Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. কোথাও কোনও শব্দ নেই

    ছয়

    কোথাও কোনও শব্দ নেই। এমন নির্জন রাত্রে জ্যোৎস্নার দিকে তাকালেও ভয় ঢোকে মনে। জ্যোৎস্না বলেই গাছের ছায়া ফেলে। আর সেই ছায়ায় ওত পেতে থাকতে পারে মৃত্যু। কিন্তু সোম তো এখানে এসেছে প্রাণের ভয়েই।

    সি-পিকে সে আজ প্রথম দেখছে না। কাউকে বাগে পেলে শেষ করে না দেওয়া পর্যন্ত লোকটা সুখ পায় না। টাকার লোভে সে যখন ফেঁসে গেল তখনই কেন সি-পি তাকে কোট মার্শাল করল না তা মাথায় ঢুকছে না। উল্টে সময় দিয়ে বলেছিল সেই খবর নিয়ে যাওয়া লোকটাকে খুঁজে বের করতে। চিতা নয়, তার ফেউকে খোঁজার দায়িত্ব তার ওপর। অত্যন্ত অপমানকর ব্যাপার। তবু ওই লোকটার সামনে থেকে চলে যাওয়ার সুযোগ পেয়েই সে বেরিয়ে পড়েছিল বলে রক্ষে। মিনিট পাঁচেকের মধ্যে হুকুম পাল্টে তাকে গ্রেপ্তার করার আদেশ জারি হল। এত জলদি মত বদলানো সি-পি-র স্বভাব নয়। চাপ এসেছে নির্ঘাত। তার মানে এখন সোমকে লড়তে হবে অনেকের সঙ্গে। আর ধরা পড়লে সারাজীবন কাটবে পাতালঘরে।।

    বিপদের গন্ধ পেয়েই সোম বেরিয়ে পড়েছে রিভলভার আর গাড়িটাকে নিয়ে। তার একমাত্র বাঁচার পথ হল চিতাকে ধরে নিয়ে যাওয়া। সি-পি অথবা মিনিস্টার খুশি না হয়ে পারবে না। সোম জানে এটা হাতের মোয়া নয়, কিন্তু পথ ওই একটাই। কোথায় যাওয়া যায় চিন্তা করতেই এই বাংলোটার কথা মনে এসেছিল। দিন সাতেক আগে গোপনসূত্রে খবর পেয়ে তল্লাসি চালিয়েছিল সোম বিশেষ বাহিনী দিয়ে। কিছুই পাওয়া যায়নি, বাংলোর মালিক বিদেশে। কেয়ারটেকার বলেছে কেউ এখানে আশ্রয় নেয়নি। সোমের বিশ্বাস লোকটা সত্যি কথা বলেনি। কিন্তু চাপ দিতে পারেনি সে। মাঝে মধ্যে ম্যাডাম এই বাংলোয় বিশ্রাম নিতে আসেন। তখন বিশেষ পাহারার ব্যবস্থা করা হয়। কিছু না পাওয়া যাওয়ায় সি-পি খুব খুশি হয়েছিলেন। খোদ ম্যাডাম যেখানে বেড়াতে গিয়ে থাকেন সেখানে উগ্রপন্থীরা আশ্রয় নেবে এটা নাকি উদ্ভট কল্পনা। সোমের সন্দেহ থাকলেও চুপ করে যেতে হয়েছিল।

    এখন তাঁর পিঠ দেওয়ালে ঠেকে গিয়েছে। হাতে সময় নেই। ধরা পড়লে সি-পি তাকে ছিঁড়ে খাবে। সন্দেহ দূর করতে তাই এই বাংলো দিয়েই খোজ শুরু করা যাক। কী দুর্মতি না তার হয়েছিল, নইলে খবর নিয়ে আসা লোকটাকে তুলে নিয়ে চাঁদি হিলসে গেলে সে আজ বাদে কাল সি-পি হয়ে যেতে পারত।

    চাঁদের গায়ে মেঘ জমছে। রিভলভারটা মুঠোয় নিয়ে সোম সিঁড়ি ভাঙল। সামনের দরজায় তালা বন্ধ। তার মানে এখন বাংলোয় কেউ নেই। কেয়ারটেকারটার তো থাকার কথা। বাংলো ছেড়ে চলে যাওয়াটা তো অস্বাভাবিক ব্যাপার। লোকটা বলেছিল দিনের বেলায় বিশেষ প্রয়োজন হলে সে বাইরে যায়। এই তালাটা লোক দেখানো নয় তো! সোমের মাথায় চিন্তা কিলবিল করছিল। কয়েক পা হাঁটতেই তার চোখে পড়ল ওদিকের একটা দরজা হাট করে খোলা। দীর্ঘকাল পুলিশে চাকরি করায় সোমের অনুমানশক্তি এখন প্রবল হয়ে উঠল। খোলা দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকবে কি ঢুকবে না সে স্থির করতে পারছিল না। দরজার সামনে পৌঁছাতেই তার নাকে গন্ধটা পৌঁছাল। ভেতরে কেউ মরেছে। যে মেরেছে সে ওই দরজা খুলে রেখে পালিয়েছে। এরকম তীব্র গন্ধ নাকে নিয়ে কোনও জীবিত ব্যক্তি বাংলোয় বসে থাকতে পারে না। তার মনে হল যে মরেছে সে যে একটা মানুষ তা দেখা দরকার। এমন তো হতে পারে কুখ্যাত চিতাকেই কেউ খুন করে এখানে রেখে গিয়েছে।

    বুনো ঝোপের আড়ালে গাড়ির ভেতর বসে ওরা দেখল লোকটা রিভলভার উঁচিয়ে ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে। স্বজনের প্রথমে মনে হয়েছিল এই লোকটা বাংলোর মালিক হতে পারে, পরে ওর চালচলন এবং রিভলভার দেখে ধারনাটা পাল্টেছে। খুনি নাকি খুনের জায়গায় একবার ফিরে আসে। এই লোকটাও তাই ফিরে এসেছে। রিভলভার উঁচিয়ে যেভাবে ঘরে ঢুকে গেল তাতে মোটেই শান্তশিষ্ট ভদ্রলোক ভাবার কারণ নেই।

    এই সময় পৃথা বলল, ‘খুনি ফিরে এসেছে।’

    ‘হুঁ। আস্তে কথা বলো।’

    ‘ও যদি আমাদের দেখতে পায় তাহলে শেষ করে দেবে। প্রথমে চিতা, বাইসন, ডেডবডি আবার খুনি। আমার নার্ভ আর সহ্য করতে পারছে না।’

    ‘বুঝতে পারছি। কিন্তু লোকটা যদি আজ রাত্রে না বের হয়, আলো ফুটলেই আমাদের দেখতে পাবে। কিছু একটা করা উচিত।’

    ‘কি করবে? ওর হাতে রিভলভার আছে।’

    হঠাৎ স্বজনের মাথায় মতলবটা এল। লোকটা খুনি হোক বা না হোক মাটির নীচের ঘরে নিশ্চয়ই একবার যাবে। খুনি হলে নিজের চোখকে খুশি করতে আর না হলে গন্ধটা কোথেকে আসছে তা দেখার জন্যে তার মতন নীচে নামবে। কাঠের সিঁড়ি বেয়ে নীচে নেমে গেলে যদি ওপরের দরজাটা বন্ধ করা যায় তাহলে— । কিন্তু লোকটা কখন নীচে নামছে তা এই এতদূর থেকে বোঝা যাবে কি করে? যদি নীচে না গিয়ে বাইরের ঘরে বসে থাকে! স্বজন নড়তে পারল না। এই মুহূর্তে গাড়িতে বসে থাকাটাই নিরাপদ।

    ঘরে আলো জ্বলছে না, সোম সুইচ থেকে হাত সরিয়ে নিল। পকেট থেকে পেন্সিল টর্চ বের করে সে চারপাশে বোলাল। এটা বেডরুম। এখানে একটু আগেও লোক ছিল নইলে বেডকভারটা ওভাবে পড়ে থাকতে পারে না। সে বিছানার ওপর শুকিয়ে যাওয়া রক্তের দাগ দেখতে পেল। চাপা গলায় সোম জিজ্ঞাসা করল, ‘বাংলোয় কেউ আছে? সাড়া না দিলে গুলি খেতে হতে পারে।’

    নিজের কানেই শব্দগুলো অন্যরকম শোনাল। সোম মনে মনে নিশ্চিত, এই বাংলোটা খালি, তবে কেউ একটু আগে ছিল। একটু আগে যে কতটা আগে তা সে ঠাওর করতে পারছিল না। পাশের ঘরে ঢুকে সে আরও নিঃসন্দেহ হল। ফ্রিজ খুলে তখনও ঠান্ডা টের পেল। গন্ধটা কি তাহলে পচামানুষের নয়? কাউকে খুন করে পচিয়ে একসঙ্গে কোনও মানুষ থাকতে পারে? গন্ধের উৎস সন্ধান করতে করতে সোম নীচে যাওয়ার সিঁড়ির মুখটায় পৌঁছে গেল।

    কাঠের সিড়ি। শব্দটা যতটা কম করলে নয় ততটাই করল সোম। এবং এক সময়ে কফিনের ভেতরে শুয়ে থাকা মৃতদেহটিকে আবিষ্কার করল সে। পুলিশ হিসেবে সাধারণ মানুষের চেয়ে একটু কম ভীত হল। মৃত ব্যক্তিটির মুখে আলো ফেলামাত্র সে চমকে উঠল। এই লোকটিকে তার না চেনার কোনও কারণ নেই। সি-পি-র সঙ্গে বিশেষ রকমের জানাশোনা। কদিন এই কফিনে শুয়ে আছে কে জানে কিন্তু শরীরে বিকৃতি এসে গেছে। কফিনের ঢাকনা তুলে বিস্ময়ে দাঁড়িয়েছিল সোম হঠাৎ শব্দ কানে আসতেই আলোটাকে সরাল। গোটা কয়েক ধেড়ে ইঁদুর লাফিয়ে ঢুকে পড়েছে কফিনের মধ্যে। তাড়াতাড়ি ঢাকনাটা নামিয়ে দিয়ে সে ভেবে পাচ্ছিল না ইঁদুরগুলোকে ভেতর থেকে কিভাবে বের করে দেবে! বাবু বসস্তাললের শরীরের সঙ্গে ইঁদুরগুলোকে রেখে এসেছে জানলে সি-পি তাকে দ্বিতীয়বার কোর্ট মার্শালে ঝুলিয়ে দেবেন। তাও না হয় হল, কিন্তু লোকটার কতটা ক্ষতি করতে পারে। এখন কামড়লাওে লাগবে না, অসুখবিসুখ করবে না। হ্যাঁ, ইদুরগুলো বাবু বসন্তলালের শরীরের কিছুটা অংশ খেয়ে ফেলতে পারে। কিন্তু তার আগেই সোম তো পুলিশে খবর দিয়ে দিতে পারে। মৃতদেহের আনাচ কানাচ থেকে ইঁদুর খুঁজে তাড়িয়ে দেওয়ার থেকে সেটা অনেক সহজ।

    ওপরে উঠে এল সোম। বাইরের বারান্দায় পা রেখে সে চারপাশে তাকাল। জ্যোৎস্নার দিকে তাকাবার বিন্দুমাত্র ইচ্ছে হচ্ছে না। এখানে এসেছিল চিতা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনও খবর পাবে বলে, তার বদলে দেখতে পেল বাবু বসন্তলালের শরীর। বোঝাই যাচ্ছে ফোর্স যখন এখানে তল্লাসি করতে এসেছিল তখন মৃতদেহটা ছিল না। অর্থাৎ সাতদিন আগেও বাবু বসন্তলাল বেঁচে ছিলেন। কিন্তু কোথায় ছিলেন? তিনি শহরে এলে হইচই পড়ে যায়। সি-পি ব্যস্ত হয়ে ওঠেন তোষামোদ করতে। মিনিস্টার পার্টি দেন আর ম্যাডাম! ম্যাডাম ওঁর জন্যে সব কিছু করতে পারেন। এই বাংলোয় মাঝে মাঝে বিশ্রামের জন্যে যে ম্যাডাম আসেন তা বাবু বসন্তলালের বাংলো বলেই। বৈদেশিক মুদ্রার একটা বড় অংশ যাঁর হাত ধরে দেশে ঢোকে সেই মানুষটা এখন কয়েকটা ইঁদুর নিয়ে মাটির তলার ঘরে একটা কফিনের মধ্যে শুয়ে শুয়ে পচছে।

    হঠাৎ সোমের খেয়াল হল, এই বাংলোয় টেলিফোন বাজছে। টেলিফোন? এখানে? শব্দটা খুবই আস্তে কিন্তু নির্জন বাংলোয় সেটা শোনার পক্ষে যথেষ্ট। ইস, এইটেই এতক্ষণ মাথায় ছিল না। সোম ছুটল। যেখানে ম্যাডাম বিশ্রাম নিতে আসেন সেখানে টেলিফোন না থেকে পারে? যাক, সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেল।

    অন্ধকার ঘরে শব্দ শুনে টেলিফোনের কাছে পৌঁছে গেল সোম। খপ করে রিসিভার তুলে চিৎকার করল, ‘হ্যালো! হ্যালো!’

    ওপাশের মানুষটি যেন কয়েক সেকেন্ড সময় নিল, তারপর কাটা কাটা স্বরে জিজ্ঞাসা করল, ‘কে কথা বলছ?’

    কে? নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে থমকে গেল সোম। খবরটা সি-পির কাছে পৌঁছে গেলে এখান থেকে আর বের হতে হবে না।

    ‘হ্যালো। কথা বলছ?’

    গলার স্বর যতখানি সম্ভব অশিক্ষিত করে সোম জবাব দিল, ‘আমি এখানে থাকি।’

    ‘ওখানে তো কারও থাকার কথা নয়। নাম কি তোমার?’

    ‘আপনি কে বলছেন?’

    প্রশ্নটা করা মাত্রই লাইনটা কেটে গেল। সোম পুলিশি অভ্যেসে চটপট অপারেটারকে চাইল, ‘হ্যালো, অপারেটার, বাবু বসন্তলালের বাংলো থেকে বলছি। একটু আগে এখানে কোত্থেকে ফোন করা হয়েছিল?’

    অপারেটার সময় নিল। তারপর জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনি কে বলছেন?’

    মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল, ‘আমি অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার সোম বলছি।’

    ‘সরি স্যার, আমি বুঝতে পারিনি। টেলিফোনটা আপনার হেড কোয়াটাস থেকেই করা হয়েছিল। আপনি কথা বলবেন?’ অপারেটারের গলা খুবই বিনীত।

    ‘না, থ্যাঙ্কু।’ রিসিভার নামিয়ে রাখল সোম। যাচ্চলে। লোকটা নিশ্চয়ই সন্দেহ করেছে। করে টেলিফোনে একটা উড়ো সুযোগ নিয়েছে তাকে ধরার। গলাটা যে পুলিশ কমিশনারের নয় তাতে কোনও সন্দেহ নেই। অন্য কাউকে দিয়ে করিয়েছে। সোম দিব্য চোখে দেখতে পেল সেই ছোটখাটো অফিসার ছুটতে ছুটতে পুলিশ কমিশনারকে খবর দিতে যাচ্ছে, স্যার, স্যার, এ সি সোমকে পেয়েছি ওই বাংলোয়। আর সেটা শুনে গোমড়ামুখো ভার্গিস বলছে, ‘লোকটা আর এ সি নয় মূর্খ। ওকে এখনই অ্যারেস্ট করো।’

    অতএব এখনই এখানে ফোর্স এসে যাবে। ওরা এলে বাবু বসন্তলালের মৃতদেহ খুঁজে পেয়ে যা করার তা করবে কিন্তু তার আগেই ওকে এখান থেকে সরে যেতে হবে। সোম বাইরে বেরিয়ে এল। চাঁদ এখন প্রায় মেঘের আড়ালে। কোথায় যাওয়া যায়? পুলিশের গাড়ি নিয়ে বেশিদূরে গিয়েও কোনও লাভ নেই। ওই গাড়ির জন্যেই তাড়াতাড়ি ধরা পড়তে হবে। আবার গাড়ি ছাড়া এই রকম পাহাড়ি অঞ্চলে বেশিদূর পর্যন্ত যাওয়াও সম্ভব নয়। অন্তত নীচের রাস্তা পর্যন্ত তো যাওয়া যাক, ওরা আসার আগেই এই জায়গা ছাড়া উচিত। সে গাড়ির দিকে পা বাড়াতেই আচমকা কাছাকাছি গাড়ির হর্ন বেজে উঠেই থেমে গেল। প্রচণ্ড চমকে গেল সোম। তাড়াতাড়ি রিভলভার হাতে সতর্ক ভঙ্গিতে দাঁড়াল। ওরা এর মধেই এসে গেল! ইম্পসিবে্‌ল। অবশ্য এমনও হতে পারে আগে ফোর্স পাঠিয়ে পরে ফোন করিয়েছে সি-পি। ধরা পড়লে নিস্তার নেই। গাড়ি আসার পথের দিকে সতর্ক চোখে তাকিয়ে পিছু হটতে লাগল সে। কোনমতে ওই ঝোপের মধ্যে ঢুকে পড়লে এখান থেকে সরে পড়া অসম্ভব হবে না।

    পাশ ফিরতে গিয়ে কনুই-এর চাপ লাগায় হর্ন বেজে উঠেছিল। আঁতকে ফিরে তাকিয়েছিল পৃথা, স্বজনের মনে হয়েছিল আত্মহত্যা করা হয়ে গেল। পৃথা চাপা গলায় বলল, ‘কি হবে এখন?’

    মনে মনে হাজারবার সরি বললেও কিছুই বলা হবে না। কিন্তু ওরা অবাক হয়ে দেখল যাকে এতক্ষণ খুনি বলে মনে হচ্ছিল সেই লোকটা নির্ঘাত ভয় পেয়েছে। পায়ে পায়ে পিছিয়ে আসছে এদিকেই। আর একটু এলেই তাদের দেখতে পেয়ে যাবে লোকট, পিছন ফিরলেই। স্বজন বুঝতে পারল না হর্ন এদিকে বাজা সত্ত্বেও লোকটা উল্টোদিকে তাকাচ্ছে কেন? কিন্তু এভাবে গাড়ির মধ্যে বসে থেকে লোকটার মুখোমুখি হওয়ার কোনও মানে হয় না। সে পৃথাকে চাপা গলায় বলল, ‘চলো নামি। ধরা পড়তেই হবে।’

    ‘ধরা পড়ব বলছ কেন? আমরা কি কিছু করেছি?’ পৃথা প্রতিবাদ করল।

    সঙ্গে সঙ্গে সোমকে অবাক হয়ে এদিকে তাকাতে দেখা গেল। মানুষের গলার স্বর স্পষ্ট তার কানে পৌঁছেছে। এবং সেটা তার পেছনের বুনো ঝোপ থেকে এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই। অর্থাৎ তাকে ঘিরে ফেলেছে ওরা।

    সোম খুব নার্ভাস গলায় জিজ্ঞাসা করল, ‘কে, কে ওখানে?’

    স্বজন পৃথার দিকে তাকাল। লোকটার চেহারার মধ্যে রুক্ষত থাকলেও গলার স্বরে, হাবভাবে সেটা একদম নেই। সে গলা তুলল, ‘রিভলভারটা ফেলে দিন।’

    সোম বুঝল তার সন্দেহ মিথ্যে নয়। এখন বীরত্ব দেখানো মানে বোকামি করা, সেটা তার চেয়ে বেশি কে জানে। সে রিভলভার মাটিতে ফেলে দিতেই স্বজন ঝোপের আড়াল থেকে হুকুম করল, ‘গুনে গুনে আট পা পিছিয়ে যান।’

    অগত্যা সোম আদেশ পালন করল। তাকে খুব অসহায় দেখাচ্ছিল।

    পৃথা অবাক হয়ে দেখছিল। এবার বলল, ‘লোকটা খুনি নয়।’

    দরজা খুলে বের হচ্ছিল স্বজন, ‘কেন?’

    ‘খুনিরা এমন সুবোধ হয় না।’

    স্বজন কোনও কথা না বলে একদৌড়ে ঝোপ থেকে বেরিয়ে এসে মাটিতে পড়ে থাকা রিভলভারটা তুলে নিয়ে সোমের দিকে তাকাল।

    জীবনে এত বিস্মিত সোম কখনই হয়নি। স্বজনকে ভাল করে বোঝার আগেই সে দেখল এক সুন্দরী তরুণী ঝোপ থেকে বেরিয়ে আসছে। এরা কখনই পুলিশ নয়। কোনও বাহিনী তাকে ঘিরে ধরেনি, মাত্র দুটি অল্পবয়সী ছেলেমেয়ে বোকা বানিয়েছে দেখে সে নিজের ওপর এমন রেগে গেল যে চিৎকার করে বলে উঠল, ‘ধ্যাত!’

    রিভলভার হাতে স্বজন হকচকিয়ে গেল, ‘কি হল?’

    ‘তোমরা কারা?’ সোম প্রশ্ন করার সময়ে ভাবল লাফিয়ে পড়বে কিনা।

    ‘ভদ্রভাবে কথা বলুন। আমাদের তুমি বলার কোনও অধিকার আপনার নেই।’

    ‘সরি। আসলে পুলিশে চাকরি করে করে— !’ সোম থিতিয়ে গেল।

    ‘আপনি পুলিশ?’ স্বজন অবাক।

    ‘হ্যাঁ, আজ বিকেল পর্যন্ত ছিলাম। আপনারা এখানে কি করছেন।’

    স্বজন পৃথার দিকে তাকাল। মেয়েরা মানুষ চেনে হয়তো, এই লোকটা খুনি নাও হতে পারে। সে বলল, ‘আমরা শহরে যাচ্ছিলাম। এখানে আমাদের গাড়ির তেল ফুরিয়ে যায়। একটা চিতা আমাদের আক্রমণ করে। ফলে বাধ্য হয়ে এই জায়গায় আটকে আছি।’

    ‘ব্যাপারটা যদি গল্প হয় তাহলে আপনাদের কপালে দুঃখ আছে।’ বেশ পুলিশি গলায় ঘোষণা করল সোম।

    ‘আমি একজন ডাক্তার।’

    ‘আচ্ছা। গাড়িটা কোথায়?

    স্বজন বুনো ঝোপটাকে দেখাল। সোম বুঝতে পারছিল এদের থেকে ভয়ের কিছু নেই। তবু জিজ্ঞাসা করল, ‘বাংলোর ভেতরে গিয়েছেন?’

    ‘হ্যাঁ। ওখানে একটি মানুষ মরে পড়ে আছে।’

    ‘লোকটাকে চেনেন?’

    ‘কি করে চিনব? এই অঞ্চলে এর আগে আসিনি।’

    ‘কিন্তু ওই লোকটাকে খুনের অভিযোগে আপনাকে যদি ধরা হয়?’

    ‘টিকবে না। লোকটা মারা গিয়েছে তিনদিনের বেশি আগে। গত পরশুও আমি এখান থেকে কয়েকশো মাইল দূরে অপারেশন করেছি।’

    হঠাৎ সোমের খেয়াল হল। আর দেরি করা উচিত নয়। সি-পি যদি তাকে ধরার জন্যে ফোর্স পাঠিয়ে থাকে তাহলে—সে বলল, ‘রিভলভারটা দিন।’

    স্বজন বলল, ‘আপনি কে তা না জেনে এটা দেব না।’

    ‘আমি পুলিশের অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার ছিলাম। ট্র্যাপে পড়ায় আজ থেকে আমার চাকরি নেই। যার জন্যে এই দুরবস্থা তাকে খুঁজতে এখানে এসেছিলাম। লোকটাকে খুঁজে বের করতে না পারলে আমাকে বিনা দোষে শাস্তি পেতে হবে। দিন রিভলভারটা, আমাকে এখান থেকে এখনই চলে যেতে হবে।’ হাত বাড়াল সোম। এই সময় পৃথা জিজ্ঞাসা করল, ‘কাকে খুঁজছেন আপনি?’

    ‘লোকে তাকেও চিতা বলে ডাকে। সশস্ত্র বিপ্লবের মাধ্যমে দেশের ক্ষমতা বদল করতে চায়। কিছুতেই তাকে ধরা যাচ্ছে না।’ সোম এগিয়ে এসে রিভলভারটা নিয়ে পৃথার দিকে তাকাল, ‘আপনারা স্বামীস্ত্রী?’

    পৃথা বলল, ‘যদি নাও হই তাতে আপনার কি এসে যাচ্ছে।’

    ‘অ।’ নিজের গাড়ির দিকে এগিয়ে যেতে হঠাৎ থমকে গেল সোম। সোজা ফিরে গেল বুনো ঝোপের কাছে।’ এবার গাড়িটাকে দেখতে পেল। পুলিশের গাড়ি নিয়ে বেশি দূর যাওয়া সম্ভব নয় কিন্তু এটাকে তো ব্যবহার করা যেতে পারে। অবশ্য যে অবস্থায় গাছের গায়ে আটকে আছে—!

    সে স্বজনকে ডাকল, ‘হাত লাগান, গড়িটাকে তুলি।’

    ওরা গাড়িটাকে, হালকা গাড়ি বলেই, তুলতে পারল। নিজের গাড়ি থেকে একটা দড়ি নিয়ে এসে মারুতির সামনের অংশে বেঁধে বলল, ‘আপাতত এখান থেকে চলুন।’

    স্বজন নিজের গাড়িতে বসল। পৃথা উঠতে যাচ্ছিল তার আগে কিন্তু সোম ডাকল, ‘ওখানে কষ্ট করে বসতে যাচ্ছেন কেন, এখানে চলে আসুন।’

    পৃথা জবাব না দিয়ে মারুতিতেই বসল। সামনের গাড়ির টানে এবার মারুতি বাংলো ছেড়ে এগিয়ে যাচ্ছে। স্বজন বলল, ‘লোকটা ডাকল, গেলেই পারতে।’

    পৃথা বলল, ‘আশ্চর্য! লোকটাকে চিনি না, যা বলছে তা সত্যি কিনা কে জানে!’

    গাড়িতে শব্দ হচ্ছে। দরজাগুলোর অবস্থা কাহিল। ওরা জঙ্গলের পথে উঠে এল। পেছনে গাড়ি বাঁধা থাকলে যে-গতিতে গাড়ি চালাতে হয় তার চেয়ে ঢের জোরে চলেছে সোম। লোকটা ভাঁওতাবাজ অথবা খুনি যাই হোক না কেন এই ভয়ঙ্কর বাংলো থেকে ওর কল্যাণে বেরিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে, এটাই সত্যি।

    প্রাইভেট লেখা বোর্ড পার হয়ে নীচের পিচের রাস্তায় পড়ে সোমকে ডান দিকে বেঁকতে দেখল স্বজন। আশ্চর্য! ডানদিক কেন? ওদিকে তো সমতলে যাওয়ার পথ। তাদের উঠতে হবে বাঁদিক দিয়ে, ওপরে। সে হর্ন বাজাল লোকটাকে থামাবার জন্যে। কিন্তু সোম তা কানেই নিল না। বেশ কিছুটা যাওয়ার পর সামনের গাড়ি থেমে গেলে স্বজন ব্রেক চাপল। সোম নেমে এল গাড়ি থেকে। তার হাতে একটা সরু পাইপ। বলল, ‘আপনার গাড়ির চাবিটা দিন তো?’

    ‘কেন?’

    ‘পেট্রল ক্যাপটা খুলব। ওই গাড়ির পেট্রল এখানে চালান দেব।’ সোম হাসল, ‘পেট্রল পেটে পড়লেই তো ইনি চালু হবেন?’

    ‘হ্যাঁ তাই মনে হয়। কিন্তু পেট্রল ট্যাঙ্ক লিক্‌ হয়ে গিয়েছে আসার সময়।’

    সোম মারুতিটাকে দেখল। নিজের গাড়ি থেকে কিছু যন্ত্রপাতি এবং সাবান বের করে মারুতির সিট সরিয়ে কাজে লেগে গেল। কিছুক্ষণ পরে সোম বলল, ‘মনে হয় ম্যানেজ করেছি, দেখা যাক।’

    ওরা দেখল দুটো গাড়িকে পাশাপাশি দাঁড় করিয়ে সোম খানিকটা মুখ দিয়ে টেনে এ গাড়ি থেকে ওই গাড়িতে পেট্রল যাওয়ার পথ তৈরি করে দিল।

    স্বজন জিজ্ঞাসা করল, ‘কত তেল আছে আপনার গাড়িতে?’

    ‘সরকারি তেল, হিসেব করে তো কেউ খরচ করে না।’

    ‘দেখবেন আপনারটা না একদম খালি হয়ে যায়।’

    ‘খালি করার জন্যেই তো এই ব্যবস্থা’।

    স্বজন প্রথমে কথাটার মানে বুঝতে পারেনি। তেল যখন আর এল না তখন সোম বলল, ‘দেখুন তো আপনার গাড়ি ঠিক আছে কিনা।’

    স্বজন ইঞ্জিন চালু করে দেখল গাড়ি এত ঝড় সামলেও মোটামুটি ঠিকই আছে। এবার সোম তাকে ডাকল, ‘আমার নাম সোম। আপনার নামটা জানা হয়নি।’

    ‘আমি স্বজন আর ও পৃথা।’

    ‘বাঃ ভাল নাম। আপনারা আমার সঙ্গে হাত লাগিয়ে গাড়িটাকে ঠেলুন।’ সোম নিজের গাড়ির স্টিয়ারিং ঘোরাল। ওরা গাড়িটাকে ঠেলতেই সেটা বাঁক নিয়ে এগিয়ে চলল খাদের দিকে। সোম দাঁড়িয়ে পড়তেই স্বজন চিৎকার করল, ‘সর্বনাশ, আপনার গাড়ি তো খাদে পড়ে যাবে।’

    সোম মাথা নাড়ল, ‘আমি তাই চাই।’

    সঙ্গে সঙ্গে গাড়িটাকে নীচে চলে যেতে দেখল ওরা। অনেক নীচে গাছেদের মাথায় আছড়ে পড়তেই সোম ঘুরে দাঁড়াল, ‘আপনি আমার গাড়িতে ওঠেননি, আমাকে আপনাদের গাড়িতে উঠতে দিতেও কি আপনার আপত্তি আছে পৃথাদেবী?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অঁতোয়ান দ্য সাঁত-এক্সুপেরি
    অনন্যা পাল
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অনীশ দেব
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক দত্ত
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুর রহমান আল-আরিফি
    আবদুল হালিম
    আব্দুল মালেক আলী আল-কুলাইব
    আব্দুল হামীদ ফাইযী
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভট্টাচার্য
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বাণ রায়
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পরিমল ভট্টাচার্য
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিয়োদর দস্তইয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাসরুর আরেফিন
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রণদীপ নন্দী
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রশীদ করীম
    রাজর্ষি দাশ ভৌমিক
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রাফিক হারিরি
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শওকত আলী
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শহীদুল্লা কায়সার
    শাক্যজিৎ ভট্টাচার্য
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শৈবাল মিত্ৰ
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রীপারাবত
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সন্মাত্রানন্দ
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমীরণ গুহ
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সরোজকুমার রায়চৌধুরী
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুণ্ড
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুব্রত গুহ
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সেলিনা হোসেন
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৈয়দ শামসুল হক
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বপ্নময় চক্রবর্তী
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হরিশংকর জলদাস
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026
    Our Picks

    মানবজমিন – শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    কড়িখেলা – সঙ্গীতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 7, 2026

    নীললোহিতের চোখের সামনে – নীললোহিত (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)

    August 7, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }