Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০. দস্যুদল আমাকে আর টিশাকে

    দস্যুদল আমাকে আর টিশাকে কীভাবে রাখবে সেটা নিয়ে আমাদের নানারকম চিন্তা ছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমাদের দুজনকে যেভাবে রাখা হলো সেটি আমরা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি। মায়ী মায়ী যতক্ষণ ট্রেইলারের ভেতর থাকে ততক্ষণ আমাদের গলায় শিকল বেঁধে তার টেবিলের সাথে বেঁধে রাখে। শুধু তাই না, মায়ী মায়ী মাঝে মাঝেই আমাদের দিকে তাকিয়ে জিবে চুক চুক শব্দ করতে করতে বলে, “তোদের মাথায় কেরেনিয়াল নাই! থাকলে তোদের একজনের মাথায় একটা কুকুরের সিস্টিম আরেকজনের মাথায় খেঁকশিয়ালের সিস্টিম লোড করে রাখতাম। তোরা দিনরাত খামচাখামচি কামড়াকামড়ি করতি-–দেখে কত আনন্দ হতো।”

    এ ধরনের একটা কথা বলা হলে উত্তরে কী বলতে হয় আমাদের জানা নেই, তাই আমরা নিঃশব্দে মায়ী মায়ীর দিকে তাকিয়ে থাকি। মায়ী মায়ী আমাদের কখনো নাম ধরে ডাকত না। একজনকে ভাইরাস আরেকজনকে ব্যাকটেরিয়া ডাকত! আমাদের কাজ ছিল তার ফুট ফরমাশ খাটা, হাতের কাছে মায়ী মায়ী একটা লম্বা দড়ি রেখেছিল, কাজকর্মে উনিশ-বিশ হলে সে সেই দড়িটাকে চাবুকের মতো করে আমাদের মারত।

    ট্রেইলার থেকে বের হবার সময় মাঝে মাঝে শিকলে বাঁধা অবস্থায় আমাদের দুজনকে পোষা জন্তুর মতো টেনে টেনে নিয়ে যেত। দস্যুদল দৃশ্যটি দেখে খুবই মজা পেত, আমাদের দুজনের দিকে তারা খাবারের টুকরো ছুঁড়ে দিত। আমরা সেগুলো কুড়িয়ে কুড়িয়ে আমাদের পকেটে জমা করে রাখতাম।

    মাঝে মাঝে আমাদের কোনো একটা গাড়ির এক্সেলের সাথে বেঁধে রাখত, আমরা গাড়ির ছায়ায় বসে দস্যুদলকে যেতে-আসতে দেখতাম। রাত্রে ঘুমানোর সময় আমাদের খাঁচার ভেতর ঢুকিয়ে উপরে ঝুলিয়ে রাখত। প্রথম প্রথম খুব কষ্ট হতো, আস্তে আস্তে কেমন জানি অভ্যাস হয়ে গেল।

    দস্যুদল এক জায়গায় এক-দুই দিনের বেশি থাকত না, বেশির ভাগ সময়েই তারা রাস্তায় চলন্ত অবস্থায় থাকত। যখন তাদের কনভয় চলত তখনো তারা আমাদেরকে আঁচায় বন্ধ করে রাখত। আমরা মাটি থেকে অনেক উপরে ঝুলতে ঝুলতে যেতাম, খাঁচাটা ডানে-বামে দুলত, প্রথম প্রথম সেই দুলোনিতে আমরা বমি করে একাকার করে ফেলতাম, আস্তে আস্তে অভ্যাস হয়ে গেল। শুধু অভ্যাস নয় আমরা

    আমাদের দীর্ঘ ভ্রমণ উপভোগ করতে শুরু করলাম। ছোট খাঁচা থেকে পা বের করে পা ঝুলিয়ে খাঁচার শিক ধরে বসে চারদিক দেখতে দেখতে যেতাম। নিচ থেকে যে জিনিসটাকে খুব কুশ্রী মনে হয়, উপর থেকে সেটাকেই কেন সুন্দর মনে হয় কে জানে।

    এর মাঝে একদিন অন্য একটা দস্যুদলের সাথে যুদ্ধ হলো। দুই দলে প্রচণ্ড গোলাগুলি, সবাই গাড়ির আড়ালে থেকে যুদ্ধ করছে, শুধু আমি আর টিশা শূন্যের মাঝে একটা খাঁচায় ঝুলছি। ইচ্ছে করলেই আমাদের দুজনকে গুলি করে মেরে ফেলা দেয়া যায়। কিন্তু কোনো একটা কারণে কেউ আমাদের গুলি করল না। মনে হয় যারা গোলাগুলি করছে তাদের কাছে আমাদের দুজনকে এত অকিঞ্চিৎকর মনে হয়েছে যে আমাদেরকে লক্ষ করে একটা গুলি করাও হয়তো তাদের কাছে গুলির অপচয় বলে মনে করেছে!

    মায়ী মায়ীর দস্যুদল কিছুক্ষণের মাঝেই অন্য দস্যুদলটিকে তাড়িয়ে দিল। একজন আহত হয়েছিল বলে দলের সাথে পালিয়ে যেতে পারেনি। তাকে ধরে এনে সবাই মিলে তাকে নানাভাবে পীড়ন করতে শুরু করল। মানুষটি সব রকম অত্যাচার সহ্য করে পাথরের

    মতো মুখ করে বসে রইল। তখন কয়েকজন মিলে তাকে মাটিতে উপুড় করে শক্ত করে ধরে রাখল, মায়ী মায়ী এসে তার ক্রেনিয়ালে একটা টিউব ঢুকিয়ে দেয়। মানুষটা যন্ত্রণার একটা তীক্ষ্ণ চিৎকার করে থর থর করে কাঁপতে থাকে। ধীরে ধীরে তার কাঁপুনি থেমে যায়, তখন সে উঠে বসে, মানুষের মতো নয়–হাত এবং পায়ে ভর দিয়ে পশুর মতো। মানুষটি কেমন যেন ভয়ে ভয়ে সবার দিকে তাকাল, তারপর আকাশের দিকে মুখ করে অবিকল একটা কুকুরের মতো করুণ স্বরে ডেকে উঠল। তার সেই কুকুরের ডাক শুনে দস্যুদলের সবাই উচ্চস্বরে হাসতে থাকে–এই বিষয়টা যে এত কৌতুকের ব্যাপার হতে পারে আমি আর টিশা একবারও বুঝতে পারিনি।

    কুকুরে পাল্টে যাওয়া মানুষটা চারপায়ে ভর দিয়ে হাঁটতে থাকে, তারপর তার পায়ের ক্ষতটা কুকুরের মতো চাটতে থাকে। একজন দস্যু এসে তার গলায় একটা শিকল পরিয়ে তাকে টেনে সরিয়ে নিয়ে যায়। আমাদের দুজনকে যে কুকুরের মতো মানুষটা খুঁজে বের করেছিল সে কোথা থেকে এসেছিল সেটা আমাদের কাছে এখন পরিষ্কার হয়ে যায়।

    .

    কিছুদিন কেটে যাবার পর কীভাবে কীভাবে জানি আমাকে আর টিশাকে দস্যুদল মোটামুটি গ্রহণ করে নিল। ঠিক কারণটা কী জানি না–মনে হয় আমাদের বয়স কম, পাহাড়ের মতো বড় বড় দস্যুদের ভেতর আমাদের দুজনকে প্রায় খেলনার মতো মনে হয়। কিংবা পোষা কুকুর বিড়ালের উপর যে রকম মায়া পড়ে যায় হয়তো সেরকম আমাদের ওপর একটু মায়া হয়েছে।

    দস্যুদল আমাদের গ্রহণ করতে শুরু করেছে ব্যাপারটা বুঝতে পারলাম যখন দেখলাম তারা আমাদের ছোটখাটো জিনিসপত্র শেখাতে শুরু করেছে। একজন মাঝবয়সী দস্যু একদিন আমাদের গুনতে শেখাল–যদিও আমরা দুজন শুধু সাধারণভাবে নয় প্রাইম সংখ্যা ব্যবহার করে গুনতে জানি কিন্তু আমরা সেটা তাকে জানতে দিলাম না এবং খুব আগ্রহ নিয়ে শেখার ভান করলাম। দস্যুটি আমাদের শেখার আগ্রহ দেখে খুশি হলো এবং আমাদের মাথায় ক্রেনিয়াল লাগানো হয়নি বলে খুব আফসোস করল। আরেক দিন একজন দস্যু আমাদেরকে সৌরজগতের গঠন ব্যাখ্যা করল, বৃহস্পতি গ্রহের চাঁদের সংখ্যা বলতে গিয়ে সে একটু ভুল করে ফেললেও আমরা সেটা তাকে ধরিয়ে দিলাম না এবং পুরো ব্যাপারটা আগ্রহ নিয়ে শোনার ভান করলাম।

    শুধু যে সাধারণ দস্যুরা আমাদের গ্রহণ করল তা নয়, মনে হলো খুব ধীরে ধীর মায়ী মায়ীও আমাদেরকে খানিকটা গ্রহণ করল। আগে কখনোই আমাদের দুজনকে একা তার ট্রেইলারে রেখে যেত না, কিন্তু এখন সে মাঝে মাঝে আমাদের গলায় শেকল দিয়ে টেবিলের সাথে বেঁধে রেখে বাইরে যেতে শুরু করল। তখন একদিন আমরা একটা ভয়ংকর সাহসের কাজ করে ফেলোম।

    মায়ী মায়ীর ট্রেইলারে দেয়ালে একটা ছোট বাক্সে সে ক্রেনিয়ালে ঢোকানোর টিউবগুলো রাখে। যখন দরকার হয় সে বাক্সটা খুলে সেখান থেকে এই ক্রেনি-টিউবগুলো বের করে। বাক্সটা খোলার জন্য তার চোখের রেটিনা স্ক্যান করাতে হয়। মাঝে মাঝে যখন স্ক্যানারটা প্রথমবারে কাজ করে না তখন সে আলসেমি করে চোখের রেটিনা স্ক্যান না করিয়ে সরাসরি পাসওয়ার্ড ঢুকিয়ে বাক্সটা খুলে ফেলে। যখন সে পাসওয়ার্ডটি ঢোকায় তখন আমি আর টিশা না দেখার কিংবা না বোঝার ভান করে তার আঙুলের ওঠানামা দেখে পাসওয়ার্ডটি অনুমান করার চেষ্টা করেছি। রেটিনা স্ক্যান করাটি যেন ঠিক করে কাজ না করে আর তাকে যেন বারবার সরাসরি পাসওয়ার্ডটিই ঢোকাতে হয় সে জন্যে আমরা মাঝে মাঝেই রেটিনা স্ক্যানারটি একটু ময়লা করে রাখি। বেশ কয়েকবার মায়ী মায়ীর পাসওয়ার্ড ঢোকানো দেখে আমরা শেষ পর্যন্ত পাসওয়ার্ডটি জেনে গেছি।

    একদিন যখন মায়ী মায়ী আমাদের দুজনকে তার টেবিলের সাথে বেঁধে রেখে বাইরে গেল তখন আমি আর টিশা মিলে তার ক্রেনিয়াল টিউবের বাক্সে পাসওয়ার্ড ঢুকিয়ে বাক্সটা খুলে ফেলোম। টিশা

    দরজার কাছে দাঁড়িয়ে রইল, আর আমি দ্রুত ক্রেনিয়াল টিউবের বাক্সটার ভেতরে দেখে নিলাম। ক্রেনি-টিউবগুলো সারি সারি সাজানো আছে, যেদিকটা ক্রেনিয়ালে ঢোকাতে হয় সেদিকে ইলেকট্রিক সংযোগের জন্য ছোট ইন্টারফেস, উল্টো পাশে আলো জ্বলার জন্য ছোট ছোট রঙিন লেজার মডিউল। ছোট টিউবগুলোর উপর ছোট ছোট সংখ্যায় ক্রেনিয়ালের কোড লেখা।

    আমি ভেতর থেকে একটা ক্রেনি-টিউব বের করে বাক্সটা আবার বন্ধ করে দিলাম। টিউবটা নিজের কাছে না রেখে ট্রেইলারের এক কোনায় ফেলে রেখে দিলাম। মায়ী মায়ী যদি তার বাক্স খুলে বুঝতে পারে একটা টিউব নেই এবং সেটা নিয়ে হইচই করে তখন খোঁজার ভান করে ট্রেইলারের কোনা থেকে এটা বের করে দেওয়া যাবে। মায়ী মায়ী মনে করবে টিউবগুলো নাড়াচাড়া করার সময় তার অজান্তে একটা নিচে পড়ে গেছে।

    পরের কয়েক দিন আমরা খুব ভয়ে ভয়ে থাকলাম। মায়ী মায়ী বাক্স খুলে কয়েকবার ক্রেনিয়াল টিউব বের করে ব্যবহার করল, সে বুঝতে পারল না যে আমরা একটা সরিয়ে রেখেছি। তখন একদিন আমরা পকেটে করে টিউবটা নিয়ে বের হয়ে গেলাম। রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে গেছে তখন খাঁচার ভিতরে আমি আর টিশা মিলে ক্রেনি টিউবটা খুলে ভেতরে কী আছে সেটা দেখার চেষ্টা করলাম। এত ছোট একটা টিউব, কোনো রকম টুল ব্যবহার না করে একেবারে খালি হাতে সেটা খুলতে পারব মনে করিনি কিন্তু এটাকে নানাভাবে টানাটানি করতে করতে হঠাৎ টিউবটা খুলে এল। আমাদের কাছে যেটুকু আলো আছে সেটাতে দেখলাম ক্রেনি-টিউবটার মাঝখানে ছোট একটা আইসি, সেখান থেকে মাত্র তিনটা তার বের হয়ে ভেতরে কানেকশন দেওয়া হয়েছে। দুটো নিশ্চিতভাবে একটা নিউক্লিয়ার ব্যাটারিতে গিয়েছে, তৃতীয়টা ক্রেনিয়ালের মাথায়। ছোট একটা স্কু ড্রাইভার দিয়েই আইসিটাকে খুলে আলাদা করে ফেলা যাবে।

    আমি টিশার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বললাম, “টিশা।”

    “বলো।”

    “আমরা এখন ইচ্ছে করলে পুরো দস্যুদলকে লন্ডভন্ড করে দিতে পারব।”

    টিশা ভুরু কুঁচকে তাকাল, জিজ্ঞেস করল, “কীভাবে?”

    “আমরা মায়ী মায়ীর বাক্স থেকে ক্রেনি-টিউবগুলো বের করে যদি ভেতরের আইসিগুলো খুলে ওলটপালট করে দিই তাহলে কী হবে বুঝতে পারছ?”

    টিশার মুখটা হাঁ হয়ে গেল, বলল, “যখন মনে করবে সিস্টেম সতের লোড করছে তখন আসলে হয়তো কুকুরের সিস্টেম লোড হয়ে যাবে। তখন ঘেউ ঘেউ করে ছুটে বেড়াবে!”

    দৃশ্যটা কল্পনা করে আমি খুক খুক করে হেসে ফেলোম। বললাম “হ্যাঁ, ওরা কিছু বুঝতেই পারবে না, দুর্ধর্ষ দস্যুদল হয়তো মিনি বিড়াল হয়ে যাবে। এটা করার জন্য দরকার শুধু ছোট একটা স্কু ড্রাইভার! না পেলেও ক্ষতি নেই। এক টুকরো ছোট ধাতব পিনকে ঘষে ঘষে বানিয়ে ফেলতে পারব!”

    টিশা বলল, “শুধু একটা সমস্যা।”

    “কী সমস্যা?”

    “কোন ক্রেনি-টিউব কোন কাজ করে আমরা জানি না। আইসি ওলটপালট করার সময় যদি ভুলভাবে ওলটপালট হয়ে যায় তাহলে দস্যুদল হয়তো জল্লাদের দল হয়ে যাবে! রাক্ষস হয়ে যাবে।”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “হ্যাঁ, আমাদের মাথায় ক্রেনিয়াল থাকলে আমরা নিজেরাই পরীক্ষা করে বের করে ফেলতে পারতাম!”

    আমি ক্রেনি-টিউবটা হাতে নিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখলাম, উপরে কিছু অক্ষর এবং কিছু সংখ্যা লেখা কিন্তু সেই অক্ষর কিংবা সংখ্যার অর্থ কী আমরা জানি না।

    টিশা ভুরু কুঁচকে চিন্তা করতে করতে বলল, “কিছু একটা বুদ্ধি বের করে ফেলব।”

    .

    আমরা অবশ্যি অনেক চিন্তা করেও কোনো বুদ্ধি বের করতে পারলাম না, তখন একদিন আমরা আবার খুব সাহসের একটা কাজ করে ফেলোম। শুধু সাহসের না, খুবই বিপজ্জনক একটা কাজ।

    আমাকে আর টিশাকে দুপুরবেলা একটা বড় লরির এক্সেলের সাথে বেঁধে এক ড্রাম ঝাঁঝালো গন্ধের সলভেন্ট দিয়ে গেছে। আমরা হাতে গ্লভস পরে সেই সলভেন্ট দিয়ে ইঞ্জিন পরিষ্কার করছি। মাঝে মাঝে কঠোর চেহারার একটা দস্যু এসে দেখে যাচ্ছে আমরা ঠিকভাবে কাজ করে যাচ্ছি কি না।

    হঠাৎ একটা নারী কণ্ঠের কথা শুনলাম, কেউ একজন বলল, “কাজ কেমন চলছে?”

    আমরা মাথা ঘুরিয়ে তাকিয়ে দেখি রিয়ানা নামের মেয়েটি, যে এখন আর রিয়ানা নয়, যার নাম এখন দ্রিমা তিন। শীতের রাতে টিশার গান শুনে যে আমাদের খাঁচার নিচে থমকে দাঁড়িয়েছিল।

    আমি মুখে হাসি ফুটিয়ে বললাম, “কাজ খুব ভালো চলছে।”

    টিশা বলল, “ইঞ্জিনটা প্রায় চকচকে করে ফেলেছি।”

    রিয়ানা কিংবা দ্রিমা তিন বলল, “তোমাদের এখানে আনন্দের কিছু নেই।”

    আমরা চুপ করে রইলাম কারণ কথাটি সত্যি।

    রিয়ানা বলল, “যদি তোমাদের মাথায় ক্রেনিয়াল থাকত তাহলে তোমাদের মাথায় বেসিক একটা ক্রেনি-টিউব দিয়ে একটু আনন্দ দেওয়া যেত।”

    আমরা এবারও চুপ করে রইলাম, কারণ আমাদের মাথায় ক্রেনিয়াল নেই, বাইরে থেকে আমাদের মাথায় আনন্দ দেবার কোনো উপায় নেই। এই দস্যুদল যখন কোনো কাজ করে না তখন তাদের ক্রেনিয়ালে আনন্দ পাবার নানা ধরনের টিউব লাগিয়ে সময় উপভোগ করে। মানুষগুলোকে দেখলে তখন কেমন জানি অস্বস্তি হয়। প্রচণ্ড আনন্দে তাদের চোখ বন্ধ হয়ে যায়, শরীর কাঁপতে থাকে, মুখ দিয়ে লোল ঝরতে থাকে–এই তীব্র আনন্দটি আমরা কোনো দিন অনুভব করতে পারব না। হয়তো কোনো মাদক খেয়ে এরকম আনন্দ পাওয়া সম্ভব।

    রিয়ানা বলল, “তোমরা কাজ করো, আমি যাই।”

    তখন হঠাৎ করে টিশা তাকে জিজ্ঞেস করল, “তোমাদের সবার কাছে কি আনন্দ পাবার ক্রেনি-টিউব থাকে?”

    “বেসিক টিউবটি সবার আছে। যার সিস্টেম যত বেশি সে তত তীব্র আনন্দের ক্রেনি-টিউব ব্যবহার করতে পারে।”

    টিশা হঠাৎ জিজ্ঞেস করল, “তোমরা কি একটা ক্রেনি-টিউব দেখে বলতে পার এটা কিসের টিউব?”

    “না। আমরা পারি না। টিউবের উপর কোড লেখা থাকে, যাদের সিস্টেম তের থেকে বেশি তারা কোড ভেদ করতে পারে।”

    টিশা বলল, “ও।”

    আমি তখন খুব সাহস এবং মনে হয় ভয়ংকর ঝুঁকিপূর্ণ কাজটি করে ফেলোম, বললাম, “তোমাকে কি আমরা একটা কথা বলতে পারি?”

    “কী কথা?”

    “আমাদেরকে মায়ী মায়ী যখন তার ট্রেইলারে বেঁধে রেখেছে তখন মেঝেতে আমরা একটা ক্রেনি-টিউব খুঁজে পেয়েছিলাম।”

    রিয়ানার চোখ দুটো একটু বিস্ফারিত হয়ে গেল, এদিক-সেদিক তাকিয়ে বলল, “তুমি কী বললে?”

    কথা যখন শুরু করে দিয়েছি, সেটা শেষ করে ফেলতে হবে, এখন আর পেছানোর উপায় নেই। আমি প্রায় মরিয়া হয়ে বলেই ফেলোম, “তুমি কি এই ক্রেনি-টিউবটি তোমার মাথায় লাগিয়ে বলতে পারবে এটা কিসের টিউব?”

    রিয়ানা কয়েক মুহূর্ত কোনো কথা বলল না, তারপর ফিসফিস করে বলল, “তুমি যে কথাটা বলেছ সেটা এই দস্যুদলের আর কেউ যেন না শোনে, তাহলে তোমাদের খুব বড় বিপদ হবে। আর এই টিউবটা মায়ী মায়ীকে ফিরিয়ে দিয়ো। তোমরা সিস্টেম সতেরর ক্ষমতা জান না!”

    আমি কোনো কথা না বলে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইলাম। রিয়ানা কিছুক্ষণ আমার দিকে তাকিয়ে থেকে হেঁটে চলে যেতে যেতে দাঁড়িয়ে পড়ল, ফিরে এসে আমার দিকে হাত বাড়িয়ে বলল, “দাও ক্রেনি টিউবটি।”

    আমি কাঁপা হাতে রিয়ানার হাতে টিউবটি দিলাম। সে মুঠি বন্ধ করে হাতটি পকেটে ঢুকিয়ে চলে গেল।

    পরের দুটি দিন রিয়ানা কী করে সেটা নিয়ে খুব ভয়ে ভয়ে থাকলাম। সে যদি মায়ী মায়ীর কাছে আমাদের নিয়ে নালিশ করে দেয় তাহলে আমাদের কী অবস্থা হবে আমরা সেটা চিন্তাও করতে পারি না। রিয়ানা অবশ্যি নালিশ করল না। তৃতীয় দিন তার সাথে আবার আমাদের দেখা হলো। আমি আর টিশা তখন একটা বড় লরির টায়ারের ফাঁকে আটকে থাকা পাথরের টুকরোগুলো পরিষ্কার করছিলাম। রিয়ানা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ আমাদের কাজ করতে দেখল, যখন আশেপাশে কেউ নেই, তখন পকেট থেকে ক্রেনি টিউবটা বের করে আমাদের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, “নাও।”

    আমি সেটা হাতে নিয়ে তাড়াতাড়ি পকেটে ঢুকিয়ে নিচু গলায় জিজ্ঞেস করলাম, “এটা কিসের টিউব?”

    “সিস্টেম পনের।”

    “তার মানে কী?”

    “তার মানে এটা খুবই মূল্যবান। মায়ী মায়ী সিস্টেম সতের। এখানে সিস্টেম পনের মাত্র চারজন।”

    রিয়ানা কেমন বিচিত্র দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে একটু হাসল।

    আমি বললাম, “ক্রেনিয়াল টিউব আমাদের কোনো কাজে লাগে। তুমি এটা রেখে দিতে চাও? তুমিও সিস্টেম পনের হয়ে যাবে?”

    রিয়ানা মাথা নাড়ল, বলল, “না। আমি সিস্টেম পনের হতে চাই। আমি যা তাই থাকতে চাই। সম্ভব হলে আমি একটা নিউট্রাল টিউব আমার মাথায় লাগিয়ে স্বাভাবিক মানুষ হতে চাই।”

    দুইদিন পরে আমরা আবার যখন একটা লরির ইঞ্জিন পরিষ্কার করছি তখন আবার রিয়ানার সাথে দেখা হলো। আমি এদিক-সেদিক তাকিয়ে আমার পকেট থেকে দুটি ক্রেনি-টিউব বের করে মুঠি বন্ধ করে তার দিকে হাতটা এগিয়ে দিলাম। ধীরে ধীরে আমাদের সাহস বেড়েছে, মায়ী মায়ী যখন আবার আমাদেরকে ট্রেইলারের ভেতর রেখে বাইরে গেছে, আমরা এবারে তার বাক্স থেকে দুটি ক্রেনি-টিউব সরিয়ে এনেছি।

    রিয়ানা জিজ্ঞেস করল, “তোমার হাতে কী?”

    আমি মুঠি খুলে তাকে ক্রেনি-টিউব দুটি দেখালাম। রিয়ানা একটু অবাক হয়ে আমার দিকে তাকাল, কেমন করে আমার হাতে দুটি ক্রেনি-টিউব এসেছে সেটা নিয়ে প্রশ্ন করল না। একটা টিউব হাতে নিয়ে তার গায়ে লেখা কোডটা পড়ে আমাকে ফিরিয়ে দিয়ে বলল, “এটা নিচু স্তরের শারীরিক আনন্দ পাবার টিউব।” তারপর দ্বিতীয়টা হাতে নিয়ে তার কোডটা পড়ে আমার হাতে ফেরত দিয়ে বলল, “এটা সিস্টেম সাত।”

    টিশা জিজ্ঞেস করল, “তুমি মাথায় না লাগিয়েই কেমন করে বলে দিচ্ছ?”

    “আমি কোড পড়েই বলে দিতে পারি। আমি কোডটা জানি।”

    “কেমন করে জানলে?”

    “যখন আমার ক্রেনিয়ালে সিস্টেম পনের লাগিয়েছিলাম তখন জেনেছি।” রিয়ানা কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে বলল, “তোমরা যদি লেখাপড়া জানতে তাহলে আমি তোমাদের কোডটা শিখিয়ে দিতে পারতাম।”

    টিশা এক মুহূর্ত অপেক্ষা করে বলল, “আমরা লেখাপড়া জানি।”

    রিয়ানা কোনো কথা না বলে কিছুক্ষণ আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, “তোমরা যদি আমাকে একটা নিউট্রাল ক্রেনি টিউব এনে দিতে পার তাহলে আমি তোমাদের কোডটা শিখিয়ে দিতে পারি।”

    টিশা ফিক করে হেসে ফেলল, বলল, “তুমি যদি আমাদের কোডটা শিখিয়ে দাও তাহলে আমরা তোমাকে একটা নিউট্রাল ক্রেনি টিউব এনে দিতে পারি!”

    রিয়ানা বলল, “ঠিক আছে। আমি তোমাদের কোডটা শিখিয়ে দেব।”

    রিয়ানা আমাদের কোডটা শিখিয়ে দেওয়ার দুদিন পর আমরা তাকে একটা নিউট্রাল ক্রেনি-টিউব খুঁজে এনে দিলাম। টিউবটা হাতে নিয়ে সে কিছুক্ষণ চুপচাপ আমাদের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, “তোমাদের অনেক ধন্যবাদ। আমি এখন আবার সত্যিকারের মানুষে হয়ে বেঁচে থাকতে পারব।”

    ক্রেনি-টিউবের কোডটি জানার পর হঠাৎ করে আমার আর টিশার ক্ষমতা প্রায় আকাশ ছুঁয়ে ফেলল। আমরা এখন ক্রেনি-টিউবের ভেতরের আইসিগুলো ওলটপালট করে দেব। দস্যুদল ভয়ংকর দস্যু হওয়ার জন্য মাথার মাঝে একটা ক্রেনি-টিউব লাগিয়ে নিজের অজান্তেই নিরীহ দুর্বল একজন মানুষে পাল্টে যাবে!

    আমি আর টিশা খুব সাবধানে কাজ করতে শুরু করলাম, কিন্তু কোনো কিছু করার আগেই হঠাৎ করে একদিন আবিষ্কার করলাম মায়ী মায়ী আমাদের দুজনকে বিজ্ঞানী লিংলির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।

    মায়ী মায়ীর ট্রেইলারের বাক্স থেকে এগারটা ক্রেনি-টিউব সরিয়ে নেওয়া ছাড়া আমরা আর কিছুই করতে পারলাম না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }