Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. পরদিন ভোর বেলা আমাকে

    পরদিন ভোর বেলা আমাকে আর টিশাকে বিজ্ঞানী লিংলির ল্যাবরেটরি কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলো। অনেক উঁচু একটা বিল্ডিংয়ের লিফটে করে আমরা দুজন যখন উপরে উঠছিলাম তখন আমি ফিসফিস করে টিশাকে বললাম, “আমাদের কি এখন হোস্টেলে নিয়ে যাচ্ছে?”

    টিশা কোনো কথা বলল না। কোনো একটা অজ্ঞাত কারণে টিশা হঠাৎ করে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে। লিফটটি প্রায় বাইশ তলা ওঠার পর বন্ধ হয়ে গেল, তখন আমরা লিফট থেকে নামলাম। আমাদের সাথে যে মানুষটি ছিল সে আমাদেরকে বলল, “তোমাদের এখন সিঁড়ি দিয়ে বাকি দুই তলা উঠতে হবে। এর উপরের অংশে লিফট যায় না।”

    আমি আর টিশা অবাক হলাম, এত উঁচু বিল্ডিংয়ের একেবারে উপরে পর্যন্ত লিফট যায় না সেটি কেমন ব্যাপার? কিন্তু আমাদের এ নিয়ে কথা বলার কিংবা তর্ক-বিতর্ক করার কোনো সুযোগ নেই, আমরা তার চেষ্টাও করলাম না। আমরা আমাদের ব্যাগ নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে লাগলাম, যে মানুষটি আমাদের এ পর্যন্ত নিয়ে এসেছে সে আমাদের সাথে আর উপরে উঠল না।

    আমাদের কয়েকটা চেকপোস্ট পার হতে হলো, কোথাও কোনো মানুষ নেই, চেকপোস্ট পার হওয়ার জন্য কী করতে হবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তার নির্দেশ দেওয়া হতে লাগল। আমরা সেই নির্দেশ মেনে এগিয়ে যেতে থাকলাম। কোনো চেকপোস্টে রেটিনা স্ক্যান আমি বললাম,

    করতে হলো, কোনো চেকপোস্টে ত্বকের পরিত্যক্ত কোষ দিয়ে ডিএনএ টেস্ট করতে হলো।

    শেষ চেকপোস্টটা আমাদের পুরো শরীর স্ক্যান করে একটা ঘরে ঢুকতে দিল। প্রথমে টিশা, তার পিছু পিছু আমি। ঘরটাতে ঢোকার সাথে সাথে পিছনের স্বয়ংক্রিয় দরজাটা বন্ধ হয়ে যাবার সাথে সাথে আমি হঠাৎ করে এক ধরনের আতঙ্ক অনুভব করি। কারণ দরজাটির কোনো হাতল নেই, কোনো চাবির গর্ত নেই, মনে হলো ধাতব একটি দেয়াল দিয়ে আমাদের একটা ঘরে বন্দি করে ফেলা হয়েছে। আমি আর টিশা আমাদের ব্যাগ হাতে নিয়ে আরেকটু এগিয়ে গেলাম, সামনে এগোতেই একটা দরজা খুলে গেল এবং আমরা একটা হলঘরের মতো জায়গায় পৌঁছলাম। হলঘরটির মেঝে এবং দেয়াল ধূসর বর্ণের, দেখে কেমন যেন মন খারাপ হয়ে যায়।

    আমি বললাম, “আমরা কোথায় এসেছি। এটাকে মোটেও একটা হোস্টেল মনে হচ্ছে না।”

    টিশা এবারেও কোনো কথা বলল না, তার হাতের ব্যাগটি নিয়ে সোজা সামনের দিকে এগিয়ে গেল। দেয়ালের কাছাকাছি পৌঁছতেই নিঃশব্দে একটা দরজা খুলে গেল। আমরা সেই দরজা দিয়ে পাশের ঘরে ঢুকেই থমকে দাঁড়ালাম, আমাদের সামনে অনেকগুলো নানা বয়সী মানুষ নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। কেউ বলে দেয়নি কিন্তু দেখেই বুঝতে পারলাম আমাদেরকে যেভাবে এখানে আনা হয়েছে এই মানুষগুলোকেও ঠিক একইভাবে এখানে আনা হয়েছে।

    মানুষগুলো পাথরের মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল। আমি অভিবাদনের ভঙ্গি করে হাত নেড়ে বললাম, “শুভ সকাল।” কী কারণ জানা নেই কথাটা খুবই বেখাপ্পা শোনাল।

    মানুষগুলো কেউ কোনো কথা বলল না, শুধু মনে হলো পেছন থেকে কমবয়সী একজন হাসির মতো শব্দ করল, আনন্দহীন এক ধরনের হাসি। এই হাসিটি শুনে আমি বুঝতে পারলাম সকালটি আর যাই হোক শুভ নয়।

    আমি বললাম, “আমার নাম রিহি। আর এ হচ্ছে টিশা।”

    ভেবেছিলাম মানুষগুলোর ভেতর থেকে কেউ একজন নিজের পরিচয় দেবে, কিন্তু কেউ কোনো কথা বলল না। স্থির দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “তোমরা কারা?”

    মানুষগুলো এবারেও কোনো কথা বলল না, আমার মনে হলো। কথা বলবেও না। কিন্তু হঠাৎ করে একজন বলল, “আমরা কারা তাতে কিছু আসে যায় না।”

    আমি ভুরু কুঁচকে বললাম, “মানে?”

    “মানে আমাদের নিজের পরিচয়ের এখন আর কোনো গুরুত্ব নাই। তুমি কে আমি কে তাতে কিছু আসে যায় না। আগে হোক পরে হোক তোমাকে আমাকে সবাইকে দেয়ালের ঐ পাশে চলে যেতে হবে।”

    “দেয়ালের ঐ পাশে কী আছে?”

    মানুষটা উত্তর দেওয়ার আগেই টিশা বলল, “ক্রেনিপিউটার।”

    যারা স্থির দৃষ্টিতে আমাদের দিকে তাকিয়েছিল এই প্রথমবার তাদের চোখে এক ধরনের কৌতূহল ফুটে উঠল। একজন টিশার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, “তুমি কী বললে?”

    “আমি বলেছি ক্রেনিপিউটার।”

    “তুমি কেমন করে জান ওখানে ক্রেনিপিউটার আছে? আমাদেরকে কেন ক্রেনিপিউটারের ঘরে নিয়ে যাবে?”

    টিশা বলল, “তা না হলে কেন আমাদের একজন একজন করে এখানে ধরে এনেছে?”

    আমি টিশাকে বাধা দিয়ে বললাম, “তুমি কী বলছ টিশা? আমাদেরকে মোটেও ধরে আনা হয়নি। বিজ্ঞানী লিংলি নিজে বলেছে আমাদের এই ল্যাবরেটরিতে কাজ করতে দেবে। আমাদের সব দুঃখ কষ্ট যন্ত্রণা শেষ করে দেবে।”

    “রিহি! তোমার এবং আমার থেকে বেশি ভালো করে কে জানে যে একজন মানুষের দুঃখ কষ্ট আর যন্ত্রণা দূর করে দেবার জন্য দরকার একটি বেগুনি নীল তিন তিন দুই চার ক্রেনি-টিউব!”

    বেগুনি নীল তিন তিন দুই চার কোড নম্বরের ক্রেনি-টিউব মাথায় ঢুকিয়ে দিলে মুহূর্তে একজন মানুষের ভেতর সব দুঃখ কষ্ট যন্ত্রণা উধাও হয়ে ভেতরে এক ধরনের প্রশান্তি নেমে আসে! মায়ী মায়ীর বাক্স থেকে আমরা যে টিউবগুলো চুরি করে এনেছি তার মাঝে এই কোড নম্বরের একটা ক্রেনি-টিউব আছে!

    আমি কিছুক্ষণের জন্য টিশার দিকে তাকিয়ে থেকে বললাম, “তুমি কি মনে কর বিজ্ঞানী লিংলি আমাদের সাথে মিথ্যা কথা বলেছে?”

    “না। বিজ্ঞানী লিংলি মিথ্যা কথা বলেনি। সত্যি কথা বলেছে। আমাদেরকে ল্যাবরেটরি কমপ্লেক্সে এনেছে। এখানে কাজ করতে দেবে–আমাদের সব দুঃখ কষ্ট দূর হয়ে যাবে–সব সত্যি। তবে যেভাবে সেটা করা হবে তুমি সেটা পছন্দ করবে কি করবে না সেটা ভিন্ন কথা!”

    আমি হঠাৎ করে বুঝতে পারলাম টিশা যেটা সন্দেহ করেছে সেটা হয়তো সত্যি। হঠাৎ করে আমি এক ধরনের আতঙ্ক অনুভব করতে থাকি। আমাদের পাশে নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “তোমাদের সাথে কি বিজ্ঞানী লিংলির দেখা হয়?”

    কমবয়সী একজন মেয়ে বলল, “হয়, আবার হয় না।”

    “তার মানে কী?”

    কমবয়সী মেয়েটি বড় একটা দেয়াল দেখিয়ে বলল, “মাঝে মাঝে এই দেয়ালটা স্বচ্ছ হয়ে যায়। তখন দেয়ালের অন্য পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বিজ্ঞানী লিংলি আমাদের দেখে।”

    “কী দেখে?”

    “আমি জানি না। “

    “তোমরা সারাদিন কী কর?”

    “কিছু করি না। দরজার সামনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করি, দেখি নতুন কে আসে।”

    “প্রতিদিন নতুন মানুষ আসে?”

    “আসে আবার চলেও যায়। ধরে নিয়ে যায়। আমাকেও একদিন ধরে নিয়ে যাবে।” মেয়েটা এক মুহূর্ত অপেক্ষা করে বলল, “তোমাকেও ধরে নিয়ে যাবে।”

    আমি কী বলব বুঝতে পারলাম না। শুধুমাত্র কিছু একটা বলার জন্য বললাম, “তোমরা কোথায় ঘুমাও?” মেয়েটা হাত নেড়ে বলল, “এই তো এখানে ঘুমাই।”

    “কী খাও?”

    “একজন ডিটিউন মানুষ খাবার আনে। সাথে একজন গার্ড থাকে। তার হাতে সব সময় অস্ত্র থাকে। স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র।”

    আমি কথা বলার মতো আর কিছু খুঁজে পেলাম না। যে দেয়ালটি মাঝে মাঝে স্বচ্ছ হয়ে যায় আর স্বচ্ছ হবার পর অন্য পাশে লিংলিকে দেখা যায় আমি সেই দেয়ালটিতে হেলান দিয়ে চুপ করে বসে রইলাম।

    .

    দুই দিন পর হঠাৎ করে দেয়ালটি স্বচ্ছ হয়ে গেল। আমি প্রায় লাফিয়ে উঠে দাঁড়ালাম এবং দেখলাম অন্যপাশে বিজ্ঞানী লিংলি নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আমি উত্তেজিতভাবে চিৎকার করে বললাম, “বিজ্ঞানী লিংলি! মহামান্য বিজ্ঞানী লিংলি। আমি রিহি। যাকে তুমি দস্যুদলের কাছ থেকে মুক্ত করেছ!”

    বিজ্ঞানী লিংলি আমার কথা শুনতে পেয়েছে কি না বুঝতে পারলাম। সে এক ধরনের অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল। হেঁটে পিছনে গেল, পেছনের একটা টেবিল থেকে একটা কাঁচের গ্লাসে কোনো এক ধরনের তরল পানীয় ঢেলে নিল, সেই পানীয়ে চুমুক দিয়ে আবার সামনে এগিয়ে এসে স্বচ্ছ দেয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে আমাদের দিকে নিরাসক্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। আমি আবার চিৎকার শুরু করলাম, শুধু চিকারের উপর ভরসা না করে আমি এবারে দুই হাত নেড়ে তার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করতে লাগলাম। মনে হলো বিজ্ঞানী লিংলি প্রথমবার আমাকে দেখতে পেল এবং তার চোখে-মুখে এক ধরনের কৌতূহল ফুটে উঠল। সে এগিয়ে গিয়ে কোথায় একটা সুইচ টিপে দেবার পর সে আমার কণ্ঠস্বর শুনতে পেল, আমিও তার কণ্ঠস্বর শুনতে পেলাম। বিজ্ঞানী লিংলি বলল, “ছেলে! তুমি এভাবে চিৎকার করছ কেন? তোমার কী হয়েছে?”

    আমি বললাম, “মহামান্য লিংলি! তোমার মনে আছে, তুমি আমাকে আর আমার বন্ধু টিশাকে দস্যুদলের কাছ থেকে মুক্ত করেছ? দুই দিন আগে কমিউনের সভায় তোমার সাথে

    কথার মাঝখানে থামিয়ে দিয়ে লিংলি বলল, “মনে আছে। তোমার সমস্যা কী?”

    “তুমি বলেছিলে তুমি আমাদের সব দুঃখ কষ্ট দূর করে একটা নতুন জীবন উপহার দেবে!”

    “বলেছিলাম নাকি?”

    “হ্যাঁ। তুমি কমিউনের মানুষের সামনে”

    আমাকে কথা শেষ করতে না দিয়ে বিজ্ঞানী লিংলি হাত নেড়ে পুরো বিষয়টা উড়িয়ে দেবার মতো ভঙ্গি করে বলল, “কমিউনের সভায় অনেক কথা বলতে হয়। তোমাদের মুক্ত করতে অনেক মুক্তিপণ দিতে হয়েছে, সেটি কি শুধু শুধু দিয়েছি?”

    আমি একটু হতবুদ্ধি হয়ে বললাম, “তাহলে আমাদের কী করবে?”

    “তোমাদের আনা হয়েছে ক্রেনিপিউটার বানানোর জন্য। তোমাদের মাথায় ক্রেনিয়াল নেই–আমার এরকম মানুষই দরকার। ক্রেনিয়াল দিয়ে মাথায় শুধু তথ্য দেওয়া যায়, তথ্য বের করা যায় না। আমি নতুন ক্রেনিয়াল তৈরি করেছি, সেটা বাই-ক্রেনিয়াল। এটা দিয়ে তথ্য দেওয়া যায় আবার তথ্য বের করে আনা যায়। মাথায় এটা লাগালে–”

    বিজ্ঞানী লিংলি হঠাৎ কথা থামিয়ে হা হা করে হাসতে লাগল। এখানে হাসির ব্যাপারটা কোথায় আমি ধরতে পারলাম না। বিজ্ঞানী লিংলি একসময় হাসি থামিয়ে তার পানীয়ের গ্লাসে চুমুক দিল, হাতের উল্টো পিঠ দিয়ে মুখটা মুছে বলল, “আমি তোমাদের কেন এই সব কথা বলছি? তোমাদের মাথায় কোনো ক্রেনিয়াল নেই, তোমরা কিছু শিখো নাই, তোমরা কিছু জানো না, বোঝো না! তোমাদের মানসিক বয়স ছয়-সাত বছরের বেশি নয়, আমি তোমাদের যেসব কথা বলছি সেগুলো তোমাদের বোঝা সম্ভব না! তোমরা হয়তো দুই আর দুই যোগ করলে কত হয় সেটাই জান না!”

    এতক্ষণ টিশা নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে ছিল। এই প্রথম সে কথা বলল, “দুই আর দুই যোগ করলে কত হয় আমরা জানি। শুধু দুই আর দুই নয় প্রাইমভিত্তিক সংখ্যা দিয়ে আমরা যে কোনো সংখ্যা প্রক্রিয়া করতে পারি। ক্রেনিয়াল কীভাবে কাজ করে আমরা সেটা জানি। শহরের মানুষের ক্রেনিয়ালে তথ্য দেবার জন্য তুমি নেটওয়ার্ক ব্যবহার কর, মূল সার্ভার ছাড়া সেখানে তথ্য দেওয়া যায় না কিন্তু দস্যুদলের কাছে অনেক দামে বিক্রি করার জন্য তুমি ক্রেনি-টিউব তৈরি করেছ আমরা সেটাও জানি। বেগুনি নীল তিন তিন দুই চার হচ্ছে এরকম একটা কোড। এই কোডের ক্রেনি-টিউব কী করে আমি সেটাও বলতে পারব।”

    বিজ্ঞানী লিংলির চোখ দেখতে দেখতে বিস্ফারিত হয়ে যায়। কয়েক মুহূর্ত সে কোনো কথা বলতে পারে না, এমন কী হাতে ধরে রাখা পানীয়ের গ্লাসে চুমুক দিতেও সে ভুলে যায়। একটু পর বুক থেকে একটা নিঃশ্বাস বের করে দিয়ে বলল, “তুমি এগুলো কোথা থেকে জেনেছ?”

    “প্রাচীন মানুষেরা যেভাবে জানত সেভাবে জেনেছি।”

    “মানে?”

    “ভিডি টিউবে বই পড়ে জেনেছি। আমি দেখতে চেয়েছিলাম মাথায় ক্রেনিয়াল টিউব না লাগিয়ে শেখা যায় কি না, জানা যায় কি না। আমি এখন জানি এটা সম্ভব। তোমাদের ক্রেনিয়াল প্রযুক্তির কোনো প্রয়োজন নেই। এটা আসলে মানুষকে নিয়ন্ত্রণ করার একটা কৌশল।”

    বিজ্ঞানী লিংলি কিছুক্ষণ স্থির দৃষ্টিতে টিশার দিকে তাকিয়ে রইল তারপর কাঁপা গলায় জিজ্ঞেস করল, “তোমার বয়স কত মেয়ে?”

    “আমার নাম টিশা।”

    বিজ্ঞানী লিংলি মনে হলো বিশ্বাস করতে পারল না যে কেউ তার সাথে এভাবে কথা বলতে পারে। টিশার সূক্ষ্ম খোঁচাটি সহ্য করে আবার জিজ্ঞেস করল, “টিশা, তোমার বয়স কত?”

    “তুমি একটু আগে বলেছ আমাদের মানসিক বয়স ছয়-সাত বছরের বেশি না। আমার ধারণা আমার মানসিক বয়স আরো অনেক বেশি–তোমার সমান যদি নাও হয় তার কাছাকাছি হবে। জৈবিক বয়স পনের বছর। পনের বছর দুই মাস এগার দিন।”

    বিজ্ঞানী লিংলির মুখে খুব ধীরে ধীরে একটা হাসি ফুটে উঠল। মানুষের মুখের হাসির মতো বিচিত্র আর কিছু পৃথিবীতে আছে কি না আমার জানা নেই। কোনো কথা না বলে শুধু মুখের হাসি দিয়ে কত কিছু প্রকাশ করে ফেলা যায়! লিংলি তার মুখের হাসি দিয়ে বুঝিয়ে দিল যে, এই পৃথিবীতে তার থেকে ভয়ংকর আর নিষ্ঠুর মানুষ আর একটিও নেই! তার কাছে পনের বছর দুই মাস এগার দিনের একটা মেয়ের কোনো মূল্য নেই। নিজের প্রয়োজনে সে টিশার মতো শত শত মানুষকে যেভাবে প্রয়োজন সেভাবে ব্যবহার করবে।

    বিজ্ঞানী লিংলি তার মুখের ভয়ংকর হাসিটি ধরে রেখে বলল, “টিশা! আমি তোমাকে দেখে মুগ্ধ হয়েছি! তুমি যদি আমার ল্যাবরেটরি কমপ্লেক্সের ক্রেনিপিউটার বিল্ডিংয়ের চোদ্দ তলায় আটকা না থাকতে, তাহলে তুমি সবার জন্য একটা বিপজ্জনক মানুষ হতে পারতে! কিন্তু তুমি এখন বিপজ্জনক নও। তুমি পুরোপুরি আমার হাতের মুঠোয়। তোমার শরীরের এক দশমিক তিন কেজি ওজনের মস্তিষ্কটুকু ছাড়া আর কোনো কিছুতে আমার বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই। আমার ক্রেনিপিউটারের দুশ বায়ান্নটি মস্তিষ্কের মাঝে তোমারটাও যুক্ত হবে। শুধু তোমারটা না তোমাদের সাথে যারা আছে তাদের সবার! তোমার চমকার বুদ্ধিদীপ্ত তথ্যবহুল সৃজনশীল তেজস্বী মস্তিষ্কটিকে এক সেকেন্ডে আমি একশ বিলিয়ন নিউরনের একটা হার্ডওয়ারে পাল্টে দেব। তথ্য পাঠাব তোমার মস্তিষ্কে সেই তথ্য প্রক্রিয়া করে আমাকে ফেরত পাঠাবে। তুমি থাকবে না, শুধু তোমার মস্তিষ্কটা থাকবে! বুঝেছ?”

    টিশা বলল, “আমি এই সব কথা জানি। তুমি যদি সত্যিই আমাকে কিছু বলতে চাও তাহলে আমি যেগুলো জানি না সেগুলো আমাকে বলো।”

    “তুমি কী জান না?”

    “যেসব কথা বইয়ে লেখা হয়নি আমি সেগুলো জানি না। তোমার ক্রেনিপিউটার কীভাবে কাজ করে আমি জানি না। মানুষের মস্তিষ্ক ব্যবহার করতে হলে মানুষটিকে জীবিত থাকতে হয়। এতগুলো মানুষকে জীবিত রাখ কেমন করে সেটা আমি জানি না। তার শরীরের পুষ্টি দরকার–”

    “টিশা, তোমার প্রশ্নটা খুবই সঠিক। কীভাবে ক্রেনিপিউটার বানাব আমি অনেক দিন থেকে জানি কিন্তু কীভাবে এতগুলো মানুষকে বাঁচিয়ে রাখা যায়, আমি সেটা জানতাম না। টিশা, তুমি শুনে খুব খুশি হবে আমি সেই সমস্যাটা খুবই চমৎকারভাবে সমাধান করেছি। যেদিন তোমাকে ক্রেনিপিউটারে জুড়ে দেব সেদিন তুমি নিজের চোখে দেখবে! দেখে চমৎকৃত হবে!” কথা শেষ করে বিজ্ঞানী লিংলি আনন্দে আবার হা হা করে হাসল!

    টিশা হাসি থেমে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করল। যখন হাসি থেমে গেল তখন জিজ্ঞেস করল, “মানুষগুলোর মস্তিষ্কের বাই-ক্রেনিয়াল থেকে যে সিগন্যাল আসে সেগুলো তুমি কোথায় প্রক্রিয়া করো?”

    বিজ্ঞানী লিংলি বলল, “আমি সেটা কীভাবে করি পৃথিবীর কেউ জানে না! এটা আমার আবিষ্কার, আমি ছাড়া আর কেউ কখনো জানবে না!”

    টিশা মুখ শক্ত করে বলল, “আমি সেটা জানতে চাই। তুমি আমাকে ক্রেনিপিউটারে জুড়ে দিয়ে শুধু আমার স্মৃতি নয়–আমার অস্তিত্বকেও ধ্বংস করে দেবে–আমাকে বলো, আমি জানা না জানায় এখন তোমার কিছু আসে যায় না!”

    বিজ্ঞানী লিংলি মাথা নাড়ল, বলল, “না আমি তোমাকে বলব না। যদি বলিও তুমি বুঝবে না।”

    “আমি বুঝব। তুমি চেষ্টা করে দেখো।”

    “না, আমি বলব না।”

    এবারে টিশা খিলখিল করে হেসে উঠল, তার হাসি থামতেই চায়। বিজ্ঞানী লিংলি অবাক হয়ে বলল, “এই মেয়ে, তুমি হাসছ কেন?”

    টিশা হাসি থামিয়ে মুখ শক্ত করে বলল, “আমার নাম টিশা।”

    বিজ্ঞানী লিংলি খোঁচাটি সহ্য করে বলল, “টিশা, তুমি কেন হাসছ?”

    “সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী লিংলি পনের বছর দুই মাস এগার দিনের একটা মেয়ের বুদ্ধিমত্তাকে এত ভয় পায় যে তাকে দুই দিন পরে পুরোপুরি ধ্বংস করে ফেলবে জেনেও তাকে কিছু তথ্য জানাতে সাহস পায় না। এটা আমার জন্যে খুবই হাসির ব্যাপার।” টিশা তীব্র দৃষ্টিতে বিজ্ঞানী লিংলির দিকে তাকিয়ে হিংস্র গলায় বলল, “তুমি যত বড় বিজ্ঞানীই হও না কেন লিংলি, তোমার যত ক্ষমতাই থাকুক না কেন, আসলে তুমি একজন দুর্বল মানুষ। তুমি একজন ভীতু কাপুরুষ ছাড়া আর কিছু নও।”

    টিশার কথাটা শেষ হওয়ার আগেই স্বচ্ছ দেয়ালটি হঠাৎ করে অদৃশ্য হয়ে কালো দেয়াল হয়ে গেল। টিশা যখন মাথা ঘুরিয়ে ভেতরে তাকাল, দেখল, ঘরের ভেতরের সব কয়জন মানুষ স্থির চোখে টিশার দিকে তাকিয়ে আছে।

    তাদের চোখে ভয় আতঙ্ক আর বিস্ময়। তবে চোখের দৃষ্টিতে সবচেয়ে যেটা বেশি, সেটা হচ্ছে অবিশ্বাস।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }