Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. টিশা গাড়ির ড্রাইভারের সিটে বসে

    দ্বিতীয়পর্ব

    ০৭.

    টিশা গাড়ির ড্রাইভারের সিটে বসে চিৎকার করে বলল, “কানেকশন দাও।”

    আমি গাড়ির নিচে শুয়ে ইঞ্জিন থেকে বের করে আনা দুটি তার ধরে রেখেছিলাম। ইনসিলুটেড তারের শেষ মাথা ঘষে তার ধাতব অংশ বের করে রাখা আছে, টিশা তার বই পড়ে পড়ে বের করেছে এই দুটি তার ইঞ্জিন স্টার্ট করার মুহূর্তে স্পর্শ করলে মোটর চালু করার প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ পাবে। আমি এতটা নিশ্চিত নই, তারপরেও টিশার উৎসাহের কারণে পরীক্ষাটা করতে রাজি হয়েছি। সত্যি সত্যি গাড়িটা চালু হয়ে যেন সেটা আমার উপর দিয়ে চলে না যায় সেজন্য চাকাগুলোর মাঝখানে শুয়েছি। টিশা যখন কানেকশন দিতে বলবে তখন কানেকশন দিতে হবে।

    আমি গাড়ির নিচে শুয়ে চিৎকার করে বললাম, “দিব কানেকশন?”

    “হ্যাঁ দাও।”

    আমি দুটো তার ছোঁয়ানো মাত্রই একটা ভয়ংকর স্পার্ক হলো এবং পুরো গাড়িটা মনে হয় জীবন্ত প্রাণীর মতো লাফিয়ে উঠে আমার উপর দিয়ে ছুটে বের হয়ে সামনে একটা বিল্ডিংয়ে ধাক্কা খেয়ে থেমে গেল।

    আমি উঠে দাঁড়িয়ে ভয় পাওয়া গলায় বললাম, “এটা কী হলো? টিশা? তুমি ঠিক আছ?”

    আমি টিশার হাসির শব্দ শুনতে পেলাম, হঠাৎ করে একটা গাড়ি চালু হয়ে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে ছুটে গিয়ে যদি কোনো কিছুতে ধাক্কা খেয়ে থেমে যায় তাহলে তার ভেতরে কোন বিষয়টা হাসির আমি বুঝতে পারলাম না। টিশা গাড়ির দরজা খুলে বের হয়ে শরীর দুলিয়ে হাসতে লাগল। আমি একটুখানি আতঙ্কিত এবং অনেকখানি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম “কী হলো, তুমি হাসছ কেন?”

    “তুমি যদি তোমাকে দেখতে তাহলে তুমিও হাসতে! মাটিতে লম্বা হয়ে শুয়ে আছ, চোখ-মুখে একসাথে ভয়, অবিশ্বাস আর বিস্ময়!”

    আমিও হাসলাম, বললাম, “তোমাকে বোঝা খুব মুশকিল টিশা।”

    টিশা হঠাৎ করে কেমন যেন গম্ভীর হয়ে গেল, বলল, “অন্যদের জন্যে সেটা সত্যি হতে পারে রিহি-তোমার জন্য না! তুমি আমাকে বুঝতে পেরেছ বলে আমি এখনো বেঁচে আছি। টিশা মাইনাস একটা আঙুল, কিন্তু পুরোপুরি আমি। তুমি যদি এসে আমাকে না বাঁচাতে তাহলে এত দিনে আমার হাড়গোড়ও বনের পশুরা চিবিয়ে খেয়ে ফেলত।”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “বনের পশুকে বেশি গালিগালাজ করো না–ওদের জন্য আমরা এখনো টিকে আছি!”

    টিশা মাথা নাড়ল এবং হঠাৎ করে আমরা দুজনেই চুপ করে গেলাম। মরুভূমির পাথরের আড়ালে মৃতপ্রায় টিশাকে উদ্ধার করে শেষ পর্যন্ত এই নির্জন পরিত্যক্ত শহরটাতে মোটামুটি নিরাপদ আশ্রয়টা খুঁজে পেতে আমাদের কম কষ্ট করতে হয়নি।

    .

    আমার এখনো স্পষ্ট মনে আছে টিশাকে খুঁজে বের করে তাকে একটু সুস্থ করে তুলতে তুলতে আমার পানির পুরো ভান্ডার প্রায় শেষ হয়ে গেল। এক রাতে দুজন যখন একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে রেখে রাতের মরুভূমির তীব্র শীত থেকে উদ্ধার পাবার চেষ্টা করছি। তখন হঠাৎ করে আমাদের সামনে একটা বুনো প্রাণী এসে দাঁড়াল, অন্ধকারে তার পুরো আকারটা বোঝা যায় না, শুধু চোখ দুটো জ্বলন্ত কয়লার মতো জ্বলছে। টিশা একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল “প্রাণীটা আমাদের দেখে যাচ্ছে, আমরা মরে গেলে আমাদের ছিঁড়ে খুঁড়ে খাবে।”

    আমি কোনো কিছু না ভেবেই বললাম, “এত সোজা নয়! আমাদের খাবার শেষ হয়ে গেলে আমরাই বরং এটাকে ধরে খাব।”

    টিশা আমার দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি এই প্রাণীটাকে খাবে?”

    “সমস্যা কী? আগে কি মানুষ পশুপাখি ধরে কেটেকুটে রান্না করে খেত না? সব সময়েই কি এরকম শুকনো খাবার ছিল?”

    টিশা কোনো কথা না বলে একটা নিঃশ্বাস ফেলল। তখন সেই প্রাণীটা আরো একটু সামনে এগিয়ে এল, আস্তে আস্তে সেটার সাহস বেড়ে যাচ্ছে। টিশা হাত নেড়ে সেটাকে তাড়িয়ে দেবার চেষ্টা করল, প্রাণীটা এক পা পিছিয়ে গেল কিন্তু সরে গেল না। অন্ধকারে তার জ্বলন্ত চোখ নিয়ে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইল। টিশা বলল, “এটাকে সরিয়ে দাও, আমার ভালো লাগছে না।”

    আমি বললাম, “দিচ্ছি।” তারপর শহরের সেন্ট্রির কাছ থেকে কেড়ে আনা অস্ত্রটা হাতে নিয়ে কীভাবে সেটা ব্যবহার করতে হয় বোঝার চেষ্টা করলাম। উপরে একটা ডায়াল, সেটার পাশে কোন মাত্রার বিস্ফোরক ব্যবহার করতে হবে সেটি লেখা। নির্বোধ প্রাণীটাকে বিস্ফোরক দিয়ে হত্যা করার কোনো ইচ্ছে নেই, শুধু ভয় দেখিয়ে সরিয়ে দিতে চাইছি। ডায়ালটার শেষে ছোট করে লেখা ট্রাংকিউলাইজার-যার অর্থ এটাকে প্রাণে মারবে না কিন্তু অচেতন করে ফেলবে। পরীক্ষা করার জন্য এই সেটিংটা খারাপ না। আমি ডায়ালটা ট্রাংকিউলাইজারে টেনে এনে প্রাণীটার দিকে অস্ত্রটা তাক করে ট্রিগারটা টেনে ধরলাম, ধুপ করে একটা চাপা শব্দ হলো আর প্রাণীটা কেমন যেন লাফিয়ে উঠে ছোট একটা যন্ত্রণার শব্দ করল। তারপর ঘুরে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করল কিন্তু বেশিদূর যেতে পারল না, কয়েক পা গিয়েই পা ভেঙে পড়ে গেল।

    .

    আমি টিশার দিকে তাকিয়ে বললাম, “এই দেখো প্রাণীটাকে অচেতন করে রেখেছি। আমাদের খাবারের অভাব হলে এটা খেতে পারি।”

    টিশা বলল, “আমি প্রাণীটাকে দেখতে চাই।”

    আমি আলো জ্বালিয়ে প্রাণীটার কাছে গেলাম, কুকুরের মতো দেখতে একটা প্রাণী। ঘাড়ের কাছে বড় বড় লোম, অচেতন হওয়ার পরও চোখ দুটো খোলা, মুখে ধারালো দাঁত।

    টিশা বলল, “প্রাণীটা যথেষ্ট তাজা। এটা নিয়মিত খেতে পায়।”

    ঠিক তখন আমার মাথায় একটা চিন্তা খেলা করে গেল। আমি উত্তেজিত গলায় বললাম, “টিশা।”

    “কী হয়েছে?”

    “বেঁচে থাকার জন্য এই প্রাণীটাকে পানি খেতে হয় না?”

    “হ্যাঁ হয়।”

    “তার মানে মাঝে মাঝেই এই প্রাণীটা কোথাও না কোথাও পানি খেতে যায়।”

    টিশা এক ধরনের উত্তেজনা নিয়ে আমার দিকে তাকাল। কয়েক মুহূর্ত কথা বলতে পারল না, তারপর বলল, “যদি আমরা এটার পিছু পিছু যাই তাহলে সেটা কোথায় পানি খেতে যায় খুঁজে বের করতে পারব?”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “হ্যাঁ।”

    “আমাদের কাছে যদি ট্রাকিওশান থাকত তাহলে আমরা এটার শরীরে লাগিয়ে দিতাম। কোথায় যায় বের করতে পারতাম!”

    আমি বললাম, “আমাদের কাছে ট্রাকিওশান আছে।”

    টিশা অবাক হয়ে বলল, “ট্রাকিওশান আছে?”

    “হ্যাঁ, একটু প্রাচীন। তোমার পছন্দ হবে কি না জানি না!” বলে আমি আমার ব্যাগ থেকে সুপার পলিমারের একটা দড়ি বের করে টিশার হাতে দিয়ে বললাম, “এটা হবে আমাদের ট্রাকিওশান! প্রাণীটার গলায় দড়ি বেঁধে রাখব, দড়ির অন্য মাথা ধরে আমরা এটার পিছু পিছু যাব!”

    আমি কী বলছি বুঝতে টিশার এক মুহূর্ত সময় লাগল। যখন বুঝতে পারল তখন সারা শরীর দুলিয়ে সে হি হি করে হাসতে লাগল। এই মেয়েটা যখন হাসে তখন আমার বুকের ভেতর কী যেন ওলটপালট হয়ে যায়–কোনো দিন সেটা টিশাকে বলতে পারব বলে মনে হয় না।

    সকালবেলার দিকে কুকুরের মতো দেখতে প্রাণীটা জেগে উঠে নড়াচড়া শুরু করল। আমরা সেটাকে একটা বড় পাথরের সাথে বেঁধে রেখেছি। ইচ্ছে করে সেটাকে ভোলা জায়গায় রেখেছি–ভয়ংকর রোদে নিশ্চয়ই প্রচণ্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে উঠবে, তাই যখন ছেড়ে দেব তখন নিশ্চয়ই প্রথমে পানি খেতে যাবে! গলার দড়ি ধরে তখন আমরা পিছু পিছু যাব!

    আমি আর টিশা পাথরের ছায়ায় বসে অপেক্ষা করতে থাকি। মরুভূমির প্রচণ্ড রোদে চারিদিক ধিকিধিকি করে জ্বলছে, প্রাণীটা দীর্ঘ সময় নিজেকে ছাড়িয়ে নিতে চেষ্টা করেছে, না পেরে শেষ পর্যন্ত বালুতে মুখ ডুবিয়ে নির্জীবের মতো বসে আছে। প্রাণীটাকে দেখে আমাদের মায়া হচ্ছিল কিন্তু কিছু করার নেই। রোদ কমে না আসা পর্যন্ত আমরা এই প্রাণীটাকে ছেড়ে দিতে পারব না।

    সূর্য ঢলে যাবার পর আমরা পাথর থেকে দড়ির বাঁধন খুলে প্রাণীটাকে যেতে দিলাম। সেটা ধুকে ধুকে এগোতে লাগল। আমি আর টিশা দড়ির অন্য মাথা ধরে সেটার পিছু পিছু যেতে থাকলাম। আমাদের ধারণা ভুল নয়। প্রাণীটা সত্যি সত্যি শুকনো বালু, পাথরের স্থূপ পার হয়ে দীর্ঘ সময় হেঁটে হেঁটে গাছপালা ঢাকা একটা জায়গায় এসে হাজির হলো। বড় একটা পাথরের ফাঁক দিয়ে সেখানে ঝিরঝির করে পানি পড়ছে, পৃথিবীতে এর থেকে সুন্দর কোনো দৃশ্য আছে বলে আমার জানা নেই।

    আমরা প্রাণীটিকে প্রাণ ভরে পানি খেতে দিলাম। তারপর তার গলার বাঁধন কেটে সেটিকে ছেড়ে দিলাম। প্রাণীটি পাথরের উপর লাফিয়ে লাফিয়ে গাছপালার ভেতর অদৃশ্য হয়ে গেল। আমি আর টিশা তখন ছোট জলাশয়ের মাঝে ঝাঁপিয়ে পড়লাম। গত কয়েক দিন হিসাব করে প্রত্যেক ফোঁটা পানি খেয়েছি, এখন শুধু যে যত ইচ্ছে পানি খেতে পারব তা নয়, ইচ্ছে করলে টলটলে পানিতে সারা শরীর ডুবিয়ে শুয়ে থাকতে পারব।

    পানির এই ছোট ঝরনাটা পেয়ে যাবার পর আমাদের বেঁচে থাকার আর কোনো সমস্যা থাকল না। শুধু আমি আর টিশা যে পানির জন্য এখানে এসেছি তা নয়, এই এলাকায় সব পশুপাখি এখানে পানি খেতে আসে। এত দিন আমরা মানুষের জন্য তৈরি করা বিশেষ ধরনের খাবার ছাড়া আর কিছু খাইনি, কিন্তু এখন ইচ্ছে করলে আমরা পশুপাখি ধরে আগুনে ঝলসে খেতে পারব–একসময় তো মানুষ এভাবেই বেঁচে ছিল, আমরা কেন পারব না?

    পানির এই ঝরনায় যেহেতু সব রকম জন্তু-জানোয়ার আসে, তার মাঝে সত্যিকারের হিংস্র পশুও থাকতে পারে, তাই আমরা এর কাছাকাছি না থেকে একটু দূরে একটা বড় পাথরের আড়ালে আশ্রয় নিলাম। বিকেলের দিকে সূর্যের তেজ কমে এলে আমরা মোটর বাইকে করে আশেপাশের এলাকায় পরিত্যক্ত একটা শহর খুঁজে বেড়াতাম। খুঁজে খুঁজে শেষ পর্যন্ত একটা শহর খুঁজে পেয়েছি। এক সময় নিশ্চয়ই অনেক মানুষ থাকত। একটা শহরের মানুষের থাকার জন্য যা যা থাকা দরকার তার সবই আছে। বেশির ভাগ ঘরবাড়ি ভেঙেচুরে গেছে, কিন্তু কিছু কিছু বাসা একেবারে পুরোপুরি অক্ষত। দেখে মনে হয় বুঝি বাসার মানুষগুলো বাইরে গেছে, এক্ষুনি ফিরে আসবে।

    এই শহরে যে জিনিসটা পেয়ে টিশার আনন্দের সীমা থাকল না সেটি হচ্ছে বিশাল একটা লাইব্রেরি। ভেতরে সারি সারি ভিডি টিউব সাজানো। শেলফে ছোট ছোট ক্রিস্টালে অসংখ্য বই। টিশা লোভাতুরের মতো সেই বইগুলোতে চোখ বুলাতে থাকে।

    একদিন একটা বই দেখে টিশা আনন্দে চিৎকার করে ওঠে। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “এটা কী?”

    “মানুষের মস্তিষ্কের উপর একটা বই।”

    মানুষের মস্তিষ্কের উপর একটা বই দেখে এত আনন্দিত হবার কী আছে, আমি ঠিক বুঝতে পারলাম না, টিশার অনেক কিছুই আমি বুঝতে পারি না! টিশা তখন তখনই ভিডি টিউবে ঢুকিয়ে দিয়ে বইটা পড়তে শুরু করে। আমি ভেবেছিলাম তাকে নিয়ে বের হব, কাছাকাছি আরো একটা পানির ঝরনা পাওয়া যেতে পারে বলে মনে হচ্ছে-সেই জায়গাটা একটু দেখে আসব। কিন্তু বোঝাই যাচ্ছে আপাতত সেই পরিকল্পনা বন্ধ রাখতে হবে।

    টিশা কিছুক্ষণ বই পড়ে হঠাৎ করে আমার দিকে তাকাল, বলল, “রিহি তুমি বই পড় না কেন?”

    “বই। আমি? বই?”

    “হ্যাঁ।”

    আমি একটু ইতস্তত করে বললাম, “আমার তো তোমার মতো বই পড়ার অভ্যাস হয়নি।”

    “তার মানে তুমি কিছু জান না।”

    “জানি। একটা তিতির পাখি কেমন করে ঝলসে খাওয়া যায় জানি। যব দিয়ে কীভাবে রুটি তৈরি করা যায় জানি। মাথার চুল লম্বা হয়ে গেলে কীভাবে কাটতে হয় জানি”

    টিশা প্রায় ধমক দিয়ে বলল, “ঠাট্টা কোরো না। আমি খুব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলছি। তুমি ভেবেছিলে যোলো বছর বয়স হলে তোমার মাথায় ক্রেনিয়াল লাগাবে, তখন তুমি সবকিছু শিখে নেবে–কিন্তু তুমি আর কোনো দিন শহরে ফিরে যেতে পারবে না। যদি যাও তাহলে তোমার মাথায় মোটেও ক্রেনিয়াল লাগাবে না–তোমাকে ডিটিউন করে দেবে!”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “জানি।”

    “তাহলে?”

    “তাহলে কী?”

    “তাহলে তুমি কেন বই পড়া শুরু কর না? তুমি কেন শিখতে শুরু কর না?”

    আমি ইতস্তত করে জিজ্ঞেস করলাম, “পৃথিবীতে এত কিছু শেখার আছে, আমি কোথা থেকে শুরু করব?”

    টিশার মুখ হঠাৎ উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, আমাদের নতুন আবিষ্কার করা লাইব্রেরিটা দেখিয়ে বলল, “এখানে খুব মজার কিছু বইয়ের ক্রিস্টাল আছে।”

    “কীরকম মজার?”

    “প্রাচীনকালে ছেলেমেয়েরা মাথায় ক্রেনিয়াল লাগিয়ে শিখত না। তারা নতুন কিছু শেখার জন্য স্কুলে যেত। কলেজে যেত। সেখানে শিক্ষকেরা তাদের বই থেকে শেখাত। কোন বয়সে কী শিখতে হবে সেগুলো ঠিক করে রাখা ছিল। সেই বইগুলো এই লাইব্রেরিতে আছে, তুমি সেই বইগুলো দিয়ে শুরু করতে পার।”

    আমার আসলে টিশার মতো বই পড়ে পড়ে নতুন কিছু শেখার কোনো আগ্রহ নেই। শহরে যখন ছিলাম তখন জীবনটা ছিল খুবই বাঁধাধরা আনন্দহীন ছোট একটা জীবন। টিশার সাথে যাযাবর হয়ে যাবার পর এখন জীবনটা হয়েছে অনেক চমকপ্রদ। শহর থেকে বের হয়ে এই যাযাবর হয়ে যাবার আগে আমি জানতাম না একটা পাখির ডাক শুনেই বোঝা যায় পাখিটা সঙ্গী খুঁজছে। আমি জানতাম না হিংস্র পশু আসলে মোটেও হিংস্র নয়-যখন তাদের খিদে পায় শুধু তখন তারা অন্য কোনো প্রাণীকে হত্যা করে খায়। বই না পড়েই আমি এগুলো শিখেছি কিন্তু টিশার ধারণা এই জিনিস শিখে লাভ নেই! জ্ঞান-বিজ্ঞান শিখতে হবে, গণিতের জটিল সমীকরণের সমাধান করা শিখতে হবে, তা না হলে একজন মানুষ নাকি মূর্খ থেকে যায়। আমার মূর্খ হয়ে থাকতে কোনো আপত্তি নেই কিন্তু টিশাকে সেটা বোঝাতে পারি না!

    শেষ পর্যন্ত সত্যি সত্যি টিশা আমাকে দিয়ে বই পড়াতে শুরু করল। প্রথম প্রথম কিছু একটা পড়ে সেটা বুঝতে আমার একটু সমস্যাই হতো কিন্তু আস্তে আস্তে আমি অভ্যস্ত হয়ে গেলাম। গণিতের সমীকরণ সমাধান করতে শুরু করলাম। অণুপরমাণুর গঠন শিখে গেলাম। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্য জানতে শুরু করলাম। প্রাণিজগতের জিনেটিক কোড জেনে গেলাম, গাড়ির ইঞ্জিন কেমন করে কাজ করে জেনে গেলাম। মস্তিষ্কে ক্রেনিয়াল না লাগিয়েই যে সবকিছু জেনে যাওয়া যায় আমি সেটা বিশ্বাস করে যখন সত্যি সত্যি অনেক আগ্রহ নিয়ে রীতিমতো টিশার সাথে প্রতিযোগিতা করে লেখাপড়া শুরু করেছি, ঠিক তখন কয়েক ঘন্টায় আমাদের সবকিছু বন্ধ হয়ে গেল।

    আমরা একটা দস্যুদলের হাতে বন্দি হয়ে গেলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }