Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. বাসার চিলেকোঠায়

    আমার মনে আছে আমাদের বাসার চিলেকোঠায় মিঠুন কতো সহজে ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা থেকে লকলকে জিবের মতোন প্লাজমা বের করে ফেলেছিল, তাই আমি ভেবেছিলাম সে বুঝি খুব সহজেই বিজ্ঞান মেলায় সেটা করতে পারবে। কিন্তু বেশ অবাক হলাম যখন দেখলাম তার প্রজেক্টটা দাড় করাতে অনেক সময় লাগল। আগের রাত একেবারে বারোটা পর্যন্ত কাজ করতে হলো। পরের দিন সকালেও তার কাজ করতে হল, শেষ পর্যন্ত যখন বিজ্ঞান মেলায় সেটা দেখার জন্যে রেডি হল আমি সেটা দেখে অবাক হয়ে গেলাম। এর ভেতরে পুরান টিভির যন্ত্রপাতি, কম্পিউটারের ড্রাইভের চুম্বক, প্রিন্টারের রোলার, এলার্ম ক্লাকের মোটর–এক কথায় এমন কোনো যন্ত্র নেই যেটা সেখানে নেই। আমি অবাক হয়ে বললাম, “আরে! এটা কী তৈরী করেছিস? এতো যন্ত্রপাতি কেন?” মিঠুন গলা নামিয়ে বলল, “এইখানে যা আছে তার বেশিরভাগ ভূয়া।”

    “ভূয়া?”

    “হ্যাঁ। এইগুলো লাগিয়ে দিয়েছি যেন কেউ আসল ব্যাপারটা বুঝতে পারে।”

    “আসল ব্যাপার?”

    “হ্যাঁ, আমি সবাইকে বোঝাব খুব হাই ভোল্টেজ দিয়ে পাজমা তৈরী হয়।”

    আমি মাথা নাড়লাম, বললাম “বুঝতে পারলাম। তুই কাউকেই আসল জিনিসটা বলতে চাস না?”

    “না! আসল জিনিসটা জানলে কেলেঙ্কারী হয়ে যাবে!”

    সকালবেলা মিঠুনের জটিল যন্ত্র নিয়ে আমরা বিজ্ঞান মেলায় হাজির হলাম। টেবিলের উপর রেখে একবার সেটা পরীক্ষা করে দেখা হল। সুইচ টেপা মাত্রই এটা তো শব্দ করতে লাগল। মিঠুন সাবধানে নবটা ঘুরিয়ে ব্ল্যাকহোলের বাচ্চার দুই পাশে ভোল্টেজটা বাড়ানো মাত্রই হঠাৎ ছোট বিস্ফোরণের মতো একটা শব্দ হলো আর শিশিটার ছোট মুখ থেকে একটা আগুনের তৈরী সাপের মতো বিশাল একটা শিখা হিস হিস করে বের হয়ে এল। আবছা নীল রংয়ের এই সাপটা দুলতে থাকে। দুলতে দুলতে জীবন্ত প্রাণীর মতো পাজমার তৈরী এই সাপটা ছাদটাকে আঘাত করতে থাকে। ছাদ থেকে পোড়া প্যালেস্তারা ঝুরঝুর করে নিচে পড়তে থাকে আর পুরো টেবিলটা থর থর করে কাঁপতে থাকে। প্লাজমাটার একটা আশ্চর্য শব্দ হয় আর সাথে সাথে সারাঘর বিচিত্র একটা ঝাঁঝালো গন্ধে ভরে গেল। সবকিছু ঠিক ঠিক কাজ করছে দেখার পর মিঠুন তার নবটা ঘুরিয়ে ভোল্টেজ কমিয়ে আনতেই প্লাজমার জ্বলন্ত শিখাটা সাথে সাথে সর সর করে শিশির ভেতরে ঢুকে গেল।

    এই বিচিত্র ব্যাপারটা দেখার জন্যে মুহূর্তের মাঝে চারপাশে ভীড় জমে গেল। লোকজন ছেলে-পিলে অবাক হয়ে বলল, “কী এটা কী?”

    মিঠুন বলল, “হাইপ্রেশার প্লাজমা জেনারেটর।”

    তার অর্থ কী কেউ বুঝতে পারল না কিন্তু সেটা নিয়ে মাথা ঘামাল,বলল, “দেখাও। আবার দেখাও।”

    মিঠুন একটু ইতস্তত করল,বলল, “সবাইকে তাহলে দূরে সরে যেতে হবে। এটা অনেক পাওয়ারফুল–হঠাৎ করে কারো গায়ে লেগে গেলে বিপদ হবে।”

    আমরা কয়েকজন মিলে সবাইকে ঠেলে একটু দূরে সরিয়ে দিলাম। মিঠুন আবার সুইচ অন করে ভোল্টেজের নটা ঘুরাতে থাকে, প্রথমে একটু ভেতা শব্দ শোনা গেল হঠাৎ ছোট একটা বিস্ফোরণের মত শব্দ করে সাপের মত লকলকে একটা পাজমার শিখা বের হয়ে আসে। সেটা জীবন্ত প্রাণীর মত কিলবিল করে লড়তে থাকে। আশেপাশে একটা বিচিত্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে। যারা ভীড় করে দাঁড়িয়েছিল তারা বিস্ময়ের এবং ভয়ের শব্দ করে দুই পা পিছিয়ে গিয়ে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে।

    কয়েক সেকেন্ড দেখিয়েই মিঠুন তার হাইপ্রেশার প্লাজমা বন্ধ করে দিল। সবাই তখন ভীড় করে যন্ত্রটা দেখতে এল এবং আমার মনে হলো মিঠুন নানারকম ভূয়া যন্ত্রপাতি দিয়ে যন্ত্রটাকে জটিল করে বুদ্ধিমানের মত কাজ করেছে। যদি সবাই দেখত ছোট একটা হোমিওপ্যাথিক ওষুধের শিশি থেকে এই ভয়ঙ্কর প্লাজমী বের হয়ে আসছে তাহলে তারা নিশ্চয়ই এতো চমৎকৃত হত না।

    মিঠুনের হাই-প্রেশার প্লাজমা দেখার জন্যে মানুষ ভীড় করতে থাকে। তাকে একটু পরে পরে সেটা দেখাতে হয়। আমি গলা নামিয়ে বললাম, “এতবার দেখাস না, হঠাৎ নষ্ট হয়ে গেলে বিপদ হবে। বিচারকদের আগে ভালো করে দেখিয়ে নে।”

    মিঠুন ফিসফিস করে বলল, “দেখানো নিয়ে সমস্যা নাই। কিন্তু—”

    “কিন্তু কী?”

    “কিন্তু বোঝাব কেমন করে? ব্ল্যাকহোলের বাচ্চার কথা তো বলা যাবে না–”

    আমি মিঠুনকে সাহস দিলাম “বোঝাবুঝির কী আছে? জিনিসটা দেখবে। দেখলেই তো হলো।”

    মিঠুনকে তারপরেও কেমন যেন নার্ভাস দেখাল। সে কেন নার্ভাস ছিল সেটা আমি একটু পরেই বুঝতে পারলাম। বিচারকেরা সবার প্রজেক্ট দেখতে দেখতে এগিয়ে আসছেন, তারা এর মাঝেই মিঠুনের হাই-প্রেশার প্লাজমা প্রজেক্টের খবর পেয়েছেন তাই ছোটখাটো প্রজেক্টে সময় নষ্ট না করে তাড়াতাড়ি মিঠুনের কাছে চলে এলেন।

    বিচারকদের দলে তিনজন মানুষ, একজন একটু কম বয়সী অন্য দুইজন মাঝবয়সী, তাদের চুলে পাক ধরেছে, চোখে চশমা। দুজনেই ইউনিভার্সিটির প্রফেসর, তাদের সাথে আরো উৎসাহী লোকজন আছে, আমি দেখলাম অক্সব্রীজ স্কুলের সায়েন্স টিচারও পিছন পিছন এসেছেন। মাঝবয়সী একজন প্রফেসর গম্ভীর গলায় বললেন, “এটা কী?”

    মিঠুন কেশে গলা পরিষ্কার করে বলল, “হাই-প্রেশার পাজমা।”

    “হাই-প্রেশার?”

    “আসলে সবাই লো প্রেশারে প্লাজমা তৈরী করে। এটা যেহেতু এটমস্কিয়ারিক প্রেশারে তৈরী হয়েছে সে জন্যে বলছি হাই-প্রেশার। আসলে বলা উচিত ছিল এটমস্ফিয়ারিক পাজমা।”

    মাঝবয়সী প্রফেসর বললেন, “সমস্যা নাই। নামে কী আসে যায়? দেখাও এটা কী করে।”

    মিঠুন কঁপা হাতে সুইচ অন করে নবটা ঘোরালো, সাথে সাথে ছোট একটা বিস্ফোরণের মত শব্দ করে লকলক করে প্রাজমাটা বের হয়ে হিসহিস শব্দ করে জীবন্ত একটা প্রাণীর মত ছাদকে স্পর্শ করল। প্লাজমা থেকে নীলাভ আলোটা সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়ে আর বিচারকেরা ভয় পেয়ে দুই পা পিছিয়ে গেলেন। তারা হতভম্বের মত সেটার দিকে তাকিয়ে থাকেন। একজন চাপা গলায় বললেন, “ও মাই গড!”

    আরেকজন বললেন, “এটা কীভাবে সম্ভব?”

    প্রথমজন মিঠুনকে জিজ্ঞেস করলেন, “এটা তু-তুমি বানিয়েছ?”

    “আমি একা না। আমরা বন্ধুরা মিলে বানিয়েছি।”

    আমি একটু নড়ে চড়ে দাঁড়ালাম, চুল ঠিক করলাম, ছোট করে কাশলাম যেন সবাই বুঝতে পারে মিঠুন যেসব বন্ধুর কথা বলেছে আমি তাদের একজন।

    কমবয়সী বিচারক জিজ্ঞেস করল, “এটা কীভাবে কাজ করে?”

    মিঠুন বলল, “হাইভোল্টেজ দিয়ে বাতাসকে আয়োনাইজ করে ফেলি।”

    “কত হাইভোল্টেজ দাও?”

    “পুরান টেলিভিশনের ফ্লাই হুইল ব্যবহার করেছি–তার মানে কয়েক হাজার ভোল্ট।”

    মধ্যবয়স্ক প্রফেসর বললেন, “কয়েক হাজার ভোল্টে এরকম প্লাজমা তৈরী হয় না।”

    মিঠুন একটু ঢোক গিলে বলল, “শুধু হাই ভোল্টেজ দিই না স্যার আরো কিছু ব্যবস্থা করেছি।”

    “কী করেছ?”

    “প্রথমে একটা ফিলামেন্ট বেরিয়াম অক্সাইড দিয়ে কোট করেছি (মিথ্যা কথা), সেটাকে স্যার কারেন্ট দিয়ে গরম করি (ভূয়া তথ্য), ফিলামেন্ট গরম হলে ইলেকট্রন এমিট করে (তথ্যটা সত্যি হতে পারে

    এখানে করা হয় নাই, সেই ইলেকট্রন কাছাকাছি বাতাসকে আয়োনাইজ করে (সম্ভব কিনা কে বলবে?), তখন একটা হীটার বাতাসকে প্রি-হিট করে (পরিষ্কার মিথ্যা কথা), একটা ফ্যান সেই বাতাসকে ব্লো করে ছোট একটা ফ্যান আছে শুধু সাউন্ড এফেক্টের জন্যে, প্রিহিটি বাতাস অনেকগুলো হাইভোল্টেজ গ্রীড়ের ভিতর দিয়ে যায় (ভূয়া ভূয়া চরম ভূয়া) তখন পাজমাটা তৈরী হয়।”

    মিঠুন কোনো প্রশ্ন করার কোনো সুযোগ না দিয়ে টানা কথা বলে গেল, আমি মিঠুনের এরকম বৈজ্ঞানিক ভূয়া কথা বলার ক্ষমতা দেখে চমৎকৃত হলাম। ভেবেছিলাম এরকম বৈজ্ঞানিক কথা শুনে বিচারক তিনজন বুঝি সন্তুষ্ট হবে, কিন্তু মাঝবয়সী প্রফেসরদের একজন পুরোপুরি সন্তুষ্ট হলেন না। মাথা চুলকে বললেন, “তুমি যেভাবে বলেছ সেভাবে তো এরকম ভায়োলেন্ট প্লাজমা হবার কথা। ছোটখাটো স্পার্ক হতে পারে কিন্তু তাই বলে ছয়সাতফুট লম্বা এরকম বিশাল প্লাজমা তাও এটমস্ফিয়ারিক প্রেসারে ইম্পসিবল।”

    মিঠুন বলল, “কিন্তু স্যার, আপনি তো দেখছেন— এটা হচ্ছে! আপনার চোখের সামনে হচ্ছে। যদি সম্ভব হত তাহলে পুরোটা খুলে দেখাতাম স্যার?”

    বিচারকরা মাথা চুলকালেন। মিঠুন বলল, “শুধু একটা জিনিস বলতে ভুলে গেছি।”

    “কী জিনিস?”

    “বাতাসটাকে যে চেম্বারে প্রিহিট করি সেই চেম্বারের ভিতরে একটা জিনিসের প্রলেপ দিয়েছি। মনে হয় সেই জিনিসটার জন্যে এত সহজে বাতাসের অনু পরমাণু আয়োনাইজ করা হয়।”

    তিনজনই এবার আগ্রহী হল, “কী জিনিস”

    “অনেক ট্রায়াল এন্ড এরর করে বের করেছি স্যার। এর মাঝে ঠিক কী আছে পরিষ্কার করে জানি না। যদি এটমিক মাস প্রেকটাম এনালাইজার থাকত বলতে পারতাম।”

    মাঝ বয়সী প্রফেসর বললেন, “ভেরি স্ট্রেঞ্জ।”

    অন্যজন বললেন, “কিন্তু নিজের চোখে দেখছি। অবিশ্বাস করি কী করে?”

    প্রথমজন বললেন, “এটা অবশ্যি খুবই বিপজ্জনক। এই প্লাজমা নড়তে চড়তে গিয়ে যদি কারো শরীরে লাগে তাহলে মেজর একসিডেন্ট হবে।”

    মিঠুন বলল, “আপনারা দেখার পর বন্ধ করে রাখব স্যার।”

    “সেটাই ভালো।”

    তারপর তারা তাদের হাতে লেখা কাগজটাতে প্রজেক্টের মার্কস লিখে হুঁটিতে শুরু করল। কতো দিয়েছে দেখার জন্য আমি ইতি উতি চেষ্টা করলাম, লাভ হল না। তারা যখন হাঁটছে আমি পিছু পিছু গেলাম, শুনলাম একজন আরেকজনকে বলছে, “আমি নিজের চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না।”

    অন্যজন বলল, “আমি নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস করতে পারছি। শুধু মাত্র এনার্জী কনজারভেশানের কথা ধর–এটমস্ফিয়ারিক প্রেশারে এ রকম ভায়োলেন্ট একটা প্লাজমা তৈরী করতে কী পরিমাণ এনার্জী লাগবে কল্পনা করতে পার? সেই এনাজটা কোথা থেকে আসছে? পুরান টেলিভিশনের ফ্লাই ব্যাক সেটা দিতে পারে? অসম্ভব!”

    “তাহলে?”

    “সেটাই তো সমস্যা! এই বাচ্চা এটা তৈরি করল কেমন করে?”

    তবে বাচ্চাটা কিন্তু জানে। তার কথাবার্তা বাচ্চাদের মত না, বড় মানুষের মত। সায়েন্স ফেয়ারটা শেষ হলে বাচ্চাটার যন্ত্রটাকে নিয়ে বসতে হবে। কীভাবে কাজ করে দেখতে হবে।”

    “হ্যাঁ। আমার কেন জানি মনে হয়—”

    “কী মনে হয়?”

    “বাচ্চাটা যেটুকু বলেছে তার বাইরেও কিছু একটা আছে। সে আমাদের পুরোটুকু বলেনি।”

    “তোমার তাই ধারণা?”

    “হ্যাঁ। বাচ্চাটা তো বোকা না, সে সবকিছু জানে। সে যে আমাকে বলেনি তারও নিশ্চয়ই একটা কারণ আছে।”

    “কী কারণ?”

    প্রফেসর মানুষটি তখন গলা নামিয়ে কথা বলতে লাগল, তাই আমি আর তাদের কথাগুলো শুনতে পেলাম না। যেটুকু শুনেছি সেটাই যথেষ্ট। আমি প্রায় দৌড়ে মিঠুনের কাছে এলাম। তার হাই প্রেশার জমা ঘিরে শত শত মানুষ গিজ গিজ করছে। সবাই দেখতে চাইছে। বগা, গুললু, ঝুম্পা মিলে সবাইকে ঠেলে সরিয়ে জায়গা করে দিচ্ছে আর মিঠুন তখন তার যন্ত্র চালু করছে। বিস্ফোরণের মত শব্দ করে লকলকে প্ৰাজমা ছাদ পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে। কাছাকাছি অক্সব্রীজ স্কুলের প্রজেক্টের সামনে কেউ নেই, তারা গালে হাত দিয়ে শুকনো মুখে বসে আছে।

    আমি মিঠুনের কাছে গিয়ে ফিসফিস করে বললাম, “মিঠুন—”

    “কী হয়েছে?”

    “বিচারক প্রফেসররা টের পেয়ে গেছে “কী টের পেয়েছে?”

    “এখানে আসলে অন্য কিছু আছে, তুই তাদের পুরোটা বলিসনি। গোপন করেছিস।”

    মিঠুন আমার কথা শুনে অবাক হল না, বলল, “টের পেতেই পারে। যে কোনো মানুষ যদি একটুখানি বিজ্ঞান জানে তাহলেই টের পেয়ে যাবে।”

    আমি ফিসফিস করে বললাম, “সায়েন্স ফেয়ার শেষ হবার পর তারা যন্ত্রটা আবার দেখতে আসবে।”

    “আসুক।” মিঠুন বলল, “আমি ততক্ষণে এটা খুলে ব্ল্যাকহোলের বাচ্চাটাকে সরিয়ে দিব।”

     

    বিচারকরা সবগুলো প্রজেক্ট দেখার পরই সায়েন্স ফেয়ার শেষ হয়ে গেল। সবাই নিজেদের যন্ত্রপাতি গুছিয়ে নিচ্ছে, তখন মিঠুনও সাবধানে ব্ল্যাকহোলের বাচ্চটাকে খুলে তার পকেটে ভরে নিল। সেই জায়গায় সে আরেকটা ছোট বোতল রেখে দিল। বোতলটা একেবারে খালি রাখলে কেমন দেখায়? কী রাখা যায় সেটা নিয়ে যখন চিন্তা করছে তখন আমি আমার মুখের ভিতর থেকে চিউয়িং গামটা বের করে মিঠুনকে দিলাম। “নে। এটা রেখে দে।”

    মিঠুন এক সেকেন্ডের জন্যে হকচকিয়ে গেল তারপর বলল, “ঠিক আছে, দে! বোতলটার মাঝে রেখে দে।”

    আমি তখন বোতলটার মাঝে চিউয়িং গামটা রেখে দিলাম।

    পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অক্সব্রীজ স্কুলের ছেলেমেয়েরা মুখ কালো করে বসে থাকল। দর্শকদের ভেতর থেকে কেউ কেউ চাপা স্বরে হঠাৎ করে “হাম্বা” করে ডেকে উঠছিল সেটা শুনে তাদের মুখ আরো কালো হয়ে উঠল। হাই প্রেশার প্লাজমা প্রজেক্টটাকে যখন জুনিয়র গ্রুপের চ্যাম্পিওন ঘোষণা করা হল তখন কেউ অবাক হল না। আমরা তখন যেভাবে গর্জন করে উঠলাম সেটা এই শহরের মানুষ অনেকদিন মনে রাখবে। পুরস্কার নেওয়ার জন্যে মিঠুনের সাথে সাথে আমরাও স্টেজে উঠে গেলাম, পুরস্কারটা হাতে নেবার পর আমরা যেভাবে চেচামেচি করলাম সেটা দেখে সবাই বুঝতে পারল আমরা এর আগে জীবনেও কোনোদিন কোনো পুরস্কার পাইনি পুরস্কার পাবার পর কী করতে হয় সেটা আমাদেরকে কেউ শিখিয়ে দেয়নি।

    যখন পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান হচ্ছে তখন বিচারকদের একজন প্রফেসর দর্শক সারি থেকে উঠে গেলেন। আমি চোখের কোনা দিয়ে দেখলাম সেই প্রফেসর হল ঘরের দিকে যাচ্ছেন। সেখানে কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন বুঝতে আমার কোনো সমস্যা হল না। সেদিন বিকালে হাই প্রেশার প্লাজমা যন্ত্রটা খুলে নেয়ার সময় আমরা দেখলাম সেখানে ছোট বোতলটা আছে কিন্তু তার ভেতরকার চিবিয়ে ছাতু করে রাখা চিউয়িংগামটা নাই।

     

    আমাদের মহব্বতজান স্কুলের ইতিহাসে কখনো এসেম্বলী হয় না, কখনো জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না। পরের দিন এসেম্বলী হল, এমন কী ভুল সুরে কয়েকজন জাতীয় সংগীত পর্যন্ত গেয়ে ফেলল। তারপর আমাদের হেড স্যার কাঁপা গলায় বক্তৃতা দিতে শুরু করলেন, “আমার ফ্রিয় ছেলে মেয়েরা (স্যার প্রিয় উচ্চারণ করতে পারেন না। তোমরা সবাই শুনছ আমাদের হাজী মহব্বতজান উচ্চ বিদ্যালয় বিজ্ঞান মেলায় চ্যাম্পিওন হইছে। আমরা চিৎকার করলাম লাফালাফি করলাম। আলহাজ মহব্বত জান স্যারের নেতৃত্বে এই ইস্কুল শুধু এই শহরের মইধ্যে না এই দেশের মইধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ইস্কুল হয়া যাইব। (কথাটা পুরাপুরি মিথ্যা কিন্তু তারপরেও আমরা আবার একটু চিৎকার করলাম।) যখন কেলাশ এইটের ছেলে মেয়েরা আমার কাছে আইসা বলল তারা সায়েন্স ফেয়ারে যোগ দিতে চায় আমি সাথে সাথে সেই অনুমতি দিছি। (কত বড় বানোয়াট কথা!) শুধু অনুমতি না, আমি তাগো রিচার্সের জন্যে (শব্দটা নিশ্চয়ই রিসার্চ কিন্তু হেড স্যার রিসার্চ বলতে পারেন না, বলেন রিচার্স দশ হাজার টাকা পর্যন্ত দিছি। (আমরা আবার চিৎকার করলাম কেলাশ এইটের ছেলে মেয়েরা এই দশ হাজার টাকার মর্যাদা রাখছে, তারা পুরস্কার আনছে। এই স্কুলের সুনাম অক্ষুন্ন রাখছে।…”

    হেড স্যার অনেকক্ষণ ভ্যাদর ভ্যাদর করলেন। আমরা সবাই সহ্য করলাম। বক্তৃতার শেষে স্যার পুরস্কার পাওয়া উপলক্ষে একদিনের ছুটি ঘোষণা দিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }