Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. লম্বা হলঘরটাতে আমরা

    লম্বা হলঘরটাতে আমরা সারি বেঁধে বসে আছি। আজকে এই শহরের কমিউনের সভা, তাই শহরের মানুষেরা এসেছে। শহরের সব মানুষকে নিয়ে একসাথে সভা করা যায় না। তাই একেক দিন একেক ধরনের মানুষকে নিয়ে সভা করা হয়। আজকের সভাটা আমাদের মতো কমবয়সী ছেলেমেয়েদের নিয়ে। সবাই এসেছে কিনা বুঝতে পারছি না–আমি এদিক সেদিক তাকিয়ে পরিচিত সবাইকে পেয়ে গেছি। শুধু টিশাকে এখনো দেখছি না। আমি পাশের জায়গাটা খালি রেখেছি টিশার জন্যে–টিশা এতই খেয়ালি মেয়ে সে হয়তো আমার পাশে বসতেই চাইবে না।

    একটু অন্যমনস্ক হয়ে বসে ছিলাম, হঠাৎ দেখলাম সবাই এক ধরনের আনন্দের শব্দ করে উঠে দাঁড়িয়েছে, আমিও তাড়াতাড়ি উঠে দাঁড়ালাম। হলঘরের সামনে উঁচু স্টেজে আমাদের শহরের কমান্ড্যান্ট এসে হাজির হয়েছে, তার সাথে কুশ, মিকি আর ক্রিটন। আমরা আনন্দে হাততালি দিতে থাকি। কুশ, মিকি আর ক্রিটনের বয়স ষোলো হয়ে গেছে, তাই তাদের মাথায় ক্রেনিয়াল লাগানোর জন্য নিয়ে গিয়েছিল। অনেকদিন তাদের দেখিনি। আজকে কমান্ড্যান্ট তাদেরকে নিয়ে এসেছে। তাদের সাথে লুক আর হুনাও ছিল, এই দুজনকে দেখতে পাচ্ছি না, আমি তাদের দেখার জন্য মাথা উঁচু করে আশেপাশে তাকাতে লাগলাম কিন্তু খুঁজে পেলাম না।

    “নেই। আর কেউ নেই।” কানের কাছে কেউ একজন ফিসফিস করে কথা বলছে, আমি মাথা ঘুরে তাকালাম, কখন টিশা এসে দাঁড়িয়েছে আমি লক্ষ করিনি।

    আমি টিশার দিকে তাকালাম, টিশা নিচু গলায় বলল, “লুক আর হুনা নেই।”

    “কোথায়? ওরা কোথায়?”

    টিশা তার ঠোঁটে আঙুল রেখে বলল, “শ-স-স-স, প্রশ্ন করা নিষেধ।”

    আমরা কমান্ড্যান্টের গমগমে গলার আওয়াজ শুনতে পেলাম, “আমার প্রিয় সন্তানেরা। কমিউনের সভায় তোমাদের আমন্ত্রণ!”

    কমান্ড্যান্ট একটু থামল, আমরা জোরে জোরে হাততালি দিলাম। কমান্ড্যান্ট যখন কথা বলে তখন মাঝে মাঝে হাততালি দিতে হয়।

    কমান্ড্যান্ট বলল, “আজ আমাদের খুব আনন্দের দিন! আজ কুশ, মিকি আর ক্রিটন তোমাদের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। অল্প কিছুদিন আগেও এই তিনজন ছিল অন্য দশজনের মতো কমবয়সী সাধারণ ছেলে আর মেয়ে। এখন তারা এই শহরের মূল্যবান নাগরিক। দায়িত্বশীল নাগরিক। তাদের মাথায় এখন ক্রেনিয়াল লাগানো হয়েছে, মানুষের সঞ্চিত জ্ঞান ভান্ডারের সাথে যোগাযোগ করে যখন খুশি তারা যে কোনো জ্ঞান জেনে নিতে পারবে।”

    কমান্ড্যান্ট আবার থামল, যার অর্থ আবার আমাদের চিৎকার করে আনন্দ প্রকাশ করতে হবে, হাততালি দিতে হবে। আমরা চিৎকার করলাম, হাততালি দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করলাম। আমি পাশে তাকিয়ে দেখলাম টিশা চুপচাপ দাঁড়িয়ে আছে। আমি গলা নামিয়ে তাকে বললাম, “টিশা! হাততালি না দিয়ে দাঁড়িয়ে আছ কেন?”

    টিশা কিছু না বলে একদৃষ্টে সামনে তাকিয়ে রইল। কমান্ড্যান্ট আবার কথা বলতে শুরু করল, “তোমরা সবাই জান আজ থেকে একশ বছর আগে পৃথিবীর সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। এটি মনে হয়, সভ্যতার নিয়ম, একেবারে উঁচুতে উঠে সেটা ধ্বংস হয়ে যায়। প্রাচীনকালে সভ্যতা ছিল বিচ্ছিন্ন, তাই তারা বিচ্ছিন্নভাবে ধ্বংস হতো। এক প্রান্তে সভ্যতা ধ্বংস হওয়ার পর অন্য প্রান্তে সভ্যতা গড়ে উঠত। কিন্তু একশ বছর আগে যখন পৃথিবীর সভ্যতা ধ্বংস হয়েছিল সেটি ছিল একটি পরিপূর্ণ ধ্বংসলীলা। তোমরা কি কেউ বলতে পারবে, কেন এটি ছিল একটি পরিপূর্ণ ধ্বংস প্রক্রিয়া?”

    আমরা কেউ কিছু জানি না, আমাদের জানার কোনো উপায় নেই। নিজেরা নিজেরা মাঝে মাঝে কথা বলি, তার মাঝে কোনো তথ্য থাকে না, নানারকম গুজব থাকে। তাই আমরা কমান্ড্যান্টের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলাম না। তারপরও দেখলাম সামনের দিকে বসে থাকা লাল চুলের একজন কমবয়সী মেয়ে উত্তর দেবার চেষ্টা করল, বলল, “কারণ শেষ যুদ্ধে এক দেশ আরেক দেশের বিরুদ্ধে নিউক্লিয়ার বোমা ব্যবহার করেছিল।”

    কমান্ড্যান্টের মুখে এক ধরনের হাসি ফুটে ওঠে, সে হাততালি দিয়ে বলল, “চমৎকার! তোমার উত্তরটি পুরোপুরি ঠিক নয়, কিন্তু তারপরও তোমাকে অভিনন্দন। তোমার মাথায় কোনো ক্রেনিয়াল নেই, তারপরও তুমি নিউক্লিয়ার বোমার কথা জান! তোমাকে অভিনন্দন।”

    লাল চুলের মেয়েটি জিজ্ঞেস করল, “তাহলে কেন সারা পৃথিবীর সভ্যতা ধ্বংস হয়ে গেল?”

    কমান্ড্যান্ট গম্ভীর মুখে বলল, “কারণটি মানুষের নির্বুদ্ধিতা।” কথাটি শেষ করে কমান্ড্যান্ট থেমে গেল, কাজেই আমরা সবাই বিস্ময়ের মতো শব্দ করলাম, জিজ্ঞেস করলাম, “নির্বুদ্ধিতা?”

    কমান্ড্যান্ট মুখটি আরো গম্ভীর করে বলল, ”হ্যাঁ নির্বুদ্ধিতা। তোমরা কি সেই নির্বুদ্ধিতার ইতিহাস শুনতে চাও?”

    আমরা চিৎকার করে বললাম, “শুনতে চাই, শুনতে চাই।” শুধু টিশা কোনো কথা না বলে সামনে তাকিয়ে থেকে বিড় বিড় করে বলল, “কিন্তু লুক আর হুনা কোথায় গেল?” তার কথাটা আমি ছাড়া আর কেউ শুনতে পেল না।

    কমান্ড্যান্ট তখন এই পৃথিবীতে মানবসভ্যতা ধ্বংসের ইতিহাস বলতে শুরু করল। কমান্ড্যান্টের গলার স্বর গমগমে, কথা বলার ধরনটিও ভালো, আমরা সবাই আগ্রহ নিয়ে শুনতে থাকি। তার কথার সারমর্মটি এরকম:

    পৃথিবীতে সভ্যতার একটা বিস্ফোরণ শুরু হয়েছিল প্রায় সাড়ে তিনশ বছর আগে। মোটামুটিভাবে বলা যায় এই নতুন সভ্যতার পেছনে ছিল একটা যন্ত্র, ভুল করে তার নাম দেওয়া হয়েছিল কম্পিউটার–অর্থাৎ যেটা দিয়ে হিসাব করা হয়। দেখা গেল এই যন্ত্রটি আসলে অন্যরকম। এর আগে যতবার কোনো যন্ত্র তৈরি করা হয়েছে, সেটি সব সময়ে একটা নির্দিষ্ট কাজ করেছে-কিন্তু কম্পিউটার নামক যন্ত্রটা কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরি হয়নি, এটা যে কোনো কাজে ব্যবহার করা যেত। যন্ত্রটার আকার ধীরে ধীরে ছোট হতে শুরু করল এবং এক সময় সেটা সম্ভাব্য অসম্ভাব্য সব জায়গায় ব্যবহার হতে শুরু করল।

    এর আগে তথ্য জমা করে রাখা কিংবা তথ্য ব্যবহার করার ব্যাপারটা ছিল কঠিন, তাই তথ্যটুকু নির্দিষ্ট ছিল অল্প কিছু ক্ষমতাশালী মানুষের জন্য। কিন্তু ধীরে ধীরে নেটওয়ার্কিং এমন পর্যায়ে পৌঁছে গেল যে, যে কোনো মানুষই তথ্য পেতে শুরু করল। তখন মানুষের মাঝে ধীরে ধীরে একটা খুব বড় পরিবর্তন ঘটে গেল। এর আগে মানুষ তথ্য জমা রাখত তার মস্তিষ্কে, সেটা প্রক্রিয়া করত তার মস্তিষ্কে। কিন্তু একবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে দেখা গেল মানুষ তথ্য রাখা কিংবা প্রক্রিয়া করার জন্য মস্তিষ্ক ব্যবহার করে না। সবকিছুই মানুষ করে যন্ত্র দিয়ে, কম্পিউটার নামের সেই যন্ত্রটি তখন আর যন্ত্র নেই, তার বুদ্ধিমত্তা আছে। জ্ঞান-বিজ্ঞান-গবেষণা তখন মানুষ নিজেরা করে না, বুদ্ধিমান কোয়ান্টাম কম্পিউটার দিয়ে করে। একজন মানুষ কতটুকু ক্ষমতাশালী সেটা নির্ভর করে তার কোয়ান্টাম কম্পিউটারে কতটুকু অধিকার তার উপর। আগে সোনা রুপা হীরা ছিল মূল্যবান সম্পদ, তখন সম্পদ হয়ে গেল কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ক্ষমতা।

    মানুষে মানুষে এক ধরনের প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গেল। ইতিহাসে সব সময়েই দেখা গেছে একদল মানুষ চেষ্টা করেছে অন্য দলের মানুষকে দমন করে রাখতে–এখানেও সেটা শুরু হয়ে গেল। প্রথমে যুদ্ধ শুরু হলো এক দেশের কোয়ান্টাম কম্পিউটার দিয়ে অন্য দেশের কোয়ান্টাম কম্পিউটার দখল করে নেওয়ার জন্য। সেটা করার জন্য কাউকে এক দেশ থেকে অন্য দেশে আক্রমণ করতে হয় না–নেটওয়ার্কের ভেতর দিয়ে এক দেশের কোয়ান্টাম কম্পিউটার অন্য দেশে আক্রমণ করতে শুরু করে।

    তথ্যের জন্য মানুষ নিজের মস্তিষ্কের উপর নির্ভর না করে তখন নেটওয়ার্ক আর কোয়ান্টাম কম্পিউটারের উপর নির্ভর করতে শুরু করে। সেটি ছিল মানুষের প্রথম নির্বুদ্ধিতা। এক দেশের পক্ষ থেকে

    অন্য দেশের উপর আক্রমণ করার জন্য মানুষ যখন নিজেদের পরিকল্পনার উপর নির্ভর না করে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের উপর নির্ভর করতে শুরু করে সেটি ছিল দ্বিতীয় নির্বুদ্ধিতা।

    মানুষকে এই নির্বুদ্ধিতার জন্য চরম মূল্য দিতে হয়েছে, কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রথমে একে অন্যকে ধ্বংস করেছে। মানুষ তাদের দৈনন্দিন কাজ, শিক্ষা, গবেষণা, চিকিৎসা, খাবার, আশ্রয় সবকিছুর জন্য এই কম্পিউটার আর নেটওয়ার্কের উপর নির্ভর করত। হঠাৎ করে তাদের সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেল। মানুষ রোগে শোকে অনাহারে বিনা চিকিৎসায় মারা যেতে লাগল। পৃথিবীতে মানুষের সংখ্যা কমতে কমতে অর্ধেক থেকেও নিচে নেমে এল, তখন সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপারটি ঘটতে শুরু করে। কোয়ান্টাম কম্পিউটার নিজে নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একে অন্যের উপর নিউক্লিয়ার বোমা ছুঁড়তে শুরু করে। দেখতে দেখতে পুরো পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যায়। বিচ্ছিন্নভাবে এখানে সেখানে কিছু মানুষ বেঁচে থাকে–সারা পৃথিবীতে এখন কতজন মানুষ আছে সেটিও কেউ জানে না। কয়েক হাজার নাকি কয়েক লক্ষ, নাকি কয়েক কোটি সে কথা কেউ বলতে পারে না।

    কমান্ড্যান্ট যখন তার কথা শেষ করল তখন আমরা সবাই নিঃশব্দে বসে রইলাম। ঠিক কী কারণ জানা নেই আমাদের কেমন যেন এক ধরনের আতঙ্ক হতে থাকে। সামনের দিকে বসে থাকা কমবয়সী একটা ছেলে জিজ্ঞেস করল, “এখন কী হবে?”

    ।কমান্ড্যান্টের মুখটা এতক্ষণ কেমন জানি থমথমে হয়ে ছিল। এই প্রথমবার সেখানে আমরা একটু হাসির চিহ্ন দেখতে পেলাম। কমান্ড্যান্ট হাসি হাসি মুখ করে বলল, “আমি খুব আনন্দের সাথে তোমাদেরকে বলতে চাই, প্রায় কয়েক বৎসরের ভয়াবহ ধ্বংসলীলার পর আমরা প্রথমবার আবার মাথা তুলে দাঁড়াতে যাচ্ছি।”

    কমবয়সী ছেলেটা জিজ্ঞেস করল, “কীভাবে?”

    কমান্ড্যান্ট বলল, “মানুষ যে নির্বুদ্ধিতা করেছিল আমরা সেই নির্বুদ্ধিতা থেকে সরে এসেছি। মানুষ তার মস্তিষ্ক ব্যবহার না করে সকল সিদ্ধান্ত নিত কম্পিউটার নামক যন্ত্র দিয়ে, নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে। আমরা মানুষের মস্তিষ্ক আবার ব্যবহার করতে শুরু করেছি, তোমরা নিজের চোখে দেখতে পাচ্ছ তোমাদের সামনে দাঁড়িয়ে আছে

    তুলে ভাবে ছিল আমরা করে কুশ, মিকি আর ক্রিটন। তাদের মাথায় ক্রেনিয়াল লাগানো হয়েছে, সেই ক্রেনিয়াল ব্যবহার করে আমরা সেখানে বিশাল তথ্যের সম্ভার ঢুকিয়ে দিয়েছি। তারা ইচ্ছে করলে সেই তথ্য ব্যবহার করে যে কোনো কাজ করতে পারবে।”

    কমান্ড্যান্ট চোখ নাচিয়ে বলল, “আমার কথা বিশ্বাস না করলে তোমরা নিজেরা প্রশ্ন করে যাচাই করে নিতে পার।”

    কেউ প্রশ্ন করল না। কোনো কিছু নিয়ে প্রশ্ন করতে হলে সেটা সম্পর্কে কিছু জানতে হয়। আমরা কিছুই জানি না, কী নিয়ে প্রশ্ন করব?

    কমান্ড্যান্ট আবার বলল, “করো। প্রশ্ন করো।”

    খুব ইতস্তত করে মাঝামাঝি জায়গা থেকে একজন প্রশ্ন করল, “চিমটি দিলে ব্যথা লাগে কেন?”

    প্রশ্নটি শুনে অনেকেই হেসে উঠল, কুশ, মিকি আর ক্রিটন হাসল। মিকি গম্ভীর হয়ে বলল, “আমাদের সারা শরীরে স্নায়ুর একটা বিশাল নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে আছে। এই পুরো নেটওয়ার্ক কেন্দ্রীভূত হয়েছে আমাদের মস্তিষ্কে। আমাদের মস্তিষ্কে দশ হাজার কোটি নিউরন। এক নিউরন অন্য নিউরনের সাথে…”

    মিকি যন্ত্রের মতো কঠিন কঠিন বৈজ্ঞানিক কথা বলতে থাকল। নানারকম সংখ্যা, নানারকম জটিল জটিল নাম, নানারকম সূত্র, নানারকম গবেষণার ইতিহাস–যার বেশির ভাগ আমরা বুঝতেই পারলাম না। অল্প কিছুদিন আগেই মিকি ছিল আমাদের মতো খুবই সাধারণ একটা ছেলে, এখন সে রীতিমতো একজন জ্ঞানী মানুষ। কী আশ্চর্য!

    মিকি শেষ পর্যন্ত যখন কথা শেষ করল তখন আমরা সবাই প্রথমে চুপচাপ বসে রইলাম। আমাদের বেশির ভাগ মানুষ ততক্ষণে ঠিক কোন প্রশ্নের উত্তরে মিকি এত বড় একটা ব্যাখ্যা দিয়েছে সেটাই ভুলে গেছি। কমান্ড্যান্ট তখন হাসি হাসি মুখে সবার দিকে তাকাল এবং তখন আমরা বুঝতে পারলাম আবার আমাদের হাততালি দিতে হবে। আমরা তখন আবার জোরে জোরে হাততালি দিলাম।

    হাততালি শেষ হবার পর কমান্ড্যান্ট আমাদের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, “আর কোনো প্রশ্ন?” তার কথার ভঙ্গি দেখেই বুঝতে পারলাম কমান্ড্যান্ট চাইছে আরো কেউ একটা প্রশ্ন করুক। কিন্তু প্রশ্ন করার কাউকে খুঁজে পাওয়া গেল না। শেষ পর্যন্ত পেছন থেকে একজন ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করল, “একটা ঘরে গেলে ঘরের আলো কেমন করে জ্বলে ওঠে?”

    মিকি বলল, “আমার মস্তিষ্কের তথ্য শুধু জীববিজ্ঞানের তথ্য। অন্য কাউকে এই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।” উত্তরের জন্যে মিকি কুশ আর ক্রিটনের দিকে তাকাল।

    ক্রিটন মাথা নেড়ে বলল, “আমি এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব। এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবকিছু তৈরি হয়েছে কিছু মৌলিক কণা দিয়ে। এই মৌলিক কণাকে কয়েকটা ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এক ভাগের নাম লেপটন, আমাদের সবচেয়ে পরিচিত লেপটন হচ্ছে ইলেকট্রন…”

    ক্রিটন ঠিক মিকির কথামতোই কঠিন কঠিন বৈজ্ঞানিক শব্দ ব্যবহার করে খুব জটিল কথা বলতে শুরু করল। মিকির কথা তবু আমরা একটু বুঝেছিলাম, ক্রিটনের কথা আমরা কিছুই বুঝতে পারলাম না। আমরা সবাই ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে থাকলাম, যখন ক্রিটন শেষ পর্যন্ত থামল আমরা নিজেরাই জোরে জোরে হাততালি দিতে শুরু করলাম।

    আমরা ভেবেছিলাম কমান্ড্যান্ট আবার আমাদেরকে প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে বলবে কিন্তু মনে হয় সে টের পেয়েছে আমরা মিকি আর ক্রিটনের কোনো কথাই বুঝতে পারিনি, তাই সে আর চেষ্টা করল না। খানিকক্ষণ আমাদের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, “এখন তোমরা বুঝতে পেরেছ কীভাবে আমরা আবার একেবারে শূন্য থেকে একটা সভ্যতা তৈরি করতে শুরু করেছি?”

    সত্যি কথা বলতে কি আমি ঠিক বুঝতে পারিনি কীভাবে কয়েকজন ছেলেমেয়ের মাথায় ক্রেনিয়াল লাগিয়ে তাদেরকে কঠিন কঠিন জ্ঞানের বিষয় শিখিয়ে দিলেই একটা সভ্যতা তৈরি হয়ে যায়। সভ্যতা জিনিসটা কী আমি সেটাও জানি না!

    আমার মতো আরো অনেকেরই মনে হয় এরকম প্রশ্ন ছিল, একজন সাহস করে জিজ্ঞেস করে ফেলল, “সভ্যতা তৈরি করতে কী কী লাগে?”

    কমান্ড্যান্ট হাল ছেড়ে দেবার মতো করে মাথা নাড়ল, বলল, “তোমাকে এক কথায় এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব না। আগের সভ্যতার মূল উপাদানটি ছিল কম্পিউটার নামের একটি যন্ত্র –”

    “আমাদের কি কম্পিউটার আছে?”

    কমান্ড্যান্ট কয়েক মুহূর্ত নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইল, তারপর একটা বড় নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “তোমরা শুনে খুব খুশি হবে পৃথিবীর মানুষ আবার নতুন করে কম্পিউটার তৈরি করতে শুরু করেছে। তবে এখন এটাকে কম্পিউটার বলে না। এখন এটার নাম ক্রেনিপিউটার।”

    এই প্রথমবার আমরা সবাই সত্যিকারভাবে চমকে উঠে কমান্ড্যান্টের কথা শুনতে আগ্রহী হলাম। প্রায় সবাই একসাথে জিজ্ঞেস করতে শুরু করল, “কোথায়? দেখতে কেমন? কত বড়? কী করতে পারে?”

    কমান্ড্যান্ট হাত নেড়ে সবাইকে থামিয়ে দিয়ে বলল, “অনেকদিন থেকে ক্রেনিপিউটার তৈরি করার জন্য কাজ চলছিল। পৃথিবীর সব ফ্যাক্টরি ধ্বংস হয়ে গেছে বলে কাজটি খুব কঠিন। নানা জায়গা থেকে টুকরো টুকরো যন্ত্রপাতি জোগাড় করে তৈরি করতে হচ্ছে। এখান থেকে প্রায় দুশ কিলোমিটার দূরে মানুষের আরেকটা আস্তানা আছে–জ্ঞানবিজ্ঞানে তারা আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে। সেখানে একজন বিজ্ঞানী আছে তার নাম হচ্ছে লিংলি। বিজ্ঞানী লিংলি। আসলে বলা উচিত মহাবিজ্ঞানী লিংলি। সেই মহাবিজ্ঞানী লিংলি ক্রেনিপিউটার তৈরি করছে।”

    কমান্ড্যান্ট একটু থামল, আমরা ঠিক বুঝতে পারলাম না, এখন মহাবিজ্ঞানী লিংলির জন্য আমাদের চিৎকার করে আনন্দ প্রকাশ করার দরকার আছে কি না। কয়েকজন অবশ্যি আনন্দধ্বনি করেও ফেলল।

    কমান্ড্যান্ট মনে হলো এবারে আনন্দধ্বনির জন্য অপেক্ষা করছে না, সে আবার কথা বলতে শুরু করল, বলল, “তোমরা শুনে খুব খুশি হবে। আমাদের এই শহর থেকে আমরা বিজ্ঞানী লিংলির সাথে যোগাযোগ করেছি এবং বিজ্ঞানী লিংলি আমাদের সব রকম সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।”

    এবারে আমরা হাততালি দিয়ে আনন্দের শব্দ করলাম। কমান্ড্যান্ট বলতে থাকল, “বিজ্ঞানী লিংলি বলেছে এই দুই শহরের

    মাঝে একশ বছর আগের যে নেটওয়ার্কের যোগাযোগ আছে সেটাকে আবার কার্যকর করে নতুন সভ্যতার নতুন ক্রেনিপিউটারের সাথে যোগাযযাগ করে দেবে।”

    আমরা আবার আনন্দের শব্দ করতে যাচ্ছিলাম কিন্তু তার আগেই হঠাৎ টিশা চিৎকার করে জিজ্ঞেস করল, “তার জন্য আমাদের বিজ্ঞানী লিংলিকে কী দিতে হবে?”

    ঠিক কী কারণ জানা নেই হঠাৎ করে পুরো হলঘরটি একেবারে কবরের মতো নীরব হয়ে গেল, মুহূর্তে পুরো পরিবেশটাও কেমন জানি থমথমে হয়ে গেল। কমান্ড্যান্ট কয়েক মুহূর্ত নিঃশব্দে থেকে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কে, মেয়ে?”

    টিশা কাঁপা গলায় বলল, “আমার নাম টিশা। আমার আইডি সাত সাত দুই নয়…”

    টিশাকে কথা শেষ করতে না দিয়েই কমান্ড্যান্ট জিজ্ঞেস করল, “তুমি কেন এই প্রশ্নটি করেছ? তোমার উদ্দেশ্য কী?”

    টিশা ভয় পাওয়া গলায় বলল, “আমার কোনো উদ্দেশ্য নেই। আমি শুধু জানতে চাচ্ছিলাম”

    “তুমি কেন এমন একটা বিষয় জানতে চাইবে?”

    টিশা তার গলার স্বর স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করল, কিন্তু স্বাভাবিক রাখতে পারল না, প্রায় ভাঙা গলায় বলল, “আমি ঠিক বুঝতে পারিনি, আমি শুধু জানতে চাইছিলাম যে আমাদের কিছু দিতে হবে কি না। সব সময় দেখে এসেছি কিছু একটা পেতে হলে কিছু একটা দিতে হয়।”

    কমান্ড্যান্টের মুখটা দেখতে দেখতে হঠাৎ করে কেমন জানি কঠিন হয়ে ওঠে। তাকে দেখতে একটা নিষ্ঠুর মানুষের মতো মনে হতে থাকে। কমান্ড্যান্ট প্রায় চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, “কিছু একটা পেতে হলে কিছু একটা দিতে হয়-কী আশ্চর্য!”

    কমান্ড্যান্ট আরো কিছু একটা বলতে চাচ্ছিল ঠিক তখন দরজায় দাঁড়ানো গার্ডদের ধাক্কা দিয়ে উদভ্রান্তের মতো দেখতে একজন মহিলা হলঘরে ঢুকে গেল, প্রায় ছুটে কমান্ড্যান্টের কাছে যেতে যেতে চিৎকার করে বলতে থাকে, “আমার হুনা কই? হুনা! আমার হুনা।”

    আমরা সবাই হুনার মাকে চিনতে পারলাম, খুব হাসিখুশি একজন মহিলা কিন্তু এই মুহূর্তে তাকে দেখাচ্ছে প্রায় উন্মাদিনীর মতো। হুনার মা বেশি দূর যেতে পারল না তার আগেই পাহাড়ের মতো বড় দুজন গার্ড এসে দুই পাশ থেকে তাকে ধরে প্রায় টেনে হলঘরের বাইরে নিতে থাকে।

    কমান্ড্যান্ট সেদিকে তাকাল না, তাকে দেখে মনে হলো সে পুরো ব্যাপারটি একটুও দেখেনি।

    আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল, “তোমাদের সভা আজকের মতো এখানেই শেষ।”

    টিশা ফিসফিস করে বলল, “বুঝেছ রিহি?”

    আমি চাপা গলায় জিজ্ঞেস করলাম, “কী বুঝব?”

    “হুনা আর লুক কোথায়?”

    “কোথায়?”

    “বিজ্ঞানী লিংলিকে দিয়েছে। আরো দেবে। তোমাকে আমাকেও দেবে। যারা একটু বেশি বোঝে সবাইকে দেবে।”

    “কেন?”

    “কিছু একটা পেতে হলে কিছু একটা দিতে হয়!” বলে টিশা আবার হাসির ভঙ্গি করল, আনন্দহীন এক ধরনের হাসি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }