গে বাচ্চারা সুর করে করে নামতা জাতীয় কিছু বলছিল। ওরা কাছে যেতেই বাচ্চারা নামা বলা বন্ধ করে দিল। এবার মহিলার মুখ দেখতে পেল নমিতা। শীর্ণ শরীর, মাথার চুলে অল্প পাক ধরেছে, কিন্তু চোখ দুটো জ্বলজ্বলে। মহিলা নমিতার বয়সী হবে, কিন্তু অপুষ্টিতে বয়স বেশি মনে হচ্ছে। নমিতারা একদম কাছে এসে উপস্থিত হতেই সেই মহিলা ট্রাঙ্কের ওপর বসে বসেই মাথা তুলে বিরক্ত দৃষ্টিতে তাকাল।

    ‘বিদ্যাদি!’

    নমিতার মুখ থেকে অজান্তেই শব্দটা বেরিয়ে এল।

    মহিলা এক মুহূর্ত থমকে গেল। নমিতার দিকে বিরক্তির চাহনি ছুঁড়ে বলল, ‘একটু ব্যস্ত আছি।’ মহিলা দৃষ্টি সরিয়ে পড়ুয়াদের দিকে তাকাল।

    নমিতা তাড়াতাড়ি অ্যাডভোকেট বসাককে টেনে সরিয়ে নিয়ে গেল।

    ‘খুব রুড তো! আপনি চেনেন ওঁকে?’ মিস বসাক পিছন ফিরে পাঠশালার দিকে তাকালেন।

    চিনি মানে! বিদ্যাধরী দাস! প্রেসিডেন্সি কলেজ কাঁপাতেন এক সময়! অসম্ভব জিনিয়াস! ওঁর আজ এই অবস্থা!’

    ‘কী বলছেন!’ অ্যাডভোকেট বসাক অবাক। মিস বসাকের সেলফোন ঝমঝম করে উঠল। ফোনটা বের করে অ্যাডভোকেটের চোখে খুশি। ‘গগনের ফোন,’ ফোনটা কানে ঠেকাতে ঠেকাতে ইশারায় ফিসফিস করে বললেন, ‘চলুন এখান থেকে।’

    ‘মিস বসাক, ড. পৃথুযশ ভৌমিককে যদি কেউ হারাবার ক্ষমতা রাখে সে হল ইনি। বিদ্যাদি। বিদ্যাধরী দাস।’

    ‘হোয়াট!’ অ্যাডভোকেট বসাক ফোনের স্পিকার তালুতে চেপে দাঁড়িয়ে গেলেন। তারপর গগনকে তাড়াহুড়ো করে বললেন, ‘গগন, আমরা শোভাবাজার প্ল্যাটফর্মে আছি। আপনি কি এখানে আসতে পারবেন? ওকে গুড গুড। আসুন।’ তারপর ফোনটা পকেটে রেখে বিস্ময়ে কণ্ঠস্বর নীচু করে বললেন, ‘ড. স্যান্যাল, কী বলছেন আপনি? এই ভিখারিদের দিদিমণি!’ অ্যাডভোকেটের বিস্মিত দৃষ্টি। ‘কোথায় ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, আর কোথায় এই বস্তির ভিখারিদের স্কুলের টিচার? আপনি শিওর?’

    ‘বিদ্যাদি আর পৃথুযশ ভৌমিক এক ব্যাচের। বিএ আর এমএ-তে পৃথুযশ সেকেন্ড হয়েছিল, বিদ্যাদি দু’বারই ফার্স্ট। এত জিনিয়াস স্টুডেন্ট ছিল এই বিদ্যাদি। স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ডিবেটে বিদ্যাদি পৃথুযশ ভৌমিককে নাস্তানাবুদ করে ছেড়েছিল।’

    ‘হোলি শি—’ বিস্ময়ে মিস বসাকের মুখ থেকে শব্দটা বেরোল না। ‘আপনার কোনো ভুল হচ্ছে না তো?’

    ‘ভুল!’ নমিতার বুকের মধ্যে অনুশোচনার দগদগে ঘা-টা আবার জেগে উঠল। চোখের সামনে এখনও বত্রিশ বছর আগের সেই সকালটা টাটকা স্মৃতি হয়ে জ্বলজ্বল করছে—’

    ***

    বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির কলেজ স্ট্রিট ক্যাম্পাসের দ্বারভাঙ্গা হলে আজ টানটান উত্তেজনা। গিজগিজ করছে হল। স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ডিবেট। বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির সবচেয়ে এলিট কম্পিটিশন। এই হলে এই ডিবেট প্রতি বছরই হয়, কিন্তু আজ যে দু’জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে তারা একপ্রকার সেলিব্রিটি। বিদ্যাধরী দাস বনাম পৃথুযশ ভৌমিক। প্রথম জন বিএ, এমএ-তে প্রথম। বেঙ্গল ইউনিভার্সিটিতে বন্ধুরা আদর করে ওকে সুকুমারী বলে। বিদ্যাধরী যদি সুকুমারী ভট্টাচার্য হয় তবে পৃথুযশ হল সুকুমার সেনের যোগ্য উত্তরসূরি। একদম লিভিং এনসাইক্লোপিডিয়া। মাত্র কয়েক নম্বরের জন্য ইউনিভার্সিটির পরীক্ষায় বিদ্যাধরীকে ছুঁতে পারেনি। দু’জনের মধ্যে একটা ঠাণ্ডা লড়াই চলে এটা গোটা ইউনিভার্সিটি জানে। আজকের ডিবেটের বিষয় হল এক অনবদ্য কঠিন টপিক—খনা লোককথা না বাস্তব। বিদ্যাধরী বাস্তবের পক্ষে আর পৃথুযশ লোককথা।

    দ্বারভাঙা হলে শতাধিক চেয়ারের অর্ধেক দখল করে বসে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসররা। আজকের ডিবেটের বিচারক দু’জন স্বনামধন্য আমেরিকান ইন্ডোলজিস্ট ড. হেনরি গ্যালাগার এবং বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির বাংলা বিভাগের প্রধান ড. প্রমথেশ বক্সী।

    স্বাভাবিকভাবেই ছাত্র-ছাত্রীদের সকলের বসার আসন মেলেনি। তারা দেওয়ালের গায়ে বিশাল বিশাল অয়েল পেইন্টিংগুলির সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছে ডিবেট শুরু হওয়ার। নমিতারও চেয়ারে স্থান মেলেনি। সে দাঁড়িয়ে আছে দেওয়াল ঘেঁষে প্রেমচাঁদ রায়চাঁদের বিশাল তৈলচিত্রের সামনে। মনে মনে সে বিদ্যাদির টিমে। পৃথুযশকে নমিতা ইন্টার ইউনিভার্সিটি ডিবেটে দেখেছে। ছেলেটা জ্ঞানের ভাণ্ডার, অদম্য কনফিডেন্স, ডিবেটে ড্রামাকিং হয়ে মাথা ঘুরিয়ে দেয় বিচারকদের, প্রচুর হোমওয়ার্ক করে আসে। বিদ্যাদি হলে ঢুকেছে একটু আগে। প্রতি পদক্ষেপে আত্মবিশ্বাস ঝরে পড়ছে। গট গট করে হেঁটে এল। নমিতা জানে যে যথেষ্ট তৈরি বিদ্যাদিও। নার্সিসিস্টটার মাথা খারাপ করে দেবে। জ্যোতিষ মানে না নমিতা, কিন্তু এটা ভালো লাগছিল যে নিজে একজন মেয়ে হয়ে খনা নামে একটা অত্যাচারিত মেয়ের পক্ষ নিয়ে লড়াই করতে এসেছে বিদ্যাদি।

    শুরু হল ডিবেট। পৃথু্যুশের ডিবেটের স্টাইলের সঙ্গে খুবই পরিচিত নমিতা। অ্যাগ্রেসিভ বক্সারদের মতো রিং-য়ে ঢুকেই পেটাতে শুরু করে। শুরুতেই একদম নক আউট করে দেবার প্রচেষ্টা। আজও পৃথুযশ শুরু করল আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে—‘খনা যদি বরাহমিহিরের পুত্রবধূ হয় তাহলে প্রশ্ন আসে যে খনার বচনগুলো এত আধুনিক বাংলা ভাষায় কীভাবে লেখা হল? বরাহমিহির ছিলেন ৫০৫ খ্রিস্টাব্দে, তখন তো বাংলা ভাষার জন্মই হয়নি। অথচ খনা পড়লে মনে হয় যেন এই সেদিন লেখা হয়েছে। আসলে খনা বলে কেউ ছিল না। খনার নাম করে বাঙালি হাতুড়ে কবি বা জ্যোতিষীরা খনার বচন লিখে গেছেন। আর আমরা সেই সব বচনের লেখিকা হিসেবে এক কাল্পনিক খনার নাম নিই। ‘ যুক্তির একের পর এক পাহাড় প্রমাণ ঢেউ এনে পৃথুযশ বলে চলল ‘একটা প্রমাণ আমি দেখাই। খনার বচনে আছে—’

    তামাক বুনে গুঁড়িয়ে মাটী।
    বীজ পোঁত গুটি গুটি।
    ঘন ঘন পুত না।
    পোষের অধিক রেখো না।

    খনার বচনে তামাক! হরপ্রসাদ শাস্ত্রী মহাশয়ের মতো পণ্ডিতের চোখেও এটা বিসদৃশ লেগেছে। উনি বলেছেন এই তামাক তো ভারতে বেশি দিন আসেনি। সত্যি, রামায়ণে বা মহাভারতে আমরা পাইনি যে বৃদ্ধ দশরথ বা পিতামহ ভীষ্ম তামাকের গড়গড়া টানছে। বুদ্ধের সময়ও তামাক ছিলই না। যতদূর জানা যায় যে তামাকে এসেছিল ভারতে আকবরের রাজত্বের শেষ দিকে। পর্তুগিজরা আকবরকে তামাকের গড়গড়া উপহার দিয়ে বলেছিল- জাঁহাপনা, একবার এর মৌতাত উপভোগ করুন। আকবর গড়গড়াতে টান দিতে যাবেন, তখন ওঁর হাকিম এসে নিষেধ করে বলেছিল—জাঁহাপনা, নিষিদ্ধ বস্তু খাবেন না। তারপর জাহাঙ্গীরের সময় তো জাহাঙ্গীর আইন করে তামাক খাওয়া নিষেধ করে দিয়েছিলেন। জাহাঙ্গীরের পরে আবার তামাক চাষ শুরু হয়। তাহলে খনা তামাক চাষ সম্বন্ধে এত কিছু জানলেন কীভাবে? আকবর জন্মেছেন ১৫৪২ খ্রিষ্টাব্দে, জাহাঙ্গীর ১৫৬৯ খ্রিস্টাব্দে, অতএব খনা মোটেই গুপ্তযুগের মানে ৫০০ খ্রিস্টাব্দের সময়কার মেয়ে হবেই না।’ তারপর পৃথু্যুশ একের পর এক ধারালো যুক্তি আনতে থাকল। অবশেষে বলল, ‘প্রাচীনকালের প্রচুর মানুষ এই বচনের ঝুলিতে নিজের পদ্য খনার নামে লিখে গেছে। অতএব প্রাথমিক ভাবে এটাই প্রমাণিত হয় যে খনা নামে কেউ বরাহমিহিরের সময়ে ছিল না। আর খনা যে বিদুষী ছিলেন তার প্রমাণ আমরা সেভাবে পাই না। কতদূরে কলাগাছ পুঁতবে, কিংবা মঙ্গলের ঊষা বুধে পা, যথা ইচ্ছা তথা যা এসব কুসংস্কারাচ্ছন্ন বচন শুনেই কাউকে বিদুষী বলা যায় কি?’

    পৃথুযশ প্রসন্ন মুখে আসন গ্রহণ করল। মুখের অভিব্যক্তি যেন নিঃশব্দে বলছে—আগে এটা সামলাক, তারপর পরের ডোজ দেবে।

    কিন্তু পৃথুযশ ভৌমিকের ধারণাই ছিল না বিদ্যাধরী দাসের প্রস্তুতি কী সাংঘাতিক রকম সুপার ক্লাসের—

    ***

    মিস বসাকের ফোনটা বাজল। ‘হ্যাঁ গগন, আপনি এসে গেছেন? আমি রেল লাইনের পাশে একটা সাদা সুজুকি গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে, তার পাশে দাঁড়িয়ে আছি—দেখতে পেয়েছেন—গুড,’ কথা বলতে বলতে সামনে তাকালেন মিস বসাক। সামনে যে লোকটা হাতটা তুলে নাড়ালো তাকে দেখে মিস বসাক হতভম্ব—‘আপনি গগন ঢালি?’

    ‘হ্যাঁ ম্যাডাম,’ লোকটা রুমাল দিয়ে মুখ চেপে আছে।

    ‘একী! আপনার এরকম দশা কীভাবে হল?’

    নমিতাও অবাক। লোকটার জামার বোতামগুলো ছেঁড়া, ডান চোখটা ফুলে প্রায় বন্ধ, চোখের নীচে আঘাতের চিহ্ন।

    ‘তিনজন ছিল ওরা। ভদ্রলোকের পোশাক। স্টেশনের আগে একটা বড় ফ্ল্যাট বাড়ি তৈরি হচ্ছে—ওর নীচ থেকে আমায় ডাকল। আমাকে ওখানে ডেকে নিয়ে গিয়ে গগলস পরা একটা ছেলে হিন্দি আর ভাঙা বাংলা মিশিয়ে বলল, ‘গগন ভাই, আমাদের হয়ে হাইকোর্টে একটা সাক্ষী দিতে হবে।’ আমি বললাম,

    ‘সাক্ষী! কে আপনারা? আপনাদের তো আমি চিনিই না। কী সাক্ষী দেব?’ লোকটার হাতে মোড়ানো ছিল আমার ‘বেহুলার খনা’ বইটা। লোকটা সেটা দেখিয়ে বলল, ‘তুমি কোর্টে গিয়ে বলবে এই সব খনার বচন তোমার লেখা। ব্যাস, এটুকু বললেই তোমায় আমরা পাঁচ হাজার টাকা দেব।’ আমি বললাম, এগুলো আমি লিখিনি। কেন মিথ্যা কথা বলব? আমায় মাফ করবেন, আমি মিথ্যা সাক্ষী দিতে পারব না। বেঁটে মতো তাগড়া ছেলেটা রগচটা। সে এগিয়ে এসে আমার কলার খামচে ধরে বলল, ‘এই শালা, তুই সাক্ষী দিবি।’ আমার মাথায় রাগ চেপে গেল আমি বললাম—‘আমি দেব না। কলার ছাড়।’ তখন ছেলেটা আমার গালে জোরে এক থাপ্পড় মেরে বলল, ‘তুই দিবি না, তোর বাপ সাক্ষী দেবে।’ আমি চোখে অন্ধকার দেখলাম। অন্য ছেলেটা এবার আমাকে জোরে এক ঘুষি মারল, বলল ‘বল সাক্ষী দিবি কিনা?’ তাতেও আমাকে রাজি করাতে পারল না যখন, তখন আমার জামা খামচে হিড়হিড় করে টানতে টানতে দেওয়ালে ছুঁড়ে মারল আমায়। বেঁটে তাগড়া গুণ্ডাটা আমার কাঁধের ঝোলা ছিনিয়ে নিয়ে খনার সব কটা বই ছিঁড়তে লাগল। তারপর আমাকে হুমকি দিয়ে বলল, ‘আর যদি কক্ষনো এই খনার বই বিক্রি করতে দেখি তবে তোকে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেব। আর যদি অন্য কারোর জন্য সাক্ষী দিতে কোর্টের ধারে কাছে যাস তোর গলা কেটে ফেলব,’ গগন হাঁফাচ্ছে। ‘এজন্য আমার আসতে দেরি হয়ে গেল। আপনারা ঘাবড়ে যাবেন তাই ফোনে বলিনি।’

    ‘আপনি এক্ষুনি ডাক্তার দেখান,’ নমিতা বলল। ‘ইন্টারনাল হ্যামারেজ হয়েছে মনে হচ্ছে।’

    ‘না না ম্যাডাম। আগে কাজটা শেষ করে নিই। আমি ওদের ছাড়ব না। আমি আমার মা’র ব্রোঞ্জের চুড়ি বন্ধক রেখে এই বই ছেপেছি। কতগুলো বই ছিঁড়ে ফেলল! ঠিক আছে, দেখা যাক কার কত দম।’ তারপর গগন হকার ভিখারিদের স্কুলের দিকে দেখাল। ‘ওনার সঙ্গে দেখা করাবার জন্যই আপনাদের এখানে ডেকেছি। ওই ম্যাডামই আমাকে ‘বেহুলার খনা’ বইটার পাণ্ডুলিপি দিয়েছেন।’

    ‘বিদ্যাদি দিয়েছে!’ নমিতা অবাক। ‘ওঁর নাম কি বিদ্যাধরী দাস?’

    ‘হ্যাঁ, আপনি চেনেন ওনাকে?’

    ‘অনেক দিন আগে চিনতাম, আপনি ওঁকে কীভাবে চিনলেন?’

    ‘ওনার বড়দা ধন্বন্তরি কবিরাজ আমার বাবার বয়সী। ওনার সঙ্গে আমার লোকাল ট্রেনে আলাপ হয়। তারপর ঈশ্বরের ইচ্ছা সব। চলুন কথা বলে আসি। তবে ওনাকে কিন্তু বলবেন না যে আমাকে কেউ মেরেছে।’

    ‘কেন?’

    ‘উনি মেন্টাল পেশেন্ট ছিলেন। অনেক কষ্টে সে অবস্থা থেকে উঠে এসেছেন, কিন্তু এখনো ব্রেনে বেশি চাপ নিতে পারেন না।’

    ‘বুঝেছি,’ নমিতা বলল। ‘আমরা কিছু বলব না। যা বলার আপনিই বলবেন। কিন্তু, উনি তো বাচ্চাদের ক্লাস নিচ্ছেন, ব্যস্ত।’

    ‘তাহলে আমরা একটু দাঁড়িয়ে যাই।’

    ‘উনি রোজ এখানে আসেন?’ অ্যাডভোকেট বসাক কৌতূহলী।

    ‘রোববার বাদ দিয়ে রোজ।’

    হঠাৎ প্ল্যাটফর্মে ভিখারি বাচ্চাদের হৈ হুল্লোড় জেগে উঠল। ভিখারী পড়ুয়াদের স্কুল ছুটি। নমিতা দেখল বিদ্যাদি ট্রাঙ্কের ওপর রাখা ওঁর শান্তিনিকেতনী ঝোলা ব্যাগ ফাঁক করে একটা করে কলা ধরিয়ে দিল ছাত্রীদের হাতে। আনন্দে বাচ্চাগুলো হুল্লোড় করে ছুট লাগাল বস্তির দিকে। বিদ্যাদি ওদের খাতাগুলো লোহার ট্রাঙ্কে এমন ভাবে ঢুকিয়ে রাখল যেন কত মহার্ঘ্য্য বস্তু সামলে রাখছে। তারপর তালার চাবি পুরোনো ঝোলায় ঢোকাল। বিদ্যাদির ঝোলা ওর শাড়ির মতোই মলিন। দৃষ্টিতে বিদুষী নারীর স্নিগ্ধতা আছে, কিন্তু সেদিনের সেই দীপ্তি ওঁর চোখে নেই। সেদিন কী তেজ ছিল বিদ্যাদির! এখনো চোখে ভাসছে নমিতার। ইউনিভার্সিটির গেট দিয়ে বিদ্যাদি একদম সুচিত্রা সেনের মতো কনফিডেন্সে ভিতরে ঢুকত আর ছেলেদের দু’চোখে প্রেম উথলে পড়ত।

    বিদ্যাদি এবার নমিতাদের দিকে এগিয়ে এল, তারপর গগনের দিকে দৃষ্টি পড়ল ওর—‘একি! এটা কীভাবে হল?’

    ‘ও কিছু না দিদি,’ গগন তাড়াতাড়ি বলে উঠল। ‘একটা স্কুটার ধাক্কা মেরে গেছে, রাস্তায় পড়ে গিয়ে এই হাত-টাত কেটে গেছে। আপনাদের কথা শেষ হলেই আমি ডাক্তারখানায় যাব।’

    বিদ্যাদির চোখে ব্যথার দৃষ্টি। মিস বসাকের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমার একটু তাড়া আছে।’

    নমিতার ঘোর তখনও কাটেনি—‘বিদ্যাদি, আমায় চিনতে পারছ না? আমি নমিতা। তুমি প্রেসিডেন্সিতে আমাদের সিনিয়ার ছিলে।’

    অ্যাডভোকেট বসাকের বোধহয় নমিতার এতটা মডেস্টি পছন্দ হল না। উনি বললেন, ‘নমস্কার, আমার নাম মাধবী বসাক, দিল্লি হাইকোর্টের অ্যাটর্নি। আর ইনি ড. নমিতা স্যান্যাল। বেঙ্গল ইউনিভার্সিটির ডিন অব আর্টস ফ্যাকাল্টি।’

    নমিতার অস্বস্তি হলো। এই মহিলার কাছে তার এসব পজিশন গর্ব করে বলার মতো মোটেই কিছু না। নমিতা আবার বলল, ‘আমাকে তোমার মনে আছে বিদ্যাদি?’

    বিদ্যাধরী মাথা নেড়ে ধীর গলায় বললেন, ‘হ্যাঁ।’

    ‘তুমি এদের পড়াও?’

    বিদ্যাদি চুপচাপ মাথা নাড়ালো।

    নমিতার মনে হচ্ছিল কেন এই মহিলার সঙ্গে দেখা হল? এ তো হারিয়েই গেছিল, কেন এ আবার ওর জীবন পথে সামনে এসে ওর বিবেকে দংশনের জ্বালা জাগালো। বিদ্যাদি এবার মিস বসাকের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘গগন আপনাদের কথা বলেছে। বলুন কী প্রশ্ন আছে।’

    অ্যাডভোকেট বসাক তৈরি হয়েই এসেছিলেন। ব্যাগ থেকে ‘বেহুলার খনা’ বের করে বললেন, ‘এই বইটা। গগন বলেছে এই বইয়ের ম্যানুস্ক্রিপ্ট আপনার থেকে পেয়েছে। আপনি কি আমাদের বলতে পারবেন এই বইয়ের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি কোথায় পাব?’

    ‘প্রাচীন পাণ্ডুলিপি? আমি এশিয়াটিক সোসাইটি, বঙ্গীয় সংসদ, ন্যাশনাল লাইব্রেরি—সব খুঁজেছি, কিন্তু কোথাও পাইনি।’

    ‘আপনি তাহলে এটা পেলেন কোথা থেকে?’ মিসেস বসাক হতাশ।

    ছোটবেলায় মা ওই ‘বেহুলার খনা’য় লেখা প্রত্যেকটা খনাবাক্য মুখস্থ করিয়েছিল। মার থেকে শোনা সেই গল্পই লিখে এই বইটার ম্যানুস্ক্রিপ্ট আমি গগনকে দিয়েছি।’ বিদ্যাদি কবজি ঘুরিয়ে ঘড়ি দেখল।

    ‘আচ্ছা,’ অ্যাডভোকেট বসাক বললেন। ‘আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, ম্যাডাম। আরেকটা দরকার ছিল, সোজাসুজিই বলি। একটা বিশেষ দরকারে আপনার একটু সময় চাই। আজ আপনি ব্যস্ত। কাল আসব?’

    ‘দেখুন এখানে আর আসবেন না প্লিজ। বাচ্চাগুলোকে পড়াতে বসাতে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হয়। ওই যে দেখছেন প্ল্যাটফর্মে আঁকা চু-কিৎ-কিৎ-ধাঁ এর ছক, ওখানেও লাফিয়ে লাফিয়ে এদের সঙ্গে খেলতে হয় যাতে ওরা ভাবে যে আমি ওদেরই একজন। আপনাদের এত দামি পোশাক, রোদ-চশমা, পার্স এসব দেখে ওরা ঘাবড়ে যায়। আমি আপনাদের সঙ্গে কথা বলছি দেখে আমার ওপর বিশ্বাস একদম হারিয়ে ফেলবে। অনেক কষ্টে এদের এক জায়গায় এনে লেখাপড়া শেখাচ্ছি।’

    ‘কিন্তু আমরা আপনার সাহায্য চাই, বিদ্যাধরী দেবী। আপনার এরকম ইনটেলিজেন্সকে দেশের জন্য –’ অ্যাডভোকেট বসাক আরেকটু চেষ্টা করলেন।

    ‘প্লিজ!’ বিদ্যাধরী হাত জোড় করল। ‘আমার কাছে আপনারা আর আসবেন না। আমি খুব ক্লান্ত।’

    নমিতা খুব লজ্জা পেল। বিদ্যাদি ওর দিকে তাকাচ্ছে না। অ্যাডভোকেটকে বলল, ‘না না, ঠিক আছে। আমরা বিরক্ত করব না ওঁকে। মিস বসাক চলুন।’

    মিস বসাক আর গগন হকারের সঙ্গে নমিতা প্ল্যাটফর্ম থেকে নেমে এল। ‘উনি একদম কোনো জটিলতা ব্রেনে নিতে পারেন না, গগন হকার বলল। গগন মাঝে মাঝে নাক হালকা করে চেপে ধরছে। ‘আমি একটা কথা বলি?’ গগন হকার ইতস্তত করে বলল। ‘দিদির বড়দা ধন্বন্তরি কবিরাজের কাছে গিয়ে আপনাদের সব কথা একবার বলুন। দিদি ওনাকে খুব মানেন।’

    ‘কোথায় পাব ওঁকে?’

    আমাদের বজবজ লাইনে সন্তোষপুর স্টেশনের কাছে ওনার বাড়ি। আপনাদের যদি অন্য কোনো কাজ না থাকে তবে আমি একবার ফোনে কথা বলে দেখি?’

    ‘অন্য কাজ! আমার কাছে এটা জীবনের সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট কাজ। এভরিথিং এলস ক্যান ওয়েট,’ মিস বসাক বললেন। তারপর গগনের নাকের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘নট এভরিথিং, আপনার ইনজুরিটা আগে ডাক্তারকে দেখিয়ে নিই।’

    ‘ওটা কবিরাজমশাইয়ের কাছে গিয়ে ওষুধ নিয়ে নেব। বিদ্যাদি বাড়ি ফিরে যাওয়ার আগেই ওনাকে ধরতে হবে।’

    ‘সেটা কি উচিত হবে?’ নমিতা বলল। ‘বিদ্যাদি তা শুনে যদি অসন্তুষ্ট হন?’

    কিন্তু যদি ওঁর দাদা ওঁকে রাজি করাতে পারেন, তাহলে ভাবুন ব্যাপারটা, বিদ্যাদেবী আর পৃথুযশ মুখোমুখি লড়ছে। জানি চান্স কম, তবু একটা অ্যাটেম্পট নেওয়া তো যেতে পারে। গগন ভাই, আপনি একবার ফোন করে দেখুনই না।’

    ‘দেখছি,’ গগন ফোন লাগাল। তারপর এদিক ওদিক পায়চারি করে অনেক কিছু বুঝিয়ে ফোন যখন রাখল তখন গগনের কালো মুখ উজ্জ্বল—‘ওনাকে রাজি করিয়েছি আপনাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য। মানুষটা আসলে কারোর সঙ্গে মিশতেই চায় না। আমার ভাগ্য খুব ভালো যে– চলুন চলুন। আপনারা গাড়ি এনেছেন? না হলে অটোতে—’

    ‘আমার গাড়িটা পার্ক করা আছে ওদিকে রাস্তার ধারে,’ নমিতা বলল। ‘চলুন একবার যাওয়াই যাক সন্তোষপুরে। কিন্তু বিদ্যাদি যখন অলরেডি বলেই দিয়েছেন যে উনি রাজি নন, তখন ওঁর দাদা কি রাজি হবেন বিদ্যাদিকে বোঝাতে?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    Next Article আফ্রিকার লোকগল্প – অশোককুমার মিত্র

    Related Articles

    প্রীতম বসু

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }