Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হামারটিয়া – শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য

    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প191 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হামারটিয়া – ৩

    ৩

    মালিনী অধিকারীর পিতামহ বিশিষ্ট ব্যারিস্টার দুর্গাদাস অধিকারী ভবানীপুরের পদ্মপুকুরের কাছে তাঁদের বাসভবন বানিয়েছিলেন। দুর্গাদাসের দুই সন্তান। জ্যেষ্ঠপুত্র নারায়ণদাস বহুদিন প্রবাসে থেকে সেখানেই মারা গেছেন। কনিষ্ঠ পুত্র শিবদাস অধিকারী সরকারি হাসপাতালের ই.এন.টি. সার্জন। শিবদাস বিয়ে করেছিলেন দেবারতি মুখার্জিকে। দেবারতি ছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজের ফিজিক্সের অধ্যাপক। তাঁদের একমাত্র সন্তান মালিনী ১৯৬২ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পরিবারের পদাঙ্ক অনুসরণ করে মালিনীও পড়াশোনায় কৃতিত্বের অধিকারী হয়েছিলেন। আলিপুর মাল্টিপারপাস স্কুল, তারপর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ডিগ্রি নিয়ে বেরিয়ে মালিনী চাকরি করছিলেন এক বহুজাতিক কনসালটেন্সি ফার্মের কলকাতা শাখায়। শিবদাস অধিকারী দীর্ঘজীবী হননি। পিজি-তে ক্লাস নেবার সময়ে ম্যাসিভ স্ট্রোক। মাত্র চুয়ান্নতে চলে যান। মালিনী তখন তেইশ, সবে চাকরিতে ঢুকেছেন।

    ১৯৮৭ সালে মালিনীর বিয়ে হয় শতদ্রু দত্তর সঙ্গে। শতদ্রু ছিলেন দেবারতির ছাত্র। তাঁর বাড়িও কাছেই বেলতলা রোডে। সেইসময়ে শতদ্রু ঝাড়গ্রাম কলেজে ফিজিক্সের লেকচারারের পদে আসীন ছিলেন। বিয়েটা প্রেম করেই বলা যায়, যদিও দুই পরিবারের মধ্যস্থতায় প্রেমটা হয়েছিল। মালিনী যখন সেকেন্ড ইয়ারে, শতদ্রু যাদবপুরে একটা সেমিনারে গিয়েছিলেন, যেখানে দেবারতি ছিলেন প্রেজেন্টার। শতদ্রু তখন সবে পিএইচ.ডি.-তে ঢুকেছেন। তখন থেকে আলাপ-পরিচয়। ছয় বছরের একটা নির্ঝঞ্ঝাট প্রেমের পর নিরুপদ্রব বিয়ে, যেরকম হয় আইডিয়াল গল্পে। মালিনী তখন চাকরি করছেন মন দিয়ে। দেবারতির রিটায়ারমেন্টের ন-বছর বাকি। শতদ্রু ঝাড়গ্রাম থেকে সপ্তাহান্তে আসতেন। মালিনীও যেতেন কখনো। সপ্তাহের বাকি সময়টা ভাগাভাগি করে ভবানীপুর আর বেলতলা রোডের শরিকি বাড়িতে থাকতেন। শতদ্রুরও বাবা ছিলেন না, বাল্যকালেই মারা যান। থাকার মধ্যে মা। সাবেকি আমলের শরিকি বাড়িতে সম্ভবত কিছু গণ্ডগোল ছিল। মালিনীর মতো শিক্ষিত স্বাধীনচেতা মেয়েকে ভবানীপুরের ঘটিবাড়ি গ্রহণ করতে প্রস্তুত ছিল না। শতদ্রু চাইতেন মালিনী মানিয়ে নিন। মালিনীও চেষ্টা করেছিলেন শুরুর দিকে। তারপর তাঁর মন বসেনি। তখন থেকে মায়ের বাড়িতেই থাকতে শুরু করেন। শতদ্রু এলে কখনো কখনো গিয়ে বেলতলার বাড়িতে থাকতেন। শতদ্রু খুশি হননি এই ব্যবস্থায়, কিন্তু প্রাথমিক আপত্তির পর না-মেনে তাঁর উপায় ছিল না। দেবারতি কী ভেবেছিলেন, রিপোর্টে উল্লেখ নেই।

    মালিনী আর শতদ্রুর সন্তান সাম্যব্রতর জন্ম হয়েছিল ১৯৯০ সালের জানুয়ারি মাসে। তার একবছরের মাথায় কলকাতার মণীন্দ্র কলেজে শতদ্রু বদলি হয়ে আসেন। কিন্তু, সব রূপকথার শেষটা যেহেতু গল্পের মতো হয় না, এক্ষেত্রেও সেই নিয়ম মেনে মালিনী আর শতদ্রুর দাম্পত্যে অশান্তি ঘনিয়ে এসেছিল। মালিনীকে বম্বে ট্রান্সফার করার কথা হচ্ছিল প্রোমোশন দিয়ে। শতদ্রু সেটায় বাধা দেন। তাঁর যুক্তি ছিল, মালিনীর চাকরি নিয়ে তাঁর আপত্তি নেই, কিন্তু দু-জনে দু-জায়গায় থাকা যাবে না। নাহলে, অতটুকু বাচ্চাকে কে দেখবে? মালিনী চেয়েছিলেন সাম্যকে নিয়ে যেতে। শতদ্রুকেও তিনি বলেন যে, বম্বেতে অধ্যাপনার কাজ তাঁর জুটে যাবে, দরকারে কিছুদিন পর আসুন। কিন্তু, শতদ্রু রাজি হননি। তিনি কলকাতা ছেড়ে, সর্বোপরি নিজের মাকে ছেড়ে, অতদূরে যেতে প্রস্তুত ছিলেন না। এক্ষেত্রে শতদ্রুকে সমর্থন করেন দেবারতিও। মা এবং স্বামীর চাপে মালিনী প্রোমোশনটা নেন না। কিন্তু, এর ফল ভালো হয়নি। শতদ্রুর সঙ্গে তাঁর খিটিমিটি বাড়তেই থাকে এবং একসময়ে চরমে পৌঁছোয়। মালিনীর অভিযোগ ছিল শতদ্রু তাঁর কেরিয়ার নষ্ট করেছেন আর শতদ্রু বলতেন মালিনী নিজের কাজকে ধ্যানজ্ঞান করতে গিয়ে জলাঞ্জলি দিয়েছেন সংসার। একটা সময়ে দু-জনে আলাদা হবার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু, ডিভোর্স নেননি সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে। সাম্যকে নিয়ে মালিনী ১৯৯৪ সালে পাকাপাকিভাবে ভবানীপুরের বাড়িতে ফিরে আসেন। কিন্তু, দু-জনের কেউই চাননি এই তিক্ততা সাম্যকে অ্যাফেক্ট করুক। তাই সাম্যকে নিয়মিতভাবে মালিনী তার বাবার বাড়িতে পাঠাতেন। দেবারতি এই বিচ্ছেদ পছন্দ করেননি, এবং দায়ী করেছিলেন তাঁর মেয়েকেই। হয়তো ভেবেছিলেন যে, সময়ের সঙ্গে আবার জোড়া লেগে যাবে। কিন্তু, সেটা হয়নি অনিরুদ্ধ সান্যালের কারণে।

    বিচ্ছেদের পর মালিনী কিছুদিনের জন্য ডিপ্রেশনে চলে যান। যদিও ডাক্তার দেখাননি কোনো, কিন্তু তাঁর বন্ধুবান্ধবেরা বলেছিলেন যে, মালিনী সেইসময় থেকেই রাত্রে ঘুমোতেন না। সময়ে-অসময়ে কান্নাকাটি করতেন। তাঁর চোখের নীচে স্থায়ী হয়ে বসছিল রাত্রিজাগরণের কালো দাগ। খাওয়া কমিয়ে দিয়েছিলেন, পাল্লা দিয়ে বেড়েছিল নেশা করা। অফিসে রাত পর্যন্ত কাজে ডুবে থাকতেন, বাড়ি ফিরতেন মদ খেয়ে। এই অবস্থায়, ১৯৯৫-এর শেষের দিকে তাঁর আলাপ হয় অনিরুদ্ধর সঙ্গে। অনিরুদ্ধ সান্যাল ছিলেন জেভিয়ার্সের ইংরেজির তুখোড় ছাত্র, অধ্যাপক পি লাল-এর প্রিয় শিষ্যদের একজন। কলকাতার এক নামি অ্যাড এজেন্সিতে তখন ক্রিয়েটিভ ডায়রেক্টর। তখন অনিরুদ্ধর বয়েস বিয়াল্লিশের আশপাশে, বিবাহিত এবং দুই সন্তানের পিতা। মালিনী তখন একা, অবসাদগ্রস্ত, সন্তান এবং চাকরি নিয়ে নিজের মতো করে লড়ে যাচ্ছেন। অনিরুদ্ধর সঙ্গে তিনি প্রবলভাবে জড়িয়ে গেলেন। বলা যায়, অনিরুদ্ধকে আঁকড়ে ধরেই অবসাদ থেকে বেরিয়ে আসছিলেন মালিনী। পরবর্তীতে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদেও মালিনীর ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছিলেন যে, অনিরুদ্ধর প্রতি মালিনীর ভালোবাসা এবং আনুগত্যে কখনো টোল খায়নি। একই কথা অনিরুদ্ধর সম্পর্কেও বলা যায় কি না, সে-বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যায়।

    এই সম্পর্ক অনিরুদ্ধর দিকে গোপন থাকলেও মালিনীর দিকে থাকেনি। অনিরুদ্ধ শুরু থেকেই পরিবারের কথা ভেবে লুকিয়ে রাখতে চেয়েছিলেন, তাই দু-জনে গোপনে দেখা করতেন। কিন্তু, দেবারতির কাছে মালিনী লুকোতে পারেননি। অশান্তি শুরু হয়। দেবারতি মালিনীকে চাপ দিয়েছিলেন এই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য। ক্রমে শতদ্রু জানতে পারেন এবং তাঁর সঙ্গে ও মালিনীর মনোমালিন্য আবার নতুন করে শুরু হয়েছিল। মালিনী তখন ডিভোর্স চান। কিন্তু, শতদ্রু কিছুতেই সম্মত হননি। অন্যদিকে, অনিরুদ্ধ প্রবলভাবে চাইছিলেন তাঁর সংসারে যেন এই ঝড় না-আসে। মালিনী শুরুর দিকে সেটা মেনেছিলেন- তাঁর যা ব্যক্তিগত ঝড়ঝাপটা যায় যাক, অনিরুদ্ধকে যেন তা স্পর্শ না-করে। এমনকী, দেবারতি ও শতদ্রুর নাকের ডগা দিয়ে মালিনী অনিরুদ্ধর সঙ্গে কাঠমান্ডু ঘুরতে চলে গিয়েছিলেন, কিন্তু অনিরুদ্ধর পরিবার জানতে পারেনি। কিন্তু, ১৯৯৮ সালের গোড়ায় মালিনী অনিরুদ্ধকে জানান, তাঁর দিকে সবাই যখন জেনেই গেছে, আর লুকোছাপার অর্থ হয় না। তিনি আর নিত্যকার অশান্তি সহ্য করতে পারছেন না। মালিনী বলেন, তিনি অনিরুদ্ধকে বিয়ে করতে চান, নিদেনপক্ষে একসঙ্গে থাকতেও বাধা নেই। দরকার পড়লে নরক থেকে হলেও শতদ্রুর থেকে ডিভোর্স তিনি আদায় করবেন। কিন্তু, অনিরুদ্ধকেও নিজের পরিবার ছেড়ে বেরিয়ে আসতে হবে। অনিরুদ্ধ এতটার জন্য প্রস্তুত ছিলেন না। তিনি সময় চাইছিলেন। বারে বারে এটা-ওটা ছলছুতোয় নিজের সিদ্ধান্তকে ঝুলিয়ে রাখছিলেন। সেটা নিয়ে মালিনীর সঙ্গে তাঁর তীব্র ঝগড়া শুরু হয়। একটা পর্যায়ে গিয়ে মালিনী আত্মহত্যার কথাও ভেবেছিলেন। তারপর বলেন, এবার তিনি অনিরুদ্ধর স্ত্রী পারমিতা সান্যালের কাছে গিয়ে সবটা খুলে বলবেন। অনিরুদ্ধ রাগের মাথায় মালিনীকে খুন করার হুমকি দিয়েছিলেন। সেটার সাক্ষী মালিনীর স্কুলজীবনের বন্ধু সুচন্দ্রা। সুচন্দ্রার ফ্ল্যাটে তাঁর সামনে এই অশান্তি হয়েছিল। পরে অবশ্য মাথা ঠান্ডা হলে অনিরুদ্ধ ক্ষমা চেয়ে নেন। কিন্তু, তার পর আরও অন্তত একবার যে তিনি মালিনীকে দেখে নেবার হুমকি দিয়েছিলেন, সেটা সুচন্দ্রাকে জানিয়েছিলেন মালিনী।

    ১৯৯৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর একটা ফিজিক্স সিম্পোজিয়ামে যোগ দিতে দেবারতি বারাসাত গিয়েছিলেন। ফেরার কথা ছিল ২১ তারিখ। সাম্য তখন কয়েক দিনের জন্য শতদ্রুর বাড়িতে ছিল। ফাঁকা বাড়িতে মালিনী অনিরুদ্ধকে রাত্রে ডেকে আনেন। প্ল্যান ছিল, শুক্রবার রাত এবং শনিবার সারাদিন কাটিয়ে অনিরুদ্ধ বাড়ি ফিরবেন। অনুপান ছিল চাট, অঢেল মদ এবং গাঁজা। অনিরুদ্ধর বয়ান অনুযায়ী, গভীর রাত পর্যন্ত তাঁরা ভিসিআরে হিচককের সিনেমা দেখেছিলেন কয়েকটা। তারপর উদ্দাম যৌনতা শুরু হয়। মালিনী বিডিএসএম পছন্দ করতেন। হাত বেঁধে ব্লাইন্ডফোল্ড করে দু-জনে বার বার মিলিত হয়েছিলেন। পরদিন সকাল পর্যন্ত এই চলে, সঙ্গে নেশা। বেলা বাড়লে ক্লান্ত হয়ে পড়েন দু-জনে। সামান্য খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। তার আগে দু-জনে ঘুমের ওষুধও খেয়েছিলেন।

    মালিনী বাড়ির কাজের লোকেদের ছুটি দিয়েছিলেন। বিকেল চারটের সময়ে ঠিকে মাসি নির্মলা ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। তাঁর মনে পড়েছিল, তিনি সোয়েটার ফেলে গেছিলেন। সেটা আনতে বাড়ির ভেতরে ঢোকেন এবং মালিনীর নাম ধরে ডাকাডাকি করেন। সাড়া না-পেয়ে দোতলায় উঠে দেখেন মালিনীর ঘরের দরজা বন্ধ। কয়েক বার ডাকাডাকির পর দরজা খোলেননি। নির্মলা ফিরে আসবেন ভেবেছিলেন, কিন্তু তাঁর সন্দেহ হয়েছিল। তিনি আরও কিছু সন্দেহজনক দেখেছিলেন যেটার উল্লেখ জাভেদের ফাইলে নেই। জাভেদ এই জায়গায় পেনসিলে মন্তব্য লিখেছেন, ‘নির্মলা ঢালিকে আমি জিজ্ঞাসাবাদ করিনি। লোকাল থানার যে ইনস্পেকটর করেছিলেন, তিনি দায়সারা রিপোর্ট লিখেছেন।’ এরকম খাপছাড়া রিপোর্ট, যেগুলো রুটিনমাফিক লিখতে হয়, নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। অনেকেই রিপোর্টে খুঁটিনাটি লেখে না, বিশেষত যে কেসের অপরাধী ধরা পড়েছে আগেই। যাইহোক, ভয় পেয়ে নির্মলা চেঁচিয়ে ওঠেন এবং পাড়ার লোকেদের ডেকে আনেন। সবাই এসে দরজা ধাক্কিয়ে

    বোঝে ভেতর থেকে বন্ধ। তখন দরজা ভাঙা হয়। ভেতরে ঢুকে দেখা যায়, সদ্য নিদ্রোত্থিত অনিরুদ্ধ নগ্নদেহে হতভম্বের মতো বসে আছেন, তাঁর পাশে কম্বলচাপা মালিনী। সেই কম্বল রক্তে ভিজে, ঘরের মেঝেতেও চাপ চাপ রক্ত। রক্তে মাখামাখি বিছানা। কম্বল তুলে দেখা যায়, সম্পূর্ণ বিবস্ত্র মালিনী বাঁ-দিকে কাত হয়ে শুয়ে, তাঁর কাঁধ আর গলার সন্ধিস্থলে একটা ছুরি গিঁথে অনেকটা ভেতরে ঢুকে গেছে। বোঝা যাচ্ছে দেহে প্রাণ ছিল না। ঘরে অন্য দরজা ছিল না, তবে অ্যাটাচড টয়লেট ছিল। সেখানে একটা শিক দেওয়া জানালা।

    পুলিশ সেই রাত্রেই অনিরুদ্ধকে গ্রেপ্তার করে। চার্জশিট দিতে দেরি হয়নি। অনিরুদ্ধর পক্ষে কেস সাজাবার বিশেষ জায়গা ছিল না। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত অনিরুদ্ধ সান্যাল ছাড়া পান ২০১২ সালে। ততদিনে তাঁর পরিবার তাঁকে ত্যাগ করেছে। হাওড়াতে নিজের পৈতৃক বাড়িতে ফিরে যান অনিরুদ্ধ। ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে জাভেদ আহমেদকে নীচের চিঠিটা তিনি পাঠিয়েছিলেন।

    মিস্টার আহমেদ,

    আমাকে আপনার মনে থাকবে কি না জানি না। আমি অনিরুদ্ধ সান্যাল, ১৯৯৯ সালে মালিনী অধিকারী হত্যাকাণ্ডে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত প্রাক্তন কয়েদি। আপনি এই কেসের ইনভেস্টিগেটিং অফিসার ছিলেন। অনেক কষ্টে আপনার ঠিকানা জোগাড় করেছি। আমি কম্পিউটারে সড়োগড়ো নই। যখন থেকে আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে কম্পিউটার আসতে শুরু করল, সেইসময়টায় জেলের ভেতর ছিলাম বলে ট্রেনিং পাইনি। তাই আপনাকে ই-মেল করতে পারলাম না। আশা করি, এই চিঠি আপনার কাছে পৌঁছোবে।

    মিস্টার আহমেদ, এই চিঠি ডাকে ফেলে আমি আত্মহত্যা করব। কিন্তু, সেই কারণে আপনাকে লিখছি না। সহানুভূতি পাবার জন্যেও না। আমার ল্যাং ক্যান্সার ধরা পড়েছে, কিন্তু চিকিৎসার অর্থ আমার কাছে নেই। আমি বহুদিন কর্মহীন। সেটা ছাড়াও এরকম ঘূর্ণিত নিঃসঙ্গ জীবনের আলাদা করে মূল্য আমার নিজের কাছেই নেই। এতদিন অভ্যাসে বেঁচেছি। কারোর সঙ্গে মিশতাম না, বা, বলা ভালো, তারা আমার সঙ্গে মিশত না। নিজের বাড়িতে প্রায় বন্দি থেকেছি বলা যায়। মাঝে মাঝে বেরিয়ে দোকান-বাজার করলে লোকে এড়িয়ে যেত, অদ্ভুত চোখে তাকাত। কাজেই, যন্ত্রণা না-বাড়িয়ে চুপচাপ সরে যাওয়া সবথেকে যুক্তিগ্রাহ্য বলে আমার মনে হয়েছে। সত্তর বছর বয়েসে পৌঁছে এখন আমি নতুন করে কোনো সারপ্রাইজ গিফট জীবন থেকে আশা করতে পারি না।

    আমি আপনাকে চিঠি লিখছি অন্য কারণে। মালিনীকে হত্যার রাত্রে আমি ঘুমিয়ে ছিলাম এবং আমার মনে নেই কী ঘটেছিল, বলেছিলাম আমি। সেটা ভুল নয়। সত্যিই আমার মনে ছিল না। কিন্তু, তার পরে এতগুলো বছর ধরে সেই রাত ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে অনেক ভেবেছি। মনে করার চেষ্টা করেছি। কিছু টুকরো ঘটনা মনে এসেছে, যেগুলো আগে ভুলেছিলাম। কিন্তু, কোনো স্মৃতিতেই মালিনীকে হত্যার দৃশ্য নেই। আজ আমি নিঃসংশয়, আমি অপরাধী ছিলাম না। আমি যদি এত বড়ো কাজটা করতাম, তার স্মৃতি তখন না-এলে আমার মনের ভেতর অন্তত সুপ্ত থাকত, এবং পরে কখনো-না-কখনো জেগে উঠতই। কিন্তু, স্মৃতিতে একদম নেই, এটা হতে পারে না। এখন এই কথাগুলো বলার অর্থ নেই, কারণ আমি সাজা ভোগ করে ফেলেছি। কোনো লাভও হয়তো নেই, নতুন করে তো আগের জীবন ফিরে পাব না! কিন্তু যেটা ঘটেনি, সেটার দায় নিয়ে আমি মরব না। অন্তত, একজনের কাছে স্বীকার করে যেতে চাই যে, আমি অপরাধী ছিলাম না। প্রথমে ভেবেছিলাম, মালিনীর ছেলে সাম্যকে চিঠি লিখে যাব। ও আমার ছোটোমেয়ের বয়েসি। কিন্তু সে কোথায়, আদৌ এখানে থাকে কি না, আমি জানি না। তার ওপর, আমার সম্পর্কে ওদের যা ধারণা, হয়তো নাম দেখেই চিঠি ছিঁড়ে ফেলবে। আপনি ইনভেস্টিগেটিং অফিসার ছিলেন, তাই আপনার কাছে এ কথা বলে যাই। আবার, এবং আবারও, যে, না, মালিনীকে আমি হত্যা করিনি। আমি ওকে ভালোবাসতাম। আমার নিজের মতো করেই বাসতাম, হাজার সীমাবদ্ধতা নিয়েও। কিন্তু, যাকে ভালোবাসতাম, তাকে খুন করা সহজ কাজ নয়, মিস্টার আহমেদ। প্রায় অসম্ভব।

    এই চিঠি পেয়ে আপনার কিছুই করার নেই, আমি জানি। এত পুরোনো কেস নিয়ে খোঁড়াখুড়ি কেউ চালাবে না। আপনি চাইলে এই চিঠি ফেলে দিতে পারেন। মৃত্যুর পর আমার কিছু আসে যায় না। তবে, নিজেকে এখন হালকা লাগছে। মালিনীর সঙ্গে তাড়াতাড়ি আমার দেখা হবে।

    নমস্কার নেবেন,
    অনিরুদ্ধ সান্যাল।

    খিদিরপুরে নিজের দু-কামরার ঘুপচি ফ্ল্যাটে বসে ফাইলটা একাধিকবার পড়লেন ইম্যানুয়েল। বাইরে তখন সন্ধে ঘনিয়ে এসেছে। ইম্যানুয়েল উঠে নিজের জন্য এককাপ কালো কফি বানালেন। ঘরের টেবিল-আলমারি-খাটে স্তূপীকৃত বইদের দিকে তাকিয়ে ইম্যানুয়েলের মনে হল, মালিনী অধিকারীর গল্প তিনি সারাজীবন ধরে বার বার শুনে আসছেন। পড়ার টেবিলের লাগোয়া দেওয়াল জীর্ণ হলুদ, পেন দিয়ে অসংখ্য নাম আর ফোন নাম্বার লেখা। দেওয়ালে টাঙানো একটা ছবি, ধূসর হয়ে এসেছে। সালোয়ার-কামিজ পরা তরুণী এক শিশুকে কোলে তুলে হাসছেন। মার্গারেট এলিয়াস ছিলেন ১৮৮৩ সালে আলেপ্পো থেকে কলকাতায় আগত বেঞ্জামিন নিসিম এলিয়াসের চতুর্থ প্রজন্ম। এলিয়াস পরিবারের রিয়েল এস্টেট ব্যাবসার মূল অফিস ছিল ডালহৌসিতে। পাঁচের দশকে কলকাতার ইহুদিরা একে একে আমেরিকা, ইংল্যান্ড এবং ইজরায়েলে মাইগ্রেট করে গেলেও মার্গারেট যাননি। তাঁর পরিবারের বড়ো ব্যাবসা গুটিয়ে ফেলা সম্ভব ছিল না তখনই, তার ওপর মার্গারেট ততদিনে স্কটিশ চার্চের ইতিহাসের ছাত্র তমোনাশ গুহকে ভালোবেসে ফেলেছেন। বালিগঞ্জে থিতু তাঁর ধনী পরিবারের কিছুটা অমতেই মার্গারেট তমোনাশকে বিয়ে করেন। মার্গারেট পড়াতেন সেন্ট স্টিফেন্স স্কুলে, আর তমোনাশ এশিয়াটিক সোসাইটিতে চাকরি করতেন। ১৯৫৭ সালে তাঁদের একমাত্র সন্তানের জন্ম। তমোনাশ মার্গারেটের ধর্মাচরণ ও নিজস্ব সংস্কৃতিতে বাধা দেননি, সন্তানের নাম ইম্যানুয়েল রাখাতেও না— তিনি ছিলেন ধর্মীয় বিশ্বাসহীন মানুষ। ছেলেকে বলেছিলেন, তার পরিচয় হিন্দু নাকি ইহুদি, বাঙালি না অন্য কিছু, সেটা সে নিজেই ঠিক করবে বড়ো হয়ে। অপরদিকে, মার্গারেট ছেলেকে তোরা তালমুদের পাঠ দিয়েছেন, ম্যাগেন ডেভিড সিনাগগে নিয়ে গেছেন নিয়মিত। কলকাতায় অষ্টাদশ শতকের প্রথম ভাগে রাব্বাই এলিয়াজার হাকোহেন-এর প্রকাশিত প্রায় পনেরোটা মতো হিব্রু ভাষার বই, ততদিনে তাদের মলাট ছিঁড়ে পাতা হলুদ হয়ে গেছে, বাড়িতে রাখতেন মার্গারেট, ছেলেকে পড়াতেন, ইহুদি স্তোত্র পিজমনও। সাবাথের খাবার, কিদ্দুশ পাঠ, প্রদীপ জ্বালানো— মার্গারেট চেষ্টা করতেন যতটা পারা যায়। কারণ, তিনি অনুভব করতেন, বাঙালি হিন্দুসমাজ তাঁকে মেনে নেয়নি, তমোনাশের পরিবারও না। তমোনাশ বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন। আনওয়ার শাহ রোডের ভাড়াবাড়িতে বসে মার্গারেটের বার বার মনে হত, নিজের ধর্মবিশ্বাস আঁকড়ে রাখাটাই কি আত্মরক্ষার বর্ম হতে পারে? তমোনাশ ছেলেকে বলে গিয়েছিলেন তাঁর মৃত্যুর পরে যেন শ্রাদ্ধ না হয়। কিন্তু, মার্গারেটের শেষ ইচ্ছে অনুযায়ী তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়েছিল রিচুয়াল মেনে, ৪৫ নম্বর নারকেলডাঙা মেইন রোডে ইহুদি কবরখানায়। সেটা ১৯৯১ সাল। তমোনাশ আরও পাঁচ বছর বেঁচে থাকবেন।

    ছবির দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে ছিলেন ইম্যানুয়েল। মায়ের মুখ তাঁর স্মৃতিতে আবছা হয়ে এসেছে। দেওয়ালের ছবিতে অথবা পুরোনো অ্যালবামের পাতায় তরুণী মা আর শেষবেলার লিভার সিরোসিস আক্রান্ত প্রৌঢ়ার ভেতর সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। ঘরের আলো জ্বালিয়ে জানালার ধারে নিজের প্রিয় চেয়ারে বসে ইম্যানুয়েল দেখলেন, মুন্সিগঞ্জের ব্যস্ত রাস্তায় জনস্রোত নেমেছে। কাছাকাছি কোথাও লাউডস্পিকার থেকে গাঁক গাঁক করে ভেসে আসছে জনসভার আহ্বান। ফ্ল্যাটের নীচে ফিরোজ বিরিয়ানির দোকান থেকে মনমাতানো খুশবু পাক দিচ্ছে আকাশে। বইপত্রে স্তূপাকৃতি টেবিলের কিছুটা জায়গা পরিষ্কার করে ইম্যানুয়েল দাবার বোর্ড পাতলেন। আজ আলেখিন ডিফেন্সের একটা ভ্যারিয়েশন পরীক্ষা করে দেখবেন। কালো বোড়ে এগিয়ে তন্ময় হয়ে বোর্ড দেখলেন ইম্যানুয়েল। চূড়ান্ত অ্যাগ্রেসিভ আক্রমণের বিরুদ্ধে কীভাবে একটা ওয়াটারটাইট রক্ষণ মিডবোর্ডে নিজের আধিপত্য বজায় রাখতে পারে? এবং, রাত জেঁকে বসল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন
    Next Article কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }