Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. চেকপোস্টের আগে

    বারো

    চেকপোস্টের আগে নেমে পড়ে নিজেকে বুদ্ধিমান বলে ভেবে খুশি হয়েছিল সোম। যেভাবে শহরের বাইরেও পুলিশভ্যান টহল দিচ্ছে তাতে ওই মারুতি গাড়িতে থাকলে এতক্ষণে মাটির তলার ঘরে চালান হয়ে যেত সে। চেকপোস্টে নিশ্চয়ই ভাল করে গাড়ির আরোহীদের জেরা করা হচ্ছে। সোম নেমে পড়েছিল খানিকটা আগে এবং রাস্তা ছেড়ে উঠে এসেছিল পাহাড়ে। সেখান থেকে রাস্তাটা পরিষ্কার দেখা যায় কিন্তু রাস্তা থেকে কেউ তাকে দেখতে পাবে না।

    তখন প্রায় শেষ রাত। বসে থাকতে থাকতে ঘুম এল। পাহাড়ি পাথরে হেলান দিয়ে চোখ বন্ধ করতেই ঘুম দখল করল তাকে। যখন চোখ খুলল তখন আলো ফুটে গিয়েছে। এবং তখনই তার মনে হল শহরের বাইরে আসায় তার জীবন বেঁচে গেছে বটে কিন্তু আকাশলাল অথবা সেই খবর দিতে আসা লোকটাকে ধরা এখানে থেকে সম্ভব নয়। সে ইচ্ছে করলে পালিয়ে যেতে পারে অনেক দূরে যেখানে ভার্গিসের পুলিশ পৌঁছাতে পারবে না। কিন্তু ওই পালিয়ে থাকা জীবনে কোনও সুখ নেই। এখন শহরে ঢুকতে গেলেই সে ধরা পড়ে যাবে। আর কোনও বোকামিতে সে নেই অথচ তার পক্ষে শহরে ঢোকা খুবই জরুরি।

    খোলা আকাশের নীচে রাত কাটিয়ে অথবা টানটান না ঘুমানোর জন্যেই সোমের শরীর এখনও আলস্য পছন্দ করছিল। সে দেখল নীচের রাস্তা দিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ধরনের গাড়ি চলতে শুরু করেছে। সাধারণত উৎসবের আগের রাত্রে বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষজন দলবেঁধে তাদের গ্রাম-দেবতাকে নিয়ে আসে শহরে। শহরের দেবীকে পরিক্রমা করে আবার ফিরে যায় গ্রামে। এইসব দেবতাদের চেহারা অদ্ভুত, অনেকের নামও নতুন ধরনের। রাত্রের ওই গ্রাম্য মানুষের দলে ঢুকে পড়তে পারলে শহরে পৌঁছানো সম্ভব হতে পারে। সারাদিনের পরিশ্রমের পরে রাত্রের জনতাকে আর খুঁটিয়ে পরীক্ষা করার ক্ষমতা চেকপোস্টের পাহারাদারদের না থাকারই কথা। কিন্তু সেই সুযোগ নিতে গেলে তাকে মধ্যরাত পর্যন্ত এখানে বসে থাকতে হয়। সারাটা দিন খাদ্য পানীয় ছাড়া এখানে পড়ে থাকা অসম্ভব। সোম মনঃস্থির করতে পারছিল না। সে উঠে পাহাড়ের দিকে তাকাল। এই পাহাড়ের বিভিন্ন ঢালে ছোট ছোট গ্রাম ছড়ানো। আকাশলালের খোঁজে এইসব গ্রামে পুলিশ বারংবার হানা দিয়েছে। এখনও পুলিশের লোক ছড়ানো আছে এখানে ওখানে। গ্রামে তার পক্ষে যাওয়া বিপজ্জনক হবে।

    এইসময় একটা লরি এসে দাঁড়াল নীচের রাস্তায়। লরিটা মালপত্র নিয়ে যাচ্ছে। ড্রাইভারের পাশের দরজাটা খুলে একটা মেয়ে লাফ দিয়ে নীচে নামল। নেমে চিৎকার করল, ‘ভালভাবে যাও।’ লরিটা ওপরে উঠে গেলে মেয়েটা চারপাশে তাকাল। তারপর সরে এল পাহাড়ের দিকে যেখানে সোম দাঁড়িয়ে আছে। মেয়েটার চেহারা অত্যন্ত সাধারণ, পোশাক এদেশীয়। সোম কয়েক মুহূর্ত অপেক্ষা করল কিন্তু মেয়েটাকে দেখতে পেল না। অর্থাৎ মেয়েটা পাহাড়ে ওঠেনি আবার নীচে নেমে যায়নি। সেটা করতে হলে ওকে রাস্তা ডিঙিয়ে যেতে হবে। এই মেয়ের পক্ষে তাকে চেনা সম্ভব নয়। একটু কৌতূহলী হয়েই সোম ধীরে ধীরে নীচে নামতে লাগল। নীচের রাস্তায় নামামাত্র মেয়েটিকে দেখতে পেল সে। রাস্তার ধারে একটা পাথরের ওপর পা ঝুলিয়ে বসে আছে চুপচাপ। সোমকে দেখামাত্র তার চোখ ছোট হয়ে গেল, মুখে সন্দেহ। সোম হাসতে সে হাসার চেষ্টা করল। একটু এগিয়ে এসে সোম জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি শহরে যাচ্ছ না?’

    ‘উৎসব তো কাল, আজকে গিয়ে কি হবে।’ মেয়েটার কথা বলায় ধরন বেশ। ক্যাটকেটে।

    ‘তা অবশ্য।’ বলামাত্রই একটা গাড়ির আওয়াজ কানে এল। ওটা যদি পুলিশের গাড়ি হয় তো এভাবে মুখ দেখানো মানে নিজের সর্বনাশ ডেকে আনা। সে চকিতে পাথরের আড়ালে চলে এল। গাড়িটা যখন সামনের রাস্তায় পৌঁছাল তখন দেখা গেল সোমের সন্দেহ ভুল নয়। মেয়েটার দিকে নির্লিপ্ত চোখে তাকিয়ে বন্দুকধারী পুলিশ গাড়ি নিয়ে এগিয়ে গেল। মেয়েটা এবার তার পেছনে দাঁড়ানো সোমকে দেখল। এই লোকটা যে পুলিশের ভয়ে ওখানে গিয়ে লুকিয়েছে তাতে তার কোনও সন্দেহ নেই। লোকটা কে হতে পারে? চেহারা দেখে চোর-ডাকাত বলে মনে হচ্ছে না। আবার পালিয়ে বেড়ানো বিপ্লবীদলের কর্মীদের মত চেহারা নয়। সে স্পষ্ট জিজ্ঞাসা করল, আপনি কে?’

    পাথরের আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে সোম হাসল, ‘আমি? একজন সাধারণ মানুষ।’

    ‘সাধারণ মানুষ কখনও পুলিশকে দেখে ভয় পায় না!’

    সোম বুঝল তাকে একটা পরিচয় দিতে হবে। সে গল্প তৈরি করবার চেষ্টা করল কিন্তু তেমন জুতসই কিছু না পেয়ে বলল, ‘আমি আমার ভাইয়ের খোঁজে শহরে যেতে চাই।’

    ‘ভাই?’

    ‘হ্যাঁ। ও শহরে থাকে। পুলিশ ওকে খুঁজছে।’

    ‘পুলিশ ওকে খুঁজছে কেন?’

    ‘কি বলব! ওর জন্যে আমাদের পরিবারের সবাই জেলে গিয়েছে। মানে পুলিশ সবাইকে ধরে নিয়ে গিয়েছে। আমি ইন্ডিয়ায় ছিলাম বলে বেঁচে গেছি।’

    ‘আপনি তাহলে ইন্ডিয়ায় থাকেন?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আপনি পুলিশকে ভয় পাচ্ছেন কেন?’

    ‘ওই যে, বললাম তো, পুলিশ আমাকে পেলেও ধরবে। ভাইয়ের খবর নেবে। আমি ধরা না পড়ে ভাইয়ের কাছে পৌঁছাতে চাই।’ সোম গল্পটা বানাতে পেরে খুশি হল।।

    ‘পলিশ যেখানে আপনার ভাইকে খুঁজে পাচ্ছে না সেখানে আপনি কী করে পাবেন?’

    ‘আমি দু-একজনকে চিনি যারা খবরটা দিতে পারে।’

    ‘আপনি আগে এই শহরে থাকতেন?’

    ‘হ্যাঁ। বছর দশেক আগে আমি ইন্ডিয়ায় চলে গিয়েছিলাম।’

    ‘আপনার ভাইয়ের নাম কি?’ মেয়েটা সরাসরি তাকাল।

    সোম বিপাকে পড়ল। তারপর সেটা কাটাতে পাল্টা জিজ্ঞাসা করল, ‘তুমি কে? তোমাকে আমি এতসব কথা বললাম কেন? না, না, আমি আর কোনও কথা বলতে পারব না।’

    মেয়েটা এবার হাসল, ‘আপনি যদি সত্যি কথা বলেন তাহলে আমি আপনাকে সাহায্য করতে পারি।’

    ‘কীরকম?’ সোম এইরকম কিছু শুনবে বলে অপেক্ষা করছিল।

    ‘পুলিশের চোখ এড়িয়ে শহরে পৌঁছতে সাহায্য করতে পারি।’

    ‘বেশ। বলছি। আগে তোমার ব্যাপারটা জানি।’

    ‘আমি? মেয়েটা পাথর থেকে নেমে দাঁড়াল, ‘আমার নাম হেনা।’ তারপর দৃরের পাহাড়ের দিকে আঙুল তুলে বলল, ‘ওইখানে আমাদের গ্রাম। গ্রামে ধোঁয়া উঠছে বলে আমি এখানে বসে আছি। ওটা সংকেত। গ্রামে গোলমাল থাকলে আগুন জ্বেলে আকাশে ধোঁয়া ভোলা হয়।’

    ‘ও কি ধরনের গোলমাল?’

    ‘ওখানে না গেলে বলতে পারব না।’

    ‘তুমি কিভাবে আমাকে সাহায্য করবে?’

    ‘এখনও ভাবিনি। কিন্তু আপনার ভাইয়ের নামটা বলেননি আপনি।’

    মুখে এসেছিল আকাশলালের নামটা কিন্তু শেষমুহূর্তে সামলে নিল। সে গম্ভীর মুখে বলল, ‘আমি জানি না তুমি আমার সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবে কি না!’

    ‘আপনার সন্দেহ হওয়া স্বাভাবিক।’

    ‘আমার ভাইয়ের নাম ত্রিভুবন।’

    ‘ও।’ মেয়েটা বড় চোখে তাকাল।

    ‘তুমি আমার ভাইকে চেনো?’

    ‘আকাশলালের কাছের লোকদের নাম কে না শুনেছে! কিন্তু শহরে গিয়ে আপনার কোনও লাভ হবে না। চিতা এবং নেকড়েদের খবর স্বয়ং ভগবানও জানেন না।’

    ‘কিন্তু আমাকে যেতে হবেই।’

    ‘কেন যাবেন?’

    ‘আমি ভেবে দেখলাম যেখানে আমার সব আত্মীয়স্বজন জেলে বন্দি সেখানে আমি ইন্ডিয়ায় বসে আরাম করছি এটা ঠিক নয়। আমি ভাইয়ের পাশে গিয়ে দাঁড়াব। সোম এমন আবেগে কথাগুলো বলল যে হেনা খুশি হল, ‘বেশ, আসুন আমার সঙ্গে।’

    ‘কোথায়?’

    ‘এখানে দাঁড়িয়ে থাকলে বারংবার পাথরের আড়ালে গিয়ে লুকোতে হবে আপনাকে।’ হেনা তার গ্রামের উল্টোদিকের পাহাড়ে উঠতে লাগল। সোম ভেবে দেখল তার মাথায় যখন কিছুই আসছে না তখন মেয়েটাকে বিশ্বাস করাই একমাত্র পথ। মেয়েটার কথাবার্তা থেকে সরাসরি না হলেও আভাসে বোঝা গেছে যে বিপ্লবীদের সঙ্গে ওর যোগায়োগ আছে। শহরে ঢুকতে হলে ওর ওপর নির্ভর করতেই হবে। পাকদণ্ডির পথ ধরে ওপরে উঠতে উঠতে মেয়েটা হঠাৎ ঘুরে দাঁড়াল, ‘আপনি এখানে এলেন কীভাবে?’

    ‘এক ডাক্তার ভদ্রলোকের গাড়িতে লিফট নিয়েছিলাম।’

    হেনার চোয়াল শক্ত হল। সমতল থেকে পাহাড়ে ওঠার পথে তার ডিউটি ছিল। এক বান্ধবীর পানবিড়ির দোকানে বসেছিল সারাদিন। বিকেলের দিকে ডাক্তারের লাল মারুতিটাকে ওপরে উঠতে দেখে সে-ই খবর পাঠিয়েছিল ওপরে। কিন্তু ডাক্তারের গাড়িতে তো একজন মহিলা ছিল। সে জিজ্ঞাসা করল, ‘কী গাড়ি?’

    ‘লাল মারুতি। ইন্ডিয়ার গাড়ি।’ সোম সরল গলায় জবাব দিল।

    হেনা মাথা নাড়ল। লোকটা ঠিক বলছে। তাহলে ওঠার সময় পেছনের সিটে লুকিয়েছিল লোকটা তাই দোকানে বসে দেখতে পায়নি সে। ত্রিভুবন আকাশলালের তিন প্রধানসঙ্গীর একজন। সমস্ত দেশে লুকিয়ে থাকা কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার দায়িত্ব ওর ওপরে। আর এই লোকটা যদি ত্রিভুবনের ভাই হয় তাহলে ওকে সাহায্য করা উচিত। ওরা হাঁটতে শুরু করল।

    বেশ কিছুক্ষণ পরে সোম জিজ্ঞাসা করল, ‘আমরা কোথায় যাচ্ছি হেনা?’

    ‘দুই ক্রোশ দূরে আমার এক বন্ধু থাকে, তার কাছে।’

    ‘তোমার বন্ধু?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘মানে বয়ফ্রেন্ড?’

    হেনা শব্দ করে হাসল, ‘আঙুল মানেই হাতের আঙুল? পায়ের হয় না?’

    ‘তা অবশ্য।’

    হঠাৎ হেনা দাঁড়িয়ে গেল। দূরের আকাশে তখন পুঞ্জ পুঞ্জ ধোঁয়া। সে মাথা নাড়ল, ‘না। আর এগোনো যাবে না। ওখানেও গোলমাল শুরু হয়েছে। উৎসবের আগে ওরা সব্বাইকে ঝামেলায় ফেলছে। এতে অবশ্য ভার্গিসের বারোটা বাজতে দেরি হবে না।’

    ভার্গিসের নামটা কানে যেতেই একটু শক্ত হল সোম, ‘তুমি ভার্গিসকে দেখেছ?’

    ‘কে না দেখেছে ওই বুলডগকে?’

    অস্বস্তিটা আরও বাড়ল। ভার্গিসকে দেখেছে আর তাকে দ্যাখেনি এমন কি হতে পারে। তার পজিশন ছিল দু-নম্বরে। ওরা জানতে পারলে খুন করতে দ্বিধা করবে না। একদিকে ভার্গিস আর অন্যদিকে বিপ্লবীরা, সসাম দিশেহারা হয়ে পড়ছিল।

    হেনা বলল, ‘আমাদের একটু অপেক্ষা করতে হবে। ওইদিকে চলুন। এখানে একটা ঝরনা আছে। চট করে কারও নজরে পড়বে না।’

    ওরা ঝরনার দিকে এগোতেই আকাশে হেলিকপ্টারের শব্দ ভেসে এল। হেনা দৌড়তে লাগল, ‘তাড়াতাড়ি দৌড়ান। দেখে ফেললে গুলি খাবেন।’

    পঞ্চাশ বছর বয়সে যতটা দৌড়ানো সম্ভব সোম ঠিক ততটাই দৌড়াল। জঙ্গলের আড়ালে ঢোকামাত্র বসে পড়ল সে। মাথার ওপর চক্কর খাচ্ছে হেলিকপ্টার। ওগুলো তার চেনা। পাইলট হয়তো এখনও সামনাসামনি দেখলে তাকে স্যালুট করবে। কিন্তু রেইডের সময় যখন ওগুলো ব্যবহার করা হয় তখন নির্দেশ থাকে সন্দেহজনক কাউকে দেখলেই গুলি করার। গুলি না করে ওগুলো চলে গেল যখন তখন বোঝা যাচ্ছে ওদের চোখ এড়ানো গেছে। সোম উঠল। সামনেই হেনা, হাসছে। বলল, ‘আপনার তো বেশ। ট্রেনিং আছে দেখছি!’

    ‘না, মানে, মনে হল।’ যেন বিড়বিড় করল।

    জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে একটু এগোতেই ঝরনাটাকে দেখা গেল। পাহাড়ের বুক থেকে নেমে ছায়াছায়া নির্জনে নিঃশব্দে বয়ে যাচ্ছে। সোম বলল, ‘বাঃ, কী সুন্দর!’

    ‘আপনার খিদে পেয়েছে?’

    প্রশ্নটা শোনামাত্র খিদে পেয়ে গেল সোমের। কাল বিকেল থেকে কিছুই খাওয়া হয়নি। সারাক্ষণ টেনশনে থেকে খাওয়ার কথা মনেও আসেনি। এখন জল, নির্জনতা এবং ওই প্রশ্নে মনে হল খেতে পেলে আর কিছুই চাইত না সে।

    প্রশ্নটা করেই নিজেই উত্তর দিল হেনা, ‘পেলে কিছুই পাবেন না এখানে। তবে!’ সে সোমের দিকে তাকাল, ‘আপনার কাছে রিভলভার আছে?’

    অজান্তেই মাথা নেড়ে হ্যাঁ বলেই মনে মনে খেপে গেল সোম নিজের ওপরে। রিভলভারের কথা স্বীকার করল কেন? সাধারণ মানুষের সঙ্গে রিভলভার থাকে নাকি! গর্দভ!

    ‘তাহলে একটা পথ আছে। ওই দেখুন, বেশ মোটাসোটা ডাহুক। গুলি করে যদি মারতে পারেন, তাহলে আগুন জ্বেলে রোস্ট করে দিতে পারি! হেনা হাসল।

    সংকোচ হচ্ছিল সোমের রিভলভারটা বের করতে। সার্ভিস রিভলভারটাকে দেখলে হেনা কি চিনতে পারবে? সে মৃদু আপত্তি করল, ‘গুলি ছুঁড়লে শব্দ হবে না?’

    ‘হলে হবে। ওপাশে ধোঁয়ায়, মাথার ওপর হেলিকপ্টার, কেউ শুনলে ভাববে পুলিশের গুলি। এদিকে আর আসবে না তাহলে।’ হেনা বলল।

    সোম ডাহুকটাকে দেখল। কমসে কম এককেজি ওজন হবে। হেলিকপ্টারের আওয়াজে বোধহয় একটু ভয় পেয়ে গেছে। সে হেনার দিকে তাকাল। খিদেটাকে বড্ড বেশি মনে হচ্ছে এখন। যা হয় হবে আগে তো খেয়ে নিই, মনে মনে ভাবল সে।

    সে রিভলভার বের করে তাগ করল। ডাহুকটা মুখ ফিরিয়ে এদিকে তাকাল। সোম ট্রিগার টিপতেই কানফাটানো আওয়াজ হল। কিছু পাখি উড়ে গেল আকাশে শব্দ করে আর ডাহুকটা মুখ থুবড়ে পড়ে গেল যেখানে বসেছিল। হেনা বলল, ‘বাঃ, আপনার টিপ তো দারুণ।’ বলে দৌড়ে গিয়ে কুড়িয়ে আনল পাখিটাকে। সোম খুশি হল। একসময় সে ফোর্সে বেস্ট শুটার ছিল।

    আওয়াজটা তখনও কানে লেগে ছিল। সোম আকাশে নজর করল। হেলিকপ্টার আপাতত নেই। কিন্তু কাজটা বেশ বোকার মতই করেছে। পুলিশের পক্ষে ওটা গুলির শব্দ তা বুঝতে অসুবিধে হবে না।

    ‘নিন, ছাড়ান। আমি আগুন জ্বালার ব্যবস্থা করি।’ হেসে পাখিটাকে সোমের হাতে তুলে দিল।

    এ ব্যাপারে সোমের কিঞ্চিৎ অভ্যাস ছিল যৌবনের শুরুতে। সেটা মনে করে সে হাত লাগাল। মেয়েটা ইতিমধ্যে শুকনো ডালপালা জোগাড় করে আগুন জ্বালিয়েছে। ধোঁয়া বের হচ্ছে। সেটা লক্ষ করে সোম বলল, ‘দূর থেকে দেখলে লোকে ভাববে এখানেও গোলমাল হচ্ছে।’

    ‘কেন?’ হেনা তাকাল।

    ‘আপনার আগুন থেকে ধোঁয়া উঠছে।’

    ‘ভালই তো। গুলির শব্দ, আকাশে ধোঁয়া, কেউ এদিকে আসবে না।’

    কিন্তু একটু ভুল হয়ে গেল। ওরা যখন ডাহুকের সেঁকা মাংস আরাম করে চিবোচ্ছে তখন জঙ্গলের মধ্যে চারজন মানুষ স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে। দুজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র। হেনার ঠিক পেছনে গাছের আড়ালে ওরা। চোখ বন্ধ করে খাবারের স্বাদ না নিলে সোম হয়তো কিছুটা দেখতে পেত। হেনা জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘আপনি সবসময় রিভালভার নিয়ে যাবেন?’

    ‘সবসময় নয়। এবারই আসার সময় মনে হল সঙ্গে রাখা ভাল।’ সোম হাড় চিবোচ্ছিল।

    ‘এদেশে কোনও রকম আগ্নেয়াস্ত্র সঙ্গে রাখা অপরাধ, ধরা পড়লে দশ বছর জেল।’

    ‘তুমি না ধরিয়ে দিলে পুলিশের সাধ্য নেই আমাকে ধরে।’

    ‘আমাকে আপনি চেনেন না, একটু আগে আলাপ হল, হঠাৎ এত বিশ্বাস হয়ে গেল কি করে?’

    ‘কাউকে কাউকে প্রথম দেখেই এরকম মনে হয়।’

    ‘আপনার রিভলভারটা একবার দেখব?’

    ‘নিশ্চয়ই।’ পাশে রাখা রিভলভারটা সোম তুলে দিল হেনার হাতে। হেনা ওটা নিয়ে উঠে দাঁড়াতেই জঙ্গলে দাঁড়ানো লোকগুলো হেনার মুখ দেখতে পেয়ে স্বস্তি পেল। সোমকে বিস্মিত করে ওরা বেরিয়ে এল সামনে। দেখামাত্র সোম লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়িয়েছিল কিন্তু হেনা বলল, ‘আপনার ভয় পাওয়ার কিছু নেই। এরা আমার বন্ধু।’

    সোমের মুখ শুকিয়ে গিয়েছিল। তার রিভলভার এখন হেনার হাতে। অসহায় চোখে সে লোকগুলোকে দেখল। একজন হেনাকে নিয়ে কিছুটা দূরে সরে গেল। বাকিরা পাথরের মত সোমের সামনে দাঁড়িয়ে। এখান থেকে পালাবার কোনও পথ নেই।’

    যে লোকটা হেনার সঙ্গে কথা বলছে সে উত্তেজিত, ‘তুমি এখানে কেন?’

    ‘গ্রামে ধোঁয়া উঠছিল বলে তোমার গ্রামে যাচ্ছিলাম। ওখানেও গোলমাল মনে হল।’

    ‘হ্যাঁ। আজ সবজায়গায় পুলিশ হানা দিয়েছে। কিন্তু এই লোকটাকে কোথায় পেলে?’

    ‘রাস্তায় আলাপ হল।’

    ‘লোকটাকে তুমি চিনতে পেরেছ?’

    ‘হ্যাঁ। কিন্তু ও নিজেকে ত্রিভুবনের ভাই বলে পরিচয় দিয়েছে। ইন্ডিয়ায় থাকে, ত্রিভুবনের সঙ্গে দেখা করতে চায়। পুলিশ দেখলে ওকে ধরবে বলে শহরে ঢুকতে পারছে না।’

    ‘বাজে কথা, মিথ্যে কথা।’ লোকটা গর্জে উঠল।

    ‘আস্তে কথা বল। ব্যাপারটা যে আমরা জানি তা ওকে বোঝাবার দরকার নেই!’

    ‘কি বলছ তুমি? লোকটা আমাদের ওপর কি অত্যাচার করেছে তা মনে নেই?’

    ‘আছে। কিন্তু মনে হচ্ছে কোনও গোলমাল হয়েছে ওর।’

    ‘কিছুই হয়নি। সব ভাঁওতা। দ্যাখো ওর পেছনে হয়তো পুলিশ আসছে।’

    ‘না। সেটা হলে এতক্ষণে টের পেতাম। আগে ওর সম্পর্কে খবর জোগাড় করো। যদি কোনও গোলমাল না থাকে তাহলে ব্যবস্থা নিতে অসুবিধে হবে না।’

    ‘আমি এখনই পাঠাচ্ছি। কিন্তু ততক্ষণ ও কোথায় থাকবে?’

    ‘তোমাদের গ্রামের কি অবস্থা।’

    ‘অল ক্লিয়ার। পুলিশ চলে গিয়েছে।’

    ‘সেখানেই চলো।’

    হেনা ফিরে এসে সোমের সামনে দাঁড়াল, ‘আপনার রিভলভার দেখে আমার বন্ধুরা খুব নার্ভাস হয়ে গিয়েছে। আমাদের সঙ্গে থাকলে এটার প্রয়োজন আপনার হবে না।’

    সোম একটু মাটি পেল যেন, ঘাত নাড়ল, ‘ঠিক আছে।’

    ‘এরাই আমার বন্ধু। ওদের গ্রাম এখন শান্ত। আপনার গুলির শব্দ শুনে দেখতে এসেছিল। চলুন, ওদের গ্রামে গিয়ে বিশ্রাম করা যাক।’ হেনা এগোল। সোমের সামনে অন্য কোনও পথ খোলা নেই। এরা তাকে কেন চিনতে পারছে না তাই তার মাথায় ঢুকছিল না। অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার হিসেবে সে অনেক অ্যাকশনে নেতৃত্ব দিয়েছে, অনেক অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকেছে। মনে হয় গ্রামের মানুষ বলেই তাকে সাধারণ পোশাকে চিনতে পারছে না। শহরের লোক অনেক বেশি চালাক হয়।

    ওরা একটা পাহাড়ি গ্রামে ঢুকতেই দুটো কুকুর তেড়ে এল। একটা লোক ধমকে তাদের সরিয়ে দিল। আসবার সময় সোম লক্ষ করেছিল হঠাৎ উদয় হওয়া চারজনের মধ্যে একজন তাদের সঙ্গে ফিরছে না। কোথায় গেল লোকটা? জিজ্ঞাসা করতে সাহস হয়নি তার।

    একটু আগে পুলিশ ঘুরে গিয়েছিল বলে গ্রামে উত্তেজনা ছিল। মানুষজন বাইরে দাঁড়িয়ে ওই বিষয়েই আলোচনা করছিল। তারা এদের দেখতে পেল। হেনা মেয়েদের দিকে হাত নাড়ছিল। হঠাৎ একটি প্রৌঢ় চিৎকার করল, ‘ওই যে ওই যে পুলিশ, আমার ছেলেকে মেরেছে, ওকে আমি ছাড়ব না, মার, মার, মার।’ পাগলের মত লাঠি হাতে তেড়ে এল লোকটা।

    হেনার সঙ্গীরা লোকটাকে আটকাল, ‘চাচা নিজেকে শান্ত করো। আমরা কষাই নই। বিনা বিচারে ওকে মারা ঠিক হবে না।’

    কথাটা কানে যেতেই সোমের মেরুদণ্ড কন্‌কন্‌ করে উঠল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }