Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    সায়েন্স ফিকশন সমগ্র ৬ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প1092 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. পরের দিন খুব উত্তেজনার মাঝে গেল

    পরের দিন খুব উত্তেজনার মাঝে গেল। আমি যখন ঝুম্পা ফারা আর বগাকে ফ্লাইং মেশিনের কথা বললাম, তারা প্রথমে আমার কথা বিশ্বাসই করতে চাইল না। তাদের ল্যাবরেটরি ঘরে ফ্লাইং মেশিনটা দেখানো হল তারপরও তারা বিশ্বাস করতে চাইল না। অনেক রকম কীরা কসম কাটার পর শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস করল, তখন সবাই এক সাথে ফ্লাইং মেশিনে উঠতে চাইল।

    মিঠুন, বলল “একসাথে তো সবাই উঠতে পারবে না। একজন একজন করে উঠতে হবে।”

    ঝুম্পা বলল, “ঠিক আছে, একজন একজন করেই উঠি। আগে আমাকে ওঠা।”

    মিঠুন মাথা চুলকে বলল, “দিনের বেলা ওঠা তো ঠিক হবে না। সবাই দেখে ফেলবে।”

    ঝুম্পা বলল, “দেখে ফেললে সমস্যা কী?”

    মিঠুন বলল, “এখনই জানাজানি হলে সমস্যা আছে। প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে মারা যাব।”

    ঝুম্পা বলল, “ঠিক আছে তাহলে রাত্রি বেলাই চলে আসব।”

    মিঠুন বলল, “তুই আসবি ঠিক আছে কিন্তু আমাকে বাসা থেকে রাত্রি বেলা বের হতে দিচ্ছে না।”

    “কেন?”

    “সেদিন যে ইবুর সাথে রাতে গেলাম তখন আম্মু সন্দেহ করেছে। এখন কয়দিন বাসা থেকে বের হতে দিচ্ছে না।”

    আমি বললাম, “রাত্রি বেলা চোরের মত ফ্লাইং মেশিনে উড়ে কোনো মজা নাই। দিনের বেলা উড়তে হবে।”

    মিঠুন খানিকক্ষণ চিন্তা করল তারপর মাথা নেড়ে বলল, “ঠিকই বলেছিস। আমারা কী চুরি করেছি নাকি যে চোরের মত থাকতে হবে?”

    ঝুম্পা হাতে কিল দিয়ে বলল, “চল তাহলে এখনই উড়ি।”

    বগা বলল, “আমিও উড়ব।” ফারাহ বলল, “আমি কী দোষ করলাম?”

    “একসাথে তো সবাইকে নেয়া যাবে না। এখন একসাথে মাত্র দুইজন উঠতে পারবে।”

    আমি বললাম, “এটাকে আরো একটু বড় করে ফেল, সবাই যেন একসাথে উঠতে পারে।”

    ঝুম্পা মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ, সবাই একসাথে উঠতে পারলে বেশি মজা হবে।”

    মিঠুন বলল, “আমি একটু সময় পেলে আরেকটু বড় করতে পারি। সবার বসার জন্যে চেয়ার লাগিয়ে দিলেই হয়। ইঞ্জিনটা আরেকটু পাওয়ার ফুল করতে হবে, ভোল্টেজ কন্ট্রোলটার সার্কিটটা একটু বদলে দিতে হবে। আর ওয়েট ব্যালেন্সটা দেখতে হবে। স্ট্যাবিলিটির জন্যে একটা ফিন দেয়া যেতে পারে—” মিঠুন বিড় বিড় করে অনেকটা নিজের সাথে কথা বলতে থাকে— তার কিছুই আমরা বুঝতে পারলাম না।

    যাই হোক মিঠুন তখন তখনই তার ফ্লাইং মেশিনে আরো তিন চারজন বসার মতো জায়গা করার কাজে লেগে গেল।

    আমাদের মহাব্বতজান স্কুলে কে ক্লাশে আছে কে নেই সেটা নিয়ে কেউ মাথা ঘামায় না। ক্লাশে এলেও আমরা কিছু শিখি না, না এলেও আমাদের কোনো ক্ষতি হয় না। তাই যখন ক্লাশ হচ্ছে তখন মিঠুন ল্যাবরেটরিতে কাজ করতে লাগল, তার সাথে আমরা দুই একজন থাকতে লাগলাম তাকে সাহায্য করার জন্য।

     

    বিকেল বেলা স্কুল ছুটির পর আমরা বাসায় যাচ্ছি তখন হঠাৎ একটা গাড়ী আমাদের পাশে থেমে গেল, গাড়ীর জানালা দিয়ে মাথা বের করে একজন মানুষ একটা দামী ক্যামেরা দিয়ে ঘ্যাচ ঘ্যাচ করে কয়েকটা ছবি তুলে নিয়ে আবার গাড়ী চালিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল।

    আমি অবাক হয়ে মিঠুনের দিতে তাকিয়ে বললাম, “কী হল? আমাদের ছবি তুলল কেন?”

    মিঠুন মাথা চুলকে বলল, “বুঝতে পারছি না। মনে হয় ব্ল্যাকহোলের বাচ্চার কথা জানাজানি হয়ে গেছে।”

    আমি বললাম, “জানাজানি হলে ক্ষতি কী? এখন সবাইকে বলে দিলেই হয়।”

    মিঠুন কিছুক্ষণ চিন্তা করে বলল, “বলে দিব?”

    “দিবি না কেন?”

    “কিন্তু কী বলব? নিজেই তো জানি না জিনিষটা কী। এটাকে ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা বলছি কিন্তু এটা কী বৈজ্ঞানিক নাম হতে পারে? বৈজ্ঞানিক নাম হতে হলে এটাকে বলা দরকার ব্ল্যাকিওন না হলে সুপার মাসিভ বোজন না হলে এনার্জী রিলিজিং পার্টিকেল–সংক্ষেপে ইআরপি—”

    প্রত্যেকটা নামই আমার পছন্দ হল। আমি বললাম, “তুই ইচ্ছা করলে এর যে কোনো একটা নাম দিতে পারিস কিংবা তিনটা মিলিয়েই একটা নাম তৈরী করে ফেল।”

    “তিনটা মিলিয়ে? ই আরপি সুপার মাসিভ বোজনিক ব্ল্যাকিওন?”

    “হ্যাঁ, ফাটাফাটি শোনাচ্ছে নামটা।”

    মিঠুনকে কেমন যেন চিন্তিত মনে হল। দুইজনে কথা বলতে বলতে যাচ্ছি হঠাৎ করে বড় বড় সাইজের দুজন মানুষ আমাদের থামাল। সুন্দর চেহারা কিন্তু চুলগুলো ছোট করে ছাটা সে জন্যে কেমন জানি হাবা হাবা দেখতে। হা হাবা চেহারার একজন বলল, “এই ছেলে দাঁড়াও।”

    আমাকে বলেছে না মিঠুনকে বলেছে বুঝতে পারলাম না তাই দুজনেই দাঁড়ালাম। হাবা চেহারার একজন মিঠুনকে ধরে ফেলে তার সার্ট প্যান্টে হাত বুলাতে লাগল। মিঠুন অবাক হয়ে বলল, “কী করছেন?”

    “সার্চ করছি।”

    “কেন সার্চ করছেন?”

    “দেশের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য আমরা যে কোনো মানুষকে সার্চ করতে পারি।”

    “আমি কী আইন শৃঙ্খলা নষ্ট করেছি?”

    “করতেও তো পার।” মিঠুন বলল, “আপনি এটা করতে পারেন না। আমাকে যেতে দিন।”

    “বেশী কথা বলবে না। তাহলে এক কিল দিয়ে তোমার মাথাটা শরীরের ভিতর ঢুকিয়ে দিব।”

    মানুষটার যা সাইজ আসলেই এক কিল দিয়ে মাথাটা শরীরের ভিতর ঢুকিয়ে দিতে পারে। তাই মিঠুন আর কথা বলল না। মানুষটা মিঠুনের জামা কাপড় পরীক্ষা করল, তার ব্যাগ খুলে ভিতরে দেখল, হাত ঢুকিয়ে নাড়া চাড়া করল। মিঠুনের ব্যাগে অনেক রকম ছোট বড় শিশি বোতল কৌটা থাকে সেগুলি খুলে খুলে দেখতে লাগল।

    মিঠুন বলল, “এগুলি খুলবেন না।”

    “কেন খুলব না?”

    “ভিতরে আমার দরকারী জিনিষ আছে।”

    “কী তোমার দরকারী জিনিষ?” বলে হাবা চেহারার মানুষটা ছোট একটা কৌটা খুলতেই ভেতর থেকে ক্রুদ্ধ শব্দ করে কিছু বোলতা বের হয়ে মানুষটাকে আক্রমণ করল। মানুষটা চিৎকার করে ঝাড়া দিয়ে হাতে এবং ঘাড়ের দুইটা বোলতা সরাতে পারলেও নাকেরটা ঝাড়তে পারল না, সেটা একটা কামড় দিয়ে দিল। হাবা চেহারার মানুষটা গগন বিদারী চিৎকার দিয়ে লাফাতে থাকে এবং দেখতে দেখতে তার নাকটা টমেটোর মতো ফুলে উঠে। একটু আগে তাকে হাবার মত লাগছিল এখন কেমন জানি কাটুনের মত দেখাতে থাকে।

    মানুষটা নাক চেপে ধরে চিৎকার করে বলল, “কীঁ রেঁখেছ ব্যাঁগের ভিঁতর? মাঁথা খাঁরাপ নাঁকী?”

    মিঠুন বলল, “আমি আগেই না করেছি। আমার কথা শুনেন নাই।”

    অন্য মানুষটা তখন মিঠুনের ব্যাগ ছেড়ে দিয়ে আমার ব্যাগটা সার্চ করতে থাকে। ব্যাগে কী খুঁজল কে বলতে পারে–এর ভিতরে কী আছে কে জানে, আমি নিজেও জানি না! ব্যাগ দেখা শেষ করে আমার জামা কাপড় দেখতে থাকে। শহরের রাস্তায় প্রকাশ্য দিনের বেলায় পাহাড়ের মতন দুইজন মানুষ আমাদের মত দুইটি বাচ্চাকে এভাবে সার্চ করছে দেখে এতোক্ষণে আশেপাশে ভীড় জমে গেছে। কলেজ ইউনির্ভার্সিটি ছাত্রের মত দেখতে একজন আমাদের জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে?”

    আমি বললাম, “বুঝতে পারছি না। মনে হয় ছেলে ধরা।”

    আর যায় কোথায়। সাথে সাথে আমাদের ঘিরে থাকা মানুষগুলো হই হই করে উঠল, শুনতে পেলাম, কয়েকজন চিৎকার করে বলল, “ধর শালাদের।”

    বিশাল একটা হুটোপুটি লেগে যায়। মানুষগুলো চিৎকার করে বলল, “আমরা ছেলেধরা না–আমরা ইন্টেলিজেন্স এর লোক।”

    কিন্তু কে শোনে কার কথা আমরা হুটোপুটির মাঝে বের হয়ে দে দৌড়।

     

    এর পরের কয়েকদিন আমরা টের পেলাম আমাদের নিয়ে বিশেষ করে মিঠুনকে নিয়ে কিছু একটা ঘটছে। যখনই আমরা বের হই তখনই মনে হয় আমাদের পিছু পিছু কেউ হাঁটছে। হঠাৎ করে গাড়ি পাশে দাঁড়িয়ে যায়আমরা তখন ছুটে পালাই, গাড়ীর ভেতর থেকে ঘঁাচ ঘঁাচ করে ছবি তুলে নেয়। ব্ল্যাকহোলের বাচ্চার জন্যেই এসব ঘটছে, কাজেই আমাদের প্রথম কাজ হল সেটাকে ভালো করে লুকিয়ে রাখা। ফ্লাইং মেশিনের ভেতর থেকে আসল ব্ল্যাকহোলের বাচ্চাটা সরিয়ে আমরা সেখানে ফাঁকা একটা শিশি রেখে দিলাম। আসলটা লুকিয়ে রাখলাম ল্যাবরেটরির কংকালটার খুলির ভিতরে।

    মিঠুন খুব খাটাখাটুনি করে শেষ পর্যন্ত ফ্লাইং মেশিনটাকে দাড়া করাল। দুজনের জায়গায় এখন ছয়জন যেতে পারবে। সেজন্যে ইঞ্জিনটার পরিবর্তন করল, পাখাগুলো পরিবর্তন করল, পিছনে প্লেনের লেজের মত একটা লেজ লাগালো। তারপর একদিন আমাদের বলল, “আমি রেডি। আমরা এখন ছয়জন যেতে পারব।”

    স্কুল ছুটির পর আমরা রয়ে গেলাম। স্কুলের স্যার, ম্যাডামরা ছুটির আগেই চলে যায়, ছাত্র-ছাত্রীরা যায় একটু পরে। তারা চলে যাবার পর পুরো স্কুল ফাঁকা হয়ে গেল। তখন আমি, মিঠুন, ঝুম্পা বগা আর যারা দোতালায় উঠে গেলাম। মিঠুনের ফ্লাইং মেশিনটা ধরাধরি করে বাইরে নিয়ে এলাম, মিঠুন পুরোটা ভাল করে দেখল, এখানে সেখানে ধাক্কা দিল, টানাটানি করল, আঁকুনি দিল, টেপাটেপি করল। তারপর কংকালের করোটির ভেতর থেকে ব্লাকহোলের বাচ্চা ভরা শিশিটা নিয়ে ফ্লাইং মেশিনে লাগিয়ে দিল।

    তারপর আমরা ফ্লাইং মেশিনে উঠলাম, দুইটি করে সিট, প্রথমে কন্ট্রোল প্যানেলের সামনে মিঠুনের পাশে আমি বসতে চেয়েছিলাম কিন্তু ঝুম্পা জোর করে আমার জায়গায় বসে গেল। মাঝখানে বসল বগা আর ফারা। পিছনে আমি একা।

    মিঠুন বলল, “সবাই সিট বেল্ট বেঁধে নে।”

    আমার সিট বেল্ট বেঁধে নিলাম।

    “তোরা কেউ ভয় পাবি না–এটা কাপতে পারে, দুলতে পারে উপর নিচ করতে পারে কিন্তু কখনোই নিচে পড়ে যাবে না।”

    আমরা মাথা নাড়লাম, বললাম “ঠিক আছে।”

    “সিট থেকে বেশি নাড়াচাড়া করবি না–সেন্টার অফ গ্রাভিটি অনেক গবেষণা করে ঠিক জায়গায় রাখা হয়েছে–নাড়াচাড়া করলে সেটার উনিশ বিশ হতে পারে–তখন ফ্লাইটেরও উনিশ বিশ হতে পারে।”

    মিঠুনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বুঝতে পারলাম না–সিটে বেশি নাড়াচাড়া করার বিষয়টা খালি বুঝতে পারলাম। সেটার জন্যই জোরে জোরে মাথা নাড়লাম।

    “তাহলে শুরু করছি” বলে মিঠুন কন্ট্রোল প্যানেলের একটা সুইচ টিপে ধরল, সাথে সাথে ফ্লাইং মেশিন থরথর করে কাঁপতে থাকে। ফারা ভয় পেয়ে বলল, “কী হচ্ছে? কী হচ্ছে এখানে?”

    মিঠুন বলল, “ভয়ের কিছু নাই। চুপ করে বসে থাক।”

    “ভেঙ্গে পড়ে যাবে না তো?”

    “না ভাঙবে না। সবাই শক্ত হয়ে বসে থাক আমরা টেক অফ করছি।”

    মিঠুন একটা হ্যান্ডেল নিজের দিকে টেলে নিল। সাথে সাথে ফ্লাইং মেশিনের নিচ দিয়ে আগুনের একটা হালকা বের হতে থাকে আর ফ্লাইং মেশিনটা পিছনের দিকে কাত হয়ে উপরে উঠতে শুরু করল। আমরা সবাই একই সাথে ভয় আর আনন্দে চিৎকার করে উঠলাম। দেখতে দেখতে ফ্লাইং মেশিনটা স্কুলের ছাদ পার হয়ে গাছগুলো পার হয়ে উপরে উঠে যায়।

    আমরা সবাই আবার ভয় আর আনন্দের শব্দ করে উঠলাম। মিঠুন আরেকটা হ্যান্ডেল টেনে ধরতেই ফ্লাইং মেশিনটা কাত হয়ে ঘুরে যেতে শুরু করে, আমাদের মুখে বাতাসের ঝাপটা লাগতে থাকে আর ফ্লাইং মেশিনটা ঘুরে যেতে শুরু করে। আমরা নিচের দিকে তাকালাম, স্কুলটাকে ঠিক চেনা যায় না দোকান পাট, রাস্তা, রাস্তায় গাড়ী ট্রাক টেম্পাে সবকিছুকে কেমন যেন খেলনার মত মনে হতে থাকে।

    মিঠুন চিৎকার করে জিজ্ঞেস করল, “কেমন লাগছে?”

    ঝুম্পা বলল, “ফাটাফাটি।”

    ফারা জিজ্ঞেস করল, “পড়ে যাব না তো?”

    “না, পড়বি না।”

    ঝুম্পা বলল, “আরো উপরে নিয়ে যা–অনেক উপরে।”

    বগা ভয়ে ভয়ে বলল, “কোনো সমস্যা হবে না তো?”

    ঝুম্পা বলল, “হলে হবে। নিয়ে যা উপরে।”

    মিঠুন তখন ফ্লাইং মেশিনটাকে আরো উপরে নিয়ে যায় সেখান থেকে নিচের পৃথিবীটাকে কেমন যেন অবাস্তব মনে হতে থাকে।

    মিঠুন ফ্লাইং মেশিনটাকে ওপরে এক জায়গায় থামিয়ে দিয়ে বলল, “এখানে পার্ক করলাম।”

    বগা বলল, “পার্ক করলি?”

    “হ্যাঁ। এখানে চুপচাপ ভেসে থাকব।”

    আমি বললাম, “মোটেও চুপচাপ ভেসে নাই। তোর ইঞ্জিনটা শো শো করে শব্দ করছে।”

    মিঠুন বলল, “আমি ইচ্ছে করলে ইঞ্জিনটা বন্ধ করে শব্দও বন্ধ করে দিতে পারি। তবে”।

    “তবে কী?

    “তাহলে এই ফ্লাইং মেশিন মারবেলের মতন টুপ করে নিচে পড়ে যাবে।”

    ঝুম্পা হি হি করে হাসল বলল, “থাক বাবা তোর ইঞ্জিন বন্ধ করার কোনো দরকার নাই। আমি এর মাঝে বসে বসেই প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখতে পারব।”

    আমরা সবাই তখন চারিদিকে তাকালাম, বাতাসে ভাসতে ভাসতে আমরা অনেকদূর সরে এসেছি। নিচে একটা সরু নদী দেখা যাচ্ছে, রোদ পড়ে সেটা চিক চিক করছে। নদীটার ওপার একটা নৌকা— কী আশ্চর্য সেই দৃশ্য। নদীর দুই তীরে সবুজ ধানক্ষেত, ধানক্ষেত যে এতো সবুজ হতে পারে আমি আগে কখনো দেখিনি।

    মিঠুন বলল, “আমার মনে হয় এখন আমরা ব্ল্যাকহোলের বাচ্চার কথা সবাইকে বলে দিই।”

    ঝুম্পা থাবা দিয়ে বলল, “অবশ্যই বলে দিব।”

    বগা বলল, “একটা সাংবাদিক সম্মেলন করতে হবে। সেখানে মিঠুন একটা লিখিত বক্তব্য দেবে। তারপর প্রশ্ন এবং উত্তর।”

    আমি জিজ্ঞেস করলাম, “সাংবাদিকেরা যদি না আসে?”

    ঝুম্পা আরেকবার ফ্লাইং মেশিনের গায়ে থাবা দিয়ে বলল, “আসবে না মানে? একশবার আসবে। সাংবাদিকদের বাবারা আসবে। এই রকম ফ্লাইং মেশিন তারা বাপের জন্মে দেখেছে?”

    আমি বললাম, “ইন্টেলিজেন্সের লোকজন আমাদের পিছনে লেগে গেছে, সাংবাদিকদের বলে সবাইকে জানিয়ে দিলে ওরা আর কিছু করতে পারবে না।”

    মিঠুন মাথা চুলকে বলল, “কিন্তু সাংবাদিকদের কী বলব?”

    বগা বলল, “কিছু বলতে হবে না, ফ্লাইং মেশিনটা চালিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে আসবি। সব সাংবাদিকেরা অধৈর্য হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আর আমরা আকাশ থেকে নেমে আসলাম। চিন্তা করতে পারিস কী মজা হবে?”

    ফারা ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল, “আমরা? আমরা সবাই?”

    মিঠুন বলল, “হ্যাঁ। আমি একা একা যাব নাকি? আমার কী মাথা খারাপ হয়েছে?”

    ফারা জিজ্ঞেস করল, “আমরা গেলে আমাদেরকেও কী প্রশ্ন করবে?”

    আমি বললাম, “করতেও পারে।”

    ফারা বলল, “সর্বনাশ! আমি যে কিছুই জানি না।”

    “না জানার কী আছে?” আমি বললাম, “বলবি পৃথিবীর মানুষ মাত্র শতকরা চার ভাগ পদার্থের কথা জানে। যে ছিয়ানব্বই ভাগের কথা জানে না–এটা হচ্ছে সেই ছিয়ানব্বই ভাগের ব্ল্যাকহোল।” আমি মিঠুনের দিকে তাকিয়ে বললাম, “ঠিক বলেছি না রে মিঠুন?”

    মিঠুন বলল, “ঠিক বলেছিস।” ফারা বলল, “এইটুকু বললেই হবে?”

    মিঠুন বলল, “আরেকটু বলতে পারিস। বলবি এই ব্ল্যাকহোলের বাচ্চাকে ইলেকট্রিক ফিল্ডের মাঝে রাখলে তার ভরটা শক্তিতে পাল্টে যায়।”

    আমি বললাম, “আইনস্টাইনের ই ইকুয়েলস টু এম সি স্কয়ার হিসাবে, তাই না মিঠুন?”

    মিঠুন বলল, “ঠিক বলেছিস। এটাই হচ্ছে ব্ল্যাকহোলের বাচ্চার আসল গুরুত্ব। পৃথিবীর এনার্জি ক্রাইসিস মিটিয়ে দিতে পারবে।”

    আমি বললাম, “এই তো হয়ে গেল। সাংবাদিক সম্মেলনে আর কিছু বলার দরকার নাই। তখন তাদেরকে খালি ফ্লাইং মেশিনটা দেখাতে হবেদেখলেই সবাই ট্যারা হয়ে যাবে।”

    ঝুম্পা বলল, “ইবুর কথা ঠিক। সবাই ট্যারা হয়ে যাবে। ভুবন ট্যারা।”

    মিঠুন বলল, “খালি একটা সমস্যা।”

    বগা জিজ্ঞেস করল, “কী সমস্যা?”

    “আমরা তো এইটাকে বলছি ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা। সেইটাতো বৈজ্ঞানিক নাম হল না। একটা বৈজ্ঞানিক নাম দিতে হবে। সেইটা কী হতে পারে?”.

    আমি নামটা বলার চেষ্টা করার আগেই ঝুম্পা বলল, “কেন? এইটার নাম হবে মিঠুনিয়াম।”

    মিঠুন চমকে উঠে বলল, “মিঠুনিয়াম?”

    “হ্যাঁ। এটা তুই আবিষ্কার করেছিস তাই এটা হতে হবে তোর নামে মিনিয়াম।”

    আমরা মাথা নাড়লাম, বললাম, “হ্যাঁ ঠিকই বলেছে। এটার নাম হবে মিনিয়াম।”

    মিঠুন দুলে দুলে হাসল, বলল, “তোদের কারো মাথার ঠিক নাই।”

    “কেন?”

    “নিজের নাম ব্যবহার করে আবার নাম দেয়া যায় নাকী?”

    বগা হাতে কিল দিয়ে বলল, “একশবার দেয়া যায়। আমাদের স্কুলের নাম কী মহব্বত জানের নামে হয় নাই?”

    আমরা বললাম, “হয়েছে হয়েছে।“

    মিঠুন শুনতেই রাজী হল না, বলল, “হলে হয়েছে, আমার বেলা হবে না। আমি কিছুতেই এটার নাম মিঠুনিয়াম দিব না।”

    ফারা বলল, “তোরা শুধু শুধু তর্ক করছিস। আমার কী মনে হয় জানিস?”

    “কী?”

    “ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা খুব সুন্দর একটা নাম। এটার নাম থাকুক ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা।”

    মিঠুন প্রতিবাদ করে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল হঠাৎ করে সে থেমে গিয়ে বলল, “সর্বনাশ!

    “কী হয়েছে?”

    “ঐ দেখ।”

    মিঠুন হাত দিয়ে দূরে দেখাল, আমরা সবাই দেখলাম, অনেক দূরে একটা হেলিকপ্টার, সেটা আমাদের দিকে আসছে।

    বগা বলল, “আমাদের ধরতে আসছে।”

    ফারা জিজ্ঞেস করল, “আমাদেরকে কেন ধরতে আসবে? আমরা কী করেছি?”

    আমি বললাম, “আমাদেরকে ধরতে আসছে না, এটা আসছে আমদের ব্ল্যাকহোলের বাচ্চা কেড়ে নিতে।”

    ফারা বলল, “সর্বনাশ!”

    বগা বলল, “এখন কী করব?”

    আমি বললাম, “পালা।” মিঠুন জিজ্ঞেস করল, “কোথায় পালাব?”

    ঝুম্পা এদিক সেদিক তাকাল তারপর দূরে সাদা মেঘের দিকে তাকিয়ে বলল, “চল ঐ মেঘের ভিতরে লুকিয়ে যাই।”

    “মেঘের ভিতরে?”

    “হ্যাঁ।”

    মিঠুনের মনে হল আইডিয়াটা পছন্দ হল। সে একটা হ্যান্ডেল টেনে ধরতেই ফ্লাইং মেশিন থরথর করে কেঁপে উঠে তারপর কাত হয়ে ঘুরে সেটা মেঘের দিকে ছুটে যেতে থাকে। আমরা পিছন ফিরে দেখলাম হেলিকপ্টারটা খুব জোরে আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে আমরা এখন হেলিকপ্টারের ইঞ্জিনের শব্দ শুনতে পেতে শুরু করেছি। মনে হচ্ছে এটা সোজাসুজি আমাদের দিকে এগিয়ে আসছে।

    মিঠুন ফ্লাইং মেশিনটার বেগ বাড়াতে থাকে, আমাদের মুখে বাতাসের তীব্র ঝাপটা এসে লাগল, আমরা প্রচণ্ড বেগে মেঘের দিকে ছুটে যেতে লাগলাম। কিন্তু হেলিকপ্টারটা আমাদেরকে প্রায় ধরে ফেলছে। আমরা হেলিকপ্টারের পাইলট, তার পাশে বসে থাকা একজন মিলিটারী ধরণের মানুষকে দেখতে পেলাম। পেছনে আরো কিছু মানুষ আছে, সবাই অবাক হয়ে আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে।

    মিঠুন হ্যান্ডেলটা টেনে রাখল আর হেলিকপ্টারটা যখন আমাদের খুব কাছে চলে এল তখন আমরা মেঘের ভেতর ঢুকে গেলাম। মেঘটা কী রকম হয় সেটা নিয়ে সব সময় আমার একটা কৌতূহল ছিল, মেঘের ভিতর ঢুকে পড়ার পর বুঝতে পারলাম এটা আসলে খুব ঘন কুয়াশার মত। আমরা ঘন কুয়াশার মত মেঘের ভিতরে সত্যি সত্যি লুকিয়ে যেতে পারলাম আর হেলিকপ্টারটা তখন থেমে গেল। এটা মেঘের বাইরে দাঁড়িয়ে রইল উপরে উঠল নিচে নামল আমাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করল কিন্তু আমাদের খুঁজে পেল না, আমরা ঘাপটি মেরে লুকিয়ে রইলাম।

    বেশ কিছুক্ষণ পর হেলিকপ্টারটা চলে গেল তখন আমরা খুব সাবধানে মেঘ থেকে বের হয়ে এলাম। এদিক সেদিক তাকিয়ে আমরা তখন আমাদের স্কুলে ফিরে যেতে থাকি।

    প্রথম দিন আমি আর মিঠুন যেভাবে হারিয়ে গিয়েছিলাম আজকেও আমাদের সেই একই অবস্থা হল, আমরা আবার হারিয়ে গেলাম। তবে আজকে আমাদের অবস্থা প্রথম দিনের মত তত খারাপ হল না। প্রথমত আজকে এখনো দিনের আলো আছে, নিচে দেখা যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত আজকে ছয়জন মানুষ থাকায় কোনদিকে যেতে হবে সেটা সবাই মিলে বের করে ফেলা যাচ্ছিল।

    শেষ পর্যন্ত যখন স্কুলটা পাওয়া গেল তখন অন্ধকার নেমে এসেছে। পরের দিন সাংবাদিক সম্মেলন করে সাংবাদিকদের ফ্লাইং মেশিনটা দেখার ঠিক করে আমরা স্কুলের ছাদে নেমে এলাম।

    ঠিক যখন ফ্লাইং মেশিনটা ছাদে নেমেছে, মিঠুন সুইচ অফ করে ইঞ্জিনটা বন্ধ করেছে তখন হঠাৎ চারপাশ থেকে কালো পোষাক পরা ডজন খানেক মানুষ হাতে ভয়ংকর ভয়ংকর অস্ত্র নিয়ে আমাদের উপর ঝাপিয়ে পড়ল। তারা আমাদের মুখ চেপে ধরে রাখল যেন আমরা চিৎকার করতে না পারি। আমাদেরকে টেনে হেঁচড়ে তারা নিচে নিয়ে বড় একটা গাড়িতে ঢুকিয়ে দেয়। কিছু বোঝার আগে ভিতরের মানুষগুলো আমাদের হাত পা বেঁধে মুখে টেপ লাগিয়ে দেয়।।

    আমরা হুটোপুটি করে ছাড়া পাওয়ার চেষ্টা করলাম, খুব একটা লাভ হল না। অবাক হয়ে দেখলাম উজন খানেক মানুষ আমাদের ফ্লাইং মেশিনটা ধরাধরি করে নামাচ্ছে। আমাদের গাড়ির পিছনে আরেকটা মিলিটারী ট্রাক, ফ্লাইং মেশিনটাকে সেখানে তুলে ফেলা হল। তারপর আমাদের গাড়িটি আর পিছু পিছু ট্রাকটা চলতে শুরু করে, আমাদের কোথায় নিচ্ছে আমরা সেটা বোঝার চেষ্টা করলাম কিন্তু খুব একটা লাভ হল না কারণ গাড়ি চলতে শুরু করতেই তারা আমাদের চোখ কালো কাপড় দিয়ে বেঁধে দিল।

    আমি বুঝতে পারলাম আমরা ভয়ংকর একটা বিপদের মাঝে পড়েছি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61 62 63 64 65 66 67 68 69 70 71 72 73 74 75 76 77 78 79 80 81 82 83 84 85 86 87 88 89
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রডিজি – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article ভূতের বাচ্চা সোলায়মান – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }