Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুরুক্ষেত্রে ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারী

    রাজা ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারী তাঁর পুত্রবধূগণ ও অসংখ্য বিধবা পুরকামিনীদের সঙ্গে নিয়ে হস্তিনাপুর থেকে ভাগীরথীর তীরে যাত্রা করলেন। উদ্দেশ্য কুরুক্ষেত্রে গিয়ে মৃত পুত্ৰ ও আত্মীয়স্বজনদের শেষকৃত্য করা।

    ধৃতরাষ্ট্র সারাটা পথ বিলাপ করতে করতে আসছেন। বলছেন, হায় ধর্মরাজ, কোথায় গেল তোমার ধর্ম, কোথায় গেল তোমার অনৃশংসতা? তুমি কীভাবে তোমার ভ্রাতা ও গুরুপুত্রদের বিনাশ করতে পারলে? মহাবীর ভীষ্ম, দ্রোণ, কর্ণ, জয়দ্রথকে সংহার করে কী তোমার মন একটুও ব্যথায় ভরে উঠছে না? এখন তো মহাবীর অভিমন্যু ও দ্রৌপদীর পঞ্চপুত্র, এবং গুরু ও ভ্রাতৃবিরহে তোমার রাজ্যলাভ নিতান্ত অকিঞ্চিৎকর বলে মনে হবে।

    এদিকে ধৃতরাষ্ট্র আসছেন শুনে কৃষ্ণ ও পঞ্চপাণ্ডব তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। শ্রীকৃষ্ণ আগে থেকে সতর্ক ছিলেন। তাঁর মনে হয়েছিল ভীমের প্রতি ধৃতরাষ্ট্রের প্রচণ্ড রাগ। কাজেই তিনি ভীমকে যুধিষ্ঠিরের কাছে যেতে বারণ করলেন। একটি লৌহ নির্মিত নকল ভীম তৈরি করে রাখলেন।

    ধৃতরাষ্ট্র শুনলেন পঞ্চপাণ্ডব তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। যুধিষ্ঠির তাঁকে প্রণাম করতেই তিনি যুধিষ্ঠিরকে সৌজন্যবশত আলিঙ্গন করলেন। তাঁকে আশীর্বাদ করে বললেন, ভীম কোথায়? আমি বীর বৃকোদরকে আলিঙ্গন করার জন্য উন্মুখ হয়ে আছি।

    ভীম জানতেন না কৃষ্ণ একটি লৌহভীম তৈরি করে রেখে দিয়েছেন। ভীম সরল মনে ‘এই যে আমি’ বলে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কৃষ্ণ তাঁকে বাধা দিয়ে লৌহভীমটিকে এগিয়ে দিলেন। ধৃতরাষ্ট্রের পেশীর জোর ওই বৃদ্ধ বয়সেও বলশালী, শত হস্তীর সমান ছিল। তিনি লৌহ ভীমটিকে দু’হাতে চেপে মুহূর্তের মধ্যে চূর্ণ করে ফেললেন। তাঁর হাত লৌহ চূর্ণের আঘাতে রক্তাক্ত হয়ে গেল। রক্তমাখা দেহে তিনি ভূতলে লুটিয়ে পড়লেন। সঞ্জয় ও কয়েকজন মিলে তাঁকে মাটি থেকে তুলে একটি আসনে বসালেন।

    ধৃতরাষ্ট্র ততক্ষণে সম্বিৎ ফিরে পেয়েছেন। আসলে ধৃতরাষ্ট্র মানুষটি ছিলেন আবেগতাড়িত, স্নেহান্ধ, একদেশদর্শী কিন্তু অন্তরের দিক থেকে নীতিজ্ঞান বর্জিত নন। আসলে তিনি ছিলেন দ্বিধাগ্রস্ত ও দ্বিচারী ব্যক্তিত্ব। এমন ব্যক্তিত্বের কপালে সুখ দুর্লভ হয়।

    পুত্রহন্তা ভীমকে হত্যা করেছেন বলে তাঁর মন উৎফুল্ল হল, কিন্তু পরক্ষণেই তাঁর অনুতাপ এল। তিনি নিজ হাতে পুত্রসম ভ্রাতুষ্পুত্রকে হত্যা করলেন। তিনি ‘হা ভীম’ বলে রোদন করতে লাগলেন।

    বাসুদেব তখন বললেন, মহারাজ, শোক করবেন না। আপনি একটি নকল লৌহভীম চূর্ণ করেছেন। আসল ভীম জীবিত। আমি আশঙ্কা করেছিলাম আপনি ক্রোধের বশে এমন কিছু করে বসতে পারেন, তাই একটি নকল ভীম তৈরি করে রেখেছিলাম। আপনি সেটিই চূর্ণ করেছেন। আপনার মন পুত্রশোকে ধর্মভাবশূন্য হয়েছে। এইজন্যই আপনি ভীমকে বিনাশ করতে চেয়েছিলেন। দেখুন আপনার পুত্রেরা কদাচ শান্তি চাননি। আমরা শান্তি স্থাপনের চেষ্টা করে কী জন্য সফল হতে পারলাম না বলুন। শান্তি স্থাপিত হলে আপনার পুত্রদের তো মৃত্যু হত না। মহারাজ, আপনি তো বেদ, পুরাণ, রাজধর্ম — ত্রিবিধ শাস্ত্ৰ পড়েছেন। তাহলে কী জন্য এখন ক্রোধ প্রকাশ করছেন? আমি, ভীষ্ম, দ্রোণাচার্য, বিদুর সবাই মিলে আপনাকে বলেছিলাম যে পাণ্ডবগণ সমধিক বলবীর্যশালী, তাদের সঙ্গে সন্ধি স্থাপনই অবশ্য কর্তব্য।

    ধৃতরাষ্ট্র তাঁর ভুল বুঝতে পেরে বললেন, বেশ, আমি স্বীকার করছি অত্যধিক অপত্য স্নেহে সে সময় আমার হিতাহিত জ্ঞান ছিল না। আপনি লৌহ ভীম প্রস্তুত করে আমাকে পুত্রহত্যার পাপ থেকে নিষ্কৃতি দিয়েছেন।

    এরপর বাসুদেব পাণ্ডবদের নিয়ে গান্ধারীর সঙ্গে দেখা করতে গেলেন। গান্ধারীও চাইছিলেন যুধিষ্ঠিরের সঙ্গে দেখা হলে তিনি তাঁকে অভিশাপ দেবেন। বাসুদেব সেটি বুঝতে পেরেছিলেন। তিনি ভাগীরথীর নির্মল জলে স্নান করে গান্ধারীর কাছে গিয়ে বললেন, বৎসে, তুমি আমার কথা শোনো। পাণ্ডবদের প্রতি কোপ পরিত্যাগ করো। তুমিই তো দুর্যোধনকে বলেছিলে, যেখানে ধর্ম সেখানেই জয়। হে কল্যাণি, তুমি সমুদয় প্রাণীর হিত চেষ্টায় নিরত। পাণ্ডবরা জয়লাভ করে তোমার বাক্যের সত্যতাই প্রমাণ করেছে। পূর্বে তোমার অসাধারণ ক্ষমাগুণ ছিল। এখন তুমি কি জন্য সেই গুণ পরিত্যাগ করেছ? অধর্মকে পরাজিত করাই তোমার কর্তব্য। তুমি তোমার ধর্মের কথা মনে করে ক্রোধ সম্বরণ করো।

    গান্ধারী বললেন, ভগবন, পাণ্ডবদের প্রতি আমার ঈর্ষা নেই। ওদের বিনষ্ট করাও আমার অভিপ্রায় নয়। কিন্তু পুত্রশোকে আমার অন্তঃকরণ অত্যন্ত বিহ্বল হয়ে উঠেছে। কুত্তী যেমন পাণ্ডবদের রক্ষা করেন তেমনি আমার ও রাজা ধৃতরাষ্ট্রেরও সন্তানদের রক্ষা করা কর্তব্য। দুর্মতি দুর্যোধন, শকুনি, কর্ণ ও দুঃশাসনের অপরাধেই কুরুকুল ধ্বংস হয়েছে। যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল, সহদেবের কারও অপরাধ নেই। আমি কৌরবদের জন্য আক্ষেপ করি না। তাদের দর্পেই তারা হত হয়েছে। কিন্তু একটা জিনিস আমি মানতে পারছি না। ভীম দুর্যোধনকে নাভির নীচে আঘাত করে নিহত করেছে। এটি বাসুদেবের সাক্ষাতেই ঘটেছে। বাসুদেবের অধর্মই আমাকে কোপানলে দগ্ধ করেছে। যুদ্ধক্ষেত্রে নিজের প্রাণরক্ষার জন্য যুদ্ধের ধর্ম পরিত্যাগ করা কী কোনো বীরপুরুষের উচিত?

    ভীমসেন গান্ধারীর কাছে ধীরে ধীরে এগিয়ে এসে বললেন, মা, আমি ভীমসেন। আমি আত্মরক্ষার জন্য যে কাজ করেছি তা ধর্ম হোক, অধর্ম হোক, আপনি আমায় ক্ষমা করুন। আমি অধর্ম করেই আপনার ছেলেকে হত্যা করেছি। ধর্মযুদ্ধে তাকে সংহার করা খুব কঠিন ছিল। সে আমাকে বিনাশ করতে পারলেই রাজ্যলাভ করবে এই আশঙ্কা করে আমি অধর্মের পথে তাকে বিনাশ করেছি। কিন্তু আপনার পুত্রের অধর্ম আচরণের কথাও একবার ভাবুন। সে আমাদের সঙ্গে বারবার শঠতা করেছে। রজস্বলা দ্রৌপদীকে সভামধ্যে টেনে এনে বিবিধ দুর্বাক্য প্রয়োগ করেছে। তাকে বধ না করলে এই সসাগরা বসুন্ধরা আমরা কিছুতেই আয়ত্ত করতে পারতাম না। দুরাচারী দুর্যোধন সভামধ্যে দ্রৌপদীকে তার উরু দেখিয়েছিল। আমি সেজন্যই এই অধর্ম কাজ করেছি। ধর্মরাজ তাঁর রাজ্য আবার ফিরে পেয়েছেন। আমার ক্রোধও দূর হয়েছে।

    গান্ধারী বললেন, ভীম, তুমি শুধু নির্যাতনের জন্য অধর্ম করে ঠিক কাজ করোনি। তুমি দুঃশাসনের রক্তপান করেছিলে। এটিও ভীষণ রকমের নিষ্ঠুর ও গর্হিত কাজ।

    ভীম বললেন, রুধির পান গর্হিত কাজ। কিন্তু আমি দুঃশাসনের রুধির পান করিনি। আমি শুধু মুখে ঠেকিয়েছিলাম মাত্র। তা আমার মুখে প্রবেশ করেনি। আমি শুধু ভয় দেখানোর জন্য অমনটি করেছিলাম। দুঃশাসন দ্রৌপদীর চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে তাকে সভামধ্যে নিয়ে এসেছিল। আমি প্রতিজ্ঞা করেছিলাম দুঃশাসনের রুধিরে তার কেশ ধৌত করব। আমি সে প্রতিজ্ঞা পালন না করলে আমাকে যাবজ্জীবন ক্ষত্রিয়ধর্ম থেকে ভ্রষ্ট থাকতে হত।

    গান্ধারী বললেন, আমার একশত পুত্রের মধ্যে যে একটু কম অপরাধ করেছিল তাকেও তো তুমি জীবিত রাখতে পারতে। আমার শত পুত্রকে তুমি নিধন করলে কেন?

    গান্ধারী এই কথা বলে জিজ্ঞাসা করলেন, ধর্মরাজ কোথায়?

    যুধিষ্ঠির নতমস্তকে গান্ধারীর সমানে উপস্থিত হয়ে বললেন, দেবী, আমি আপনার পুত্রহন্তা, আপনি আমায় অভিশাপ দিন। আমি আপনার অভিশাপ পাবার উপযুক্ত পাত্র। আর্যে, আমি যখন সুহৃদদের বিনষ্ট করেছি, আমার জীবনে ও ধনে আর প্রয়োজন নেই। এই কথা বলে ধর্মরাজ অবনত হয়ে গান্ধারীর চরণ স্পর্শ করলেন।

    গান্ধারী কোনো কথা বললেন না। তিনি আর অভিশাপ দিতে পারলেন না। যুধিষ্ঠিরের হাতের একটি আঙুল তাঁর চোখের ঠুলির ফাঁক দিয়ে দৃষ্টিগোচর হল। তাঁর ক্রোধ ধীরে ধীরে প্রশমিত হল।

    .

    গান্ধারী বহুকষ্টে পুত্রহন্তাদের প্রতি তাঁর ক্রোধ দমন করেছিলেন। সস্নেহে আবার বুকে জড়িয়ে ধরেছিলেন একে একে পঞ্চপাণ্ডবদের। কিন্তু কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধভূমির বীভৎস দৃশ্য দেখে কৌরব নরীদের সঙ্গে সমস্বরে বিলাপ করতে লাগলেন গান্ধারী।

    .

    কুরুক্ষেত্রের শ্মশানভূমিতে

    যুদ্ধ সমাপ্ত হবার তিনদিন পরে কুরুক্ষেত্রের মহাশ্মশানের যে বর্ণনা বৈশম্পায়ন দিয়েছেন তা আধুনিক কালের যে কোনো যুদ্ধক্ষেত্রের বীভৎসতাকে ম্লান করে দেবে। সেকালে যুদ্ধে মৃতদের দেহের সৎকারের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। নরখাদক, শ্বাপদকুল ও চিল-শকুন নরমাংস খেয়ে মৃতদেহ সাফ করে দিত।

    ধৃতরাষ্ট্র ও গান্ধারী কুরুক্ষেত্রের ধ্বংসলীলা দেখবার জন্য দিব্যচক্ষু পেয়েছিলেন। সেই দিব্যচক্ষু দিয়ে গান্ধারী দেখলেন, কারও ভাই, কারও পুত্র, কারও পিতার মৃতদেহ মাটিতে পড়ে আছে। আর শৃগাল, বক, কাক, ভূত, পিশাচ ও রাক্ষসেরা সেই মৃতদেহের মাংস ভক্ষণ করছে। নারীরা সারা কুরুক্ষেত্র জুড়ে তাদের আপনজনদের দেহ শনাক্ত করছে আর হাহাকার করছে। কেউ মাটিতে মৃতদেহের পাশে শুয়ে পড়েছে।

    গান্ধারীর সঙ্গে পাণ্ডবগণ ও বাসুদেব ছিলেন। গান্ধারী যেদিকে তাকাচ্ছেন সেদিকে বোরুদ্যমানা নারীদের ক্রন্দনধ্বনিতে আকাশ-বাতাস মুখরিত। গান্ধারী বাসুদেবকে দেখালেন, ওই দেখো, পুত্রহীনা বীর জননী ও পতিহীনা পত্নীদের ভিড়ে কুরুক্ষেত্র এখন পরিপূর্ণ। তেজস্বী পুরুষ-ব্যাঘ্র ভীষ্ম, কর্ণ, অভিমন্যু, দ্রোণ, দ্রুপদ, শল্য প্রাণত্যাগ করে তখনও প্রজ্বলিত অগ্নিশিখার মতো দীপ্যমান হয়ে রয়েছেন। ওই দেখো, সমরভূমি জুড়ে পড়ে রয়েছে মহাবীরদের কাঞ্চনময় কবচ, দিব্য অঙ্গদ, কেয়ূর, মালা, শক্তি পরিখ, সুতীক্ষ্ণ খঙ্গ, শর ও শরাসন।

    গান্ধারী বলছেন, হে মধুসূদন, এই সমরভূমির অবস্থা দেখে আমার হৃদয় শোকানলে দগ্ধ হচ্ছে। সুপর্ণ ও গৃধ্রগণ (কাক ও শকুনেরা) শোণিত সিক্ত সহস্র সহস্র বীরদের কীভাবে ভক্ষণ করছে দেখো। মহাবীর জয়দ্রথ, কর্ণ, দ্রোণ, ভীষ্ম ও অভিমন্যুর মৃত্যুর কথা ভাবলে কার না হৃদয় বিদীর্ণ হয়? রাক্ষসেরা অনেক অস্ত্রধারী অসংখ্য মৃত যোদ্ধাকে জীবিত মনে করে তাদের ভক্ষণ করতে সাহস করছে না। কিন্তু তাদের ঘিরে রয়েছে। ওই দেখো, কৌরববধূরা উন্মাদিনীর মতো ইতস্তত ছুটে বেড়াচ্ছে তাদের আপনজনের দেহ সন্ধানে। তাদের মনোহর মুখাবয়ব শুষ্ক বিদীর্ণ, তাদের চোখ দিয়ে নামছে অবিরল অশ্রুধারা। কেউ উচ্চৈস্বরে বিলাপ করছে। তাদের মুখগুলি ক্রোধে রক্তবর্ণ, দেখে মনে হয় যেন অসংখ্য রক্তকমল ফুটে আছে।

    গান্ধারী দেখলেন স্থানে স্থানে স্তূপাকার হয়ে আছে নিহত বীরদের ছিন্নহাত, ছিন্নমস্তক। কোথাও বীরগণের মস্তকশূন্য দেহ। দেহ শনাক্ত করার জন্য কামিনীরা কেউ কেউ ছিন্নমস্তক নিয়ে এক একটি মস্তকহীন দেহের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছে তিনি তার আপনজন কি না। কেউ ছিন্নবাহু, ছিন্নউরু ও ছিন্নচরণ যুগল, ছিন্নভিন্ন দেহে সংযোজিত করে তা দেখে বারবার মূর্ছিত হয়ে পড়ছে। ছিন্নমস্তকগুলি গড়াগড়ি খাচ্ছে। শোণিত ও কদমে রণভূমি দুর্গম হয়ে উঠেছে।

    গান্ধারী বিলাপ করতে করতে বললেন, পুত্র, পৌত্র ও ভ্রাতাদের এই মৃতদেহও আমাকে দেখতে হল। আমি আগে নিশ্চয়ই ঘোরতর পাপ করেছিলাম। এ তারই শাস্তি।

    এই বিলাপের মধ্যেই গান্ধারী দ্বৈপায়ন তীরে দুর্যোধনের মৃতদেহ দেখলেন। আর তা দেখেই তিনি ছিন্ন কদলিবৃক্ষের মতো ধরাতলে পড়ে গেলেন।

    .

    জ্ঞানলাভের পর গান্ধারী রুধিরসিক্ত কলেবর পুত্র দুর্যোধনের দেহকে আলিঙ্গন করে ‘হা পুত্র’ ‘হা পুত্র’ বলে বিলাপ করতে লাগলেন। তখন বাসুদেবকে সম্বোধন করে গান্ধারী বললেন, কেশব, দুর্যোধন যখন আমার আশীর্বাদ নিতে এসেছিল, আমি তাকে বলেছিলাম যেখানে ধর্ম সেখানেই জয়। তুমি যখন যুদ্ধে পরাজুখ হওনি তখন নিশ্চয়ই দেবতার মতো স্বর্গলোক প্রাপ্ত হবে। হে মাধব, দুর্যোধন যুদ্ধে নিহত হয়েছে বলে আমি বিন্দুমাত্র শোক প্রকাশ করিনি। শুধু বন্ধু-বান্ধবহীন রাজা ধৃতরাষ্ট্রের জন্যই আমি শোক করছি। এই দেখো অস্ত্রশস্ত্র বিশারদ দুর্যোধন কেমন বীরশয্যায় শুয়ে আছে। যে দুর্যোধন ক্ষত্রিয়দের অগ্রগণ্য ছিল, আজ সে ধূলিশয্যায়। তবু এটি তার বীরজনোচিত শয্যা। আহা, তাকে রমণীগণ যেমন বেষ্টন করে থাকত, এখন শৃগালেরা তাকে বেষ্টন করে আছে। পণ্ডিতগণ একদা তাকে ঘিরে রাখতেন, এখন তাকে ঘিরে শকুনেরা। যার একাদশ অক্ষৌহিণী সেনা ছিল, যে তেরো বছর নিষ্কণ্টকে রাজ্যভোগ করেছিল আজ সেই ধনুর্বর নিজের দুর্নীতির জন্য রুধির অঙ্কিত কলেবরে ভূতলে শয়ন করে আছে। আর আমার জীবনে প্রয়োজন কী? হায়, দুর্যোধনসহ সমবেত পুত্রদের নিহত দেখে আমার হৃদয় কেন শতধা বিদীর্ণ হচ্ছে না? মাধব, এই যে আমার শত পুত্রকে নিহত দেখছ, ভীমসেনই প্রায় সকলকে গদাঘাতে নিহত করেছে। আমার পুত্রবধূরা আলুলায়িত বেশে রণস্থলে ছোটাছুটি করছে। এই রুধিরসিক্ত রণভূমিতে কাক ও শকুনের মধ্যে পরিভ্রমণ করছে। সর্বাঙ্গ সুন্দরী, ক্ষীণকটী দুর্যোধনমহিষী এই অসংখ্য মৃতদেহ দেখে দুঃখার্ত হয়ে মাটিতে পড়ে রয়েছেন। প্রৌঢ় ও বৃদ্ধা নারীদের ক্রন্দন শোনো। দেখো রমণীদের কেউ স্বামীর ছিন্নমস্তক কোলে করে বসে আছে। কেউ স্বামীর দেহ না পেয়ে তাদের ভগ্ন রথের অংশ। কেউ রথের অশ্বের মৃতদেহ দুহাতে চেপে বসে আছে। আজ আমার কুলবধূ অন্তঃপুরিকা পুত্রবধূগণ প্রকাশ্যে সাধারণ লোকের মাঝে এসে দাঁড়িয়েছে। মহাবীর দুঃশাসন সমরস্থলে শয়ান আছেন। সে সূতপুত্র কর্ণের প্ররোচনায় সভামধ্যে দ্রৌপদীকে অপমান করেছিল। বলেছিল, ‘পাঞ্চালী, এখন তুমি আমাদের দাসী। অতএব নকুল-সহদেবের সঙ্গে এখনই আমাদের গৃহে প্রবেশ করো।’ আমি ওই সময় সব ঘটনা জানতে পেরে দুর্যোধনকে বলেছিলাম, তুমি তোমার মাতুল শকুনিকে পরিত্যাগ করো। পাণ্ডবদের সঙ্গে সন্ধি করো। ভীমসেন তোমার বাক্য শুনে ক্রুদ্ধ হস্তীর মতো রেগে রয়েছেন, তা কি তুমি বুঝতে পারছ না? দুরাত্মা দুর্যোধন পাণ্ডবরা ক্রুদ্ধ জেনেও সর্প যেমন বৃষভের প্রতি, বলদের প্রতি বিষ পরিত্যাগ করে, তেমনি তাদের অতি কুবাক্য প্রয়োগ করেছিল। সেই অপরাধেই কুরুকুল ধ্বংস হল।

    গান্ধারী কৃষ্ণকে একে একে কৌরববীরদের মৃতদেহ দেখাতে লাগলেন। শুধু কৌরবদের নয়, তিনি অভিমন্যুর মৃতদেহ দেখালেন। দেখালেন বিরাটনন্দিনী উত্তরা অভিমন্যুর মৃতদেহের পাশে বসে তার কোমল করপল্লব দিয়ে গাত্র মার্জনা করে দিচ্ছেন। তাঁর দেহ থেকে বর্ম খুলে তাঁর পদ্মফুলের মতো মুখ বার করে অপলক নয়নে তাকে দেখছেন আর কৃষ্ণকে উদ্দেশ করে বলছেন, হে পদ্মপলাশ লোচন! আমার স্বামীর চোখও তোমার চোখের ম্যায় সুদীর্ঘ, ওঁর রূপও তোমার মতো মনোহর, এই বীর বলবীর্যে তোমারই সমান, তবে কেন তার এভাবে মৃত্যু হল? এখন তিনি নিহত হয়ে সমরশয্যায় শয়ান রয়েছেন।*

    [* অভিমন্যু শ্রীকৃষ্ণের ভাগিনেয়। তিনি মাতুলের মতোই রূপ ও গুণের অধিকারী হয়েছিলেন।]

    গান্ধারী একে একে কর্ণ ও জয়দ্রথের মৃতদেহ দেখলেন। দেখলেন ভীমের হাতে নিহত কৌরবপক্ষীয় অবস্তিরাজকে শকুনিরা ভক্ষণ করছে। প্রতীপপুত্র মহাধনুর্ধর বাহ্লীক ভল্ল দ্বারা নিহত হয়ে পড়ে রয়েছেন। শৃগাল ও কুকুরেরা তাঁর মৃতদেহ ভক্ষণ করছে। মহাবীর জয়দ্রথের দেহ শিয়াল ও শকুনেরা চিৎকার করতে করতে ঠোকরাচ্ছে। ধৃতরাষ্ট্র গান্ধারীর একমাত্র কন্যা দুঃশলাও কুরুক্ষেত্রে এসে উন্মাদিনীর মতো স্বামী সিন্ধুরাজের মৃতদেহ খুঁজছেন। কিন্তু তিনি পতির দেহ পেয়েছেন, মস্তকটি পাননি। বিধবা কন্যার দুঃখে গান্ধারী শোক বিমূঢ়

    শল্য, দ্রোণাচার্য, শকুনি, সকলের মৃতদেহ গান্ধারী কৃষ্ণকে দেখালেন। ভীষ্ম তখনও শরশয্যায় জীবিত। গান্ধারী দেখালেন কম্বোজ দেশীয় রাজার মৃতদেহ ঘিরে তাঁর রাজমহিষী ‘আমার কী গতি হবে’ বলে রোদন করছেন। মগধদেশীয় রমণীরা মৃত মগধরাজকে ঘিরে রোদন করছেন। চেদিরাজ ধৃষ্টকেতু যুদ্ধক্ষেত্রে শয়ান। শকুন ও কাকেরা তাঁর দেহ ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছে। পাঞ্চালরাজের পুত্রবধূ এসে পাঞ্চালরাজের দেহ শনাক্ত করে তাঁর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন।

    গান্ধারী এই মৃত্যু উপত্যকায় দাঁড়িয়ে লক্ষ লক্ষ বীরের মৃতদেহ দেখিয়ে, সহস্ৰ সহস্ৰ বিধবা পুত্রহারা নারীর ক্রন্দনধ্বনি কৃষ্ণকে শুনিয়ে বললেন, কেশব, আমি তপ প্রভাবে তোমাকে অভিশাপ দিচ্ছি তুমি যেমন পাণ্ডব ও কৌরবদের জ্ঞাতিনাশে উপেক্ষা প্ৰদৰ্শন করেছ তেমনি তুমি তোমার আপন জ্ঞাতিদের বিনষ্ট করবে। আজ থেকে ছত্রিশ বছর পরে তুমি জ্ঞাতি-পুত্রহীন হয়ে বনবাসী হবে। আর সেখানে কুৎসিতভাবে তোমার মৃত্যু হবে। তোমার কুলরমণীরাও পতিহীন-পুত্রহীন হয়ে ঠিক এইরকম বিলাপ করবে।

    শ্রীকৃষ্ণ গান্ধারীর এই অভিশাপ শুনে বিচলিত হলেন না। অকম্পিত দীপশিখার মতো তিনি নতমস্তকে সব শুনে একটু হাসলেন। তারপর ধীরে ধীরে বললেন, দেবী, আমি ছাড়া যাদবদের বিনাশ করতে পারে এমন কেউ নেই। আমি যে যদুকুল ধ্বংস করব, তা আমি জানি। যাদবরা মনুষ্য বা দানবের বধ্য নয়। সুতরাং তারা আত্মঘাতী যুদ্ধে ধ্বংস হবে।

    গান্ধারী কৃষ্ণের প্রতি অভিশাপ বাক্য উচ্চারণ করে মাটিতে পড়ে গেলেন। কৃষ্ণ তাঁকে বললেন, রাজ্ঞি, আপনি অবিলম্বে ভূমিশয্যা ছেড়ে উঠুন। আপনার পুত্র দুর্যোধনের অপরাধেই এই অসংখ্য বীরেরা নিহত হয়েছেন। দুর্যোধন অতি দুরাত্মা, পরশ্রীকাতর, আত্মাভিমানী (অহংকারী), নিষ্ঠুর ও গুরুজনের অবাধ্য ছিল। আপনি তার দুষ্কৃত কার্যে সাধুবাদ প্রদান করতেন। (তার পাপ কার্যগুলির প্রশংসা করতেন) এখন নিজের দোষ ঢাকার জন্য কেন আমার ওপর দোষারোপ করছেন? দুঃখ পরিত্যাগ করুন। গতস্য শোচনা নাস্তি। অতীত বিষয়ের জন্য শোক করলে দুঃখ দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। ক্ষত্রিয় নারীরা সমরে স্বামীদের মৃত্যু হবে মনে করেই পুত্র ধারণ করে থাকেন।

    এরপর মহারাজ ধৃতরাষ্ট্রের অনুরোধে তখনও শকুনি ও কুকুরদের হাত থেকে বেঁচে যাওয়া কয়েক লক্ষ মৃতদেহের দাহ ও প্রেত কার্য সমাধা হল। অগুরু চন্দন, কুমকুম, ঘৃত, তৈল, গন্ধ, ক্ষৌমবস্ত্র, মহামূল্য কাঠ দিয়ে ও ভগ্ন রথের কাঠ, বিভিন্ন পরিত্যক্ত অস্ত্রের কাঠ দিয়ে হাজার হাজার চিতা প্রস্তুত করা হল। বিদেশ থেকে আগত সৈন্যদের একসঙ্গে একটি চিতায় নিক্ষেপ করে তাদের দেহ ভস্মীভূত করা হল।

    শেষ হয়ে গেল এতাবৎকালের ভারতবর্ষের এক মহাযুদ্ধের স্মৃতি। বিলীন হয়ে গেল একটি প্রজন্ম।

    .

    যুধিষ্ঠিরের অনুশোচনা

    কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের ভয়াবহ স্মৃতি তবু একজন ভুলতে পারছিলেন না। তিনি যুধিষ্ঠির। মহর্ষি বেদব্যাসকে তিনি বললেন, হে মহাত্মন, বালক অভিমন্যু, দ্রৌপদীর পঞ্চপুত্র, ধৃষ্টদ্যুম্ন, মহারাজ দ্রুপদ বিরাট, ধর্মজ্ঞ বসুসেন, রাজা ধৃষ্টকেতু এরা আমার পরম বন্ধু ও আত্মীয়। সবাইকে আমি হারালাম। পিতামহ ভীষ্মকে আমরা হত্যা করেছি। আমার মতো নরাধম আর কে আছে। আমি ক্ষণস্থায়ী রাজ্যলোভে শুধু মোহবশে পিতামহকে নিধন করেছি। আমি দ্রোণাচার্যকে মিথ্যা কথা বলে প্রতারণা করেছি। দ্রোণ আমাকে বারবার বলেছিলেন, ‘হে ধর্মরাজ, আমার পুত্র জীবিত কি না তা সত্যি করে বলো।’ এই কথা পর আমি রাজ্যলোভবশে স্পষ্ট বাক্যে তাকে বলেছিলাম ‘অশ্বত্থামা হত’। তারপর অস্পষ্টভাবে বলেছিলাম ‘ইতি গজ’। সে কথা স্মরণ করে আমার শরীর যেন পুড়ে যাচ্ছে। না জানি এই গুরুতর পাপের ফলে আমাকে মৃত্যুর পর কোন লোকে যেতে হবে। আমি আমার জ্যেষ্ঠভ্রাতা কর্ণকে হত্যা করেছি। আমার তুল্য পাপী আর কেউ নেই। অতএব আমি অনাহারে (প্রায়োপবেশনে) প্রাণ ত্যাগ করব।

    কিন্তু মহর্ষি ব্যাস এবং শ্রীকৃষ্ণ দুজনে যুধিষ্ঠিরকে সান্ত্বনা দিয়ে স্থিতধী করেন। কৃষ্ণদ্বৈপায়ন তাঁকে বলেন, ধর্মরাজ, প্রজাপালনই রাজাদের সনাতন ধর্ম। ধর্মের অনুবর্তী হওয়া মানুষের পক্ষে অত্যন্ত দরকার তুমি ধর্মানুসারে পিতৃরাজ্য গ্রহণ করো। তপস্যা ব্রাহ্মণের ধর্ম, ক্ষত্রিয়ের ধর্ম প্রজাপালন। যে ব্যক্তি ধর্ম বিনষ্ট হতে না দেখে রক্ষা না করে সে ধর্মহন্তা। যারা বধের যোগ্য তাদের বধ করা, ধর্মানুসারে প্রজাপালন, সৎপাত্রে ধনদানই রাজার লক্ষ্য।

    যুধিষ্ঠির বলেছিলেন, আমি অনেক লোকের প্রাণ সংহার করেছি। আমার হৃদয় বিদীর্ণ হয়ে যাচ্ছে। আমার দেহ দগ্ধ হচ্ছে। আমি আর সহ্য করতে পারছি না। আমি তাই দেহত্যাগ করার সংকল্প করেছি। কীভাবে আমি দেহত্যাগ করব আপনি আমাকে তার নির্দেশ দিন।

    মহর্ষি কৃষ্ণদ্বৈপায়ন সব শুনে যুধিষ্ঠিরকে বললেন, দেখো যুধিষ্ঠির, তুমি ক্ষত্রিয়। ক্ষত্রিয় হয়ে এভাবে শোক সাগরে নিমগ্ন হওয়া তোমার উচিত হচ্ছে না। যারা নিহত হয়েছে তারা তাদের নিজেদের অপরাধেই নিহত হয়েছে। ধর্মসাক্ষী কালই তাদের প্রাণ অপহরণ করেছে। যন্ত্র যেমন পরিচালকের অধীন, তেমনি সমস্ত কর্ম কালের অধীন। সুতরাং যুদ্ধে নিহতদের জন্য তোমার শোক বা হর্ষ প্রকাশ করা নিষ্ফল। তুমি বরং এর জন্য একটি প্রায়শ্চিত্ত অনুষ্ঠান করো। তুমি তো অনিচ্ছাসত্ত্বেও দুর্যোধনের দোষে তার পক্ষ অবলম্বনকারী নৃপতিদের হত্যা করেছ। দেবতারা যখন দৈত্যদের সঙ্গে যুদ্ধে তাদের পরাজিত করেন তখন দৈত্যদের পক্ষ সমর্থক আশি হাজার বেদজ্ঞ ব্রাহ্মণদেরও দেবতারা বিনাশ করেছিলেন। তুমি তোমার ভাইদের বলো যে রাজ্যলাভের জন্য অন্যের প্রাণ সংহার করলে পাপ হয় না। তবে যে দুরাত্মা সতত পাপ কাজ করে বেড়ায়, পাপ কাজ বুঝেও তাতে প্রবৃত্ত হয়, কিছুমাত্র লজ্জিত হয় না, তাকে প্রতিনিয়ত সেই পাপের ফল ভোগ করতে হয়। কিন্তু তুমি অনিচ্ছাসত্ত্বেও দুর্যোধনের অপরাধে অন্য রাজাদের বধ করেছ। তাতে তোমার দোষ হবে কেন? তুমি শত্রুপক্ষকে পরাস্ত করেছ। এখন তুমি অশ্বমেধ যজ্ঞ করলে তোমার যদি সামান্য পাপও হয় তা থেকে নিষ্কৃতি পাবে।

    যুধিষ্ঠির জিজ্ঞাসা করেছিলেন, কী কী কাজ করলে প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়? আর কী কী কাজ করলে মানুষ পাপ থেকে মুক্ত হতে পারে?

    বেদব্যাস যুধষ্ঠিরকে তার তালিকা দিয়েছিলেন। ব্যাসদেব বুঝিয়ে-শুনিয়ে যুধিষ্ঠিরকে আত্মহত্যা থেকে বিরত করে তাঁকে রাজ্যভার নিতে প্রণোদিত করলেন। এমনকী, ধৃতরাষ্ট্রও যুধিষ্ঠিরকে বললেন, ধর্মরাজ, তুমি ধরাশয্যা থেকে উঠে কর্তব্যকর্ম করো। তুমি ক্ষত্রিয়ধর্ম অনুসারে এই পৃথিবী অধিকার করেছ। এখন তো তোমার শোক করার কোনো কারণ নেই। শোক আমি ও গান্ধারীই করব। কারণ আমাদের শতপুত্র নিহত হয়েছে। তুমি শোক করবে কেন? আমিই দুর্বুদ্ধিবশত বিদুরের বাক্য শুনিনি। বিদুর বলেছিল, দুর্যোধনের অপরাধে আপনি সমূলে বিনষ্ট হবেন। যদি আপনার কুলরক্ষা করার অভিলাষ থাকে তাহলে কর্ণ ও শকুনির সঙ্গে যাতে দুর্যোধনের আর দেখা না হয় তার ব্যবস্থা করুন।

    তখন শ্রীকৃষ্ণও যুধিষ্ঠিরকে বললেন, পরলোকগত ব্যক্তিদের উদ্দেশে অধিক শোক করলে তাঁরা নিতান্ত কাতর হয়ে পড়েন। আপনি শোক না করে বিধান অনুসারে যজ্ঞ করুন। সোমরস দ্বারা দেবতাদের, স্বধা (পিণ্ডদান) দ্বারা পিতৃগণের, অন্নপান দ্বারা অতিথিদের, ও অর্থদান দ্বারা দরিদ্রদের তৃপ্তিসাধন করুন।

    যুধিষ্ঠির অশ্বমেধ যজ্ঞ করতে সম্মত হলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Our Picks

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }