Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হামারটিয়া – শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য

    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প191 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হামারটিয়া – ১৪

    ১৪

    ‘তুমি বুঝতে পারছ যে, এই খবরটা একটা গোটা তদন্তের অভিমুখ পালটে দিতে পারে? এবং, আমায় সেটা জানানো হল না!’

    ‘ব্লাডি বাগার, আমি জানি না, কেন আমরা মিস করে গেছিলাম এটা! পারমিতা সান্যালকে ইন্টারোগেট করেছিল জুনিয়ার কেউ। আমি করিনি। আবার বলছি ইজি, আমরা শুরু থেকেই মার্ডারারকে পেয়ে গেছিলাম বলে অন্য সব অ্যাসপেক্ট অগ্রাহ্য করেছি। এত বোকাপাঁঠা ছিলাম, কী বলব বলো! নাম কা ওয়াস্তে স্টেটমেন্ট নিতে হয় বলে নেওয়া। যদিও ডিভোর্সের কথাটা পারমিতা পুলিশকে জানাননি। ফলে, এক্ষেত্রে কিছু করার নেই।’

    ‘যদি পারমিতা মুখার্জি আগে থেকে সব জানতেন, তাহলে মালিনীর পারমিতাকে বলে দেবার হুমকির কোনো অর্থ থাকে না। এবং, পারমিতা যদি অনিরুদ্ধকে ডিভোর্স দিতে রাজি থাকেন, তাহলে অনিরুদ্ধর মালিনীকে খুন করারও কারণ থাকে না।’

    ‘কিন্তু, মালিনী কি জানতেন যে, পারমিতা জানেন? অথবা, ডিভোর্স দিতে চেয়েছিলেন?’

    ‘যদি না জানেন, তাহলে অনিরুদ্ধ কেন তাঁকে জানাননি? তাহলে ডিভোর্স নিতে অনাগ্রহী আসলে ছিলেন অনিরুদ্ধ, তাই তো? কিন্তু তাহলেও, মালিনীকে তিনি খুন করবেন কেন? এমন তো নয় যে, মালিনী তাঁর কাছে তখন কোনো থ্রেট। অথবা, মালিনী সরে গেলে পারমিতা ফিরে আসতেন, এমনটাও মনে হয়নি আমার। তিনি ততদিনে মানসিকভাবে দূরে চলে গিয়েছিলেন। তারপরেও, মালিনীকে মৃত দেখে পারমিতার হৃদয় পরিবর্তন হবে এবং ফিরে আসবেন, এই নড়বড়ে আশার ওপর ভিত্তি করে অনিরুদ্ধ এত বড়ো ঝুঁকি নিতে গেলেন?’

    ‘আমার সব গুলিয়ে যাচ্ছে।’ হতাশায় হাতের তালুতে ঘুসি মারলেন জাভেদ। ‘তখন এই তথ্য আমি জানলে চার্জশিট ফেলার আগে শালা দু-বার ভাবতাম। দেখো, এই কেস আমাদের কাছে আসারই কথা নয়। ভবানীপুর থানার আন্ডারে পড়ে। কিন্তু, মালিনীর অফিসের বস আমাদের জয়েন্ট সিপি কল্যাণ নিয়োগীর স্কুলজীবনের বন্ধু ছিলেন। তিনি মালিনীকে অসম্ভব স্নেহ করতেন বলে শুনেছিলাম। তিনিই নিয়োগীর মাধ্যমে হোমিসাইডে কেসটা আনেন, যাতে প্রপার তদন্ত হয়। এবার, সেক্ষেত্রে এসব ছুটকো জিজ্ঞাসাবাদের কাজ লোকাল থানাই করবে। আর্কাইভ গেলে রেকর্ডে পেয়েও যাব কে করেছিল। কিন্তু, পেয়ে লাভটা কী? সেই মাল কেন এই তথ্য ওভারলুক করে গিয়েছিল, সেটা পঁচিশ বছর পরে তাকে চার্জ করে কী বাঘ মারা হবে? দায়সারা স্টেটমেন্ট নিয়েছে পুলিশ, বোঝেইনি কোন তথ্য কীসে কাজে লাগবে। যেহেতু অপরাধী ততদিনে আমাদের জিম্মায়।’

    ‘এমনকী অ্যালিবাই অবধি মন দিয়ে দেখোনি তোমরা। যে পাঁচজন সাসপেক্ট, অনিরুদ্ধ সান্যালকে বাদ দিলে বাকি চারজনের কথা ভেবে দেখো। শতদ্রু দত্ত নিজের বাড়িতে ছিলেন। কে সাক্ষী? কেউ না। দেবারতি অধিকারী ছিলেন বারাসাত কলেজে সিম্পোজিয়ামে। সেদিন সেমিনার চলছিল সারাদিন ধরে। দেবারতির টক ছিল পরেরদিন। সেদিন তিনি নিজের ঘরে বসে প্রেজেন্টেশন বানাচ্ছিলেন। আসলে কোথায় ছিলেন তার কে সাক্ষী আছে? অনুপ রুংতার ব্যাপারে বলেছি আগেই। পারমিতা মুখার্জি সেদিন মায়ের বাড়ি ছিলেন জানিয়েছেন। যোধপুর পার্ক থেকে ভবানীপুর এমন কিছু বিরাট দূরত্ব নয় যে, মাঝে একবার বেরিয়ে ফিরে আসা যাবে না। বাড়ির অন্যেরা তখন হয়তো দিবানিদ্রায়। ফলত, কারোর অ্যালিবাই টাইট নয় এবং পুলিশ এগুলো খতিয়ে দেখেনি।’

    ‘কিন্তু, মোটিভ কী?’

    ‘পারমিতা মিথ্যে বলতে পারেন। হয়তো মালিনীকে তিনি পথের কাঁটা মনে করেছেন। শতদ্রুর ক্ষেত্রে ঈর্ষা বা প্রতিহিংসা। রুংতার ক্ষেত্রে ঈর্ষা। দেবারতির ক্ষেত্রে পারিবারিক সম্মান, কারণ দেবারতি যেরকম মানুষ তাঁর কাছে সোশ্যাল প্রেস্টিজ বড়ো হয়ে দাঁড়াতেই পারে। যে কারণে নিজের মেয়ের বিরুদ্ধে গিয়ে পারমিতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। মৃত্যুর এত বছর পরেও মালিনীর প্রতি তিনি নরম নন। হয়তো স্ট্রোকটাও সেই অভিঘাতে। একটা কথা তো ঠিক জাভেদ, এরা প্রত্যেকে মিথ্যে বলেছে। ভেবেছে পুলিশ ধরতে পারবে না। এবং, পারেনি। কিন্তু, মিথ্যে যে বলেছে সেটা জলের মতো পরিষ্কার।’

    ‘কী মিথ্যে?’

    ‘তুমি নিজে ভাবলেই বুঝবে, কোথায় মিথ্যে। প্রত্যেকের বক্তব্যে অসংগতি ছিল। যাই হোক, আরও দু-জনের সঙ্গে কথা শেষ করে নিই। সাসপেক্ট তালিকা শেষ। বাকি দু-জন হলেই তারপর আমি ভাবতে বসব।’

    জাভেদ এবং ইম্যানুয়েল ভবানীপুরের রাস্তা দিয়ে হাঁটছিলেন। মালিনীদের পাশের পাড়া, এখান দিয়ে সোজা এগোলে ল্যান্সডাউন পেরিয়ে পেয়ারাবাগান বস্তি যাওয়া যায়। ইম্যানুয়েল থমকে দাঁড়িয়ে জোরে শ্বাস নিলেন। ‘কেন গাড়ি ছেড়ে হাঁটলাম, জানো? এসব পাড়ায় নব্বই-এর দশক এখনও থমকে আছে। এখনও কোনো গলিপথ দিয়ে গেলে তোমার কানে আসবে পাশের বাড়ি থেকে রেডিয়োতে ভেসে আসা কুমার শানু অথবা কিশোরী আমনকরের গান। এখানে অভিজাত বাড়িগুলোরও অনেকের কাছে ডেলিকেসি হল শ্রীহরির কচুরি। আর, এই কলকাতা আমায় আকর্ষণ করে। এখান থেকে জীবনেও অন্য কোথাও নড়তে পারলাম না।’

    ‘চেয়েছিলে কি? যখন ভলান্টারি নিলে, চাইলেই ইউরোপ চলে যেতে পারতে। তোমার অনেকে তো ওদিকে—’

    ‘হ্যাঁ, আমার পিতামহের এক ভাই বার্লিন চলে গিয়েছিলেন। তিনি হলোকস্ট সারভাইভর ছিলেন। তাঁর পরিবার এখন তেল আভিভে। আরও কিছু ছড়িয়ে- ছিটিয়ে আছে। যোগাযোগও আছে হালকা, আগে বেশি ছিল। কিন্তু, আমার আগ্রহ হয়নি। আমার কাছে ইজরায়েল যা, বুরুন্ডিও তাই। অচেনা, অন্যের।’ ইম্যানুয়েল হঠাৎ দাঁড়িয়ে জোরে শ্বাস নিলেন। জাভেদের হাত ধরে টানলেন। ‘চলো তো একবার।’

    ‘কোথায়? ইজরায়েলে?’

    ‘মালিনীর বাড়িটা আরেকবার দেখা দরকার।’

    আজ দরজা খোলা, তবে গেটে আগের দিনের মতোই তালা। কলিং বেল শুনে গেটের সামনে এসে দাঁড়ালেন শতদ্রু দত্ত এবং জাভেদদের দেখে তাঁর ভুরু কুঁচকে গেল। ‘আবার কীসের দরকার?’ ইম্যানুয়েল জানালেন, আরেকবার মালিনীর ঘর দেখতে চান। শতদ্রু ক্রুদ্ধ ভঙ্গিতে ঘাড় ঝাঁকালেন। ‘দেখুন মশাই, পুলিশে আমাদেরও জানাশোনা আছে। দেবারতিদি লালবাজারে ফোন করেছিলেন। ওরা তো শুনে আকাশ থেকে পড়ল। আপনাদের কথা কেউ জানেই না। কী উদ্দেশ্য আপনাদের? আগের দিন ক্রেডেনশিয়াল দেখিনি। আজ দেখতে চাইব। এভাবে আমাদের হ্যারাস করার মানে কী?’

    ইম্যানুয়েলের অনেকটা সময় লাগল শতদ্রুকে বোঝাতে। তিনি কিছুতেই রাজি হবেন না। আঙুল নাড়িয়ে শাসানির ভঙ্গিতে বলছিলেন যে, তিনি পুলিশে যাবেন। ইম্যানুয়েলরা ফিরেই আসতেন, কিন্তু তখন শতদ্রুর পেছনে এসে দাঁড়াল সাম্য। সে বাবাকে নীচুস্বরে কিছু বলল। শতদ্রু রেগে চিৎকার করলেন, ‘যা বোঝো না, তা নিয়ে নাক গলিয়ো না। চান করে মাথা মোছোনি কেন? নিউমোনিয়া হয়ে পড়ে থাকলে এই বয়েসে তোমায় নিয়ে আমি হাসপাতাল ছুটতে পারব না।’ সাম্য উত্তেজিত হল না। বোঝা যায়, সে এসব সামলে অভ্যস্ত। বাবার হাতে হাত রেখে আবার কিছু বোঝাল। শতদ্রু বিদ্বেষের চোখে ইম্যানুয়েলের দিকে তাকালেন। ‘টিকটিকি এসেছে! অন্যের পাঁক ঘেঁটে আনন্দ পায়। নষ্টামির সীমা থাকা দরকার।’ তারপর মিলিয়ে গেলেন বাড়ির অন্ধকারে। ইম্যানুয়েল একইরকম বিনীত ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে। দেখে মনে হল না, এসব কথায় তাঁর কিছু আসছে-যাচ্ছে। সাম্য তাঁদের ভেতরে আসতে বলল। জাভেদের ঠোঁট নড়ছিল, মনে হচ্ছিল ‘ব্লাডি’ জাতীয় কিছু বলতে চান। তারপর চেপে গেলেন।

    ‘বাবার ব্যবহারে প্লিজ কিছু মনে করবেন না। অনেক বছরের তিক্ততা আর অবসাদ, সে মুখে যতই অস্বীকার করুক, আমি তো জানি! এখন অচেনা কাউকেই সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে না।’ মালিনীর ঘরের তালা খুলে বলল সাম্য।

    ‘আর, আপনার দিদা?’ ইম্যানুয়েল ভেতরে ঢুকে খাটের ওপর বসলেন। জাভেদ বাইরে। এর মধ্যেই দু-বার হেঁচেছেন ধুলোয়।

    সাম্যর চোখ নরম হল। ইম্যানুয়েলের মুখোমুখি চেয়ারে বসে বলল, ‘সেদিন যা-ই বলি না কেন, দিদা আমায় অনেক প্রশ্রয় দিয়েছে ছোটোবেলা থেকে, সেটা তো ঠিক। আমায় নিয়মিত টিনটিন কিনে দেওয়া, ‘আনন্দমেলা’ পড়ানো, স্কুলের পড়া ধরা অত ব্যস্ততার ভেতরেও, দিদাই করেছে। মা সময় পেত না, আর যেন ধরেই নিয়েছিল, আমার পড়াশোনার দিকটা দিদা দেখবে। দিদাও আমায় বার বার বলত, মায়ের সময় নেই, কাজকর্ম নিয়ে ব্যস্ত, তাই আমি যেন মা-কে বিরক্ত না-করে দিদার কাছে থাকি। পরে বুঝেছি, দিদা চাইত না মায়ের প্রভাব আমার ওপর পড়ুক। আমাকে নিজের মতো করে মানুষ করতে চাইত, যেটা দিদার মনে হত ঠিক। বাবার বাড়ি যখন থাকতাম, অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম কখন দিদার বাড়ি আসব। কারণ, বাবা গল্পের বই পড়তে দিত না। বলত, নাটক, নভেল পড়লে স্কুলের পড়াশোনার ক্ষতি হবে। আর, সারাক্ষণ শরীর খারাপের বাতিক— ঠান্ডা লেগে যাবে, পেটখারাপ হবে। দিদার বাড়ি সে-তুলনায় খোলামেলা। পড়াশোনার শাসনের বাইরে অন্য কিছু ছিল না। মা তো ছেড়েই দিলাম, আমার বন্ধু ছিল মা, কিন্তু দিদাও কখনো বলেনি, কেন অঙ্ক ছেড়ে দুপুর বেলা ‘ছুটি ছুটি’ দেখছি। তাই বাবার কাছে বায়না করতাম, ‘আমায় মায়ের বাড়ি রেখে আসো।’ দিদা তখন হয়তো একটা বই পড়ছে, আমি চুপি চুপি ঘরে ঢুকে দিদার পিঠের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তাম আর দিদা চমকে উঠে বলত, ‘ওরে দুষ্টু, তুমি বাবার থেকে পালিয়ে এসেছ বুঝি? আচ্ছা, এসেছিস যখন, চল একটা চ্যাপলিনের সিনেমা দেখি দু-জন মিলে।’ তখন আমার ওসব বোঝার বয়েস নয়। তবু হাঁ করে গিলতাম, দিদা বুঝিয়ে দিত। আমার মনের জানালা খোলার চেষ্টা চালাত দিদা। তবে, লাভের লাভ যে কিছু হয়নি, দেখতেই পাচ্ছেন।’ সাম্যর হাসিতে তিক্ততা ছিল না, অমলিন বেদনা বরং। ইম্যানুয়েলের মনে হল, এই ছেলেটা তার হাসি দিয়ে ভুবন জয় করে নিতে পারে।

    ‘আপনি তো চাইলে এখনও শুরু করতে পারেন নতুন করে। বয়েস তো বেশি হয়নি।’

    ‘আমি চাই। খুব বেশি করেই চাই। আপনাকে বলেছিলাম, সুযোগ থাকলে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতাম। কিন্তু, আমার চাকরি নেই, মিস্টার গুহ! আর, সেটা বাদে নিজের পায়ে দাঁড়াবার জন্য আলাদা কী করব, আমি জানি না। ভয়ও লাগে, একা থাকতে গেলে আবার যদি অ্যাডিকশন ফিরে আসে? অনেকদিন ক্লিন আছি, আমি আর ঝুঁকি নিতে চাই না।’ ইম্যানুয়েল ঘড়ি দেখলেন, এগারোটা তিরিশ। এই সময়ে সাম্যর মতো ছেলেদের কাজকর্মে থাকার কথা। তার বদলে বাড়িতে বসে আছে।

    ‘আচ্ছা, আপনার দিদা যখন বাইরে যেতেন, ধরুন সেমিনারের সূত্রে, ঘর কি তালাবদ্ধ থাকত? মনে আছে আপনার?’

    ‘হ্যাঁ। দিদা নিজের কাগজপত্র, বই, কম্পিউটার এসবের ব্যাপারে খুব পজেসিভ। অন্য কেউ হাত দিলে বিরক্ত হত। বরাবর তালা লাগিয়ে যেত।’

    ‘আমরা এসেছিলাম নির্মলা ঢালির ব্যাপারে খোঁজ করতে। যিনি বাড়ি ঢুকে আপনার মায়ের ঘরের দরজা বন্ধ দেখেছিলেন। নির্মলাদি মারা গেছেন, তাঁর ছেলেকে পেয়েছি। তাঁর কাছে যাচ্ছিলাম, মাঝে মনে হল, আরেকবার এই ঘরটা দেখে যাই। নির্মলাদিকে কি আপনি চিনতেন?’

    ‘হ্যাঁ। তবে, মা মারা যাবার পর ও এই বাড়িতে কাজ করতে চায়নি। ওদের নানাবিধ কুসংস্কার থাকে। তার ওপর পুলিশ কড়া জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল, ওর বর তাতে অশান্তি করে, চাপ দেয় কাজ ছাড়বার জন্য। তার পরেও অবশ্য কয়েক বার এসেছে। পুজোতে দিদাকে প্রণাম করতে আসত ছেলেকে নিয়ে। আমার জন্য একবার তারাপীঠ থেকে প্রসাদ এনেছিল। সেও অনেকদিন হয়ে গেল। নির্মলাদি মারা গেছে সেটাই জানতাম না, এই আপনি বললেন।’

    ইম্যানুয়েল খাটের মাথার দিকে সাম্যকে জানালা খুলতে বললেন। খুলতে বেগ পেতে হচ্ছিল। পান্না বসে গেছে। কয়েক বার ধাক্কাধাক্কিতে খুলল। উলটোদিকে কয়েক সার বাড়ি। তাদের পেছনে পুকুর। কয়েক জন মহিলা বাসন ধুচ্ছেন, জামাকাপড় কাচছেন। ১৯৯৮ সালেও কি এই ভিউই ছিল? ‘মোটামুটি একই। এই পাড়া বিশেষ পালটায়নি। তবে, প্লট কিছু ফাঁকা ছিল। ওই ডান দিকের ফ্ল্যাটটা নতুন। ওটা ফাঁকা জায়গা ছিল।’ বলল সাম্য। একটা সুরেলা স্বর আসছে কোথাও থেকে। সা রে গা মা। ইম্যানুয়েল কান পেতে শুনলেন। সাম্যর দিকে তাকালে সে হাসল, ‘সরকারদের বাড়ি। ওদের মেয়েটা রিয়্যালিটি শো-গুলোতে যাবার বায়না ধরেছে বলে বাপ-মা পয়সা দিয়ে মাস্টার রেখেছে। সকাল বেলা ঝাড়া দু-ঘণ্টা রেওয়াজ করে।’

    ‘আচ্ছা, সুইচবোর্ডের উচ্চতা কত? এনি আইডিয়া?’

    আচমকা এমন প্রশ্নে সাম্য হকচকিয়ে গেল। তারপর নিজেকে সামলে বলল, ‘মেপে তো দেখিনি। তবে পুরোনো বাড়ি, সবই উঁচুতে। তা ধরুন,’ চোখের আন্দাজে সাম্য বলল, ‘ছ-ফুট মনে হচ্ছে, না?’

    ‘হ্যাঁ, আমারও সেরকম মনে হচ্ছে।’ ইম্যানুয়েল উঠে পড়লেন। ‘অনেক ধন্যবাদ, সাম্য। আপনি সাহায্য না-করলে হয়তো ঢুকতে পারতাম না। বাবাকে বলবেন, যেন কিছু মনে না করেন। আজ আর আপনার দিদার সঙ্গে দেখা করলাম না। ওঁর শরীর ঠিক আছে তো এখন?’

    ‘আছে মোটামুটি। দিদার এখন বই পড়ার সময়। কেউ এলে বিরক্ত হয়।’ নীচে নেমে ইম্যানুয়েল বিদায় নেবেন, সাম্য বলল, ‘একটা কথা, আমি কিন্তু খুশি হয়েছি আপনারা এটা নিয়ে তদন্ত শুরু করায়। মা-কে তো সবাই ভুলেই গিয়েছিল, আর নয়তো মনে রেখেছে খারাপ মেয়ে হিসেবে। যদি মায়ের অন্যদিকগুলো উঠে আসে— আপনাদের বলেছি, মা ছবি আঁকতে ভালোবাসত। সুন্দর আঁকতও। সেসব খাতা চিলেকোঠার ট্রাঙ্কে তোলা আছে। আমার আঁকার স্কুলে ভরতি হওয়া মায়ের উৎসাহেই। আমি বড়ো বয়েস অবধি মায়ের ড্রয়িং খাতাগুলো বারে বারে উলটেপালটে দেখতাম। আমি চাই আপনারা সত্যিটা বার করুন।’

    ‘সে কি পঁচিশ বছর আগেই বেরোয়নি?’

    ‘যদি অন্য কিছু হয়েও থাকে, মা সেটা ডিজার্ভ করে। আর, সত্যিটা আগে বেরিয়ে গেলে আপনারা আজ এখানে আসতেন না, তাই না?’

    ‘সত্যির খোঁজকেই কি ন্যায় বলে আপনার মনে হয়, সাম্য?’ ইম্যানুয়েল যেন নিজেকেই প্রশ্ন করলেন। উত্তর শোনার দরকার তাঁর ছিল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন
    Next Article কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }