Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    নিষাদ পল্লিতে একদিন

    অশ্বত্থামা, কৃপাচার্য ও কৃতবর্মা দ্বৈপায়ন থেকে বেরিয়ে কোথায় যাবেন ঠিক করতে পারছিলেন না। দুর্যোধনকে একা ফেলে রেখে কোথাও যেতে মন চাইছিল না। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হবার পর এই সমগ্র এলাকাটি তাদের কাছে বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। পাণ্ডবদের চরেরা তাদের সন্ধানে চারিদিক ছড়িয়ে পড়েছে। যে কোনও মুহূর্তে তারা বন্দি হতে পারেন। বন্দি হলে অশ্বত্থামা ও কৃপাচার্য ব্রাহ্মণ বলে হয়তো মৃত্যুদণ্ড পাবেন না। কিন্তু কৃতবর্মাকে হয়তো মৃত্যুদণ্ড দেবে। অথবা কৃষ্ণের প্রভাবে কৃতবর্মা ক্ষমাও পেতে পারেন। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা হল, তাঁরা ধরা পড়লে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে না।

    দ্বৈপায়ন হ্রদের সন্নিহিত অরণ্যে প্রমোদ বিহারে ও মৃগয়ায় অভিজাতরা এখানে প্রায়ই আসেন বলে রথ চলার রাস্তা তৈরি আছে অরণ্য চিরে। কিন্তু অশ্বত্থামা আর ওই রাস্তা ধরলেন না। তাঁরা অশ্ব নিয়ে আরও গভীর বনের ভেতর প্রবেশ করলেন। বনে ঘুরতে ঘুরতে পথশ্রমে ক্লান্ত হয়ে পড়লেন। এর মধ্যে কখন অপরাহ্ণ হয়ে গেছে। প্রচণ্ড ক্ষুধায় তাঁরা তিনজনই অবসন্ন হয়ে পড়েছেন। অশ্বরা অবশ্য দ্বৈপায়নে প্রচুর ঘাস খেয়ে নিয়েছে এই রক্ষা। সেই সময় তিনি অরণ্যের মধ্যে অরণ্যবাসী নিষাদদের কয়েকটি পর্ণকুটির দেখতে পেয়ে কিছু আহার্যের জন্য সেখানে গিয়ে উপস্থিত হলেন। তখন নিষাদপল্লিতে যুবকেরা কেউ শিকার থেকে ফেরেনি। শিশু, বধূ ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা কুটিরে রয়েছেন। তাদের দেখে একজন বয়স্ক নিষাদ কুটিয়ে থেকে বেরিয়ে এলেন। তিনি পল্লির নেতা।

    —আপনারা এই অরণ্যে? আপনারা কে? আপনাদের পরিচয়। বৃদ্ধ জানতে চাইলেন।

    কৃপাচার্য বললেন, আমরা ক্ষুধার্ত ব্রাহ্মণ। পথ হারিয়ে এই অরণ্যে চলে এসেছি। আমরা বহুদূর থেকে দ্বৈপায়ন হ্রদ দেখতে এসেছিলাম।

    ওদের দিকে তাকিয়ে বৃদ্ধ বললেন, আপনারা ব্রাহ্মণ বলছেন। কিন্তু আপনাদের পরনে দেখছি যোদ্ধার পোশাক। আপনারা কি কুরুক্ষেত্র থেকে আসছেন? সত্য কথা বলুন। আপনারা কি পলাতক সৈনিক?

    অশ্বত্থামা বললেন, আপনাদের কাছে মিথ্যা কথা বলব না। আমরা কুরুক্ষেত্র থেকেই আসছি।

    —আমরা কয়েকদিন থাকার মতো একটু নিরাপদ আশ্রয় খুঁজছি। অশ্বত্থামা বললেন। তারপর অন্য কোনও মিত্ররাজ্যে চলে যাব।

    —আমরা নিষাদ। আপনারা ব্রাহ্মণ। আমাদের এই কুটিরের অবস্থা দেখছেন। তাছাড়া আমরা মাংসাসী, ব্রাহ্মণরা নিরামিষভোজী। আপনাদের আতিথেয়তা করা আমাদের পক্ষে দুরূহ কার্য।

    অশ্বত্থামা বললেন, আপনাদের বিব্রত করা আমাদের মোটেই ইচ্ছা ছিল না। আপনারা হয়তো জানেন না, আমার পিতা অস্ত্রগুরু দ্রোণাচার্যের কথা। তিনি দেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় অস্ত্রশিক্ষাদাতা। পাণ্ডব ও কৌরব সব ভ্রাতাদেরই তিনি অস্ত্রশিক্ষা দিয়েছেন।

    প্রবীণ বললেন, তাহলে ভাইয়ে ভাইয়ে এই যুদ্ধের অর্থ কী? এ তো আমাদের নিষাদ গোষ্ঠীর গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মতো। আপনাদের ক্ষেত্রে শুধু সিংহাসনে বসার লড়াই।

    অশ্বত্থামা বললেন, যুদ্ধ করা ক্ষত্রিয়দের একটা ধর্ম। যেন তেন প্রকারেন একটা যুদ্ধ বাধাবার জন্য তারা মুখিয়ে থাকে। আমরা ব্রাহ্মণ। যুদ্ধ আমাদের ধর্ম নয়। আমরা শুধু রাজার ভৃত্য মাত্র। রাজ-আজ্ঞা পালনের জন্য আমি ও আমার পিতা এই যুদ্ধে নেমেছি। আমার মাতুলও তাই। কিন্তু যুদ্ধ করতে গিয়ে দেখলাম ক্ষত্রিয়রা যাকে ধর্মযুদ্ধ বলে, তার মধ্যে ধর্ম নেই। এই যুদ্ধে প্রতি পদে পদে যুদ্ধের ধর্ম লঙ্ঘন করা হয়েছে।

    —কারা লঙ্ঘন করেছে?

    —দু’পক্ষই। তবে পাণ্ডবদের অন্যায়ই সবচেয়ে বেশি। তারা আমার পিতাকে মিথ্যা কথা বলে হত্যা করেছে। আর মিথ্যাটা বলেছে কে? আমার পিতা যাকে ধার্মিক ও সত্যপরায়ণ বলে সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করতেন সেই যুধিষ্ঠির। আমি তাই পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে চাই। আপনাদের সাহায্য আমার চিরকাল মনে থাকবে। আপনারা আমাদের কটাদিন এখানে আত্মগোপন করে থাকতে দিন। আপনাদের এই ঋণ আমরা সারাজীবন ভুলব না। আপনাদের যথাযথ পুরস্কৃত করব। আমাদের আহারের জন্য কিছু ভাবতে হবে না। আমি ব্রাহ্মণ হলেও প্রবাসে ও যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো বিধান মানি না। আমার মাতুল স্বপাক আহার করে নেবেন। এই কৃতবর্মা একজন ক্ষত্রিয়। তিনিও আমার মতো মাংসাশী। আমার মতো যত্রতত্র আহারে তাঁরও আপত্তি নেই। ইনি শুধু অন্ন ও একটা ব্যঞ্জন পেলেই খুশি। আমরা খুব ক্ষুধার্ত।

    বৃদ্ধ শশব্যস্ত হয়ে বললেন, আপনারা এখানে বিশ্রাম করুন। আমি মহিলাদের বলছি। আমরা দরিদ্র নিষাদ। অতিথি অভুক্ত অবস্থায় ফিরে গেলে আমাদের ঈশ্বর পাপ দেবেন।

    কিছুক্ষণের মধ্যে নিষাদবধূরা সমবেত হয়ে ওদের জন্য রান্না করে অন্ন পরিবেশন করল। কৃপ বললেন, এক যাত্রায় পৃথক ফল করে লাভ কী। আমিও আহার করব।

    কিন্তু প্রবীণেরা বারবার বলতে লাগলেন, আপনারা ব্রাহ্মণ হয়ে নিষাদের গৃহে ভোজন করবেন, এতে আমাদের কোনো পাপ জন্মাবে না তো?

    অশ্বত্থামা বললেন, আমরা স্বেচ্ছায় এই অন্ন খাচ্ছি। এতে কোনো পাপ নেই। কারণ আপনাদের অসীম পুণ্য। আপনারা তিন পলাতক সৈন্যকে ক্ষুধার অন্ন দিয়েছেন। বিদেশে কোনো নিয়ম চলে না। আমরা নিজেরাই তো ব্রাহ্মণ হয়ে বর্ণাশ্রম ধর্ম লঙ্ঘন করেছি। আমরা এখন ক্ষত্রিয়ই বলতে পারেন।

    ওরা তিনজন আহার করে উন্মুক্ত আকাশের নীচে নিষাদদের তৈরি কাষ্ঠশয্যায় শয়ন করে বিশ্রাম করতে লাগলেন। অশ্বত্থামার পক্ষে শয্যাটি একটু ছোট। তার পদযুগল মাটিতে গিয়ে পড়ল।

    অশ্বত্থামা শুধু ভাবছেন অতঃকিম। এই স্থানটি থেকে দ্বৈপায়ন বেশি দূরে নয়। মহারাজ দুর্যোধনকে দ্বৈপায়ন থেকে সরিয়ে না নিয়ে গেলে তাঁর সমূহ বিপদ। অশ্বত্থামা ভাবলেন দুর্যোধন যদি কোনো মিত্ররাজ্যে আশ্রয় পান তাহলে সৈন্য সংগ্রহ করে তিনি পাণ্ডবদের আক্রমণ করবেন। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর পাণ্ডবদের সৈন্য সংখ্যা নিদারুণভাবে কমে গেছে। নতুন করে সৈন্য সংস্থানের আগেই তাদের আক্রমণ করতে হবে। যে করেই হোক পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নিতে হবে। দুর্যোধনকে সিংহাসনে বসিয়ে, মাতুল কৃপাচার্যকে সৈন্যাধ্যক্ষ করে তিনি প্রবজ্যা নেবেন। ক্ষত্রিয়োচিত কর্মে তাঁর আর রুচি নেই। তিনি হিমালয়ে গিয়ে আশ্রম তৈরি করে তপস্যা আর অধ্যয়ন করে জীবন কাটাবেন। তবে এই মুহূর্তে যেটি দরকার সেটি হল দুর্যোধনের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাৎ করে তাঁকে অনুপ্রাণিত করা। আর এইজন্য এই নিষাদপল্লিতে কয়েকদিন থাকা দরকার। দুর্যোধনকে দরকার জীবিত রাখা, তাঁকে অনুপ্রাণিত করা এখন অত্যন্ত প্রয়োজন। অশ্বত্থামা মাতুলের সঙ্গে আলোচনা করে নিলেন। ঠিক করলেন সন্ধ্যায় ব্যাধেরা ফিরলে তাঁদের অনুরোধ করবেন কয়েকদিনের জন্য তাঁদের আশ্রয় দেবার জন্য।

    অশ্বত্থামার একটু তন্দ্রা এসেছিল। কোলাহলের শব্দে তন্দ্রা টুটে গেল। দেখলেন তরুণ ব্যাধেরা শিকার থেকে ফিরে এসেছে। সারাদিন অন্বেষণ করে শুধু একটিমাত্র মৃগ শিকার করতে পেরেছে। নিষাদের বিভিন্ন গোষ্ঠী যুদ্ধ চলাকালীন আশপাশের জঙ্গলে শিকার করে অরণ্য পশুহীন করে তুলেছে। কারণ সৈন্যদের সরবরাহ করার জন্য দলে দলে নিষাদ শিকারে নেমে পড়েছে। সমস্ত অরণ্য পশুশূন্য হয়ে পড়ায় তাদের কপালে ভাঁজ পড়েছে। যুদ্ধ তো শেষ হয়ে গেল। এরপর তাদের কি হবে?

    অশ্বত্থামা, কৃপ ও কৃতবর্মা তাদের শয্যায় উঠে বসেছেন। তিন অতিথিকে দেখে নিষাদপুত্রেরা অবাক

    বৃদ্ধ নিষাদ ওঁদের পরিচয় করিয়ে দিলেন। বললেন, আশ্রয়প্রার্থীকে আশ্রয় দেওয়া আমাদের পবিত্র কর্তব্য। এই পলাতক সেনাপতিদের আমরা অভয় দিয়েছি।

    নিষাদদের যুবনেতাদের একজন বলল, আপনারা কোন পক্ষের? কারণ আমরা উভয়পক্ষের পলাতক সৈন্যদের দেখেছি।

    অশ্বত্থামা বললেন, আমরা কৌরবপক্ষের। মহারাজ দুর্যোধন আমাদের নেতা। আমার নাম অশ্বত্থামা। আমি আচার্য দ্রোণের পুত্র। ইনি আমার মাতুল। ইনি ক্ষত্রিয়বীর কৃতবর্মা। যুব নিষাদ বললেন, মহাত্মন, আপনাকে জানাতে খারাপ লাগছে, দুর্যোধন এখন উরুভঙ্গ হয়ে মৃতপ্রায় হয়ে পড়ে আছেন। তাঁর মৃত্যু আসন্ন।

    —বলেন কী? অশ্বত্থামা যেন আর্তনাদ করে উঠলেন। কোথায় তিনি?

    নিষাদ তার কাছে আজ দুপুরের যাবতীয় ঘটনা বর্ণনা করল। বলল, তাঁকে মৃতপ্রায় দেখে দ্বৈপায়ন তীরে একা ফেলে রেখে পাণ্ডবেরা সবাই শিবিরে চলে গেছেন। এখন তিনি মৃত্যুর অপেক্ষা করছেন। মহাশয়, আমরা মহারাজার পাশে বেশিক্ষণ থাকিনি। কারণ আমরা দরিদ্র নিবাদ। পাণ্ডবেরা এখন রাজা। তাদের শত্রুর প্রতি আমরা সমবেদনা প্রকাশ করছি জানলে বৃকোদর আমাদের সমস্ত নিষাদপল্লিতে আগুন লাগিয়ে দিতে পারেন। বৃকোদরের রাগ আপনারা তো জানেন। আমরা শুনেছি তিনি দুঃশাসনের রক্তপান করেছিলেন। ভাবতে পারেন একজন মানুষ রাক্ষসের মতো রক্তপান করছেন। আমরা নিষাদরাও একথা কখনও শুনিনি। বৃকোদরের পত্নী শুনেছি এক রাক্ষসী। তিনি পত্নীর কাছ থেকে এই অভ্যাস রপ্ত করে থাকবেন। দুর্যোধনকে তিনি দুই জানুভঙ্গ করে দিয়ে গদাঘাতে অর্ধমৃত করে রেখে চলে গেছেন।

    একটু থেমে যুবক বলতে শুরু করল, তোমরা মৃতপ্রায় রাজাকে ফেলে চলে এলে? পরাজিত হলেও দুর্যোধন তোমাদের রাজা। রাজা ঈশ্বরের প্রতিভূ। প্রজার কাছে পিতার মতো। রাজা কোনো অপরাধ করতে পারে না। প্রজার কর্তব্য বিপদের দিনে রাজার পাশে দাঁড়ানো।

    নিষাদতনয় বলল, যুদ্ধ হয় রাজায় রাজায়। প্রাণ যায় তৃণদের। আমরা সেই তৃণ। কুরু-পাণ্ডব যেই রাজা হোন আমাদের কিছু যায় আসে না। তবে মহারাজ দুর্যোধনের

    ওই কষ্ট দেখেও আমরা চলে এলাম। কিছুই আমাদের করার নেই।

    অশ্বত্থামা, কৃপাচার্য ও কৃতবর্মা তিনজনই দুর্যোধনের আসন্ন মৃত্যুর কথা শুনে ব্যাকুল হয়ে উঠলেন। তাঁরা তখনই প্রস্তুত হয়ে নিষাদদের বললেন, আমরা চলি। আপনাদের কথা চিরদিন মনে থাকবে।

    তারপর প্রায়ান্ধকার বনপথ ধরে তিন অশ্বারোহী দ্বৈপায়নের দিকে অগ্রসর হলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Our Picks

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }