Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩-১৪. একটু পর পর কিছু একটা

    একটু পর পর কিছু একটা সেরিনার পেটে ঢুশ মারছে, সেরিনা আধো ঘুমে হাত দিয়ে সেটাকে সরিয়ে দিতে চেষ্টা করল কিন্তু সেটি সরল না। সেরিনা শেষ পর্যন্ত চোখ খুলে তাকালো, প্রাণীটি টুশকি, একটি ডলফিনের বাচ্চা। ডলফিনের যে দলটির সাথে সেরিনা সময় কাটায় এই শিশুটা সেই দলের। সেরিনা এর নাম দিয়েছে টুশকি, ডলফিন শিশুটা এই নামে সাড়া দেয়।

    সেরিনা চোখ খুলে বলল, “টুশকি, তোমার সমস্যাটা কী? পানির ভেতর সেরিনার কণ্ঠস্বর অন্য রকম শোনায় কিন্তু তাতে টুশকির কোনো সমস্যা হলো বলে মনে হলো না। টুশকি একটা শীষ দেওয়ার মতো শব্দ করল তারপর মুখ দিয়ে টিক টিক করে শব্দ করতে লাগল।

    সেরিনা ডলফিনের ভাষা একটু একটু করে বুঝতে শুরু করেছে। প্রত্যেকটা ডলফিনের নিজের একটা শীষ আছে সে শীষের শব্দ শুনে বুঝতে হয় কে কথা বলছে। টিক টিক শব্দ করে তারা কথা বলে, যখন মাছ ধরতে যায় তখন এক ধরণের শব্দ যখন খেলতে চায় তখন অন্য ধরণের শব্দ।

    সেরিনা বলল, “কেন এতো ভোরে তুমি জ্বালাতন করছ? তোমার বেশীক্ষণ ঘুমাতে হয় না তার মানে এই না যে আমাকে ঘুমাতে হবে না।”

    টুশকি কী বুঝল কে জানে, তার মাঝে এক ধরণের আনন্দ আর উত্তেজনা দেখা গেল। সেটি কয়েকবার সামনে পিছনে দৌড়াদৌড়ি করে একবার উপরে উঠে নিশ্বাস নিয়ে আবার নিচে নেমে এল! সেরিনাকে না। নিয়ে সেটি যাবে না। সেরিনা তখন বাধ্য হয়ে পাথরের খাঁজ থেকে বের হয়ে আসে তারপর ডলফিল শিশু টুশকির সাথে পানির উপরে উঠে এল।

    পানির নিচের আবছা অন্ধকার থেকে উপরে উঠে সেরিনার চোখ ধাঁধিয়ে যায়, চারদিকে যতদূর চোখ যায় সমুদ্রের নীল পানি, উপরে নীল আকাশ। এক দল ডলফিন নিশ্বাস নেবার জন্যে তাদের মাথাটা বের করে ঘুমুচ্ছে। নিজেদের ভাসিয়ে রাখার জন্যে ঘুমর মাঝেই খুব ধীরে ধীরে তাদের লেজ নাড়ছে।

    টুশকি সেরিনাকে ঘিরে সাঁতার দিতে দিতে ঘুরপাক খেতে লাগল। মাঝে মাঝে পানি থেকে লাফিয়ে উপরে উঠে যেতে লাগল। টুশকির দাপাদাপিতে অন্য ডলফিনগুলোও জেগে উঠে নড়তে শুরু করল। সেরিনা তাদের শীষের শব্দ শুনতে পায়।

    ডলফিনগুলো একে অন্যের সাথে ক্লিক ক্লিক শব্দ করে কথা বলতে থাকে। একটু পরেই তারা মাছ ধরতে বের হবে, সেরিনা সব সময়েই তাদের সাথে যায়। যাবার আগে তার একটু খাওয়া দরকার। সদ্য বাচ্চা দেয়া মা ডলফিনটার শীষের শব্দ অনুসরণ করে সে কয়েকবার শব্দ করল, তখন একটা মাঝারী সাইজের ডলফিন তার দিকে এগিয়ে এসে মাথার উপরের ফুটো দিয়ে বড় একটা নিশ্বাস ফেলল। সেরিনা ডলফিনটাকে চিনতে পারল, সে এটাকেই খুঁজছে।

    সেরিনা পানিতে ডুবে গিয়ে মা ডলফিনটার পেটের নিচে দুধের বোঁটা খুঁজে মুখ লাগিয়ে দুধ খেতে শুরু করে। ডলফিনের দলটা তাকে গ্রহণ করার পর সে প্রায় নিয়মিতভাবে ডলফিনের দুধ খায়। সুস্বাদু গাঢ় দুধ একটু খানি খেলেই তার পেট ভরে যায়। ডলফিনের দলে যোগ দেয়ার পর এটা তার সবচেয়ে বড় লাভ হয়েছে। ডলফিনগুলো তাকে খুব আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে দলের সবচেয়ে বদরাগী ধরণের পুরুষ ডলফিনটাও তাকে মেনে চলে।

    তার কারণ আছে। এই দলটার সাথে তার পরিচয়টা হয়েছে প্রায় হঠাৎ করে। সমুদ্রে যখন প্রায় প্রথম এসেছে তখন হঠাৎ করে একদিন সে একটা জাহাজের শব্দ পেল। নিচ থেকে দেখল মাঝারি সাইজের একটা জাহাজ জাল ফেলতে ফেলতে যাচ্ছে। জাল ফেলে কেমন করে মাছ ধরে দেখার জন্যে সে পিছু পিছু গেল। জাহাজটা আস্তে আস্তে যখন জাল গুটিয়ে আনছে তখন দেখতে পেলো টুনা মাছের বিশাল একটা ঝাক জালের ভেতর আটকা পড়েছে, মাছগুলো জালের ভেতর খল-বল করছে। হঠাৎ করে দেখল জালের আশেপাশে অনেকগুলো ডলফিন ছুটোছুটি করছে, মুখ দিয়ে শীষ দেওয়ার শব্দ করছে। ক্লীক ক্লীক শব্দ করছে। দেখেই বোঝা যাচ্ছিল ডলফিনগুলো কোনো একটা কারণে খুবই বিচলিত, তাদের মাঝে এক ধরণের উত্তেজনা আর ভয়। কেন ডলফিনগুলো এরকম করছে দেখার জন্যে সেরিনা আরেকটু কাছে এগিয়ে গেল তখন ডলফিনগুলোর উত্তণ্ঠার কারণটা বুঝতে পারল। জালের ভেতরে টুনা মাছের সাথে ছোট বড় অনেকগুলো ডলফিনও আটকা পড়েছে। সেগুলো ভেতরে আতংকিত হয়ে ছুটোছুটি করছে, বের হওয়ার চেষ্টা করছে, একটু পরে পরে জালে ধাক্কা দিচ্ছে কিন্তু বের হতে পারছে না।

    মাছ ধরার জাহাজটা তখন গুটিয়ে নেয়া জালটা আস্তে আস্তে উপরে তুলতে শুরু করে, টুনা মাছগুলো হুটোপুটি শুরু করে তার সাথে সাথে ডলফিনগুলোও আতংকিত হয়ে লাফ দিতে শুরু করে।

    সেরিনা তখন আরেকটু এগিয়ে গেলো, তার কোমরে টাইটেনিয়ামের একটা চাকু বেঁধে রাখা আছে। সে যখন সমুদ্রে লুকিয়ে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তখন শামীম তাকে এই চাকুটা দিয়েছে, টাইটেনিয়ামের বিশেষ ধরণের একটা চাকু, সমুদ্রের পানিতেও জং ধরে যাবে না। সমুদ্রের কতো রকমের প্রাণী সবারই নিজেকে রক্ষা করার জন্যে কিংবা অন্যকে আক্রমণ করার জন্যে ধারালো দাঁত বা অন্য কিছু একটা আছে, সেরিনার কিছু নেই। তার একমাত্র অস্ত্র হচ্ছে তার মাথার বুদ্ধি আর টাইটেনিয়ামের এই চাকুটা।

    সেরিনা চাকুটা হাতে নিয়ে এগিয়ে গেল তারপর জালটার উপর থেকে নিচে অনেকখানি কেটে দিল। কাটা অংশ দিয়ে টুনাগুলো বের হতে লাগল আর তাদের দেখে হঠাৎ করে ডলফিন বুঝে গেল বের হওয়ার একটা জায়গা তৈরি হয়েছে, দেখতে দেখতে সবগুলো ডলফিন বের হয়ে আসতে থাকে। তাদের বের হতে সাহায্য করার জন্যে সেরিনা কাটা জালটা টেনে ধরে রেখে জায়গা করে দিল।

    মাছ ধরার জালটা যখন উপরে টেনে তুলেছে তখন ডলফিনের সাথে সাথে বেশীরভাগ টুনাও বের হয়ে গেছে। জাহাজের মানুষগুলোকে নিচ থেকে দেখার উপায় নেই কিন্তু সেরিনা অনুমান করতে পারল মানুষগুলো নিশ্চয়ই তাদেও ফাটা জাল দেখে খুবই অবাক হয়ে গেছে।

    ডলফিনগুলো চলে গেল না, সেরিনার আশেপাশে ঘুর ঘুর করতে লাগল, বোঝাই যাচ্ছে তারা সেরিনাকে তাদের নিজেদের মতো করে ধন্যবাদ জানাতে চাচ্ছে। ডলফিন স্তন্যপায়ী প্রাণী, পানিতে থাকলেও তাদের উপরে উঠে নিশ্বাস নিতে হয়, তাদের মাথায় যথেষ্ট বুদ্ধি। আটকে পড়া ডলফিনগুলোকে সেরিনা কীভাবে ছুটিয়ে এনেছে তারা ঠিক বুঝতে পেরেছে। একটা ডলফিন খুব কাছে এসে সেরিনার মুখ স্পর্শ করল, মনে হলো তার গালে চুমু দেবার চেষ্টা করছে। পিছনে ছোট একটা ডলফিনের বাচ্চা, সেরিনা বুঝতে পারল বাচ্চাটা ভেতরে আটকা পড়েছিল, এখন ছাড়া পেয়েছে বলে মা’টা সেরিনাকে তার মত করে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছে।

    সেরিনা ডলফিনটাকে ধরে একটু আদর করে দিল এবং সেই মুহূর্ত থেকে সে এই ডলফিনের দলের একজন সদস্য হয়ে গেল। ছোট ডলফিনটা তার খুবই ন্যাওটা হয়ে গেছে, সেরিনা তার নাম দিয়েছে টুশকি। প্রতিদিন ভোরেই ঘুম থেকে উঠে টুশকি তার কাছে চলে আসে। আজকেও এসেছে।

    .

    কিছুক্ষণের মাঝেই ডলফিনের দলটা অগ্রসর হতে শুরু করে। এরা যখন মাছ ধরতে যায় তখন একসাথে না থেকে অনেক দূরে দূরে ছড়িয়ে যায়। ডলফিনগুলো পানির ভেতর দিয়ে যেভাবে সাঁতার কাটতে পারে ঠিক সেরকম লাফ দিয়ে পানি থেকে বের হয়ে আসে। ডলফিনগুলোর পাশাপাশি সাঁতার কেটে যেতে যেতে সে যদি কখনো পিছিয়ে পড়ে তখন ডলফিনগুলো তার জন্যে অপেক্ষা করে। সেরিনা কখনো কখনো আরেকটা ডলফিনের পিঠে চেপে বসে সেটি তাকে নিয়ে সাঁতারে যেতে থাকে।

    টুশকির পাশে পাশে সাঁতরে যেতে যেতে সেরিনা টের পেলো সামনে তারা একটা মাছের ঝাঁক পেয়েছে। ডলফিনগুলো চারদিক থেকে মাছের আঁকটাকে ঘিরে ফেলে তারপর মাছের আঁকটাকে ঘিরে বৃত্তাকারে ঘূরপাক খেতে থাকে। ডলফিনগুলো ধীরে ধীর বৃত্তটাকে ছোট করে আনে যখন বৃত্তটা মাছগুলো ধরার মতো ছোট হয়ে আসে তখন ডলফিনগুলো মাছ ধরে খেতে শুরু করে। এগুলো স্মেল্ট মাছ, বেশি বড় নয়। সেরিনা ডলফিনের মতো মাছ খেতে শিখে গেছে। ডলফিনগুলো সরাসরি মুখ দিয়ে খাচ্ছে সেরিনা মাঝে মাঝে উলফিনের মতো চেষ্টা করে দেখেছে, খুব সুবিধে করতে পারে না। তাকে সবসময়েই হাত দিয়ে ধরে নিতে হয়। গোটা তিনেক স্মেল্ট খেয়েই তার পেট ভরে গেল। সে যেভাবে কাঁচা মাছ ধরে খাচ্ছে তার আব্বু দেখলে নিশ্চয়ই খুব অবাক হয়ে যেতো। সমুদ্রে আসার পর এটাই সে প্রথমে শিখেছে। প্রথম প্রথম গন্ধে নাড়ী উল্টে আসতো আজকাল বেশ অভ্যাস হয়ে গেছে। চিংড়ি, কাঁকড়া আর ওয়েস্টার তার প্রিয় খাবার। ডলফিন স্কুইড খেতে পছন্দ করে সেও তাদের মতো স্কুইড খাওয়া শিখে গেছে। কাঁচা মাছ খুবই বিচিত্র খাবার হতে পারে না, জাপানীরা সুশী খায় সুশী তো কাঁচা মাছ ছাড়া আর কিছু নয়। প্রথম প্রথম তার খাওয়াটা ছিল বেঁচে থাকার জন্যে আজকাল যখন খুব খিদে লাগে তখন খাওয়াটা সে রীতিমত উপভোগ করতে শুরু করেছে।

    মাছের ঝাঁক থেকে মাছ খেয়ে ডলফিনের দলটা সমুদ্রের পানিতে ছোটাচ্চুটি করতে লাগল। হঠাৎ এক সময় একটা ডলফিন শীষের মতো শব্দ করে সবাইকে সতর্ক করে দেয়, ঠিক কী জন্যে সতর্ক করেছে সেরিনা বুঝতে পারল না, সে আশে পাশে তাকালে তখন দেখল দূর থেকে একটা হাঙ্গর মাছ আসছে। এই প্রাণীটাকে সেরিনা আসলেই ভয় পায়। সে নিঃশব্দে পানিতে ভেসে থাকল, কখন এটি কাকে আক্রমণ করে বসবে ঠিক নেই, এর মুখটা দেখেই আতংক হয়, সেটা কেমন জানি হিংস্র, ধারালো দাঁত দিয়ে মুহূর্তের মাঝে যে কোনো কিছু দু টুকরা করে ফেলতে পারে। আগেও তার মাঝে মাঝে হাঙ্গর মাছের সাথে দেখা হয়েছে, প্রতিবারই সে নিঃশব্দে ভেসে থেকেছে, হাঙ্গর মাছটি তখন পাশ দিয়ে, সাঁতরে চলে গেছে। চুপচাপ থাকলে মনে হয় হাঙ্গর মাছ সেটাকে ভালো দেখতে পায় না।

    সেরিনা সাবধানে তার চাকুটা ধরে রাখল, সত্যি সত্যি তাকে আক্রমণ করলে এমনি এমনি সে ছেড়ে দেবে না। হাঙ্গরটা তাকে আক্রমণ করল না, ডলফিনগুলোকেও ধরার চেষ্টা করল না, লেজটা ডানে বায়ে নাড়তে নাড়তে আরো গভীর পানির দিকে নেমে গেল।

    হাঙ্গরটা চলে যাবার পর ডলফিনগুলোও আবার খেলতে শুরু করে। সমুদ্রে থাকা শুরু না করলে সে কোনোদিন জানতে পারতো না ডলফিন এতো হাসিখুশি প্রাণী! মাঝে মাঝে মনে হয় এদের বুঝি মানুষের মতোই বুদ্ধি! সে যদি একবার তার আব্বুকে এনে এই ডলফিনদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে পারতো তাহলে কী মজাই না হতো!

    সে বলতো, “আব্বু এই হচ্ছে টুশকিকে।“

    টুশকি একটা ছোট লাফ দিতো আর আব্বু বলতো, “কী খবর টুশকি?”

    তখন সে টুশকির মাকে দেখিয়ে বলতো, “আব্বু, এই হচ্ছে টুশকির মা। আমি এর দুধ খাই।”

    আব্বু বলতো, “আমার মেয়েকে দেখেশুনে রাখার জন্যে তোমাকে অনেক ধন্যবাদ টুশকির মা!”

    সেরিনা একটা নিশ্বাস ফেলে, মাঝে মাঝে তার খুব আব্বুর কথা মনে হয়।

    সেরিনা প্রথম যেদিন তিমি মাছ দেখেছিল সেই দিনটার কথা সে ভুলতে পারবে না। ডলফিন যেরকম হাসিখুশি বাচ্চাদের মতো তিমি মাছ ঠিক সেরকম গম্ভীর বয়স্ক মানুষের মতো। প্রথমবার যখন একটা তিমি মাছ দেখেছিল সে অবাক হয়ে সেটার দিকে তাকিয়ে ছিল। একেবারে ট্রেনের মতো বিশাল একটা প্রাণী ধীরে ধীরে যাচ্ছে। তিমি মাছটার একটা বাচ্চা, সেটাও বড় একটা বাসের মতো বড়, তার মায়ের পিছু পিছু যাচ্ছে। বিশাল একটা লেজ ধীরে ধীরে উপরে আর নিচে নামে। তিমি মাছও স্তন্যপায়ী প্রাণী এটাকেও নিশ্বাস নিতে হয়, মাঝে মাঝে মাথাটা পানির উপরে তুলে নিশ্বাস নেয় তারপর মাথার যে ফুটোটা আছে সেটা দিয়ে বাতাসটা বের করে দেয়।

    সেরিনা তিমি মাছটার পিছু পিছু অনেকদূর গিয়েছিল। তিমি মাছ এতো বড় যে সেটাকে কেউ আক্রমণ করবে তার সাহস নেই। তিমি মাছ নিজেও সেটা খুব ভালো করে জানে, তাই সেটা যখন পানির নিচে দিয়ে যায় তখন ডানে বামে কোনোদিকে তাকায় না। সেরিনা জানতো না তিমি মাছ গান গাওয়ার মতো করে ডাকতে পারে। অনেকদূর থেকে যখন কান্নায় মতো শব্দ করে তিমি মাছ ডাকতে থাকে সেটা শুনে কেমন জানি মন খারাপ হয়ে যায়।

    এতো বড় তিমি মাছ কিন্তু সেরিনা কখনো তিমি মাছটাকে কিছু খেতে দেখে নি! মনে হয় পানির শ্যাওলা প্রাংকটন এগুলো খেয়েই থাকে। ডলফিনের মতো মাংশাসী নয়, নিরমিষাশী।

    ডলফিনের সাথে সেরিনার যে রকম এক ধরণের বন্ধুত্ব হয়েছে তিমি মাছদের সাথে সেরকম বন্ধুত্ব না হলেও এক ধরণের পরিচয় হয়েছে। তিমি মাছের কৌতূহলী বাচ্চাটা সেরিনাকে দেখলেই তার দিকে এগিয়ে আসে, তাকে উল্টে পাল্টে দেখে। মা তিমি মাছটা তখন চোখের কোণ দিয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে থাকে।

    কিন্তু একদিন তিমি মাছদের সাথে তার একধরণের ঘনিষ্ঠতা হলো। ঘটনাটা ছিল খুবই ভয়ংকর একটা ঘটনা।

    .

    ১৪.

    কয়দিন থেকেই সেরিনা একটা জাহাজের শব্দ শুনছিল। জাহাজের প্রপেলারে শব্দ বাড়ে আবার কমে। মনে হয় জাহাজটা কোনো কাজে এ দিকে এসে ঘুরোঘুরি করছে। তিমি মাছের একটা বড় দলও এদিকে ঘুরোঘুরি করছে। দেখে মনে হয় এগুলো অন্য কোনো একটা এলাকা থেকে এদিকে এসেছে। শীতের সময় যেরকম এক এলাকার পাখী অন্য এলাকায় চলে আসে অনেকটা সেরকম। জাহাজটা যে তিমি মাছ মারার জন্যে এসেছে সেটা সেরিনা মোটেও অনুমান করতে পারে নি।

    ব্যাপারটা সেরিনা বুঝতে পারল যখন একদিন সে দেখল জাহাজের উপর থেকে একটা হারপুন দিয়ে বিশাল একটা তিমি মাছকে গেঁথে ফেলা হল। তিমি মাছটা যন্ত্রণায় ছটফট করতে করতে তার বিশাল শরীরটা নিয়ে পানির ভেতর দিয়ে ছুটতে থাকে আর জাহাজের উপর থেকে হারপুনের দড়ি ছাড়তে থাকে। হারপুনটা তিমি মাছের শরীরে এমনভাবে গেঁথে গেছে যে সেটা আর খুলে আসার উপায় নাই। হারপুনের দড়িতে বাঁধা থেকে তিমি মাছটা পানি তোলপাড় করে ছটফট করতে থাকে। রক্তে পানিটা টকটকে লাল হয়ে যায়। তিমি মাছটা নিশ্বাস নেবার জন্য একবার উপরে উঠে আবার ডুবে যায়। পানির নিচে ছটফট করতে থাকে। তিমি মাছটা যখন শেষ পর্যন্ত দুর্বল হয়ে নির্জীব হয়ে যায় তখন হারপুনের দড়ি টেনে টেনে তিমি মাছটাকে বিশাল জাহাজের কাছে নিয়ে আসে তারপর সেটাকে তখন ক্রেন দিয়ে টেনে টেনে জাহাজের উপর তুলে ফেলে। রক্তের গন্ধ পেয়ে একটু পরেই অনেকগুলো হাঙ্গর মাছ চলে এসে ঘোরাঘুরি করতে থাকে সেরিনা তখন তাড়াতাড়ি সরে গেল।

    এই জাহাজটা এই এলাকায় রয়ে গেছে। তিমি মাছগুলো এদিক দিয়ে যাচ্ছে আর জাহাজ থেকে একটার পর একটা তিমি মাছ মেরে যাচ্ছে। সেরিনা একদিন খুব সাবধানে পানি থেকে মাথা বের করে দূর থেকে জাহাজটা দেখল। জাহাজের ঠিক সামনে হারপুন ছোঁড়ার কামানটা বসানো সেখান থেকে একজন মানুষ একটা তিমি মাছের দিকে তাক করে হারপুন ছুঁড়ে, তীব্রগতিতে হারপুনটা ছুটে গিয়ে তিমি মাছটাকে গেঁথে ফেলে। বিশাল একটা নিরীহ তিমি মাছ যন্ত্রণায় ছটফট করে, পানিকে তোলপাড় করে ছুটতে থাকে কিন্তু রক্ষা পায় না। সমুদ্রের পানি রক্তে লাল হয়ে যায় আর খুব ধীরে ধীরে নির্জীব হয়ে যাওয়া তিমি মাছটাকে ধীরে ধীরে জাহাজের কাছে টেনে আনে। কী ভয়ংকর একটা ব্যাপার, দেখে সেরিনার ভেতরে অন্ধ রাগ পাক খেয়ে উঠতে থাকে।

    একদিন সে খুব সাহসের একটা কাজ করে ফেলল। জাহাজ থেকে হারপুন ছুঁড়ে যখন মাঝারী একটা তিমি মাছকে গেঁথে ফেলেছে, মাছটা যন্ত্রণায় ছটফট করছে তখন তার ভেতরে সে তিমি মাছটার কাছে গিয়ে তার ধারালো চাকুটা দিয়ে হারপুনের দড়িটা কেটে দিল। শক্ত নাইলনের দড়ি, সেটা কাটা মোটেও সহজ ছিল না, কিন্তু তারপরেও কীভাবে কীভাবে জানি সে শেষ পর্যন্ত দড়িটা কেটে ফেলতে পারল। সাথে সাথে হারপুন গাঁথা তিমি মাছটা যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে ছুটে পালিয়ে গেল।

    জাহাজের তিমি শিকারীরা খুব অবাক হয়ে দড়িটা গুটিয়ে আনে, অবাক হয়ে লক্ষ্য করে নাইলনের দড়িটা নিখুঁতভাবে কেটে দেয়া হয়েছে। এটা কীভাবে সম্ভব তারা কেউ বুঝতে পারল না।

    ঘণ্টা খানেক পর দ্বিতীয় বিস্ময়কর ঘটনাটি ঘটল, সেরিনা অবাক হয়ে দেখল হারপুন গাঁথা তিমি মাছটা তার কাছে এসে তার মুখ দিয়ে ঠেলে তাকে হারপুনটার কাছে পাঠাচ্ছে, তাদের নিজেদের ভাষায় প্রায় কান্নায় মতো এক ধরণের শব্দ করছে। আরো কয়েকটা তিমি মাছ তাকে ঘিরে ঘুরছে। ইঙ্গিতটা খুবই স্পষ্ট, সেরিনাকে হারপুনটা খুলে দিতে হবে।

    সেরিনা জীবনেও একটা হারপুন নিজের চোখে দেখে নি, যখন একটা তিমি মাছের শরীরে একটা হারপুন গেঁথে যায় তখন সেটাকে আদৌ টেনে বের করা সম্ভব কী না সে জানে না। কিন্তু যখন পাহাড়ের মতো তিন চারটা তিমি মাছ সেরিনার মতোন ছোট একটা মানুষকে ঘিরে মুখ দিয়ে ঠেলে হারপুনটা খুলে দেয়ার জন্যে ঠেলে দিতে থাকে তখন তার আর কিছু করার থাকে না। তার এই ছোট জীবনে সে এর মাঝে এতোকিছু করেছে তার সাথে না হয় আরো একটা ঘটনা যুক্ত হোক। সে তার কোমর থেকে টাইটেনিয়ামের ধারালো চাকুটা নিয়ে কাজে লেগে যায়।

    সত্যি সত্যি সেরিনা হারপুনটা খুলে আনতে পারবে, নিজেও বিশ্বাস করে নি কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটা সে করতে পারল। তিমি মাছের শরীরে অনেক চর্বি, সেই চর্বি কেটে ভেতরে গিয়ে সেরিনা হারপুনের ধারালো ফলাগুলো ছুটিয়ে সাবধানে বের করে আনে। পুরো পানিটা রক্তে লাল হয়েছিল বলে তার দেখতে অসুবিধে হচ্ছিল। মাঝে মাঝেই হাত দিয়ে স্পর্শ করে অনুমান করতে হচ্ছিল হারপুনে ফলাটা কোনদিকে। পুরো সময়টা তিমি মাছটা যন্ত্রণায় ছটফট করছিল, অন্য তিমি মাছগুলো তখন তার আশেপাশে থেকে তাকে শান্ত করে রেখেছে।

    শেষ পর্যন্ত যখন হারপুনটা খুলে আনতে পেরেছে তখন তিমি মাছগুলো এক ধরণের আনন্দের শব্দ করল। যে তিমি মাছটার শরীরে হারপুন গেঁথে ছিল সেটি ঘুরে এসে খুব কাছ থেকে সেরিনাকে দেখলো, তার চোখটা এতো জীবন্ত যে সেরিনা এক ধরণের শিহরণ অনুভব করে। তারপর তার মুখ দিয়ে সেটি সেরিনাকে স্পর্শ করল তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার একটা পদ্ধতি।

    তিমি মাছেরা নিশ্চয়ই নিজেরা নিজেদের ভেতর কথা বলতে পারে কারণ এই ঘটনার পর সেরিনা আবিষ্কার করল, বিশাল বিশাল তিমি মাছ তাকে দেখলেই থেমে যেতে শুরু করেছে। মাথা ঘুরিয়ে তার কাছে এসে মুখ দিয়ে তাকে স্পর্শ করছে, ফ্লিপারটি তার শরীরের উপর বুলিয়ে নিচ্ছে, মুখ দিয়ে নরম কোমল এক ধরণের শব্দ করছে। নিশ্চয়ই তিমি মাছেরা নিজেদের ভেতর সেরিনাকে নিয়ে কথা বলতে শুরু করছে, একজন অন্যজনকে জানিয়ে দিচ্ছে মানুষের মতো দেখতে ছোট একটা প্রাণী তিমি মাছের বন্ধু সেই মানুষটি তাদের বাঁচানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাই তিমি মাছগুলো তাকে দেখলে একটু থেমে গিয়ে তার সাথে একটু ভাব বিনিময় করে যায়।

    কয়দিন পর আরো বড় একটা জাহাজ এল তিমি মাছ মারার জন্যে। একটি দুটি তিমি মাছকে মেরেও ফেলল। এরা শুধু যে হারপুন দিয়ে গেঁথে ফেলে তা না, তারপর শক্তিশালী রাইফেল দিয়ে গুলি করে তিমি মাছগুলোকে দ্রুত মেরে ফেলে। সেরিনা চেষ্টা করেও কোনো তিমি মাছ। রক্ষা করতে পারল না।

    রাতে জাহাজটা নোঙ্গর ফেলেছে। তখন সেরিনা ঘুরে ঘুরে জাহাজটাকে খুব ভালো করে দেখল। সারাদিন কাজ শেষ করে তিমি শিকারীরা ঘুমানোর আগে স্ফূর্তি করছে, তাদের হই হল্লা অনেকদূর থেকে শোনা যায়।

    জাহাজের গলুইয়ে লাগানো হারপুন ছোঁড়ার কামানটা দেখা যাচ্ছে, কোনোভাবে যদি এটাকে নষ্ট করে দেয়া যেতো তাহলে এরা আর তিমি মাছ মারতে পারতো না। হারপুন ছোঁড়ার কামানটা দেখতে দেখতে হঠাৎ সেরিনার মাথায় একটা বুদ্ধি উঁকি দিয়ে গেল। তিমি মাছদের ব্যবহার করে সে কী এই কামানটাকে উপড়ে ফেলতে পারে না?

    সেরিনা পানি থেকে মাথা বের করে কামানটাকে আরো ভালো করে দেখার চেষ্টা করল, নিচ থেকে ঠিক করে দেখা যাচ্ছিল না তাই সে রাত গম্ভীর হওয়ার জন্যে অপেক্ষা করতে থাকে।

    এক সময় তিমি শিকারীদের হল্লা থেমে গেল, সেরিনা বুঝতে পারল সবাই নিশ্চয়ই এখন ঘুমিয়ে গেছে। সে তখন খুব সাবধানে জাহাজের গলুই বেয়ে উপরে উঠে আসে। সাবধানে রেলিং টপকে জাহাজের পাটাতনে নেমে এল, তারপর কয়েক মুহূর্ত নিঃশব্দে অপেক্ষা করল। যখন দেখল কেউ নেই তখন সে পা টিপে টিপে হারপুন ছোঁড়ার কামানটার কাছে এগিয়ে যায়।

    বড় বড় স্কু দিয়ে কামানটা পাটাতনের সাথে লাগানো আছে, ভিতর থেকে কয়েক ফুট উপরে উঠে এসেছে, সেখানে একটা ধাতব সিলিন্ডার হারপুনটা এর ভেতরে ঢোকানো থাকে। হরপুনের সাথে দড়ি লাগানো। দড়িটা কামানের পিছনে সাবধানে বৃত্তাকারে পেঁচিয়ে রাখা আছে। হারপুনটা যখন ছুটে যায় তখন এই দড়িগুলো পাক খুলতে খুলতে যেতে থাকে।

    পুরো কামানটা উপড়ে নেয়া হয়তো সম্ভব হবে না। নাইলনের দড়ি যত শক্তই হোক এক সময় ছিঁড়ে যাবে। কিন্তু হারপুন ছোঁড়ার ব্যারেলটা মনে হয় বাঁকা করে দেয়া যেতে পারে। তাহলেই এটা অচল হয়ে যাবে। সেরিনা তখন সময় নষ্ট না করে কাজে লেগে গেল। হারপুনের দড়ি দিয়েই হারপুন ছোঁড়ার ব্যারেলটা ভালো করে বেঁধে দিল। বাড়তি দড়ি দিয়ে সে কামানটাকেও বেঁধে ফেলল শুধু একটা দড়ি ছিঁড়ে যেতে পারে বলে সে কয়েক প্রস্থ দড়ি ব্যবহার করে, তারপর দড়ির মাথাগুলো পানিতে ফেলে দিল। তার আপাতত কাজ শেষ, এখন একটা তিমি মাছকে রাজী করাতে হবে এই দড়িটা ধরে টেনে নিতে! তিমি মাছেরা আনন্দের সাথে রাজী হবে কিন্তু বিষয়টা বোঝানোই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

    জাহাজের গলুই থেকে নেমে যাবার আগে সে জাহাজটা একটু ঘুরে দেখতে গিয়ে রাইফেলগুলো আবিষ্কার করলো। একটা স্ট্যান্ডের মাঝে সুন্দর সাজানো আছে। সেরিনা রাইফেলগুলো নিয়ে একটা একটা করে সবগুলো সমুদ্রের পানিতে ফেলে দিল। তারপর জাহাজ থেকে নেমে পানিতে ডুবে গেল।

    পানিতে নেমে সে একটা তিমি মাছ খুঁজতে থাকে। তিমি মাছগুলো এই পথ দিয়ে যায়, সেজন্যেই তিমি শিকারীগুলো এখানে আস্তানা গেড়েছে তাই কিছুক্ষণেই সে একটা তিমি মাছের দলকে পেয়ে গেল। পানির নিচ অন্ধকার, তার মাঝেই বিশাল একটা তিমি মাছ তাকে দেখে চিনতে পেরে তার কাছে এগিয়ে আসে, তাকে মুখ দিয়ে স্পর্শ করে, ফ্লিপার দিয়ে তার শরীর বুলিয়ে দেয়। সেরিনা তখন তিমি মাছটার একটা ফ্লিপার ধরে তাকে টানতে থাকে, প্রথমে তিমি মাছটা ঠিক বুঝতে পারছিল না সেরিনা কী চাইছে, একটু পরে মনে হলো বুঝতে পারল, তখন সেরিনার সাথে সাথে সেটি জাহাজটার কাছে যেতে থাকে। জাহাজের কাছে যাবার পর সেরিনা হারপুনের দড়িটা তিমি মাছটার মাথার উপর দিয়ে গলিয়ে দিয়ে আবার তার ফ্লিপারটা ধরে টানতে থাকে।

    তিমি মাছটা বুঝতে পারল তাকে এই দড়িটা ধরে একটা হ্যাঁচকা টান দিতে হবে এবং সে সত্যি সত্যি হ্যাঁচকা টান দিল, দড়ির টানে হারপুন ঘোড়ার পুরো কামানটি উপড়ে এসে জাহাজের রেলিংয়ে আটকে গেল। দ্বিতীয়বার হ্যাঁচকা টান দিতেই কামানটির ধাতব সিলিন্ডারটা প্রচণ্ড চাপে বাঁকা হয়ে যায়, সাথে সাথে ভেতরে রাখা বিস্ফোরকটা শব্দ করে বিস্ফোরিত হয়ে গেল।

    সেরিনা তখন দড়িটা তিমি মাছের মাথা থেকে খুলে নেয়, তারপর তিমি মাছের বিশাল দেহটাকে একবার আলিঙ্গন করে তাকে বিদায় দিয়ে দেয়। তিমি মাছটা জাহাজের চারপাশে একবার পাক খেয়ে তার গন্তব্যের দিতে যেতে থাকে।

    সেরিনা জাহাজের কাছে এসে উপরে কী হচ্ছে বোঝার চেষ্টা করল। বিস্ফোরণের শব্দে জাহাজের অনেকের ঘুম ভেঙ্গে গেছে, তারা জাহাজের গলুইয়ে ছুটে এসেছে, হারপুন ছোঁড়ার পুরো কামানটা উপড়ে গিয়ে জাহাজের রেলিংয়ে পড়ে থাকতে দেখে মানুষগুলো হতবুদ্ধি হয়ে গেল, এরকম একটা ব্যাপার কেমন করে ঘটতে পারে তারা কোনোভাবে তার ব্যাখ্যা খুঁজে পেল না।

    পরদিন জাহাজটা এই এলাকা ছেড়ে চলে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }