Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হামারটিয়া – শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য

    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প191 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হামারটিয়া – ৪

    ৪

    অমিয় বিশ্বাস অবসর নিলেও স্মৃতি প্রখর। সহজেই মালিনী অধিকারীর কেস মনে করতে পারলেন। তারপর অবাক হয়ে তাকালেন— জাভেদের মাথাটা কি গেছে? সলড ফাইল কেন রিওপেন করাতে চাইছেন? জাভেদ এবং ইম্যানুয়েল সময় নিয়ে ব্যাখ্যা করলেন, ফাইল খোলানোর কোনো ইচ্ছে তাঁদের নেই। তাঁরা শুধুমাত্র এক মৃত মানুষের শেষ ইচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে পুরো কেস রিকনস্ট্রাক্ট করছেন, যাতে সমাধান ওয়াটারটাইট হয়। বিশ্বাস কতটা সন্তুষ্ট হলেন বোঝা গেল না। নিজের মনে হুঁহ্ বললেন। মোবাইলে সময় দেখে জানালেন, সন্ধে সাতটা থেকে ন-টা, এই দু-ঘণ্টা ধরে তিনি দেড় পেগ স্কচ খান। তারপর ডিনার। চুয়াত্তর বছরের শরীরে এখনও রোগব্যাধি বিশেষ ধরেনি মাপা নিয়মের কারণে। অতিথিরা যোগ দেবেন নিশ্চয়?

    ‘আমি শুধু কালো কফি। চিনি ছাড়া।’ অমায়িক গলায় বললেন ইম্যানুয়েল।

    ‘আমার চলতে পারে। আপনার মনে থাকবে, ইজি বরাবর টিটোটালার ছিল।’

    ‘কিন্তু, আপনাকে আমি সিসিলে দেখেছি অনেকবার।

    ‘কলিগ বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে গেছি অনেক। কলকাতার এমন কোনো বার নেই যেখানে আমি যাইনি। গিয়ে কফি বা ফ্রেশ লাইম সোডা নিয়ে বসে থেকেছি।’ বিশ্বাসের অনুমতি নিয়ে সিগারেট ধরালেন ইম্যানুয়েল।

    পানীয় গুছিয়ে দু-জনের মুখোমুখি বসলেন বিশ্বাস। ‘অনিরুদ্ধ সান্যাল তাহলে ইহজগতে নেই! কী আর বলব! অত সুপুরুষ — গায়ের রং দেখেছেন? ফেটে পড়ছে। লালচে চুল। পেটানো চেহারা। আমাদের ছোটোবেলায় স্কুল পালিয়ে গ্লোবে নিয়ম করে হলিউডের সিনেমা দেখতে যেতাম। বার্ট ল্যাংকাস্টারকে মনে আছে? অনিরুদ্ধকে ওরকম দেখতে ছিল।’

    ‘পারমিতা আর মালিনী বাদে অন্য কোনো মহিলাঘটিত ব্যাপারে কি জড়িয়েছিলেন?’ ইম্যানুয়েল প্রশ্ন করলেন। কিন্তু, সান্যাল মাথা নাড়লেন, অত কিছু মনে রাখা সম্ভব নয়। তা ছাড়া, এই কেসের প্রেরোগেটিভের মধ্যে সেসব পড়েও না।

    ‘আপনার কী মনে হয়? অনিরুদ্ধই খুনটা করেছিলেন?’

    বিশ্বাস হাসলেন, ‘গল্প, উপন্যাসের ডিটেকটিভ সাজতে চাইছেন নাকি? লাভ হবে না। জাভেদবাবু জানেন, এমন ওয়াটারটাইট কেস কমই আসে। অনিরুদ্ধর উকিল ছিল সুদেব চন্দ। ভালো ছেলে। বেলগাছিয়াতে বাড়ি ছিল। অকালে মরল, হেপাটাইটিস বি। তো, সুদেবের মুখের অবস্থা আমার স্পষ্ট মনে আছে। ভাবটা হল, কত তাড়াতাড়ি কোর্টরুম থেকে বেরোবে। ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি- ও তো মনে হয় গিলটি প্লিড করতে চাইছিল। সান্যাল রাজি হয়নি।’

    ‘এটা অদ্ভুত লাগেনি আপনার? অনিরুদ্ধ তাঁর বয়ানে বলেছিলেন যে, খুন করা তাঁর পক্ষে অসম্ভব নাও হতে পারত, কারণ তাঁর মনে নেই কী ঘটেছিল। সেক্ষেত্রে তিনি গিলটি প্লিড করলেন না কেন?’

    বিশ্বাস ঠোঁট ওলটালেন, ‘কত কী ঘটে মানুষের মনে! হয়তো ভেবেছিল সুদেব ছাড়িয়ে আনবে। কেউ পারে ছাড়াতে? বন্ধঘরের ভেতর দু-জনে বসে আছে—’ জাভেদের দিকে ফিরলেন বিশ্বাস, ‘স্ক্যান্ডালাস কেস কিন্তু, মশায়! ভিকটিম আর মার্ডারার, দু-জনেই কমপ্লিট নেকেড। সারাগায়ে অত আঁচড়- কামড়। আজকের দিন হলে ডিজিটাল মিডিয়া ফেটে পড়ত।’

    ‘আমরা মিডিয়াকে এসব তথ্য দিইনি। অনিরুদ্ধ সান্যালের কোম্পানির এম.ডি. পুলিশমন্ত্রীকে দিয়ে লালবাজারে অনুরোধ করিয়েছিলেন, তাঁদের সংস্থার সুনামের কথা ভেবে যদি ওই পার্টগুলো বাদ দেওয়া যায় প্রেসের সামনে। এমনকী কে কত নেশা করেছিলেন, সেসবও জানাইনি। ওই কারণে তখন অত হইচই হয়নি।’ বললেন জাভেদ।

    ‘মার্ডার ওয়েপন নিয়ে একটা বক্তব্য কাগজে বেরিয়েছিল, মনে আছে। সান্যালের বয়ান অনুসারে, সেটা নাকি রাখা হয়েছিল, ওই কী বলে যেন—’

    ‘বিডিএসএম।’

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, ওসবের জন্য। বাবা, নামই শুনিনি এর আগে! বড়োলোকদের ব্যাপার-স্যাপার। মার্ডার ওয়েপনে ওই কারণে সান্যাল এবং ভিকটিম দু-জনেরই হাতের ছাপ মিলেছিল। ডিফেন্সের ওটা একটা পয়েন্ট ছিল। ধোপে টেকেনি।’

    ‘আঁচড়-কামড়ের ব্যাপারটা কী?’ ইম্যানুয়েল আগ্রহী হলেন।

    ‘আজকালকার ছেলেমেয়েরা যাকে ‘লাভ বাইটস’ বলে। ওটাও সুদেবের পয়েন্ট ছিল। সান্যালের বুকে, পেটে অসংখ্য টাটকা চিহ্ন। মালিনীরও তাই। তার মানে, দু-জনের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিক্রমে যৌনতা হয়েছিল। সুদেব যেটা এস্টাবলিশ করতে চাইছিল তা হল যে, দু-জনে পরস্পরের সম্মতিতে মিলিত হয়েছে একাধিকবার। তার মানে, মালিনীর ওপর কোনো বলপূর্বক অত্যাচার বা ধর্ষণ হয়নি। এই সেট-আপে স্ট্যাবিং বিশ্বাসযোগ্য নয়। মালিনী আত্মহত্যা করেছে, এটা ছিল সুদেবের বক্তব্য। বালির বাঁধের মতো ডিফেন্স, বুঝতেই পারছেন। ডাক্তারি রিপোর্ট স্পষ্টই আত্মহত্যার তত্ত্ব খারিজ তো করেইছিল, জজসাহেবও হেসে ফেলেছিলেন সুদেবের আর্গুমেন্ট শুনে, এখনও মনে আছে।’ গ্লাসে চুমুক দিয়ে ইম্যানুয়েলকে বিশ্বাস বললেন, ‘একটা সিগারেট দিন তো। ডাক্তারের বারণ যদিও, তবে মাঝেমধ্যে এক-আধটা খেলে কিছু হয় না।

    সিগারেট দিয়ে ইম্যানুয়েল প্রশ্ন করলেন, ‘অনিরুদ্ধর অপরাধ সম্পর্কে আপনি তাহলে নিঃসংশয় ছিলেন?’

    ‘দেখুন, টিপিক্যাল অপরাধী তো নয় যে, আটঘাট বেঁধে খুন করতে নামবে। রাগের মাথায় করে ফেলেছে। কিছুদিন ধরে দু-জনের মধ্যে ঝগড়া চলছিল। এসব পরকীয়া কেসে আমি যা দেখেছি, হয়তো গ্রস জেনারালাইজেশন, তবে মেয়েটা সব কিছু ছেড়ে বেরিয়ে আসতে প্রস্তুত থাকে আর ছেলেটা নিজের দিকের সমস্ত কিছু বাঁচিয়ে তবে প্রেম করতে চায়। হয়তো সব ক্ষেত্রে নয়, তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই। অনিরুদ্ধ কলকাতার অ্যাড জগতে বিগ শট ছিল। কেরিয়ার, পরিবার, সব কিছু স্টেকে ছিল তার। মালিনীকে খুনের হুমকি দিয়েছিল, সেটা এমনি এমনি নয়।’

    ‘সেই স্টেক কি মালিনীর ছিল না?’

    ‘কীসের স্টেক! তার বিয়ে তো ততদিনে ভেঙেই গেছে। তার ক্ষেত্রে অন্তত নিজের বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসার ভয় নতুন করে ছিল না। আপনার অ্যাঙ্গলটা বুঝতে পারছি। কিন্তু, পুলিশ অন্য কাউকে কেন সন্দেহ করবে? অন্য কেউ

    করে থাকলে সে বন্ধঘর থেকে বাইরে বেরোল কীভাবে? ছিটকিনি তুলে বাঁকানো ছিল।’ বিশ্বাস কথাগুলো জাভেদের দিকে তাকিয়ে বললেন। হতাশ ভঙ্গিতে দু-হাত তুললেন জাভেদ। এই জায়গাটায় এসে সবাই আটকে যাবেই। বিশ্বাস আবার ইম্যানুয়েলের দিকে ফিরলেন, ‘কিন্তু আপনার হল কী, মশায়? শুনেছিলাম তো আমাদের জগৎকে টাটা, বাইবাই করেছিলেন। আবার এতদিন পরে —।’

    হাসলেন ইম্যানুয়েল, ‘এখনও যে এই কেস নিয়ে নাড়াঘাঁটা করবই, এমন নিশ্চয়তা নেই। জাভেদের কথায় একবার দেখা করতে এসেছি বলতে পারেন। আমরা অনেকদিনের জুটি ছিলাম।’

    ‘মনে আছে। আপনারাই তো বউবাজারের জোড়া মার্ডার সল্ভ করেছিলেন। তারপর বড়ুয়া ফ্যামিলির বধূহত্যা–কিন্তু, আপনি দুম করে রিটায়ার করলেন কেন? আমরা স্তম্ভিত হয়ে গেছিলাম।’

    ইম্যানুয়েল স্মিতমুখে নীরব থাকলেন। তাড়াতাড়ি উত্তর দিলেন জাভেদ, ‘আরে ইজি-র ইন্টারেস্ট চলে গিয়েছিল। আমারও মাইরি শেষের দিকে আর টানতে ইচ্ছে করত না। কিন্তু পাপী পেট, বোঝেনই তো।’

    ‘তা বটে। যাকগে, যা বলছিলাম। বন্ধঘরের ভেতর দু-জনকে পাওয়া গেলে অন্য মার্ডারের কথা কেনই-বা কেউ ভাববে?’

    ‘বন্ধঘরের প্রসঙ্গ নিয়ে আমি ভাবিনি।’ বললেন ইম্যানুয়েল। ‘অন্তত, এখনই না। আমি আপনাকে যেটা প্রশ্ন করতে চাই, ধরুন বন্ধঘর নয়, খোলাঘর। সেখানে খুনটা হয়েছে। সেক্ষেত্রে কাদের ওপর সন্দেহ পড়তে পারে?’

    ‘এই প্রশ্ন আমাকে কেন? জাভেদবাবুই তো আছেন উত্তর দেবার জন্য। কী, আপনি বলবেন নাকি কিছু?’

    গ্লাস নামিয়ে গলা খাঁকড়ালেন জাভেদ। ‘সম্ভাব্য প্লেয়ার ছিল চারজন। অনিরুদ্ধ নিজে। শতদ্রু দত্ত। দেবারতি অধিকারী। পারমিতা সান্যাল।’

    ‘কিন্তু, পারমিতা তো জানতেন না। অনিরুদ্ধ এত কিছু করলেন তাঁর ফ্যামিলির গায়ে যেন আঁচ না-পড়ে, সেজন্যেই। তাই না? সেটাই পুলিশের দাবি ছিল।’

    ‘জানতেন কি না, আমার এখন মনে পড়ছে না। তবে, তর্কের খাতিরে ধরে নিতে হবে যে, খুনের মোটিভ তাঁর ছিল। যদি তিনি জানতেন।’ বললেন বিশ্বাস।

    ‘অনিরুদ্ধ সান্যালের সঙ্গে কথা বলে আমার তখন মনে হয়েছিল, অনিরুদ্ধ হয়তো একটা সময় অবধি বিয়ে থেকে বেরোনোটা নিজের অপশনে রেখেছিলেন। পরে সেখান থেকে ঘুরে মালিনীর বিরুদ্ধে অল আউটে যান।’ অস্বস্তিতে নড়েচড়ে বসলেন জাভেদ। ‘যদি সত্যিই অল আউটে গিয়ে থাকেন। আমি সিরিয়াসলি জানি না। আমি তখনও নিঃসংশয় ছিলাম না। আমার ষষ্ঠেন্দ্রিয় বলছিল, অনিরুদ্ধ হত্যাকারী নন। খুব জঘন্য রিজনিং, না?’

    ‘কিন্তু, পারমিতা যদি সত্যিই আগে থেকে জেনে থাকেন, তাহলে খুনের মোটিভ দুর্বল হয়ে যায় না কি? মালিনী অনিরুদ্ধকে হুমকি দিয়েছিলেন যে, পারমিতাকে তিনি জানিয়ে দেবেন। এখন দেখা যাচ্ছে, পারমিতা আগেই সব জেনে বসে আছেন। তাহলে নতুন করে কোন ড্যামেজ বাঁচাবার জন্য অনিরুদ্ধ খুনটা করলেন?’

    সময় নিয়ে অমিয় বিশ্বাস স্কচের গ্লাসে চুমুক দিলেন। গলায় ঢেলে কিছুটা সময় চোখ বুজে স্থির হয়ে থাকলেন। তারপর তাঁর অপেক্ষাকৃত ছোটো বাঁ-চোখ খুলে গেল। একটা ছোট্ট নিশ্বাস ফেলে বললেন, ‘এত সব পুরোনো স্মৃতি বেরিয়ে আসছে! পারমিতা সান্যাল আগে থেকে জানতেন কি না, সে-তথ্য পুলিশ ফাইলে থাকার কথা। কিন্তু হ্যাঁ, তিনি না-জানলেও অন্য কারণে অনিরুদ্ধর ভয় থাকতেই পারে। কে বলতে পারে, মালিনী বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের মামলা করতেন না? বা, অনিরুদ্ধর অফিসে জানাতেন না? অথবা, পারমিতা জানলে তিনি অনিরুদ্ধর অফিসে জানাতে পারতেন। নব্বইয়ের দশকের কর্পোরেট কালচার এখনকার মতো ছিল না। তাদের কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত জীবনে কোনো অসংগতির অভিযোগ এলে সামাজিক সম্মানের স্বার্থে অনেক কোম্পানিই স্টেপ নিত। তার ওপর অনিরুদ্ধর বড়োমেয়ের বয়েস তখন বারো। সব কিছু বোঝার পক্ষে যথেষ্ট বয়েস। মেয়েদের সামনে বাবার এরকম ইমেজ হোক সেটা কেউই চাইবে না।’

    ‘এটাই আমাদেরও লজিক ছিল। কিন্তু, তখন মোটিভ গুরুত্বপূর্ণ ছিল না এটা সত্যি, কারণ ওই পরিস্থিতিতে অনিরুদ্ধকে পাওয়া গেলে তিনি বাদে আর কে হত্যাকারী হবেন?’ জাভেদ বললেন।

    ‘তবে, আপনি আরেকজনকে ভুলে যাচ্ছেন।’ মুচকি হাসলেন বিশ্বাস। ‘আমার মেমারি কিন্তু এই বয়েসেও বেশ ইয়ে… অনুপ রুংতাকে ভুলে গেলেন?’

    ‘ঠিক। খেয়ালই ছিল না, মাইরি। আমার কাছে যা ফাইলপত্র আছে, সেখান থেকে রুংতার বয়ান কেন জানি না বাদ পড়ে গিয়েছে।’

    ‘রুংতা কে?’ ইম্যানুয়েল জানতে চাইলেন।

    ‘মালিনীর অফিসে কাজ করত। প্রেমে পড়েছিল ওর। মালিনী যদিও পাত্তা দেয়নি। আজকের ভাষায় যাকে বলে স্টকার, রুংতা ছিল তাই। মালিনীকে অনেকবার প্রস্তাব দিয়েছিল দু-জনে কোথাও ঘুরে আসার। প্রত্যাখ্যাত হবার পর মালিনীর পিছু ধাওয়া করে ওর বাড়ির ঠিকানা জেনে নিয়েছিল। কয়েক বার ল্যান্ডলাইনে ফোন করেছে, মালিনী ফোন ধরার পর রেখে দিয়েছে। জানত না, মালিনীর বাড়ির ফোনে সিএলআই বসানো ছিল। নাম্বার ট্রেস করে মালিনী অফিসে জানায়। ম্যানেজার ডেকে কড়া ধমক দেন রুংতাকে। তার কিছুদিনের মধ্যে রুংতা চাকরি ছেড়ে নিজের ব্যাবসা শুরু করে। মালিনীর সঙ্গে আবার যোগাযোগ করেছিল। ওর বয়ান অনুসারে, মালিনী ঠান্ডা ব্যবহার করেছিল তখনও, যদিও অভদ্রতা করেনি। এরকম প্রোফাইলের কেউ সন্দেহভাজন হবেই। কিন্তু আবারও, মোডাস অপারেন্ডি কী ছিল?’

    অমিয় বিশ্বাসের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ইম্যানুয়েল অন্যমনস্কভাবে রাস্তা দেখছিলেন। অটোদের লাইন এড়িয়ে ফুটপাথে উঠে জাভেদ বললেন, ‘এরপর?’

    ‘কত কিছু পালটে গেছে! এই এলাকায় বহু বছর পর এলাম।’

    ‘তুমি কি এই কেস নিয়ে আগ্রহী?’

    ‘পাত্রপাত্রীদের কেউ কেউ মৃত, কেউ হয়তো ভুলে গেছে অনেক কিছু। আমি নিজেও রিটায়ার্ড হার্ট, আগেই বলেছি। আমার বয়েস বেড়েছে।’ ল্যাম্পপোস্টের আলো ইম্যানুয়েলের চশমার মোটা কাচে ঠিকরে এসে চিকচিক করছিল। ‘তুমি নিজে পারতে না?’

    ‘আরে ভাই, আমি পারলে তখনই পেরে যেতাম। কিন্তু, আমি তোমায় জোর করব না। প্রত্যেকটা কেসের মেরিট আলাদা। শুধুমাত্র আমার খাতিরে তোমাকে তদন্ত করতে হবে না। নিজের যদি মনে হয়, তাহলেই এগোও।

    ‘আমায় একটা কথা বলো। এখন যদি আমরা এই কেসের পাত্রপাত্রীদের কাছে যাই, কী বলে যাব? তারা আমাদের এন্টারটেইন করবে কেন? আমরা তো আর ডিপার্টমেন্টের কেউ না। এত বছর পর নতুন করে অপ্রিয় স্মৃতিকে খুঁচিয়ে বার করতে অনেকেই চাইবে না।’

    ‘সেটা আমিও ভেবেছি। এক্ষেত্রে সত্যিটাই বলে দেওয়া ভালো। আমরা অনিরুদ্ধ সান্যালের শেষ ইচ্ছেকে সম্মান দিয়ে রিকনস্ট্রাক্ট করতে চাই। তাতে যদি কেউ রাজি না হয়, ওয়েল, ভাড়মে যায়ে।’ জাভেদ কাঁধ ঝাঁকালেন, ‘তিনি কথা বলবেন না। আমি বড়োজোর অনুরোধই করতে পারি। পুরোনো কনট্যাক্টস কাজে লাগানো যায়, হয়তো এ.সি.পি.-র থেকে একটা নোট জোগাড় করে নিলাম, যাতে লোকাল থানাকে সহযোগিতা করতে বলা হয়েছে। কিন্তু, বড়ো দরকার না-পড়লে সেদিকে যেতে চাইছি না, তাতে বেকার জলঘোলা হবে। অন্যভাবে চেষ্টা করব সাক্ষীদের দিয়ে কথা বলানোর। কিন্তু, তার আগে আমায় তো নিশ্চিত হতে হবে যে, এই কেস তুমি নিচ্ছ।’

    ‘আমার খটকা লাগছে, মূলত একটা বিষয়ে, যা আমায় টানছে।’

    ‘চিঠি?’

    ‘না। ডাইং স্টেটমেন্ট হিসেবে ধরলেও তার গুরুত্ব নেই। অনেক কারণেই অনিরুদ্ধ লিখতে পারেন ওকথা। হয়তো সত্যিই তাঁর মনে নেই যে, তিনি খুন করেছেন। অথবা, মৃত্যুর আগে একবার শেষ চেষ্টা হিসেবে সবটা আরেকবার ঘেঁটে দিতে চেয়েছিলেন। হতেই পারে। কাজেই, এই চিঠিকে আমি গুরুত্ব দিচ্ছি না। আমাকে ভাবাচ্ছে অন্য একটা জিনিস। বাড়ির মেইন দরজা কেন খোলা থাকবে?’

    ‘এটা আবার কোথায় জানা গেল?’

    ‘মৃতদেহ আবিষ্কার করেছেন বাড়ির ঠিকেমাসি। তিনি সোয়েটার আনতে বিকেল বেলা বাড়ির ভেতর ঢোকেন। কীভাবে ঢুকলেন? বাড়িতে অন্য কেউ নেই। মালিনী আর অনিরুদ্ধ দোতলার ঘরে। তাহলে, হয় দরজা খোলা থাকবে আর নয়তো সেই মাসির কাছে বাড়ির চাবি থাকবে। এই দ্বিতীয় সম্ভাবনা একদমই বিশ্বাসযোগ্য নয়, কারণ অস্থায়ী কাজের মাসির কাছে সাধারণত কেউ বাড়ির চাবি দিয়ে তখনই যাবে যখন সে নিজে বাড়ি থাকবে না। কিন্তু, এখানে মালিনী নিজে দোতলায় ব্যক্তিগত মুহূর্ত কাটাচ্ছেন। তিনি চাইবেন না হুট করে সেইসময়ে বাড়িতে অন্য কেউ ঢুকে পড়ুক। তাই, বাড়ির দরজা খোলা ছিল ধরে নিতে হবে।

    মাথা নাড়লেন জাভেদ, ‘এবার মনে পড়েছে। পুলিশ প্রশ্ন করেছিল। সেই মাসি, নির্মলা ঢালি, তিনি বলেছিলেন যে, মেইন দরজা খোলা ছিল। তিনি ভেবেছিলেন, বাড়িতে কেউ এসেছে। কিন্তু তারপর, মেইন দরজা কেন খোলা ছিল সে-বিষয়ে আমরা আর কাকেই বা জিজ্ঞাসাবাদ করব! খুললে মালিনীই খুলে রাখবেন। তিনি তখন মৃত।’

    ‘খুলে রাখলে, কেন খুলে রেখেছিলেন? কারোর আসার জন্য অপেক্ষা করছিলেন কি? কিন্তু, অপেক্ষা করলে নিজের ঘরে নগ্ন হয়ে ঘুমোবেন না। দেখো, দোতলার ঘরের দরজা বন্ধ করে যদি দু-জন মানুষ অন্তরঙ্গ সময় কাটায়, তাহলে তারা এত কেয়ারলেস হবে না যে, বাড়িতে ঢোকার দরজা খুলে রাখবে। বাড়ির নিরাপত্তা একটা বিষয় তো বটেই, এ ছাড়া যে কেউ ওপরে উঠে এসে তাদের ঘরের দরজা ধাক্কাতে পারে। বরং, মেইন দরজা বন্ধ করে ঘরের দরজা খোলা রাখলে সেটার তবু অর্থ হয়। কিন্তু, এখানে হয়েছে উলটো। মালিনী আর অনিরুদ্ধ যদি ঘরের দরজা নিয়ে এত সতর্ক হন, বাড়ির মেইন দরজা নিয়ে কেন হলেন না?’

    ‘আমি জানি না। সিরিয়াসলি, অত মাথা ঘামাইনি তখন। তোমার কী মনে হয়?’

    ‘জানি না। কিন্তু, আমাকে এটাই ভাবাচ্ছে। এই প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর পেলে আমি বাকি অনুসন্ধান থামিয়ে দেব। কিন্তু, যতক্ষণ না পাচ্ছি, আমায় কিছুটা খোঁজ চালিয়ে যেতে হবে।

    জাভেদের মুখ উজ্জ্বল হল। মৃদুস্বরে বললেন, ‘থ্যাঙ্ক ইউ।’

    ‘মালিনীর ছেলে এবং স্বামী, তাঁদের সম্পর্কে কিছু জানা গেছে? প্রথমে এদের সঙ্গে কথা বলতে চাই।’

    ‘বেঁচে আছে কি না, থাকলে কলকাতায় থাকে কি না, জানি না। কিন্তু, হুলিয়া পাতা বার করে নেব। দু-দিন সময় দাও।’

    উবারে উঠে সিগারেট ধরিয়ে ইম্যানুয়েল বললেন, ‘আমি ক্লান্ত। সুগারটা বেড়েছে মনে হচ্ছে। একটু চোখ বুজলাম। খিদিরপুর এলে জাগিয়ে দিয়ো।’

    ‘তোমার শরীর কেমন যাচ্ছে, ইজি?’

    ‘ফার্স্ট ক্লাস। আমায় দেখে অসুস্থ লাগছে কি?’

    ‘তোমার মনে নেই, বহু বছর আগে ডিপার্টমেন্টে যখন আমাদের প্রথম দেখা হয়েছিল, তোমার চোখ ছিল হলুদ। সেটা ১৯৮৯। তুমি সবে জন্ডিস থেকে উঠেছ। আমি ডিউটি শেষে মদ খেতে বেরোচ্ছিলাম, বাস্টার্ড তুমিও সঙ্গে এলে। আমি আঁতকে উঠে বলেছিলাম, এই শরীরে মদ খাবেন না। উত্তর না-দিয়ে হেসে ফেলেছিলে। তখন জানতাম না, সিসিলে তোমার জন্য কালো কফির বন্দোবস্ত সবসময় রাখা থাকে।’

    ‘মনে ছিল না।’ হাসলেন ইম্যানুয়েল। ‘এখন মনে পড়ল। তার কয়েক দিন পর তোমার বিয়ে ছিল। আমরা সবাই মিলে বর্ধমান গেলাম। রাবেয়ার কি আমাকে মনে আছে? বহু বছর হয়ে গেল, তোমার বাড়ি যাইনি।’

    ‘অনেকগুলো বছর কেটে গেছে,ইজি। ব্লাডি পৃথিবী বুড়ো হয়ে গেছে, বুঝলে?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন
    Next Article কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }