Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. আমাদের যে ঘরটিতে আটকে রেখেছে

    আমাদের যে ঘরটিতে আটকে রেখেছে তার বাইরে একটা ছোট করিডোর, করিডোরটাতে আধো আলো এবং আধো অন্ধকার। করিডোরের দুই মাথায় যতদূর চোখ যায় কোনো গার্ড নেই। লিংলির এই ক্রেনিপিউটার প্রোজেক্টটি এত নৃশংস এবং অমানবিক যে, সে এটি কারো কাছে প্রচার করতে পারে না। সে যা করতে চায় সেটি গোপনে করতে হয়, তাই খুব বেশি মানুষের সাহায্য নিতে পারে না। নিরাপত্তার জন্য সে মানুষ থেকে বেশি নির্ভর করে যন্ত্রপাতির উপর। মানুষ যাদেরকে রেখেছে তাদের বেশির ভাগকেই ডিটিউন করে রেখেছে। এই ডিটিউন করা মানুষগুলো তাদেরকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া একটি-দুটি কাজ ছাড়া আর কিছু করতে পারে না। এইমাত্র আমরা একটা প্রহরীকে কাবু করে এসেছি, এই প্রহরীটি পুরোপুরি ডিটিউন করা নয়, কিন্তু তারপরেও পুরোপুরি স্বাভাবিক মানুষ মনে হয়নি। সে একটিবারও একটি শব্দ উচ্চারণ করেনি।

    লিরিনা করিডোর ধরে হাঁটতে থাকে, তার ঠিক পেছনে টিশা এবং তার থেকে কয়েক পা পেছনে আমি। আমি অস্ত্রটাকে শক্ত করে ধরে রেখেছি, সামনে থেকে হঠাৎ কেউ এলে সে আমাকে অস্ত্র হাতে দেখতে পাবে না এবং আমি কিছু একটা করার সময় পাব।

    আমরা লম্বা করিডোর ধরে হেঁটে শেষ মাথায় পৌঁছে যখন লিরিনার পিছু পিছু ডান দিকে হাঁটতে শুরু করেছি ঠিক তখন দেখতে পেলাম, সামনে দিয়ে একজন হেঁটে আসছে। আমি চমকে উঠলাম এবং আমার বুকটা ধক করে উঠল, আমি অস্ত্রটা উঁচু করে ধরলাম, যদি গুলি করতে হয় গুলি করব, কিন্তু আমি কখনো কোনো মানুষকে গুলি করিনি। মানুষকে হত্যা করা মোটেও সহজ কিছু নয়।

    লিরিনা বলল, “ভয় নেই। এটি একজন ডিটিউন করা মানুষ।” আমি বুকে আটকে থাকা একটা নিঃশ্বাস বের করে অস্ত্রটা নিচে নামিয়ে আনি। ডিটিউন করা মানুষটি শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থেকে আমাদের পাশ দিয়ে হেঁটে গেল।

    আমরা আরো দুটি করিডোর পার হয়ে সামনে এগিয়ে যাবার সময় প্রথমবার আরেকজন সশস্ত্র প্রহরীর দেখা পেলাম। মানুষটি লিরিনাকে দেখে খানিকটা আশ্বস্ত হয়েছিল কিন্তু তার পেছনে টিশাকে আর আমাকে দেখে চমকে উঠল। কোনো কথা না বলে সে তার অস্ত্রটা আমাদের দিকে তাক করে ধরল, টিশা ফিসফিস করে বলল, “গুলি কর রিহি।”

    আমি কাঁপা গলায় বললাম, “আমি কখনো কোনো মানুষকে গুলি করিনি।”

    টিশা বলল, “কোনো ভয় নেই। তোমার অস্ত্রটি কোনো মানুষকে মেরে ফেলবে না। এটা ট্রাংকিউলাইজারে সেট করা। মানুষটি অচেতন হয়ে যাবে।”

    আমি আর দেরি না করে গার্ডটাকে গুলি করলাম, “ধুপ” করে একটা চাপা শব্দ হলো আর সাথে সাথে মানুষটা একটু কেঁপে উঠে একটা আর্ত শব্দ করল। এক ধরনের বিস্ফারিত চোখে আমাদের দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর ঘুরে গিয়ে হাঁটু ভেঙে নিচে পড়ে গেল।

    টিশা ছুটে গিয়ে গার্ডের গলায় ঝোলানো ব্যাজটা খুলে নিয়ে তার অস্ত্রটা হাতে নিয়ে বলল, “চমৎকার! এখন আমাদের দুটি অস্ত্র! আরো একজন গার্ডের সাথে দেখা হলে আমাদের তিনটি অস্ত্র হয়ে যাবে, আমরা তখন পুরোপুরি সশস্ত্র একটা দল হয়ে যাব।”

    আমি বললাম, গার্ডটাকে লুকিয়ে ফেলা দরকার। টিশা বলল, “কোথায় লুকাবে?”

    লিরিনা বলল, “কাছেই একটা ইউটিলিটি ঘর আছে, আমরা সেখানে লুকিয়ে ফেলতে পারি।”

    তখন আমরা ধরাধরি করে গার্ডটাকে ইউটিলিটি ঘরে লুকিয়ে ফেলে আবার তিনজন হাঁটতে শুরু করলাম। আমি টিশাকে জিজ্ঞেস করলাম, “আমার অস্ত্রটা যে ট্রাংকিউলাইজারে সেটা করা সেটা তুমি কখন দেখলে?”

    টিশা বলল, “আমি দেখিনি।”

    আমি অবাক হয়ে বললাম, “তাহলে?”

    “আমি অনুমান করেছিলাম, জীবিত মানুষ লিংলির কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ। লিংলি কখনোই কাউকে মেরে ফেলতে চাইবে না। তাই ধরে নিয়েছিলাম অস্ত্রটা নিশ্চয়ই ট্রাংকিউলাইজারে সেটা করা থাকবে।”

    “যদি না থাকত?”

    “তাহলে একটু আগে তুমি জীবনে প্রথম একটা মানুষ খুন করতে। বিপদের সময় অনেক কিছু করতে হয়।”

    আমি কোনো কথা বললাম না। টিশা খুবই বিচিত্র মেয়ে, তাকে বোঝা খুব কঠিন।

    লিরিনা আমাদেরকে নিয়ে হেঁটে হেঁটে একটা খাড়া দেয়ালের সামনে হাজির হলো। আমাদের দিকে তাকিয়ে বলল, “এটা ক্রেনিপিউটার।”

    আমি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম, “এটা?”

    “হ্যাঁ।”

    “কিন্তু এখানে ঢুকব কেমন করে?”

    লিরিনা বলল, “জানি না।”

    টিশা খুব মনোযোগ দিয়ে দেয়ালটি লক্ষ করে, সেটার উপরে হাত বুলায় কিন্তু ভেতরে ঢোকার মতো কিছু খুঁজে পায় না। তখন একটু আগে গার্ডের গলায় ঝোলানো যে ব্যাজটি টিশা খুলে এনেছে সেটা দেয়ালের উপর রেখে ডানে বামে নাড়তে থাকে এবং হঠাৎ করে ঘরঘর শব্দ করে দেয়ালটি সরে গিয়ে ভেতরে ছোট একটি ঘর বের হয়ে আসে। টিশার মুখে হাসি ফুটে উঠল, বলল, “চমকার।”

    ছোট ঘরটিতে ঢোকার পর দরজাটা নিজে থেকে বন্ধ হয়ে গেল–সেটি একদিক থেকে ভালো, হঠাৎ করে কেউ চলে এলে আমাদের দেখতে পাবে না।

    সামনে নানা ধরনের যন্ত্রপাতি, দূর থেকে আমাদের কেউ দেখছে কি না বুঝতে পারছিলাম না। দেখতে পেলেও কিছু করার নেই। আমাদের কাছে এমন দুটি স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র, দরকার হলে ছোটখাটো যুদ্ধ করা যাবে।

    টিশা লিরিনাকে সামনের দরজাটা দেখিয়ে বলল, “লিরিনা, তোমাকে এই দরজাটা খুলে দিতে হবে।”

    লিরিনা একটু ইতস্তত করে বলল, “কীভাবে?”

    “দরজার প্যানেলে পাসওয়ার্ডটি ঢোকাতে হবে।”

    লিরিনা দুর্বলভাবে হেসে বলল, “পাসওয়ার্ডটি আমাকে বের করতে হবে?”

    টিশা মাথা নেড়ে তার পকেট থেকে একটা ক্রেনি-টিউব বের করে তার কোডটি পড়ে নিশ্চিত হয়ে বলল, “তোমার ক্রেনিয়ালে এটা ঢোকানো হলে তুমি অসাধারণ একজন গণিতবিদ হয়ে যাবে। তখন হয়তো পাসওয়ার্ডটি বের করতে পারবে।”

    “যদি না পারি?”

    “তাহলে আমাদের অস্ত্র দিয়ে গুলি করে দরজা ভেঙে ফেলব। কিন্তু আগেই সেটা করতে চাই না। যত সম্ভব কম হৈ চৈ করে

    ক্রেনিপিউটারে ঢুকতে চাই।”

    লিরিনা বলল,”ঠিক আছে, বানাও আমাকে গণিতবিদ।”

    টিশা লিরিনার মাথায় সাবধানে ক্রেনি-টিউবটা ঢুকিয়ে দিল। লিরিনা কিছুক্ষণ চোখ বন্ধ করে রইল, তারপর মাথা ঝাঁকিয়ে চোখ খুলে তাকাল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, “সবকিছু ঠিক আছে?”

    লিরিনা বলল, “হ্যাঁ ঠিক আছে। কিন্তু বুঝতে পারছি মাথার ভেতর কিছু একটা হয়ে গেছে। সবকিছু কেমন যেন ধোঁয়ার মতো লাগছে। সংখ্যা ছাড়া আর কিছু দেখছি না।”

    টিশা লিরিনার হাত ধরে বলল, “আমরা মোটেও তোমাকে এই অবস্থায় বেশিক্ষণ রাখব না। তুমি একটু চেষ্টা করে দেখো পাসওয়ার্ডটি ডিকোড করতে পার কি না–যদি না পার ক্ষতি নেই, এক্ষুনি আবার তোমার মাথায় নিউট্রাল টিউব দিয়ে তোমাকে ঠিক করে দেব।”

    লিরিনা কোনো কথা বলল না, ভুরু কুঁচকে দরজার প্যানেলের দিকে তাকিয়ে রইল। তার চোখে-মুখে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমে ওঠে এবং মুখটি কেমন যেন লালচে হয়ে আসতে থাকে। সে দুই হাত দিয়ে তার মাথার চুলে হাত ঢুকিয়ে চুলগুলো এলোমেলো করতে থাকে এবং তাকে দেখে আমাদের কেমন যেন ভয় করতে থাকে।

    টিশা বলল, “লিরিনা, তোমার কী কষ্ট হচ্ছে? তাহলে থাকুক আমরা গুলি করে দরজা ভেঙে ফেলি।”

    লিরিনা বলল, “না, আগে একটু চেষ্টা করে দেখি।”

    লিরিনা দরজার সামনে গিয়ে হাঁটু ভেঙে বসে পড়ল। সে কিছুক্ষণ সংখ্যার প্যানেলটির দিকে তাকিয়ে থাকে, তারপর সেটার উপর আলতো করে হাত বুলালো। তারপর হঠাৎ প্রায় ঝড়ের বেগে কিছু সংখ্যা প্রবেশ করিয়ে আবার কিবোর্ডের দিকে তাকিয়ে রইল, হাত দিয়ে স্পর্শ করল এবং চোখ বন্ধ করে ফেলল। এরপর চোখ বন্ধ অবস্থাতেই সে প্যানেলের কিবোর্ডে খুব দ্রুত কিছু সংখ্যা প্রবেশ করায়, কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তারপর আবার কিবোর্ডে সংখ্যা প্রবেশ করায়। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে, আবার দ্রুত কিছু সংখ্যা প্রবেশ করিয়ে ভারী দরজার মাঝে কান লাগিয়ে কিছু শোনার চেষ্টা করে।

    টিশা বলল, “তুমি কী করছ লিরিনা? যদি সমস্যা হয় বলো, গুলি করে দরজা ভেঙে ফেলি।”

    লিরিনা কথা শুনতে পেল কি না বুঝতে পারলাম না। সে কিছুক্ষণ দরজাটার দিকে তাকিয়ে খুব সাবধানে একটা একটা করে সংখ্যা প্রবেশ করাতে থাকে এবং কী আশ্চর্য হঠাৎ করে দরজাটা খুলে যায়। সাথে সাথে লিরিনাও মেঝেতে গড়িয়ে পড়ে গেল।

    আমি আর টিশা ছুটে গিয়ে লিরিনাকে ধরলাম, টিশা আতঙ্কিত হয়ে ডাকল, “লিরিনা! লিরিনা!”

    লিরিনা চোখ খুলে তাকাল, ফিসফিস করে বলল, “আমাকে একটু বিশ্রাম নিতে দাও।”

    আমরা ভয় পাচ্ছিলাম দরজাটা না আবার বন্ধ হয়ে যায়। দরজাটা বন্ধ হলো না এবং লিরিনা কয়েক সেকেন্ড পর উঠে বসে বলল, “চলো, যাই।”

    টিশা বলল, “তোমার ক্রেনিয়ালে নিউট্রাল টিউব দিয়ে তোমাকে ঠিক করে দিই?”

    লিরিনা বলল, “আগে ভেতরে ঢুকে যাই, তারপর।”

    আমরা ভেতরে ঢুকে গেলাম এবং তিনজন একসাথে আর্তনাদ করে উঠলাম।

    .

    ভেতরে বিশাল একটা হলঘর এবং সেখানে অসংখ্য মানুষের নগ্ন দেহ ছাদ থেকে ঝুলছে। সূক্ষ্ম এক ধরনের তার দিয়ে শরীরটাগুলো ঝোলানো হয়েছে, দেখে মনে হয় বুঝি মানুষগুলো শূন্যে ঝুলছে। মানুষগুলোর মাথার পেছন থেকে ইলেকট্রিক ক্যাবল বের হয়ে এসেছে। তাদের নাকের ভেতরে এক ধরনের নল। মুখের ভেতরে আরেকটি নল এবং শরীরের ভেতরে নানা জায়গায় ছোট-বড় নল লাগানো। কোনো কোনো নলের ভেতর দিয়ে শরীরের ভেতর এক ধরনের তরল পদার্থ ঢুকে যাচ্ছে। কোনো কোনো নলের ভেতর দিয়ে তাদের শরীর থেকে কিছু একটা বের করে নেওয়া হচ্ছে। হলঘরে যন্ত্রের এক ধরনের চাপা গুঞ্জন এবং সবচেয়ে যেটি ভয়ংকর সেটি হচ্ছে তীব্র এক ধরনের অপরিচিত অস্বস্তিকর গন্ধ।

    আমরা হতবাক হয়ে তাকিয়ে রইলাম, মনে হতে লাগল বুঝি ভুল করে নরকের ভেতর এসে ঢুকে পড়েছি। ছাদ থেকে তার দিয়ে ঝোলানো মানুষগুলোর মুখে যন্ত্রণার এক ধরনের অভিব্যক্তি। তাদের চোখ বন্ধ, কিন্তু মাঝে মাঝেই তাদের চোখ খুলে যাচ্ছিল কিন্তু সেই চোখে তারা কিছু দেখছিল বলে মনে হয় না। হঠাৎ হঠাৎ তাদের সারা শরীর ঝাঁকুনি দিয়ে উঠছিল এবং মাঝে মাঝে তাদের গলা দিয়ে ঘর ঘর করে এক ধরনের শব্দ বের হচ্ছিল। যতদূর চোখ যায় ততদূর পর্যন্ত মানুষের দেহ। নারী-পুরুষ এবং কিশোর-কিশোরী। তাদের শরীরে একধরনের অপুষ্টির চিহ্ন, গায়ের রং বিবর্ণ। কারো মাথায় কোনো চুল নেই।

    আমি অনেক কষ্ট করে নিজেকে শান্ত রাখলাম। তারপর টিশার দিকে তাকিয়ে বললাম “টিশা।”

    “বলো রিহি।”

    “আমরা এখন কী করব?”

    “মানুষগুলোর বাই-ক্রেনিয়াল থেকে ক্যাবলগুলো খুলে নিতে হবে।”

    “এতগুলো মানুষ, একটা একটা করে খুলতে অনেক সময় নেবে। তা ছাড়া—”

    “তা ছাড়া কী?”

    আমি বললাম, “বাই-ক্রেনিয়ালগুলো অন্যরকম, মনে হয় মস্তিষ্কের ভেতর পাকাপাকিভাবে কানেকশন দেওয়া-টান দিয়ে মনে হয় না খোলা যাবে।”

    টিশা কাছাকাছি ঝুলে থাকা একজন মানুষকে ভালো করে পরীক্ষা করে বলল, “তুমি ঠিকই বলেছ। এখানে কানেকশন পাকাপাকিভাবে দেওয়া।”

    “তাহলে কী করব?”

    “মনে হয় ইলেকট্রিক কানেকশনটা খুঁজে বের করে সেটা নষ্ট করতে হবে।”

    আমি বিশাল হলঘরটার দিকে তাকালাম, অসংখ্য মানুষের মাথা থেকে বাই-ক্রেনিয়াল কানেকশন দিয়ে ইলেকট্রিক তারগুলো বের হয়ে এসেছে, কোনটা কোনদিকে গিয়েছে বোঝার উপায় নেই। এখান থেকে কানেকশন বের করা প্রায় অসম্ভব একটি ব্যাপার। আমি তারপরও চেষ্টা করতে থাকি। ঝুলিয়ে রাখা মানুষগুলোর মাথা থেকে বের হওয়া ইলেকট্রিক ক্যাবলগুলো কোনদিকে গিয়েছে খুঁজে বের করে সেটাকে লক্ষ করে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলাম।

    তখন লিরিনা আমাকে থামাল, বলল, “রিহি।”

    “বলো লিরিনা।”

    “তোমরা আমাকে দুই মিনিট সময় দাও, আমি এই নেটওয়ার্কের সেন্ট্রাল নোডটা বের করে দিই।”

    “তুমি পারবে?”

    “অন্য সময় হলে পারতাম না। এখন মনে হয় পারব।”

    লিরিনা মানুষগুলোর ভেতর দিয়ে হাঁটতে থাকে, তারগুলো লক্ষ করে, মনে মনে কিছু হিসাব করে তারপর হেঁটে হেঁটে মাঝামাঝি একটা জায়গায় থেমে গিয়ে আমাদের ডাকল। বলল, “টিশা আর রিহি। এদিকে এসো।”

    আমরা ঝুলন্ত মানুষগুলোর ফাঁক দিয়ে হেঁটে লিরিনার কাছে গেলাম। লিরিনা হাত দিয়ে দেয়ালের একটা চতুষ্কোণ বাক্স দেখিয়ে বলল, “এই যে এখানে সবগুলো তার এসেছে। এটা হচ্ছে সেন্ট্রাল নোড।”

    টিশা বলল, “তার মানে এখান থেকে সবার মস্তিষ্কে সিগন্যাল পাঠানো হয়, আবার সবার মস্তিষ্ক থেকে সিগন্যাল নিয়ে এখানে জমা করা হয়? প্রক্রিয়া করা হয়?”

    “হ্যাঁ।”

    “তার মানে এটা ধ্বংস করলে পুরো ক্রেনিপিউটার ধ্বংস হয়ে যাবে?”

    “হ্যা! মানুষগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে ক্রেনিপিউটার ধ্বংস করার এটাই সবচেয়ে সহজ উপায়।”

    টিশা এবারে কোনো কথা না বলে হাতের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রটা তুলে ধরে দেয়ালের চৌকোনা বাক্সটা লক্ষ করে গুলি করতে শুরু করে। প্রথম গুলিতেই সেটা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল কিন্তু টিশা থামল না, হিংস্র মুখে সেটাকে গুলি করতে থাকল এবং গুলির ভয়ংকর শব্দ প্রতিধ্বনিত হয়ে হলঘরে ফিরে আসতে থাকল।

    আমি টিশার ঘাড়ে হাত রেখে বললাম, “টিশা, থামো। এটা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। আর কেউ এটাকে ঠিক করতে পারবে না।”

    টিশা থামল, আমার দিকে তাকাল, তারপর বলল, “এখন আমার মরে গেলেও দুঃখ নেই।”

    আমি বললাম, “না টিশা। এখন মরে যেতে পারবে না। এই মানুষগুলোকে বাঁচাতে হবে। লিংলিকে ধরিয়ে দিতে হবে। তারপর বলতে পার, মরে গেল দুঃখ নেই। এর আগে মরে গেলে অনেক দুঃখ থাকবে।”

    কে যেন গমগমে গলায় বলল, “তোমাদের সেই দুঃখ নিয়েই মারা যেতে হবে।”

    আমরা চমকে উঠলাম, মাথা ঘুরিয়ে সামনে তাকিয়ে দেখি বিজ্ঞানী লিংলি, তার হাতে একটা বেঢপ অস্ত্র। আমাদের দিকে তাকিয়ে অবিশ্বাসের ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে বলল, “আমি এখনো বিশ্বাস করতে পারছি না তোমরা আমার এত বড় ক্ষতি করতে পেরেছ। পুরো শহরটা এই ক্রেনিপিউটার নিয়ন্ত্রণ করত–এখন পুরো শহরটা নিয়ন্ত্রণহীন। তোমাদের জন্য।” হিংস্র গলায় চিৎকার করে বলল, “শুধু তোমাদের জন্য।”

    আমি হাতের অস্ত্রটা সোজাসুজি লিংলির দিকে তাক করে বললাম, “আমি কখনো কোনো মানুষ খুন করিনি। সব সময়েই মনে হতো কাজটা খুব কঠিন। কিন্তু বিজ্ঞানী লিংলি–কিংবা দানব লিংলি, তোমাকে খুন করার জন্য গুলি করতে আমার হাত এতটুকু কাঁপবে না।”

    লিংলি বলল, “তাতে কিছু আসে যায় না নির্বোধ ছেলে। তোমাদের অস্ত্র থেকে এখন কোনো গুলি বের হবে না, আমি এইমাত্র সেইগুলো অকেজো করে দিয়েছি। বিশ্বাস না করলে আমাকে গুলি করার চেষ্টা করে দেখ।”

    আমি চেষ্টা করলাম, খট করে একটা শব্দ হলো কিন্তু আর কিছু হলো না। বিজ্ঞানী লিংলি এক পা পিছিয়ে বলল, “এই ছেলে আর মেয়ে, তোমরা আমার মানুষগুলোর সামনে থেকে সরে এসো। আমি যখন গুলি করব তখন মানুষগুলোর কোনো ক্ষতি করতে চাই না। আমাকে আবার ক্রেনিপিউটার দাঁড় করাতে হবে। মানুষগুলো আমার দরকার।”

    আমি আর টিশা যেখানে ছিলাম সেখানেই দাঁড়িয়ে রইলাম। লিংলি বলল, “ঠিক আছে। তাহলে যেখানেই আছ সেখানেই থাকো, আমি ট্রাংকিউলাইজার দিয়ে গুলি করি। যখন তোমাদের জ্ঞান হবে তখন দেখবে, আমার ক্রেনিপিউটারের মানুষগুলোর পাশে তোমরা দুজনও কার্বন ফাইবারের তার দিয়ে ছাদ থেকে ঝুলছ।”

    লিংলির মুখে একটা বিচিত্র হাসি ফুটে ওঠে এবং সে তার মুখের ভয়ংকর হাসিটি ধরে রেখে ট্রিগারে হাত দিল। আমি আর টিশা স্থির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রইলাম। বিজ্ঞানী লিংলি দেখতে পাচ্ছে না কিন্তু আমরা দেখছি খোলা দরজা দিয়ে আমাদের সাথে থাকা মানুষগুলো নিঃশব্দে ঢুকছে। সবার সামনে থাকা মাঝবয়সী মানুষটির হাতে একটা ধাতব দণ্ড, সে পেছন থেকে লিংলির মাথায় আঘাত করার জন্য দণ্ডটি মাথার উপরে তুলেছে।

    লিংলি আগে গুলি করেছে নাকি মানুষটি লিংলির মাথায় আগে আঘাত করেছে আমরা জানি না, কিন্তু গুলির শব্দের সাথে সাথে দেখতে পেলাম লিংলি হাঁটু ভেঙে নিচে পড়ে গেল। গুলিটা আমাদের গায়ে লাগল না। ছাদের কোথাও আঘাত করে কিছু প্যানেল ভেঙ্গে নিচে এসে পড়ল। ধাতব দণ্ড হাতে মানুষটি কিছুক্ষণ লিংলির অচেতন দেহের দিকে তাকিয়ে থাকল তারপর টিশার দিকে তাকিয়ে বলল, “মেয়ে, তোমার নামটি ভুলে গেছি।”

    “টিশা।”

    “টিশা, তুমি যখন বলেছিলে আমাদের সবাইকে মুক্ত করবে তখন আমি তোমার কথা বিশ্বাস করিনি। তোমাকে আমি যথেষ্ট গুরুত্ব দিইনি, তুমি কিছু মনে করো না। আমাকে মাফ করে দিয়ো।”

    টিশা কোনো কথা বলল না। মানুষটি বলল, “টিশা, মা, তোমার মতো আমার একটি মেয়ে ছিল।”

    টিশা জিজ্ঞেস করল, “সে কোথায়?”

    “জানি না, একদিন হারিয়ে গেল।”

    লিরিনা পাশে দাঁড়িয়ে ছিল সে একটু এগিয়ে এসে বলল, “তোমার মেয়ে হারিয়ে যায়নি।”

    মানুষটি চমকে উঠল, বলল, “সে কোথায়?”

    লিরিনা বলল, “সে এখানেই আছে। সবার হারিয়ে যাওয়া ছেলে আর মেয়ে এখানে আছে।”

    মানুষটি কাঁপা কাঁপা গলায় বলল, “তুমি কেমন করে জান?”

    লিরিনা বলল, “আমি জানি। আমি এখানে কাজ করেছি। আমাকে ডিটিউন করার আগে আমি লিংলির সহকারী ছিলাম।”

    আমরা হঠাৎ করে বাইরে অনেক মানুষের কোলাহল শুনতে পেলাম। ক্রেনিপিউটার ধ্বংস হবার পর মানুষ হঠাৎ করে কিছু একটা বুঝতে পেরেছে। তারা সবাই আসছে।

    আমি টিশার দিকে তাকালাম, টিশা আমার দিকে তাকাল, ফিসফিস করে বলল, “আমাদের কাজ শেষ।”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম, “হ্যাঁ টিশা। আমাদের কাজ শেষ।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }