Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. ভয়ংকর একটা শব্দ

    বুধবার রাত্রি বেলা ভয়ংকর একটা শব্দে আমাদের ছোট শহরটা কেঁপে উঠল–কিসের শব্দ কোথায় শব্দ কেমন করে শব্দ কিছুই আমরা জানতে পারলাম না। শব্দটা মনে হয় দক্ষিণ দিক থেকে এসেছে এছাড়া কিছুই টের পাওয়া গেল না। যখন কোনো কিছু জানা না যায়, তখন নানা রকম গুজব ডালপালা ছড়ায়, তাই এবারেও নানারকম গুজব শুনতে পেলাম। সবচেয়ে পানশে গুজব হচ্ছে কাছাকাছি একটা ট্রান্সফর্মার ফেটে গেছে। সবচেয়ে চমকপ্রদ গুজবটা হল চীন আর আমেরিকার মাঝে যুদ্ধ শুরু হয়েছে, আমেরিকা থেকে চীনের দিকে একটা মিসাইল ছুঁড়েছে, পুরোটা যেতে পারে নাই মাঝখানে আমাদের শহরের ওপর পড়েছে। শহরের দক্ষিণ দিকটা পুরো বাতাস হয়ে উড়ে গেছে।

    আমি একটু দীর্ঘশ্বাস ফেললাম, অক্সব্রীজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল শহরের দক্ষিণ দিকে, সেই স্কুল বাতাস হয়ে উড়ে গেলে আমাদের কী লাভ? আমাদের স্কুল শহরের উত্তরে, যদি উত্তর দিক বাতাস হয়ে উড়ে যেতো আমাদের কিছু একটা লাভ হত।

    পরদিন স্কুলে গিয়ে দেখলাম বগা এক কপি দৈনিক মহব্বত নিয়ে এসেছে, সেই পত্রিকার প্রথম পৃষ্ঠায় বড় বড় করে হেড লাইন “প্রচণ্ড বিস্ফোরণে অক্সব্রীজ স্কুল বিধ্বস্ত। স্কুল অনির্দিষ্ট কালের জন্যে বন্ধ ঘোষণা।” ভিতরে ছোট ছোট করে লেখা আনুমানিক রাত আটটা তিরিশ মিনিটে একটা প্রচণ্ড বিস্ফোরণে স্কুলের মূল ভবনটি ধ্বসে পড়েছে। কোথায় কেন কীভাবে সেটি ঘটেছে কেউ জানে না। অনুমান করা হচ্ছে স্কুলের ল্যাবরেটরিতে বিস্ফোরণের সূত্রপাত। স্কুলের গার্ড বলেছে, সে রাত আটটার দিকে দশ বারো বছরের একটি ছেলেকে দোতালার বারান্দা দিয়ে হেঁটে যেতে দেখেছে। ল্যাবরেটরির দায়িত্বে থাকা বিজ্ঞান শিক্ষককে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। ল্যাবরেটরির একটা চাবির কোনো হদিস নেই। অনেক বড় বিস্ফোরণ হলেও কোনো মানুষ আহত হয়নি কিংবা মারা যায়নি।

    খবরটা পড়ে আমাদের খুব দুঃখ হল। ঘটনাটা যদি অক্সব্রীজ স্কুলে না হয়ে আমাদের স্কুলে হতো তাহলে কী মজাই না হতো, অনির্দিষ্ট কালের জন্যে স্কুল বন্ধের আনন্দটাই অন্যরকম–আমি লিখে দিতে পারি অক্সব্রীজ স্কুলের ছেলেমেয়েরা কোনোদিন এই আনন্দ উপভোগ করতে পারবে না। বরং তাদের নিশ্চয়ই মন খারাপ যে তারা স্কুলে যেতে পারছে না।

    পরের কয়েকদিন আমরা খুব মনোযোগ দিয়ে দৈনিক মহব্বত পড়লাম, সেখানে একটা রহস্যময় বালকের কথা লেখা হল, কিন্তু কর্তৃপক্ষ বিষয়টা ধামাচাপা দিয়ে রাখল। আমরা একদিন অক্সব্রীজ স্কুলটা দেখে এলাম, তাদের সুন্দর বিল্ডিংয়ের বড় অংশ এখনো ধ্বসে পড়ে আছে। কবে সেই স্কুল আবার দাড়া হবে কে জানে।

    এর দুইদিন পর আমাদের স্কুলে একটা নূতন ছেলে ভর্তি হল। আমাদের স্কুলের ছেলেমেয়েরা যেহেতু লেখাপড়া করে না তাই কখনো তাদের চোখ খারাপ হয় না। সেজন্যে আমাদের স্কুলের ছেলেমেয়েদের কারো চোখে চশমা নেই। আমাদের স্কুলে যে নূতন ছেলেটা ভর্তি হল তার চোখে চশমা এবং দেখেই বুঝতে পারলাম তার চশমার অনেক পাওয়ার। ছেলেটার জামা কাপড় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন, শুধু তাই না আমরা দেখলাম তাকে একটা গাড়ী থেকে নামিয়ে দেয়া হল। স্কুলে ঢোকার আগে গাড়ী থেকে নেমে একজন মহিলা নিশ্চয়ই ছেলেটার মা— অনেকক্ষণ ছেলেটার সাথে কথা বললেন। দূর থেকে কথা শোনা যাচ্ছিল না, আমরা শুধু অনুমান করতে চেষ্টা করলাম কী বলছেন। ঝুম্পা বলল, “বলছেন, এই বাদমাইস পাজীর পা ঝাড়া একটান দিয়ে তোর কল্লা ছিড়ে ফেলব, ঘুষি মেরে তোর ভূড়ি ফাঁসিয়ে দেব। তোর মতো অপদার্থ বেজন্যাকে জন্ম দেওয়ার কারণে আজকে আমার এতো বড় অপমান, মহব্বতজান স্কুলে তোকে ভর্তি করাতে হচ্ছে, চৌদ্দ গুষ্ঠির সামনে আমি মুখ দেখাতে পারব না। ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ ছিঃ!”

    ফারা বলল, “উহু, মায়ের চেহারা দেখেই বোঝা যাচ্ছে মা এরকম খারাপ খারাপ কথা বলতে পাবেন না। আমার মনে হয় মা বলছেন, আমি তোকে নিয়ে আর পারি না। বাবা তুই আর আমাকে কতো জ্বালাতন করবি? তোর অন্য ভাইবোন তো তোর মতো না। তারা ঠিকমত লেখাপড়া করে ভালো ব্যবহার করে। তুই কেন এরকম? এই শহরে কী আরো এক ডজন ভালো স্কুল নাই? তাহলে তোকে কেন মহব্বতজান স্কুলে ভর্তি করতে হচ্ছে?”

    বগা বলল, “আমার কী মনে হয় জানিস? আমার মনে হয় মা বলছেন, তোর চেহারা দেখে কেউ অনুমান করতে পারবে তুই এতো দুষ্টু? ভালোমানুষের মত চেহারা, আর তলায় তলায় এতো দুষ্টুমি? তোকে কোনো ভদ্র স্কুল নিতে রাজী হচ্ছে না–শেষ পর্যন্ত মহব্বতজান স্কুলে এনে ভর্তি করতে হচ্ছে? আমি এখন কোথায় যাব?”

    আমি কিছু বললাম না, ছেলেটাকে দূর থেকে ভালো করে লক্ষ্য করলাম। মা যখন তার সাথে কথা বলছে তখন তাকে দেখে মনে হলো কথাগুলো তার এক কান দিয়ে ঢুকে অন্য কান দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে। কথাগুলো মনে হয় সে শুনছেই না কিংবা শুনলেও বুঝছে না। ছেলেটা কেমন যেন উদাস উদাস ভাবে দাঁড়িয়ে রইল। মাঝে মাঝেই ডান হাতটা তুলে বুকের কাছে নিয়ে আসছে। মনে হয় পকেটে কিছু একটা আছে যেটা একটু পরে পরে হাত দিয়ে দেখছে সেটা আছে না চলে গেছে। মা বেশ কিছুক্ষণ কথা বলে ছেলেটাকে ছেড়ে দিলেন তখন ছেলেটা স্কুলের দিকে এগিয়ে এল। সে কোন ক্লাশে ভর্তি হবে আমরা তখনো জানি না, তাই তাকিয়ে তাকে লক্ষ্য করতে লাগলাম।

    মহব্বতজান স্কুলের কোনো ছিরি ছাদ নাই, কোনটা কোন ক্লাশ সেটা কোথাও লেখাও নাই। শুধু তাই না, ক্লাশ রুম গুলো সাজানোও নাই, ক্লাশ গ্রীয়ের পাশে ক্লাশ এইট, সেভেনে পাশে টেন এরকম। কেউ যদি না জানে কোনোভাবেই সে তার ক্লাশ খুঁজে পাবে না। আমাদের স্যার ম্যাডামেরাও খুঁজে পান না, তাই তারা মাঝে-মধ্যে ভুলভাল ক্লাশে এসে বসে থাকেন, কিন্তু তারা যেহেতু কোনো কিছু পড়ান না কারো কোনো সমস্যা হয় না। একবার জলীল স্যার আমাদের বেদম পিটাচ্ছিলেন, আমি স্পষ্ট শুনলাম স্যার বিড়বিড় করে বলছেন, “এতো বড় বড় ছেলেমেয়ে এখনো ক্লাশ ফ্রীতে পড়ে!” আমরা তখন ক্লাশ এইটে পড়ি।

    যাই হোক ছেলেটাকে খুবই বিভ্রান্ত দেখা গেল, তখন হঠাৎ সে আমাদেরকে দেখতে পেল। সে আবার ডান হাতটা তার বুকের কাছে ধরে বুক পকেটের জিনিসটা পরীক্ষা করে আমাদের দিকে এগিয়ে আসে, কাছাকাছি এসে চশমার ফাঁক দিয়ে আমাদেরকে এক নজর দেখে বলল, “ক্লাশ এইট কোনটা বলতে পার?”

    বগা জিজ্ঞেস করল, “তুমি ক্লাশ এইটে পড়?”

    ফারা বলল, “তোমাকে যে নামিয়ে দিলেন, উনি কী তোমার আম্মু? যা সুইট!”

    ঝুম্পা জিজ্ঞেস করল, “তোমার নাম কী?”

    আমি বললাম, “তোমার পকেটে কী?”

    ছেলেটা ঝট করে সোজা হয়ে গেল, তারপর কেমন যেন ভ্যাবাচেকা খেয়ে আমার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল। বোঝাই যাচ্ছে পকেটে যে জিনিষটা আছে সেটার কথা সে কাউকে জানাতে চায় না। আমি ছেলেটার চোখের দিকে তাকালাম। মুখ দিয়ে কোনো কথা না বলে শুধু চোখের দৃষ্টি দিয়েও কথা বলা যায়, আমি তখন চোখের দৃষ্টি দিয়ে ছেলেটাকে বললাম, “আমি জানি তোমার পকেটে যে জিনিষটা আছে সেটা গোপন এবং মনে হয় বেআইনী। কিন্তু তোমার কোনো ভয় নাই, তুমি আমাদেরকে সেটা বলতে পার। আমরা কাউকে বলব না।”

    ছেলেটি কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে রইল, তার চোখে প্রথমে এক ধরণের ভয় দেখা গেল আস্তে আস্তে ভয়টা একটু কমে এল। তখন সে বগার দিকে তাকিয়ে বলল, “হ্যাঁ, আমি ক্লাশ এইটে পড়ি।” তারপর সে ঘুরে ফারার দিকে তাকাল, বলল, “হ্যাঁ আমার মা আমাকে নামিয়ে দিয়েছে। তারপর সে একটা লম্বা নিশ্বাস ফেলল, সেটাকে একটা দীর্ঘশ্বাসের মত শোনাল। বলল, “সবার ধারণা আম্মু খুব সুইট আসলে আম্মুর মেজাজ খুবই গরম! আমাকে ঝাড়ি দেওয়া হচ্ছে আম্মুর হবি।” কথা শেষ করে সে ঝুম্পার দিকে তাকাল, বলল, “আমার নাম মিঠুন”। সবার প্রশ্নের উত্তর দিয়ে সে আমার দিকে তাকাল, জিজ্ঞেস করল, “আমার পকেটে কিছু একটা আছে সেটা তুমি কেমন করে বুঝতে পেরেছ?”

    আমি বললাম, “না বোঝার কি আছে? তোমার চালুক চুলুক ভাব দেখলেই বোঝা যায়।”

    “চালুক চুলুক?”

    “হ্যাঁ। বোঝাই যাচ্ছে কিছু একটা বেআইনী জিনিষ আছে–লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করছ।”

    মিঠুন নামের ছেলেটা মাথা নাড়ল, বলল, “তুমি ঠিকই বলেছ।” বলে সে শীষ দেওয়ার মত একটা শব্দ করল, আমি ভাবলাম এখন সে বলবে তার পকেটে কী আছে। কিন্তু সে বলল না চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল।

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “কী আছে তোমার পকেটে?”

    ছেলেটা বলল, “আমি জিনিষটা তোমাদের দেখাতে পারি, কিন্তু জিনিষটা কী তোমাদের বলতে পারব না।”

    “কেন?” “কারণ আমি জানি না জিনিষটা কী।”

    “তুমি জান না কী কিন্তু জিনিষটা পকেটে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছ?”

    “হ্যাঁ।”

    আমরা ছেলেটার কথার মাথা মুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারলাম না, কিন্তু সেটা নিয়ে মাথা ঘামালাম না। আমাদের সাথে যারা কথা বলে তাদের বেশির ভাগের কথারও মাথা মুণ্ডুও আমরা বুঝতে পারি না। আমরা কথা শোনার সময় শুধু মাথা নেড়ে যাই। অন্যেরাও আমাদের কথার মাথা মুণ্ডু কিছু বুঝতে পারে না। আমরা একটা জিনিষ বলি তারা অন্য একটা জিনিষ বুঝে বসে থাকে। তাই চশমা পরা এই মূতন ছেলেটার কথা শুনে আমি বেশি অবাক হলাম না! সে পকেটে কী নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে সেটা দেখার আমার খুব কৌতূহল হল, তাই বললাম, “জিনিষটা দেখাও।”

    ছেলেটা আমাদের সবার মুখের দিকে তাকাল তারপর থমথমে গলায় বলল “কাউকে কিন্তু এটার কথা বলতে পারবে না।”

    “বলব না।”

    “জিনিষটা অসম্ভব গোপন। এটার জন্যে আমার লাইফের সবকিছু ওল্টাপাল্টা হয়ে গেছে।”

    “ঠিক আছে।”

    “তোমরা কিন্তু জিনিষটা নেয়ার জন্যে কাড়াকাড়ি করবে না। আমি ধরে রাখব, তোমরা শুধু দেখবে।”

    আমি একটু অধৈর্য হয়ে বললাম, “ঠিক আছে বাবা! ঠিক আছে। বক্তৃতা শেষ করে এখন দেখাও।”

    ছেলেটা এবারে খুব সাবধানে তার বুক পকেট থেকে কী একটা যেন বের করল, আমরা একটু এগিয়ে গিয়ে দেখলাম জিনিষটা একটা ছোট শিশি। হোমিওপ্যাথিক ওষুধের মিষ্টি মিষ্টি ট্যাবলেট দেওয়ার জন্যে যেরকম ছোট শিশি থাকে অনেকটা সেরকম। শিশির ভিতরে কী আছে সেটা দেখার জন্যে আমি আরেকটু এগিয়ে গেলাম এবং দেখলাম কিছুই নাই। শিশিটা পুরোপুরি ফাঁকা।

    জিজ্ঞেস করলাম, “কী আছে শিশির ভিতরে?”

    “জানি না।”

    বগা বলল, “কিছু তো নাই।”

    “আছে।”

    “তাহলে দেখা যায় না কেন?”

    “জানি না।।

    এবারে আমার সন্দেহ হল ছেলেটা নিশ্চয়ই আমাদের সাথে মশকরা করছে। চেহারা দেখে বোঝা যায় না আসলে সে নিশ্চয়ই খুবই ফাজিল টাইপের ছেলে, আমাদের বোকা বানানোর চেষ্টা করছে। আমি একটু গরম হয়ে বললাম, “তুমি আমাদের সাথে ফাজলেমী করছ?”

    ছেলেটা খুবই ঠাণ্ডা গলায় বলল, “না ফাজলেম করব কেন?”

    “শিশিতে কিছু নাই, কিছু দেখা যায় না, কী আছে সেটা জান না, কেন দেখা যায় না সেটা জান না আবার বলছ আছে–এটা যদি ফাজলেমী না হয় তাহলে ফাজলেমী কী?”

    ছেলেটা খুব গম্ভীরভাবে শিশিটা তার পকেটে রেখে বলল, “আমি তোমাদের আগেই বলেছিলাম, আমি জিনিষটা দেখাতে পারি কিন্তু জিনিষটা

    কী সেটা বলতে পারব না।”

    “জিনিষটাও তো দেখা গেল না।”

    “দেখা না গেলে সেটা কী আমার দোষ?”

    ঝুম্পা আমাকে বলল, “ঠিক আছে ঠিক আছে ইবু, তোর আর ঝগড়া করতে হবে না। ধরে নে শিশিটাই হচ্ছে দেখার জিনিষ। শিশিটা তো দেখেছিস?”

    আমি কিছু বললাম না। ছেলেটা বলল, “ক্লাস এইটটা কোনদিকে বলবে প্লীজ?”

    ঝুম্পা বলল, “কোনো একটা ক্লাশ রুমে বসে যাও।”

    মিঠুন নামের নতুন এই ছেলেটা চোখ কপালে তুলে বলল, “কোনো একটা ক্লাশ রুমে বসে যাব মানে?”

    “এই স্কুলে ক্লাশ রুমের কোন ঠিক ঠিকানা নাই। স্যারেরা ক্লাশে আসে না। আসলেও পড়ায় না। তাই তুমি কোন ক্লাশে বস তাতে কিছু আসে যায় না। একেকদিন একটা ক্লাশে বসে দেখ কোনটা ভালো লাগে।”

    আমি ভেবেছিলাম এই কথাটা শুনে ছেলেটা খুবই ঘাবড়ে যাবে। কিন্তু সে মোটেও ঘাবড়ালো না, বরং তার চোখ মুখ আনন্দে ঝলমল করে উঠল, হাতে কিল দিয়ে বলল, “ফ্যান্টাস্টিক!”

    এবারে আমরা ঘাবড়ে গেলাম। আমি ভুরু কুঁচকে বললাম, “ফ্যান্টাস্টিক?”

    “হ্যাঁ। আমি সব সময় এরকম একটা স্কুলে পড়তে চেয়েছিলাম যেখানে স্যার ম্যাডামেরা উৎপাত করবে না। আমরা নিজেরা নিজেরা ইচ্ছামতন লেখাপড়া করব।”

    বগা বলল, “ইচ্ছামতন লেখাপড়া? কোনোদিন কোনো ছেলেমেয়ে ইচ্ছামতন লেখাপড়া করে? বেত দিয়ে না চাবকালে কেউ পড়তে চায়?”

    মিঠুন তার চশমাটা ঠিক করে বলল, “কেউ কোনোদিন সেই এক্সপেরিমেন্ট করেছে? করে দেখলে বোঝা যাবে তোমার কথা সত্যি না মিথ্যা।”

    মিঠুন তার গলার স্বর গম্ভীর করে বলল, “তুমি জান পৃথিবীর অনেক দেশে লেখাপড়ার মাঝে কোনো পরীক্ষা নাই।”

    ফারা চোখ বড় বড় করে বলল, “সত্যি? সত্যি? কোন দেশ? আমাদেরকে সেই দেশে নিবে? আমরা সেই দেশ থেকে লেখাপড়া করে আসতে পারি?”

    মিঠুন বলল, “সেইটা আমি জানি না। বড় না হওয়া পর্যন্ত তোমার কথা কোনোদিন কেউ শুনবে না।” মিঠুনের মুখটা কেমন যেন শক্ত হয়ে যায়

    সে মাথা নেড়ে বলল, “মাঝে মাঝে আমার কী মনে হয় জান?”

    “কী?”

    “মনে হয় যদি একটা টাইম মেশিন তৈরী করে এক ঘণ্টার মাঝে বড় হয়ে যেতে পারতাম।”

    ফারা বলল, “কী মেশিন?”

    “টাইম মেশিন।”

    “সেইটা আবার কী?”

    “যে মেশিন দিয়ে সময়ের আগে পিছে যাওয়া যায়।”

    “সময়ের আগে পিছে যাওয়া যায়?” ফার ভুরু কুঁচকে বলল, “সেইটা আবার কীভাবে করবে?”

    বগা মুখ শক্ত করে বলল, “অসম্ভব।”

    মিঠুন বলল, “তাড়াতাড়ি বড় হওয়া খুবই সম্ভব। আইনস্টাইনের স্পেশাল রিলেটিভিতে পরিষ্কার বলা আছে। টাইম ডাইলেশান বলে একটা ব্যাপার আছে”।

    মিঠুন তখন আরো কিছুক্ষণ বকর বকর করে বৈজ্ঞানিক কথা বলল যার একটা শব্দও আমরা বুঝতে পারলাম না। শুধু টের পেলাম এই ছেলেটা আজব। তাকে বেশী ঘাটানো ঠিক না, ঘাটালেই সে বৈজ্ঞানিক কথা বলে আমাদের মাথা খারাপ করে দেবে। আমি তাই তাকে জিজ্ঞেস করলাম, “তুমি ঠিক করেছ কোন ক্লাশ রুমে তুমি বসতে চাও?”

    মিঠুন বলল, “তোমরা যেখানে বসবে আজকে আমি সেখানে বসতে চাই।”

    ফারা বলল, “ভেরি গুড়।”

    মিঠুন জানতে চাইল, “কেন? ভেরি গুড কেন?”

    “আমাদের ক্লাশে একজনও চশমা পরা ছেলে মেয়ে নাই। এখন একজন হয়েছে।”

    মিঠুন মনে হয় ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারল না, ভুরু কুঁচকে ফারার দিকে তাকাল। ফারা বলল, “ক্লাশে চশমা পরা ছেলেমেয়ে থাকলে ক্লাশের একটা ভাব হয়। সেইজন্যে।”

    আমরা যখন হেঁটে হেঁটে মিঠুনকে আমাদের ক্লাশ রুমে নিয়ে যাচ্ছি তখন সে জিজ্ঞেস করল, “তোমরা কোন ক্লাশে পড়?”

    “এইট।”

    “এইট?” শুনে মনে হল তার একটু মন খারাপ হল, সে ভাবছিল সে অন্য একটা ক্লাশে বসতে পারবে।

    আমি বললাম, “মন খারাপ করো না। আমরা তোমাকে অন্য অন্য ক্লাশেও নিয়ে যাব।”

    ঝুম্পা জিজ্ঞেস করল, “তুমি এর আগে কোন স্কুলে ছিলে?”

    “অক্সব্রীজ। অক্সব্রীজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল।”

    আমরা চারজন এক সাথে চিৎকার করে বললাম, “অক্সব্রীজ?”

    “হ্যাঁ। কেন? কী হয়েছে?”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “না না, কিছু হয় নাই। কিন্তু—”

    “কিন্তু কী?”

    “তুমি অক্সব্রীজ থেকে মহব্বতজানে কেন এসেছ?”

    “অক্সব্রীজ থেকে আমাকে টিসি দিয়ে বের করে দিয়েছে।”

    “টিসি দিয়ে বের করে দিয়েছে? কেন?”

    “সেইটা অনেক লম্বা স্টোরি।”

    ঝুম্পা বলল, “বল তোমার স্টোরি। লম্বা স্টোরি ছোট করে বল।”

    মিঠুন মাথা নাড়ল, “ছোট করে বললে তুমি বুঝবে না।”

    “বুঝব। ঝুম্পা মুখ শক্ত করে বলল, “আমরা অনেক চালু। চোখের ঝিলিক দেখে আমরা মানুষের মুখের কথা বুঝে যাই।“ ঝুম্পা আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল, “তাই না রে?”

    আমরা সবাই মাথা নাড়লাম, ঝুম্পার কথা সত্যি, চোখের ঝিলিক দেখে আমরা কথা বুঝে যাই।

    মিঠুন বলল, “ঠিক আছে। তারপর কিছুক্ষণ উপর দিকে তাকিয়ে চিন্তা করল। তারপর নিচের দিকে তাকিয়ে চিন্তা করল। তারপর একটা নিশ্বাস ফেলল, তারপর একজন একজন করে সবার মুখের দিকে তাকাল। তারপর আরেকটা নিশ্বাস ফেলে বলল, “আমার এক্সপরিমেন্টের জন্য যখন অক্সব্রীজ স্কুলের সায়েন্স বিল্ডিংটা উড়ে গেল—”

    আমরা চিল্কার করে উঠলাম, “কী? কী বললে?”

    বগা বলল, “তুমি সেই রহস্যময় ছেলে?”

    ঝুম্পা বলল, “তুমি স্কুল বিল্ডিং উড়িয়ে দিয়েছ?”

    ফারা বলল, “কেমন করে উড়িয়েছ?”

    আমি বললাম, “আমাদেরটা উড়াবে? প্লীজ?”

    আমরা চারজনই একসাথে চিৎকার করে কথা বলেছি তাই মিঠুন কারো কথাই শুনতে পেল না। সে আমাদের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।

    ঝুম্পা আমাদেরকে থামিয়ে দিয়ে বলল, “আমরা তোর পুরা লম্বা স্টোরি শুনতে চাই।”

    ঝুম্পা খেয়ালও করল না সে মিঠুন নামের এই নতুন ছেলেটাকে হঠাৎ করে তুই বলে ডাকতে শুরু করেছে। আমাদের সাথে যেহেতু থাকবে আগে হোক আর পরে হোক তুই করে বলতেই হবে, তাই আমরা এখনই শুরু করে দিলাম, বললাম, “হ্যাঁ, তোর পুরা স্টোরি শুনতে চাই। দাড়ি কমা সহ।”

    মিঠুন মনে হয় একটু ভ্যাবেচেকা খেয়ে গেল, বলল, “পুর স্টোরি?”

    “হ্যাঁ।”

    বগ বলল, “তোকে দেখে বোঝাই যায় না তুই আসলে এরকম ডেঞ্জারাস। আমরা ভেবেছিলাম তুই বুঝি ভ্যাবলা টাইপের।”

    ফারা বলল, “আমি মোটেও ভাবি নাই ভ্যাবলা টাইপের। যে ছেলে চশমা পরে সে ভ্যাবলা টাইপ হতেই পারে না। তুই অনেক বই পড়িস না?”

    “পড়ি। সায়েন্সের বই। সায়েন্স আর ম্যাথমেটিক্স।”

    ফারা বলল, “দেখেই বুঝেছিলাম তুই জ্ঞানী টাইপ। আমাদের স্কুলেই কোনো জ্ঞানী টাইপ ছাত্রছাত্রী নাই। তুই হবি প্রথম।”

    “প্রথম?”

    ঝুম্পা বলল, “এবং শেষ।”

    মিঠুন ভ্যাবেচেকা খেয়ে সবার দিকে তাকাল। বলল, “শেষ?”

    আমরা সবাই মাথা নাড়লাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }