Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    হামারটিয়া – শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য

    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প191 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হামারটিয়া – ২

    ২

    ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে ডিডি হোমিসাইডের অবসরপ্রাপ্ত ইনস্পেকটর জাভেদ আহমেদের ঠিকানায় একটা হাতে-লেখা চিঠি পৌঁছোলে জাভেদ অবাক হলেন, কারণ ডিজিটাল যুগে এরকম চিঠি আসা প্রায় লুপ্ত হয়ে গেছে। তারপর প্রেরকের নাম দেখে তাঁর মনে হল আগে কোথায় যেন শুনেছেন। অবশেষে খাম খুলে চিঠিটা পড়তে গিয়ে নিশ্চিতভাবে মনে পড়ল তাঁর। হাতে চিঠি ধরে চোখ বুজে বসে থাকলেন প্রায় পনেরো মিনিট। তারপর বার বার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে পড়লেন। হঠাৎ আপনমনে চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘বাস্টার্ড!’ তাঁর স্ত্রী অবাক চোখে তাকালে বিরক্ত ভঙ্গিতে মাথা ঝাঁকালেন জাভেদ। কয়েক দিন আগেকার সংবাদপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করলেন। আলমারি থেকে পুরোনো ফাইল খুলে দুপুর বেলা বসে থাকলেন ঝুম হয়ে। সেদিন জাভেদ সান্ধ্যভ্রমণে বেরোলেন না। সল্টলেকে নিজের বাড়ির ব্যালকনিতে চিঠি হাতে পায়চারি করলেন অস্থিরভাবে। একসময়ে সিদ্ধান্ত নিলেন চিঠির কথা তিনি ভুলে যাবেন। কিন্তু, পরদিন সকালে স্টাডিতে গিয়ে আবার তাঁর চোখে পড়ল। চিঠিটা সামনে খুলে বসে থাকলেন টানা একঘণ্টা। অবশেষে চোখ বুজে মাথা নাড়লেন নিজের মনে–এ বিষয়ে একটা স্টেপ তাঁকে নিতে হবে। এগোবার আগে কয়েক দিন সময় চাইছিলেন নিজেকে গুছিয়ে নেবার জন্য। কিন্তু, যত দিন গেল, জাভেদ আহমেদ সিদ্ধান্ত নিতে তত দেরি করছিলেন। কখনো পার্কে হাঁটতে গিয়ে অন্যমনস্ক হয়ে তাঁর মনে পড়ত, একটা কাজ যেন অসমাপ্ত থেকে গিয়েছে। ডাক্তারের কাছে রুটিন চেক-আপ করতে গিয়ে হৃদযন্ত্র তাঁকে জানান দিত, হাতে সময় বেশি নেই। অবশেষে, জুলাই মাসে জাভেদ তাঁর প্রাক্তন কলিগ ইম্যানুয়েল গুহর সঙ্গে যোগাযোগ করলেন।

    সল্টলেকের নির্জন বারের দোতলায় বসে বৃষ্টিস্নাত এক সন্ধ্যাবেলা ইম্যানুয়েল গুহর হাতে চিঠি তুলে দিলেন জাভেদ। শুনশান বারের ভেতর কালচে মেঘ ঢুকে পড়বার উপক্রম করছিল। সেই ছায়ায় ইম্যানুয়েলের স্থূলকায় শরীরটাকে আরও বেঢপ লাগছিল। ছাই রঙের পাঞ্জাবি আর জিন্স পরে থাকা ইম্যানুয়েলকে খুঁটিয়ে দেখতে গিয়ে জাভেদ বুঝলেন, বয়েসের আঁকিবুকি কতটা অভিঘাতময় হতে পারে। ইম্যানুয়েলের ভারী মুখ, আলগা চর্বির থাকে থাকে সময়ের শ্যাওলা, যখন চেয়ারে হেলান দিয়ে বসেন মনে হয় আজীবন সেখানেই বসে থাকবেন। কোথাও যাবার তাড়া নেই। মন্থর গতি এবং সময় নিয়ে ধীরে কথা বলার অভ্যেস অবশ্য কম বয়েসেও ছিল। উলটোদিকে ইম্যানুয়েলের মনে হচ্ছিল, জাভেদকে বয়েসের তুলনায় বেশি বুড়োটে এবং শীর্ণকায় লাগছে। মাথার চুল পাতলা, ফুলে উঠেছে কপালের শিরা। ঢোক গিললে অ্যাডাম’স অ্যাপেল লাফিয়ে ওঠে। প্রায় কুড়ি বছর পর তাঁদের মুখোমুখি সাক্ষাৎ ঘটেছে। ইম্যানুয়েল গুহ, ডিডি হোমিসাইডের প্রাক্তন ইনস্পেকটর, কাঁচা-পাকা চুলে হাত বোলাতে বোলাতে চিঠিটা দু-বার পড়লেন। কালো মোটা ফ্রেমের চশমার আড়ালে তাঁর চোখ বোঝা যায় না। অজস্র আলোর ঝিকিমিকি। চিঠিটা ভাঁজ করে একপাশে রাখলেন। তারপর বেসিক প্রশ্নটা প্রথম জিজ্ঞাসা করলেন, যেটার জন্য জাভেদ প্রস্তুত ছিলেন। এই হত্যারহস্য জাভেদ সমাধান করে ফেলেছেন পঁচিশ বছর আগে। ঘটনার দিনেই খুনি ধরা পড়েছিল। সেক্ষেত্রে এখন কেন আবার এটাকে নিয়ে নতুন করে তিনি ভাবতে চাইছেন? উত্তরে জাভেদ মাথা পেছনে হেলিয়ে হাঁ করে শ্বাস নিলেন। ‘ওল্ড মঙ্ক’-এ চুমুক দিয়ে বললেন, ‘আমার বরাবরের খটকা ছিল।’

    ‘তাহলে তখনই সন্দেহের নিরসন করোনি কেন?’

    ‘কারণ, আমরা কোনো অলটারনেটিভ পাইনি। ব্লাডি বাস্টার্ড।’ জাভেদ মুখ বিকৃত করে বিড়বিড় করলেন, ‘এই চার্জশিটের চক্করে ইনভেস্টিগেশনের মা বোন হয়ে যায়। যাই হোক, অভিযুক্তর উকিলও কোনো শক্তপোক্ত বিরুদ্ধ প্রমাণ হাজির করতে পারেনি, সম্ভবত চেষ্টাও করেনি। আমার ধারণা, সবাই মনে মনে জানত যে, এত ওয়াটারটাইট কেসে পুলিশকে চেকমেট করা সম্ভব নয়। আমি তোমাকে সত্যিটা বলছি, আমরা অন্য সম্ভাবনা খতিয়েও দেখিনি, আর সেটাই স্বাভাবিক ছিল। রেড-হ্যান্ডেড ধরা পড়েছে খুনি, কেনই-বা বিকল্পর দিকে তাকাব?’

    ‘তাহলে এখন কেন?’ নিজের মনে প্রশ্ন করলেন ইম্যানুয়েল। তারপর ঘাড় নাড়লেন, ‘অবশ্য, কেনই-বা নয়!’

    বারের ব্যালকানতে দাঁড়িয়ে সিগারেট খেতে খেতে জাভেদ স্মৃতিচারণ শুরু করলেন। টিপটিপে বৃষ্টি, মাঝে মাঝে ঝোড়ো হাওয়া। সল্টলেকের আকাশে ঘন সবুজ গাছেরা গালিচা বিছিয়েছে। ভাঙা রাস্তার জলকাদা ছিটকে উঠছে গাড়ির চাকায়। একটা কুকুর কেঁউ শব্দে প্রতিবাদ জানাল।

    ১৯৯৮ সালের ১৯ ডিসেম্বর শনিবার বিকেল চারটের সময় ভবানীপুরের এক পুরোনো বাড়ির দোতলা থেকে ছত্রিশ বছর বয়েসি মালিনী অধিকারীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। গলায় ছুরির আঘাতে খুন হয়েছিল। ভেতর থেকে ছিটকিনি তুলে বন্ধ করা দরজা ভেঙে মৃতদেহ আবিষ্কার হয়। ঘরের ভেতর ঢুকে দেখা গিয়েছিল, খাটে মালিনীর পাশে তাঁর প্রেমিক অনিরুদ্ধ সান্যাল হতবুদ্ধি অবস্থায় বসে আছেন। মার্ডার ওয়েপন, মানে, গলায় গাঁথা ছুরিতে অনিরুদ্ধর হাতের ছাপ মিলেছিল। স্পষ্ট সিদ্ধান্ত হিসেবে, অনিরুদ্ধই অপরাধী, যদিও অনিরুদ্ধর দাবি ছিল, অত্যধিক নেশা ও ক্লান্তির কারণে গোটা সময়টা তিনি ঘুমিয়ে কাটিয়েছিলেন। এহেন দুর্বল ডিফেন্স আদালতে খারিজ হয়ে যায়। যাবজ্জীবন হয় অনিরুদ্ধ সান্যালের।

    ‘এরকম ওপেন অ্যান্ড শাট কেস নিয়ে তুমি দ্বিধাগ্রস্ত কেন?’ সিগারেটে টান দিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন ইম্যানুয়েল।

    ‘কারণ, আমার ড্যাম সিক্সথ সেন্স বলছিল, এর ভেতর অন্য গল্প আছে। অনিরুদ্ধকে নিয়ে আমি কিছুতেই সন্তুষ্ট হতে পারছিলাম না। কিন্তু, আমার কিছু করার ছিল না বলে ক্লোজ করি। তাও, চার্জশিট দিতে দেরি করছিলাম। বার বার মনে হচ্ছিল, অন্য সমাধান হয়তো থাকতেও পারে। শেষে এসিপি সুকান্ত গোঁসাই ধমক দিল। কী আর করব, ফেলে দিলাম শালার চার্জশিট। ধ্যাত!’ একটা মাছি বসছিল হাতে, জাভেদ বিরক্ত হয়ে হাত ঝাঁকালেন।

    ইম্যানুয়েল মন্তব্য করলেন না। আঙুলের ফাঁকে জ্বলন্ত সিগারেট ভুলে রাস্তার দিকে অন্যমনস্ক তাকিয়ে ছিলেন। উলটোদিকের ফুটপাতে জুতোর বিজ্ঞাপনের হোর্ডিং। চ্যাপলিনের বেশে রাজ কাপুর, নীচে ক্যাপশন ‘মেরা জুতা হ্যায় জাপানি।’ একা রাজ কাপুর বৃষ্টিতে ধুয়ে যাচ্ছেন। জাভেদ বললেন, ‘শুনলে হাসবে। অনিরুদ্ধ তার সাক্ষ্যে পুরোটাই উলটোপালটা বলেছিল। এক-একবার এক-একরকম কথা। কখনো বলছে, বেলা এগারোটা থেকে বিকেল চারটের মধ্যে গোটা সময়টা সে ঘুমিয়েছে। কিছুক্ষণ পরেই বলছে, পাশের বাড়ি থেকে রেডিয়োতে ‘শনিবারের বারবেলা’ শুনে তার মনে হচ্ছিল, এবার বাড়ি ফেরার সময় হয়েছে। ‘শনিবারের বারবেলা’ দুপুর বেলা হত, ঘুমিয়ে থাকলে শোনা সম্ভব নয়। আমরা চেক করেছিলাম, সেদিন ওদের পাশের বাড়িতে রেডিয়ো চালিয়েছে দুপুর আড়াইটের সময়। ওদের বাচ্চা ছেলেটা ওই সময়ে বারবেলা শুনতে শুনতে ভাত খায়। এদিকে অনিরুদ্ধর দাবি যে, সে এর মধ্যে একবারও জাগেনি। শুধু তাই নয়। একবার বলেছে, ছুরিটা তার ছিল। পরে বয়ান পালটে বলেছে, কাঠমান্ডু ঘুরতে গিয়ে সেখান থেকে মালিনী কিনে এনেছিল। হয় ওর কেমিক্যাল লোচা হয়ে গিয়েছিল, আর নয়তো পাক্কা শয়তানি। এতবার বয়ান বদল করেছে যে, স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহ ওর ওপর পড়বে– নিশ্চয় কিছু লুকোচ্ছে।’

    রাজ কাপুরকে একদৃষ্টে দেখছিলেন ইম্যানুয়েল। তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে সিগারেটে বড়ো টান দিলেন। ‘সেই কারণেই তোমার সন্দেহ হয়েছিল যে, অনিরুদ্ধ নির্দোষ? কারণ, সাধারণত অপরাধীর বয়ান ওয়াটারটাইট হয়। আগে থেকে হিসেব করে রাখে, কী বলতে হবে।

    ‘উঁহু, ক্রাইম অফ প্যাশনে এই তত্ত্ব খাটে না। অনিরুদ্ধ যদি মুহূর্তের ঝোঁকে খুন করে থাকে, তাহলে নিজেকে বাঁচাবার জন্য অসংলগ্ন কথা সে বলবেই। কিন্তু, যে নিজেকে বাঁচাবার জন্য আবোল-তাবোল বকবে, সে অন্তত নিজেকে বাঁচাবার চেষ্টা করবে। অনিরুদ্ধ সেটাও করেনি। সে বলেছিল যে, তার কিছু মনে নেই। সে কি খুন করেছিল? অনিরুদ্ধ বলেছিল যে, সেটা অসম্ভব নয়। এর আগেও মালিনীকে হত্যা করার কথা তার মনে হয়েছিল। ফলত, নেশার ঝোঁকে করে থাকলে, হয়তো তার মনে নেই, আর আমাদের মনস্তত্ত্ববিদও বলেছিলেন যে, অনেক সময়েই মস্তিষ্ক জোর করে ভুলে যায় কিছু ঘটনা—ফলত, অনিরুদ্ধ হত্যা করেছে এবং ভুলে গেছে, এটা ভাবা অস্বাভাবিক ছিল না। সেটা না হলে, হয়তো অনিরুদ্ধর মনে আছে, কিন্তু ভুলে যাবার ভান করছে। শয়তানি বুদ্ধি আর কি। কিন্তু, যেকোনো কেসেই ওর বাঁচার রাস্তা ছিল না। আর, এটাই আমাকে ভাবিয়েছিল তখন।’

    ‘তোমাকে ভাবিয়েছিল যে, কেন অনিরুদ্ধ নিজের অপরাধ অস্বীকার করল না, কিন্তু কনফেসও করল না, বরং পরস্পরবিরোধী স্টেটমেন্ট দিল।’ ইম্যানুয়েল আরেকটা সিগারেট ধরালেন। অন্ধকার জেঁকে এসেছে। বৃষ্টির ছাটে ভিজে যাচ্ছে ব্যালকনি। শুনশান বারে টেবিলের মাথায় জ্বলতে থাকা মৃদু লাইটগুলো দপদপ করছে মাঝে মাঝে। ‘জাভেদ, এটা একটা ভ্যারিয়েশন অফ ক্লাসিক লকড রুম মিস্ট্রি। লকড রুমের চ্যালেঞ্জ যেরকম হয়, চারদিক থেকে দরজা- জানালা বন্ধ, এরকম ঘরের ভেতর খুন হলে কীভাবে সেই হত্যা হল তার সমাধান মাথা খাটিয়ে বের করাটাই টাস্ক। আর এখানে, সেই একই বদ্ধঘর। কিন্তু, ভিকটিম এবং আরেক ব্যক্তি দু-জনে উপস্থিত। তাহলে সহজ বুদ্ধিতে জীবিত মানুষটাই হত্যাকারী। এমনকী ওয়েপনে তার হাতের ছাপও মিলেছে, যেখানে ক্লাসিক লকড রুমে বেশিরভাগ সময়েই মার্ডার ওয়েপন অনুপস্থিত থাকে। এখন তুমি চাইছ, এই লোকটাকে নির্দোষ প্রমাণ করতে। তুমি নিশ্চিত যে সত্যিই এটা সম্ভব?’

    জাভেদের বসন্তলাঞ্ছিত মুখ যন্ত্রণায় কুঁচকে গেল। ‘ইজি, আমার পঁয়ষট্টি হল। তোমার তিন ব্যাচ জুনিয়ার ছিলাম। হার্টে একটা ব্লক মিলেছে। স্টেন্ট বসাতে হতেও পারে। হয়তো আরও কিছুদিন টেনে দেব। কিন্তু বাস্টার্ড, আমি বলছি তোমাকে, ধারবাকি রেখে মরতে আমি শালা পারব না। একটা রহস্য, যার সমাধান নিয়ে আমি নিজে সন্তুষ্ট ছিলাম না, তার ক্লোজার দেখে যেতে চাই। হয়তো আমিই ঠিক ছিলাম। সেক্ষেত্রে, এমন প্রমাণ তুমি আমায় দাও, যাতে আমার মনে কোনো খচখচানি না-থাকে। তুমি বুঝবে, একটা ক্লোজার না- পাওয়া কেস একজন ডিটেকটিভের আত্মায় ঠিক কী ঘটায়!’

    ইম্যানুয়েল চোখ বুজলেন। ধ্যানস্থ মূর্তি। আঙুলের সিগারেট জ্বলে-পুড়ে মাথা কুটছে। জাভেদ মৃদু গলায় বললেন, ‘সরি।’

    ‘কীসের জন্য?’

    ‘ক্লোজারের প্রসঙ্গ তোলা আমার উচিত হয়নি।’

    মাথা নাড়লেন ইম্যানুয়েল, ‘অনেকদিন কেটে গেছে। কিছু এসে যায় না। আমি অন্য ব্যাপারে ভাবছিলাম। রহস্যের সমাধান কিচ্ছু নয় জাভেদ, ওটা দশ শতাংশ। বাকি নব্বই শতাংশ কৃতকর্ম এবং তার পরিণামের বিশ্লেষণ, যাকে আমরা ভুলে থাকি। তুমি আত্মার কথা বলছিলে। আমাদের ধর্মবিশ্বাসে আত্মার সর্বোচ্চ স্তর হল নেশামাহ, সেরিব্রাল এবং ইন্টেলেকচুয়াল। কিন্তু, তার খোঁজ করতে গিয়ে আত্মার দ্বিতীয় স্তরকে আমরা ভুলে যাই। রুয়াচ। নৈতিকতা।’ মাথা নাড়লেন ইম্যানুয়েল। ‘ক্লাসিক ডিটেকটিভ কাহিনিতে আমার ইন্টারেস্ট বহু আগে কেটে গেছে। আই অ্যাম আ স্কেপটিক।’

    ‘তাহলে তো তুমি আরও বুঝবে, একটা ভুল সমাধান ডিটেকটিভের নৈতিকতার কতটা ড্যামেজ করে। নেশামাহ ভুলে যাও, জাস্টিসের প্রশ্ন মর‍্যালিটির সঙ্গেই কি জড়িয়ে থাকে না? উফ, ব্লাডি মর‍্যালিটি, আমার নেশা হয়ে যাচ্ছে মনে হয়।’ জাভেদ মাথার চুল টানলেন। ‘আর না, এটাই লাস্ট পেগ। সে যাহোক, এই বয়েসে এসে আমি কি এটুকু চাইব না, ইজি?’

    ‘আর তবু, দীর্ঘ পঁচিশ বছর তুমি এই কেস ভুলে থেকেছিলে।’

    ‘থেকেও যেতাম, অনিরুদ্ধ সান্যালের থেকে এই চিঠিটা না-পেতাম যদি। কিন্তু, পেয়ে যখন গেছি, আমি কি আবার তাকে ধামাচাপা দিয়ে রাখব? আমি তা পারি না।’

    টেবিলে ফিরে ঠান্ডা হয়ে যাওয়া কফিতে চুমুক দিলেন ইম্যানুয়েল। নিমীলিত চোখে ডুবে থাকলেন ভাবনায়। জাভেদ নিজের জন্য আরেকটা ওল্ড মঙ্ক অর্ডার দিলেন। মুখ তুললেন ইম্যানুয়েল, ‘আমি কেন?’

    জাভেদ উত্তর না-দিয়ে হাসলেন। যে অল্প কয়েক বছর তাঁরা দু-জন কাজ করেছিলেন, ইম্যানুয়েলের মতো ডিটেকশন ক্ষমতা এবং যুক্তির ক্রম সাজিয়ে অপরাধকে বিশ্লেষণ, তিনি কারোর মধ্যে দেখেননি। ইম্যানুয়েল ছিলেন ডিপার্টমেন্টে একজন লেজেন্ড। কিন্তু, মাত্র আটচল্লিশ বছর বয়েসে চাকরি ছেড়ে দেন। আর কখনো ফিরে আসেননি। কেন ছেড়েছিলেন, অনেকেই জানে না। জাভেদ জানতেন।

    ‘আমি রিটায়ার্ড, জাভেদ। বহুদিন আগে তোমাদের পৃথিবী থেকে স্বেচ্ছানির্বাসন নিয়েছি।’

    ‘ওয়ান্স আ ড্যাম নাইট, অলওয়েজ আ ড্যাম নাইট। তুমিও কি চাও না–,’ কিন্তু হাত তুললেন ইম্যানুয়েল।

    ‘না, তুমি এখনকার ডিপার্টমেন্টের কারোর কাছে যেতে পারতে। তাদের রিসোর্স অনেক বেশি। তাদের বাদ দিয়ে আমি কেন?’

    ‘আরে, তুমি কি বুঝতে চাইছ না? যে কেসের সমাধান হয়ে গেছে পঁচিশ বছর আগে, সেই ফাইল নতুন করে খুলতে কেউ কেন উৎসাহী হবে? হাজার বাহানা দেবে, লাল ফিতের ফাঁস, অজুহাত, তারপর কাটিয়ে দেবে। সরকারি দপ্তরের ব্যাপার তুমি জানো না? আর, তাদেরও তো দোষ নেই। খোঁড়াখুঁড়ি করে লাভ কী হবে তাদের?’

    ‘তুমি নিজে কেন নও?

    ‘বন্ধ ঘরের ভেতর বসে দরজার চাবি খোলা সম্ভব নয়, কারণ চাবি বাইরে থেকে লাগানো। ইজি, আমি এই কেস নিয়ে ইনভেস্টেড। সাদা চোখে তাকাতে গেলে আমার মাথা ঘেঁটে পেস্ট্রি হয়ে যাবে।’

    ভুরু কুঁচকে ইম্যানুয়েল বললেন, ‘কেসটা আমার আবছা মনে আছে। কিন্তু, তখন আমি কলকাতায় ছিলাম না। ডেপুটেশনে কুচবিহারে। সিআইডির সঙ্গে, একটা পলিটিকাল মার্ডারের ইনভেস্টিগেশনে।’

    ‘তুমি কি এটা নেবে?’

    ‘নিয়ে আমার লাভ?’

    ‘কিছুই নয়।’ এবার হাসলেন জাভেদ। ‘অথবা হয়তো, নির্বাসন থেকে বেরোবার উপায়।’

    ‘কে বলল, আমি বেরোতে চাই?’

    জাভেদ এবার উত্তর দিলেন না। ইম্যানুয়েলের দিকে স্থিরদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলেন কয়েক সেকেন্ড। বড়ো নিশ্বাস ফেলে ইম্যানুয়েল বললেন, ‘তুমি অনেক বুড়িয়ে গেছ।’

    ‘আর, তুমি শালা মোটা হয়েছ আরও।’

    ‘আমি ভালো আছি। এই জীবনটাই আমার। কেন সেটাকে আবার পারটার্ব করব?’

    ‘ভালো আছ বলেই আমাদের সঙ্গে আর যোগাযোগ রাখোনি। মনে আছে, তুমি ডিপার্টমেন্ট ছাড়ার পর আমি ফোন করতাম, বলতাম আমাদের বাড়ি এসো, নাহলে সিসিলে চলো। তুমি হেসে কাটিয়ে দিতে। ব্লাডি বাগার!’

    ইম্যানুয়েল উত্তর না-দিয়ে মৃদু হাসলেন। চোখ বুজে থাকলেন কয়েক মুহূর্ত তারপর প্রশ্ন করলেন, ‘কেস সংক্রান্ত ফাইল কোথা থেকে পাব?’

    ‘আমার কাছে। আমার অভ্যেস ছিল, নিজের কাছে সব কিছুর কপি রাখা। ডায়েরিতেও টুকে রাখতাম খুঁটিনাটি। সেগুলো মিলিয়ে গত একমাস ধরে এই ডকুমেন্টস বানিয়েছি।’ ব্যাগ থেকে একটা পাতলা প্লাস্টিকের ফাইল এগিয়ে দিলেন জাভেদ। ‘তবে, ছবি কিছু নেই। সেগুলো পেতে গেলে আর্কাইভে যেতে হবে।’

    ‘পিপি কে ছিল?’

    ‘বিশ্বাস। অমিয় বিশ্বাস। মনে আছে? দেড় ব্যাটারি বিশ্বাস। একটা চোখ ছোটো ছিল। আমরা বলতাম একটা বিচি সেম রেশিয়োতে ছোটো।’

    ‘মনে আছে। বেঁচে আছে কি?’

    ‘দিব্যি বেঁচে। রানিকুঠির দিকে থাকে। আমি নম্বর জোগাড় করে নেব।

    ‘পোস্ট-মর্টেম কে করেছিল?’

    ‘ডাক্তার দীপক মিত্র। মেডিক্যালের। মনে আছে? অনেকবার একসঙ্গে সিসিলে বসেছি।’

    ‘বেঁচে?’

    ‘ছ-মাস আগেও ফোনে কথা হয়েছে। তোমারই বয়েসি হবে মনে হয়, বা, আরেকটু বড়ো।’

    রাস্তায় বেরিয়ে উবারের জন্য অপেক্ষা করতে করতে ইম্যানুয়েল আর একটাই কথা জিজ্ঞাসা করলেন। ‘তুমি যদি বিচারপতি হতে, কী রায় দিতে?’

    ‘আমি জানি না।’ ফিসফিস করে উত্তর দিলেন জাভেদ। তারপর নিজের ওপর বিরক্তিতে ছাতা ঝাঁকালেন। ঝরঝরিয়ে অনেকটা জল রাস্তায় পড়ল। ‘তুমি কি ভাবছ অনিরুদ্ধ সান্যাল আত্মহত্যা করল বলে আমি আচমকা তার প্রতি সিম্প্যাথেটিক হয়ে পড়লাম? এই তোমার জাস্টিসের ধারণা?’

    দমকা হাওয়ায় ইম্যানুয়েলের পাঞ্জাবি ফুলে উঠছিল। মনে হচ্ছিল, তিনি এক স্থূলকায় বাদুড়। ভেজা পিচের ওপর পিছলে যাওয়া ল্যাম্পপোস্টের আলোয় রাজ কাপুরকে ভাঙাচোরা লাগছিল। তাঁকে দেখতে দেখতে অন্যমনস্ক গলায় ইম্যানুয়েল উত্তর দিলেন, ‘না। আমি সেটা ভাবছি না। কিন্তু, আমার মনে হচ্ছে, ন্যায়ের প্রতি তোমার অন্ধ মোহ কাজ করছে। তার জন্য পুরোনো দুঃখ খুঁচিয়ে তুলতেও দ্বিধা করছ না। ন্যায়ের এই ধারণায় আমার বিশ্বাস নেই। জীবন অনেক বড়ো, জাভেদ।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশব্দ পড়ে টাপুর টুপুর – নবনীতা দেবসেন
    Next Article কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026
    Our Picks

    অদ্ভুতুড়ে সিরিজ – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    July 13, 2026

    হায়নার গুহা – সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

    July 13, 2026

    কারামাজভ ভাইয়েরা – ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি (অসম্পূর্ণ)

    July 13, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }