Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    নির্বাণ রায় এক পাতা গল্প212 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রেম, পাইমন, পরজীবী

    ।। প্রেম, পাইমন, পরজীবী ।।

    “শিমুলগাছায় চারটে খুন।”

    বেতের চেয়ারের ওপর বাবু হয়ে বসে আছে মানস। পরনে পাজামা, শার্ট আর হাফহাতা সোয়েটার। হাতে ভাঁজ করা “আগামীর সূর্য।”

    চোখ কুঁচকে সস্তা কালিতে ছাপা লাইনগুলো পড়ে শোনাচ্ছিল সে। সুরটা বিদ্রুপের।

    “এক ভ্যানচালক, তার স্ত্রী, তার কিশোর ছেলে, এক অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষিকা। প্রতি ক্ষেত্রেই জিভ উধাও। এলাকার মানুষের সন্দেহ নব্বব্বইয়ের দশকের সিরিয়াল কিলার টিকটিকি রাজু ফিরে এসেছে। যদিও পুলিশ তা অস্বীকার করছে। ইতিমধ্যে নিখোঁজ হয়েছে এক স্কুলছাত্রীও। আশঙ্কা করা হচ্ছে…”

    নাক সিঁটকে কাগজটা মুড়ে নিয়ে মেঝের ওপর ছুড়ে দেয় মানস। চাপদাড়িতে হাত বোলাতে বোলাতে বলে, “ফালতু কথা। গারবেজ।”

    সিলিং ফ্যানটা ঘটাং ঘটাং করে ঘুরছে।

    জ্যাকেটের চেনটা বিশু গলা অবধি টেনে দিয়ে একবার অসহায়ভাবে সেদিকে চেয়ে বলল, “ও মানসদা, পাখাটা অফ করো দিকিনি। ঠান্ডায় জমে গেলুম।”

    চাপা গলায় ফুট কাটে আবির, “ঘরে চলে যা বিশু। হুনুমান টুপি পরে বাপের লুঙ্গির তলায় ঢুকে বোস থাক….”

    মানসদের বাড়ির একতলার ঘরে সাদাকালো খোপ খোপ মেঝেতে কাগজ বিছিয়ে মুড়ি মাখছিল বৃষ্টি আর তানিয়া।

    ছেলেগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আছে। সামনে খোলা খাতার পাতা ফড়ফড়াচ্ছে। সিলেবাসে মন নেই কারও।

    জানলা দিয়ে উঁকি মারছে হেমন্তের সোনালি রোদ্দুর।

    পিকু বলল, “পুলিশ তো খুঁজছে। আমারও মনে হয় কোনো সিরিয়াল কিলার টিলারই হবে…”

    “পুলিশ কিছুই করবে না,” পাপান বলল, “বালের পুলিশ।”

    প্রত্যয় ঘাড় গোঁজ করে ক্যালকুলাস কষছিল। মাথা তুলল না সে। শিমুলগাছা থানার বড়োবাবুর ছেলে প্রত্যয়।

    সে ভালো করেই জানে তার বাবাকে নিয়ে শিমুলগাছার লোকজন আড়ালে আবডালে কী ধারণা পোষণ করে। ইদানীং তো রাখঢাকও কেউ করছে না।

    “পাপান! কোথায় কী বলছিস বুঝে বল… ব্যাগপত্তর ছুড়ে বাইরে করে দোব…” ধমক দেয় মানস।

    ঘাড় গোঁজ করে বসে থাকে নিরুত্তর পাপান।

    পাঁচ দিন। তিতলি নিখোঁজ হওয়ার পর আজ পাঁচ নম্বর দিন।

    পাপানের মুখটা শুকিয়ে আমসি হয়ে গেছ। যেন কেউ ছেলেটার ভেতর থেকে কুড়ে কুড়ে শাঁসটা বের করে নিয়ে গেছে, রেখে গেছে শুধু চামড়া আর হাড়।

    চোখের তলায় ঘন কালির পোঁচ। ক’দিন হল সে ঘুমায়নি।

    সবাই খুঁজেছে— পুকুর, কালভার্ট, মাঠ, এমনকী দক্ষিণের জঙ্গলও। মানস নিজেও গিয়েছিল সার্চপার্টির সঙ্গে। এক হাতে টর্চ, আর এক হাতে লাঠি। ঝোপঝাড় পিটিয়ে, পুকুরে জাল ফেলে তন্নতন্ন করে ফেলা হয়েছে শিমুলগাছা।

    পাওয়া যায়নি তিতলিকে। বেমালুম হাওয়ায় উবে গেছে যেন সে।

    একটু নরম হয়ে মানস বলল, “ভেঙে পড়িস না ভাই। এখনও কিছুই শেষ হয়নি। আমরা খুঁজছি। ওকে পাবই। তোর বোনকে ফিরিয়ে নিয়ে আসবই আমরা। দয়া করে এমন কিছু করিস না যাতে তোর বাবা-মা’র দুশ্চিন্তা বাড়ে।”

    চোখের পলক ফেলে না পাপান।

    “তোর বাবা বলছিল গতকাল মাঝরাত্তিরে নাকি খিল খুলে বেরিয়ে যাচ্ছিলি …”

    “হ্যাঁ,” পাপান বলল, “আবার যাব।”

    মানসের দৃষ্টি তীক্ষ্ণ— “কেন?”

    “বোন ডাকছিল আমাকে।”

    “পাপান—”

    পিকুকে হাত তুলে থামায় মানস। বলে, “কী বলছিল?”

    “ও আমাকে ডাকছে,” শুকনো গলায় বলল পাপান। “বাকিরা কেউ শুনতে পাচ্ছে না মানসদা। আমি পাচ্ছি। রাত্তির হলেই ও আসে। বলে, দাদা আয়। দক্ষিণের জঙ্গলে আয়। ও ওখানেই আছে, মানসদা। ও মরে যায়নি।”

    মানসের পিঠ বেয়ে একটা ঠান্ডা স্রোত নেমে গেল।

    নিজেকে যথাসম্ভব ঠান্ডা রেখে সে বলল, “একে বলে ট্রমা পাপান। আমরা জানি তুই বোনকে কতটা ভালোবাসতিস… বাসিস…

    মুঠো করে এক খাবলা মুড়ি তুলে নিল আবির। কচরমচর করে চিবুতে চিবুতে মানসদার দিকে ঘুরে বসল সে। মুড়ি শেষ করে ঢোক গিলে বলল, “আমার তো মনে হয় মানসদা ওই জিভখোর দানবটা আবার ফিরে এয়েচে। জানো না বুঝি?”

    চমকে ওঠে পাপান। চোখ গোল গোল করে তাকায় মানসদার দিকে। খেঁকিয়ে ওঠে মানস, “এইসব আলবাল কথা কে শেখায় তোকে? পাগলা নাকি?”

    এবার মুখ খোলে বৃষ্টি। নিচু গলায় বলে, “কথাটা কিন্তু ভুল না দাদা। আমি পড়েছি। শিমুলগাছায় বেঞ্জামিন মুডি নামে এক ব্রিটিশ সাহেব থাকত। নীলকর সাহেব। লোকটা প্রেতচর্চা করত। শিমুলগাছায় সে নরকের দরজা খুলেছিল মানসদা। তারপর থেকেই শিমুলগাছায়…”

    সরু চোখে বৃষ্টির দিকে তাকিয়ে মানস বলে, “তুই কেন বারবার ফেল করিস জানিস বৃষ্টি? পড়ার বই না পড়ে এইসব গাঁজাখুরি গল্প গিলিস বলে।”

    জানলার দিকে মুখ ফিরিয়ে নিল বৃষ্টি।

    “পাপান,” মানসের সুর আবার নরম, “তোর বোনকে ফিরিয়ে আনব আমরা। কথা দিচ্ছি।”

    পাপানের কাধে হাত রাখল পিকু। বিশু বলল, “চিন্তা করিসনি ভাই। আমার বাপি বলছিল, মেলা ছেলেমেয়ে এই শিমুলগাছায় নিখোঁজ হয়েছে। অনেকে বহাল তবিয়তে ফিরেও এসেছে।”

    আশা বড়ো ভয়ংকর জিনিস। পাপানের কোটরে ঢুকে যাওয়া চোখে তারই ক্ষীণ আভা ফুটে উঠেছে।

    মানসদার চোখ এড়িয়ে পাপানের আঙুলের ভেতর আঙুল ঢুকিয়ে দিল তানিয়া। পাপান দুর্বলভাবে চেপে ধরল তার হাত।

    “মানসদা আসছি…”

    উত্তরের অপেক্ষা না করেই ব্যাগটা কাঁধে ফেলে ঝড়ের বেগে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল প্রত্যয়। একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে সিগারেটের বাক্সটার দিকে হাত বাড়াল মানস।

    .

    মানসদার কোচিং থেকে বেরিয়ে পাশাপাশি হাঁটছিল পিকু আর বৃষ্টি। গলিপথ নির্জন।

    পাশেই বড়োপুকুর। টলটলে জল। রবিবারের বেলায় ঝপাঝপ ডুব গালছে বুড়োহাবড়ার দল। কাদের বাড়ি থেকে খাসি কষানোর মনকাড়া গন্ধ ভেসে আসেছে। গোটাকয়েক কালো কালো হাড় জিরজিরে ছেলে প্রকাণ্ড আম গাছটার ডাল থেকে ঝুপ ঝুপ গুব্বুস গুব্বুস করে ঝাঁপ মারল জলে। তাদের গোলমালের চোটে পাতার ফাঁক থেকে ডানা ঝটপটিয়ে উড়ে গেল একঝাঁক টিয়া।

    কোচিং থেকে বেরিয়ে কোনোদিনই সাইকেলে ওঠে না ওরা। বলতে গেলে এক রকম হেঁটেই মেরে দেয় পুরোটা রাস্তা। বড়ো রাস্তায় পৌঁছে আরও মিনিট দশেক হাঁটলে বৃষ্টিদের বাড়ি। মিষ্টি রোদ্দুরে হাঁটতে বেশ আরামই বোধ হচ্ছিল পিকুর।

    “বেঞ্জামিন মুডি লোকটা খুব নিষ্ঠুর ছিল,” হাঁটতে হাঁটতে বলল বৃষ্টি। “সেই লেভেলের অত্যাচারী। বাঁশডলা দিয়ে নীলচাষ করাত গ্রামবাসীদের। তার প্রচণ্ড বিশ্বস্ত এক অনুচর ছিল— রহিম। সে ব্যাটা ছিল বোবা। বুঝলি?”

    পিকু বলল, “শুনছি। বল।

    রাস্তা সরু হয়ে আসে। সামনের টিউবওয়েল চেপে চেপে অ্যালুমিনিয়ামের বালতিতে জল ভরছে একটা বুড়ি। ওপাশে মোষের খাটাল। বাঁয়ে শানবাঁধানো বটগাছের বেদিতে ন্যাকড়ার ওপর মশলা মাখানো কাঁচা আমলকি শুকোচ্ছে। চারদিকে শুনশান আলস্য। বৃষ্টির গালের গোলাপিতে চোখ আটকায় পিকুর

    “শোনা যায়, মুডি রহিমের জিভ কেটে নিয়েছিল,” নির্বিকারভাবে বলল বৃষ্টি।

    “শাস্তি দেওয়ার জন্য নয়। আনুগত্যের জন্য। সাহেবের প্রেতচর্চার ব্যাপারে রহিম সব জানত। এসব আচার অনুষ্ঠানে সেই-ই ছিল সাহেবের একান্ত অনুগত সহকারী। মুডি সাহেবের নাকি এসব ব্যাপারে ছিল দুর্দান্ত নলেজ। সাহেব চায়নি এই বিদ্যে কখনও কোনোভাবে অন্য কেউ জেনে ফেলুক। তাই রহিমের থেকে তার জিভ সাহেব চেয়ে নেয়। লোকে বলে, সে নাকি নির্দ্বিধায় তা সাহেবকে দিয়েও দেয়।”

    “পাগলা নাকি রে?”

    “শোন না… মুডি তো দানববিদ্যায় এক্কেবারে বুঁদ হয়ে ছিল… আমনের উপাসনা… পাইমনের উপাসনা… কিচ্ছু বাদ দিত না সে। ক্ষমতার প্রতি সাহেবের ছিল অমোঘ আকর্ষণ…”

    হাঁটার গতি কমায় পিকু।

    “এক মিনিট। এক মিনিট। আমনের ব্যাপারটা তো আমি হাড়ে হাড়ে জানি। অন্যটা আবার কে? এর নাম তো বাপের জন্মে শুনিনি।”

    হাঁটতে হাঁটতে শিমুলগাছা মেন রোডের ওপর বেরিয়ে এসেছে পিকু আর বৃষ্টি। পুবে ট্রেকার স্ট্যান্ডের কাছে দু’টো লোক মারামারি করছে। তামাশা দেখতে ভিড় জমে গেছে।

    রাস্তাটা পেরিয়ে উলটোদিকের গলিতে ঢুকে বৃষ্টি বলল, “অনেক খ্রিশ্চানরা বিশ্বাস করে, নরকের অষ্টম রাজা হল পাইমন। সে হল লুসিফার বা সাক্ষাৎ শয়তানের অত্যন্ত কাছের অনুচর। অনেকে বিশ্বাস করে, যদি কেউ পাইমনের আরাধনা করে তাকে খুশি করতে পারে বা নিজের বশে আনতে পারে সে অমিত ক্ষমতার অধিকারী হবে। আর মুডি সাহেব ছিল চূড়ান্ত ক্ষমতালোভী মানুষ। শুধু এই শিমুলগাছা দাপিয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার লোক সে ছিল না। তাই তো পাইমনের আরাধনা। কিন্তু পাইমনকে বশে আনা অত সহজ না। মায়ার জালে ফাঁসিয়ে উপাসককেই উলটে বশ করে ফেলে সে— তাকে অবলম্বন করেই নরকের ফুটন্ত পুতিগন্ধময় পাঁক থেকে উঠে আসার চেষ্টা করে পাইমন।

    ‘লেসার কি অব সলোমন’ বইতে বর্ণিত আছে যে পাইমন কখনও তাড়াহুড়ো করে না। সে মানুষকে ঠিক সেভাবে দেখে যেভাবে পোকামাকড় দেখে আলোকে। সেই আলোর রশ্মি বেয়ে সে উঠে আসতে চায় নরকের অন্ধকার থেকে।

    কে ধীরে ধীরে ভাঙবে, আর কে এক মুহূর্তেই চূর্ণ হবে— তা সে খুব ভালোভাবে জানে। পাইমন শাসন করে কণ্ঠস্বরের ওপর— কৰ্তৃত্ব, গোপন কথা, আদেশ— এসব হল পাইমনের ফান্ডা।

    তাই জিভ এখানে খুব গুরুত্বপূর্ণ, বুঝলি?”

    পিকু বলল, “হ্যাঁ, মানে বুঝলাম, কিন্তু আবার বুঝলাম নাও বলা চলে। তুই খামোখা এই মুডি সাহেব আর পাইমনকে নিয়ে পড়লি কেন?”

    বৃষ্টি গম্ভীর হয়ে বলল, “কারণ আছে তাই… না শুনলে বলে দে, ঝাঁট জ্বালাব না।”

    পিকু তাড়াতাড়ি করে বলল, “আরে! আমি কি তা বললাম? আমি আসলে কানেক্ট করতে পারছি না ব্যাপারটা।”

    “শোন আগে পুরোটা। ব্যাপারটা নিয়ে আগে পড়েছিলাম কোনো একটা ম্যাগাজিনে। ঝাপসা ঝাপসা মনে ছিল। শিমুলগাছায় খুন হওয়া লাশেদের মুখ থেকে জিভ উপড়ে নেওয়ার ঘটনা শুরু হতেই ঢুঁ মারলাম লাইব্রেরিতে। ক’দিন ধরে এই নিয়ে বিস্তর ঘাঁটাঘাঁটি করেছি।

    হুঁ যা বলছিলাম, আমাদের জগতে প্রবেশ করার জন্য পাইমন সাধারণত পুরুষ দেহ খোঁজে— রাগে অন্ধ পুরুষ, ভয়ে ফাঁপা হয়ে যাওয়া পুরুষ— এসবই তার টার্গেট। সে জোর করে ভেতরে ঢোকে না। পাইমন অপেক্ষা করে— যতক্ষণ না তুমি নিজেই দরজা খুলে দাও। আর সেই দরজার চাবি হল ভয়, যন্ত্রণা, ঘৃণা। সেই দরজাই এক রাতে খুলে দিয়েছিল বেঞ্জামিন মুডি… এল কে? পাইমন? উঁহু, এল অন্য একটা পরজীবী… ডিমন না, নিম্নস্তরের নারকীয় অস্তিত্ব কোনো…”

    কথাটা শেষ করতে পারে না বৃষ্টি। বাঁক ঘুরতেই দুলেপাড়া প্রাইমারি স্কুল। খাটো পাঁচিল দিয়ে ঘেরা স্কুলের বারান্দায় খালি গায়ে একটা বোতাম খোলা জিন্সের জ্যাকেট পরে বসে ছিল তেন্ডুয়া।

    বৃষ্টিকে দেখে ম্লান হাসল সে। বলল, “এক ঘণ্টার ওপর হয়ে গেল বসে আছি। কখন ছেড়েছে মানসদা?”

    বৃষ্টি তাড়াতাড়ি করে বলল, “সরি সরি! খুব সরি! ছেড়েছে অনেকক্ষণ পিকুকে সেই বেঞ্জামিন সাহেবের ঘটনাটা বলতে বলতে আসছিলাম তো, তাই দেরি হয়ে গেল…”

    “সিনেমাটা দেখতে যাবি কি যাবি না? তুই বললি বলেই টিকিট কেটেছি। নইলে কাটতাম না।”

    “যাব তো? সাইকেলটা?”

    “এখানেই লক করে রেখে দে। সবাই জানে এটা তোর সাইকেল। ছোঁয়ার দম আছে কারও?”

    নিজের সাইকেলে চাবি দিয়ে প্রাইমারি স্কুলের বারান্দায় তুলে দিল বৃষ্টি। তেন্ডুয়ার সাইকেলের রডে পা ঝুলিয়ে বসে পিকুর দিকে ফিরে বলল, “বাকিটা তোকে পরে বলব পিকু। অনেকদিন হল ‘বরফি’টা দেখব দেখব করছি। অনেক দেরি হয়ে গেছে। চললাম রে। আর শোন…”

    “কী?”

    “মা যদি পরে দেখা হলে জিজ্ঞেস করে কোথায় ছিলাম, বলবি তোদের বাড়ি প্র্যাকটিক্যাল খাতা লিখতে গিয়েছিলাম। তোর মা না খাইয়ে ছাড়ল না।”

    তেন্ডুয়ার সাইকেলটা বাঁক ঘুরে অদৃশ্য হয়ে যাওয়ার পরেও মিনিটখানেক একই জায়গায় দাঁড়িয়ে রইল পিকু।

    .

    মানসদের বাড়িটা শহরের এক প্রান্তে। একটেরে। আশেপাশে বাড়িঘর খুব একটা নেই। বনেদি বাড়ি। এককালে টাকাকড়ি ছিল ভালোই। সেকেলে বড়োলোকরা নতুন বাড়ি করলে পাঁচটা ছোটোলোক মহল্লা থেকে একটু তফাত বজায় রেখেই করতেন।

    এখন বাড়িটাকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন একটা প্রাগৈতিহাসিক জীবন্ত জীবাশ্ম। দেওয়াল ফাটিয়ে উঠেছে বট-অশ্বত্থ। সামনে-পেছনে বেশ কিছুটা বাগান। বিশাল ছাদের আলসেতেও জায়গায় জায়গায় ভাঙন ধরেছে।

    সেই আলসেরই একটা মজবুত অংশের ওপর পা ঝুলিয়ে বসেছিল মানস। রাত্তির দেড়টা বাজতে চলল। চাঁদের আলোয় ধুয়ে যাচ্ছে শিমুলগাছা।

    আঙুলগুলো খেলা করছে গিটারের তারের ওপর। ঠোঁটে ঝুলছে জ্বলন্ত সিগারেট। পুরোনো অভ্যেস।

    “মন গোধুলি… নীল ডেনিমে…
    লাল পলাশের… বন আগুনে …

    পিয়ালির কথা বড্ড মনে পড়ছে মানসের। মাসছয়েক হয়ে গেল পিয়ালিকে দেখেনি সে। কলকাতায় মাস্টার্স করতে গেছে পিয়ালি। সে যাক, কিন্তু মানসের সঙ্গে ব্রেকআপ করে যাওয়ার কি খুব দরকার ছিল?

    পিয়ালির কথা ভাবলেই বুকের কাছটা টনটন করে ওঠে তার। গলার কাছে দলা পাকায় কান্না।

    “জ্বলে পুড়ে হায়… তাকে ছুঁতে চায়…”

    গিটারের মূর্ছনায় মত্ত মানসের হঠাৎ মনে হল তাকে যেন কেউ দেখছে। তার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় তাকে টের পাইয়েছে এক অচেনা অদ্ভুত উপস্থিতির।

    বাজনা থামিয়ে উৎকর্ণ হল মানস।

    চারপাশ আশ্চর্য রকমের নিস্তব্ধ। ঝিঁঝিরাও যেন ডাকতে ভুলেছে।

    এই অদ্ভুত নীরবতায় মানসের কান ভোঁ ভোঁ করে উঠল।

    তেরছা হয়ে পড়া চাঁদের আলোয় মানস দেখল কেউ একজন নীচের উঠোনে দাঁড়িয়ে আছে। মানুষ মনে হলেও দাঁড়ানোর ভঙ্গিটা বেশ অন্যরকমের। ডিসকভারি চ্যানেলে যেভাবে শ্বেতভাল্লুককে পেছনের দু’পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে উঠতে দেখা যায়, কতকটা সেরমই।

    ভুরু কুঁচকে খানিকক্ষণ চেয়ে রইল মানস। তারপর হাঁক পাড়ল, “কে বে? কে?”

    সেই মূর্তির দিক থেকে কচি গলায় ভেসে এল, “আমি… এসো… আমি… এসো…”

    এই গলা মানস চেনে। এটা তিতলির গলা। যে তিতলি গত পাঁচদিন ধরে নিখোঁজ।

    আড়ষ্ট হয়ে গেল মানস। সাবধানে গিটারটাকে ছাদের দিকে নামিয়ে রাখল সে। আলসে টপকে ছাদে নেমে পড়ে আবার ওপর থেকে মুখ বাড়াল সে।

    উঠোন ফাঁকা। কেউ নেই।

    খচমচ একটা শব্দ পেয়ে মানস চমকে দেখল সেই অচেনা অস্তিত্ব হঠাৎই বাড়ির দেয়াল বেয়ে ওপরে উঠতে শুরু করল— উল্লম্বভাবে, অসম্ভব গতিতে।

    মানস কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেই মানবসদৃশ দানব পৌঁছে গেল ছাদের কিনারায়। মানস দৌড় দিল ছাদের দরজার উদ্দেশে।

    প্রচণ্ড গতিতে হুড়মুড়িয়ে মানসকে পেরিয়ে গেল সে। হড়কে গিয়ে ব্রেক কষে দাঁড়াল ছাদের দরজার সামনে। একমাত্র ভেতরে ঢোকার পথটুকুও বন্ধ হয়ে গেল মুহূর্তের মধ্যে।

    সেই দানবের দিকে তাকাতেই রক্ত জল হয়ে গেল মানসের। বিশাল হাঁ করা মুখগহ্বরের শূন্যতার মাঝখান থেকে হঠাৎ বেরিয়ে এসেছে প্ৰকাণ্ড একটা জিভ। লকপকাচ্ছে রাবারের মতো— ঘৃণ্য, জীবন্ত।

    ছোটোবেলায় আলিপুর চিড়িয়াখানায় দেখা বিশাল কালচে অজগরের কথা মনে পড়ে গেল তার।

    লম্বা, ভেজা, হিলহিলিয়ে বাতাস চিরে বেরিয়ে এসেছে সেই ঘৃণ্য অস্তিত্ব।

    ছোবল মারার জন্য তৈরি সে।

    প্রচণ্ড ভয়ে মানসের মাথা কাজ করা বন্ধ করে দিল।

    চিন্তা নয়, কেবল প্রবৃত্তি— ফাইট অর ফ্লাইট।

    ছাদের একপাশে ঝুঁকে থাকা ইউক্যালিপটাস গাছটার দিকে দৌড় লাগাল সে। গাছটার একটা ডাল ছাদের ঠিক গায়ে ঠেকে রয়েছে। একটাই সুযোগ।

    স্কুল লেভেলে দুর্দান্ত জিমন্যাস্ট ছিল সে। নিজের দক্ষতায় ভরসা আছে তার।

    লাফ দিল মানস।

    সেকেন্ডের জন্য মনে হল, ডালটা সে ধরে ফেলেছে।

    পরের সেকেন্ডেই হাত ফসকে গেল।

    মটমটিয়ে ভাঙতে লাগল ডালপালা। শুকনো ডাল আর পাতার ঘষা খেয়ে হুড়মুড়িয়ে নীচের দিকে পড়তে লাগল সে।

    মাটিতে পড়ার সময় তার ডান পা মুচড়ে গেল। না মুচড়ে যায়নি। তীব্র যন্ত্রণা আর মট শব্দে মানস বুঝল পায়ের হাড় ভেঙেছে।

    ব্যথা এমন তীব্র যে মানস শ্বাস নিতে ভুলে গেল। চিৎকার বেরোল না। গলার ভেতরেই আটকে গেল যন্ত্রণা।

    গলগলিয়ে বেরিয়ে আসার রক্তের ধারার সঙ্গে শরীরের ভেতর থেকে শক্তি যেন টেনে বের করে নেওয়া হচ্ছে, ধীরে ধীরে।

    মাটিতে পড়ে রইল সে। অচল, ক্ষতবিক্ষত।

    তখনই প্রাণীটা নামতে শুরু করল দেয়াল বেয়ে।

    কিন্তু আগের মতো তাড়া নেই। এবার সে চার হাত-পায়ে ধীরে ধীরে নেমে আসছে।

    জ্বলজ্বলে চোখজোড়া দেখতে পেল মানস।

    ছোটো ছোটো পুঁতির মতো, নিস্পৃহ।

    সেই চোখে কোনো রাগ নেই, কোনো তাড়াহুড়ো নেই। সে নিশ্চিন্ত- শিকার আর পালাতে পারবে না।

    সে আর কোনো উন্মত্ত দানব নয়। ঠান্ডা মাথার নিখুঁত হত্যাযন্ত্র।

    সে এখন একটা মাকড়সা, নিজের জালে কম্পন টের পেয়েছে। শিকার এসে ফেঁসেছে তার জালে, আহত

    মাটিতে নেমে পড়েছে সে— এখন আর ছুটছে না। চার হাতে পায়ে প্রদক্ষিণ করছে উপুড় হয়ে পড়ে থাকা মানসকে। সে জানে এই খাবার পালাবে না।

    মানসের গলা দিয়ে বেরিয়ে আসে চাপা গোঙানির শব্দ।

    চেতনা লোপ পেতে থাকে তার। জ্ঞান হারানোর আগে মানস বুঝতে পারে তার মুখের মধ্যে প্রবেশ করেছে নরম হিলহিলে দুর্গন্ধময় একটা অস্তিত্ব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    Next Article সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }