Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. বিজ্ঞানী লিংলির শহরে এসে

    তৃতীয়পর্ব

    ১১.

    বিজ্ঞানী লিংলির শহরে এসে অনেক দিন পর আমি আর টিশা আবার স্বাধীন মানুষ হয়ে থাকার আনন্দটা উপভোগ করতে লাগলাম। গলা থেকে শিকল ঝুলছে না, কেউ সেই শিকল ধরে রাখছে না, কিছু একটা উনিশ-বিশ হতেই কেউ কুৎসিত একটা গালি দিয়ে পেছন থেকে একটা দড়ি দিয়ে মারছে না। তার চাইতে বড় কথা দস্যুদলের মাঝে যে সারাক্ষণ একটা অপমান সহ্য করতে হয়েছে সেই অপমানটুকু নেই, অন্য সবার মতো মানুষের একটা সম্মান নিয়ে ঘুরে বেড়াতে পারছি, বিষয়টি বিশ্বাস করতেই আমাদের প্রথম প্রথম কষ্ট হতো।

    আমাদেরকে একটা বড় হোস্টেলে রাখা হয়েছে। নিজেদের জন্য আলাদা ছোট ছোট ঘর, নিচে খাবার জায়গা। পুরো হোস্টেলে অনেকে থাকে, কে কী করে, কেন এখানে থাকে সেটি পরিষ্কার নয়। আমাদের দুজনকে বলে দেওয়া হয়েছে আমরা যেন নিজেদের সম্পর্কে একটা কথাও না বলি–সে রকম অন্য সবাইকেই নিশ্চয়ই একই কথা বলা হয়েছে, তাই কেউ কারো সাথে ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে কথা বলে না। প্রতিদিন ভোরে নিজেদের ব্যবহারের জন্য আমাদের জন্য তৈরি করা আইডি কার্ডে কিছু ইউনিট ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। আমরা যখন শহরে ঘুরে বেড়াই তখন নিজেদের ছোটখাটো প্রয়োজনে ইউনিটগুলো খরচ করতে পারি। আমাদের আইডি কার্ডগুলো নিরীহ আইডি কার্ড নয়, এটি প্রতি মুহূর্তে নিশ্চয়ই কোথাও না কোথাও আমাদের সম্পর্কে তথ্য পাঠাতে থাকে, আমরা মুক্ত মানুষের মতো সারা শহরে ঘুরে বেড়ালেও সারাক্ষণ যে আমাদের উপর নজর রাখা হচ্ছে আমরা সেটি টের পাই। এটাও এক ধরনের শেকল, মায়ী মায়ীর শেকলের মতো অশালীন শেকল নয়, খুব সূক্ষ্ম এক ধরনের অদৃশ্য শেকল।

    বিজ্ঞানী লিংলির শহরটি খুব সুন্দর। আমাদের শহরের মতো খাপছাড়া নয়, আমাদের শহরের মতো ছোট নয়, এটা অনেক বড়। আমরা ইচ্ছে করলেই আমাদের পুরো শহরটা একদিনে ঘুরে আসতে পারতাম, এই শহরটার এক মাথা থেকে অন্য মাথা দিনে দিনে ঘুরে আসা সম্ভব নয়। শহরের মাঝখান দিয়ে ট্রাম লাইন আছে, জায়গায় জায়গায় পার্ক, পার্কে ফুলের বাগান এবং বসার জায়গা। শহরের এক পাশ দিয়ে অপূর্ব একটা খাল, খালের দুই পাশে ছায়াঢাকা বড় বড় গাছ, সেখানে বসার জন্য একটু পরপর কাঠের বেঞ্চ। বিকেল বেলা তরুণ-তরুণীরা রঙিন পোশাক পরে সেখানে ভিড় করে আসে।

    দিনের বেলা মানুষজন শহরে ঘুরে বেড়ায়। যারা বয়স্ক তাদের সবার মাথার মাঝে ক্রেনিয়াল, তাদের চোখে-মুখে এক ধরনের প্রশান্তির চিহ্ন। তাদের চলাফেরায় কোনো ব্যস্ততা নেই। কমবয়সী তরুণ-তরুণীরা যাদের মাথায় এখনো ক্রেনিয়াল লাগানো হয়নি তাদের চেহারায় মাঝে মাঝে অস্থিরতার ছাপ দেখা যায়। মাঝে মাঝেই দেখা যায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে অকারণে হি হি করে হাসছে। কিংবা উচ্চ স্বরে কোনো কিছু নিয়ে তর্ক করছে। শক্ত সমর্থ দুজন তরুণকে একদিন ঘুষোঘুষিও করতে দেখেছি। মাথায় ক্রেনিয়াল লাগানোর পর সবাই শান্ত হয়ে যাবে, সবাই সভ্য ভব্য কাজের মানুষ হয়ে যাবে।

    আমি আর টিশা শহরটি ঘুরে ঘুরে দেখতে গিয়ে একদিন লিংলির ল্যাবরেটরিটা আবিষ্কার করে ফেলোম। শহরের এক পাশে বিরাট এলাকা নিয়ে ল্যাবরেটরি কমপ্লেক্স, উঁচু দেয়াল দিয়ে ঘেরা হলেও বড় বিল্ডিংগুলো বাইরে থেকে দেখা যায়। প্রতিদিন ভোরে দলে দলে মানুষ সাদা অ্যাপ্রোন পরে ল্যাবরেটরিতে ঢোকে–দুপুর বেলা একদল বের হয়ে অন্য এক দল ঢোকে, বিকেলেও একই অবস্থা। ল্যাবরেটরি কখনো বিশ্রাম নেয় না–গভীর রাতেও সেখানে অনেক মানুষ থাকে।

    ল্যাবরেটরির কমপ্লেক্সের একটি মাত্র গেট, সেই গেট দিয়ে সব মানুষকে ঢুকতে হয় আবার বের হতে হয়। তাদের গলায় ঝোলানো ব্যাজ থাকে, চোখের রেটিনা স্ক্যান করে ব্যাজের সাথে মিলিয়ে সবাইকে ভেতরে ঢোকানো হয়। সবকিছু স্বয়ংক্রিয়, কোনো মানুষের প্রয়োজন নেই, তারপরও কয়েকজন বড় মানুষ হাতে ভয়ংকর অস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে সবাইকে তীক্ষ্ণ চোখে পরীক্ষা করে। আমরা একটু দূরে দাঁড়িয়ে বিষয়টা দেখছিলাম, তখন পাহাড়ের মতো একজন আমাদের ধমক দিয়ে বলল, “এখানে দাঁড়িয়ে কী দেখছ? ভাগো এখান থেকে।”

    আমি আর টিশা সাথে সাথে সরে এসেছি।

    .

    সপ্তাহ দুয়েক পর ভোরবেলা নাশতা করে আমি আর টিশা যখন হোস্টেল থেকে বের হচ্ছি, তখন হোস্টেলের গেটে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলাটি আমাদের থামাল, বলল, “কোথায় যাও?

    এর আগে আমাদের কখনো কেউ থামায়নি। তাই আমরা একটু অবাক হলাম, ইতস্তত করে বললাম, “এই তো, বাইরে, একটু শহরটা ঘুরে দেখছি।”

    “যেখানেই যাও সন্ধের আগে ফিরে আসবে।”

    আমরা মাথা নাড়লাম, বললাম, “ফিরে আসব।”

    টিশা জিজ্ঞেস করল, “কেন? আজকে কী হবে?”

    “আমি জানি না। কিন্তু তোমাদের ফিরে আসতে হবে। আইডি কার্ডে সব দেখতে পাবে।”

    .

    আজকে আমাদের শহরের লাইব্রেরিটি খুঁজে বের করার কথা। বেশ আগ্রহ নিয়ে দুজনেই সেটা খুঁজে বের করার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। মহিলাটির কথা শুনে আমাদের উৎসাহে একটু টান পড়ল, তারপরেও দুজনে বের হয়ে গেলাম।

    খুঁজে খুঁজে শহরের শেষ প্রান্তে আমরা লাইব্রেরিটা আবিষ্কার করলাম, বেশ বড় আলোঝলমল একটা দালান। ভেতরে লোকজন যাচ্ছে এবং বের হচ্ছে, আমরা দুজনও ভেতরে ঢুকে গেলাম। গেটে আইডি কার্ডটা স্পর্শ করতেই একটা কর্কশ শব্দ হলো এবং কোথা থেকে জানি একজন বয়স্ক মানুষ বের হয়ে এল। আমাদের দিকে কৌতূহলী চোখে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, “তোমার কী চাও?”

    আমি একটু ইতস্তত করে বললাম, “লাইব্রেরিতে যাব।”

    মানুষটি শব্দ করে হেসে উঠল, বলল, “তোমরা লাইব্রেরিতে গিয়ে কী করবে? তোমাদের মাথায় ক্রেনিয়াল কোথায়?”

    টিশা বলল, “ক্রেনিয়াল না থাকলে লাইব্রেরি যাওয়া যায় না?”

    “না।”

    “ও!” টিশা বলল, “আমরা ভেবেছিলাম ভিডি টিউবে ক্রিস্টাল দিয়ে বই পড়া যায়।”

    টিশার কথা শুনে মানুষটি আবার হাসতে থাকে, মনে হলো রীতিমতো কষ্ট করে হাসি থামিয়ে বলল, “ভিডি টিউব আর ক্রিস্টাল দেখতে হলে তোমাদের মিউজিয়ামে যেতে হবে! তোমরা কারা? মনে হয় অন্য জগৎ থেকে এসেছ!”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “ঠিকই বলেছ! আমরা মোটামুটি অন্য জগৎ থেকে এসেছি।”

    আমরা বের হয়ে আসার আগে ভেতরে একবার উঁকি দিলাম। ছোট ছোট অসংখ্য খুপরি। প্রত্যেকটা খুপরিতে একটা করে মানুষ। দেয়াল থেকে একটা তার এসে তাদের ক্রেনিয়ালে ঢুকে গেছে। দস্যুদলে আমরা যে রকম ক্রেনিয়াল টিউব দেখেছিলাম এটা সে রকম নয়। কোনো এক ধরনের ক্যাবল দিয়ে সরাসরি ক্রেনিয়ালে তথ্য ঢোকানো হচ্ছে। মানুষগুলো চোখ বন্ধ করে নিঃশব্দে বসে আছে।

    আমরা সন্ধে হওয়ার অনেক আগেই আমাদের হোস্টেলে অপেক্ষা করতে থাকি। ভেতরে এক ধরনের চাপা দুশ্চিন্তা কাজ করছিল, বিজ্ঞানী লিংলি কী মূল্য দিয়ে মায়ী মায়ীর কাছ থেকে আমাদের কিনেছে আমরা জানি না, কেন কিনেছে তাও জানি না। ভাসাভাসা ভাবে মায়ী মায়ীর কাছে যেটা শুনেছিলাম সেটাও ভালো কিছু নয়–তবে তার কথা কতটুকু বিশ্বাস করা যায় কে জানে।

    সন্ধের একটু আগে একজন মানুষ এসে আমাদের দুজনকে হোস্টেল থেকে বাইরে এনে একটা গাড়িতে বসাল। গাড়ির ভেতরে আবছা অন্ধকার, চোখটা একটু সয়ে এলে দেখলাম, সেখানে সেজেগুঁজে থাকা একজন মহিলা আগে থেকে বসে আছে। আমাদের দিকে তাকিয়ে একধরনের মাপা হাসি দিয়ে বলল, “তোমরা রিহি এবং টিশা?”

    আমরা দুজন মাথা নাড়ালাম।

    “দুর্ধর্ষ দস্যুদল মায়ী মায়ীর হাতে বন্দি ছিলে?”

    আমরা আবার মাথা নাড়লাম।

    “বন্দি জীবন থেকে মুক্ত হয়েছ সে জন্য অভিনন্দন।”

    আমরা নিচু গলায় বললাম, “ধন্যবাদ।”

    মহিলাটি তখন চুপ করে গেল এবং জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে রইল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “আমরা এখন কোথায় যাচ্ছি?”

    “কমিউনের মিটিংয়ে।”

    আমরা দুজনেই খুব অবাক হলাম। আমি আর টিশা কেউই এই শহরের মানুষ নই। এই শহরের কমিউনিটি মিটিংয়ে আমাদের দুজনের কারোরই কোনো কিছু জানার নেই, কোনো কিছু বলারও নেই। তাহলে আমাদের সেখানে কেন নেয়া হচ্ছে?

    গাড়িটি আমাদের শহরের মাঝামাঝি নিয়ে গেল, সেখানে একটা বিশাল হলঘরে আমাদের দুজনকে নিয়ে মহিলাটি ঢুকে গেল। মিটিং শুরু হতে এখনো দেরি আছে, চেয়ারগুলো বেশির ভাগই ফাঁকা। মহিলাটি আমাদের দুজনকে নিয়ে মাঝামাঝি এক জায়গায় বসিয়ে নিচু গলায় বলল, “তোমরা দুজন নিজে থেকে কারো সাথে একটি কথা বলবে না। ঠিক আছে?”

    আমি আর টিশা মাথা নাড়লাম, নিজে থেকে কোনো কথা বলা যাবে না কিন্তু অন্যেরা চাইলে কি কথা বলা যাবে? আমরা অবশ্য ব্যাপারটার আর কোনো ব্যাখ্যা চাইলাম না।

    ধীরে ধীরে হলঘরটা ভর্তি হতে লাগল। যারা আসছে তাদের বেশির ভাগই একটু বয়স্ক মানুষ, আমার আর টিশার বয়সী মানুষ খুব কম। পুরুষ এবং মহিলার সংখ্যা প্রায় সমান সমান। সামনে স্টেজে একজন মানুষ সবাইকে ব্যস্ত রাখার জন্য একটা পিয়ানো বাজাতে লাগল, খুবই একঘেয়ে সুর কিন্তু প্রত্যেকটার একটা অংশ শেষ করার সাথে সাথে সবাই এমনভাবে উচ্ছাস প্রকাশ করতে লাগল যে আমার সন্দেহ হতে লাগল ক্রেনিয়ালে করে এদের মাথায় এই পিয়ানো সংগীতের জন্য আলাদাভাবে ভালোবাসা তৈরি করে রাখা আছে।

    একসময় পিয়ানো বন্ধ হয়ে গেল এবং মঞ্চে এই শহরের কমান্ড্যান্ট এসে ঢুকল। সবাই উঠে দাঁড়িয়ে জোরে জোরে হাততালি দিতে থাকে। কমান্ড্যান্ট মানুষটি মাঝবয়সী এবং দেখতে প্রায় আমাদের শহরের কমান্ড্যান্টের মতো, মানুষটি যখন মাইক্রোফোনে কথা বলতে থাকে, তখন আবিষ্কার করলাম তার কথা বলার ধরনটুকুও হুবহু আমাদের শহরের কমান্ড্যান্টের মতো। কমান্ড্যান্ট বলতে শুরু করল, “আমার প্রিয় শহরবাসী, কমিউনের সভায় তোমাদের আমন্ত্রণ।”

    কমান্ড্যান্ট একটু থামল এবং সবাই জোরে জোরে হাততালি দিতে লাগল। আমাদের কমান্ড্যান্টের মতো এই কমান্ড্যান্টের কথার মাঝখানেও একটু পরে পরে হাততালি দিতে হয়।

    কমান্ড্যান্ট বলল, “আজকে আমাদের খুব আনন্দের দিন। আজকে প্রথমবার আমাদের প্রিয় শহরের নিয়ন্ত্রণের পুরোটুকু করা হচ্ছে আমাদের নিজস্ব যান্ত্রিক ক্রেনিপিউটারে।”

    সব মানুষ এবারে আরো জোরে হাততালি দিতে শুরু করে। আমি পাশে বসা সেজেগুঁজে থাকা মহিলাকে জিজ্ঞেস করলাম, “ক্রেনিপিউটারটা কোথায়?”

    মহিলাটি বলল, “বিজ্ঞানী লিংলির ল্যাবরেটরিতে।” আমি জিজ্ঞেস করলাম, “এটা কী দেখতে যাওয়া যাবে?”

    মহিলাটি বিরক্ত হয়ে বলল, “এখন আমার সাথে কথা না বলে কমান্ড্যান্ট কী বলছে সেটা শোনো।”

    কমান্ড্যান্ট বলল, “এই ক্রেনিপিউটার আমাদের ধ্বংস হয়ে যাওয়া সভ্যতাকে আবার নতুন করে দাঁড়া করাবে। একবিংশ শতাব্দীতে কম্পিউটার যে ভূমিকা রেখেছিল এই শতাব্দীতে ক্রেনিপিউটার সেই একই ভূমিকা রাখবে। পৃথিবীর সব প্রযুক্তি হয় ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল না হয় ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছিল। এই সময়ে মহাবিজ্ঞানী লিংলি একেবারে নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে দাঁড়া করিয়েছে এই নতুন যুগের ক্রেনিপিউটার।”

    হলঘরের সব মানুষ রীতিমতো চিৎকার করে হাততালি দিতে থাকে। কমান্ডেন্ট হাততালি থেমে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করল, তারপর বলল, “আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার এই মহাবিজ্ঞানী লিংলি আমাদের শহরের একজন মানুষ। আমাদের এই শহরে বসে গবেষণা করে সে এই ক্রেনিপিউটার গড়ে তুলেছে। সেই ক্রেনিপিউটার এখন এই শহরকে নিয়ন্ত্রণ করছে। নেটওয়ার্কের সাহায্যে সেটা ইতোমধ্যে আশেপাশের শহরের সাথে যোগাযোগ করছে। একসময় সেই শহরগুলোকেও নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করবে। এভাবে ধীরে ধীরে একসময় নিশ্চয়ই সারা পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করবে।”

    এই শহরের একটা ক্রেনিপিউটার সারা পৃথিবীকে নিয়ন্ত্রণ করবে শুনে হলঘরের মানুষেরা রীতিমত উত্তেজিত হয়ে হাততালি দিতে শুরু করে। কমান্ডেন্ট হাত তুলে সবাইকে থামিয়ে আবার কথা বলতে শুরু করে, বাঁধাধরা কথা। এরকম কথা আমরা আমাদের শহরে আমাদের কমান্ড্যান্টের মুখে অনেকবার শুনেছি। কথা শুনতে শুনতে আমি অন্যমনস্ক হয়ে গেলাম।

    কতক্ষণ কমান্ড্যান্ট কথা বলেছে আমি জানি না। হঠাৎ করে হলঘরের সব মানুষ একেবারে পাগলের মতো চিৎকার করে হাততালি দিতে দিতে দাঁড়িয়ে গেল। কমান্ড্যান্টের ঠিক কোন কথাটি শুনে হলঘরের সব মানুষ এ রকম উত্তেজিত হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে আমি লক্ষ করিনি। নিচু হয়ে টিশাকে জিজ্ঞেস করলাম, “কী হয়েছে টিশা? কমান্ডেন্ট কী বলেছে?”

    “বলেছে, বিজ্ঞানী লিংলি এখন এখানে আসবে।”

    “সত্যি?”

    “হ্যাঁ। সত্যি।”

    এবারে আমিও একটু উত্তেজিত হয়ে গেলাম। এতবার বিজ্ঞানী লিংলির এত কথা শুনেছি, তাই মানুষটাকে আমার দেখার খুব আগ্রহ ছিল। আমিও এবারে হাততালি দিতে দিতে অপেক্ষা করতে লাগলাম।

    কমান্ড্যান্ট স্টেজের এক পাশে এগিয়ে গেল এবং আমি দেখলাম সে একজন কমবয়সী মানুষকে স্টেজের মাঝখানে নিয়ে এল। খুবই সাদামাটা ধরনের মানুষ, সাদামাটা পোশাক পরে আছে। গায়ের রং রোদে পোড়া, চুলগুলো বেশ লম্বা কাঁধ পর্যন্ত নেমে আছে, চোখগুলো জ্বলজ্বলে।

    কমান্ড্যান্ট বলল, “মহাবিজ্ঞানী লিংলি, তুমি আমাদের আমন্ত্রণ রক্ষা করে আজকে কমিউনের এই মিটিংয়ের এসেছ সে জন্য তোমাকে অনেক ধন্যবাদ।”

    বিজ্ঞানী লিংলি বলল, “ধন্যবাদ দেওয়ার কিছু নেই। আমি আমার শহরের মানুষদের সাথে কথা বলতেই পারি, এটা এমন কোনো ঐতিহাসিক ঘটনা নয়।”

    কমান্ড্যান্ট বলল, “তোমার কাছে এটা ঐতিহাসিক ঘটনা নাও হতে পারে কিন্তু আমাদের জন্য এটি অনেক বড় একটা ঐতিহাসিক ঘটনা। যাই হোক, মহামান্য বিজ্ঞানী লিংলি, তোমার আবিষ্কার করা ক্রেনিপিউটার আজ থেকে এই পুরো শহরকে নিয়ন্ত্রণ করছে, সেটা দেখে তোমার কেমন লাগছে?”

    বিজ্ঞানী লিংলি হাসি হাসি মুখে বলল, “নিয়ন্ত্রণ করছে বলা হলে সেটা একটু অন্যরকম শোনায়, আমার মনে হয় বলা উচিত শহরের সকল দৈনন্দিন কাজে সহায়তা করছে।”

    কমান্ড্যান্টের মুখের হাসি আরো বিস্তৃত হলো, সে বলল, “তোমার জ্ঞান, বুদ্ধি, বিচক্ষণতা এবং দূরদৃষ্টির উপর এই শহরের সকল মানুষের অনেক বেশি বিশ্বাস। তুমি যদি তোমার আবিষ্কৃত ক্রেনিপিউটার দিয়ে এই শহরকে সরাসরি নিয়ন্ত্রণও কর, সবাই সেটা খুব আনন্দের সাথে গ্রহণ করবে।”

    হলঘরের সব মানুষ আনন্দের শব্দ করে কমান্ড্যান্টের কথার প্রতি সমর্থন জানাল। বিজ্ঞানী লিংলি তার মাথার এলোমেলো লম্বা চুলকে পেছনে সরিয়ে বলল, “শুনে খুশি হলাম। তবে আমি সবাইকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, একটা শহর দূরে থাকুক আমি একটা মানুষকেও নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না। প্রত্যেকটা মানুষ আসলে এই পৃথিবীর একটা সম্পদ, কারণ প্রত্যেকে একটা মস্তিষ্ক নিয়ে জন্মেছে। সেই মস্তিষ্কের একশ বিলিয়ন নিউরন নিয়ে সে এই পৃথিবীর একটি অনেক বড় সম্ভাবনা। ক্রেনিয়াল দিয়ে সেখানে আমরা নতুন তথ্য দিয়ে নতুন জ্ঞান প্রবেশ করিয়ে তাকে আরো বিকশিত হতে দিতে চাই, কিন্তু কোনোভাবে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাই না, কোনোভাবে তার স্বাধীন সত্তাকে নষ্ট হতে দিতে চাই না।”

    কমান্ড্যান্টের একটা সাধারণ কথা শুনেই হলঘরের মানুষেরা হাততালি দিচ্ছিল, লিংলির মতো এত বড় একজন বিজ্ঞানীর কথা শুনে দর্শকেরা মনে হয় একেবারে অভিভূত হয়ে গেল। তারা সবাই দাঁড়িয়ে হাততালি দিতে থাকে।

    বিজ্ঞানী লিংলি হাসি হাসি মুখে স্টেজে দাঁড়িয়ে সবাইকে এক নজর দেখে বলল, “সত্যি কথা বলতে কী একজন মানুষের স্বাধীনতা আমার কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ যে, কয়েক দিন আগে আমি জানতে পেরেছিলাম একটি অসভ্য বর্বর বন্য দস্যুদল দুজন কিশোর কিশোরীকে বন্দি করে রেখেছে। আমি সেই দস্যুদলের সাথে যোগাযোগ করে দস্যুদলকে প্রয়োজনীয় মুক্তিপণ দিয়ে সেই দুজন কিশোর-কিশোরীকে মুক্ত করিয়ে এনেছি।”

    আমি আর টিশা চমকে উঠলাম। বিজ্ঞানী লিংলি আমাদের কথা বলছে! আমরা দুজনেই চোখ বড় বড় করে কথাগুলো ভালো করে শোনার চেষ্টা করলাম।

    বিজ্ঞানী লিংলি বলল, “আমি যতদূর জানি সেই কিশোর কিশোরী দুজনকে এই হলঘরে আনা হয়েছে। তারা কোথায়? তোমরা দুজন কি একটু দাঁড়াবে?”

    আমি আর টিশা উঠে দাঁড়ালাম এবং হলঘরের সবাই কয়েক মুহূর্ত অবাক হয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর আবার আনন্দের শব্দ করে হাততালি দিতে লাগল।

    বিজ্ঞানী লিংলি আমাদের দিকে তাকিয়ে থেকে বলল, “তোমরা দুজন স্টেজে চলে এসো। তোমাদেরকে একটু সামনাসামনি দেখি। একটু কথা বলি।”

    আমার আর টিশার বুক ধক ধক শব্দ করতে লাগল। দুজন সাবধানে সারি সারি চেয়ারের মাঝখানে রাখা জায়গা দিয়ে স্টেজের দিকে এগোতে লাগলাম।

    স্টেজে ওঠার পর বিজ্ঞানী লিংলি আমাদেরকে ভালো করে দেখার সুযোগ পেল, আমরাও তাকে ভালো করে দেখার সুযোগ পেলাম। দূর থেকে তাকে সাদামাটা একজন মানুষ মনে হচ্ছিল, কাছে থেকে তাকে দেখে বোঝা যায় মানুষটি সাদামাটা নয়, তার চোখগুলোর দৃষ্টি এত তীব্র যে সেদিকে তাকিয়ে থাকা যায় না।

    বিজ্ঞানী লিংলি জিজ্ঞেস করল, “তোমাদের দুজনের নাম?”

    আমরা আমাদের নাম বললাম। বিজ্ঞানী লিংলি বলল, “তোমাদের মাথায় ক্রেনিয়াল নেই, বুঝতেই পারছি বয়স এখনো ষোলো হয়নি। এই কম বয়সে পৃথিবীর কোনো বিষয়ে তোমাদের কোনো তথ্য নেই, জ্ঞান নেই, অভিজ্ঞতা নেই–তখন একটা দস্যুদলের হাতে বন্দি! তোমাদের তখন কেমন লাগত?”

    আমি বললাম, “খুব খারাপ লাগত। মরে যেতে ইচ্ছে করত।”

    বিজ্ঞানী লিংলি মাথা নেড়ে বলল, “না, না। কখনো মারা যাবার কথা বলবে না। একজন মানুষ অনেক বড় একটি ব্যাপার, সে কখনো মরে যাবার কথা বলতে পারে না।”

    আমরা নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইলাম। বিজ্ঞানী লিংলি বলল, “দস্যুদল তোমাদের কী রকম অত্যাচার করত, একটু বলবে?”

    আমি টিশার দিকে তাকালাম। টিশা মাথা নাড়ল, ফিসফিস করে বলল, “আমি বলতে চাই না। তুমিই বলো।”

    আমি তখন মায়ী মায়ীর কিছু অত্যাচারের কথা বললাম এবং আমার কথা শুনে হলঘরের মানুষ কেমন শিউরে শিউরে উঠতে লাগল। আমার কথা শেষ হবার পর সবাই নিঃশব্দে বসে রইল। বিজ্ঞানী লিংলি একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলল, “ছেলে। তোমাদের দুঃখের এবং কষ্টের দিন শেষ হয়েছে। আমি তোমাদের মুক্ত করে এনেছি। এই শহরে তোমরা এখন মুক্ত মানুষের মতো থাকো। জীবন। উপভোগ করো।”

    আমি নিচু গলায় বললাম, “করব। জীবন উপভোগ করব।”

    বিজ্ঞানী লিংলি বলল, “তোমরা দুজন এখন এখানে কী ধরনের জীবন চাও?”

    আমি আর টিশা একজন আরেকজনের দিকে তাকালাম। এই প্রশ্নটির কী উত্তর দেওয়া যায়? সত্যি কথা বলতে হলে বলতে হবে যে, আমরা স্বাধীন একটা জীবন চাই। কিছুই করতে চাই না, কোনো গাছের ছায়ায় বসে ভিডি টিউবে বই পড়তে চাই। কিন্তু মনে হলো সেটা বলা ঠিক হবে না।

    আমাদের চুপ করে থাকতে দেখে বিজ্ঞানী লিংলি নিজে থেকে বলল, “তোমরা কি আমার ল্যাবরেটরিতে কাজ করতে চাও?”

    আমরা কিছু বলার আগেই হলঘরের সব মানুষ আমাদের এত বড় সৌভাগ্যের কথা শুনে আনন্দে চিৎকার করে উঠল। বোঝাই যাচ্ছে, এই শহরের খুব সৌভাগ্যবান অল্প কিছু মানুষ লিংলির মতো এত বড় একজন বিজ্ঞানীর ল্যাবরেটরিতে কাজ করার সুযোগ পায়।

    কমান্ড্যান্ট এতক্ষণ কোনো কথা বলছিল না, এবারে আমাদের পিঠে হাত দিয়ে বলল, “অভিনন্দন রিহি এবং টিশা! এই শহরের খুব অল্প কিছু তরুণ-তরুণী বিজ্ঞানী লিংলির সাথে কাজ করার সুযোগ পেয়েছে।”

    আমি আর টিশা হাসিমুখে দাঁড়িয়ে রইলাম। বিজ্ঞানী লিংলি বলল, “আমার ল্যাবরেটরি কমপ্লেক্সে থাকার জন্য হোস্টেল আছে, ডরমিটরি আছে। আমি তোমাদের সেখানে থাকার ব্যবস্থা করে দেব।”

    আমি বললাম, “তোমাকে অনেক ধন্যবাদ মহামান্য লিংলি।”

    টিশা কোনো কথা না বলে বিচিত্র এক ধরনের দৃষ্টিতে বিজ্ঞানী লিংলির দিকে তাকিয়ে রইল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }