Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. পরদিন টিশা কাজে এল না

    পরদিন টিশা কাজে এল না। আমাদের মতো মানুষদের কাজে না আসা খুব গুরুতর ব্যাপার, কেন আসেনি তার একশ রকম কৈফিয়ত দিতে হয়। কৈফিয়ত পছন্দ না হলে নানারকম উপদেশ দেওয়া হয়, সেই উপদেশ শাস্তি থেকেও ভয়ংকর। উপদেশে কাজ না হলে সত্যিকারের শাস্তি দেওয়া হয়–শাস্তিটা কী ধরনের সে সম্পর্কে আমরা শুধু ভাসা ভাসা শুনেছি; সঠিক ধারণা নেই। শুধু এটুকু জানি শাস্তি দেওয়ার পর কেউ ঠিক হয়ে যায়নি, এরকম কোনো উদাহরণ নেই।

    ।তাই টিশা যখন কাজে এল না আমি তখন দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলাম। আমরা অনেকে একসাথে কাজ করি, তাই ব্যাপারটা অন্য কারো চোখে পড়েনি। টিশা একা একা থাকে, সে যে আজ কাজে আসেনি সেটা কেউ লক্ষ করবে না আমি আগেই জানতাম।

    সারাটি দিন আমি এক ধরনের দুশ্চিন্তা নিয়ে কাটালাম। বিকেল বেলা কাজ শেষ হওয়ামাত্র আমি টিশাদের বাসায় হাজির হয়েছি। বারো তলা বাসা, আটতলার একটা ছোট ফ্ল্যাটে টিশা তার মাকে নিয়ে থাকে। আমি আগে এক-দুইবার তাদের ফ্ল্যাটে এসেছি। টিশার মা অনেকটা টিশার মতোন, চুল ছোট করে কাটা, খুব কম কথা বলে, চোখের দৃষ্টি কেমন জানি তীব্র।

    দরজায় শব্দ করতেই টিশা দরজা খুলে দিল, বলল, “এসো। ভেতরে এসো রিহি।” তার কথা শুনে মনে হলো সে যেন আমার জন্যই অপেক্ষা করছিল।

    আমি ভেতরে ঢুকলাম। টিশা দরজা বন্ধ করে বলল, “আমার মা এখনো বাসায় আসেনি। কিছুক্ষণের মাঝে চলে আসবে। মা চলে আসার আগে আমি তোমার সাথে একটু কথা বলতে চাই।”

    “কী কথা?”

    রান্নাঘরে খাবার টেবিলের পাশে চেয়ারটাতে বসার আগেই টিশা বলল, “তোমার মনে আছে মাথায় ক্রেনিয়াল লাগানোর জন্য লুক আর হুনাকেও নিয়ে গিয়েছিল, তাদের আর দেখা যায়নি?”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “মনে আছে।”

    টিশা বলল, “তাদের কী হয়েছে আমি বের করেছি।”

    আমি ভয়ানকভাবে চমকে উঠলাম, জিজ্ঞেস করলাম, “কী বের করেছ?”

    টিশা জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে কিছু-একটা দেখে আমার দিকে ঘুরে তাকাল, “লুক আর হুনার কী হয়েছে।”

    “কী হয়েছে?”

    “তাদের মাথায় বাই-ক্রেনিয়াল লাগিয়েছে।”

    “বাই-ক্রেনিয়াল? সেটা কী?”

    “ক্রেনিয়াল লাগালে মাথার ভেতরে শুধু তথ্য দেওয়া যায়। বাই ক্রেনিয়াল হলে দুটো ইন্টারফেস লাগানো হয়। তখন যে রকম তথ্য দেয়া যায় সে রকম তথ্য নেওয়া যায়।”

    “তারা এখন কোথায়?”

    “এত দিন এখানে হাসপাতালে ছিল। আজ ভোরে একটা কনভয়ের সাথে তাদেরকে অন্য শহরে পাঠিয়ে দিয়েছে।”

    “তারা যেতে রাজি হয়েছে?”

    টিশা হাসার ভঙ্গি করল, সেই হাসিতে বিন্দুমাত্র আনন্দ নেই। বলল, “তোমার ধারণা তাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোনো মূল্য আছে? নেই। আমি যতদূর জানি, বাই-ক্রেনিয়াল লাগানোর পর তাদের জ্ঞান ফেরেনি। কিংবা জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টাও করা হয়নি।”

    আমি নিজের ভেতর এক ধরনের আতঙ্ক অনুভব করতে থাকি, আতঙ্কটুকু ঠিক কী নিয়ে বুঝতে পারছিলাম না। টিশাকে জিজ্ঞেস করলাম, “তুমি কেমন করে এত কিছু জেনেছ?”

    টিশা জানালা দিয়ে আবার বাইরে তাকাল, তারপর আবার মাথা ঘুরিয়ে আমার দিকে তাকাল, বলল, “কাজটা খুব সহজ ছিল না। আমি অনেক দিন থেকে জানার চেষ্টা করছিলাম। লুক আর হুনার মায়ের সাথে কথা বলেছি। কুশ, মিকি আর ক্রিটনের সাথে কথা বলেছি। হাসপাতালের লোকজনের সাথে কথা বলেছি। আর—”

    “আর কী?”

    “কিছু বেআইনি কাজ করেছি।”

    আমার বুক কেঁপে উঠল, “কী বেআইনি কাজ?”

    “তাদের গোপন ভিডিও ডাউনলোড করেছি।”

    “কেমন করে করেছ?”

    “তোমাকে বললে তুমি বুঝবে না। কেমন করে করতে হয় আমি জানি। ভিডি টিউবে বই পড়ে শিখেছি। আমার মাথায় ক্রেনিয়াল নেই, তাই আমাকে কেউ সন্দেহ করে না। সবাই ধরে নিয়েছে আমি কিছু জানি না। আসলে আমি অনেক কিছু জানি।”

    আমি এক ধরনের আতঙ্ক নিয়ে টিশার দিকে তাকিয়ে রইলাম। টিশা বলল, “কী হলো, তুমি আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছ কেন?”

    “তুমি কি জান তুমি যেটা করছ সেটা কত বিপজ্জনক?”

    “জানি।”

    “যদি তুমি ধরা পড় তাহলে তোমার কী হবে তুমি জান?”

    “জানি। আমাকে ডিটিউন করে দেবে।”

    “তাহলে?”

    “তাহলে কী?”

    “তাহলে তুমি এত বড় ঝুঁকি কেন নিচ্ছ?”

    টিশা একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “আমি এই শহরে আর থাকব না।”

    আমি কয়েক সেকেন্ড কোনো কথা বলতে পারলাম না। খানিকক্ষণ চেষ্টা করে বললাম, “তুমি কোথায় যাবে?”

    “আমি যাযাবর হয়ে যাব।” টিশা আমার দিকে তাকিয়ে একটু হাসল অবিশ্বাস্য এক ধরনের হাসি।

    “তুমি যাযাবর হয়ে যাবে?”

    “হ্যাঁ।”

    “শহর থেকে তুমি বের হবে কেমন করে? তুমি জান না গেট সব সময় বন্ধ থাকে? সেন্ট্রিরা চব্বিশ ঘণ্টা পাহারা দেয়?”

    “আমি গেট দিয়ে বের হব না।”

    “তাহলে কোন দিক দিয়ে বের হবে?”

    “তোমার মনে নেই, প্রাচীরের নিচে একটা ফাঁক আছে? আমি সেই ফাঁক দিয়ে বের হয়ে যাব।”

    “তারপর? তুমি হেঁটে হেঁটে কতদূর যাবে? পাঁচ কিলোমিটার যাবার আগে তোমাকে ধরে নিয়ে আসবে।”

    “আমি হেঁটে হেঁটে যাব না, আমি মোটর বাইকে যাব। তুমি ভুলে গেছ আমার একটা মোটর বাইক আছে।”

    আমি কী বলব বুঝতে পারছিলাম না। অবাক হয়ে টিশার দিকে তাকিয়ে রইলাম। টিশা বলল, “আমি তোমাকে বলিনি, তাহলে তোমাকেও বিপদে ফেলা হবে। আমি মোটর বাইকে পানি খাবার জমা করেছি। কষ্ট করে একটা অস্ত্র জোগাড় করেছি। কিছু যন্ত্রপাতি ওষুধপত্র, পুরানো একটা ম্যাপ–”

    “ম্যাপ?”

    “হ্যাঁ, এখান থেকে সোজা উত্তরে গেলে একটা বনভূমি পাবার কথা। সেখানে একটা হ্রদও আছে।”

    আমি নিঃশব্দে বসে রইলাম। টিশা একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “আমি তোমাকে কেন এসব কথা বলছি জানি না। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, “মনে হয় সব মানুষেরই কথা বলার একজন মানুষ থাকতে হয়। তুমি ছাড়া আমার কথা বলার কোনো মানুষ নেই তাই তোমাকে বলছি। কাজটা ঠিক হলো কি না বুঝতে পারছি না।”

    ঠিক তখন খুট করে দরজা খুলে টিশার মা ঘরে ঢুকল। আমাকে দেখে একটু ভুরু কুঁচকে তাকাল। আমি উঠে দাঁড়িয়ে বললাম, “টিশা আজকে কাজে যায়নি। তাই একটু দেখতে এসেছিলাম। এখন যাই।”

    টিশার মা বলল, “বসো। এক কাপ পানীয় খেয়ে যাও। উত্তেজক পানীয়, তোমাদের বয়সী ছেলেমেয়েদের ভালো লাগবে।”

    আমি বললাম, “আরেক দিন খাব। আজকে যাই।”

    “টিশা কেন কাজে যায়নি বলেছে?”

    আমি কী উত্তর দেব বুঝতে পারলাম না। ইতস্তত করে বললাম, “না মানে, কোনো কিছু নিয়ে ব্যস্ত

    “হ্যাঁ। সব সময়েই কোনো কিছু নিয়ে ব্যস্ত। কিন্তু কী নিয়ে ব্যস্ত আমি বুঝি না। সব সময়ে মেয়েটাকে নিয়ে ভয়ে ভয়ে থাকি।”

    আমি আর কোনো কথা না বলে বিদায় নিয়ে বের হয়ে এলাম। টিশা আমাকে চলন্ত সিঁড়ি পর্যন্ত এগিয়ে দিল। টিশাদের বারো তলা দালান থেকে বের হয়ে আমি যখন সরু একটা রাস্তা ধরে হেঁটে যাচ্ছি তখন আমার পাশ দিয়ে চারজন সশস্ত্র সেন্ট্রি হেঁটে গেল। আমি তখনো বুঝতে পারিনি তারা টিশাকে ধরে নিয়ে যেতে যাচ্ছে। কমিউনের কার্যকরি পরিষদে দুপুর বেলা টিশাকে ডিটিউন করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেওয়া হয়েছে।

    .

    ঠিক কী কারণ জানা নেই সেই রাতটি আমি বিচিত্র দুঃস্বপ্ন দেখে ছটফট করে কাটিয়ে দিয়েছি। পরদিন ভোরে গিয়ে দেখি আমাদের কর্মী বাহিনী কাজ না করে এখানে-সেখানে জটলা করে নিচু গলায় কথা বলছে। আমি একজনকে জিজ্ঞেস করলাম, “কী হয়েছে?”

    ছেলেটি আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি জান না? টিশাকে ডিটিউন করার জন্য ধরে নিয়ে গেছে।”

    আমার মাথাটা ঘুরে উঠল। মনে হলো আমার পুরো জগৎটি মুহূর্তে অন্ধকার হয়ে গেল। চোখের সামনে একটা দৃশ্য ফুটে উঠল, টিশা একটা মপ নিয়ে নর্দমার ময়লা পানি ঠেলে নিয়ে যাচ্ছে, চোখের দৃষ্টি স্থির, মুখে কোনো অভিব্যক্তি নেই। আমি তাকে ডাকছি সে আমার দিকে ঘুরে তাকাচ্ছে না, যখন ঘুরে তাকাচ্ছে তখন আমাকে চিনতে পারছে না। মনে হলো আমার বুকের ভেতর কিছু একটা তছনছ হয়ে যাচ্ছে।

    ছেলেটি আমার মুখের দিকে তাকিয়েছিল, বলল, “দেখো রিহি, তোমার নিশ্চয়ই খুব খারাপ লাগছে, আমরা দেখেছি তুমি আর টিশা খুব ঘনিষ্ঠ ছিলে কিন্তু কী করবে, মেনে নাও। তা ছাড়া আরো একটা বিষয় মনে রাখা দরকার, তুমি নিজেও কিন্তু বিপদে আছ। টিশার পর যদি তোমাকে নিয়ে টানাটানি করে…”

    ছেলেটি কথা বলে যাচ্ছিল, আমি কিছু শুনতে পাচ্ছিলাম না। আমি কী করব বুঝতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল ছুটে বের হয়ে যাই কিন্তু আমাদের জেনারেটর ঘরের দরজা তালা মেরে দিয়েছে। কাজ শেষ হবার আগে বের হবার কোনো উপায় নেই।

    আমি কীভাবে সারাটি দিন কাটিয়েছি আমি নিজেও জানি না। বিকেলে দরজা খুলে দেওয়ামাত্র আমি বের হয়ে ছুটতে থাকি। টিশাদের বারো তলা বিল্ডিংয়ের নিচে চলন্ত সিঁড়ির উপর দিয়ে ছুটতে ছুটতে আমি আটতলায় টিশাদের ফ্ল্যাটে হাজির হলাম, দরজায় ধাক্কা দিতেই দরজাটা খুলে গেল। জানালার কাছে টিশার মা পাথরের মূর্তির মতো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দরজায় শব্দ শুনে টিশার মা ঘুরে আমার দিকে তাকাল।

    আমি হাঁপাতে হাঁপাতে বললাম, “টিশা টিশা–”

    টিশার মা বলল, “টিশা নাই। চলে গেছে।”

    “কোথায় চলে গেছে?”

    “আমি জানি না। কাল তুমি চলে যাবার পর চারজন সেন্ট্রি এসে তাকে ধরে নিয়ে গেছে। টিশা নাকি খুব ভয়ংকর একটা অপরাধ করেছে সেজন্য তাকে ডিটিউন করে দেবে।” টিশার মা এক মুহূর্তের জন্য থামল, তারপর একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “যাদেরকে ডিটিউন করা হয় তাদেরকে শেষবারের মতো তার আপনজনদের সাথে দেখা করার জন্য পাঠানো হয়। টিশাকেও পাঠিয়েছিল। তখন অনেক রাত।”

    “টিশা-টিশা কী বলেছে?”

    “কিছু বলেনি। সে যেন পালিয়ে যেতে না পারে তাই তার আঙুলে একটা ট্রাকিওশান লাগিয়ে দিয়েছিল। বাম হাতের কড়ে আঙুলে। লাল রঙের ট্রাকিওশান। বাইরে সেন্ট্রিরা অপেক্ষা করছে, ঘরের ভেতরে আমি আর টিশা।”

    আমি নিঃশ্বাস বন্ধ করে বললাম, “তখন?”

    “তখন টিশা বলল, মা আমাকে একটা ধারালো চাকু দাও। আমি জিজ্ঞেস করলাম, কেন? টিশা বলল আমাকে জিজ্ঞাসা কোরো না। আমি তাকে একটা চাকু দিলাম। সেই চাকু নিয়ে সে তার ঘরে ঢুকে গেল। ঘরে ছিটকিনি লাগিয়ে দিল। বাইরে থেকে আমি শুধু একবার একটা যন্ত্রণার আর্তচিৎকার শুনতে পেলাম।”

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “তারপর?”

    শেষ রাতে সেন্ট্রিরা টিশাকে নিতে এল। তার ঘরে ধাক্কা দিল। কেউ দরজা খুলল না। তখন তারা ধাক্কা দিয়ে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে গেল। ভেতরে টিশা নেই। টেবিলের উপর ট্রাকিওশান লাগানো তার বাম হাতের কড়ে আঙুলটি পড়ে আছে। ট্রাকিওশানটা সিগনাল দিয়ে যাচ্ছে। আমার টিশা তার বাম হাতের কড়ে আঙুল কেটে ট্রাকিওশন আলাদা করে জানালার পাইপ বেয়ে নেমে গেছে। কোথায় গেছে কেউ জানে না।” টিশার মা আমার দিকে অদ্ভুত একটা দৃষ্টিতে তাকিয়ে বলল, “তুমি জান বিহি, আমার মেয়ে টিশা কোথায়?”

    আমি মাথা নাড়লাম, জানালাম যে আমি জানি না। টিশার মায়ের মুখে খুব বিচিত্র একটা হাসি ফুটে উঠল। আমায় চোখের দিকে তাকিয়ে বলল, “আমি আর কিছু জানতে চাই না। তুমি যাও। আগে হোক পরে হোক ওরা তোমাকে খুঁজে বের করবে।”

    আমি টিশাদের ফ্ল্যাট থেকে ছুটে বের হয়ে এলাম। বুকের উপর থেকে একটা পাষাণ নেমে গেছে। ওরা টিশাকে ধরতে পারেনি। আমার টিশা একটা মোটর বাইকে করে মরুভূমির লাল বালু উড়িয়ে ছুটে যাচ্ছে। পৃথিবীর কোনো শক্তি তাকে ধরতে পারবে না। আমার টিশা যাযাবর হয়ে গেছে। আমিও যাযাবর হয়ে যাব। আমি জানি আমাকেও এখন পালাতে হবে। টিশাকে খুঁজে বের করতে হবে।

    টিশাদের বাসা থেকে বের হয়ে আমি আমার অনাথ আশ্রমে ফিরে গেলাম না। টিশার একজন মা আছে, আমার কেউ নেই। আমি জন্মের পর থেকে অনাথ আশ্রমে বড় হয়েছি, অনাথ আশ্রমের ছেলেমেয়েগুলো আমার সবকিছু। তাদের কাছ থেকে আমার বিদায় নেয়া দরকার কিন্তু মনে হয় বিদায় নেওয়া হবে না। আমি শহরের শেষ প্রান্তে হেঁটে হেঁটে গিয়ে একটা ধসে যাওয়া দালানে ঢুকে গেলাম। পুরোটা বিধ্বস্ত হয়ে আছে, ভাঙা যন্ত্রপাতিতে বোঝাই। আমি কোথাও ভাঙা সিঁড়ি কোথাও ভাঙা দেয়াল কোথাও জং ধরা যন্ত্রপাতি বেয়ে উপরে উঠে গেলাম। একটা ফাটলের পাশে বসে আমি পুরো ব্যাপারটা ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করার চেষ্টা করলাম। আমাকে খুঁজে খুঁজে যদি সেন্ট্রিরা এখানে চলে আসে আমি এখানে বসে দেখতে পাব, তখন সাবধানে পাশের দালানে সরে যাব। আমার এখন কিছুতেই ধরা পড়া চলবে না। কিছুতেই না।

    আমি এর আগে কখনোই ঠান্ডা মাথায় কিছু চিন্তা করে কোনো কাজ করিনি–যখন যেটা ইচ্ছে হয়েছে তখন সেটা করেছি। এই প্রথমবার আমার খুব ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করে কাজ করতে হবে।

    আমাকে এখান থেকে পালাতে হবে, পালানোর জন্য একটা মোটর বাইক দরকার। মোটর বাইকটা বেশি বড় হতে পারবে না তাহলে প্রাচীরের ছোট ফুটো দিয়ে সেটা বের করা যাবে না। মোটর বাইকে যথেষ্ট পরিমাণ পাওয়ার থাকতে হবে–সেটি অবশ্যি সমস্যা নয়–এক সময় তেল-গ্যাস দিয়ে পৃথিবী চলত তখন পাওয়ার নিয়ে সমস্যা ছিল। এখন তেল-গ্যাস দিয়ে পৃথিবী চলে না, ফিউশান পাওয়ার ব্যবহার শুরু করার পর সারা পৃথিবীর শক্তির সমস্যা মিটে গেছে। শুধুমাত্র পরিত্যক্ত ব্যাটারিতে যে পরিমাণ শক্তি জমা আছে সেটা দিয়েই এই পৃথিবীর মানুষ আরো দু-চারশ বছর টিকে থাকতে পারবে।

    শুধু মোটর বাইক হলে হবে না, আমার কিছু শুকনো খাবার দরকার, তার সাথে খাবার পানি। এক-দুটো অস্ত্র হলে আরও নিশ্চিন্ত থাকা যাবে। কোনো রকম ঝামেলা তৈরি না করে কীভাবে এগুলো জোগাড় করা যায় আমি চিন্তা করতে থাকি।

    অনেকক্ষণ চিন্তা করেও কোনো রকম ঝামেলা না করে এগুলো জোগাড় করার কোনো সহজ বুদ্ধি খুঁজে পেলাম না। তখন আমি অন্যভাবে চিন্তা করতে থাকলাম, বড় ধরনের ঝামেলা করেই কাজটা করা যাক। কিন্তু কাজটা যেন খুব দ্রুত শেষ করা যায়। সব শেষে অস্ত্র জোগাড় না করে প্রথমেই যদি অস্ত্রটা জোগাড় করি তাহলে সেই অস্ত্র দিয়ে শুকনো খাবার কিংবা পানি জোগাড় করা বিন্দুমাত্র কঠিন কাজ নয়। সেই অস্ত্র দেখিয়ে কারো কাছ থেকে একটা মোটর বাইক কেড়ে নেওয়া কোনো বড় ধরনের ঝামেলা নয়। আইন না ভেঙে এই কাজগুলো করা মোটেই সহজ নয়। কিন্তু যদি ঠিক করে ফেলি আইনটা যেহেতু ভাংতেই হবে সেটা ঠিকভাবেই ভাঙা হোক তাহলে সবকিছুই খুব সহজ। পুরো পরিকল্পনাটার একটাই সমস্যা, আমি এর আগে কখনো কোনো দিন আইন ভেঙে কিছু করিনি–আজ করতে হবে।

    অস্ত্র জোগাড় করার কাজটা সবচেয়ে কঠিন হবার কথা কিন্তু আমার মনে হলো এই কাজটাই হবে সবচেয়ে সহজ। আমি আর টিশা কংক্রিটের প্রাচীরের উপর দিয়ে হেঁটে হেঁটে অনেকবার শহরের মূল গেটের কাছে এসেছি, যে দৃশ্যটা সবচেয়ে বেশি চোখে পড়েছে সেটি হচ্ছে গেটের সেন্ট্রি গেটে হেলান দিয়ে ঢুলু ঢুলু চোখে বসে আছে। এই গেট কয়েক মাসেও একবারের জন্য ভোলা হয় কি না সন্দেহ, তাই সেন্ট্রির কোনো কাজ নেই। কাজেই আধা ঘুমন্ত একজন সেন্ট্রির কাছ থেকে আচমকা একটা অস্ত্র কেড়ে নেওয়া কঠিন হওয়ার কথা নয়। তবে আমার চেহারায় পনেরো বছর বয়সের একটা ছেলের চেহারার ছাপ আছে, সেই ছাপটি রাখা যাবে না। কালিঝুলি মেখে প্রথমে চেহারার মাঝে একটা বীভৎস ভাব আনতে হবে।

    কীভাবে পুরো পরিকল্পনাটা কাজে লাগানো হবে সেটি ঠিক করে নেবার পর আমি কাজে লেগে গেলাম। ধসে যাওয়া বিল্ডিংটা খুঁজে খুঁজে কিছু কালিঝুলি বের করে মুখে লাগাতে থাকি। চোখের নিচে, গালে এবং মুখটা ঘিরে কালো রঙের একটা আস্তরণ দিয়ে চেহারার মাঝে একটা ভয়ংকর ভাব ফুটিয়ে আনি। খুঁজে এক টুকরো কটকটে লাল রঙের কাপড়ের টুকরো পেয়ে গেলাম, সেটা মাথায় বেঁধে নিলাম, আয়না নেই বলে নিজেকে দেখতে পাচ্ছিলাম না কিন্তু আমি অনুমান করতে পারছিলাম এখন আমার মোটামুটি একটা ভয়ংকর দর্শন চেহারা হয়েছে।

    আমি তখন সাবধানে বিল্ডিং থেকে বের হয়ে কংক্রিটের প্রাচীরের দিকে ছুটতে থাকি। প্রাচীরের কাছাকাছি পৌঁছে কংক্রিটের টুকরোগুলোর আড়ালে থেকে গেটের দিকে এগোতে থাকি। গেটের কাছাকাছি পৌঁছে আমি মাথা তুলে উঁকি দিলাম। যা ভেবেছিলাম তাই, সেন্ট্রি গেটে হেলান দিয়ে ঘুমাচ্ছে, অস্ত্রটা দেয়ালে হেলান দিয়ে রেখেছে।

    আমি পা টিপে টিপে তার দিকে অগ্রসর হতে থাকি, ঠিক কী কারণ জানা নেই আমি নিজের ভেতর বিন্দুমাত্র ভয়ভীতি টের পেলাম না। নিজের ভেতরে বিচিত্র এক ধরনের আত্মবিশ্বাস। আমি নিশ্চিতভাবে জানি কোনো রকম ঝামেলা ছাড়াই আমি কাজটা শেষ করতে পারব।

    সেন্ট্রিটার খুব কাছে পৌঁছানোর পর হঠাৎ কী কারণে সেন্ট্রি চোখ খুলে আমার দিকে তাকাল। আমি তখন আর দেরি না করে এক লাফ দিয়ে তার অস্ত্রটা হাতে তুলে নিয়ে তার দিকে তাক করে বললাম,

    “দুই হাত উপরে তুলে মাটিতে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ো!”

    মানুষটা একটু দ্বিধা করছিল। আমি তখন চিৎকার করে বললাম, “খবরদার! দেরি করলেই গুলি!” শুধু যে কথাটা উচ্চারণ করেছি তা নয় মুহূর্তের জন্য মনে হলো দেরি করলে সত্যি বুঝি গুলি করে দিতে পারব।

    মানুষটা তখন সত্যি সত্যি উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ল, দুই হাত মাথার উপর উঁচু করে রাখা। আমি কাছে গিয়ে তার বেল্টটা খুলে নিয়ে হাত দুটো পেছনে বেঁধে নিলাম। তারপর তার গলার স্কার্ফটা খুলে সেন্ট্রির মুখটা শক্ত করে বেঁধে দিলাম। নির্জন এই জায়গা থেকে তার ছুটে আসতে দশ পনেরো মিনিট লেগে যাবে, আমাকে তার মাঝে কাজ শেষ করে ফেলতে হবে। অস্ত্রটাকে দেখে অনেক ভারী মনে হয় কিন্তু সেটা আশ্চর্য রকম হালকা। আমি সেটা হাতে নিয়ে রাস্তা ধরে ছুটতে থাকি, প্রথম যে মোটর বাইক চোখে পড়বে সেটা ছিনিয়ে নিতে হবে।

    প্রথম মোটর বাইকে একজন মা তার ছোট মেয়েকে পেছনে বসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, তাই তাকে ছেড়ে দিলাম। দ্বিতীয় মোটর বাইকে পাহাড়ের মতো বিশাল একজন মানুষ যাচ্ছে, তাকেও ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু আমার হাতে সময় নেই তাই ছোটখাটো একটা হুংকার দিয়ে তার সামনে ঝাঁপিয়ে পড়লাম। মানুষটা অবাক হয়ে মোটর বাইক থামাল, আমি চিৎকার করে বললাম, “নেমে যাও! এই মুহূর্তে, না হলে গুলি করে দেব।”

    আমার কথা শুনে মানুষটা এত অবাক হলো যে সেটি বলার মতো নয়, আমাদের এই শহরে এর আগে কখনোই কেউ কারো কাছ থেকে কিছু ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেনি। একজনকে অস্ত্র দিয়ে ভয় দেখিয়ে যে কিছু একটা ছিনিয়ে নেয়া যায় এই শহরের মানুষেরা সেটা জানে না। মানুষটা আমাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করল না, মোটর বাইক থেকে নেমে দাঁড়াল।

    আমি লাফিয়ে সেটার উপর উঠে মুহূর্তে অদৃশ্য হয়ে গেলাম। বড় কাজ দুটি শেষ, এখন কিছু শুকনো খাবার আর পানি জোগাড় করতে হবে। এই পথে একটা দোকান আছে কিন্তু সেখানে মানুষের ভিড় হবে বলে সেখানে না গিয়ে একটা ছোট অনাথ আশ্রমে হানা দিলাম। আমাকে দেখে সেখানে ছোট শিশুরা আতঙ্কে ছোটাচ্চুটি করতে থাকে, আমার কাজটি সে জন্যে সহজ হয়ে গেল। আমি অস্ত্র উঁচিয়ে চিৎকার করে বললাম, “দশ সেকেন্ডের মাঝে দশ গ্যালন পানি আর দশ কেজি শুকনো খাবার-এক সেকেন্ড দেরি হলে সবাইকে খুন করে ফেলব।”

    দশ সেকেন্ডের মাঝে এগুলো দেওয়া সম্ভব না, আমার পক্ষেও কাউকে খুন করা সম্ভব না কিন্তু অনাথ আশ্রমের ম্যানেজার মেয়েটির এগুলো জানার কথা নয়–সে ছোটাচ্চুটি করে খাবার আর পানির প্যাকেট আনতে থাকে।

    এক মিনিটের মাঝে আমি সেখান থেকে বের হয়ে প্রাচীরের দিকে ছুটতে থাকি। প্রাচীরের ঠিক কোন জায়গাটিতে গর্ত সেটি আমি বেশ ভালোভাবে জানি। জানি, সেটার উপর ভরসা করেই আমি সেদিকে ছুটে যেতে থাকি।

    ঠিক তখন অনেক দূর থেকে সাইরেনের বিকট শব্দ শুনতে পেলাম। আমি আমাদের এই শহরে কখনো কোনো বড় ধরনের অপরাধ ঘটতে দেখিনি। কিছু একটা ঘটে গেলে কী করতে হয় মনে হয় কারো ভালো করে জানা নেই। তাই আমাকে ধাওয়া করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীকে প্রস্তুত করে আনতে বেশ খানিকটা সময় লেগে গিয়েছে।

    প্রাচীরের কাছে পৌঁছে আমি যখন গর্তটাকে খুঁজে বের করে তার ভেতরে ঢুকে মোটর বাইকটাকে ঠেলে ঠেলে নিয়ে যাচ্ছি তখন বাইরে সশস্ত্র বাহিনীর গাড়িগুলো হাজির হয়েছে। তারা যখন আমাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে তখন আমি প্রাচীরের অন্য পাশে বের হয়ে গেছি। মোটর বাইকের বাতি নিভিয়ে আমি নিঃশব্দে মরুভূমির লাল বালু উড়িয়ে ছুটে যেতে থাকি।

    প্রাচীরের উপর সার্চলাইট জ্বালিয়ে নিরাপত্তা রক্ষা বাহিনী যখন আমাকে খুঁজে বেড়াতে শুরু করেছে তখন আমি শহর থেকে বহুদূরে চলে এসেছি। আমাকে তারা আর কোনো দিন খুঁজে পাবে না।

    কিন্তু আমার টিশাকে খুঁজে পেতে হবে। পেতেই হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }