Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – প্রীতম বসু

    প্রীতম বসু এক পাতা গল্প123 Mins Read0
    ⤷

    বিদ্বান বনাম বিদুষী – ১

    ।। এক।।

    ১৭৩৬ সাল

    খলপা-গোলপাতার কুটিরের আগচালায় একটি মাইজ কলাপাতার ওপর শয়ান লখা তাঁতির নিথর দেহ। ভোরে বহুক্ষণ ধরে লখার নাকে ধুনোর ধোঁয়া দিয়ে, সাপের বিষঝাড়ার মন্ত্র পড়ে, অনেক ঝাড়ফুঁক করেও খরিশ-কেউটের প্রাণঘাতী বিষ লখার শরীর থেকে নামাতে ব্যর্থ হয়ে কিছুক্ষণ আগে হতাশ হয়ে ফিরে গেছে ওঝা।

    বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আঙিনায় বাড়ছে গ্রামবাসীদের জমায়েত। লখার মৃতদেহের পাশে বসে মাথা চাপড়ে বিলাপ করছে লখার মা। কয়েকজন প্রতিবাসিনী তাকে সান্ত্বনা দিয়ে চলেছে। একজন বৃদ্ধা চোখ মুছতে মুছতে একটা রঙচটা গামছা দিয়ে ঘষে ঘষে মৃতদেহের ভেজা গোড়ালি থেকে জলকাদা মুছছে। আঙিনার বাইরে গ্রামবাসীরা প্রথা-নিয়ম এসব নিয়ে অনুচ্চস্বরে অনেক জল্পনা-কল্পনা-কথাবার্তা বলে চলেছে। লখা তাঁতির অষ্টাদশ বর্ষীয়া স্ত্রীকে লখার চিতায় সহমরণ করাবার জন্য লোকবল এবং অনেক আলোচনা তো দরকারই

    চালাঘরের ভিতরে লখার বৌকে ঘিরে গ্রামের মেয়ে-বৌদের ভিড়। উচ্চৈঃস্বরে কেঁদে তারা তাকে সমবেদনা জানিয়ে যাচ্ছে। আবার এরই মাঝে কেউ লখার বৌয়ের হাতের মুঠোয় কিছু কড়ি গুঁজে দিয়ে আবার ওর মুঠো খুলে সেই কড়ি নিজেদের আঁচলে বেঁধে নিচ্ছে। বাচ্চার কোমরের ঘুনসিতে সতীর কড়ি বেঁধে রাখলে নাকি তাকে যম স্পর্শ করতে পারে না। লখার বৌ বেহুলা ভয়ে সন্ত্রস্ত। কান্না থামিয়ে এবার সে বিড়বিড় করে ঠাকুরের কাছে কাতর প্রার্থনা করল—ঠাকুর আমায় বাঁচাও! আমার বড় ভয় করছে। আমি মরতে চাই না। ঠাকুর রক্ষা কর। তোমার থানে যে মাথা ঠুকব শরীর খারাপের জন্য তাও পারছি না ঠাকুর।

    বেহুলার গঙ্গাজল সই মৌন হয়ে সধবা বেহুলার পায়ে শেষবারের মতো আলতা পরাচ্ছিল। কথাগুলো কানে যেতেই সে থেমে গেল। তারপর ঘর থেকে বেরিয়ে পুরোহিতের কানের কাছে গিয়ে অতি নিম্নকণ্ঠে কিছু বলল। তা শুনে লখার মৃতদেহের নাকে তুলো গুঁজে দিতে দিতে চিত্ত পুরোহিতের কপালে চিন্তার ভাঁজ। পুরোহিত হঠাৎ থেমে গেল। তারপর উঠে দাঁড়িয়ে কাঁধ থেকে নেমে আসা উড়ানি তুলে তার দেহ পুনরায় আবৃত করে ভারিক্কি চালে বলল ‘রজস্বলায়াস্তৃতীয়েহহ্নি ভর্ত্তরি মৃতে তৎসহ গমনায় এক রাত্র মাত্র মপি মৃত পতি স্থাপয়েৎ।’

    লখার মা কিছু না বুঝে বিলাপ থামিয়ে ভীতিবিহ্বল দৃষ্টিতে পুরোহিতের দিকে তাকিয়ে রইল। পুরোহিত এবার লখার মা’র দিকে এগিয়ে এসে বলল—‘রজস্বলার তৃতীয় দিনে স্বামীর মৃত্যু হলে সেইদিন সহমরণ শাস্ত্র-অনুমোদিত নয়। আপনি পুত্রবধূকে ভালো করে জিজ্ঞাসা করে আসুন সে কদিনের রজস্বলা।’

    লখার বাবা প্রৌঢ় ভুবন জ্যোতিষী দাওয়ায় তিনমাথা হয়ে বসে। অসহায়ের মতো ঝাপসা দৃষ্টিতে তাকিয়ে সব কিছু দেখছিল। বেহুলা শুধু তার পুত্রবধূই নয়, তার অতি প্রিয় শিষ্যা। পুত্রকে জ্যোতিষ শেখাতে ব্যর্থ ও নিরাশ হয়ে পুত্রবধূর জ্যোতিষে আগ্রহ দেখে তাকেই জ্যোতিষ শেখাতে শুরু করেছিল ভুবন জ্যোতিষী। গত চার বছর ধরে বরাহমিহির, পরাশর, ষষ্ঠীদাস, খনা—অসম্ভব মেধার সঙ্গে এমনকী দেবভাষার ব্যাকরণ ও দেবভাষায় লেখা জ্যোতিষের অনেক পুঁথি অতি দ্রুত অধ্যয়ন করে ফেলেছিল এই মেয়ে। দু’বছর আগে সান্নিপাতিক পীড়ায় দৃষ্টিশক্তি অধিক হ্রাস পেয়ে যখন ভুবন জ্যোতিষী অকর্মণ্য হয়ে পড়েছে, তখন এই বেহুলাই তার জ্যোতিষ-মন্দিরের হাল ধরেছে। জ্যোতিষ শাস্ত্র অধ্যয়ন করতে করতে মেয়েটা হঠাৎ খনার ব্যাপারে উৎসাহী হয়ে উঠেছিল। নানা গ্রাম থেকে পুরোনো সব জ্যোতিষ-পাততাড়ি আনিয়ে ঘেঁটে ঘেঁটে খনার হারিয়ে যাওয়া শ্লোকগুলো এক জায়গায় জড়ো করে রাখছিল। কিন্তু ‘মেয়েছেলের’ এই জ্যোতিষ নিয়ে বাড়াবাড়ি গ্রামের জ্যোতিষীরা ঘোর অপছন্দ করেছিল। আজ বেহুলার সহমরণের সঙ্গে সেই অনুসন্ধানও অসমাপ্ত রয়ে যাবে।

    বেহুলার শাশুড়ি ঘরে ঢুকে বেহুলার পাশে থেবড়ে বসে পুত্রবধূর মাথার কোঁকড়ানো চুলে হাত রেখে ফিসফিস করে জিজ্ঞাসা করল, ‘ভালো করে ভেবে বল তোর আজ ক’দিন?’

    ‘তিন দিন।’

    শাশুড়ি বাইরে বেরিয়ে গিয়ে চিত্ত পুরুতকে বলল, ‘তিন।’

    চিত্ত পুরুত উপস্থিত লোকেদের বলল, ‘আজ ওই শুভকার্য সম্পন্ন হবে না। অশুচি দেহে সতীদাহ হয় না। একদিন মড়া রেখে কাল সতীদাহের আয়োজন করুন।’

    গ্রামবাসীরা ধীরে ধীরে চলে গেল। বেহুলা এবার ওর শ্বশুরের কাছে এসে বসে কাতর গলায় বলল ‘বাবা, আমায় বাঁচান! আমি কিছুতেই মরতে চাই না। আমার আগুনে বড় ভয়! আমায় বাঁচান বাবা।’ বেহুলা ভুবন জ্যোতিষীর দু’হাত ধরে হাউহাউ করে কাঁদতে লাগল।

    ভুবন জ্যোতিষী আর সহ্য করতে পারছিল না। ওর খালি মনে হচ্ছিল চিতার ধোঁয়ায় ভেসে আসা বেহুলার জীবন্ত মাংস-পোড়া গন্ধে ওর শ্বাসপ্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে। ‘আমি জমিদারের কাছে গিয়ে মিনতি করব। এ বড় অন্যায়!’ ভুবন জ্যোতিষী উঠে দাঁড়িয়ে পেয়ারা ডালের যষ্ঠি ঠুকতে ঠুকতে ভিটে ছেড়ে পথে নেমে পড়ল। বিড়বিড় করে সে বারবার বলতে লাগল—‘ঘোর অন্যায়, এ হতে দেওয়া যায় না।’

    আজ জমিদারবাড়ির দেউড়িতে পাইক ভুবন জ্যোতিষীকে আটকাল না। জমিদার পারিষদ পরিবেষ্টিত হয়ে কাছারি ঘরে ছিল। গ্রামের সব পণ্ডিতরা সেখানে জড়ো হয়েছে। জমিদারের হাতে গড়গড়ার নল, পিছনে হুঁকা হাতে দণ্ডায়মান হুঁকাবরদার। ভুবন জ্যোতিষী প্রবেশ করতেই জমিদার তাকে আজ মাত্রাতিরিক্ত আপ্যায়ন করল ‘এসো এসো ভুবন। সবাই তোমার আলোচনা করতেই এখানে এসেছে।’

    ‘জমিদারবাবু, আপনি আমাদের অন্নদাতা। আপনি একটা বিহিত করুন, ‘ ভুবন জ্যোতিষীর গলার স্বর আর্দ্র। ‘বাচ্চা মেয়েটাকে এত কঠোর সাজা পেতে হবে?’

    ‘সাজা!’ ভুবন জ্যোতিষীর কাছে এ’রকম অর্বাচীন বাক্য শুনে জমিদার অতীব বিস্মিত। ‘কী বলছ কী ভুবন! এ তো পুণ্যকাজ। আমার মা নিজে সতী হয়েছিল। মা বলে গেছিল, দেখিস এ-গ্রাম একদিন একুশ মন্দিরের সতীপীঠ হবে। নদীর ধারে সতীর মাঠে কুড়িটা সতী মন্দিরের পর অনেক দিন তো হয়ে গেল, তাই আমার আশঙ্কা হচ্ছিল তবে কি আমার জীবদ্দশায় মা’র স্বপ্ন পূর্ণ হবে না? কিন্তু, আজ আমার বড় আনন্দের দিন। মা স্বর্গ থেকে আশীর্বাদ করছে। যাও বাড়ি ফিরে ছেলের বৌকে সজ্জিত কর স্বর্গে যাবার জন্য।’

    এবার ভুবন কেঁদে ফেলল— ‘আপনারা গ্রামের বিধাতা। দয়া করুন। আমার পুত্রবধূর কী দোষ?’

    ‘দোষ তোমার পুত্রবধূর নয়, ভুবন,’ পাশ থেকে ভটচায জ্যোতিষী স্বর টেনে টেনে বলল। ‘দোষ তোমার। পুত্রবধূকে জ্যোতিষশাস্ত্র শেখানো তোমার মোটেই উচিত কাজ হয়নি।’

    পাশ থেকে ন্যায়রত্ন উত্তেজিত কণ্ঠে বলল, ‘তখন পই পই করে নিষেধ করেছিলাম তোমায়। বলেছিলাম মেয়েছেলেদের জ্যোতিষ শিক্ষা দেওয়া অনুচিত, স্বামীর আয়ুক্ষয় হয়—’

    ভুবন জ্যোতিষী মানুষগুলোর মুখে শোকের বিন্দুমাত্র চিহ্ন দেখতে পেল না। এত নিষ্ঠুর! তবু সে নরম গলায় বলল, ‘এই বাংলায় খনা স্বয়ং অতবড় জ্যোতিষী ছিলেন

    ‘সেজন্যই তো খনাকে মরতে হয়েছিল, ভুবন,’ ন্যায়রত্ন উত্তেজিত হয়ে ভুবন জ্যোতিষীকে কথা শেষ করতে দিল না। ‘অতীত থেকে এই সামান্য শিক্ষাটা তুমি নিতে পারলে না? তুমি কি ভাবছ খনা পুরুষ হলে বরাহমুনির সাহস হতো ওর জিভ ছিঁড়ে নেওয়ার? গেরস্থ ভয়ের চোটে নিজেদের মেয়ের নাম কক্ষনো খনা রাখে না।’

    ভুবন জ্যোতিষী জানে এরা কেন এত উত্তেজিত। অকেজো জ্যোতিষীর আটহাতি নামাবলি! এদের চালকলা-বাঁধা স্বল্পবিদ্যার উপার্জনে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে তার পুত্রবধূ। আজকাল সকলেই বেহুলাকে দিয়ে জাতকের কোষ্ঠী বানাতে চায়। এই জ্যোতিষীদের জ্যোতিষ-মন্দিরগুলি খালি পড়ে থাকে, ওদিকে আজকাল কেউ ফিরেই তাকায় না।

    ‘অন্যায়ের সাজা ভগবান ঠিক দিয়ে দেন। মেয়ে হয়ে জ্যোতিষচর্চা করছে!’ ন্যায়রত্ন অনুযোগের কণ্ঠে বলল। ‘এ যে বড় অধর্ম! তাও তো সহমরণ এক সম্মানজনক মৃত্যু। তোমার তো খুশি হওয়া উচিত ভুবন। তোমার পুত্রবধূর নামে একটা সতীমন্দির হবে। সে তো মানবী থেকে দেবী হয়ে যাবে! বাড়ি গিয়ে নিজে পুত্রবধূর হাতে আমডাল ভেঙে দাও।’

    ‘আপনারা দয়া করুন,’ ভুবন জ্যোতিষী ন্যায়রত্নের কাছে কাতর কণ্ঠে মিনতি জানাল। ‘এ-গ্রামে অনেক বিধবা আছে। তাদের বেলা—’

    ‘ভুবন!’ এবার জমিদারবাবু হাত তুলে দৃঢ় গলায় ভুবন জ্যোতিষীকে থামার ইঙ্গিত করল। ভুবন থামলে জমিদার বলল, ‘আমাদের গ্রামের একটা নিয়ম আছে। যে বিধবাদের ছেলেপুলে আছে, তাদের আমরা স্বামীর চিতায় তুলে শিশুদের অনাথ করি না। আমার মা এটা চিতায় ওঠার আগে আমাদের বলে গেছিল।’

    ভুবন জ্যোতিষী অসহায়ের মতো দীর্ঘশ্বাস ফেলল। ‘আচ্ছা কলার মান্দাসে অনেকে সাপে কাটা মড়া ভাসায় তাতে তাতে তো আমার লখা বেঁচে না গেলেও—মেয়েটা তো বেঁচে যাবে—’

    ‘তুমি ওসব অযৌক্তিক চিন্তাকে মনে স্থান দিও না ভুবন। সতীদাহে কোনো পাপ হয় না, পুণ্যই হয়। আর আমরা তো আছি,’ এবার জমিদার নরম কণ্ঠে বলল। তারপর অন্য এক পণ্ডিতের দিকে তাকিয়ে জমিদার বলল, ‘ভাদুড়ি ঠাকুর, আজকাল কত খরচা হয় সতীদাহের?

    সকলেই জানে ভাদুড়ি ঠাকুর সতীদাহের বিশেষজ্ঞ। তিনি যেন প্রস্তুত হয়েই এসেছিলেন। একটি তালিকা বের করে গড়গড় করে পড়ে চললেন—‘ঘৃত তিন আনা, ওড়ন পাড়ন বস্ত্র এক আনা, সতীর পরিধেয় বস্ত্র একজোড়া দুই আনা, কাষ্ঠ তিন আনা, পুরোহিত তিন আনা, সতীর কোনো ধর্মকার্যের জন্য দান এক আনা, তণ্ডুল, সুপারি, পুষ্প, কর্পূর, সিদ্ধি, হরিদ্রা, চন্দন, ধূপ, নারকেল ইত্যাদির খরচ নগণ্য, তারপর বেহারা, ঢুলি আট আনা, নাপতিনী চার আনা, তবলদার সব মিলিয়ে পনেরো-ষোলো টাকা কম করে।’ ভাদুড়ি সেই তালিকা তার ঝোলায় ভরতে ভরতে বলল, ‘এটা সবচেয়ে কম খরচ। গোমস্তা কানাইদত্ত তো পুরোহিতের জন্যই দু’শো টাকা খরচ করল। ভাই মারা যাওয়ার পর বিস্তর ধুমধাম করে সতীদাহ করালো। গোটা কারবার নিজের হাতে আসার খুশিতে আটশো টাকা খরচ করল। তবে হ্যাঁ, সতীর শ্রাদ্ধ কিন্তু আলাদাভাবে হবে। সতীদাহের শ্রাদ্ধের খরচও পনেরো থেকে কুড়ি টাকা। দু’জনে একসঙ্গে সঙ্গে যাচ্ছে বলে যে জোড়া-শ্রাদ্ধ একসঙ্গে, তা তো হয় না।’

    ‘কুড়ি আর ষোল ছত্তিরিশ,’ জমিদার মুখে মুখে হিসেব কষে বলল। তারপর জিভ চুকচুক করে বলল, ‘তুমি ভেবো না ভুবন। আমি চল্লিশ টাকাই নাহয় তোমার খাজনা মাফ করে দেব। আর বাজনদার, জগঝম্পের খরচা বরাবর জমিদারবাড়িই বহন করে। এবারও অন্যথা হবে না। যাও বাড়ি যাও, পুত্রবধূকে স্বর্গে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করাও।’

    ভুবন জ্যোতিষীর বুক ফেটে যাচ্ছে। এমন সময় চিত্ত পুরোহিত কাছারি ঘরে প্রবেশ করে দুম করে ঘোষণা করল ‘লখার বৌ রজস্বলা। আজ তৃতীয় দিন। সহমরণ একদিন পিছিয়ে দিতে হচ্ছে।’

    ‘মানে?’ জমিদারের মেজাজ বিগড়ে গেল। গড়গড়ার লম্বা নলটা মাটিতে সজোরে ছুঁড়ে মারল। ‘এই মেয়েছেলেদের জাতই এমন। সবসময় বিলম্ব করবে! শুভস্য শীঘ্রমেও বাগড়া দেবে!’

    ভুবন জ্যোতিষী দীর্ঘশ্বাস ফেলল। এই নিষ্ঠুর লোকগুলোর কাছ থেকে সহানুভূতির আশা করা বৃথা। ‘আমি আসি জমিদারবাবু, ভুবন জ্যোতিষী আর কথা না বলে পিছন ফিরে গমনোদ্যোগ করতেই পিছন থেকে শুনতে পেল জমিদারের কঠিন গলা—‘আর একটা কথা, ভুবন। সতী যেন না পালায় সেদিকে নজর রাখার দায়িত্ব কিন্তু তোমার। সতী পালালে আগেও আমরা সতীকে খুঁজে ধরে এনে চিতায় ঢুকিয়েছি, সে তো তোমার অজানা নয়। আমার বংশী লেঠেল আর পাগলা কুকুরের মধ্যে তো জানো কোনো পার্থক্য নেই, তাই ওকে আমি বিশেষ কাজে ছাড়া ব্যবহার করি না। তোমার নিশ্চয়ই মনে আছে যে বংশী আর আমার লেঠেলরা গোবর্ধনের পালিয়ে যাওয়া বৌকে ধরে এনে গোবরার চিতায় ছুঁড়ে ফেলেছিল। তবে বংশী গেলে ও কী অবস্থায় ধরে এনে চিতায় তুলবে তার দায়িত্ব আমি নিতে পারব না। নিন্দুকেরা বলে গোবর্ধনের আছাড়ি পাছাড়ি করা বৌয়ের শরীরে নাকি অকথ্য পাশবিক অত্যাচারের চিহ্ন ছিল। আমি অবশ্য নিজের চোখে দেখিনি, নিন্দুকদের কথা বিশ্বাস করা উচিত না। তবে তুমি আমার বক্তব্য বুঝে নিও। তোমার বৌমা যেন না পালায় সে খেয়াল রেখো।’

    শোকসন্তপ্ত ভীত ভুবন জ্যোতিষী ভিটেতে ফিরে এল। বেহুলা এখন দাওয়ায় মৃত স্বামীর মাথার কাছে এসে বসেছে। ভুবন জ্যোতিষী কাঁদো কাঁদো মুখে বলল, ‘আমি অনেক চেষ্টা করলাম রে, মা।’ বেহুলা পাথরের মতো বসে রইল। তারপর স্বামীর চিরঘুমন্ত মুখের দিকে চেয়ে সে বলল, ‘বাবা, আজ রাত আমি ওনার সঙ্গে ওর তাঁতঘরে কাটাতে চাই। ওই তাঁতঘরই ছিল ওনার স্বর্গ।’

    বেহুলার মুখের দিকে চেয়ে ভুবনের খুব মায়া হল। আঠারো বছর বয়সের মেয়ে কাল সোয়ামীর চিতায় উঠবে। ‘মড়া নিয়ে একা সারা রাত নদীর পাড়ে ঐ তাঁতঘরে থাকতে পারবি? ভয় করবে না?’

    ‘কাল চিতার আগুনকেই যখন সঙ্গী করব, তখন আর কিসের ভয় বাবা?’

    ভুবন জ্যোতিষী দীর্ঘশ্বাস ফেলল। নদীর লাগোয়া ঐ তাঁতঘরই লখার ধ্যান জ্ঞান ছিল। সারা রাত জেগে ও পিদিম জ্বালিয়ে ঠকাঠক আওয়াজ করে তাঁত বুনতো। বাচ্চা হবে কীভাবে? বৌটাকে বাঁজা বলে দোষারোপ করে তো লাভ নেই। বৌটা যে তার উড়নচণ্ডে ছেলেটাকে ঘরে চারটে বছর ধরে রেখেছিল এটাই অনেক।

    বাইরে দুটো ছেলে বাঁশের মাচায় দড়ি বাঁধছিল। শাশুড়ি ওদের বলল, ‘লখা আজ সারারাত তাঁতঘরে থাকবে। বৌও ওখানেই থাকবে। তোরা ব্যবস্থা কর।’

    লখার শবকে তাঁতঘরে স্থানান্তরিত করা হল। আর প্রদোষকাল অতিক্রান্ত হলে কুপি নিয়ে বেহুলাকে নদীর ধারে তাঁতঘরে পৌঁছে দিল শাশুড়ি। এসময়ে প্রেতাত্মারা ভিড় করে মড়ার চারপাশে। তাই শাশুড়ি ভিতরে গেল না। মেয়েটার সাহস আছে। শাশুড়ি মনে মনে রাম রাম জপতে জপতে বাড়ি ফিরে গেল।

    বেহুলা খলপা দরমার আগড় ঠেলে ভিতরে ঢুকল। ভিতরে মাটির প্রদীপ জ্বলছে। সামনে মাটির নিকানো মেঝেতে শান্ত হয়ে চিরতরে ঘুমিয়ে রয়েছে তার স্বামী। তার পিছনে তাঁতকলে প্রায় শেষ হয়ে আসা মিহি এক বস্ত্র। লখা বেহুলাকে শিখিয়েছে এর নাম মলবুস খাস।

    লোকটার মুখের দিকে তাকিয়ে বড় মায়া হল বেহুলার। বেহুলা কখনো এত ভালো তাঁতি দেখেনি। লখা তাঁত চালাতো এত দ্রুত যে মনে হতো পক্ষীরাজ ঘোড়ার মতো ওর হাত শূন্যে উড়ছে। ইচ্ছে করলেই বয়রাতি কাপাসের সুতোর মসলিন বানিয়ে বেচে প্রচুর পয়সা উপার্জন করতে পারত লোকটা। কিন্তু তা ও করবে না। ফুটী কাপাসের সুতো ছাড়া অন্য কোনো সুতোয় হাতই দেবে না। আর এত খুঁতখুঁতে! যতক্ষণ না একদম পছন্দ হবে, কাপড় কিছুতেই তাঁত থেকে বের করবে না। পড়শিরা আড়ালে বলতো লখা পাগলা। পাগলা না হলে জ্যোতিষীর ছেলে তাঁত বুনে খায়? বেহুলা নিজের চোখে কতবার দেখেছে কত সুন্দর শাড়ি প্রায় শেষ করে এনেও মনঃপূত না হওয়ায় তাঁত থেকে টেনে খুলে ফেলে দিয়েছে লখা। একে পাগল না বললে আর কাকে পাগল বলবে। কিন্তু যে শাড়ি ওর মনঃপূত হবে তা যেন স্বর্গের অপ্সরাদের যোগ্য। ওদের বিয়ের ফুলশয্যায় বেহুলাকে বিশাল পেখম মেলা ময়ূর আঁকা একখানা মলবুস খাস দিয়েছিল লখা। বেহুলার মনে পড়ল এ ঘরেই তো রাখা। বাঁশের মাচার থেকে একটা ছোট বাঁশের খণ্ড নামাল বেহুলা। ভিতর থেকে বের করল সেই ময়ূর আঁকা মলবুস খাস। শাড়িটা নিজের সর্বাঙ্গে জড়িয়ে কিছুক্ষণ চোখ বুজে বসে রইল বেহুলা। ওর বুকের ভিতর থেকে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে একরাশ অসহায় কান্না গোঙানির মতো বেরিয়ে তাঁতঘরে ছড়িয়ে পড়ল। তারপর দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে চোখের জল মুছে বেহুলা আবার কাপড়টা গুটিয়ে ঢুকিয়ে রাখল বাঁশের চোঙে।

    মধ্যরাত অতিক্রান্ত হল। বেহুলার চোখে ঘুম নেই। সামনে স্বামীর মৃতদেহ। বেহুলাকে বিপদের মধ্যে ফেলে রেখে লোকটা নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। এত নিষ্ঠুর! বেহুলার মনে খুব অভিমান হচ্ছে। চার বছরের বিবাহিত জীবনে লোকটা কক্ষনো বেহুলাকে কাছে টেনে নেয়নি। সারাক্ষণ শুধু তাঁত আর তাঁত। তাঁতই এর ধ্যান-জ্ঞান। বরং বেহুলা স্বামীর কাছাকাছি ঘেষতে গেলে তাঁত বুনতে বুনতে লখা বিরক্ত হয়ে ওকে গায়ের থেকে সরে যেতে বলতো। লখার দোষ নেই, বেহুলা ভাবল, লখার ছকে পত্নীকারক চন্দ্র যুক্ত রয়েছে কেতুর সঙ্গে, আর পত্নীকারক শুক্র রয়েছে রাহুর সঙ্গে যুক্ত। এরকম জাতকের কখনো সহবাসে অনুরাগ থাকে? তাই এক বিছানায় শুতেই আসত না মানুষটা। অথচ, এই লোকটা মারা গেলে তাকে কিনা ওর চিতায় এক বিছানায় শুতে হবে। কেন?

    সারাদিনের অবসন্নতায় বেহুলার চোখের পাতা ভারি হয়ে কখন যেন চোখ বুজে গেছিল। হঠাৎ বেহুলার মনে হলো ওর সারা গায়ে আগুন জ্বালিয়ে কারা যেন ওকে এক কুয়োতে ছুঁড়ে ফেলল। আগুনের শিখার মাঝে বেহুলা আর্তনাদ করে উঠল। বেহুলার ঘুম ভেঙে গেল। প্রদীপের আধো আবছায়া। বেহুলার মনে হলো, আমাকে কেন মরতে হবে? এবার বেহুলার মধ্যে একটা জেদের জন্ম নিল। আমি মরব না। আমি কিছুতেই মরব না। বেহুলা বিড়বিড় করে নিজেকে বলল—আমি পালাব। তারপর কপালে যা থাকে দেখা যাবে।

    কোথায় পালাব? বেহুলা ভাবতে লাগল। বাপের বাড়ি? না, বাপের ভিটেতে গিয়ে লুকিয়ে থাকতে পারব না। বাপের ভিটে দক্ষিণে মাত্র তিন ক্রোশ পথ। ওরা লেঠেল নিয়ে প্রথমে ওখানেই হামলা করবে, আর আমাকে ধরে নিয়ে আসবে। আমি দক্ষিণে না গিয়ে উত্তরে যাব। ওরা আমাকে দক্ষিণে খুঁজুক। পালাবার কিছুটা সময় হাতে পাব।

    রাতের তিন প্রহরের শিয়াল ডেকে গেল। অমাবস্যার ভরা কোটালের সময় হয়েছে। জোয়ারে নৌকা ভাসাবার এটাই সময়। আর দেরি করলে চলবে না। বেহুলা মাথা উঁচু করে দেখল। বাঁশের মাচায় গোটা চারেক মাটির কলসি। প্রতিটির মুখে মাটি লেপা। পাশে ওর সংগ্রহ খনাবাক্যের পুরোনো সব পুঁথি। পুঁথিগুলো এক জায়গায় একটা লাল সালুতে বাঁধল বেহুলা। আবার চালবাতায় এক কোণে তুলে গুঁজে রাখল। তারপর মলবুস খাসের বাঁশের চোঙটা নিয়ে পাশে রাখা বটুয়া থেকে কড়িগুলো কাপড়ের আঁচলে বেঁধে নিল। এবার উবু হয়ে বসে স্বামীর পায়ে মাথা ঠেকিয়ে প্রণাম করল বেহুলা। ঠাণ্ডা কনকনে শরীর মড়া বাস ছাড়ছে। হাতের শাঁখা-পলা খুলতে গিয়েও সে খুলল না। বাতায় ঝুলছে আলোয়ান। বেহুলা আলোয়ান জড়িয়ে, বাঁশের আগড় খুলে বাইরে বেরিয়ে এল।

    দ্রুতপায়ে নদীর দিকে হাঁটা লাগাল বেহুলা। বাইরে মাঘের শীতের ঠাণ্ডা। অন্ধকার পথ, বিদ্যাধরীর পাড়ে আঘাটায় বাঁধা সালতি। লোকে বলে লখীন্দরের ডিঙি। এই সালতি চালিয়ে কোথায় কোথায় চলে যায় লখীন্দর। যখন ফিরে আসে সঙ্গে আনে প্রচুর সুতো, কাপাস, কখনো আনে কাচগুড়ো। কতবার বেহুলাকেও নিয়ে গেছে এই সালতিতে। নিম্নবঙ্গের নদনদী, খাল, হাওড়, বিল, খাঁড়ির আধিক্যের জন্য এখানকার পল্লিবাসীরা প্রায় সকলেই নৌকা চালনায় পারদর্শী। কখনো কখনো লখার প্রয়োজনে বেহুলা একলাই ডিঙি বেয়ে পাশের হাট থেকে তুলে এনেছে সুতো। এবার একাই গেছিল লখা। ফুটী কাপাসের চাষ এই গ্রামেই করবে বলে বেশ কিছুদিন হল নিজের মনেই বকবক করছিল। তারপর একদিন ডিঙি নিয়ে উধাও। মাসখানেক দেখা নেই। ফিরল যখন সঙ্গে বাইশটা কলসি। এভাবেই নাকি রাখে ফুটী কাপাসের বীজ, ঘি মাখিয়ে। তাঁতঘরের পিছনে নদীর পার বরাবর বিস্তর জমি ওদেরই। ওখানেই আঠারোটা কলসি থেকে কাপাসের বীজ নিয়ে কাল সারাদিন মাটিতে পুঁতেছে। আজ ভোরে আরো কয়েকটা পুঁততে গিয়ে সাপের কামড় খেল লখা পাগলা।

    বেহুলা ক্ষিপ্রপদে বিদ্যাধরীর পাড়ে এল। জোয়ার এসে গেছে। আঘাটায় খেজুর গাছে বাঁধা সালতি। কাছি খুলে বেহুলা কাদায় নেমে সালতিটা টেনে নামিয়ে দিল জলে। তারপর সালতিতে উঠে লগি কাদায় ঠেলে ঠেলে সালতি অন্ধকার নদীজলের গভীরে নিয়ে এল।

    অমাবস্যার নিশির গাঢ় তিমিরাবগুণ্ঠনে ঢাকা নদীজলে ভরা জোয়ার। উজানে স্রোতের টান খুব। শীঘ্রই বেহুলার নাও মাঝ-নদীতে পৌঁছে গেল। বেহুলা গলুইতে এসে হাল ধরে দাঁড়াল।

    তমসাবৃত স্বামীর গ্রাম। মৃত লখীন্দরকে পিছনে ফেলে রেখে একলাই অদৃষ্টের নদীজলে ভেসে চলল আজকের বেহুলার ভেলা। কিন্তু সমাজের হিংস্রতা থেকে পালিয়ে সে কতদূর যেতে পারবে?

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভৌতিক অলৌকিক – অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    Next Article আফ্রিকার লোকগল্প – অশোককুমার মিত্র

    Related Articles

    প্রীতম বসু

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026
    Our Picks

    কাঞ্চন-মূল্য – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়

    April 23, 2026

    শূন্য পথের মল্লিকা – স্মরণজিৎ চক্রবর্তী

    April 23, 2026

    মরণের আগে ও পরে – ইমাম গাজ্জালী (অনুবাদ : মাওলানা শাহ ওয়ালীউল্লাহ)

    April 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }