Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দ্বৈপায়ন তীরে অশ্বত্থামা, কৃপাচার্য ও কৃতবর্মা

    কিছুক্ষণ পরেই অশ্বত্থামা, কৃপ এবং কৃতবর্মা তিন অশ্বরোহী দ্বৈপায়ন হ্রদে এসে উপস্থিত হলেন। তাঁরা কাউকে সেখানে দেখতে পেলেন না।

    তখন অশ্বত্থামা চিৎকার করে বললেন, মহারাজ, আমি অশ্বত্থামা। আপনার গুরুপুত্র। শৈশব থেকে সুখ-দুঃখের সাথি। আমার সঙ্গে আছেন মাতুল কৃপাচার্য আর সেনাধ্যক্ষ কৃতবর্মা। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে এই জীবিত ত্রয়ী আপনার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য উদ্‌গ্রীব হয়ে আছি। আপনি হ্রদের অভ্যন্তর থেকে উঠে আমাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করুন। আপনাকে আমাদের বিশেষ প্রয়োজন।

    সেই নির্জন হ্রদে অশ্বত্থামার বসন্তের বজ্রনির্ঘোষের মতো কণ্ঠ প্রতিধ্বনি হয়ে ফিরে এল। সেই সময় কয়েকজন ব্যাধ পশু শিকারের উদ্দেশে সন্নিহিত অরণ্যে এসেছিল। তারা ভীমসেনের জন্য প্রতিদিন একটি করে হরিণ অথবা বরাহ শিকার করে শিবিরে সরবরাহ করে। বৃকোদরের রোজ নৈশভোজে একটি করে আস্ত পশু লাগে। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের সময় উভয়পক্ষের বিপুল সৈন্যবাহিনীর রসদ সরবরাহের জন্য এক বিরাট সরবরাহকারী গোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়েছিল।

    যুদ্ধক্ষেত্র থেকে একটু দূরে দুটি বিশাল প্রান্তরে গড়ে উঠেছিল বিশাল অস্থায়ী শিবির নগরী। এর একদিকে সারি সারি শিবিরে থাকতেন কৌরবপক্ষের রমণীরা। অন্যদিকের শিবিরে থাকতেন পাণ্ডবদের অন্তঃপুর রমণীরা। তাঁদের পুত্রগণ ও পাণ্ডব বধূগণ স্বয়ং দ্রৌপদী, পুত্রবধূ উত্তরা, অভিমন্যু জননী সুভদ্রা। উত্তরা অভিমন্যুর বধূ। তখন গর্ভবতী। সেই অবস্থাতেই যুদ্ধশিবিরে বাস করছিলেন। কারণ, এটাই ছিল নিয়ম। সারাদিন যুদ্ধ করে ক্লান্ত হয়ে রাতে তারা পত্নীদের সঙ্গেই সহবাস করতেন। আবার পরদিন ভোরবেলা স্নান করে, প্রাতরাশ সেরে যুদ্ধ করতে বেরিয়ে যেতেন। সন্ধ্যায় তাঁরা সবাই শিবিরে ফিরবেন কি না তার কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। এই শিবিরগুলির মধ্যে ছিল অনেকগুলি ভোজশালা। রাজপরিবারের জন্য স্বতন্ত্র ভোজশালা ছিল। ভীমের জন্য বিশেষ রান্নার ব্যবস্থা ছিল। কারণ ভীম একটু বেশি আহার করতেন। ঘটোৎকচ ও তাঁর রাক্ষস সেনাদের জন্যও স্বতন্ত্র রন্ধনশালা ছিল। কারণ তাদের খাদ্যের পরিমাণ বেশি, উপাদনও ভিন্ন।

    যে কতিপয় ব্যাধের কথা বলছিলাম তাঁদের ওপর ভার ছিল শুধু ভীম ও ঘটোৎকচের জন্য নিত্য পশু শিকারের। তারা এদিন দুটি বরাহ শিকার করে জলপানের উদ্দেশ্যে দ্বৈপায়নে আসছিল। হঠাৎ দেখল তিনজন দীর্ঘকায় শ্মশ্রুগুম্ফমণ্ডিত ব্যক্তি, পরনে তখন ও যুদ্ধের পোশাক, কোষবদ্ধ তরবারি, পিঠে ধনুর্বাণ, হ্রদের পাড়ে দাঁড়িয়ে। একজন কার উদ্দেশে চিৎকার করছে।

    তারা কৌতূহলী হয়ে গাছের পিছনে লুকিয়ে সমস্ত ঘটনা দেখতে লাগল। কিন্তু তারা কাউকে চিনতে পারল না। তারা দেখল দীর্ঘদেহী এক ব্যক্তির চিৎকার শুনে হ্রদের জল থেকে এক ব্যক্তি ওপরে উঠে এলেন।

    অশ্বত্থামা তাঁকে দেখে বলে উঠলেন, মহারাজ দুর্যোধনের জয় হোক

    ব্যাধেরা দুর্যোধনকে আগে দেখেনি। কিন্তু মহারাজ দুর্যোধনের অঙ্কিত ছবি প্রতি জনপদেই অনেক গৃহে শোভা পায়। তিনি দেশের রাজাধিরাজ। তাঁকে দেখে চিনতে পারল। তারা সবিস্ময়ে তাকিয়ে রইল। একটি মানুষ এতক্ষণ জলে ডুবে ছিল। এও কি সম্ভব? তবে ব্যাধেরা শুনেছিল রাজা রাজড়ারা অনেক মায়া জানেন। মায়ায় কী না সম্ভব। তারা উৎকর্ণ হয়ে তাদের কথোপকথন শুনতে লাগল।

    .

    দুর্যোধন হ্রদ থেকে সিক্ত বসনে ওপরে উঠে বললেন, তোমরা কী করে জানলে আমি এখানে? তাহলে দেখছি এই স্থানও আমার পক্ষে নিরাপদ নয়।

    অশ্বত্থামা বললেন, আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন মহারাজ। আমাদের মুখ থেকে কেউ এই স্থানের খবর পাবে না। সঞ্জয় আপনার অবস্থানের খবর আমাদের দিলেন। তিনি কিছুক্ষণ আগে আপনার সঙ্গে দেখা করে গেছেন। আপনাকে দেখে আমার খুব কষ্ট হচ্ছে মহারাজ। আপনি ভারতেশ্বর। আজ শীতার্ত সর্পের মতো গহ্বরে লুকিয়ে আছেন।

    দুর্যোধন বললেন, তা আপনারা এতক্ষণ কোথায় ছিলেন? রণক্ষেত্রে যুদ্ধক্ষেত্রের শেষ দিনেও আপনাদের পাশে পাইনি। আপনাদের তিনজনকে পাশে পেলে আমি হয়তো যুদ্ধ করে যুদ্ধক্ষেত্রেই প্রাণ বিসর্জন দিতাম। এভাবে পালিয়ে আসতাম না।

    অশ্বত্থামা বললেন, আমি গুরুতর আহত হয়ে শুশ্রূষা শিবিরে ছিলাম। সকালে উঠেই আবার আমি যুদ্ধক্ষেত্রে রওয়ানা হয়েছি। দেখি প্রান্তর শূন্য। পাণ্ডবদের বিজয় উল্লাস। বাসুদেব ঘন ঘন তাঁর পাঞ্জজন্য বাজাচ্ছেন। একজন আমায় বলল, রণক্ষেত্রে কেউ নেই। শুনলাম আপনি নাকি রণক্ষেত্র ছেড়ে পলায়ন করেছেন। পাণ্ডবদের জয় হয়েছে। পাঞ্চজন্যের আওয়াজ শুনে বুঝতে পারছেন না?

    দুর্যোধন বললেন, যুদ্ধে পশ্চাদপসরণও রণকৌশলের একটি অঙ্গ। আমি যখন দেখলাম আমি একা, আমার পাশে আর কেউ নেই, তখন আমি পলায়ন না করলে পাণ্ডবরা আমায় বন্দি করত। আমি ভারত সম্রাট দুর্যোধন। কর্ণ আমাকে ভারত ঈশ্বর বলত। আমি যুধিষ্ঠিরের দাস হয়ে জীবন যাপন করতে পারব না। আমি বেঁচে আছি, বেঁচে থাকব। এই পরাজয়ের প্রতিশোধ নেবার জন্য আমায় বেঁচে থাকতেই হবে।

    অশ্বত্থামা বললেন, পিতার আশীর্বাদে ও মহাদেবের বরে আমি ও মাতুল কৃপ, আমরা দুজনেই চিরঞ্জীবী মহারাজ। আমাদের মৃত্যু নেই। আমি তাই দীর্ঘ সময় পাব পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেবার জন্য। আপনি আমাদের সঙ্গে থাকুন মহারাজ। পিতার পৈশাচিক হত্যার পর থেকে আমি ভাবছি কীভাবে এর প্রতিশোধ নেওয়া যায়। আপনার অসীম কৌশলে একবার তাঁরা রাজ্যচ্যুত হয়েছেন। এবার শুধু তাদের রাজ্যচ্যুত করলে চলবে না। তাঁদের সকলকে বিনাশ করতে হবে। ইতিহাস থেকে মুছে দিতে হবে তাঁদের নাম। দরকার হলে আবার জোট বাঁধতে হবে বিভিন্ন রাজাদের সঙ্গে। পাণ্ডব মুক্ত ভারতই আমাদের লক্ষ্য হবে। আমার মাতুল আমার সঙ্গে আছেন। আর আছে কৃতবর্মা। আমরা তিনজনই আপনাকে আবার রাজপদে প্রতিষ্ঠিত করার পক্ষে যথেষ্ট। আমরা ত্রিমূর্তিই স্বর্গ, মর্ত ও পাতাল—এই তিন ভুবনের প্রতিভূ। আপনার ত্রিনয়ন। বৃকোদর দুঃশাসনের রক্তপান করেছে, আমি আমার পিতৃহন্তা ধৃষ্টদ্যুম্নের রক্তপান করব। যে ধর্মের ধ্বজাধারী ধর্মপুত্র মিথ্যা ভাষণ দিয়ে ‘অশ্বত্থামা হত’ বলে পিতৃদেবকে অস্ত্র ত্যাগ করিয়েছিল সেই ভণ্ড সত্যবাদীকে আমি এমন শাস্তি দেব যাতে সে জীবনে ভুলতে পারবে না। শুধু আপনি আমাদের সঙ্গে থেকে আমাদের পরিচালিত করুন মহারাজ। চলুন আমরা নিরাপদ স্থানের সন্ধান করি। সারা ভারতের বেশিরভাগ রাজাই আমাদের হয়ে যুদ্ধ করে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন। চলুন, আমরা কোনও মিত্র রাজ্যে চলে যাই। আবার সৈন্য সংগ্রহ করে পাণ্ডবদের আক্রমণ করি। তার আগে দ্রুপদতনয়কে সংহার করি। আমার কাছে সেটি অতি পবিত্র কাজ।

    দুর্যোধন বললেন, কোথায় যাবে তোমরা? রাজ্য তো এখন পাণ্ডবদের অধিকারে। যুদ্ধের পর সমগ্র ভারত জুড়ে হাহাকার আর শূন্যতা নেমে এসেছে।

    কৃপাচার্য এরপর দুর্যোধনকে বললেন, আমার ভাগিনেয় অশ্বত্থামা যা বলেছে সে সম্পর্কে আমার কিছুই বলার নেই মহারাজ। বড় আদরের ভাগিনেয় আমার। ওই পুত্রলাভের জন্য আমার ভগ্নিপতি দ্রোণ দুশ্চর তপস্যা করে মহাদেবের বরে ওকে পান ও বরাবরই একটু ব্যতিক্রমী। ও ভূমিষ্ঠ হবার সময় অশ্বের হ্রেষাধ্বনির মতো উচ্চৈস্বরে ক্রন্দন করেছিল বলে দ্রোণ ওর নাম রাখেন অশ্বত্থামা। ওর মা কৃপী ও আমি দুজনে যমজ ভাইবোন। আমরা দু’ ভাইবোন বড় ঘনিষ্ঠ। দ্রোণের মৃত্যুসংবাদ শুনে কৃপী যেভাবে ভেঙে পড়েছিল তা বলে বোঝাতে পারব না। সে স্বামীর সঙ্গে সহমরণে যেতে চাইছিল। আমি তাকে বলি তুমি চলে গেলে তোমার এই অকৃতদার পুত্র একেবারে অনাথ হয়ে পড়বে। আমি অশ্বত্থামার বুকের আগুনের উত্তাপ অনুধাবন করতে পারি। কিন্তু মহারাজ আপনি এইভাবে চিরদিন জলের তলায় নিজেকে আবদ্ধ রাখতে পারেন না। এও তো আর এক বন্দিদশা। আমি আপনাকে পাণ্ডবদের সঙ্গে মিটমাট করে নিতে বলেছিলাম। আপনি আমায় ভুল বুঝেছেন। আমাদের নিজস্ব এক অক্ষৌহিণী সৈন্য সবাই আমার ও দ্রোণের হাতে তৈরি। দ্রোণের চেয়ে রণকুশলী ভারতে আর কে আছে। অর্জুনের যে অস্ত্র দক্ষতা সেও তো দ্রোণের শিষ্য বলে। আপনিও স্বয়ং দ্রোণের ছাত্র। আপনিও সমান অস্ত্রবিদ্যা পারঙ্গম। কিন্তু ভাল ছাত্রদের মধ্যেও কেউ কেউ সর্বোৎকৃষ্ট হতে পারে। মহারাজ কুশলতা সর্বদা শিক্ষার ওপর নির্ভর করে না। দক্ষতা দীক্ষার ওপর অপেক্ষা করে না। এগুলি প্রতিভা সঞ্জাত। প্রতিভা সহজাত। তা ঈশ্বরের দান। তাছাড়া সব কিছুর ওপর দৈব বলে একটি অদৃশ্য শক্তি বিরাজ করে। মহাকাল এবং দৈবকে কোনো মানুষই অস্বীকার করতে পারে না। তারাই শেষ কথা বলে।

    কৃপাচার্য আরও বলে চললেন, প্রাজ্ঞ ব্যক্তিদের উচিত ভালো-মন্দ যাই আসুক তাকে সত্য বলে গ্রহণ করা। মানুষ তার কর্মফলের জন্য দায়ী। সে কর্মফল অমোঘ, দুর্নিবার। তাকে মেনে নিতে হয়। আপনার দুর্ভাগ্যকে মেনে নিন মহারাজ। আপনি বাস্তববাদী হোন। আমরা আপনার দেহরক্ষী হিসাবে আপনার সঙ্গে থাকব। আমরা না হয় ভাগ্যান্বেষণেই বেরিয়ে পড়ি। আপনি তো সবই হারিয়েছেন। এখন প্রাণটুকু ছাড়া কিছুই হারাবার নেই। ক্ষত্রিয়ের কাছে প্রাণ কিন্তু তুচ্ছ। কিন্তু আমি মনে করি না, প্রাণ দানই শ্রেষ্ঠ দান। মানুষের শ্রেষ্ঠ দান হচ্ছে পরার্থে দান, তা সে প্রাণও হতে পারে আবার প্রেম, ক্ষমা ও যে কোনো প্রিয় বস্তু স্বেচ্ছায় দানও হতে পারে। এই যে অষ্টাদশ অক্ষৌহিনী সৈন্য নিঃশেষে প্রাণ দান করল এরা কিন্তু কেউ রাজ্যলাভের জন্য লড়াই করেনি। রাজ্যলাভের লড়াই করেছে কুরু-পাণ্ডবেরা। আর এই যে লক্ষ লক্ষ উলুখাগড়ারা প্রাণ দিয়েছে পরার্থে, কেউ পঞ্চপাণ্ডবদের জন্য কেউ রাজা দুর্যোধনের জন্য। আমরা যে জীবনযুদ্ধ করেছি তা কি আমার জন্য? মোটেই নয়—রাজা দুর্যোধনের জন্য। আমি, দ্রোণ, অশ্বত্থামা তো ব্রাহ্মণ। আমাদের ধর্ম তো যুদ্ধ করা নয়। অধ্যয়ন করা, যাগযজ্ঞ করা। মহারাজ আপনি ভাবতে পারেন আমরা উচ্চ বেতনের লোভে যুদ্ধ করছি। যদি তাই মনে করেন তা আপনার ভুল ধারণা। দ্রোণ যখন অস্ত্রগুরু ছিলেন তখন তিনি রাজকোষ থেকে কত বেতন পেতেন? এত বেতন যে তিনি তাঁর একমাত্র সন্তানকে দুধ কিনে খাওয়াতে পারেননি। অশ্বত্থামা দুধ খেতে চেয়েছিল। কৃপী তাকে পিটুলি গুলে দুধ বলে খাইয়েছিলেন। সেই পিটুলিগোলা খেয়ে অশ্বত্থামা দুধ খেয়েছি দুধ খেয়েছি বলে বন্ধুদের কাছে আত্মপ্রসাদে চেঁচাতে থাকেন। তা শুনে দ্রোণ অশ্রু রোধ করতে পারেননি। এই খবর পিতামহ ভীষ্মের কানে গেলে তিনি দ্রোণের দারিদ্র্য মোচনের জন্য উচ্চ ভাতার ব্যবস্থা করেন।

    এত কথা আপনাকে বলছি এই কারণে যে কিছু মানুষ এখনও আছেন যারা ভালোবেসে কর্ম করেন। তাঁরা যা করতে চান তা তাদের আত্মার শান্তির জন্য। মনের আনন্দের জন্য। আমি, দ্রোণ, অশ্বত্থামা—এই তিন ব্রাহ্মণ স্বধর্ম পরিত্যাগ করে আপনার সেবা করে এসেছি কাজকে ভালোবেসে, আপনাকে ভালোবেসে। তাই আমরা নিঃস্ব অবস্থাতেও আপনাকে নিয়ে যেতে চাইছি। চলুন। আমরা চেদি, মগধ কিংবা মদ্র রাজ্যে চলে যাই। সেখান থেকে আমরা ধীরে ধীরে শক্তি সংগ্রহ করব।

    দুর্যোধন শুধু বললেন, আপনাদের অজস্র ধন্যবাদ আচার্যদেব। কিন্তু আমি আর কোথাও যেতে রাজি নই। আমি এই হ্রদে বেশ নিরাপদে আছি। আপনি পাণ্ডবপক্ষে যোগ দিতে পারেন। অশ্বত্থামা কি করবেন তিনিই ঠিক করবেন। তবে তার মতো বীরের পক্ষে উপযুক্ত হবে পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়া। গুরু দ্রোণের হত্যাকারীদের সমুচিত শাস্তি হলে আমিও শান্তিতে মারা যেতে পারব। আমার সঙ্গে দেখা করার জন্য ধন্যবাদ। আর বেশিক্ষণ এভাবে কথা বলা আমার পক্ষে যথাযথ হবে না। বিদায়। এই বলে দুর্যোধন আবার দ্বৈপায়নের জলে ডুব দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলেন।

    এতক্ষণ ধরে গাছের আড়াল থেকে ব্যাধেরা তাঁদের কথা শুনছিল। এবার তারা দুর্যোধনকে শনাক্ত করতে পারল। মনে মনে উৎফুল্ল হয়ে উঠল তারা। এই খবরটা এখনই বৃকোদরকে দিলে বহু স্বর্ণমুদ্রা পুরস্কার পাওয়া যাবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Our Picks

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }