Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. সেপাইরা গাড়িটাকে ঘিরে ফেলল

    আট

    সেপাইরা গাড়িটাকে ঘিরে ফেলল। প্রত্যেকেই অস্ত্র উঁচিয়ে রেখেছে। নির্দেশ পাওয়ামাত্র গুলি ছুটবে। ভার্গিস চুরুট চিবোতে চিবোতে গাড়িটার পাশে গিয়ে দাঁড়ালেন, ‘রাস্তায় নেমে আসতে হবে।’

    স্বজন পৃথার দিকে তাকাল। এত কাণ্ডের পরে শহরে ঢুকে এ রকম অভ্যর্থনা কপালে জুটবে তা ওরা ভাবতে পারেনি। পৃথার মুখ শুকিয়ে গিয়েছিল। কোনওরকমে দরজা খুলে স্বজন আগে নামল, পৃথাকে নামতে সাহায্য করল। তারপর ভার্গিসের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘আমরা এই শহরে এইমাত্র ঢুকেছি। কিন্তু আপনারা যেভাবে আমাদের ঘিরে ধরেছেন তাতে মনে হচ্ছে আমরা অপরাধী।’

    ‘এত রাত্রে এই শহরে কোনও ভূদ্রমানুষ আসে না। পরিচয়টা কি?’

    ‘আমি একজন ডাক্তার। ইনি আমার স্ত্রী।’

    ‘যে কেউ যখন ইচ্ছে এমন পরিচয় দিতে পারে। লিখিত প্রমাণ কিছু আছে?’

    স্বজন আবার গাড়ির ভেতর মাথা গলিয়ে নিজের ড্রাইভিং লাইসেন্সটা বের করে ভার্গিসকে দিল। দিয়ে বলল, ‘এই জিনিসটা যে কেউ যখন ইচ্ছে তৈরি করিয়ে রাখতে পারে।’

    ‘আচ্ছা।’ ভার্গিস ছোট চোখে স্বজনকে দেখলেন, ‘শরীরে দেখছি চমৎকার তেল আছে। আমার এখানে ওই তেল বের করে নেবার যন্ত্র নেই এমন ভেবো না ডাক্তার। আমি এখানকার সি পি, কথা বলবে বুঝেসুঝে। গাড়িটার এই হাল হল কি করে?’

    ‘অ্যাকসিডেন্ট হয়েছিল।’

    ভার্গিস গাড়িটাকে পাক দিয়ে এলেন, ‘মিথ্যে কথা বলার অপরাধে তোমাকে গ্রেপ্তার করা হল। কাল সকালে এক প্রস্ত কথাবার্তা বলার পর সিদ্ধান্ত নেব।’

    ‘কি বললেন? আমি মিথ্যে কথা বলছি?’ প্রায় চিৎকার করে উঠল স্বজন।

    একশো বার, অ্যাকসিডেন্টে গাড়ির একটা দিক আঘাত পায়। এ গাড়ির কোনও দিকই বাকি নেই। তুমি কি আমাকে নির্বোধ মনে করছ? তোমার এই টিনের বাক্সটাকে চারপাশ থেকে ঘিরে ধরে আঘাত করা হয়েছে। কোন অ্যাকসিডেন্টে এমন হয়?’ ভার্গিস সেপাইদের ইশারা করতে তাদের দুজন এগিয়ে এসে স্বজনকে ধরে ফেলল। ভার্গিস এবার পৃথার সামনে দাঁড়ালেন, ‘ম্যাডাম। আমি অত্যন্ত দুঃখিত। এই মুহূর্তে আমরা এমন এক উদ্বেগে আছি যে কোনও ঝুঁকি নিতে পারি না। তবে যেহেতু আপনি একজন মহিলা এবং সুন্দরী তাই এই শহরে আপনি নিরাপদ যতক্ষণ আপনি রাষ্ট্রবিরোধী কোনও কাজ না করছেন। আপনি ইচ্ছে করলে আমাদের রেস্ট হাউসে যেতে পারেন অথবা কোনও ঠিকানা থাকলে সেখানে পৌঁছে দেওয়া যেতে পারে।’

    এতক্ষণে যেন নিজেকে ফিরে পেল পৃথা, ‘আমার স্বামীকে আপনি গ্রেফতার করছেন কেন?’

    ‘শুনতেই পেয়েছেন কেন ওকে আমার প্রয়োজন। এই শহরে রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত কিছু মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমাকে নিঃসন্দেহ হতে হবে যে আপনার স্বামী তাদের দলে নেই।’

    ‘আমরা যদি সেইরকম কেউ হতাম তা হলে কি এমন প্রকাশ্যে রাস্তায় ঘুরে বেড়াতাম?’

    ‘আপনার সঙ্গে কথা বলে সময় নষ্ট করতে চাই না ম্যাডাম। আপনারা কোথায় যাচ্ছিলেন?’

    ‘টুরিস্ট লজে।’

    ‘ওখানে কি জায়গা পাবেন?’

    ‘আমাদের জন্যে ঘর বুক করা আছে।’

    ‘আচ্ছা! শহরে আসার উদ্দেশ্য কি?’

    ‘আমরা বেড়াতে এসেছি।’

    ‘সেটা সত্যি হলে আমি খুশি হব। চলুন, আপনাকে পৌঁছে দিয়ে আসছি।’ ভার্গিস ইশারায় নিজের গাড়ি দেখালেন। পৃথা মাথা নাড়ল, ‘না আমরা একসঙ্গে যাব। আমি আবার বলছি ওকে মিছিমিছি সন্দেহ করছেন। ও একজন বিখ্যাত ডাক্তার। বিদেশেও কাজ করেছে।’

    ভার্গিস এ-কথায় কান দিলেন না। তাঁকে অনুসরণ করে সেপাইরা স্বজনকে জোর করে টেনে নিয়ে জিপে তুলল। বেরিয়ে যাওয়ার আগে ভার্গিস চিৎকার করলেন, ‘এখান থেকে সোজা পাঁচ মিনিট এগিয়ে গেলেই টুরিস্ট লজ দেখতে পাবেন। গুডনাইট।’

    একটি সুন্দরী মহিলাকে এমন সময়ে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে যাওয়া ভার্গিসের পক্ষেই সম্ভব, হায়দার মনে মনে বলল। পুরো দৃশ্যটা সে দেখেছে আড়াল থেকে। দেখতে দেখতে যে সন্দেহটা মনে আসছিল তা শুধু ওই মহিলার উপস্থিতিতেই গোলমাল হয়ে যাচ্ছিল। ডাক্তারের আসার কথা একা। আর ওই গাড়িটার দিকে তাকালে শুধু অ্যাকসিডেন্ট হয়েছে শুনলে কিছুই শোনা হয় না। কোনও গাড়িকে এমন উদ্ভট চেহারা নিয়ে চলতে হায়দার কখনও দেখেনি। তাই ভার্গিস সন্দেহ করে ভুল করেনি।

    পৃথা চুপচাপ দাঁড়িয়ে ছিল। এমন একটা ঘটনা ঘটবে তা সে কল্পনা করতে পারেনি। যে পুলিশ অফিসারকে ওরা মাঝরাস্তায় নামিয়েছিল তাকে দেখেই কেমন অস্বস্তি হয়েছিল। লোকটা তাদের সাহায্য না করলে বাংলো থেকে বের হওয়া মুস্কিল হত বলেই উপেক্ষা করতে পারেনি। আজকের রাতটা খুব খারাপ, একই সঙ্গে এতগুলো বিপদ তার কল্পনার বাইরে। ভোর হতে আর দেরি নেই। পৃথা ঠিক করল সে কোথাও যাবে না। এই ভাঙাচোরা গাড়ির মধ্যে সে অনেক নিরাপদ বোধ করবে আলো ফোটা পর্যন্ত। তারপর এখানকার পুলিশ-হেডকোয়াটার্সে যাবে স্বজনের খোঁজ নিতে। সে যখন ড্রাইভিং সিটের দিকে এগোচ্ছে তখনই লোকটাকে দেখতে পেল। খুবই সন্তর্পণে রাস্তার পাশের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসছে।

    পৃথার হৃৎপিণ্ড যেন লাফিয়ে উঠল। লোকটা কে? নির্জন রাজপথে একটা উদ্দেশ্যেই এরা এগিয়ে আসে। কিন্তু যেহেতু মানুষটা একা সে সহজে আত্মসমর্পণ করবে না। গাড়ির ভেতরে পা বাড়াবার সময় তার কানে এল, ‘নমস্কার ম্যাডাম। আপনি আমাকে শত্রু ভাববেন না।’

    ‘আপনি কে?’ প্রায় চিৎকার করে উঠল পৃথা।

    ‘আমি এই শহরেই থাকি। পুলিশের নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার জন্যে জনসাধারণকে সংঘবদ্ধ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। আপনার স্বামীকে কমিশনার সাহেব যেভাবে গ্রেপ্তার করল তা আমি দেখেছি। আপনি যে ভেঙে পড়েননি তার জন্যে ধন্যবাদ।’ হায়দার বলল।

    ‘আপনার নাম?’

    ‘নাম বললে আপনি চিনতে পারবেন না ম্যাডাম। আচ্ছা, শুনলাম আপনার স্বামী ডাক্তার। উনি কি এখানে কোনও বিশেষ কাজে আমন্ত্রিত হয়ে এসেছেন, না যা বললেন, বেড়াতেই আসা!’

    ‘আমি জানতাম বেড়াতেই আসছি, কিন্তু— ।’

    ‘শেষ করুন।’

    ‘আজ রাত্রে জানতে পারলাম ওঁর কিছু কাজ এখানে’।

    ‘টুরিস্ট লজে আপনাদের জন্যে রুম কে বুক করেছিল?’

    ‘আমি জানি না।’

    ‘বেশ। আপনি আমাকে বিশ্বাস করতে পারেন, ডাক্তারসাহেবকে আমরাই আমন্ত্রণ জানিয়েছি। কিন্তু ওঁর বয়স এত অল্প তা আমার জানা ছিল না। এখনই ভোর হবে, আপনি কি টুরিস্ট লজে গিয়ে বিশ্রাম করবেন? এখানে কেন অপেক্ষা করবেন?’

    ‘আমি সকাল হলে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে যাব।’

    ‘নিশ্চয়ই যাবেন। কিন্তু সকাল নটার আগে সেখানে কেউ কথা বলবে না। আপনি টুরিস্ট লজে চলুন। ডাক্তারসাহেবের নাম বললে ওরা ঘর খুলে দেবে।’

    পৃধা গাড়িতে বসে স্টার্ট দেবার চেষ্টা করল। শব্দ করে কেঁপে উঠল গাড়িটা, একটুও এগোল না। হয় তেল শেষ হয়ে গেছে নয়তো—! প্রচণ্ড বিরক্ত হয়ে রাস্তায় নেমে পৃথা বলল, ‘এই গাড়িতে সমস্ত জিনিসপত্র পড়ে আছে— ।’

    ‘দামি জিনিস কিছু থাকলে সঙ্গে নিয়ে যান।’ হায়দার বলল।

    পৃথা হায়দারকে দেখল। এতক্ষণ কথা বলে তার মনে হয়েছে লোকটা আর যাই হোক চোর-ছ্যাঁচোড় নয়। লোকটা ঠিক কি তা না বুঝতে পারলেও সে ব্যাগটা তুলে নিল। তারপর জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনি আমার সঙ্গে আসবেন?’

    ‘না ম্যাডাম। এতক্ষণ বেশ ঝুঁকি নিয়েছি আমি। এরপর প্রকাশ্য রাজপথে হেঁটে গেলে আর দেখতে হবে না। কিন্তু আপনি নিশ্চিন্তে যান, কোনও বিপদ হবে না।’

    ‘আপনারা কি বিদ্রোহী?’

    ‘আমরা অত্যাচারিত। ও হ্যাঁ, অনুগ্রহ করে কমিশনারসাহেবকে আমার কথা বলবেন না। তাতে আপনার স্বামীর বিপদ আরও বেড়ে যাবে।’ হায়দার দ্রুত ফুটপাথে চলে এল। পলক ফেলার আগেই পৃথার মনে হল হারিয়ে গেল লোকটা।

    একদিকে স্বজন অন্যদিকে নিজের নিরাপত্তার দুশ্চিন্তা নিয়ে মিনিট পাঁচেক হাঁটার পর টুরিস্ট লজটাকে দেখতে পেল পৃথা। এখনও রাস্তার আলো নেভেনি। লজের দরজায় পৌঁছে বেল বাজাতেই সেটা খুলে দিল দারোয়ান গোছের একজন, ‘গুডমর্নিং ম্যাডাম।’ ‘আমাকে বলা হয়েছে এখানে আমাদের জন্যে ঘর বুক্‌ড আছে। আমার স্বামী ডাক্তার—।’

    কথা শেষ করতে দিল না লোকটা, ‘আসুন ম্যাডাম। সাত নম্বর ঘর আপনাদের জন্যে তৈরি রাখা আছে। আমি এইমাত্র টেলিফোনে জানতে পারলাম আপনি একাই আসছেন।’

    হাঁ হয়ে গেল পৃথা, ‘টেলিফোন করল কে?’

    দারোয়ান হাসল, ‘এ নিয়ে আপনি চিন্তা করবেন না। আপনাকে ঘরে পৌঁছে দিয়ে আমি জিনিসপত্রগুলো গাড়ি থেকে নিয়ে আসব। আসুন।’

    ঘরটা সুন্দর। রাস্তার ধারেই। দোতলার জানলায় দাঁড়িয়ে ভোরের আকাশ দেখল পৃথা। দু-একজন মানুষ এখন রাস্তায়। টুপ করে রাস্তার আলো নিভে গেল। স্বজনকে ওরা কেন ধরে নিয়ে গেল? শুধুই যদি তারা এখানে বেড়াতে আসত তাহলে কি এমনটা হত? পৃথার মনে হল তার কাছে অনেক কিছু লুকিয়েছে স্বজন। ওই বিপ্লবী কথা-বলা লোকটা, টুরিস্ট লজে পৌঁ ছানোর আগেই তার সম্পর্কে খবর দিয়ে টেলিফোন আসা—এই সবই রহস্যময়। আর এই রহস্যের সঙ্গে স্বজন জড়িয়ে আছে। কক্ষনো এর বিন্দুবিসর্গ সে জানত না। স্বজন তাকে কেন জানায়নি? আজ যদি ওর কোনও বিপদ হয় তবে তার ফল তো তাকেই বইতে হবে। ওরা যদি স্বজনকে না ছাড়ে? হৃৎপিণ্ড যেন মুচড়ে উঠল পৃথার। না, সে একটুও ঘুমাতে পারবে না। সকাল ন’টা পর্যন্ত তাকে অপেক্ষা করতে হবে। এই শহর যতই সুন্দর হোক কোনও দিকে তাকাবে না সে।

    দরজায় শব্দ হল। চমকে পেছন ফিরে তাকিয়ে পৃথা জিজ্ঞাসা করল, ‘কে?’

    ঘরে আলো জ্বলছে। দারোয়ান দরজা খুলে সুটকেসগুলো একপাশে নামিয়ে রাখল। তারপর জিজ্ঞাসা করল, ‘চা এনে দেব ম্যাডাম?’

    ‘চা!’ কি বলবে বুঝতে পারছিল না পৃথা।

    লোকটা মাথা নাড়ল। দরজার দিকে যেতে যেতে হঠাৎ ফিরে দাঁড়াল, ‘আমি ঠিক সময়ে পৌঁছে গিয়েছিলাম ম্যাডাম। নইলে এগুলো আর পাওয়া যেত না।

    ‘কেন?’

    ‘ওগুলোকে নিয়ে যখন ফিরছি তখন আওয়াজ হতে ঘুরে দেখলাম কেউ অথবা কারা আপনাদের গাড়িতে আগুন-ধরিয়ে দিয়েছে। ওপাশের ব্যালকনিতে গেলে কিছুটা টের পাবেন’। দারোয়ান চলে গেল।

    ভোর রাতে বিছানায় শুয়েও ভার্গিসের ঘুম আসছিল না। একসময় তাঁর মনে হল বেঁচে থাকলে এই জীবনে অনেক ঘুমানো যাবে। কিন্তু তাঁর হাতে এখন যে কয়েক ঘন্টা বেঁচে আছে তা ঘুমিয়ে নষ্ট করার কোনও মানে হয় না। আকাশলালকে তার চাই। একটা সূত্র দরকার। ইতিমধ্যে তিনি এই শহরের টেলিফোন সিস্টেমকে সতর্ক করে দিয়েছেন। কাল সকাল নটায় আকাশলাল যেখান থেকেই তাঁকে টেলিফোন করুক না কেন তাঁর বাহিনী সেখানে তিন মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাবে। ওটা শেষ সুযোগ। এই টেলিফোনটা কি কারণে তা তিনি বুঝতে পারছেন না। লোকটা নির্বোধ নয়। যে ব্যবস্থা তিনি নিয়েছেন তা যে নেবেনই লোকটার অজানা নয়। তাহলে? বিছানা ছেড়ে উঠে বসে ভার্গিসের দৃঢ় বিশ্বাস হল লোকটা আগামীকালের উৎসবটাকে কাজে লাগাতে চাইছে। কিন্তু কিভাবে কাজে লাগাবে, সেইটে জানা দরকার। যদি কোনও ভাবে আগামীকালের উৎসবটাকে বাতিল করে দেওয়া যেত। এ ক্ষমতা একমাত্র মিনিস্টারের আছে। না, মিনিস্টারকেও বোর্ডের কাছে অনুমতি নিতে হবে। মিনিস্টারকে রাজি করাতে পারেন ম্যাডাম। ভার্গিস ঘড়ি দেখল। এখন যদি তিনি ম্যাডামকে টেলিফোন করেন তাহলে আর দেখতে হবে না।

    টেলিফোন বাজল। ছোঁ মেরে রিসিভার তুললেন তিনি, ‘হ্যালো!’

    ‘স্যার, যে কোনও অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটলে আপনাকে জানাতে হুকুম করেছেন বলে বিরক্ত করছি।’ ডেস্কের অফিসারের বিনীত গলা কানে এল।

    ভার্গিসের নাক ঘোঁত শব্দটি তৈরি করল, ‘বলো, বলে ফেল।’

    ‘আজ শেষ রাত্রে যে গাড়িটাকে আপনি আটকেছিলেন সেটা আগুনে পুড়ছে।’

    ‘তার মানে?’

    ‘আমরা আসামিকে নিয়ে চলে আসার পর গাড়িটাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

    ‘লোকটার বউ ওখানে ছিল?’

    ‘না স্যার। তিনি টুরিস্ট লজের সাত নম্বর ঘরে আছেন। তাঁর জিনিসপত্রও সেখানে। আমরা এইমাত্র সব চেক করে আপনাকে খবর দিলাম।’

    ‘খবর দিলে। ইডিয়ট। আগুনটা নেভানোর কথা মাথায় ঢুকল না। নিশ্চয়ই ওই গাড়িতে এমন কোনও ক্লু ছিল যা আমার হাতে পড়ুক ওরা চায় না। দমকল গিয়েছে?’

    ‘হ্যাঁ স্যার।’

    রিসিভার রেখে দিলেন ভার্গিস। নিজেকে নিতান্ত গর্দভ বলে মনে হচ্ছিল তাঁর। নিশ্চয়ই এই ডাক্তার লোকটার সঙ্গে ওদের যোগাযোগ আছে। গাড়ি থেকে প্রমাণ সরিয়ে ফেলা সম্ভব নয় বলে ওরা আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। ইস, তখন যদি একবার সন্দেহ হত!

    পোশাক পরতে পরতে ভার্গিস ইন্টারকমে নির্দেশ দিলেন স্বজনকে তাঁর চেম্বারে নিয়ে আসার জন্যে। এখন তাঁকে বেশ উত্তেজিত দেখাচ্ছিল। স্বজনকে জেরা করে খবর বের করতে তাঁর একটুও অসুবিধে হবে না। কত ডেডিকেটেড বিপ্লবীর বারোটা তিনি বাজিয়ে ছেড়েছেন, এ তো এক বিদেশি ছোকরা। নিজের চেম্বারে ঢুকে জানলার বাইরে ভোরের আকাশ দেখলেন ভার্গিস। আহা, মনে হচ্ছে ভাগ্য তাঁর সহায় হচ্ছে।

    নিজের চেয়ারে বসে স্বজনকে ঘরে ঢুকতে দেখলেন তিনি। যারা ওকে এখানে এনেছে তারা দরজার বাইরে হুকুমের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রইল। ভার্গিস লক্ষ করলেন। ছিমছিমে এক সাধারণ চেহারার যুবক। তাঁর হাতের একটা চড় খেলে অজ্ঞান হয়ে যাবে। কিন্তু প্রথমেই তিনি শক্তি প্রয়োগ করবেন না বলে ঠিক করলেন, ‘বসুন।’

    স্বজন টেবিলের উল্টোদিকের চেয়ারে বসল, ‘আমি তীব্র প্রতিবাদ করছি।’

    ‘আমি হলেও করতাম।’ গম্ভীর মুখে ভার্গিস জিজ্ঞাসা করলেন, ‘চা না কফি?’

    ‘আমার কিছুই চাই না। আমাকে কেন ধরে এনেছেন?’

    ‘নিশ্চয়ই কারণ আছে। আপনি চা না খেলে আমি কি এক কাপ খেতে পারি?’

    ‘যা ইচ্ছে করুন আপনি। আমার স্ত্রী কোথায়?’

    ‘তিনি এখন টুরিস্ট লজের সাত নম্বর ঘরে বিশ্রাম নিচ্ছেন।’

    ‘আমি কি করে বিশ্বাস করব?’

    ভার্গিস ইন্টারকমে চা দিতে বললেন, এক কাপ। তারপর টুরিস্ট লজের সাত নম্বর ঘরের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিতে বললেন। তারপর স্বজনের মুখের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘গাড়িতে কি ছিল?’

    ‘কি ছিল মানে?’

    ‘আমি সরল প্রশ্ন করছি, গাড়িতে কি ছিল?’

    ‘যা থাকে। সুটকেস।’

    ‘ওগুলো নামিয়ে নেওয়ার পরে তাহলে আগুন ধরিয়ে দিতে হল কেন?’

    ‘সে কি?’ চমকে উঠল স্বজন, ‘আমার গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে?’

    ‘হ্যাঁ। কেন?’

    ‘কে ধরাল।’

    ‘প্রশ্নটা আপনাকে আমি করছি।’

    ‘বিশ্বাস করুন আমি জানি না। এই শহরে আমার কোনও শত্রু আছে বলে জানা ছিল না।’

    ‘কাজটা শত্রুরা করেনি, আপনার বন্ধুরাই করেছে।’

    ‘বন্ধুরা?’

    ‘হ্যাঁ। কোনও বিশেষ প্রমাণ লোপ করে দিয়ে তারা আপনাকে বাঁচাতে চায়।’

    ‘বাজে কথা! আমার গাড়িতে তেমন কিছুই ছিল না।’

    এইসময় টেলিফোন বাজল। ভার্গিস সাড়া দিলেন প্রথমে, তারপর বললেন, ‘ম্যাডাম, আপনার স্বামীকে বলুন আমরা আপনার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছি কি না!’ রিসিভারটা স্বজনের হাতে তুলে দিলেন তিনি।

    রিসিভার কানে চেপে ধরে স্বজন বেশ উত্তেজিত হয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘হ্যালো, পৃথা?’

    ‘হ্যালো।’ পৃথার গলা।

    ‘কেমন আছ তুমি? কোথায় আছ?’

    ‘টুরিস্ট লজে। তুমি কখন ছাড়া পাচ্ছ!’

    ‘জানি না। আমাকে বিনা দোষে ওরা ধরে নিয়েছে পৃথা!’

    ‘তাই?’

    ‘তার মানে?’ চিৎকার করে উঠল স্বজন।

    সঙ্গে সঙ্গে হাত থেকে রিসিভার কেড়ে নিলেন ভার্গিস। লাইনটা কেটে দিতেই বেয়ারা চা নিয়ে ঢুকল। স্বজনের দিকে না তাকিয়ে মন দিয়ে কাপে দুধ চিনি মেশালেন তিনি। এই সময় একজন অফিসার তাঁকে একটা কাগজ দিয়ে গেল। চেয়ারে বসে চা খেতে খেতে কাগজটায় চোখ বোলালেন ভার্গিস, ‘আপনার স্ত্রী দেখছি একদমই ইনোসেন্ট।’

    মাথা ঠিক ছিল না স্বজনের। সে ভার্গিসের দিকে তাকাল।

    ‘আপনাকে আমরা বিনাদোষে ধরে নিয়ে এসেছি শুনে তিনি একটাই শব্দ উচ্চারণ করেছেন, তাই? এছাড়া তিনি আর কি বলতে পারতেন?’

    স্বজন বুঝল পৃথার সঙ্গে তার টেলিফোনের সংলাপগুলো ওই কাগজে লেখা আছে। সে সামান্য ঝুঁকে বলল, ‘আপনাকে স্পষ্ট বলছি এমন কোনও অন্যায় আমি করিনি যাতে আমি অপরাধী হতে পারি।’

    ‘আকাশলালের সঙ্গে আপনার পরিচয় আছে?’

    ‘কে আকাশলাল?’

    চোখ বড় করে ভার্গিস একবার স্বজনকে দেখে নিয়ে চা শেষ করলেন। তারপর বললেন, ‘এই অসময়ে আপনি শহরে এলেন কেন?’

    ‘বললাম তো রাস্তায় দৃর্ঘটনা হয়েছিল।’

    ‘কোথায়?’

    ‘জায়গাটা আমি চিনি না। আমার গাড়ির পেট্রল ট্যাঙ্কে লিক হয়ে যায়। আমরা বাধ্য হই একটা বাংলোয় আশ্রয় নিতে। সেখানে চিতা বাঘের পাল্লায় পড়ি। ওই জন্তুটার আক্রমণে গাড়ির চেহারা অমন হয়েছিল।’

    ‘কোন বাংলো?’

    স্বজন যতটুকু পারে সঠিক বর্ণনা দিল। ভার্গিস বললেন, ‘বাবু বসন্তলালের একটা বাংলো ওদিকে আছে। তার সঙ্গে আপনার বর্ণনা মিলছে। কিন্তু চিতার গল্পটা একটা বাচ্চাছেলেও বিশ্বাস করবে না। ঠিক আছে, ওখানে কে ছিল?’

    ‘কেউ না। চিতার হাত থেকে বাঁচার জন্যে আমরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকি!’

    ‘কেয়ারটেকার?’

    ‘না, কেউ ছিল না। বাড়িটার নীচে একজনের মৃতদেহ পচছে কফিনে।’

    ‘গুড গড। কার মৃতদেহ?’ সোজা হয়ে বসলেন ভার্গিস।

    ‘আমি চিনি না।’

    ‘ওখান থেকে আবার গাড়ি সরিয়ে এলেন কি করে?’

    ‘আমাদের পরেই একজন এক্স পুলিশ অফিসার ওখানে যান। তিনিই সাহায্য করেছেন।’

    ভার্গিসের মুখ শক্ত হয়ে গেল। ইন্টারকমে তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘সোমকে খুঁজতে যে সার্চ পার্টি গিয়েছিল তারা কি ফিরে এসেছে?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }