Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কৃষ্ণের ধৃতরাষ্ট্র সাক্ষাৎকার

    ভগ্নউরু মুমূর্ষু দুর্যোধনকে দ্বৈপায়ন তীরে শায়িত রেখে পঞ্চপাণ্ডব ও শ্রীকৃষ্ণ শিবিরে ফিরে এসেছেন। দুর্যোধনের মৃত্যু নিশ্চিত। যুদ্ধক্ষেত্রে গুরুতর আহত ও মৃতদের সেখানেই ফেলে আসা হয়। শৃগাল, কুকুর, বন্য জন্তুরা তাদের দেহ ছিড়ে ছিড়ে খায়। এই গ্রন্থের প্রথমে কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধক্ষেত্রের যে বর্ণনা দিয়েছি সেখানে দেখিয়েছি রাশি রাশি মৃতদেহ শৃগাল গৃধিনিরা ভক্ষণ করছে। সুতরাং ভারতসম্রাট দুর্যোধনেরও এই পরিণতি হবে বলে সবাই ধরে নিয়েছেন। শিবিরে ফিরে শ্রীকৃষ্ণ দেখলেন যুধিষ্ঠির বিষণ্ণ, চিন্তাগ্রস্ত। দুর্যোধনের পতনের পর যুধিষ্ঠিরের জীবনে চরম আনন্দ নেমে আসা উচিত ছিল। আজ তিনি বিজয়ী। চতুর্দশ বর্ষ বনবাস ও এক বৎসরের অজ্ঞাতবাসে গ্লানি ভোগ করেছেন। সাক্ষাৎ মৃত্যুর হাত থেকে বারবার বেঁচে এসেছেন। যে রাজাধিরাজ রাজসূয় যজ্ঞ করে সসাগরা পৃথিবীর অধীশ্বর হয়েছিলেন সেই তিনি দৈব প্রভাবে কি দুঃখই না পেয়েছেন। কিন্তু এ দুঃখ তিনি একা বহন করলে দুঃখ অত দুঃসহ হত না। কিন্তু তাঁর মা ও ভাইদেরও এ দুঃখ-যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছে। এ জন্য ভাইরা সবাই তাঁকে দায়ী করেছে। ভীম, অর্জুন, এমনকী দ্রৌপদীও তাঁকে বহু কটুবাক্য বলেছেন। তিনি নীরবে সহ্য করেছেন কারণ যুধিষ্ঠির যা করেছেন সত্য ও ধর্ম পালনের জন্যই করেছেন বলে তিনি মনে করেন।

    দ্যূতক্রীড়ায় তিনি যোগ দিয়েছিলেন তা ‘রাজোচিত কর্ম’ বলেই। রাজা যে কেউ আনুষ্ঠানিক দ্যূতক্রীড়ায় আহ্বান করলে তা যুদ্ধে যোগদানের আহ্বানের মতোই। ক্ষত্রিয়ের তা পালন করতে হয়। এখন কারও যদি অসাধু উদ্দেশ্য থাকে তা তিনি কী করে জানবেন। তিনি তো কোনো অসাধুতা করেননি। তিনি একজন কুশল দ্যুতক্রীড়াবিদ বলে তাঁর অহঙ্কার আছে। সৎপথে তাঁকে হারানো কারও সাধ্য নয়। সততা মানুষকে মুক্ত মনের অধিকারি করে। সৎ মানুষদের মন জটিলতা মুক্ত হয়। সৎ মানুষ অন্যকেও সৎ ভাবে। সে সমদর্শী। সে কাউকে ঘৃণা করে না, অকারণে সন্দেহ করে না। সে সবাইকে বিশ্বাস করে। তিনি তাই সবাইকে বিশ্বাস করতেন। বিশ্বাস করে ঠকেছেন বলে আর কৌরবদের বারবার বিশ্বাস করেননি। শান্তির সমস্ত চেষ্টা করেছেন। রাজত্বের দাবি বিসর্জন দিয়ে পাঁচ ভাইয়ের জন্য পাঁচটি মাত্র গ্রাম চেয়েছিলেন কিন্তু দুর্যোধন বিনা যুদ্ধে সুচাগ্য মেদিনীও দিতে চাননি। তাই তাকে যুদ্ধ করতে বাধ্য হতে হয়েছে।

    রাজধর্ম হল ন্যায়পরায়ণতা। সমদর্শিতা। শুধু পথঘাট জলাশয় নির্মাণ ও বিশাল সৈন্যবাহিনী গড়ে তুলে প্রতিরক্ষা সুদৃঢ় করা বা যুদ্ধজয় করা নয়, প্রজাদের বিনা আয়াসে সব কিছু পাইয়ে দেওয়াও নয়। রাজ্যে স্থায়ী শান্তি আনা। দস্যু-তস্করদের উপদ্রব থেকে নাগরিকদের প্রাণ-সম্পত্তি রক্ষা করা। নারীর সম্ভ্রম রক্ষা করা। সুপাত্রে দান করা। সাম দান দণ্ড ও ভেদ নীতি সুচারুভাবে প্রয়োগ করা। তিনি যখন ক্ষমতায় ছিলেন এই সব ধর্মই পালন করেছেন। কিন্তু দুর্যোধনের রাজ্য অপশাসন ও কুনীতিতে ভরা ছিল। রাজার অনুগ্রহভাজন শকুনির মতো লোকজন দুঃশাসনের মতো ভ্রাতা যে নাকি দুর্যোধনের মুখপাত্র ছিল সে রাজকুলে জন্মগ্রহণ করলেও একজন সমাজবিরোধী। দুর্যোধনের হয়ে বকলমে রাজ্য চালাত হস্তিনাপুরের মাতুল শকুনি এবং রাজভ্রাতা দুঃশাসন। লোকে বলত মামা-ভাগ্নের রাজত্ব। এই দুঃশাসনের অবসান ঘটেছে। এ জন্য কয়েকটি ক্ষেত্রে নিয়ম বহির্ভূত কাজ করতে হয়েছে।

    কিন্তু প্রেম ও যুদ্ধে কোনো নীতি খাটে না। তাছাড়া স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ তাঁদের সব নীতিই অনুমোদন করেছেন। তিনি নিজে কোনো অনিয়ম করেননি। ‘অশ্বত্থামা হত’ এই কথাটা উচ্চারণ করেছিলেন তাতে মিথ্যা ছিল না। অশ্বত্থামা নামে একটি হস্তী তো হতই হয়েছিল। শ্রীকৃষ্ণ তো অর্জুনকে বলেছেন স্বধর্ম পালনই তোমার কর্ম। আর কর্মেই তোমার অধিকার। কর্ম করে যাও। পরিণতি নিয়ে কিছু ভেবো না। আত্মীয়স্বজনকে হত্যা করতে হচ্ছে বলে দুঃখ কোরো না। কারণ জন্ম হলেই মৃত্যু অনিবার্য। প্রতিটি মানুষই মরণশীল। যুদ্ধ করে মৃত্যু হলে অক্ষয় স্বর্গ। এই অষ্টাদশ অক্ষৌহিণী সৈন্য সবাই নিহত হয়ে স্বর্গে গেছে।

    কৃষ্ণ ও যুধিষ্ঠির একই রথে কুরুক্ষেত্রে ফিরছিলেন। যুধিষ্ঠিরকে চিন্তিত দেখে কৃষ্ণ জিজ্ঞাসা করলেন, মহারাজ, আপনি এত চিন্তিত কেন? আপনার পঞ্চদশ বর্ষের জীবন সংগ্রামের আজ অবসান। শেষ কৌরবও পরাজিত এবং মৃত্যুশয্যায় শায়িত। কিন্তু আপনাকে দেখে প্রফুল্ল মনে হচ্ছে না। এদিকে নগরবাসী আপনার জয় উদযাপন শুরু করে দিয়েছে। সর্বত্র ধ্বনি উঠছে পাণ্ডবদের জয়। জয় ধর্মরাজ যুধিষ্ঠির।

    যুধিষ্ঠির বললেন, হে বাসুদেব, এই জয় আপনারই। আপনি না থাকলে মাত্র সাত অক্ষৌহিণী সৈন্য নিয়ে একাদশ অক্ষৌহিণীর সঙ্গে যুদ্ধে জয়লাভ সম্ভব ছিল না।

    কৃষ্ণ বললেন, প্রাকৃতিক বিচার বলে একটি বিচারই সবচেয়ে বড় বিচার। প্রকৃতি তার নিজের নিয়মে চলে। ঠিক সময় মতো সূর্য-চন্দ্ৰ ওঠে, অস্ত যায়। ঋতুচক্র আবর্তিত হয়। তেমনি ধর্মের জয় হবে। অধর্মের জয় সাময়িক। অন্যায়কারীরা বাহুবলে সাময়িক জয়লাভ করতে পারে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধর্মই জেতে। আপনি বিন্দুমাত্র দুঃখ করবেন না মহারাজ। আনন্দ করুন। প্রজারা আপনার প্রতীক্ষায় রয়েছে। আপনি আবার তাদের পালন করুন। এই পৃথিবী এখন আপনার। আপনি গো-ব্রাহ্মণ প্রতিপালক হয়ে মহাসুখে আবার রাজত্ব করুন।

    যুধিষ্ঠির বললেন, বাসুদেব, আমার মাথায় এখন একটিই চিন্তা। ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারীর সামনে আমি কেমন করে দাঁড়াবো? বিশেষ করে গান্ধারীর অভিশাপকে আমি বড় ভয় পাচ্ছি। সেই শত পুত্রহারা জননী আমাদের তো ক্ষমা করবেন না। গান্ধারীকে আমি যতটুকু জানি, তিনি ক্রুদ্ধ হলে ত্রিলোক দগ্ধ করে দিতে পারেন। হে কেশব, তুমি আমাদের জন্য কত কঠোর অস্ত্রের আঘাত সহ্য করেছ। আজ দুর্যোধন নিহত হওয়ায় তোমার সেই আঘাত সহ্য করা সার্থক হল। এখন এই জয়লাভের ফলে আমার মধ্যে সংশয় দেখা দিচ্ছে যে গান্ধারী এখন তপস্যা করে করে ক্ষীণ কলেবর হয়েছেন, এখন পুত্র-পৌত্রদের বধের সংবাদ পেয়ে আমাদের যে ভস্ম করে দেবেন তাতে সন্দেহ নেই। আমার মতে তাঁকে প্রসন্ন করাই শ্রেয়। তুমি ছাড়া আর কেউ গান্ধারীকে শান্ত করতে পারবে না। অতএব তুমি আর বিলম্ব না করে তাঁর কাছে গমন করো। দুর্যোধনের নিধন সংবাদও তাঁকে দাও। যুক্তি দিয়ে একমাত্র তুমিই গান্ধারীকে বোঝাতে সমর্থ হবে। হে কৃষ্ণ, তুমি আমাদের সর্বদাই হিত করে থাকো, অতএব গান্ধার দুহিতার ক্রোধ শান্ত করা তোমার অবশ্য কর্তব্য।

    কৃষ্ণ যুধিষ্ঠিরের কথা শুনে সারথিকে বললেন, রথ থামাও।

    শ্রীকৃষ্ণের রথ পথের মধ্যে থেমে যেতেই নিছনে রথের সারি থেমে গেল। কৃষ্ণ বললেন, আমি আমার রথে এখনই হস্তিনাপুর রওয়ানা হয়ে যাচ্ছি। এই বলে যুধিষ্ঠিরের রথ থেকে তিনি অবতরণ করলেন। তার পরেই শ্রীকৃষ্ণের নিজস্ব খালি রথ তাঁর সারথি চালিয়ে আনছিল। শ্রীকৃষ্ণ তাঁর রথে উঠে সারথিকে বললেন, হস্তিনাপুর চলো। যুধিষ্ঠিরকে বললেন, কাল দেখা হবে।

    .

    ধৃতরাষ্ট্র-গান্ধারী সকাশে কৃষ্ণ

    কৃষ্ণের রথ যখন হস্তিনাপুরের মহাতোরণ পেরিয়ে নগরীর ভেতর প্রবেশ করল তখন অপরাহ্ণ শেষ হতে চলেছে। তবে এখনও রাজপথে আলো জ্বালা হয়নি। রাজপথ শুনশান। বড় বড় বিপণিগুলি বন্ধ। দু’পাশের গৃহগুলি স্তব্ধ। রাজপথের মোড়ে মোড়ে প্রহরীরা প্রহরারত। শ্রীকৃষ্ণের রাজকীয় পতাকা শোভিত দুই অশ্বের রথ দেখে তারা উষ্ণীষে হাত ঠেকিয়ে কৃষ্ণকে অভিবাদন জানাল।

    কিছুক্ষণ পরে প্রাসাদের তোরণ দ্বারা এসে কৃষ্ণের রথ থামল। সারথি বলল, শ্রীকৃষ্ণ বাসুদেব এসেছেন, মহারাজ ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারীর সঙ্গে দেখা করবেন।

    এই বিশাল প্রাসাদ এতদিন গমগম করত। শতপুত্র, তাদের কয়েকশত পুত্রবধূ। রাজকন্যা দুঃশলার তখনও বিবাহ হয়নি। ধৃতরাষ্ট্রেরও একাধিক পত্নী ছিল। এক পত্নীর পুত্র যুযুৎসু। এছাড়া সহস্রাধিক দাস-দাসী, প্রতিহারিতে পরিপূর্ণ। পাণ্ডবদের প্রাসাদ, ভীষ্মের প্রাসাদ, বিদুরের গৃহ সমস্তই কাছাকাছি। কর্ণ প্রায় প্রতিদিনই এই প্রাসাদে আসতেন। যুধিষ্ঠির পিতৃব্যকে খুবই মান্য করতেন। গান্ধারীও পঞ্চপাণ্ডবদের স্নেহ করতেন। শুধু দুর্যোধন ও দুঃশাসনের ঈর্ষাই তাঁদের সংসারে অগ্নিকাণ্ড ঘটাল। এই পরিবারে আত্মীয় এবং একজন হিতৈষী হিসাবে শ্রীকৃষ্ণ সারাজীবন ধরে চেষ্টা করে এসেছেন তাদের বিরোধ মিটিয়ে সুখে-শান্তিতে দিনগুলি অতিবাহিত করতে।

    সঙ্গে সঙ্গে পাঁচজন অশ্বারোহী সৈন্য এসে শ্রীকৃষ্ণকে অভিবাদন করে বলল, আসুন মহারাজ।

    তাঁরা পথ দেখিয়ে নিয়ে গেল। ধৃতরাষ্ট্র অলিন্দে বসে ছিলেন। রথের ঘর্ঘর ধ্বনি শুনে বুঝতে পারলেন বাসুদেবের রথ। কিছুক্ষণ পরে প্রতিহারী এসে খবর দিল শ্রীকৃষ্ণ বাসুদেব এসেছেন।

    শ্রীকৃষ্ণের কাছে এই প্রাসাদ অতি পরিচিত। বহুবার তিনি এসেছেন। প্রতিহারী তাঁকে মহারাজের বিশাল, শয়নকক্ষে বসালেন। সেখানে কয়েকটি আরামপ্রদ আসন পাতা। কক্ষটিতে কয়েকটি বড় বড় গবাক্ষ রয়েছে। তার ভেতর দিয়ে সূর্যাস্তের রক্তিম আভা ছড়িয়ে পড়েছে।

    কৃষ্ণ দেখেছিলেন, ভারতবর্ষের এখন খুব দুর্দিন। বিভিন্ন রাজা স্বেচ্ছাচারে মত্ত। কারও সঙ্গে কারও সম্প্রীতি নেই। অথচ চতুর্বেদের মতো মহান আধ্যাত্মিক দর্শনের প্রবর্তন করে গেছেন এদেশের ঋষিরা। রামায়ণের মতো অমর মহাকাব্য রচিত হয়েছে। কিন্তু এদেশের মহান আধ্যাত্মিকতার মর্মবাণী কেউ বুঝল না। সবাই স্বার্থমগ্ন। বিমুখ মহাভারতের উদ্দেশ্য উপলব্ধি করতে। তিনি তাই চেষ্টা করে যাচ্ছেন ধর্মরাজ্য প্রতিষ্ঠার জন্য। যুধিষ্ঠিরের মতো একজন মানুষকে পেয়েছেন। যিনি সত্যনিষ্ঠ, দুর্নীতিমুক্ত, লোভ বিবর্জিত। তাঁকে দিয়ে তিনি মহাভারত গড়ে তোলার স্বপ্ন সার্থক করে তুলবেন। তাঁর সেই স্বপ্ন সার্থক হয়েছে। ভারতবর্ষ আজ নিষ্কণ্টক। তিনি সাধুদের পরিত্রাণের জন্য, দুষ্কৃতীদের বিনাশের মহান কর্তব্য হাতে তুলে নিয়েছেন।

    এখন শুধু গান্ধারী ও ধৃতরাষ্ট্রের কোপ সংহত করতে হবে। অপ্রিয় কাজ। আর বৃহত্তর স্বার্থে সমস্ত অপ্রিয় কাজই তিনি করেছেন। এই যে নিজের রাজ্যপাট ছেড়ে দিনের পর দিন তিনি যে কুরুক্ষেত্রে পড়ে রয়েছেন, এতবড় একটি যুদ্ধে তিনি নিজে অস্ত্রাঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হয়েছেন, তা কীসের জন্য? শুধু একটি আদর্শ প্রজাহিতকর মঙ্গলদায়ক ঐক্যবদ্ধ মহাভারত তৈরির জন্য। বিবিধের মাঝে মহামিলনের সেতুবন্ধ তৈরির জন্য।

    .

    পরপর দুটি সিংহাসনে বিশাল শয়নকক্ষে এক প্রান্তে বসেছিলেন ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারী। অসংখ্য দীপালোকে উজ্জ্বল সেই কক্ষ, পদশব্দ শুনে ধৃতরাষ্ট্র বললেন, কে? বাসুদেব? উপবেশন করো। এখন কোথা থেকে আসছ?

    —কুরুক্ষেত্র থেকে।

    —আমি বার্তাবহ মারফত সংবাদ পেয়েছি, পুত্র দুর্যোধনকে ভীম গুরুতর আহত করেছে। সে কি জীবিত?

    কৃষ্ণ উপবেশন করে বললেন, জীবিত মহারাজ। তবে তাঁর অবস্থা খুব খারাপ। আঘাত গুরুতর। জীবনের আশা কম।

    —তাকে অন্যায়ভাবে উরুভঙ্গ করেছে ভীম। এই তাহলে তোমাদের ধর্ম। ধৃতরাষ্ট্র ক্ষুব্ধ কণ্ঠে বললেন।

    কৃষ্ণ বললেন, কালের গতি আপনি অবগত আছেন মহারাজ। তার গতি অতি কুটিল যে যেমন কর্ম করে কাল তাকে সেই অনুসারে ফল দেয়। পাণ্ডবগণ কুলক্ষয় রোধের জন্য অতিশয় চেষ্টা করে গেছেন। কিন্তু কৃতকার্য হতে পারেনি। আমার কি কম দুঃখ মহারাজ। আমি কী কম অসুখী? আমারও সমস্ত চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে মহারাজ। এই তথাকথিত জয় কি আমার জীবনেরও কম ব্যর্থতা?

    বলতে বলতে কৃষ্ণ অশ্রু সম্বরণ করতে পারলেন না। শিশুর মতো কাঁদতে কাঁদতে গিয়ে ধৃতরাষ্ট্রের শীর্ণ হাতদুটি ধরলেন। ধৃতরাষ্ট্রও কাঁদতে লাগলেন। বাষ্পরুদ্ধ কণ্ঠে কৃষ্ণ বললেন, আমি পাণ্ডবদের জন্য মাত্র পাঁচখানি গ্রাম চেয়েছিলাম মহারাজ। কিন্তু আপনিও সেসময় নিয়তির নির্বন্ধে আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। সম্মত হননি। আপনি জ্ঞানবান হয়েও মোহে আচ্ছন্ন হয়েছিলেন। লোভের বশে তাতে সন্মত হননি। আপনার অপরাধেই আজ ক্ষত্রিয়কুল নির্মূল হয়েছে।

    মহাবীর ভীষ্ম, সোমদত্ত, বহ্লীক, কৃপ, দ্রোণ, অশ্বত্থামা ও ধীমান বিদুর সন্ধি স্থাপনের জন্য আপনাকে বারবার অনুরোধ করেছিল। আপনি সম্মত হননি।

    হায়, কাল ও অদৃষ্ট সবচেয়ে বলবান। মহারাজ, আপনি পাণ্ডবদের প্রতি দোষ দেবেন না। এ ব্যাপারে ধর্মত-ন্যায়ত তাঁদের কোনো দোষ নেই। এই কুলক্ষয় আপনার দোষেই উৎপন্ন হয়েছে। এটি বিবেচনা করে আপনি পাণ্ডবদের প্রতি অসূয়াশূন্য হোন। এখন আপনার কুলরক্ষা, পিণ্ডদান, পুত্রকর্তব্য, সমস্ত কিছুই পাণ্ডবদের ওপর নির্ভর করছে। অতএব আপনি পাণ্ডবদের ওপর রোষ না করে নিরাপদে তাঁদের প্রতিপালন করুন। আপনি ও আর্যা গান্ধারী শোকাবেগ সম্বরণ করুন। আপনার প্রতি ধর্মরাজের স্বভাবত যেমন স্নেহ ও ভক্তি আছে তা আপনার অনবদিত নয়। তিনি এখন সমগ্র শত্রু বিনাশ করে দুঃখানলে দিবারাত্র দগ্ধ হচ্ছেন। আপনি ও গান্ধারীর জন্য তিনি অনবরত শোক করছেন। তার মনে সুখের লেশমাত্র নেই। আপনি পুত্রশোকে ব্যাকুল বলে তিনি আপনার সামনে এসে দাঁড়াতে লজ্জা পাচ্ছেন।

    কৃষ্ণ এবার গান্ধারীর উদ্দেশে বললেন, ইহলোকে আপনার তুল্য নারী আর আমার চোখে পড়েনি। আপনি আমার সামনেই আপনার ছেলেদের ধর্মসম্মত উপদেশ দিয়েছিলেন কিন্তু আপনার পুত্ররা কেউ তাকে কর্ণপাত করেনি। আপনি দুর্যোধনকে বলেছিলেন যেখানে ধর্ম সেখানে জয়। এখন আপনার সেই বাক্য ফলেছে। আপনি কখনও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি। দুর্বৃত্তকে বীরের সম্মান দেননি। যেখানে ধর্ম সেখানেই জয় চেয়েছেন। আপনার কথাই ফলেছে। ধর্মের জয় হয়েছে।

    কৃষ্ণ আবার গান্ধারীর উদ্দেশে বলতে লাগলেন, আপনি সব কিছু চিন্তা করে শোক পরিত্যাগ করুন। হে মহাভাগে, আপনি মনে করলে তপোবলে আপনার ক্রোধানল দিয়ে এই বিশ্বচরাচর ধ্বংস করতে পারেন। কিন্তু অনুগ্রহ করে পাণ্ডবদের বিনাশ সাধন করবেন না।

    গান্ধারী চুপ করে সব শুনলেন। কৃষ্ণ তাঁর দিকে তাকিয়ে দেখলেন সেই রূপবতী, দীর্ঘযৌবনা, সেই নারী আর নেই। এখন তিনি কৃশ থেকে কৃশতমা। মাথার সমস্ত কেশ সাদা হয়ে গেছে। বয়স, ক্লান্তি আর শোকের ছাপ সর্বাঙ্গে। এখনও তিনি দুই চক্ষু বেঁধে রাখেন। পৃথিবীর আলো তাঁর চোখে প্রবেশ করে না। কিন্তু যখন কথা বললেন, তখন মনে হল সেই ভারত মহিষী, শতপুত্রের জননী, জাহ্নবীর মতো পুণ্যসলিলা-সতেজা সেই নারীটিই আছেন।

    গান্ধারী বললেন, হে কেশব, তোমার কথা শুনে আমি শান্তভাব অবলম্বন করলাম। দারুণ শোকাবেগে আমার মন বিচলিত হয়েছিল। রাজা একে অন্ধ। তার ওপর সবকটি পুত্রকে যুদ্ধে হারালেন। তুমিও পাণ্ডবদের দিকে চলে গেলে। আজ আমাদের কেউ নেই। এই বলে গান্ধারী তাঁর বাকি কথা আর শেষ করতে পারলেন না। কান্নায় তাঁর কণ্ঠ রুদ্ধ হয়ে এলো।

    কৃষ্ণ অত্যন্ত বিব্রত হয়ে গান্ধারীকে অনেক উপদেশ দিলেন। ধৃতরাষ্ট্র বললেন, বাসুদেব, তুমি পথশ্রমে ক্লান্ত। এই গৃহ তোমারই। আজ যদিও এই রাজপুরী শ্মশানভূমিতে পরিণত। তুমি আজ রাতে বিশ্রাম করো। কাল প্রভাতে যাত্রা করবে।

    কৃষ্ণ যখন কথা বলছিলেন তখন রাত্রি হয়ে গেছে। হঠাৎ তিনি মনশ্চক্ষে দেখতে পেলেন পাণ্ডবদের অজানা বিপদ ঘনিয়ে আসছে। তার মনশ্চক্ষে ভেসে উঠল এক দীর্ঘদেহী ব্রাহ্মণের ক্রূর মূর্তি, হাতে তার উদ্যত খঙ্গ

    বিচলিত কেশব সঙ্গে সঙ্গে উঠে দাঁড়ালেন। বললেন, মহারাজ, আপনি শোক করবেন না। আমি পাণ্ডবদের সমূহ বিপদের পূর্বাভাস পাচ্ছি। আমাকে এখনই কুরুক্ষেত্র রওয়ানা হতে হবে। আপনি কাউকে বলুন আমার সারথিকে রথ নিয়ে আসতে বলতে।

    ধৃতরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন হয়ে বললেন, হে কেশব, তুমি এখনই তাহলে চলে যাও। পাণ্ডবদের রক্ষা করো। আবার তাড়াতাড়ি এসো কিন্তু। এখন তুমি ছাড়া আমাদের আর কেউ নেই। শ্রীকৃষ্ণ গিয়ে বৃদ্ধ মহারাজকে আলিঙ্গন করলেন। তার একটু পরে কৃষ্ণের রথ আবার কুরুক্ষেত্রের দিকে রওয়ানা হয়ে গেল। তখন অনেক রাত।

    কৃষ্ণ উদ্বিগ্ন হলেন, কিন্তু বিচলিত হলেন না। জীবনে প্রথম বিচলিত হয়েছিলেন যেদিন তিনি কৌরব সভায় দ্রৌপদীর লাঞ্ছনার দৃশ্য মনশ্চক্ষে দেখতে পেয়েছিলেন। এটি কিন্তু কখনও তাঁর ভাবনার মধ্যে ছিল না। সেসময় তিনি হস্তিনাপুরে ছিলেন না। হঠাৎ দ্রৌপদীর কাতর আর্তনাদ তাঁর কানে ভেসে এলো। সেই সঙ্গে করুণ প্রার্থনা। এক অসহায়া মানহারা মানবীর বস্ত্র হরণ করে তাকে নগ্ন করার চেষ্টা হচ্ছে সভা মধ্যে। যে অর্জুন দ্রৌপদীকে দুর্লভ অস্ত্রপরীক্ষা জিতে লাভ করেছিলেন, সেই অর্জুন নত মুখে। পঞ্চপাণ্ডব থেকে ভীষ্ম, দ্রোণ, সবাই অধোবদন। অন্ধ রাজা ধৃতরাষ্ট্রও সেদিন নির্বাক। শুধু প্রতিবাদ করছেন বৃকোদর আর গান্ধারীর শতপুত্রের একজন বিকর্ণ। এমন দৃশ্য তিনি কল্পনাতেও কোনোদিন আনতে পারেননি। তাঁর মনে হয়েছিল যদি আকাশপথে তখনই উড়ে দ্যূতসভায় গিয়ে পৌঁছে সুদর্শনচক্র দিয়ে একে একে সবাইকে নিধন করে দ্রৌপদীকে উদ্ধার করেন। কিন্তু তাঁর পক্ষে তা সম্ভব নয়। তাই তিনি সেই মুহূর্তে যতটুকু করণীয় করেছিলেন। মায়াশক্তি প্রয়োগ করে দ্রৌপদীকে শাড়ির পর শাড়ি সরবরাহ করেছিলেন যাতে দুরাত্মা দুঃশাসন শাড়ি টেনে শেষ না করতে পারে। স্তূপাকৃতি শাড়ি টানতে টানতে দুঃশাসন ক্লান্ত হয়ে রণে ক্ষান্ত দিয়েছিল।

    রথ মহাসড়কে এসে পড়েছে। কৃষ্ণের মন অদ্ভুতভাবে আন্দোলিত হতে শুরু করেছে। তিনি দিব্যচক্ষে দেখছেন অশ্বত্থামা হাতে উন্মুক্ত খঙ্গ নিয়ে পাণ্ডব শিবিরে ঢুকে পড়েছে। এমন সময় সারথি অশ্ব থামিয়ে দিল। উদ্বিগ্ন শ্রীকৃষ্ণ বললেন, কী হল?

    সারথি নেমে বললেন, মনে হচ্ছে একটি রথচক্র কোনোক্রমে আলগা হয়ে গেছে। আমি একটু দেখে নিচ্ছি মহারাজ। আপনি নিশ্চিন্তে বলুন।

    যদিও আকাশে ত্রয়োদশীর চাঁদের মৃদু জ্যোৎস্না। তবু রথচক্র দেখার পর তা যথেষ্ট নয়। সারথি একটি ছোট মশাল জ্বালল। কৃষ্ণ রথ থেকে নেমে বললেন, আমি আলো ধরছি, তুমি দ্রুত কাজ করো। আমাকে যত দ্রুত সম্ভব পৌঁছতেই হবে।

    কৃষ্ণ মনে মনে দেবাদিদেব মহাদেবকে স্মরণ করে বললেন, হে প্রভু, তুমিই সংহারের দেবতা। তুমি পাণ্ডবদের রক্ষা করো।

    কিছুক্ষণ পরে রথচক্র আবার ঠিক করে রথ চলল। কিন্তু রাতের প্রায়ান্ধকার অশ্বের গতি তোলা বেশ কঠিন। তবু তারা যতখানি দ্রুতগতিতে ছোটা সম্ভব ছুটতে লাগল।

    রাত্রি প্রায় শেষ হতে চলেছে। দু’পাশে গ্রামগুলি নিঝুম। বনপথ জুড়ে এক গভীর নিস্তব্ধতা। শুধু ক্ষীণ জ্যোৎস্নালোকে পটচিত্রের মতো দু’পাশের বৃক্ষগুলি নিথর স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। অশ্ব খুরের শব্দগুলিকেই যেন অস্ত্রের ঝনঝন শব্দ বলে মনে হচ্ছে। একটা অশুভ চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে আছে কৃষ্ণের মন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Our Picks

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }