Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অশ্বত্থামার সেনাপতি পদ প্রত্যাখ্যান

    কর্ণের মৃত্যুর পর, কৌরবপক্ষের বিশিষ্ট সেনাপতিদের কেউ কেউ যুদ্ধক্ষেত্র ছেড়ে হিমালয়ের কোলে গিয়ে লুকিয়েছিলেন। কিন্তু এইভাবে আত্মরক্ষা করায় তাঁরা কেউ শান্তি পাচ্ছিলেন না। এক বিবেকবোধে তাড়িত হচ্ছিলেন।

    দুর্যোধনের বার্তাবহরা গিয়ে সকলের কাছে পৌঁছে দুর্যোধনের আহ্বান জানালেন। তখন তারা ঠিক করলেন দুর্যোধনের সঙ্গে তারাও যুদ্ধ করে প্রাণ বিসর্জন দেবেন। দুর্যোধন তাঁদের আহ্বান পাঠিয়েছেন, আসুন, মৃত্যুর জন্য যুদ্ধ করুন।

    পলাতক সেনারা আবার ফিরে এসে দুর্যোধনকে একে একে অভিনন্দন জানালেন। জীবিতদের মধ্যে তখন ছিলেন মদ্ররাজ শল্য, চিত্রসেন, শকুনি, কৃপাচার্য, কৃতবর্মা, অরিষ্টসেন, ধৃতসেন, জরিৎসেন আর অশ্বত্থামা।

    দুর্যোধন তখন শিবিরে ছিলেন না। যথাসময় অশ্বারূঢ় হয়ে তিনি শিবিরে ফিরতেই দেখলেন মহারথীরা তাঁর জন্য অপেক্ষা করছে। প্রথমেই তাঁর চোখ পড়ে গেল অশ্বত্থামার দিকে। দ্রোণপুত্রে মুখ পদ্মপাতার মতো বিকশিত। ক্লান্তি বা উদ্বেগের ছাপ কোথাও নেই। তার কোমর ব্যাঘ্রের মতো। সমস্ত দেহ পর্বতের মতো সুকঠোর। তার স্কন্ধ, নেত্র, গতি ও কণ্ঠস্বর মহাদেবের বৃষভের মতো। তাঁর বাহুযুগল পুষ্ট ও আয়ত, বক্ষস্থল দৃঢ় ও বিশাল। তিনি তেজে দিবাকর। বুদ্ধিতে শুক্রাচার্য। রূপে সুধাকর চন্দ্রের মতো। তাঁর উরুদেশ কটিদেশ ওঁ জঙ্ঘা অতি সুবৃত্ত।

    তাঁর বীরসুলভ এই সুপুরুষ তেজস্বীরূপ ব্রাহ্মণপুত্রের পক্ষে দুর্লভ। বিধাতা যেন তাঁর গুণাবলীকে বারবার স্মরণ করে তবেই তাঁকে নির্মাণ করেছেন। তিনি সকল কাজে দক্ষ এবং বিদ্যার সাগর। শত্রুগণ কদাচ তাঁকে পরাস্ত করতে পারেনি। অস্ত্রবিদ্যা, চার বেদ তাঁর কণ্ঠস্থ। উপবেদ[১] ও আখ্যান[২] বিশেষ রূপে অবগত। অযোনিজ দ্রোণাচার্য মহাচার্য দ্রোণ মহাদেবের আশীর্বাদে তাঁকে লাভ করেন। তিনি অদ্ভুতকর্মা ও অলৌকিক গুণসম্পন্ন[৩]।

    [১.  উপবেদ, বেদের ছয়টি অংশ। শিক্ষা, কল্প, ব্যাকরণ, নিরুক্ত, ছন্দ ও জ্যোতিষ

    ২. ইতিহাস। প্রাচীন ভারতে ইতিহাস চর্চাও হত।

    ৩. অশ্বত্থামার গুণাবলী বর্ণনায় মহাভারতকার উদার ও উচ্ছ্বসিত। অশ্বত্থামা চরিত্র মহাভারতে কোথাও মুখ্য চরিত্র রূপে বর্ণিত হয়নি। মাঝে মাঝে তাঁর প্রসঙ্গ উল্লিখিত হয়েছে। কিন্তু একটি অপ্রধান চরিত্র বর্ণনা করতে শল্যপর্বে মহাভারতকার প্রায় দু’ হাজার শব্দ ব্যয় করেছেন।]

    রাজা দুর্যোধন সেই সরতিনিপাত (শত্রু নিধনকারী) অশ্বত্থামার কাছে সোজা গিয়ে তাঁকে বললেন, হে গুরুপুত্র, আপনিই আমাদের অনন্যগতি। অতএব কাকে সেনাপতি পদে অভিষিক্ত করব আমায় আদেশ করুন।

    অশ্বত্থামা দুর্যোধনের কথা শোনামাত্র এক কথায় বললেন, মহারাজ মদ্রাধিপতি শল্য বলবীর্য স্ত্রী ও যশে অশেষ গুণসম্পন্ন এবং সৎকুল সম্ভূত। অতএব ওই কার্তিকেয় সদৃশ মহাবীরই আমাদের সেনাপতি পদে অভিষিক্ত হন।

    দুর্যোধন সঙ্গে সঙ্গে অশ্ব থেকে নেমে শল্যরাজের বাহু ধরে বললেন, হে মিত্রবৎসল, যে দুঃসময় মিত্র ও অমিত্রের পরীক্ষা হয়, সেই সময় এখন উপস্থিত। আপনি আমাদের প্রকৃত বন্ধু। আপনি সেনাপতি পদে অভিষিক্ত হোন। আপনি যুদ্ধে নামলে পাণ্ডব ও পাঞ্চালরা যুদ্ধে হতোদ্যম হয়ে পড়বে।

    শল্য সেনাপতির পদ গ্রহণে সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে বললেন, দুর্যোধন তুমি আমাকে যে সম্মান দিলে আমি তার মর্যাদা রক্ষার প্রাণপণ চেষ্টা করব। আমার রাজ্য, ধন, প্ৰাণ যা আছে আমি সবই তোমার প্রিয় কাজে নিবেদিত করব। শল্য সম্পর্কে কুরুপুত্রদের মাতুল। দুর্যোধন তাই বললেন, হে মাতুল, আপনাকেই আমি সেনাপতি পদে বরণ করছি। কার্তিকেয় যেমন যুদ্ধে দেবগণকে রক্ষা করেছিলেন, আপনিও তেমনি আমাদের রক্ষা করুন। দেবরাজ ইন্দ্র যেমন পাণ্ডবদের বিনাশ করেছিলেন আপনিও তেমনি দানব পাণ্ডবদের নির্মূল করুন। আমাদের শত্রুদের সংহার করুন।

    শল্য তখন বললেন, দুর্যোধন তোমায় কী বলব, তুমি ধনঞ্জয় ও বাসুদেবকে সবচেয়ে বড় রথী বলে মনে করো তাই না? আমি যদি ক্রোধাবিষ্ট হই, তাহলে ধনঞ্জয় ও বাসুদেব তো ছার, আমি সারা পৃথিবী আমার সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাইলে আমি অনায়াসে তাদের বিপক্ষে যুদ্ধ করতে পারি। আমি তোমাদের সেনাপতি হয়ে সমস্ত পাণ্ডবদের যে পরাস্ত করব, তাতে আর সন্দেহ নেই।

    শল্য সেনাপতি পদে অভিষিক্ত হলেন। শল্য প্রতিজ্ঞা করলেন, আমি পাণ্ডবদের সবাইকে নিহত করব, না হয় স্বয়ং নিহত হয়ে দেবলোক যাত্রা করব। সৈন্যদের বললেন, সৈন্যগণ এসো আবার আমরা দুরাত্মা পাণ্ডবদের বিনাশের জন্য শেষবারের মতো লড়াই করি। আমাদের মধ্যে এখনও শকুনি, অশ্বত্থামা, কৃপাচার্য, বিচিত্রবীর্য, চিত্রসেনরা জীবিত আছেন। সবচেয়ে বড় কথা অমিত পরাক্রম, অনমনীয় তেজের অধিকারী মহারাজ দুর্যোধন রয়েছেন। তাঁর অনুপ্রেরণায় আমরা অসাধ্য সাধন করব। বলো ‘জয় মহারাজ দুর্যোধনের জয়’।

    যদিও আগের মতো সেই মহাসমুদ্রের কল্লোল ধ্বনি শোনা গেল না, তবু সমস্বরে রব উঠল ‘জয় মহারাজ দুর্যোধনের জয়’।

    .

    পাণ্ডব শিবিরে সেই জয়ধ্বনি এসে পৌঁছলে যুধিষ্ঠির খুব একটা বিচলিত ছিলেন না। কৌরব শক্তি যে দ্রুত নিঃশেষিত হয়ে আসছে সে বিষয়ে তার কোনও সন্দেহ ছিল না। তবে তিনি মনে মনে আশঙ্কিত ছিলেন দ্রোণপুত্র অশ্বত্থামা সম্পর্কে। শৈশব থেকে অশ্বত্থামার সঙ্গে একসঙ্গে বড় হয়ে উঠেছেন। গুরুপুত্রের অমিতবীর্য ও দুঃসাহস সম্পর্কে তিনি জ্ঞাত ছিলেন। তার আশঙ্কা ছিল যে অশ্বত্থামাকে দুর্যোধন এবার সেনাপতি করবেন। যদিও কর্ণের মৃত্যুর পর কুরুসৈন্যরা ছিন্নভিন্ন হয়ে যেতে শুরু করেছিল তবু তাঁর আশঙ্কা ছিল অশ্বত্থামা সেনাপতি হলে মরা গাঙে আবার জোয়ার বইতে পারে। কিন্তু না, তাঁর ধারণা অমূলক করে শল্য সেনাপতি হয়েছেন। যুধিষ্ঠির মনে মনে আশ্বস্ত হলেন।

    কিন্তু শ্রীকৃষ্ণ বললেন, মহারাজ, আমি মদ্ররাজকে বিশেষভাবে অবগত আছি। ওই বীর বিপুল বলশালী, মহাতেজস্বী, বিচিত্রযোদ্ধা ও ক্ষিপ্রহস্ত। আমার মনে হয় উনি মহাবীর। ভীম, দ্রোণ ও কর্ণের সদৃশ বা তাঁদের চেয়ে সমধিক রণ বিশারদ। উনি শিখণ্ডী, অর্জুন, ভীম, সাত্যকি, ধৃষ্টদ্যুম্ন অপেক্ষা অধিক বলশালী এবং হস্তী ও সিংহের মতো তাঁর বিক্রম। এই ত্রিলোক মধ্যে একমাত্র আপনি ছাড়া আর কেউ তাঁকে বধ করতে পারবেন না। ওই মহাবীর নিহত হলে নিশ্চয়ই সমুদয় কৌরব সেনা বিনষ্ট হবে। আপনার জয়লাভ হবেই।

    .

    কুরুক্ষেত্রের শেষ দিন

    সেদিন ছিল কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের অষ্টাদশ দিবস। কৌরব সৈন্যদের মধ্যে পলায়ন প্রবণতা দেখে পরদিন যুদ্ধ শুরুর আগে কৃতবর্মা, অশ্বত্থামা, শল্য ও শকুনি একযোগে একটি নিয়ম প্রবর্তন করলেন যে এখন থেকে একা কেউ পাণ্ডবদের সঙ্গে যুদ্ধ করবে না। সবাই মিলে যুদ্ধ করবে। যে একা যুদ্ধ করবে বা কোনো পাণ্ডবকে কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে দেখলে তার পাশে না দাঁড়িয়ে পালিয়ে যাবে সে পঞ্চপাতক ও উপপাতকে নিমগ্ন হবে। পঞ্চপাতক হল সুরা পান, ব্রহ্মহত্যা, ব্রাহ্মণের সোনা চুরি, গুরুপত্নী গমন এবং ওই পাপকারীদের সংসর্গ করা। আর উপপাতক হল, পরদার গমন, আত্মবিক্রয়, মাতা-পিতা-পুত্র ত্যাগ, ঋণ পরিশোধ না করা, নাস্তিকতা ও গো-বধ। সকলে মিলে এই সিদ্ধান্তে এলেন যে, সবাই মিলিত হয়ে পরস্পরকে রক্ষা করবেন। আবার ভয়ানক যুদ্ধ শুরু হয়ে গেল।

    কিন্তু পাণ্ডবদের তুমুল শরজালে ছিন্নভিন্ন হয়ে কৌরব সৈন্য আবার পালাতে শুরু করল। শল্য দেখলেন তাঁর সৈন্যরা পালাচ্ছে। তিনি সারথিকে বললেন, আমাকে যুধিষ্ঠিরের কাছে নিয়ে চলো।

    অন্যদিকে তখন যুদ্ধ চলছে নকুলের সঙ্গে কর্ণপুত্র চিত্রসেনের। চিত্রসেন নকুলকে শরবিদ্ধ করেছেন। নকুল সেই অবস্থায় তাঁর রথ থেকে নেমে নকুলের রথে উঠে চিত্রসেনের মুকুট কুণ্ডলধারী, আয়ত চক্ষু বিশিষ্ট মস্তক তরবারির এক কোপে উড়িয়ে দিয়েছেন। অন্যদিকে নকুল কর্ণের আর এক পুত্র সুযেণকে বধ করলেন।

    অশ্বত্থামার এই যুদ্ধে আসল লক্ষ্য ছিল পিতৃহন্তা যুধিষ্ঠিরকে বধ করা। যুধিষ্ঠিরের কথায় বিশ্বাস করেই পিতা অস্ত্র ত্যাগ করেছিলেন। তিনি বিশ্বাস করতেন যুধিষ্ঠির কখনও মিথ্যা বলতে পারে না। সেই ‘কপটচারী, ধর্মের মুখোশধারী’ যুধিষ্ঠিরকে হত্যা করার জন্য মশ্বত্থামা অধীর হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে তাঁকে অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হতে হল। এই যুদ্ধে কৌরবপক্ষ সমবেতভাবে অর্জুনের রথে এত বিপুল পরিমাণ বাণ হানলেন যে অর্জুনের রথের পাটাতনের কাঠ এবং রথের নানা অংশ ভেঙে চুরমার হয়ে গেল। ধনঞ্জয় ও বাসুদেব দুজনেই ক্ষত-বিক্ষত। অর্জুনের সঙ্গে যুদ্ধ করছিলেন অশ্বত্থামা আর ত্রিগর্ত দেশগুলি থেকে আসা রাজারা। এই যুদ্ধে ধনঞ্জয় দু’ হাজার কৌরব রথীকে বধ করেন।

    অশ্বত্থামা সুতীক্ষ্ণ দ্বাদশ বাণে এবং আরও দশ বাণে বাসুদেবকে বিদ্ধ করলেন। অর্জুনের রথ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হল। এই প্রবল যুদ্ধে অর্জুন ও বাসুদেব যেমন অসংখ্য বাণের দ্বারা আহত হলেন তেমনি তাঁর চারপাশে রাশি রাশি রথচক্র, তৃণীর, পতাকা, ধ্বজ, ঈষা, অক্ষ, যোক্ত, প্রত্যেদ* ও সেই সঙ্গে নিহত যোদ্ধাদের ছিন্ন মস্তক, হাত, কাঁধ, ছাতা, চামর, মুকুট মাটিতে গড়াগড়ি খেতে লাগল। শোণিতের স্রোতে কদমাক্ত হয়ে উঠল কুরুক্ষেত্রের মাটি। দু’ হাজার কৌরবযোদ্ধাকে নিহত করে অর্জুন ফিরে যাচ্ছিলেন। অশ্বত্থামা তাঁর পথরোধ করলেন। এইবার দ্বৈরথ সমর শুরু হল অর্জুন ও অশ্বত্থামার মধ্যে। কিন্তু কেউ কাউকে পরাজিত করতে পারলেন না।

    [* সবই রথের নানা অংশ। প্রত্যেদ মানে হচ্ছে ঘোড়াকে চালনার চাবুক।]

    কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের শেষ সেনাপতি শল্য যেভাবে সমবেত পাণ্ডবদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন তা অতুলনীয়। শল্যকে দুর্যোধনও তেমন গুরুত্ব দেননি। পাণ্ডবরা তো নয়ই। ভীষ্ম, দ্রোণ ও কর্ণের তুলনায় মদ্ররাজকে সবাই অকিঞ্চিৎকর জ্ঞান করেছিলেন। একমাত্র কৃষ্ণই জানতেন শল্যের অসাধারণ বীরত্বকথা।

    একদিকে সমগ্র পাণ্ডব সেনা অন্যদিকে একাই শল্য। মহাভারতকার বলেছেন, যখন যুধিষ্ঠির শল্যের সঙ্গে যুদ্ধ করছিলেন তখন মনে হচ্ছিল যেন শশধর সমীপে শনিগ্রহ’ পাণ্ডব সৈন্যরা শল্যের শরে নিপীড়িত হয়ে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালাতে লাগল। যুধিষ্ঠির তখন ক্রুদ্ধ হয়ে প্রতিজ্ঞা করলেন হয় জয়লাভ করব, না হয় বিনষ্ট হব। এই মনে করে তিনি শল্যকে নিহত করার জন্য এগিয়ে গেলেন।

    এই প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য মদ্ররাজ শল্য মাদ্রীর আপন ভ্রাতা। নকুল-সহদেবের আপন মাতুল। যুধিষ্ঠির তাঁর ভাইদের ডেকে বললেন, ক্ষত্রিয়ধর্ম অনুসারে আমি মাতুলের সঙ্গে যুদ্ধে নেমেছি। এতে আমার জয় হোক, বা পরাজয় হোক, আমি চাই এ যুদ্ধে আমার ভাইরা শুধু আমার সঙ্গে থাকুক।

    যুধিষ্ঠির যমদণ্ডতুল্য শর নিক্ষেপ করে শল্যের প্রাণ সংহার করেন। ওই বাণ সংবর্তক ও অনলের মতো (প্রলয়কালীন অগ্নির মতো)। বিশ্বকর্মা ভগবান শঙ্করের জন্য ওই শক্তি নির্মাণ করেছিলেন। এটি অতি সুদৃশ্য। ঘণ্টা, পতাকা, মণি-হীরক সমলঙ্কৃত ও সুবণ বৈদুর্যখচিত। মহারাজ যুধিষ্ঠির সেই সুবর্ণ বৈদুর্যখচিত মণি-হীরক সমলঙ্কৃত সেই ব্রহ্মশক্তি বাণটি মন্ত্রপুতঃ করে খুব নিপুণভাবে মহাবেগে সেটি ছুড়লেন। রুদ্রদেবের শরের মতো তা মদ্ররাজের বক্ষস্থলের মর্মভেদ করে মাটিতে গিয়ে পড়ল।

    শল্য ইন্দ্রধ্বজের মতো রথ থেকে নিচে পড়ে গেলেন। বসুন্ধরাকে শেষবারের মতো গাঢ় আলিঙ্গনে জড়িয়ে ধরলেন। কিছুক্ষণের মধ্যে মদ্ররাজের অনুজও নিহত হলেন। সমরাঙ্গণে শুধু রক্ত আর রক্ত। মহারাজ কৃপাচার্য ও কৃতবর্মার রথ বিনষ্ট হয়ে গেল। কৃতবর্মা সাত্যকির শরে গুরুতর আহত। তার রথ সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হয়ে গেল। কৃপাচার্য সে সময় এসে পড়ে কৃতবর্মাকে নিজের রথে তুলে না নিয়ে গেলে আহত কৃতবর্মার মৃত্যু অনিবার্য ছিল।

    এদিকে কৃতবর্মাকে রথহীন দেখে কৌরব সৈন্যরা পালাতে শুরু করে দিল। শল্যের মৃত্যুসংবাদ পেয়ে সাতশত কৌরব রথী এসে পাণ্ডবদের আক্রমণ করল। পাণ্ডবদের সঙ্গে তখন যোগ দিয়েছেন সাত্যকি, ধৃষ্টদ্যুম্ন, শিখণ্ডী ও দ্রৌপদীর পঞ্চপুত্ৰ।

    শকুনি দুর্যোধনকে বললেন, তুমি থাকতে এই মদ্র সৈন্যরা সবাই নিহত হল। তুমি নিয়ম করেছিলে কৌরবেরা সমবেতভাবে যুদ্ধ করবে। তা তো কেউ মানল না। প্রত্যেকে নিজেদের মতো করে লড়তে গিয়ে এই বিপত্তি বাধিয়ে বসল।

    দুর্যোধন নিরুপায় হয়ে বললেন, মাতুল, আমি বারবার ওদের একাকী যুদ্ধ করতে বারণ করেছিলাম। ওরা না শুনলে কী করব বলুন। আপনি রাগ করবেন না। চলুন আমরা মদ্র সৈন্যদের সাহায্য করতে যাই।

    কিন্তু শল্যের মৃত্যুর পর কৌরব সৈন্যদের আর ধরে রাখা গেল না। দুর্যোধন দেখলেন কৌরব সৈন্যরা দলে দলে পালাচ্ছে।

    দুর্যোধন চিৎকার করে বললেন, তোমরা পালিয়ে বাঁচবে ভেবো না। পাণ্ডবরা তোমাদের যেখানে পাবে সেখানেই তোমাদের সংহার করবে।

    সমস্ত কৌরব সেনাধ্যক্ষরা নিহত বা পলাতক। কিন্তু সেই সমরাঙ্গণে একাই যুদ্ধ করতে লাগলেন দুর্যোধন। শুধু কৃতবর্মাকে তিনি সঙ্গে পেলেন। তিনি যুধিষ্ঠিরকে একশো, ভীমকে ৭০টি, সহদেবকে সাতটি, নকুলকে ৬৪টি, ধৃষ্টদ্যুম্নকে সাতটি দ্রৌপদীর পঞ্চপুত্রকে সাত-সাতটি করে বাণে বিদ্ধ করলেন। অন্যদিকে দ্রৌপদীর পাঁচপুত্রকে ৭০টি, যুধিষ্ঠিরকে পাঁচটি, ভীমসেনকে আশিটি, সাত্যকিকে একশোটি করে বাণে বিদ্ধ করলেন।

    দুর্যোধনও পাণ্ডবদের বাণে বিদ্ধ। কিন্তু দুর্যোধন অচল-অটল। এই সময় কিছু পলায়মান কৌরব সৈন্য আবার ফিরে এলো। দুর্যোধনের পাশে এলেন অশ্বত্থামাও।

    শকুনিও প্রবল যুদ্ধে যুধিষ্ঠিরের চার অশ্বকে নিহত করলেন। সহদেব শকুনির শরে আহত হয়ে যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করলেন। শকুনির পুত্র উলুক সহদেবের অনুসরণ করলেন। অন্যদিকে সাত্যকি ও কৃতবর্মার মধ্যে যুদ্ধ চলছে। পাঞ্চালীর পাঁচপুত্রের সঙ্গেও যুদ্ধ চলছে কৃতবর্মার। দুর্যোধন ধৃষ্টদ্যুম্নের শরাসন ছিন্ন করে দিয়েছেন। পদাতিকগণ পদাতিকগণকে, গজথ গজথকে, অশ্ব সকল অশ্ব সকলকে আক্রমণ করছে।

    তখন অর্জুন উৎসাহিত হয়ে কৃষ্ণকে বললেন, ‘সখা, তুমি আক্রমণকারী কৌরব সেনাদের মধ্যে আমার রথ নিয়ে চলো। আজ যুদ্ধের অষ্টাদশ দিবস। কৌরব সেনা এখন গোষ্পদের মতো হয়ে গিয়েছে। কিন্তু দৈবের কি অনির্বচনীয় প্রভাব। মহাবীর ভীষ্ম নিহত হলে আমাদের সঙ্গে সন্ধি করাই দুর্যোধনের উচিত ছিল। দুর্যোধন তা করেনি। ভীষ্ম শরশয্যায় এখনও শয়ান রয়েছেন। এরপর কেন কৌরবরা যুদ্ধ করছে আমি বুঝে উঠতে পারছি না। তুমি আমাকে কৌরব সেনাদের মধ্যে নিয়ে চলো। আমি এখনই দুর্যোধনকে বিনাশ করব।

    আবার সেই একই দৃশ্য। অর্জুনের শরাঘাতে পতঙ্গের মতো অবশিষ্ট কৌরব সৈন্যদের মৃত্যু হচ্ছে। আবার সেই পলায়নের দৃশ্য। আহতরা তো পালাচ্ছেই। যারা আহত হয়নি, তারাও যুদ্ধক্ষেত্র ত্যাগ করছে।

    দুর্যোধন একাই লড়ে যাচ্ছেন। দুর্যোধনের সঙ্গে প্রথম যুদ্ধ হল ধৃষ্টদ্যুম্নের। দুর্যোধনের শরাঘাতে ধৃষ্টদ্যুম্ন অঙ্কুশ আহত মাতঙ্গের মতো ক্রুদ্ধ হয়ে দুর্যোধনের চারটি অশ্বকেই নিহত করলেন। তাঁর সারথির মস্তকচ্ছেদন করলেন।

    রথবিহীন হয়ে দুর্যোধন একটি অশ্বের পিঠে চড়ে শকুনির কাছে চলে গেলেন।

    .

    শকুনির মৃত্যু

    শকুনি শুধু দুর্যোধনের কূট পরামর্শদাতা ছিলেন না। গান্ধাররাজ একজন উৎকৃষ্ট বীর যোদ্ধাও ছিলেন। তাঁর নিজের দশ হাজার অশ্বারোহী সৈন্য ছিল। তাদের আক্রমণে পাণ্ডব সৈন্যরা অভ্রজালের মতো ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল। যুধিষ্ঠির চোখের সামনে দেখলেন তাঁর সৈন্যরা শকুনির গান্ধার সৈন্যেদের বিক্রমের কাছে টিকতে পারছে না। তিনি তখন সহদেবকে আদেশ করলেন, তুমি শকুনিকে সংহার করো। সহদেব তখন দ্রৌপদীর পাঁচপুত্রদের নিয়ে, সাতশো হাতি, পাঁচ হাজার ঘোড়া ও তিন সহস্র পদাতিক সৈন্যদের নিয়ে শকুনির প্রতি ধাবমান হলেন।

    আবার তুমুল যুদ্ধ। সহস্র সহস্র অশ্বখুরের ওড়ানো বালুকাময় যুদ্ধক্ষেত্রের সেই স্থান অন্ধকারে ঢেকে গেল। সেই অন্ধকারের মধ্যে কৌরবদের অসংখ্য যোদ্ধা যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করতে লাগল। সহদেবের শরে বিপর্যস্ত শকুনি নিজেও পালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু সহদেব তাঁকে অনুসরণ করে ধরে ফেললেন। তারপর কার্মুকে জ্যা আরোপ করে মাহুত যেমন অঙ্কুশ দ্বারা হস্তীকে আঘাত করে তেমনি শরাঘাত হানলেন শকুনির ওপর। আহত শকুনিকে উদ্দেশ করে সহদেব বললেন, দ্যূতক্রিড়ার সময় তুমি যে আনন্দ উপভোগ করেছিলে আজ তা কোথায়? সেদিনের আহ্লাদের আজ ফল ভোগ করো। পূর্বে যেসব দুরাত্মা আমাদের উপহাস করেছিল তারা সকলেই নিহত হয়েছে। শুধু কলাঙ্গার দুর্যোধন ও তুমি—তোমরা দুজন জীবিত আছ। লাঠি দিয়ে যেমন বৃক্ষ থেকে ফল পাড়া হয়, তেমনি আজ তোমার মাথাটাও আমি পেড়ে ফেলব।

    তারপর শকুনির প্রতি অসংখ্য শর নিক্ষেপ করতে লাগলেন সহদেব। তিনটি বিশেষ বাণ ছুড়ে শকুনির দুটো হাত কেটে ফেললেন। তারপর একটি লৌহভল্ল নিক্ষেপ করলেন শকুনির দিকে। এর আঘাতে শকুনি ছিন্নমস্তক হয়ে ধরায় লুটিয়ে পড়লেন।

    .

    এদিকে অর্জুন অবশিষ্ট কৌরব সেনাদের আক্রমণ করে ভল্ল দ্বারা কারও মস্তক ছেদন করলেন। কাউকে শরাঘাতে নিহত করলেন।

    দুর্যোধন সৈন্যদের উৎসাহ দেবার জন্য চেঁচিয়ে বলতে লাগলেন, তোমরা পাণ্ডবদের বনাশ করো। ধৃষ্টদ্যুম্ন যেন পার না পায়। তাকে যেখানে পাও হত্যা করো।

    কিন্তু কৌরব সৈন্যরা আর পেরে উঠল না। একাদশ অক্ষৌহিণী কৌরব সৈন্যের প্রায় সবাই শেষ হয়ে গেল। পাণ্ডবদের অবশিষ্ট রইল দু’ হাজার রথী, পাঁচ হাজার অশ্বারোহী আর দশ হাজার পদাতিক। সেই রণভূমিতে দাঁড়িয়ে দুর্যোধন দেখলেন তিনি একা। চারিদিক থেকে পাণ্ডবেরা তাঁকে ঘিরে ধরতে এগিয়ে আসছে।

    তিনি একবার মনে মনে ভাবলেন এমন একটা অবস্থা আসতে পারে বিদুর তাঁকে আগেই বলেছিলেন। তিনি কর্ণপাত করেননি। করেননি, তাই বলে তিনি আত্মসমৰ্পণ করবেন না। তিনি দ্রুত অশ্বের মুখ ফিরিয়ে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পলায়ন করলেন। পিছনে অনুসরণ করছিল বিপুল পাণ্ডব সৈন্য। তিনি উপায়ন্তর না দেখে অদূরে একটি হ্রদ দেখে তার মধ্যে ঝাঁপ দিলেন। সেই হ্রদের নাম দ্বৈপায়ন হ্রদ।

    পাণ্ডব সৈন্যরা হ্রদের জলে নেমে অনেক খোঁজাখুঁজি করল। কিন্তু দুর্যোধনকে ধরতে পারল না। ততক্ষণে দ্বৈপায়নের বুকে অন্ধকার নেমেছে। অস্ত গেছে সন্ধ্যাসূর্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Our Picks

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }