Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. তিতুনি কী করবে

    তিতুনি কী করবে সেটা নিয়ে এক মুহূর্ত চিন্তা করল, তারপর হাত বাড়িয়ে এলিয়েন তিতুনিকে খপ করে ধরে ভেতরে টেনে আনল। সে যে ফ্রকটা পরে আছে এলিয়েন তিতুনিও একই ফ্রক পরে আছে, কাজেই দুইজন বদলাবদলি করলে কেউ ধরতে পারবে না।

    তিতুনি এলিয়েন তিতুনির কানের কাছে মুখ নিয়ে ফিসফিস করে বলল, “তুমি ঘরের ভেতরে লুকিয়ে থাকো। বের হয়ো না।”

    এলিয়েন তিতুনি মাথা নেড়ে রাজি হয়ে গেল, যেন এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। সব বাসাতেই যেন দুইটি করে তিতুনি থাকে, একজন বাইরে কথাবার্তা বলে আরেকজন ঘরের ভেতরে লুকিয়ে থাকে।

    ঘর থেকে বের হয়ে তিতুনি টোটনের কাছে গেল, টোটন হচড় পাঁচড় করে কোনোভাবে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছে। তিতুনি তাকে টেনে তোলার চেষ্টা করতে করতে জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে? ভাইয়া তোমার কী হয়েছে?”

    টোটন তিতুনিকে দেখে কেমন যেন ভয় পেয়ে ঝটকা মেরে তিতুনির হাতটা সরিয়ে একটা লাফ দিয়ে সরে গেল, তোতলাতে তোতলাতে বলল, “তু-তু-তু-তুই! তু-তু-তুই?”

    “আমি?” তিতুনি কিছুই বুঝতে পারে নাই সে রকম ভান করে বলল, “আমি কী?”

    ততক্ষণে আব্বু আর আম্মুও ছুটে চলে এসেছেন।

    ভয় পাওয়া গলায় জিজ্ঞেস করলেন, “কী হয়েছে?”

    তিতুনি বলল, “জানি না।”

    টোটন তিতুনির দিকে আঙুল তুলে বলল, “তি-তি-তি…” কিন্তু কথাটা শেষ করল না, সে যে তিতুনি বলার চেষ্টা করছে সেটা বুঝতে অবশ্যি কারো সমস্যা হলো না।

    আম্মু জিজ্ঞেস করলেন, “কী হয়েছে তিতুনির?”

    টোটন এবার খানিকটা সামলে নিয়েছে। তিতুনিকে দেখে সে কেমন জানি ভয় পেয়ে গেল, একটু সরে গিয়ে বলল, “দু-দুইটা তিতুনি।”

    কথাটার অর্থ তিনি ছাড়া আর কেউ বুঝতে পারল না। তিতুনি অবশ্য তার আব্বু আর আম্মুর মতো ভান করল সেও টোটনের কথাটার মাথামুণ্ডু কিছুই বুঝতে পারছে না। বলল, “দুইটা আমি?”

    “হ্যাঁ”, টোটন বলল, “তুই দুইটা।”

    আব্বু ভুরু কুঁচকে জিজ্ঞেস করলেন, “তিতুনি দুইটা? তার মানে কী?”

    টোটন বলল, “একটা তিতুনি ঘরের ভেতরে। আরেকটা বাইরে।”

    আব্বু আর আম্মু একজন আরেকজনের দিকে তাকালেন, তারপর তিতুনির দিকে তাকালেন, তিতুনি কাঁধ ঝাঁকিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করল সে কিছুই বুঝতে পারছে না। আম্মু টোটনের দিকে তাকিয়ে বললেন, “একজন মানুষ দুইটা কেমন করে হয়?”

    টোটন বলল, “আমি দেখেছি। দুইটা তিতুনি।”

    আম্মু বললেন, “কোথায় দেখেছিস?”

    টোটন তিতুনির ঘরের দিকে দেখিয়ে বলল, “ঘরের ভেতরে।”

    তিতুনি এইবারে হাসার ভঙ্গি করল, তারপর বলল, “ভাইয়ার মাথা খারাপ হয়ে গেছে।”

    টোটন গর্জন করে বলল, “মাথা খারাপ হয় নাই। আমি স্পষ্ট দেখেছি।”

    “তাহলে ভাইয়া গাঞ্জা খেয়ে এসেছে।”

    টোটন আরো জোরে গর্জন করে উঠল, বলল, “আমি গাঞ্জা খাই নাই।”

    “তাহলে ইয়াবা।”

    টোটন এবারে কোনো কথা বলল না, শুধু হিংস্র চোখে তিতুনির দিকে তাকাল। তার চোখ থেকে আগুন বের হতে থাকল।

    আব্বু চিন্তিত মুখে বললেন, “কী হয়েছে বোঝা দরকার। টোটন বাবা তুমি পরিষ্কার করে বলো দেখি তুমি কী দেখেছ।”

    টোটন বলল, “আমি দেখেছি দুইটা তিতুনি। একটা ঘরের ভেতরে আরেকটা বাইরে।”

    “দুইটা তিতুনি মানে কী?”

    টোটন কেমন জানি অধৈর্য হয়ে বলল, “দুইটা মানে দুইটা। এক দুই। ওয়ান টু।”

    আব্বু বললেন, “একজন মানুষ দুইটা হয় কেমন করে?”

    টোটন যুক্তি-তর্কের দিকে গেল না, বলল, “হয়েছে। আমি দেখেছি।”

    তিতুনি বলল, “হয় নাই। তুমি তবু দেখেছ। তুমি তো আমাকে একেবারে সহ্য করতে পারো না তাই সব জায়গায় আমাকে দেখো। তোমার মনের ভুল।”

    আম্মু মাথা নাড়লেন, বললেন, “হ্যাঁ। মনের ভুল।”

    আব্বু বললেন, “কিংবা চোখের ভুল।”

    তিতুনি বলল, “মাথায় ঠাণ্ডা পানি ঢাললে মনে হয় ঠিক হয়ে যাবে।” আম্মুর দিকে তাকিয়ে বলল, “ঠাণ্ডা পানি আনব?”

    টোটন রেগে বলল, “না। তোর ঠাণ্ডা পানি আনতে হবে না।”

    তিতুনি বলল, “তাহলে লবণ পানি। লবণ পানি খেলে মাথা ঠাণ্ডা হয়।”

    টোটন দাঁত কিড়িমিড়ি করে বলল, “লাগবে না লবণ পানি।”

    তিতুনি মুখটা গম্ভীর করে বলল, “আম্মু। আমার মনে হয় ভাইয়াকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া উচিত।”

    আম্মু চিন্তিত মুখে মাথা নাড়লেন। আব্বু বললেন, “একটা ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিলেই হবে। সকালবেলা ঠিক হয়ে যাবে।”

    টোটন বলল, “আমার ঘুমের ওষুধ খেতে হবে না। আমার কিছু হয় নাই। আমি দেখেছি এই ঘরের ভেতরে আরেকটা তিতুনি আছে।”

    তিতুনি মুখ গম্ভীর করে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল, বলল, “ভাইয়া পাগল হয়ে যাচ্ছে।”

    আব্বু বললেন, “আমার কী মনে হচ্ছে জানো?” আম্মু আর তিতুনি একসাথে জিজ্ঞেস করল, “কী?”

    “টোটন যেহেতু একেবারে জোর দিয়ে বলছে ঘরের ভেতরে আরেকটা তিতুনি আছে আমাদের তিতুনির ঘরে গিয়ে টোটনকে দেখানো উচিত যে আসলে সেখানে কিছু নাই। তখন টোটন বিশ্বাস করবে।”

    তিতুনির মুখটা হাঁ হয়ে গেল। তোতলাতে তোতলাতে বলল, “আ-আ-আমার ঘরে?”

    “হ্যাঁ তোর ঘরের দরজাটা খোল দেখি।”

    তিতুনি আঁতকে উঠল, “দরজা খুলব?”

    “হ্যাঁ। টোটনকে দেখাই তোর ঘর ফাঁকা। আর কেউ নাই।” তিতুনি জানে তার ঘর মোটেও ফাঁকা নয়, তার ঘরে এলিয়েন তিতুনি বসে আছে। ঘরে ঢুকলেই তাকে পেয়ে যাবে। তখন কী ভয়ানক একটা কাণ্ড ঘটবে! বোঝা যাবে টোটনের কথাটাই সত্যি, আসলেই তিতুনি দুইজন। কোনটা খাঁটি কোনটা ভেজাল? কেমন করে কী বোঝাবে? যদি এলিয়েন তিতুনিকে খাঁটি মনে করে তাকে বিদায় করে দেয় তখন কী হবে? ভয়ে-আতঙ্কে তিতুনির হাত-পা কাঁপতে থাকে। সে দুর্বলভাবে তার আব্বকে থামানোর চেষ্টা করল, বলল, “আব্বু আমার ঘরে তোমাদের যাওয়া মনে হয় ঠিক হবে না।”

    আব্বু ভুরু কুঁচকে বললেন, “কেন?”

    “মানে ইয়ে তাহলে–”, তিতুনি কী বলবে বুঝতে পারছিল না, একটু ইতস্তত করে বলল, “তাহলে ভাইয়ার কথাকে বিশ্বাস করা হলো। ভাইয়াকে বোঝানো হলো উল্টাপাল্টা জিনিস বলা যায়-ভাইয়া আরো বেশি উল্টাপাল্টা জিনিস বলবে। কোনোদিন হয়তো বলবে—”

    “কী বলবে?”

    “বলবে আমি একটা এলিয়েন।”

    “এলিয়েন?” আবু চোখ কপালে তুলে বললেন, “এলিয়েন? তোকে এলিয়েন কেন বলবে?”

    আম্মু বললেন, “এত সব কথা না বলে টোটনকে নিয়ে তিতুনির বরে ঢুকে তাকে দেখাও, তাহলে টোটন শান্ত হবে।”

    টোটন কাঁপা গলায় বলল, “আমি ঢুকতে চাই না। আমার ভয় করে।”

    আব্বু অবাক হয়ে বললেন, “ভয় করে? কিসের ভয়?”

    টোটন কাঁদো কাঁদো হয়ে বলল, “জানি না।”

    আম্মু বললেন, “কোনো ভয় নাই। আয় আমার সাথে।”

    তারপর টোটনের হাত ধরে তিতুনির ঘরের দিকে এগিয়ে গেলেন। প্রথমে আম্মু, তারপর আব্ব, সবার শেষে টোটন। তিতুনি নিঃশ্বাস বন্ধ করে বাইরে দাঁড়িয়ে রইল, যেকোনো মুহূর্তে তার ঘরের ভেতর থেকে ভয়ংকর একটা চিৎকার শোনা যাবে। সবাই আতঙ্কে ঘর থেকে ছুটে বের হয়ে আসবে। তখন সে কী করবে?

    তিতুনি তার ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে একটা ভয়ংকর চিৎকারের জন্যে অপেক্ষা করতে থাকে। এক সেকেন্ড, দুই সেকেন্ড, তিন সেকেন্ড-কোনো চিৎকার নেই। দশ সেকেন্ড, বিশ সেকেন্ড, তিরিশ সেকেন্ড-তবু কোনো চিৎকার নেই, বরং খুবই নিরীহ কথা শোনা গেল। আব্বু বললেন, “দেখলি টোটন, এখানে কোনো তিতুনি নেই।”

    আম্মু বললেন, “কেমন করে থাকবে? এটা কি সম্ভব?”

    টোটন বিড়বিড় করে কিছু একটা বলল, তিতুনি সেই কথাটা ঠিক বুঝতে পারল না।

    আব্বু বললেন, “আর কত দেখবি? সব তো দেখা হলো।”

    আম্মু বললেন, “এখন বিশ্বাস হলো?”

    টোটন আবার বিড়বিড় করে কিছু একটা বলল। তিতুনি এই কথাটাও বুঝতে পারল না। কিন্তু এতক্ষণে তার ভেতরে সাহস ফিরে এসেছে, সে তখন তার ঘরে ঢুকল। ঘরের ভেতর টোটন তখন নিচু হয়ে তার খাটের তলাটা দেখছে। তিতুনি বলল, “ভাইয়া, পেয়েছ আরেকজন তিতুনি?”

    টোটন গরগর করে কিছু একটা বলল, যার অর্থ যা কিছু হতে পারে।

    তিতুনি সাবধানে চারিদিকে তাকাল, এলিয়েন তিতুনির কোনো চিহ্ন নেই। তিতুনির ভয় কেটে গেছে, সে এবার টোটনকে জ্বালাতে শুরু করল, বলল, “ভাইয়া আমার ব্যাক পেকের ভেতরে দেখতে চাও?”

    টোটন বলল, “চুপ কর। পাজি মেয়ে।”

    “বালিশের তলায় দেখেছ? ড্রয়ারের ভেতরে?” টোটন চোখ লাল করে ফেলল, “ফাজলেমি করবি না। খবরদার।”

    তিতুনি বলল, “কে ফাজলেমি করছে? আমি না তুমি? যদি বলো আমি ছাড়া আরো একজন তিতুনি আছে তাহলে সেটা ফাজলেমি হলো না?”

    আম্মু বললেন, “থাক থাক, অনেক হয়েছে।”

    আব্বু বললেন, “টোটন, যাও গিয়ে শুয়ে পড়ো।”

    টোটনকে খুবই বিমর্ষ দেখাল, বলল, “আমি স্পষ্ট দেখলাম।”

    আব্বু বললেন, “যত স্পষ্টই দেখো, এটা সত্যি হতে পারে না। এটা হয় চোখের ভুল না হয় মনের ভুল।”

    তিতুনি বলল, “কিংবা মগজের গোলমাল।”

    টোটন চোখ লাল করে তিতুনির দিকে তাকাল কিন্তু কিছু বলল না, সে এখন আসলেই মনে করতে শুরু করছে যে তার মগজে গোলমাল হতে শুরু করেছে।

    তার ঘর থেকে সবাই বের হয়ে যাবার পর তিতুনি দরজা বন্ধ করে ছিটকিনি লাগিয়ে একটা বড় নিঃশ্বাস ফেলে তার বিছানার উপরে বসে এদিক-সেদিক তাকাল। সামনের দরজাটা ছাড়া এই ঘর থেকে বের হওয়ার কোনো উপায় নেই, আবার মেয়েটা এই ঘরেও নেই। তাহলে মেয়েটা গেল কোথায়?

    ঠিক তখন শুনল ফিসফিস করে মেয়েটা তাকে ডাকছে, “তিতুনি! এই তিতুনি।

    তিতুনি চমকে উঠে এদিক-সেদিক তাকাল, মেয়েটাকে দেখা যাচ্ছে না, কোথা থেকে কথা বলছে?

    “এই যে। আমি এইখানে।”

    তিতুনি গলার স্বর লক্ষ্য করে উপরের দিকে তাকাল এবং উপরের দৃশ্যটি দেখে তার হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে গেল। মাথার ওপরে ফ্যানটা ফুল স্পিডে ঘুরছে, তার উপরে ফ্যানের রডটা ধরে গুটিশুটি মেরে মেয়েটি বসে আছে। কোনোভাবে যদি হাত ফসকে যায় তাহলে ফ্যানের ব্লেডের উপর পড়বে, তখন কী অবস্থা হবে সে চিন্তাও করতে পারে না।

    আব্বু-আম্মুকে নিয়ে টোটন এই ঘরের সব জায়গায় মেয়েটাকে খুঁজেছে, কিন্তু তাদের কারো মাথায় একবার উপরে তাকানোর কথা মনে হয়নি। কেন তাকাবে, একজন মানুষ যে ঘুরন্ত ফ্যানের রড ধরে ঝুলে থাকতে পারে, সেটা কি কেউ কখনো চিন্তা করতে পারে?

    মেয়েটা ফিসফিস করে বলল, “তিতুনি। ফ্যানটা একটু বন্ধ করো।”

    তিতুনি তখন দৌড়ে ফ্যান বন্ধ করল। ফ্যানের ব্লেডগুলো থেমে যাবার আগেই মেয়েটা রড থেকে ঝুলে মেঝেতে নেমে এলো। হাত দিয়ে শরীর পরিষ্কার করতে করতে তিতুনির দিকে এমনভাবে তাকাল

    যেন এটা খুবই একটা স্বাভাবিক ব্যাপার।

    তিতুনি হাঁ করে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে রইল, তারপর বলল, “তু-তুমি ওখানে উঠেছ কেমন করে?”

    তিতুনি যে রকম করে কাঁধ ঝাঁকায় মেয়েটা ঠিক সেভাবে কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, “চেষ্টা-মেস্টা করে।”

    “কী রকম চেষ্টা-মেস্টা?”

    “তুমি হলে যে রকম উঠতে আমি সে রকম করে উঠেছি।”

    “আমি মোটেও ফ্যানের উপরে উঠে বসে থাকতাম না।”

    মেয়েটা তিতুনির কথা মেনে নিয়ে একটা হাই তুলল। তিতুনি কেন জানি একটু রেগে ওঠে। রেগে উঠলে গলা উঁচিয়ে চিৎকার করে কথা বলতে হয় কিন্তু এখন ফিসফিস করে কথা বলতে হচ্ছে, তাই রাগটা পুরোপুরি বোঝানোনা গেল না। হাত-পা নেড়ে ফিসফিস করে বলল, “তোমাকে আমি একশ’বার বলেছি বাসায় আসবে না বাসায় আসবে না-তারপরেও তুমি বাসায় কেন চলে এসেছ?”

    “অনেকক্ষণ বাসায় কাউকে দেখি না, তাই কী রকম মন কেমন কেমন করছিল।”

    তিতুনি চোখ কপালে তুলে বলল, “কী বললে? বাসায় কাউকে দেখো না? তুমি কোথাকার একজন এলিয়েন আর আমার বাসার মানুষের জন্য তোমার মন কেমন কেমন করে?”

    এলিয়েন মেয়েটা মাথা নাড়ল। তিতুনি আরো রেগে বলল, “ঢং করো?”

    মেয়েটা না-সূচকভাবে মাথা নেড়ে বলল, “নাহ্। ঢং করি না। এখন তো আমি হচ্ছি তুমি। সারাদিন বন-জঙ্গল, মাঠঘাট, নদীর পাড়ে ঘুরে বেড়ালে তোমার বাসার মানুষের জন্যে মন খারাপ করত না?”

    তিতুনি অস্বীকার করতে পারল না যে তারও মন খারাপ হতো কিন্তু তারপরও বিষয়টা মেনে নেওয়া তার জন্যে সহজ হলো না।

    তিতুনির মতো মেয়েটা মুখ কাঁচুমাচু করে বলল, “তা ছাড়া আরো একটা ব্যাপার আছে।”

    তিতুনি জিজ্ঞেস করল, “কী ব্যাপার?”

    “অন্ধকার হবার পর কেমন জানি ভয় ভয় করতে লাগল।”

    “ভয়?”

    তিতুনি অবাক হয়ে বলল, “কীসের ভয়?”

    মেয়েটা একেবারে সরল মুখে বলল, “ভূতের।”

    তিতুনি আরেকটু হলে একটা চিৎকার করে উঠছিল, অনেক কষ্ট করে নিজেকে সামলে ফিসফিস করে বলল, “তুমি ভূতকে ভয় পাও?”

    মেয়েটা বলল, “তুমি ভয় পাও দেখেই তো আমি ভয় পাই। আমি হচ্ছি তুমি।”

    তিতুনি কী বলবে বুঝতে পারল না। খানিকক্ষণ হতাশভাবে মাথা নেড়ে বলল, “দেখো মেয়ে, তোমার জন্যে আমার কিন্তু অনেক বড় বিপদ হতে পারে।”

    “কী বিপদ?”

    “যদি কোনোভাবে কেউ তোমার কথা জেনে যায়, তাহলে তোমাকে ধরে নিয়ে যাবেই। তোমার জায়গায় আমাকে ধরে নিয়ে যাবার চান্স ফিফটি ফিফটি। যদি আমাকে ধরে নিয়ে যায় তখন কী হবে?”

    মেয়েটা মাথা চুলকে বলল, “কেটেকুটে দেখবে। মনে হয় ইলেকট্রিক শক দিবে। ব্রেনটা খুলে খুলে দেখবে।”

    “তাহলে?”

    মেয়েটাকে কিছুক্ষণ চিন্তিত দেখায়, তারপর হঠাৎ চিন্তাটাকে ঝেড়ে ফেলে দিয়ে হাসি হাসি মুখে বলল, “যেটা হয় নাই সেটা নিয়ে চিন্তা করে কী হবে? যখন হবে তখন দেখা যাবে।”

    তিতুনি অবশ্যি এত সহজে ছেড়ে দিল না, ফিসফিস করে বলল, “তোমার কাজটা ঠিক হয় নাই।”

    “কোন কাজটা?”

    “এই যে আমার মতো চেহারা করেছ। অন্য রকম চেহারা করলে কী হতো?”

    মেয়েটা অপরাধীর মতো মুখ করে বলল, “তোমাকে প্রথম দেখলাম, পছন্দ হলো

    তিতুনি হাত নেড়ে বলল, “পছন্দের খেতা পুড়ি।”

    কিছুক্ষণ দুইজনেই চুপ করে থাকে। মেয়েটা একসময় বলল, “যখন সকাল হবে তখন আমি না হয় চলে যাব।”

    “কোথায়?”

    “এই তো এদিক-সেদিক। এসেছি যখন পৃথিবীটা একটু ঘুরে দেখি।”

    তিতুনি মাথা নাড়ল, বলল, “সকাল পর্যন্ত অপেক্ষা করার দরকার কী? এখনই যাও। আমার ঝামেলা মিটে যায়।”

    মেয়েটা জানালা দিয়ে বাইরের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে বলল, “না বাবা। ভয় করে।”

    “সকালবেলা কেমন করে যাবে? যদি আম্মু না হয় আবু দেখে ফেলে তখন কী হবে?”

    “দেখবে না। খুব সকালে কেউ ঘুম থেকে ওঠার আগে চলে যাব।” তিতুনি বলল, “মনে থাকে যেন।”

    “মনে থাকবে।”

    তিতুনি একটু ইতস্তত করে বলল, “দেখো তুমি মনে কোরো না যেন আমি তোমাকে বাসা থেকে বের করে দিচ্ছি।”

    মেয়েটা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “দিচ্ছই তো।”

    “না।” তিতুনি মাথা নাড়ল, বলল, “তুমি একজন এলিয়েন মানুষ, তুমি কত কী করতে পারো। আমি তো আর কিছু করতে পারি না। তোমার মতন দেখতে বলে যদি আমাকে ধরে নিয়ে যায় শুধু সেই জন্যে-বুঝেছ?”

    এলিয়েন মেয়েটা মাথা নাড়ল, বলল, “বুঝেছি।”

    তিতুনি গলার স্বরটা একটু নরম করে বলল, “তুমি আমার উপরে রাগ হওনি তো?”

    “নাহ্। নিজের উপর নিজে রাগ হবে কেমন করে? তুমি আর আমি তো একই।” বলে মেয়েটা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল। আর সেটা দেখে তিতুনির একটু মন খারাপ হলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }