Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    নির্বাণ রায় এক পাতা গল্প212 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিচ্ছেদ তাকে শরীর দেয়, ভয় দেয় পুষ্টি

    ।। বিচ্ছেদ তাকে শরীর দেয়, ভয় দেয় পুষ্টি ।।

    এই পথে আগে একা কখনও আসেনি পিকু। বাজার পেরিয়ে শেফালি সিনেমার পাশের সরু গলিটার মধ্যে দিয়ে সাইকেল চালাচ্ছিল পিকু। এই রাস্তাটা শেষ হয়েছে একটা মস্ত পাঁচিলে ধাক্কা মেরে। সুপ্রাচীন পাঁচিলের পেটের মধ্যে একখানা বেশ বড়ো গর্ত— একটা সাইকেল অনায়াসে গলে যেতে পারে।

    আকাশ এখানে সংকীর্ণ ও অন্ধকার। মাথার ওপর জমাট বাঁধা কালো মেঘ। ঝিরঝিরানি বৃষ্টি মাথায় করে ভাঙা পাঁচিলের গর্ত দিয়ে সাহেবপাড়ার মধ্যে ঢুকল পিকু।

    সাহেবপাড়ার রাস্তা ঠিক মনসাতলা ব্রিজের মুখের গোড়াটায় বেরোবে— আগে বারকয়েক সে বৃষ্টির সঙ্গে এদিকটায় এসেছে।

    শিমুলগাছার সাহেবপাড়া একটা পরিত্যক্ত পল্লি। কোনো এক সময়ে বেশ বড়ো একটা এলাকা জুড়ে অ্যাংলো ইন্ডিয়ানদের বাস ছিল। চওড়া রাস্তা, বড়ো বড়ো বাগানঘেরা বাড়ি, পার্ক, সিনেমাহল— সবই ছিল। অনেক বছর আগে কোনো এক অজানা রোগের মড়কে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় গোটা সাহেবপাড়া। যারা বেঁচেছিল তারাও নাকি এলাকা ছেড়ে প্রাণভয়ে পালায়। অবশ্য এ সবই পিকুর শোনা কথা। যাইই হোক না কেন, পাড়াটা এখন পুরোপুরি পরিত্যক্ত। ভাঙাচোরা পথ। রাস্তার দু’ধারে জড়ো হওয়া পচা পাতা আর বিভিন্ন প্রাণীর দেহাবশেষ থেকে ঝাঁঝালো গন্ধ উঠে আসছে।

    বেশ জোরেই প্যাডেল করছিল পিকু। মনসাতলা স্টেশনে পৌঁছতেই হবে তাকে। তারপর কলকাতা।

    অন্যমনস্ক হয়ে পড়েছিল পিকু। খানাখন্দ ভরা উঁচুনিচু রাস্তায় হঠাৎ কেঁপে গেল সাইকেলের হ্যান্ডেল। সামনের চাকাটা কাদায় ফেঁসে গিয়ে হুড়মুড়িয়ে পড়ল সে।

    পিকুর বাঁ হাঁটুটা বোধহয় কেটে গেছে। জ্বালা করছে। জলকাদায় সারা শরীর মাখামাখি।

    উঠে বসল পিকু। মাথা ঘুরছে বনবন করে এই দুর্বল শরীরে আঘাতটা বেশ ভালোই ঝটকা দিয়েছে তাকে। কোনোমতে উঠে দাঁড়িয়ে সাইকেলটা সোজা করে পিকু দেখল সামনের চাকাটা এমনভাবে দুমড়েছে যে সেটা চালিয়ে এগোনো অসম্ভব।

    এখন একমাত্র একটাই রাস্তা খোলা আছে। ফিরে যাওয়া। খুব কান্না পেল পিকুর। বৃষ্টিটা বেগ নিল হঠাৎই। স্লেটরঙের আকাশ চিরে বেগুনি বিদ্যুতের ঝলক।

    পিকু অসহায়ের মতো এদিক ওদিক তাকাতে লাগল।

    আস্ত একটা পাড়ায় কোনো জনপ্রাণী নেই। রাস্তাঘাট খাঁ খাঁ করছে। প্রাচীন স্ট্রিট লাইটগুলোর জংধরা কাঠামোর কোটরে জমেছে কুয়াশা। রাস্তার ধারে সার দিয়ে দাঁড় করানো ধুলো-কাদার পুরু আস্তরণে চাপা পড়া গাড়িগুলো যেন জাদুঘরে রাখা প্রাগৈতিহাসিক শ্বাপদের নিষ্প্রাণ আড়ষ্ট শরীর। চওড়া রাস্তার দু’ধারে অন্ধকার থমথমে বাড়িগুলোয় এখন শেয়াল, খটাস আর বেজির আস্তানা। ধারালো নখে ইলেকট্রিকের তার আঁকড়ে বসে আছে দাঁড়কাক। লাল চোখে তারা পিকুকে মাপছে।

    খানিক দূরেই একখানা পুরোনো চার্চের ছুচোলো মাথা দেখতে পেল সে— কুয়াশা ফুঁড়ে ওপর দিকে উঠেছে। পিকুর চোখের সামনে ভেসে উঠল তাদের কলকাতার বাড়ির ঠাকুরঘরে শালগ্রাম শিলার পাশে রাখা জিশুর ছবিটা। সেই মায়াময় চোখদু’টো।

    সাইকেলটাকে হেঁচড়ে হেঁচড়ে কোনোমতে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চার্চের দিকে এগিয়ে চলল পিকু।

    চার্চটার জীর্ণ দশা। কাঠের দরজাটা প্রায় ভঙ্গুর। বাইরে একটা মরচে পড়া তালা ঝুলছে। কাঠের দরজার তলার দিকটা পচে গিয়ে বেশ বড়ো একটা ফাঁক সৃষ্টি হয়েছে। সাইকেলটা একপাশে হেলান দিয়ে রেখে হামাগুড়ি দিয়ে ভেতরে ঢুকল সে।

    ভিতরে ঝুরঝুর করে চুন বালি খসে পড়ছে। মেঝেয় গর্ত বানাচ্ছে ইঁদুর। পিকু বুঝতে পারে এই নড়বড়ে চার্চের আয়ু আর বেশি দিন নয়। ধসে পড়ল বলে। যেখানে জিশুর মূর্তিটা থাকার কথা সেখানটায় একটা ফাঁকা কাঠের বেদি, ক্রসটাও নেই।

    তাও সেদিকে মুখ করে বুকের কাছে হাত জড়ো করে, চোখ বুজে দাঁড়াল পিকু। বুকের ভেতর উথলে এল জমে থাকা কান্না, “আমার সঙ্গে কেন এরম করলে গো? আমি কী করেছিলাম? বাবা-মায়ের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল। বৃষ্টি… বৃষ্টিও আমাকে ভালোবাসে না… আমার কেউ নেই… ওই পিশাচ আমাকে সব জায়গায় ধাওয়া করে বেড়াচ্ছে… এই যন্ত্রণা আমি আর সইতে পারছি না… আমি ওই পিশাচের হাতে মরতে চাই না… আমি বাঁচতে চাই ঠাকুর…”

    হঠাৎই দাঁড়কাকের মতো কর্কশ কণ্ঠস্বরে কেউ বলে উঠল, “শোক তাকে পথ দেখায়…”

    ফাঁকা চার্চজুড়ে ছড়িয়ে পড়ল একটা চাপা হাসির শব্দ।

    “আমন! আমন! আমন!”

    সিলিঙের দিকে তাকাল পিকু। যা দেখল তাতে আতঙ্কে পাথর হয়ে গেল সে। লম্বা লম্বা চার হাতে ও পায়ে ভর দিয়ে প্রকাণ্ড এক টিকটিকির মতো সিলিঙে আটকে রয়েছে এক কদাকার মূর্তি। অবয়বটা মানুষের মতো হলেও কালচে ধূসর শরীরটা যে কোনো মানুষের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ লম্বা। শিরাগুলো গাছের শিকড়ের মতো তার শরীর পেঁচিয়ে উঠেছে। খোলা হাঁয়ে লম্বা লম্বা হলদে দাঁতের সারি। গোল গোল দু’টো সাদা চোখ।

    সেই পিশাচ পিকুর ঘাড়ের ওপর ঝাঁপ দেওয়ার উপক্রম করতেই সম্বিৎ ফিরে পেল পিকু। কোনোমতে লাফ দিয়ে সরে গেল সে। ধপ করে একটা শব্দ! সেও ঝাঁপ দিয়েছে মেঝেতে। খানিকটা গড়িয়ে গেল পিকু। দুর্বল শরীর ঝিমঝিম করে উঠল।

    “একাকিত্ব শক্তি দেয়…”

    খলখলিয়ে হেসে উঠল সেই পিশাচ। চার হাতে পায়ে দ্রুতবেগে ধেয়ে এল পিকুর দিকে। দু’হাতে চোখ ঢাকল পিকু

    অবাক ব্যাপার! পিকুকে স্পর্শও করল না সে। হাঁ হয়ে আতঙ্কিত পিকু দেখল অদ্ভুতভাবে বাঁকানো লম্বা লম্বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোকে বিকট ভঙ্গিতে আঁকিয়ে বাঁকিয়ে পিকুকে ঘিরে নেচে চলেছে সে। যেন প্রচণ্ড আনন্দ হয়েছে তার।

    “বিচ্ছেদ তাকে শরীর দেয়…

    পিকুর গলা শুকিয়ে কাঠ, চিৎকার করার ক্ষমতা নেই আর। অবশ্য চিৎকার করেও বা কী হবে? ত্রিসীমানায় কোনো মানুষ নেই। মাটিতে পড়ে থাকা আতঙ্কে নিথর পিকু দেখল নাচের প্রতিটা পদে পদে তার শরীর আরও বড়ো আকার ধারণ করছে।

    “ভয় দেয় পুষ্টি…”

    হাঁপাতে হাঁপাতে চোখ পিকুর চোখ পড়ল চার্চের দরজার নীচে ফাকটার দিকে।

    পিশাচের শরীরটা পাক খেয়ে খেয়ে একটা প্রকাণ্ড অজগরের অবয়ব নিতে শুরু করল। অন্ধকার, হিলহিলে, হিংস্র অবয়ব। ওপরের দিকে মুখ তুলে জান্তব উল্লাসে খলখলিয়ে হেসে উঠল সে।

    গাঁ-আঁ-আঁ-আঁ-আঁ-আঁ-আঁ-আঁ… আঁহ্… আঁহ্…. আঁহ্!

    এই সুযোগ। শরীরের সমস্ত শক্তি একত্রিত করে পিকু ছুটে গেল দরজার সেই ফাঁকের দিকে। শেষ আশা।

    ছুটে গিয়ে হ্যাঁচোড়-প্যাঁচোড় করে পিকু সবে বাইরে মাথাটা গলিয়েছে, হঠাৎ সে অনুভব করল তার দুই পা আষ্টেপৃষ্টে বেঁধে ফেলেছে কেউ।

    মাটির ওপর দিয়ে হেঁচড়ে টেনে চার্চের ভেতর ঢুকিয়ে নিল সে পিকুকে। সেই মূর্তির দিকে চোখ পড়তেই বুকের রক্ত জল হয়ে গেল পিকুর। দানবিক ময়াল সাপের শরীরের ওপর এক বিশাল মাথা। মাথাটা মানুষের না। ওই বিশাল হাঁ, আর জ্বলজ্বলে সাদা দু’চোখ কোনো মানুষের হতে পারে না। মাথাটা এক দানবিক নেকড়ের। কোমর থেকে বাকি শরীরটা বিশালাকার সাপের। অজগরের শরীরে নেকড়ের মাথা— আমন!

    পিকুর গোটা শরীরকে নাগপাশে আবদ্ধ করছে সেই দানব। পিকুর দম বন্ধ হয়ে আসছে। আর একটু চাপ দিলেই তার পাঁজরা গুঁড়ো হয়ে যাবে, ফুটো হয়ে যাবে ফুসফুস। আঁশটে পচা গন্ধে ম ম করছে বাতাস।

    “একাকিত্ব শক্তি দেয়…”

    শিকার তো একেবারে হাতের মুঠোয়। হাঁ মুখটা খোলার অপেক্ষা। আতঙ্কে আধমরা পিকুকে অন্ধকার গহ্বরে ভরে নেবে সে। নরম মাংস ছিন্নভিন্ন করবে পাশবিক দাঁতের সারি। নোংরা ধুলোয় মিশবে টাটকা গরম নতুন রক্তের ধারা। তারপর সব শেষ।

    “শোক তাকে পথ দেখায়…”

    আধবোজা চোখে পিকু দেখে ধীরে ধীরে বড়ো হচ্ছে তার হাঁ- করাতের মতো হলদে দাঁতের সারি দৃশ্যমান হয়। ঘন সাদা লালা গড়াতে থাকে কষ বেয়ে।

    “বিচ্ছেদ তাকে শরীর দেয়…

    সাদা ফ্যাটফ্যাটে দুটো হিংস্র চোখ, মুখের দুপাশ দিয়ে গড়িয়ে পড়ছে ফেনা। চোখ বুজল পিকু।

    “ভয় দেয় পুষ্টি…”

    বাবাকে আর দেখতে পাবে না পিকু। মা’য়ের বুকে মুখ গুঁজে আর ঘুমোতে পারবে না। বৃষ্টি যেন ভালো থাকে…

    কই? কিছু হল না তো! ওই দানবের ধারালো দাঁতে তো এতক্ষণে তার ঘাড় গলা ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার কথা। ভয়ে ভয়ে চোখ মেলল সে। দানবটা সেই জায়গাতেই আছে কিন্তু তার দাঁড়ানোর ভঙ্গিতে পরিবর্তন এসেছে। দরজার দিকে তাকিয়ে থমকে গেছে সে।

    পিকুর কানে ভেসে এল ক্ষীণ এক যান্ত্রিক শব্দ।

    ডুগ ডুগ ডুগ ডুগ!

    ডুগ ডুগ ডুগ ডুগ!

    এগিয়ে আসতে লাগল শব্দটা— কাছে, আরও কাছে…

    হঠাৎ সশব্দে চুরমার হয়ে গেল চার্চের কাঠের দরজা। শার্পনেলের মতো ছিটকে এল কাঠের টুকরো।

    দরজায় এসে ধাক্কা মেরে স্কিড খেয়ে দাঁড়িয়েছে একটা মিশকালো রয়্যাল এনফিল্ড ক্লাসিক।

    বাইকের হ্যান্ডেল ধরে বসে রয়েছে এক ঋজু মূর্তি। এই চওড়া কাঁধ, এই চাপদাড়ি পিকু চেনে।

    কালো টি-শার্টকে ফাটিয়ে বেরোচ্ছে ট্রাইসেপ্‌স।

    পেছনের সিটে তার কোমরে জড়িয়ে বসে আছে টুপুর। তার কোলে আড়াআড়ি ভাবে রাখা একটা উইকেট।

    পিকুকে ছেড়ে হিসিয়ে ওঠে দানব। রক্ত জল হয়ে যায় তার হুঙ্কারে। ধপ করে মেঝেতে আছড়ে পড়ে পিকু, “বাবা…!”

    হকচকিয়ে গিয়ে মূর্তিটার দিকে চেয়ে থাকে পিকুর বাবা।

    “অনি… পিকু…”

    টুপুরের চিৎকারে হুঁশ ফেরে পিকুর বাবা অনির।

    দৌড়ে যায় সে পিকুর দিকে। পিকুর মুখে হাসি।

    “অনি, ক্যাচ…”

    মাঝদৌড়েই টুপুরের ছুড়ে দেওয়া উইকেটটা লুফে নেয় অনি, হড়কে গিয়ে গিঁথে দেয় তার দিকে ধেয়ে আসা দানবের বুকের মাঝে।

    ভগ্নপ্রায় চার্চঘরকে কাঁপিয়ে বিকট আর্তনাদ করে ওঠে সেই দানব। তেমন আর্তনাদ কোনো মানুষ জীবনে শুনেছে কি না সন্দেহ।

    তার লম্বা হিলহিলে সাপের মতো শরীরটা নুনপড়া জোঁকের মতোন ছটকাতে থাকে মেঝেতে। দৌড়ে আসে টুপুর, অনির সঙ্গে সেও দু’হাতে চাপ দেয় সেই উইকেটের মাথায়। দানবের বুকের ঠিক মাঝখানে গাঁথা সেই উইকেটটা ঢুকে যেতে থাকে আরও গভীরে…

    দানবের ছটফটানিতে থরথরিয়ে কেঁপে ওঠে ভঙ্গুর চার দেয়াল। টুপুর আর অনি সমস্বরে হাঁক ছাড়ে, “পিকু…”

    ছুটে আসে পিকু। বাবা-মায়ের সঙ্গে সেও কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চাপ দিতে থাকে উইকেটে।

    মাটির মূর্তির মতো ভেঙে পড়তে থাকে সেই দানবের শরীর। কাঁপতে থাকে থরথরিয়ে। তার বুকের অতল থেকে উঠে আসে নারকীয় আর্তনাদ। পিকুদের চোখের সামনে ঝুরঝুরিয়ে মাটির চাবড়া খসে পড়ার মতো খসে পড়তে থাকে তার শরীর। মিশে যেতে থাকে ধুলোয়।

    শেষমেশ চার্চের মেঝেতে পড়ে থাকে স্রেফ খানিকটা ধুলোর স্তূপ। হাঁটুতে ভর দিয়ে হাঁপাতে থাকে অনি। টুপুর জড়িয়ে ধরে পিকুকে। মেঘ কেটে যাচ্ছে। চার্চঘরের রঙিন কাচের পেছনে দৃশ্যমান হয় ডিসেম্বরের বারবেলার সূর্য। কাঠের জীর্ণ তক্তার ফাঁক দিয়ে তাদের ওপর এসে পড়ে সূর্যের সোনালি কিরণ।

    অদ্ভুত মায়াবী আলোয় ভরে ওঠে ঘরটা।

    পিকুর দিকে তাকায় অনি। মুখে হাসি। “কেমন আছিস বাবু?”

    কথা বলতে পারে না পিকু। জাপটে ধরে বাবার পেটে মুখ গুঁজে দেয় সে।

    টুপুর চোখ পাকিয়ে বলে, “আবার বাইকটায় চোট লাগালে? সারাতে আবার এককাঁড়ি টাকা খরচ হবে… তোমাকে না বলেছি পয়সা নষ্ট কোরো না…”

    কাচুমাচু মুখে অনি বলে, “সরি, এটাই লাস্ট … উপায় ছিল না যে…” তারপর চোখ মারে সে, “সারিয়ে নিই। তারপর তোমাকে নিয়েই তো লং রাইডে বেরোব… খুব মিস করেছি গো…”

    টুপুরের চোখ ভরে ওঠে জলে। অনি আর পিকুকে জড়িয়ে ধরে বলে, “আমিও।”

    মায়ের গালে চুমু খায় পিকু। তারপর বাবার গালে।

    চার্চের দরজার ঠিক বাইরে দাঁড়িয়ে এই ম্যাজিকাল দৃশ্যের সাক্ষী হয় একজোড়া ছেলেমেয়ে। তেন্ডুয়ার কাঁধে মাথা রাখে বৃষ্টি। তেন্ডুয়ার আঙুল তার আঙুল খোঁজে। তেন্ডুয়ার মুখে চওড়া হাসি। বৃষ্টির চোখে জল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    Next Article সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }