Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রার্থনা সভায় অশ্বত্থামা

    ঘুম ভাঙল শারদ্বতের ডাকে। ধড়মড়িয়ে অশ্বত্থামা উঠে পড়লেন। আচার্যরা ইতিমধ্যেই প্রার্থনাগৃহে এসে উপস্থিত হয়েছেন। এটিও একটি বড় মাটির ঘর। তবে আরও প্রশস্ত। সামনে একটি বেদি। সেখানে একটি উজ্জ্বল প্রদীপ জ্বলছে। একটি আসনে যোগাসনে উপবিষ্ট ঋষি সোমক। তাঁর পাশে ধ্যানমগ্ন আচার্য চতুষ্টয়। নীচে বসে বিদ্যার্থী আশ্রমিকরা। অশ্বত্থামা প্রার্থনাগৃহে পৌঁছতে সোমক তাঁকে ইঙ্গিত করলেন বেদির একপাশে এসে বসার জন্য। সেখানে একটি আসন পাতা ছিল। অশ্বত্থামা উপবিষ্ট হতেই প্রার্থনা শুরু হল।

    ইন্দ্রিয়েভ্য পরা হার্থা অর্থেভ্যশ্চ পরং মনঃ।
    মনসশ্চপরা বুদ্ধিবুদ্ধেরামাত্মা মহান পরঃ।।*

    [* বিজ্ঞান যাঁর সারথি, মন যার প্রগ্রহ (নিয়ন্ত্রণে) তিনি সংসার পথের সীমাপ্রাপ্ত হন। এই সীমা হল বিষ্ণুর পরম পদ। যজুর্বেদীয় কঠোপনিষদ, তৃতীয় বহুরী।]

    এরপর আচার্য মণ্ডুক ও তৈত্তিরীর উপনিষদ থেকে বললেন,

    সত্যমেব জয়তে নানৃতং সত্যেন পন্থা
    বিততো দেবয়ানঃ।

    সত্যেরই জয় হয়, মিথ্যার নয়; সত্যরূপ সাধনার দ্বারাই দেবযান মার্গ প্রসারিত হয়। তোমরা সত্য বলবে। ধর্ম আচরণ করবে।

    সত্যংবদ ধর্মংচর স্বাধ্যায়ন মা প্রমদঃ।

    পড়াশোনা থেকে একদম বিচ্যুত হবে না।

    ওঁ শান্তি শান্তি শান্তি—তিনবার শান্তি উচ্চারণ করে পরম ব্রহ্মের উদ্দেশে করজোড়ে প্রণাম করে আচার্য এবার থামলেন।

    কিছুক্ষণের নীরবতা। শুধু গাছ-গাছালির মধ্য থেকে পাখির ডাক ভেসে আসছে। আচার্য সোমক এবার বলতে শুরু করলেন, আজ এই স্নিগ্ধ প্রভাতে তোমাদের সঙ্গে আমাদের নতুন আচার্যকে আলাপ করিয়ে দিই। এঁর নাম অশ্বত্থামা। তোমরা কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের কথা শুনেছ। আমাদের এই তপোবন থেকে বেশি দূর নয় কুরুক্ষেত্র। সেখানে এক বিরাট যুদ্ধ হয়ে গেল অষ্টাদশ দিবস ধরে। সেই যুদ্ধ এই কদিন হল শেষ হয়েছে। এই যুদ্ধের কৌরবপক্ষের শেষ সেনাপতি ছিলেন এই অশ্বত্থামা। তিনি অস্ত্রগুরু দ্রোণাচার্যের পুত্র। তোমরা বলো তো আমাদের রাজা এখন কে?

    একজন বিদ্যার্থী উঠে দাঁড়িয়ে বলল, কুরুতিলক, মহাধনুর্ধর দুর্যোধন।

    সোমক বললেন, দুর্যোধন এখন আর ইহলোকে নেই। তিনি নিহত হয়ে স্বর্গে গেছেন। আমাদের হস্তিনাপুরের মহারাজ হয়েছেন পাণ্ডুপুত্র যুধিষ্ঠির। তোমাদের সৌভাগ্য যে এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ থেকে তোমরা দুরে আছো। অরণ্যের বনস্পতি ভেদ করে যুদ্ধে মৃত্যুর হাহাকার ধ্বনি তোমাদের কানে আসেনি। আমরাও তোমাদের এ সম্পর্কে অবহিত করাইনি। যুদ্ধ, আক্রমণ, হত্যা, লুণ্ঠন, এসব হল রাজা এবং দস্যুদের নিত্যকর্ম। যুদ্ধ মানুষের স্থায়ী সমস্যার কোনো সমাধান করতে পারে না। তোমরা কী জানো কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে উভয়পক্ষের সব সৈন্য নিঃশেষ হয়ে গেছে। কিন্তু কেন? রাজায় রাজায় বিবাদের ফলে। প্রত্যেক কার্যেরই একটি কারণ থাকে। এই যুদ্ধের পিছনেও কারণ ছিল। একপক্ষ সব সময় অন্যপক্ষকে অভিযুক্ত করে। কিন্তু দু’পক্ষই একসঙ্গে হয় ঠিক না হয় ভুল হতে পারে না। কে ভুল কে ঠিক আমরা তা বিচার করতে যাব না। কারণ তা রাজনীতির বিষয়, রাজধর্মের নীতি। রাজনীতিতে দু’পক্ষই নিজেদের নির্দোষ বলে। অপরপক্ষের ঘাড়ে দোষ চাপায়। আমরা এখানে বিচারকের ভূমিকা পালন করতে পারি না। কিন্তু আমরা যারা মগজচর্চা করি, জ্ঞানচর্চা করি, পেশীচর্চা করি না, কে সিংহাসনে বসল তা নিয়ে আমরা মাথা ঘামাই না। সমস্ত রাজ্য ভাঙা-গড়া তুচ্ছ করে, জীবন-মৃত্যুর ওঠা-পড়াকে অগ্রাহ্য করে, অরণ্যের আড়ালে এই তপোবনগুলিতে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্যেও আমাদের জ্ঞানচর্চা অব্যাহত ছিল, আছে এবং থাকবেও।

    অশ্বত্থামা সম্পর্কে যা বলছিলাম—এই মহাবীর ব্রাহ্মণ হয়েও ক্ষাত্রধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। কেন করেছিলেন তার মধ্যে আমরা যাব না। আমাদের গুরু ব্যাসদেব ওকে আমাদের আশ্রমে পাঠিয়েছেন। উনি এখন থেকে আমাদের সঙ্গে থাকবেন। তোমাদের পড়াবেন। আর অস্ত্র ধরবেন না। অস্ত্রের বদলে উনি লেখনী ধরবেন। উনি নতুন শাস্ত্র রচনা করবেন, যে শাস্ত্র তরবারির চেয়ে অনেক শক্তিশালী। তোমরা জেনে রাখো, আমাদের সুপ্রাচীন আর্য সভ্যতা মানে বেদ, ব্রাহ্মণ, আরণ্যক আর উপনিষদ। বেদের মধ্যে যজুর্বেদেই গদ্য এবং পদ্য দুটোই আছে। শুক্ল যজুর্বেদ ও কৃষ্ণ যজুর্বেদ তথা তৈত্তিরীয় সংহিতাই ভারতের সম্পদ। কর্মকাণ্ড ও জ্ঞানকাণ্ডের মধ্যেই দেশের সম্পদ লুকিয়ে আছে। শুক্তির ভেতর যেমন মুক্তো লুকিয়ে থাকে। এই সম্পদ রাজপ্রাসাদে নেই, আছে এই তপোবনে। বিদ্যার্থীগণ, তোমরা এই ব্রহ্মচর্য আশ্রমটিতে যতদিন থাকবে শুধু জ্ঞানচর্চার মধ্য দিয়ে কাটাও। জ্ঞানের সঙ্গে সঙ্গে কঠোর জীবন যাপনের মধ্য দিয়ে সংসারের বাস্তবতার সঙ্গে পরিচিত হও। তোমরা কেউ গজদত্ত মিনারের অধিবাসী হবে না। সহপাঠী, আচার্য, ও বনবাসীদের সঙ্গেও তোমাদের মিশে মৃত্তিকার সন্তান হয়ে উঠতে হবে।

    আচার্য অশ্বত্থামা, এখন থেকে এই আশ্রম আপনার। আমাদের আচার্য চতুষ্টয় আপনার ভ্রাতা, আমাদের বিদ্যার্থীরা আপনার সন্তান। আপনি বিখ্যাত মানুষের আত্মজ। আপনার বীরত্বগাথা সারা দেশ বিদিত। আপনি বহু যুদ্ধের সৈনিক। এবার আপনি শস্ত্র ত্যাগ করে শাস্ত্র ধরুন। অসি ত্যাগ করে মসী অবলম্বন করুন।

    ‘সংগচ্ছধৃং, সংবদধৃং, সংবো মনাংসি জানতাম’

    তোমরা একসঙ্গে মিলে একই মন্ত্র উচ্চারণ করো, তোমাদের মন এক হয়ে উঠুক। আপনি এবার কিছু বলুন। মহাচার্য সোমক অশ্বত্থামাকে আহ্বান করলেন।

    অশ্বত্থামা বলতে গিয়ে বিশেষ কিছু বলতে পারলেন না। শুধু বললেন, মহাচার্যকে শত কোটি প্রণাম। এখানে এসে এই পরিণত বয়সে আমার যেন নবজীবন লাভ হল। সত্যি পুনর্জন্মের জন্য অপেক্ষা করার দরকার নেই। একই জীবনে বারবার যে জন্মান্তর ঘটে, তার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়াটাই জীবনের বড় শিক্ষা। আমি তোমাদের মতো তপোবনে পড়াশোনা করিনি। আমার যা কিছু শিক্ষা, তা আমার পিতার কাছ থেকে। আমি বেদ অধ্যয়ন করেছি গৃহকোণে বসে। অস্ত্রশিক্ষা করেছি রাজপুত্রদের সঙ্গে। পিতাই আমার শিক্ষক, আমার গুরু। শিশুকাল থেকে আমার সেনাপতি হবার প্রবল ইচ্ছা ছিল। এক একজনের ইচ্ছা বিচিত্র উপায়ে পূরণ হয়। এটাই বিধির নির্বন্ধ।

    আমি সেনাপতি হয়েছিলাম দুজন মাত্র সৈনিকের অধিপতি হয়ে। সেনাপতি হয়েছিলাম মাত্র এক রাত্রির জন্য। তারপরই আমার গোটা সৈনিক জীবনের ইতি। আমি আবার ব্রাহ্মণের ধর্মে ফিরে এলাম। সেই থেকে মনের সঙ্গে অনবরত সংগ্রাম করে চলেছি। স্বধর্মে কেন নিধন হলাম না। আবার প্রশ্ন জেগেছে আমার প্রকৃত ধর্ম কোনটি? ব্রাহ্মণত্ব না ক্ষাত্রধর্ম? অবশেষে আমার ললাটলিপিই আমাকে নির্দিষ্ট করে দিল আমার গতি। আচার্য ব্যাসদেব আমাকে এই তপোবনে পাঠালেন। এখন আমি এই তপোবনেরই। এই তপোবনই এখন আমার আপন গৃহ।

    জীবন সম্পর্কে আমার আজ যে গূঢ় উপলব্ধি হয়েছে তা বিদ্যার্থীদের বলি। জয়লাভের আনন্দের জন্যই জীবনের যুদ্ধগুলি নয়, পরাজয়ের শিক্ষালাভের জন্যও যুদ্ধ জরুরি। পরাজয়ের শিক্ষা একমাত্র পরাজিত না হলে পাওয়া যায় না। তার জন্য পরাজয়কে গৌরবের সঙ্গে মনে নিতে জানা চাই। প্রতিটি বিদ্যার্থীর মনে রাখতে হবে, জীবন তোমাকে জয়ের গৌরব ও পরাজয়ের গ্লানি দুটোই দিতে পারে। তুমি যদি পরাজয়কে গ্লানি হিসাবে না নিয়ে গৌরবের সঙ্গে গ্রহণ করতে পারো তাহলেই তুমি মনের দিক থেকে অপরাজিত থাকবে। আমি অপরাজিত। এটাই আমার গৌরব।

    গতিশীল থাকাটাই জীবন। তোমরা গতিশীল থাকো। যে জ্ঞান তোমাকে স্থাণু করে রাখবে, চার দুয়ারের মধ্যে বন্দি করে রাখবে, সেই জ্ঞান জ্ঞান নয়, তা নাগপাশ।

    পুষ্পিন্যে চরতো জংঘে—
    চরৈবেতি চরৈবেতি।

    (যে গতিশীল, চলমান, তার দুটি জঙ্ঘা পুষ্পময়।)

    সমস্বরে রব উঠল, সাধু, সাধু।

    .

    দ্বিতীয় দিন কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যার্থীদের বিরতি। এই সময়টা তারা প্রাতরাশ করে। একটি ঘরে টিনের পাত্রে মুড়ি রয়েছে। একটি ছোট মগ রয়েছে সামনে। তাতে করে প্রতিটি ছাত্র এক মগ করে মুড়ি নিজেরাই ঢেলে নিয়ে চলে যাচ্ছে। প্রাতরাশের পর তারা আশ্রমের জন্য শ্রমদান করবে।

    দ্বিপ্রহরের খাবার পর শুরু হবে সেদিনের পাঠক্রম। চলবে সন্ধ্যা পর্যন্ত। সন্ধ্যায় প্রার্থনা। তারপর নিজেদের মধ্যে আলোচনা। সে আলোচনায় আচার্যরাও অংশ নেন। পাঠ্য বিষয়ের ওপর অথবা কোনো বিশেষ সামাজিক বা দার্শনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা চলে। তারপর নৈশ আহারের শেষে বিদ্যার্থীরা ঘুমিয়ে পড়ে। অতিনিদ্রা ও নিদ্রাহীনতা দুটিই আশ্রমে নিষিদ্ধ।

    অশ্বত্থামাকে কে একজন বলে গেল আচার্য সোমক তাকে ডেকেছেন। অশ্বত্থামা আচার্যের ঘরে যেতেই দেখল সহ আচার্য শারদ্বত বসে আছেন। সোমক তাঁকে বললেন, আর্যপুত্র, আমাদের প্রতিদিন কিছু শ্রমসাধ্য কাজ করতে হয়, তার মধ্যে পানীয় জল নিয়ে আসা একটি। আজ তুমি ও শারদ্বত দুজনে গিয়ে পানীয় জল নিয়ে আসবে।

    অশ্বত্থামা বললেন, জলাশয় কোথায়?

    —এখান থেকে ক্রোশখানেক দূরে পাহাড়ের ওপর একটি ঝরনা আছে। সেই ঝরনার জলই সবার পেয়। এখানে পানীয় জলের তীব্র সংকট। বিশেষ করে এই গ্রীষ্মকালে। অদূরে একটি নদী আছে বেত্রবতী নাম। কিন্তু গ্রীষ্মে তার জল থাকে না। তাই পাহাড়ে উঠে ওই নদীর উৎস ঝরনা থেকেই জল সংগ্রহ করতে হয়। প্রতিদিনই দুজনকে পাঠানো হয় পানীয় জল সংগ্রহের জন্য। শারদ্বত তোমাকে পথ চিনিয়ে নিয়ে যাবে।

    একটু পরে দুজনে দুটি কলস নিয়ে বেরিয়ে গেলেন অরণ্যপথ ধরে। তখন বেশ রৌদ্র উঠে গেছে এবং তখনই তাপ দিতে শুরু করেছে।

    দিনের আলোয় অশ্বত্থামা আশ্রমটিকে ভালো করে দেখলেন। যেদিকে তাকাও অরণ্য। বড় বড় শাল, পিয়াল, ঝাউ, ও নানা ধরনের গাছে ভর্তি। আর সামান্য দূর থেকে পাহাড়ের সীমানা শুরু। পাহাড়গুলিকে ঘিরে সারি সারি গাছ উঠে গেছে। খুব সুউচ্চ পর্বত নয়। কিন্তু অরণ্যের সবুজ প্রাচীর। মনে হয় পাহাড়ের সারিগুলিকে যেন জাগ্রত প্রহরীর মতো তপোবনটিকে রক্ষা করছে। আর আকাশ পাহাড়গুলিকে ডিঙিয়ে আশ্রমের মাথার ওপর চন্দ্রাতপের মতো ঘিরে আছে।

    আশ্রম অঙ্গনটি ঘিরে নুড়িপাথরের রাস্তা আয়তক্ষেত্রের মতো আশ্রমকে ভাগ করেছে। তার দু’পাশে ফুল ফুটে রয়েছে। কত রকমের বিচিত্র ফুল। মহাচার্য সোমক ফুলগাছগুলি নিজে পরিচর্যা করেন। আশ্রমে কোনো ভৃত্য নেই। ছাত্ররাই গোটা আশ্রমটিকে পরিচ্ছন্ন রাখে। তারাই মাটির ঘর গো-ময় দিয়ে নিকোয়। গো-শালে গিয়ে গো-দাহন করে। গো-মাতার সেবা করে। তাদের খাদ্য দেয়। প্রত্যেকটি বিদ্যার্থীর ওপর কায়িক শ্রমের কাজ নির্দিষ্ট করা আছে। প্রত্যেকেই জানে এই মুহূর্তে তার কী কী করণীয়।

    অশ্বত্থামা ঘুরে ঘুরে সব দেখছিলেন। বিদ্যার্থীরা তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। এই কর্মকাণ্ড শেষ হবার পর তারা দুপুরের আহার সেরে পাঠ শুরু করবে। আচার্যরাও ছাত্রদের সঙ্গে সমানভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

    কিছুক্ষণের মধ্যে শারদ্বত এসে বলল, আর্যপুত্র, চলুন আমরা রওয়ানা হয়ে যাই। আপনার কলস এটি। বলে অশ্বত্থামার হাতে একটি বড় কাংস কলস তুলে দিল।

    দুজনে মিলে কথা বলতে বলতে বনপথ ধরে রওয়ানা দিলেন।

    শারদ্বতের বয়স আঠাশ বছর। সব আচার্যদের মতো সে মুণ্ডিত মস্তক। কাম্যক বনের এই তপোবনের সঙ্গে সে প্রথমদিন থেকেই আছে। এই জায়গাটি তার পরিচিত। সে শৈশব থেকে মহর্ষি ব্যাসের আশ্রমেই আশ্রমিক ছিল। সে ভাগীরথীর তীরেই বড় হয়ে উঠেছে। তার বাড়ি কাম্যক বনের কাছেই। বাবা দরিদ্র ব্রাহ্মণ। যজন যাজন করে কোনোমতে সংসার চলে। সে পিতার একমাত্র সন্তান। গ্রামে বিদ্যাচর্চার কোনো সুযোগ নেই। অনেক বর্ধিষ্ণু গ্রামে ব্রাহ্মণেরা চতুষ্পাঠী চালান, কিন্তু তাদের গ্রামে মাত্র কয়েক ঘর ব্রাহ্মণ। তাঁদের মধ্যেও বিদ্যাচর্চা নেই, যজমানি করে সংসার চালান। একে তো শিক্ষার প্রচলন শুধু ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়দের মধ্যে। শূদ্রদের শিক্ষার অধিকার নেই। বৈশ্যদের আছে। কিন্তু তারা আগ্রহী নয়। কিন্তু শারদ্বতের ছোটবেলা থেকে পূজাপাঠ কথকতায় আগ্রহ।

    সে সময় মূর্তিপূজার প্রচলন হয়নি। তবে বৈদিক দেবতারা কথকথা ও পাঠের মধ্য দিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রচার লাভ করেছেন। পূজা বলতে ছিল বেদ অনুসারী নানা যজ্ঞ। এই যজ্ঞানুষ্ঠান সমাজে নিয়মিত কর্ম ছিল। ব্রাহ্মণদের এই হোমযজ্ঞ করাই প্রধান জীবিকা ছিল। কিন্তু একমাত্র রাজা ও অভিজাত ব্যক্তি ছাড়া সাধারণ মানুষের সঙ্গতি ছিল না উপযুক্ত ব্রাহ্মণ বিদায়ের। তাই তাদের হাতে নগদ অর্থ থাকত না। সেজন্য তাঁরা চেষ্টা করতেন তাঁদের আগ্রহী একটি ছেলেকে অন্তত কোনো ঋষির তপোবনে যুক্ত করতে।

    এই তপোবন বিদ্যাশ্রমগুলিতে প্রভাবশালী ও সঙ্গতিসম্পন্ন ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তানেরাই সুযোগ পেত। যে সব ঋষিদের খ্যাতি ছিল তাদের বিদ্যায়তনগুলিতে ছাত্র ভর্তির জন্য তীব্র প্রতিযোগিতা লেগে থাকত। কারণ অভিজাত সামন্ত ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, ও বৈশ্য পরিবার তাঁদের একটি ছেলেকে ব্রহ্মচর্যাশ্রমে পাঠাতে চাইত। দূর দূর থেকে দু-তিন দিনের পথ অতিক্রম করেও এই সব ছাত্ররা আসত। তারপর দ্বাদশ বর্ষ পাঠ সম্পন্ন করে সমাবর্তন

    শেষ করে স্নাতক হয়ে তারা সংসারশ্রমে প্রবেশ করত। অনেকে আর সংসার আশ্রমে প্রবেশ করতে চাইত না। তারা নিজেরাই আচার্য হয়ে সারাজীবন অধ্যাপনা ও ধর্মচর্চায় জীবন অতিবাহিত করতেন।

    শারদ্বত এই দলের। তার বাবা তাঁকে ব্যাসদেবকে বহু মিনতি করে আশ্রমের বিদ্যালয়ে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। তাদের সঙ্গে পঁচিশজন একসঙ্গে স্নাতক হয়। তার মধ্যে ছ’জন ছাত্র আর সংসারশ্রমে ফিরে যায়নি। তারা ব্রহ্মচারীর জীবন বেছে নিয়েছে।

    তাদের গ্রাম বেশি দূরে নয়। তার বাবা গত হয়েছেন। কিন্তু মা এখনও জীবিত। তিনি একান্নবর্তী পরিবারে বাস করেন। সে সময় একান্নবর্তী পরিবারে একসঙ্গে দশ থেকে ত্রিশ-চল্লিশজনও বাস করত। তবে দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে সদস্য সংখ্যা খুব বেশি হত না। কৃষিজীবী পরিবারে পঞ্চাশজন মানুষও এক একটি পরিবারে থাকত। পরিবারের সদস্য ছাড়া আশ্রিত বিধবা ও অনূঢ়া কন্যারাও এই সব পরিবারে স্থান পেত।

    শারদ্বত বলল, কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে তাদের গ্রাম থেকে বহু যুবক যোগ দিয়েছিল। বেশিরভাগই ক্ষত্রিয় যুবক। যুদ্ধের ঠিক আগে রাজা দুর্যোধনের রাজকর্মচারীরা ঢেড়া পিটিয়ে ঘোষণা করেছিল যুদ্ধের জন্য সৈনিক নেওয়া হবে। নগদ বেতন ঘোষণা করা হয়েছিল। সাধারণ মানুষের হাতে নগদ অর্থের একটা বড় আকর্ষণ ছিল। তাছাড়া যুবকদের মধ্যে যুদ্ধের উন্মাদনাও কাজ করেছে। তারা নাম লিখিয়েছে। মাত্র একমাস-দু’মাসের অস্ত্রশিক্ষা দিয়ে তাদের যুদ্ধে নামানো হয়। এছাড়া দুর্যোধনের একাদশ অক্ষৌহিণী সৈন্যের বেশিরভাগই মিত্র রাজ্যগুলি থেকে এসেছিল।

    পথে যেতে যেতে শারদ্বত বলছিল আশপাশের গ্রামে যুবক ছেলে এখন বিরল। গ্রামের পর গ্রাম শুধু বিধবা আর প্রবীণেরা বাস করছেন। তবে কিছু সৈনিক যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে এসেছে। তারা প্রথমদিকে ভয়ে গ্রামের ভিতর ঢোকেনি। জঙ্গলে জঙ্গলে কাটিয়েছে। যুদ্ধ শেষ হবার সংবাদ শুনে তারা বাড়ি ফিরে এসেছে।

    কথা বলতে বলতে ওরা অনেক দূর চলে এসেছিল। এইবার পাহাড়ি পথ শুরু হল। চড়াইয়ের ওপর উঠতে হবে। আর তখনই দেখা গেল পাহাড়ের নীচে এবং পাহাড়ের গায়ে জনবসতি। ছোট ছোট কুটির। ইষ্টক নির্মিত দু-একটি বাড়িও চোখে পড়ল। বেশ কিছু গবাদি পশু চোখে পড়ল। কিছু ভেড়ার পাল। তাদের পিছনে রাখাল বালকেরা। পাহাড়ি পথে রাস্তার চিহ্ন আছে বটে। কিন্তু পাথর আর নুড়ি বিছানো অসমান।

    অশ্বত্থামা বললেন, এতখানি পথ তোমাদের জল নিতে আসতে হয়?

    শারদ্বত বলল, হ্যাঁ, আমাদের আশ্রম থেকে রোজই কেউ না কেউ আসে।

    —আশ্রমের আশেপাশে কোথাও পুষ্করিণী নেই?

    —আশ্রমের পাশেই একটি পুষ্করিণী আছে। কিন্তু গ্রীষ্মে তার জল কমে আসে। কর্দমাক্ত হয়ে পড়ে। পানের অযোগ্য। বর্ষাকাল থেকে শীতকাল আমরা পুষ্করিণীর জল পান করি।

    —গ্রামের লোকেরা কীভাবে পানীয় জল পান?

    —অনেক গ্রামে ধনীরা কূপ খনন করে রেখেছেন। কিন্তু গ্রীষ্মকালে কূপও শুকিয়ে যায়। এ সময়টা সবাই জলসংকটে ভোগে।

    —এই দু’ কলসি পানীয় জলে আশ্রমের এতগুলি মানুষের হয়?

    —আমরা বিদ্যার্থীদের মধ্যে সংযম অভ্যাস করিয়েছি। দ্বিপ্রহর ও রাতে আহারের সময় সকলের এক গ্লাস করে জল বরাদ্দ। অন্য কাজের জন্য সবাই পুষ্করিণীতে যায়। আমাদের আচার্য সোমক বলেন, শৈশব থেকে সংযম অভ্যাস করতে হয়। বাক সংযম ও ইন্দ্রিয় সংযম। কাম দমন ও রিপু দমনের ওপর বেশি জোর দেওয়া হয়। ইন্দ্রিয় দমনের মধ্যে আছে পরিমিত আহার। ব্রাহ্মণের এক সন্ধ্যায় দুবার আহার নিষিদ্ধ। এর কারণ কী? অতিরিক্ত ভোজন শরীরের মেদ বাড়ায়। যা সহজ পাচ্য নয় তাতে আন্ত্রিক অসুখ ছড়ায়। আমাদের ছাত্ররা কেউ স্থূলকায় নয়। আপনি দীর্ঘকায় মহাভুজ। সৈন্যদলে শুনেছি আমিষ আহারের চল আছে। আপনি কী মাংসাশী?

    —হ্যাঁ, আমি নিরামিষাশী নই। কিন্তু আমি খাদ্যাভ্যাস বদলাতে পারি। আমাকে নিয়ে আপনাদের কোনো সমস্যা হবে না। আমি ব্রাহ্মণপুত্র। মাসের মধ্যে অর্ধেক দিনই উপবাস করে নানা ব্রত পালন করি। পিতা সাত্ত্বিক আহার করতেন। আমিই শুধু সর্বভুক ছিলাম। কিন্তু আমি ব্রাহ্মণ সন্তান, সাত্ত্বিক আহার আমার সহজাত।

    অশ্বত্থামাকে এর আগে কখনও পর্বতারোহণ করতে হয়নি। তিনি একটু ক্লান্ত হয়ে পড়লেন। ক্রমাগত আরোহণে তাঁর জিভ শুষ্ক হয়ে আসছিল। এমন সময় ঝিরঝির শব্দ কানে এল। পাহাড়ের গা বয়ে ব্রাহ্মণের শুভ্র উপবীতের মতো ঝরনার ধারা নামছে। নামতে নামতে একটি ছোট প্রস্রবণের রূপ ধারণ করেছে। ওপরের একটি শিলাখণ্ড থেকে জল এসে আছড়ে পড়ছে নীচে। গ্রামের বহু স্ত্রীলোক সেই জল সংগ্রহের জন্য কলস নিয়ে এসেছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই কলস ভরে যাচ্ছে। একদল শিশু প্রস্রবণে মাথা পেতে স্নান করছে। আর তাদের কলরবে স্থানটি মুখরিত হয়ে উঠেছে। ঘোড়ায় টানা কয়েকটি শকট রাস্তায় অপেক্ষা করছে। এগুলি কোনও অভিজাত ব্যক্তির শকট। তাঁরা পানীয় জল সংগ্রহের জন্য পাঠিয়েছেন।

    ওরা দুজনেও সেই মুক্তধারায় স্নান করে নিলেন। তারপর দুটি কলসে জল ভরে আশ্রমের দিকে রওয়ানা হলেন।

    অশ্বত্থামা সেই দীর্ঘ পথ জলভরা কলস বয়ে আনতে আনতে ভীষণ ক্লান্তি অনুভব করছিলেন। মাথার ওপর প্রচণ্ড রৌদ্রতেজ। রাস্তার ধূলিকণা তপ্ত হয়ে উঠেছে। তাঁরা দুজনেই খালিপদ। অশ্বত্থামার চরণ এই প্রথম ধূলি স্পর্শ করল। তিনি সর্বদা শিরোস্ত্রাণ ও পাদুকা পরে পথে বার হতেন। কদাচ হাঁটতেন। তিনি পদস্থ সেনানী। তাঁর নিজস্ব দুই অশ্বের রথ ছিল। সারথি ছিল। রথের পিছনে দুজন দেহরক্ষী থাকত। কুরুক্ষেত্রে তিনি যুদ্ধ করেছেন। তিরবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন। কিন্তু সর্বদা রথারুঢ় অবস্থায়। তাঁর অধীনে সহস্ৰ সৈনিক সর্বদা তাঁর আদেশের প্রতীক্ষায় থাকত।

    সেই অশ্বত্থামা আজ নগ্নপদে কাঁধে জল ভর্তি কলস নিয়ে তপ্ত প্রস্তর খণ্ড ও ধূলির ওপর দিয়ে হেঁটে চলেছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    মোহিত কামাল
    রকিব হাসান
    রজতশুভ্র মজুমদার
    রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাহীন আখতার
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্তোষকুমার ঘোষ
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সাগরময় ঘোষ
    সাদাত হোসাইন
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুপ্রতিম সরকার
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026
    Our Picks

    অশ্বত্থামা হত – ড. পার্থ চট্টোপাধ্যায়

    September 5, 2026

    ঈশ্বরপুরের প্রেমকথা – দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য

    September 5, 2026

    উন্মাদ আশ্রম – ওবায়েদ হক

    September 5, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }