Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    নির্বাণ রায় এক পাতা গল্প212 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুঃস্বপ্ন, প্ৰতিশ্ৰুতি, যুদ্ধপ্ৰস্তুতি

    ।। দুঃস্বপ্ন, প্ৰতিশ্ৰুতি, যুদ্ধপ্ৰস্তুতি ।।

    নদীর চরের কাদায় বিশুর পা গেঁথে গেছে। অনেক চেষ্টা করেও বিশু নড়তে পারছে না। ঘামে শরীর ভিজে জবজব করছে। শেষ বিকেলের লালচে আলোয় চরাচর ভেসে যাচ্ছে। অতিকষ্টে একটা পা তুলে সামনে ফেলল সে। আবার কাদাতে গেঁথে গেল। বিশু দেখল সামনে হাত পাঁচেকের দূরত্বে একটা শকুন বসে রয়েছে। ঘাড় বেঁকিয়ে টকটকে লাল চোখ বিশুর চোখে স্থির করে অবিকল পাপানের গলায় সেটা বলে উঠল,

    “বোন ডেকেছিল। তোকে বলেছিলুম। তুই এলিনি আমার সঙ্গে। এবার দ্যাখ কী হয়…”

    বিশু চেঁচিয়ে বলতে গেল, “সরি ভাই, আমি বুঝিনি ভাই,” কিন্তু গলা দিয়ে কোনো শব্দ বেরোল না। অবাক হয়ে সে দেখল শকুনটা আর নেই। তার জায়গায় বিশুর বাবা হাঁটু গেড়ে বসে আছে— উলঙ্গ এবং সারা শরীর ক্ষতবিক্ষত।

    একটা বীভৎস হাসি হেসে বাবা অবিকল পাপানের বোন তিতলির কচি গলায় বলে উঠল, “দেখবি আমার কী হাল?”

    বাবা হাঁ করল। লাল টকটকে গোল হাঁ। মুখের ভেতরটা মসৃণ। জিভ নেই। বিশুর চারপাশ পাক খেতে লাগল। অনেকে হেসে উঠল। অট্টহাসির কোরাস। সে দেখল পাপান হাসছে, তিতলি হাসছে, নীলু হাসছে, মানসদা হাসছে। তাদের কারও মুখের মধ্যে জিভ নেই।

    অন্ধকার মুখগহ্বর। উন্মাদ করা হাসির শব্দ।

    চার হাতে পায়ে কাদার ওপর হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে এসে বিশুর চুলের মুঠি খামচে ধরল বাবা। বিশুর চোখের কোণ দিয়ে একফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল। গোল অন্ধকার মুখছিদ্র থেকে ভেসে এল, “ওঠ, ওঠ বলছি। খজরা ছেলে সন্ধেবেলা পড়ে পড়ে ঘুমুচ্চে।”

    ধড়মড়িয়ে উঠে বসে বিশু দেখল সন্ধে হয়ে গেছে। গেঞ্জিটা ঘামে ভিজে সপসপ করছে। জানলার বাইরের ল্যাম্পপোস্টটার আলো এসে ঘরের মেঝেতে পড়েছে। বিশুর ভাই তার পাশেই গায়ে বালাপোশ চাপিয়ে হাঁ করে ঘুমুচ্ছে। বেশ ঠান্ডা পড়েছে। তাও বিশু ঘেমে গেছে। শাঁখের শব্দ পেল সে। পাশের বাড়িতে সন্ধে দিচ্ছে। ফ্যালফ্যাল করে চেয়ে দেখল বাবা তার সামনে কোমরে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    ভুরু কুঁচকে বাবা বলল, “আজগে দুপুরে বায়োলজি পড়া ছিল না? গেলিনি কেন?”

    ঠোঁটের কোণ দিয়ে লাল গড়াচ্ছিল। হাতের উলটোপিঠ দিয়ে মুছে নিয়ে চোখ বড়ো বড়ো করে বাবার দিকে আবার তাকাল সে।

    বাবা তাহলে বেঁচে আছে। বিশু তাহলে ঘরেই আছে। বুকের ওপর বায়োলজি বইটা উপুড় করা ছিল। উঠে বসতে সেটা হড়কে পেটের ওপর নেমে গেছে। খেয়েদেয়ে উঠে পড়া মুখস্থ করতে করতে ঘুমিয়ে পড়েছিল সে। বাবা আবার বলে উঠল, “মাস গেলে মাইনেগুলো গুনেগেঁথে দিয়ে আসছি আর তুই পড়া কামাই করে পড়ে পড়ে ঘুমুচ্ছিস?”

    বিশু দু’হাতে বাবার কোমর জাপটে ধরে ভুঁড়িতে মুখ গুঁজে দিল। বলল, “আমাকে ছেড়ে তোমরা কোত্থাও যেউনি, প্লিজ। প্লিজ প্লিজ প্লিজ প্লিজ। আমিও যাবুনি। কেউ ডাকলে যাবুনি। কেউ ডাকলে না…”

    বাবা ঘাবড়ে গিয়ে বেশ নরম গলায় বলে উঠল, “আহা! ছেড়ে যাওয়ার কথা আসছেই বা কেন? বলছি পড়তে গেলিনি কেন? পড়া কামাই করাটা কি ঠিক? তুই-ই বল।

    বিশু পেটের ওপর থেকে বইটা তুলে বাবার দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, “কী ধরবে ধরো। কোত্থেকে ধরবে ধরো। সব তৈরি।”

    মা ঘরে এসে ঢুকল। মায়ের মুখ থমথমে।

    “বাবু, তোকে ডাকছে…

    “কে গো? আবির?”

    বাবা আবার রেগে উঠে বলল, “একে পড়তে যাসনি। এখন যদি আবিরের সঙ্গে আড্ডা মারতে বেরুস কী করি দ্যাখ। একে আধঘণ্টা বাদেই সাইরেন দেবে…”

    বিছানা থেকে তাড়াতাড়ি নেমে হাওয়াই চটিটা পায়ে গলাতে গলাতে বিশু বলল, “না না, বোধহয় নোটস ফোটস দিতে এসেছে। ও মা, ওকে ঘরে ডাকলে না কেন? পিকু এসেছে না আবির একা?”

    মা কিছু বলতে যাচ্ছিল। তার আগেই বিশু ঘর থেকে বেরিয়ে তড়বড়িয়ে সিঁড়ি দিয়ে নেমে এসে মাঝপথেই থমকে গেল। সিঁড়ির নীচেই প্রত্যয় দাঁড়িয়ে রয়েছে। আমাদের একতলার দালানে। পেছনে বন্দুক কাঁধে দু’জন কনস্টেবল। শুকনো মুখে প্রত্যয় বলল, “বাবা একবার তোকে ডাকছে। দু’জনে যাতে একা না বেরোই তাই সঙ্গে গার্ড দিল।”

    বিশুর পেছনে বাবা এসে দাঁড়িয়েছে। বাবা তার কাঁধে একটা হাত রেখে গম্ভীর গলায় বলল, “ও কোত্থাও যাবে না।”

    প্রত্যয় বলল, “কাকু আপনিও চলুন। খুব দরকার। অনেকেই এসেছে। আবির…” প্রত্যয়ের গলা কেঁপে গেল। বিশুর হাত-পাও ততক্ষণে কাঁপতে শুরু করে দিয়েছে। বেশ উত্তেজিত হয়ে বিশু বলল, “আবির বলে থেমে গেলি কেন? কী হয়েছে আবিরের?”

    বিশুর দিকে শূন্য দৃষ্টিতে চেয়ে রইল প্রত্যয়।

    .

    “গ্রামবাংলার লোকবিশ্বাস বিষয়ক এক সংক্ষিপ্ত সংকলনের পৃষ্ঠা, ১৯১৯ সংস্করণ—

    নিম্নলিখিত বিবরণটির রচয়িতা অনিশ্চিত। হস্তলিপি লক্ষ করিলে প্রতীয়মান হয় যে ইহা সংকলক কর্তৃক রচিত নহে, বরং কোথাও হইতে নকল করিয়া লিপিবদ্ধ। বানান ও ব্যাকরণ অবিকৃত রাখা হইয়াছে।

    পূর্ববঙ্গের বিস্মৃত আতঙ্কসমূহের মধ্যে একটির উল্লেখ পাওয়া যায়- যাহাকে নীরবতা-ভোজী (Silence-Eater) বলা হয়। ইহা প্রাকৃতিক নিয়মে জন্মগ্রহণকারী কোনো সত্তা নহে; অসম্পূর্ণরূপে আহূত এক বস্তু, যাহার প্রকৃত দেহ না মাংস, না আত্মা।

    কথিত আছে, কোম্পানি শাসনের অন্তিম পর্বে এক ইংরাজ নীলকর, স্থানীয়ভাবে ‘মুডি সাহেব’ নামে পরিচিত, দানবতাত্ত্বিক পাণ্ডুলিপি বা গ্রিমোয়া হইতে সংগৃহীত এক প্রেত আমন্ত্রণমূলক আচার সম্পাদনের চেষ্টা করেন।

    খণ্ডিত সূত্র অনুসারে, তাঁহার উদ্দেশ্য অমরত্ব নহে; উদ্দেশ্য ছিল আনুগত্য— ভূমি, শ্রম ও কণ্ঠস্বরের ওপর সম্পূর্ণ কর্তৃত্ব।

    আচারটি অভিপ্রায়ে ব্যর্থ হইয়াছিল, কিন্তু পরিণামে সফল।

    যাহা সীমা অতিক্রম করিয়া আসিয়াছিল, তাহা কোনো নামযুক্ত দানব নহে, বরং একপ্রকার সেবক- এক ভাষিক পরজীবী, যাহাকে পরবর্তীকালে দানবরাজ পাইমনের সহিত সংশ্লিষ্ট শক্তির অধীন বলিয়া চিহ্নিত করা হয়।

    এই সত্তা ধার করা বাক্য ব্যতীত অস্তিত্ব ধারণ করিতে পারে না। সে জিহ্বা চুরি করে— আপন বিকৃত অঙ্গে জুড়িয়া লহে এবং তার সাহায্যে কথা বলিতে পারে, আদেশ দিতে পারে এবং প্রলুব্ধ করিতে পারে।

    তাহাদের মাধ্যমে সে শিশুর কণ্ঠে কাঁদিতে পারে, প্রেমিকের ন্যায় ফিসফিস করিতে পারে, অভিভাবকের ন্যায় আদেশ দেয়, অথবা মাতালের ন্যায় বিদ্রূপ করে। সে কেবল ক্ষুধার জন্য মাংস শিকার করে না; অস্তিত্বের ধারাবাহিকতার জন্য করে।

    তবে এই সত্তা অনির্দিষ্টকাল বিচরণ করে না। নথিপত্রে একরূপ ধারা লক্ষ করা যায়।

    তাহার সহিত সংযুক্ত নিখোঁজের ঘটনাসমূহ প্রায় ত্রিশ বৎসর অন্তর গুচ্ছাকারে সংঘটিত — ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ইহার আবির্ভাব, অন্তিমাংশে পুনরায় প্রাদুর্ভাব। পুনরাগম আবার উনিশশো কুড়ি নাগাদ।

    এই সময়সীমা সমূহের মধ্যবর্তী কালে সত্তাটি সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য থাকে।

    কেন? মুডি সাহেবের হস্তাক্ষরে প্রাপ্ত প্রান্তলেখ (যদি সত্য হয়) অনুসারে, এই সত্তা একই সঙ্গে অতিরিক্ত কণ্ঠ ধারণ করিতে পারে না। অতিরিক্ত উচ্চারণের ভারে ইহা অস্থিতিশীল হইয়া পড়ে। তখন ইহাকে সংগ্রহ করা পুরাতন জিহ্বাগুলি ঝরাইতে হয়, নিদ্রায় যাইতে হয়, এবং নিজেকে নীরব করিতে হয়।

    অতএব ইহা এমন এক অবস্থায় প্রবেশ করে, যাহাকে সর্বাপেক্ষা উপযুক্তরূপে শীতনিদ্রা বলা যায়।

    কোথায় ইহা নিদ্রা যায়, তাহা অজ্ঞাত। কেহ বলেন পুরাতন নদীবিলের তলদেশে। কেহ বলেন পরিত্যক্ত কূপে, ধসপ্রাপ্ত ভাণ্ডারে, অথবা দক্ষিণের জঙ্গলের গভীরে ক্ষয়প্রাপ্ত ভিত্তিমূলে। সত্তাটি মরে না; সে নিজেই নিজের মধ্যে ভাঁজ হইয়া যায়— জিহ্বাসমূহ প্রত্যাহার করিয়া, এমন স্থানে আত্মগোপন করে যেখানে কোনো শব্দ পৌঁছয় না।

    ইহার জাগরণ কেবল ক্ষুধা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নহে; আকাশমণ্ডলও ইহার ওপর প্রভাব বিস্তার করে। প্রাচীন জ্যোতিষগ্রন্থ— লাতিন, গ্রিক ও হিব্রু এক বিরল নক্ষত্রসমাবেশের উল্লেখ করে, যাহা প্রতি তিন দশকে একবার প্রত্যাবর্তিত হয়; যে সমাবেশ আদেশ ও আনুগত্য, শব্দ ও মাংসের মধ্যবর্তী আবরণকে ক্ষীণ করিয়া দেয় বলিয়া বিশ্বাস।

    আমি জ্যোতিষী নই, না কোনো উপাসক; তাই সেই বিন্যাস আমি নির্দিষ্ট করিতে অক্ষম। আমি কেবল যাহা সংগ্রহ করিয়াছি, তাহাই লিপিবদ্ধ করিতেছি।

    যখন সেই সমাবেশ পুনরায় উদিত হয়, নীরবতা-ভোজী জাগে।

    যখন তাহা অপসৃত হয়, সত্তাটি পুনরায় অন্তর্লীন হয়।

    ধারালো অস্ত্র বা গুলিতে ইহা বিনষ্ট হয় না; তবে তা ইহাকে আঘাত করিতে সক্ষম বলিয়া লক্ষ করা গিয়াছে। মূল শরীর থেকে প্রধান জিহ্বাটি

    কর্তন করিয়া নিলে হয়তো ইহাকে বধ করা যাইলেও যাইতে পারে।

    যদিও আমার আশঙ্কা, ইহাকে হত্যা করা অসম্ভব।

    প্রাণকৃষ্ণ সমাদ্দার।”

    ছেঁড়া পাতাটার পেছনে ফাউন্টেন পেনের কালো কালিতে টানা হাতে লেখা ক’টা নোট:

    “কাছেই থাকে। ওঁত পেতে থাকে। আড়াল থেকে অবজার্ভ করে।”

    “শিকারের ও তার কাছের মানুষদের গতিবিধি ও লক্ষ করে।”

    “থাকে কোথায়? দক্ষিণের জঙ্গল?”

    “জাগে কি সবসময়ই তিরিশ বছরের ব্যবধানে?”

    “বিরল নক্ষত্র সমাবেশ— জুড় জাগে, কাটলে ঘুমোয়।”

    বাবার ডায়রিটা নামিয়ে রাখলেন বড়োবাবু। তাঁর কপালে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে। সাব ইনস্পেক্টর মণ্ডল এসে বলল, “স্যার, বাইরে সবাই জড়ো হয়েছে।”

    বড়োবাবু ঘাড় নাড়তে বেরিয়ে গেল মণ্ডল।

    .

    বড়োবাবু দাঁড়িয়ে ছিলেন শিমুলগাছা ইউনাইটেড ক্লাবের চওড়া সিঁড়ির ওপর। সিঁড়ির ধাপগুলো জায়গায় জায়গায় ফাটা।

    এই একই জায়গায় একসময় স্বাধীনতা দিবসের বক্তৃতাগুলোর রিহার্সাল হত— অর্ধেক মুখস্থ, অর্ধেক ভুলে যাওয়া। বলা হত আরও খারাপভাবে, আর তার চেয়েও খাপছাড়াভাবে হাততালি পড়ত।

    আজ রাতে কোনো পতাকা নেই। কোনো ব্যানার নেই। কোনো স্লোগান নেই।

    শুধু বাঁশের খুঁটিতে ঝোলানো কয়েকটা হ্যারিকেন। ম্লান হলুদ আলো ঘিরে দাঁড়িয়ে থাকা কয়েকটা ছায়ামূর্তি। ছায়াগুলো দেয়ালের গায়ে লম্বা হয়ে উঠছে, আবার সঙ্কুচিত হচ্ছে। আলো আর অন্ধকারের মাঝখানে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোকে ঠিক মানুষও মনে হচ্ছিল না।

    শহরটা জড়ো হয়েছিল। লাঠি হাতে পুরুষেরা। খেঁটে বাঁশ, ভাঙা চেয়ার-পা, উইকেট, কারও কারও হাতে লোহার রড।

    কোমরে ধারালো ছুরি গুঁজে বাগদিপাড়ার হারাধনদের গ্যাংটাও হাজির। কিশোরদের চোখেমুখে চাপা উত্তেজনা, ভয় আর কিছু প্রমাণ করার জেদ একসঙ্গে মিশে আছে।

    কারও গায়ে কোমরে বাঁধা গামছা, কারও গলায় পুরোনো তোয়ালে, কারও মুঠোতে জড়ানো সাইকেলের চেন।

    বড়োবাবু গলা খাঁকারি দিলেন। হুইস্কির ঝাঁঝ এখনও তাঁর গলায় লেগে থাকলে কী হবে, কণ্ঠের দৃঢ়তা নষ্ট হয়নি।

    বহু বছর ধরে এই কণ্ঠই এলাকার ঝুটঝামেলা থামিয়েছে, রংবাজকে সায়েস্তা করেছে, জমিবাড়ি নিয়ে মারামারিও সাল্টেছে– কিন্তু আজকের সমস্যা অন্যরকম।

    “এবার আমরা জানি না…” বললেন, “আমরা ঠিক কীসের মুখোমুখি।” নীরবতা নেমে এল। সেই নীরবতা শুধু শব্দহীন নয়- ভারী, চাপা, অনুগত। শুনতে প্ৰস্তুত সবাই।

    “এ কোনো ভূতপ্রেতের কানাঘুষো না,” বড়োবাবু বললেন, “ছেলেভুলানো গল্পও নয়। আমাদের চেনাজানা কোনো প্রাণীও না। এ সাক্ষাৎ মৃত্যুদূত… পুরো ভুলভাল…”

    ফিসফিসানি ছড়িয়ে পড়ল ভিড়ের মধ্যে। কেউ ঠোঁট কামড়াল, কেউ পাশের জনের দিকে তাকাল।

    বড়োবাবু হাত তুললেন।

    “সবাই মন দিয়ে শোনো। ভয় পেলেই মরবে।”

    ভিড়ের মধ্যে থেকে কে একজন গলা খাঁকড়ে বলল, “দোষ নেবেন না বড়োবাবু, আমরা কি তার সঙ্গে এঁটে উঠতে পারব? সন্ধে নামলে ঘরে ঢুকে দোরে আগল তুলে দেওয়াই তো মনে হয় বুদ্ধিমানের কাজ।”

    ঠান্ডা চোখে তাকিয়ে বড়োবাবু বললেন, “ও! তোমার ঘরের কাউকে সে নেয়নি বুঝি রাজু? তুমি বরং দোরে আগল তুলেই বসে থাকো গে যাও। বাকিটা এই বাচ্চা ছেলেগুলো বুঝে নেবে। উপদ্রব থামলে তুমি বরং মনে মনে এদের ধন্যবাদ দিও। ভুলভাল লোক যত …”

    পরমুহূর্তেই চোখ চকচক করে উঠল তাঁর। ভারী গলায় হেঁকে বললেন, “যারা শিকারের দলে থাকতে না চায়, তারা আসতে পারে। কাপুরুষের কোনো স্থান এখানে নেই।”

    ভিড় নিরুত্তর। দু-একজন সবার অলক্ষে মিশে যায় বাইরের অন্ধকারে। “প্রথম ধাপ,” বড়োবাবু বললেন, “টোপ।”

    “আমাদের মধ্যে কেউ একজন ওটাকে টেনে বের করবে। একা।” বড়োবাবুর কণ্ঠ নির্লিপ্ত।

    “আমরা কয়েকজন ছেলেকে বেছে নেব। তাদেরই আমরা বাছব যারা কাছের কাউকে হারিয়েছে। এটুকু আমরা বুঝতে পেরেছি যে ওই

    দানব শিকার করার জন্য আমাদের ভালোবাসার মানুষের গলা নকল করে আমাদের প্রলুব্ধ করে। তাদের গলাই সে নকল করতে পারে যাদের জিভ সে নিয়েছে… ভুলভাল জিনিস একদম…”

    গলা কেঁপে যায় তাঁর।

    “বেছে নেওয়া ছেলেরা প্রতিদিন রাতে মনসাতলার ব্রিজ থেকে শুরু করে দক্ষিণের জঙ্গল অবধি হাঁটবে— একা। এক একজন বেছে নেবে এক একটা রুট। গা ঢাকা দিয়ে তাকে অনুসরণ করবে আমাদের হান্টিং পার্টি। শিকারের সন্ধানে সে বেরোলেই আমরা গুলি চালাব।”

    “গুলিতে সে মরবে?”

    “উঁহু। তবে পুরোনো কাগজপত্র ঘেঁটে যা পেয়েছি তাতে এটুকু বুঝতে পেরেছি যে তার যন্ত্রণার বোধ আছে। গুলি চালাব আমরা তাকে তাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য…”

    “কোথায়?”

    “দক্ষিণের মাঠে। সেখানে আমাদের হান্টিং পার্টিরা চতুর্দিক থেকে ঘিরে ফেলবে তাকে। এটাই দ্বিতীয় ধাপ।”

    তিনি একে একে সবার দিকে তাকালেন।

    “ওকে ঘিরে ফেললেই কাজ শেষ না। কেউ ওর মুখের দিকে তাকাবে না। ও কথা বললে শুনবে না।”

    তাঁর কণ্ঠ আরও কঠিন হয়ে উঠল।

    “ও তোমাদের প্রিয় মানুষের গলা ব্যবহার করবে। হাসবে। মিনতি করবে। অনেক ভুলভাল জিনিস করবে। এভাবেই ও শিকার করে।”

    ভিড়ের মধ্যে কয়েকজন অজান্তেই চোখ বন্ধ করল। কেউ নিজের ছেলের মুখ মনে করে ফেলল, কেউ মৃত মায়ের গলা।

    “সে শক্তিশালী,” বড়োবাবু বললেন, “একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষকে কাপড়ের পুতুলের মতো ছিঁড়ে ফেলতে পারে সে। থমকে গেলেই মরবে।”

    একটু দম নিলেন বড়োবাবু।

    “তৃতীয় ধাপ, সবচেয়ে ভুলভাল…” বড়োবাবু বললেন, “শিকারের কায়দা।”

    তিনি সিঁড়ি বেয়ে নেমে এলেন। পায়ের কাছে রাখা বস্তা থেকে তুলে ধরলেন একটা শিকল। জং-ধরা। ভারী। শিকলের প্রান্তে ঝুলছে একটা বাঁকানো হুক।

    “এই জিনিসটাকে দিয়ে তাকে শিকার করব আমরা। আমাদের কাজ ওর ওই জিভে এই হুকটা গেঁথে দেওয়া। তারপর সেটাকে টেনে ধরব আমরা। শেষ স্টেপ ওর শরীর থেকে জিভটাকে বিচ্ছিন্ন করা…”

    ভিড়ের ভেতর থেকে একটা ভারী গলা বলে উঠল,

    “যথেষ্ট হয়েছে। আর না!”

    সবাই চমকে ঘুরে তাকাল।

    অর্ক রায় ভিড় ঠেলে এগিয়ে এলেন সামনে। মুখ লাল, চোখ জ্বলছে। বড়োবাবু কিছু বলার আগেই অর্ক রায় ভর্ৎসনার সুরে বললেন, “আপনি কি পাগল হয়ে গেছেন? মানুষের জীবন নিয়ে জুয়া খেলতে চান? আমরা এখনও জানিই না এই খুনগুলোর পেছনে ঠিক কে বা কারা রয়েছে। অথচ আপনি কিশোর ছেলেদের রাতের অন্ধকারে পাঠাতে চাইছেন অজানা কিছুর সঙ্গে লড়তে?”

    ভিড় নিঃশব্দ।

    “সাইকোপ্যাথ হতে পারে,” অর্ক বললেন। “হতে পারে মানুষখেকো কোনো জন্তু। হতে পারে সশস্ত্র অপরাধী দল। আমরা কিছুই কিন্তু এখনও জানি না। আর জানলেও সিভিলিয়ানদের নিয়ে দাঙ্গা হাঙ্গামা বাঁধিয়ে হিরো সাজতে আমি আপনাকে দিচ্ছি না…”

    সিঁড়ির ধাপে উঠে দাঁড়িয়ে ভিড়ের দিকে ফিরলেন অর্ক রায়। বললেন, “সরি! আমি এই প্ল্যান অ্যাপ্রুভ করছি না। আমার অনুমতি ছাড়া কোনো সিভিলিয়ান নাইট কার্ফিউ ভাঙলে তার এগেন্সটে আমি কড়া স্টেপ নেব…”

    ভিড়ের মধ্যে চাপা গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ল।

    বড়োবাবু মুখ খুললেন। “কিন্তু…”

    “না…” বড়োবাবুর দিকে না ফিরেই অর্ক রায় ধমকে উঠলেন, “কোনো কিন্তু না। এটাই শেষ কথা।”

    বাঁশের খুঁটি থেকে হাত বাড়িয়ে তুলে নিলেন একটা হ্যারিকেনে সেই আলোয় ক্লাবের দেয়ালে অর্ক রায়ের ছায়াটা লম্বা হয়ে উঠল। শক্ত অবস্থান নিয়েছেন তিনি। পাতলা হতে শুরু করল ভিড়।

    আর সেই মুহূর্তে, অন্ধকারটা যেন দক্ষিণের জঙ্গলের দিক থেকে শহরের আরও একটু কাছে সরে এল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    Next Article সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026
    Our Picks

    সাতগাঁর হাওয়াতাঁতিরা – পরিমল ভট্টাচার্য

    July 2, 2026

    শিমুলগাছা জায়গা সুবিধের না – নির্বাণ রায়

    July 2, 2026

    ডঃ ডেথ – সায়ন্তনী পূততুণ্ড

    July 2, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }