Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. উৎসবে যোগ দিতে আসা মানুষ

    তেরো

    দুপুরেই শহরটার অনেকখানি উৎসবে যোগ দিতে আসা মানুষে ভরে গেল। এবার শহরের সব রাস্তায় যেতে দেওয়া হচ্ছে না তাদের। বিগ্রহ থাকবে যে মাঠে সেখানেই ভিড়টা বেশি। উৎসব শুরু হতে এখনও চব্বিশ ঘণ্টা বাকি। যতই চিতার পোস্টার পুলিশ ছড়িয়ে দিক, রাজনৈতিক উত্তেজনার চেয়ে ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের প্রতি আগ্রহ গ্রামের মানুষের মনে প্রবল। কৌতূহলের ব্যাপার হল শুধু বিশেষ এক ধর্মের মানুষ নয়, উৎসবের আকর্ষণ অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদেরও কিছু কম নয়। অন্যান্য বছর এই উৎসবে প্রচুর বিদেশিদের দেখা যেত। এবছর সেটি বন্ধ করা হয়েছে। ভারতবর্ষের মানুষদের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে আজ ভোর থেকে।

    ডেভিডের পক্ষে পুলিশকে এড়িয়ে রাস্তায় হাঁটা মুশকিল। ওয়ারেন্ট তালিকায় তার নাম তিন নম্বরে। এখন দীর্ঘদিন আন্দোলন থিতিয়ে থাকবে। আকাশলাল যে পরিকল্পনা নিয়েছে তা যদি শেষ পর্যন্ত সফল হয় তাহলে অন্তত তিন মাস তাকে ঘরের ভেতর আটকে থাকতে হবে। আর এই তিন মাস দেশের বাইরে সরে যেতে হবে তাদের। পরিকল্পনা সফল হতে অবশ্যই পুলিশ আর ঝামেলা বাড়বে না। পুলিশ অসতর্ক হয়ে পড়লেই চূড়ান্ত আঘাত হানতে হবে। এসব ব্যাপার সম্ভব হবে অনেকগুলো যদি ঠিকঠাক চলে। ডেভিডের মনে এই কারণেই স্বস্তি নেই। অথচ আকাশলালকে বাদ দিয়ে আন্দোলনের কথা এই মুহূর্তে চিন্তা করা যায় না। কেউ অপরিহার্য নয় কথাটা শেষ পর্যন্ত সত্যি হলেও সময়বিশেষে মেনে নেওয়া যায় না। এটা সেই সময়।

    গাছতলায় কিছু মানুষ তিনটে পাথরে হাঁড়ি চাপিয়ে কিন্তু ফুটিয়ে নিচ্ছে। ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে গল্প করছে কেউ কেউ। পুরুষদের সঙ্গে নারীরাও এসেছে। ডেভিড বসে গেল এই দলে। তার পোশাক এখন একজন দেহাতি খেতে খাটা মানুষের মতন।

    যে লোকটির পাশে সে বসেছিল তার কোলে একটি শিশু ঘুমোচ্ছে। বাচ্চাটার দিকে তাকিয়ে ডেভিড বলল, ‘বাঃ, খুব ভাগ্যবান ছেলে তো।’

    লোকটা অবাক হয়ে তাকাল, ‘কি দেখে ভাগ্যবান মনে হল?’

    ডেভিড হাসল, ‘তোমার ছেলে নিশ্চয়ই?’

    ‘অন্যের ছেলে কোলে নিয়ে আমি বসে থাকব নাকি। গ্রামে হলে এ দৃশ্য দেখতে পেতে না। শহরে এসে বউয়ের ডানা গজিয়েছে, তাই একঘণ্টা একে সামলাতে হচ্ছে।’

    ‘ডানা গজিয়েছে মানে?’

    ‘ওই যে চুড়ির দোকান, ফুলের দোকান, ওখানে গিয়েছে।’

    ‘তাই বলো। তোমার ছেলের ভুরু দেখেছ? জোড়া ভুরু। এ ছেলের কপালে অনেক যশ আছে।’

    ‘আর যশ!’ লোকটা মুখ তুলে পোস্টার দেখাল যেখানে আকাশলালের ছবির সঙ্গে পুরস্কারের ঘোষণা রয়েছে, ‘ওই তো কত নাম হয়েছে, কিন্তু কি হল?’

    ডেভিড হাসল, ‘তোমার ছেলে বড় হলে ওই রকম নাম করুক তা চাও না?’

    ‘না। আমি চাইব পুলিশ যেন আমার ছেলেকে না মেরে ফেলে !’

    ডেভিড মাথা নাড়ল, ‘ঠিক ঠিক। তবে শুনেছি লোকটা নিজের জন্যে কিছুই করছে না।’

    লোকটা সন্দেহের চোখে তাকাল, ‘তুমি কে হে? একথা আজ সবাই জানে।’

    বোকার অভিনয় করল ডেভিড। মাথা নাড়ল তারপর বিড়ি বের করে লোকটাকে একটা দিয়ে নিজেও ধরাল। টুকটাক গল্প করে একসময় উঠে পড়ল সে। এই হল জনসাধারণ। সবাই আকাশলালকে পছন্দ এবং শ্রদ্ধা করে, কিন্তু কেউ ওর সঙ্গে পথে নেমে জীবন বিপন্ন করতে চায় না। আকাশলাল নিজের জীবন দিয়ে স্বাধীনতা এনে দিলে ওরা সেটা আরাম করে ভোগ করবে, এইরকম বাসনা। গত কয়েকবছরে মানসিকতা একটুও পালটাল না। মাঝে মাঝে হতাশ হয় সে। আকাশলালকে একথা বলেছেও। আকাশ মাথা নেড়েছে, ‘এখন ওরা একথা বলছে বটে কিন্তু যখন সত্যিকারের লড়াই শুরু হবে তখন দেখবে এরা এইসব কথা ভুলে ঝাঁপিয়ে পড়বে আমাদের সঙ্গে। অত্যাচার আমাদের যেমন কষ্ট দেয় ওদেরও তেমনি। তাই না?’

    কে কাকে বোঝাবে? এখন আর পিছিয়ে যাওয়ার কোনও পথ নেই।

    ডেভিড ভিড় কাটিয়ে ধীরে ধীরে চলে এল শহরের একপাশে। আজ রাস্তায় দু’ পা যেতেই পুলিশের পাহারা। কবরখানার গেটে পুলিশ নেই বটে কিন্তু রাস্তায় প্রায়ই জিপ পাক খাচ্ছে। সে শরীরটাকে একটু একটু করে দুমড়ে নিল। এই মুহূর্তে তাকে দেখলে প্রতিবন্ধী ছাড়া কিছু মনে হবে না। শরীরটাকে বাঁকিয়ে চুরিয়ে সে রাস্তায় শুয়ে পড়ল। তারপর এমন ভাবে গড়াতে লাগল যাতে স্পষ্ট মনে হবে একটি প্রতিবন্ধী মানুষ প্রাণপণে চেষ্টা করছে রাস্তা পার হতে। সেপাই ভর্তি জিপ যাচ্ছিল সামনে দিয়ে। দেখে ওদের দয়া হল। জিপটা থামল। দুটো সেপাই ডেভিডকে চ্যাংদোলা করে রাস্তা পার করে দিল। ডেভিড সেখানে পড়ে রইল, যতক্ষণ না জিপটা চোখের আড়ালে চলে যায়। সে শুয়ে শুয়েই গালে হাত বোলাল। অযত্নে রাখা দাড়ির জঙ্গল তার মুখটাকে অচেনা রেখেছিল সেপাইদের কাছে।

    আশেপাশে তাকিয়ে নিয়ে সে গড়িয়ে গড়িয়েই রাস্তার এপাশে চলে এল। তারপর ধীরে ধীরে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে কবরখানার গেটে চলে এল। আজও সেখানে রোজকার মত ফুলের দোকানটা রয়েছে। ফুল কিনল ডেভিড। তারপর বিমর্ষ মুখে ঢুকে পড়ল কবরখানায়। লম্বা গাছগুলোর ফাঁকে ফাঁকে শুয়ে আছে এই শহরের কত মৃত ব্যক্তি। কোথাও আগাছা বেরিয়ে ঢেকে দিয়েছে স্মৃতিবেদি। ডেভিড চলে এল শেষ প্রান্তে। এই জায়গাটা অপেক্ষাকৃত বেশি জঙ্গলে ভরা। প্রথম স্মৃতিফলকে লেখা আছে সুরজলাল, জন্ম ১৯০৮, মৃত্যু ১৯৬০। পাশেরটা সুরজলালের স্ত্রীর। সুরজলালের ছেলে চন্দ্রলাল শুয়ে আছে খানিকটা দূরে। তার স্ত্রীর মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে এখানে কবর দেওয়া যায়নি। এই কবরগুলোর অবস্থান, একটার থেকে আর একটার দূরত্ব ডেভিডের মুখস্থ। সে পাশের খালি জমিটার দিকে তাকাল। চন্দ্রলালের বংশধর আকাশলালের জন্যে ওই জমিটুকু বরাদ্দ। ডেভিড সেখানে গিয়ে দাঁড়াল। আশেপাশের ঘাস, জঙ্গল নিটোল রয়েছে। কোথাও বিকৃতির চিহ্নমাত্র নেই। জমিটার গায়েই কবরখানার পাঁচিল। শ্যাওলাধরা, অনেক পুরনো। তারপরেই বড় রাস্তা। রাস্তার ওপাশে পুরনো দিনের কিছু অট্টালিকা।

    ‘ভাইসাব!’

    ডাক শুনে ডেভিড তাকাল। কবরখানার বুড়ো চৌকিদার তার দিকে তাকিয়ে। একে সে দেখে আসছে বাল্যকাল থেকে। তার নিজের ঠাকুর্দা, বাবা মা এবং বোনের মৃত্যুর সময় তাকে এখানে আসতে হয়েছে। না, ঠিক হল না কথাটা, বাবা মা এবং বোনের মৃতদেহ নিয়ে সে এখানে আসতে পারেনি। ভার্গিসের কুকুরগুলো ওত পেতে ছিল তার জন্যে। তারা ভেবেছিল সে নিশ্চয়ই আসবে। ভাবাবেগের জন্য একটা প্রতিজ্ঞা নষ্ট করতে চায়নি বলেই সে আসেনি। তারপর যে কয়েক বার এখানে এসেছে, তার কোনও বারই সে ওদের কবরের দিকে পা বাড়ায়নি। গত কয়েকমাসে যখনই এসেছে সে তখন গভীর রাত। এ তল্লাটে মানুষ নেই। বুড়ো চৌকিদারটা বোধহয় চোখে কম দেখে, তাই সন্ধের পর নিজের ঘর ছেড়ে টহলে বের হয় না। এসব খবর আগাম পেয়েছিল সে।

    ‘জি।’ এগিয়ে এল ডেভিড চৌকিদারের সামনে।

    ‘আপনার হাতে ফুল কিন্তু এখনও আপনি কাউকে শ্রদ্ধা জানালেন না।’ বুড়ো চৌকিদার দেহাতি ভাষায় ধীরে ধীরে কথাগুলো বলল।

    সজাগ হল ডেভিড, ‘হ্যাঁ। কিন্তু কাকে দেব তা ভেবে পাচ্ছি না।’

    চৌকিদার অবাক হল। তার ভাঁজপড়া মুখে ঘোলা চোখ স্থির, ‘আপনি ফুল নিয়ে এসেছেন অথচ আপনার কোনও প্রিয়জন এখানে শুয়ে নেই?’

    ‘ঠিক তা নয়। এখানে যারা শুয়ে আছেন তাঁদের মধ্যে যিনি সবচেয়ে দুঃখ পেয়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে গিয়েছেন তাঁকেই ফুলটা দেব ভেবেছিলাম।’

    চৌকিদার হাসল, ‘যারা চলে যায় তাদের তো দুঃখ থাকে না, যারা আরও কিছুদিনের জন্যে থেকে যায় তারাই দুঃখে জ্বলে পুড়ে মরে। আপনি যেখানে দাঁড়িয়েছিলেন সেখানে কারও কবর নেই। কিন্তু আমরা জানি খুব শিগগির ওখানে একটা কবর খোঁড়া হবে। রোজ সকালে উঠে আমি প্রার্থনা করি দিনটা যেন আজকের দিন না হয়।’

    ‘কার কবর খোঁড়া হবে?’

    ‘ওই যে দেখুন, সুরজলাল, ওখানে চন্দ্রলাল শুয়ে আছেন। চন্দ্রলালের ছেলে আকাশলালকে ধরতে পারলে পুলিশ যে পুরস্কার ঘোষণা করেছে তা আজ একটা শিশুও জানে। এত টাকার লোভ মানুষ বেশিদিন সামলাতে পারবে না। আজ নয় কাল সে ধরা পড়বেই। ধরা পড়লে ওকে মেরে ফেলা ছাড়া পুলিশের কোনও উপায় নেই। তখন ওরা ওকে এখানে নিয়ে আসবে কবর দিতে।

    ‘ধরা পড়ার আগে আকাশলালরা যা করতে চাইছে তা যদি করে ফেলে!’ প্রশ্নটা করে ডেভিড বুড়োর মুখ খুঁটিয়ে দেখল। সামান্য কি আলো ফুটল সেখানে? নিজের মনেই মাথা নেড়ে বুড়ো হাঁটতে লাগল সরু পথ দিয়ে। হয়তো ও নিজেই বিশ্বাস করতে পারল না কথাটা।

    বিশ্বাস তো ডেভিড নিজেও করতে পারছে না। সে আর একবার আকাশলালদের পারিবারিক জমি থেকে পাঁচিলের দূরত্বটা ভাল করে দেখে নিল। আকাশলালকে সে কথা দিয়েছে সব ঠিক আছে। হ্যাঁ, এখন পর্যন্ত সব ঠিকই আছে।

    যদি পরিকল্পনা ব্যর্থ হয় তাহলে সব শেষ হয়ে যাবে। আকাশলালকে হাতে পেলে তাদের কব্জা করতে বেশিদিন দেরি হবে না। হায়দারকে বুঝতে পারে না ডেভিড। এত বেশি ঝুঁকি নিয়ে বাইরে যাওয়া তার মোটেই পছন্দ নয়। কিন্তু হায়দার তার পরামর্শ কানে তুলছে না। ডাক্তারটাকে তুলে নিয়ে এসেছে ভাল কথা, কিন্তু ডাক্তারের বউটাকে আনার কি দরকার ছিল। তাকে তো ইন্ডিয়ায় পাঠিয়ে দিলেই হত! হঠাৎ এক এক সময় তার মনের মধ্যে অন্য এক ইচ্ছের সাপ ছোবল মারে। যদি শেষ পর্যন্ত সবই ভেস্তে যায় তাহলে এত খেটে মরা কেন? দেশের স্বাধীনতা আনব বলে এই যে ঝাঁপিয়ে পড়া এও তো একটা ভাবাবেগ থেকেই। আকাশলালকে হাজার বোঝালেও সে বুঝবে না এখন। নইলে কোনও পাগলও অমন ঝুঁকি নেয় না। তাহলে?

    এখন চেকপোস্টে যতই কড়া পাহারা থাক ইচ্ছে করলে সীমানা পেরিয়ে ডেভিড হয় ইন্ডিয়া নয়তো ভুটানে চলে যেতে পারে। এই দুই দেশের জনস্রোতের মধ্যে মিশে গেলে বাকি জীবনটা কাটিয়ে দেওয়া এমন কোনও অসুবিধের ব্যাপার নয়। কিন্তু যদি যেতে হয় তাহলে একেবারে খালি হাতে যাবে কেন? আজ যদি সে টেলিফোন তুলে খবরের কাগজকে জানিয়ে দেয় আকাশলাল কোথায় আছে, তাহলে ভার্গিস তাকে পুরস্কারের টাকা দিতে বাধ্য।

    কথাটা ভাবতেই সমস্ত শরীরে কাঁটা ফুটল ডেভিডের। পৃথিবীটা দুলে উঠল। এ কী ভাবছে সে! চোখ বন্ধ করে নিশ্বাস ফেলল জোরে। মনের ভেতর ফণা তুলতে যাওয়া সাপটা কুঁকড়ে গুটিয়ে গেল আচমকা। ভার্গিস তাকে টাকা দেবেই। কিন্তু সেই টাকা বাকি জীবন ধরে তাকে গুনে যেতে হবে জেলখানার অন্ধকারে বসে। ডেভিড জোরে জোরে পা চালাল। হঠাৎ খেয়াল হতে হাতের ফুলগুলো ছুঁড়ে দিল দুপাশে।

    রাস্তায় না নেমে ফুটপাথ ধরে সাবধানে পাঁচিলের পেছনে চলে গেল ডেভিড। তারপর দু-পকেটে হাত ঢুকিয়ে মাথা নিচু করে হনহনিয়ে রাস্তাটা পার হল। সামনেই তিনচারটে ওষুধের দোকান। এই ব্যাপারটা নিয়ে সে অনেক ভেবেছে। কবরখানার পেছনে কেন ওষুধের দোকান খুলেছিল লোকগুলো। আশেপাশে তো হাসপাতালও নেই। সে ওষুধের দোকানগুলোর পাশের গলিতে ঢুকে পড়ল। গলির মুখে যে সিগারেটের দোকানদার বসে আছে সে মাথা ঝাঁকাল। অর্থাৎ সব ঠিক আছে। দু-পা যেতেই দুজন ভবঘুরে মার্কা মানুষ ফুটপাথে বসে তাস খেলতে খেলতে তার দিকে তাকিয়ে চোখ ফিরিয়ে নিল। এরা সবাই পাহারায় আছে। বাড়িটা তিনতলা। বছর দশেক আগে এই বাড়ির বাড়িওয়ালা কাউকে বাড়িটা বিক্রি করেছিল। সেই ক্রেতা এখানে এসে পাকাপাকি না থেকে ভাড়া দিয়েছে— লোকে এমনটাই জানে। বেল বাজাল ডেভিড। দুবার অনেকক্ষণ ধরে। তারপর দরজা খুলল। মোটাসোটা একজন প্রৌঢ়া বিরক্ত মুখে দরজা খুলে বললেন, ‘ও, তুমি!’

    ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে ডেভিড জিজ্ঞাসা করল, ‘কোনও অসুবিধা হচ্ছে না তো? অবশ্য হলেও আর মাত্র দুটো দিন।’

    ‘হচ্ছে না মানে? কোথাও পা রাখতে পারছি না। কোনও ঘরের দরজা বন্ধ করা যাচ্ছে না। মনে হচ্ছে বাড়িটা যে-কোন মুহূর্তে ভেঙে পড়বে।’ প্রৌঢ়া গজগজ করতে করতে একটা চেয়ারে গিয়ে বসলেন।

    ‘আর দুটো দিন। তারপর যদি বাড়িটা ভেঙে পড়ে পড়ুক।’

    ‘তা তো বলবেই। তোমরা তো কোথাও বাস করো না। বাস করলে জানতে সেখানে একটা মায়া আপনা থেকে তৈরি হয়ে যায়। প্রথমে তিনতলায় যেতে পারতাম, জানলা খুললেই একটা পুকুর চোখে পড়ত। একসময় সেটা বন্ধ হল। তারপর দোতলায় যেতে পারতাম, রাস্তাটা চোখে পড়ত অন্তত। তা সেটাও বন্ধ হল। এখন এই একটা ঘর আর বাথরুম ভরসা।’

    ‘আমি জানি আপনি অনেক কষ্ট করছেন। বললাম তো, আজ আর কাল। আপনাকে কাল বিকেলেই এই বাড়ি থেকে চলে যেতে হবে।’

    ‘আমার কিন্তু কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। এ পাড়ায় সবাই জানে আমার স্বামী প্রচুর টাকা রেখে গেছে বলে এত বড় বাড়ি ভাড়া নিয়েছি, কিন্তু তিনি যে কিছুই রেখে যাননি তা আমার চেয়ে বেশি কে জানে!’

    ‘আমরা জানি যে আপনার কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। কাল বিকেলে যখন উৎসবে যোগ দিতে আসা মানুষেরা ফিরে যাবে তখন আমাদের কেউ আপনাকে পৌঁছে দেবে একটা গ্রামে। সেখানে আপনি ভালই থাকবেন।’ ডেভিড বলল।

    ‘ভাল থাকব? আমি কিসে ভাল থাকব তা আমার থেকে তুমি বেশি জানো? আমি ছেলের সঙ্গে কথা বলব। তাকে বুঝিয়ে বললে সে ঠিক বুঝবে।’

    ‘বেশ তো, আমাকেই বলুন না কিসে আপনার অসুবিধে?’

    ‘কেন? ছেলের সঙ্গে আমাকে কথা বলতে দিচ্ছ না কেন?’

    ‘আপনি জানেন আপনার ছেলেকে পুলিশ খুঁজছে। আপনি গেলে যদি আপনার পেছন পেছন পুলিশ হাজির হয় তাহলে তাকে আর বাঁচানো যাবে?’

    ‘কি? আমি পুলিশ সঙ্গে নিয়ে যাব?’ চিৎকার করে উঠলেন প্রৌঢ়া।

    ‘আমি ওকথা একবারও বলিনি। কিন্তু পুলিশকে বিশ্বাস নেই। আপনি তো চান। আকাশলাল সুস্থ থাকুক। চান না?’

    ‘নিশ্চয়ই চাই। সে বলেছে বলেই এখানে পচে মরছি। তাকে পেটে ধরিনি বটে কিন্তু আমাকে তো সে মা বলে ডেকেছে।’

    ‘বেশ। তাহলে কাল দুপুরেই আপনি রেডি থাকবেন।’ ডেভিড উঠে পড়ল। এই প্রৌঢ়ার সঙ্গে কথা বলে গেলে দিন ফুরিয়ে যেতে সময় লাগবে না।

    গলি দিয়ে সে আরও ভিতরে হাঁটতে লাগল। বড় রাস্তা এড়িয়ে এভাবে অনেকটা যেতে পারবে সে। দুই পকেটে হাত, মুখ মাটির দিকে। দেখলে মনে হবে সমস্যাপীড়িত সাধারণ মানুষ। এই বুড়িটার কাছে এলেই তার নিজের মায়ের কথা মনে পড়ে যায়। যখন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল এবং আকাশলাল ওকে আবিষ্কার করে ওই বাড়িতে ভাড়াটে হিসেবে বসিয়েছিল তখনই ডেভিডের মনে হয়েছিল একথা। ওর বাবা ছিলেন স্কুলের হেডমাস্টার। বই আর ছাত্রদের পড়াশুনা ছাড়া কিছুই জানতেন না। স্কুলটা ছিল সরকারি এবং মাইনেপত্র ঠিক সময়ে পেতেন না। আর এই নিয়ে দুশ্চিন্তাও ছিল না মানুষটার। সংসার চালাতেন মা। তিনি ছিলেন অমনি মোটাসোটা ভালমানুষ। মাসের বেশ কয়েকটা দিন তাঁকে না খেয়ে থাকতে হত সবাইকে খাবার জুগিয়ে। তবু তিনি রোগা হননি। হয়তো মোটা থাকা একধরনের অসুখ ছিল তাঁর। বাবা ছাত্রদের বোঝাতেন পৃথিবীতে সততার কোনও বিকল্প নেই। অন্যায়ের প্রতিবাদ যে মানুষ করে না তার নিজেকে মানুষ বলে ভাবার কোনও কারণ নেই। কিছু ছাত্রের অভিভাবক এইসব কথাবার্তা পছন্দ করল না। তারা খুব সহজেই সরকারিমহলে জানিয়ে দিল হেডমাস্টার বিপ্লবী তৈরি করতে সাহায্য করে যাচ্ছেন। অল্পবয়সী ছেলেদের তিনি সরকার-বিরোধী করে তুলছেন। ডেভিড তখন স্কুলের শেষ ধাপে। রবিবারে গিজায় যায়, খাবার টেবিলে বসে যে কোনও খাবার পেলেই যিশুকে উৎসর্গ করে তবে খায় বাবামায়ের পাশে বসে। ওর বোন লিজা ছিল ভারী মিষ্টি। পনের বছর বয়সেই সুন্দরী হিসেবে পাড়ায় সে বেশ পরিচিত হয়ে গিয়েছিল। বাবার কাছে পাওয়া শিক্ষা ওই বয়সে ডেভিডের চোখ খুলে দিয়েছিল। পুলিশি শাসন ব্যবস্থার তাণ্ডব যে কতখানি মারাত্মক তা সে একটু আলাদা করে বুঝতে আরম্ভ করেছিল। আর এই সময় সমভাবনার কিছু মানুষের সঙ্গে তার আলাপ হয়। এইসব মানুষ প্রতিবাদ করতে চায়। তখন ভাবনাটা ছিল এইরকম যে, প্রতিবাদটা ঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে পারলেই যেন শাসকশ্রেণী তাদের আচরণ পালটে ফেলবে। এক রাত্রে ডেভিড তার বাবার মুখোমুখি হয়। সে সোজাসুজি বলে, ‘আপনি আমাদের যে শিক্ষা দিচ্ছেন তা কি আমি জীবনের সবক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে পারি?’

    বাবা বলেছিলেন, ‘যা সত্য তা সবসময়ই সত্য। ক্ষেত্র বদল হলেও তার কোনও পরিবর্তন হয় না। পরিবর্তন যে করে সে সুযোগসন্ধানী।’

    তারপর আর সে থেমে থাকেনি। আন্দোলনে যোগ দিয়েই তাকে বাড়ি থেকে পালাতে হয়েছিল। আর তখনই আকাশলালের সঙ্গে আলাপ। আকাশ তখন ছিল একজন সাধারণ সৈনিক। কিন্তু ওপরতলার নেতৃত্বের সঙ্গে তার সংঘাত শুরু হয়ে গিয়েছিল। কোনও রকম আপস সে মেনে নিতে পারত না। আর সেই মানসিকতাই তাকে ধীরে ধীরে নেতৃত্বের শীর্ষবিন্দুতে নিয়ে গেল। সেই সময় ঘটে গেল ব্যাপারটা।

    এই শহরের অন্যতম ধনী বিধবা সুন্দরীকে সবাই ম্যাডাম বলে ডাকে। তিনি শাসনযন্ত্রের শরিক নন অথচ তাঁর অঙ্গুলিহেলনে এ রাজ্যে সবকিছু হয়ে যেতে পারে। ম্যাডামের ভাইয়ের ছেলে গেীতম তাঁর কাছেই মানুষ। কুড়ি বছরের একটা ছেলে যত রকমের উজ্জ্বলতা সম্ভব সবই আয়ত্ত করেছিল। রোজ ওর নামে নালিশ আসত। থানায় অভিযোগ করলে অফিসাররা ডায়েরি লিখতেন না। শহরের কোনও খবরের কাগজ এসব ছাপতে সাহস পেত না। যেহেতু দল তখন সরাসরি সরকার-বিরোধী কাজকর্মে ব্যস্ত ছিল তাই গৌতমকে নিয়ে চিন্তা করার সময় ছিল না। সেইসময়ে ডেভিড খবর পেল গৌতম তার বোনকে জিপে করে তুলে নিয়ে গিয়েছে উত্তরের পাহাড়ে। সেখানে সরকারি বাংলো আছে ঝিলের ধারে। খবর পাওয়া মাত্র ডেভিড ছুটেছিল দুজন সঙ্গী নিয়ে। গৌতমের পক্ষে তখনও সম্ভব হয়নি বোনকে অধিকার করা। কিন্তু ডেভিড ওর পাহারাদারদের অতিক্রম করতে পারেনি। মাঝরাত্রে লোকগুলো বোনের মৃতদেহ নিয়ে এসে ফেলে গেল বাইরে। চিৎকার করে বলে গেল, ‘এই হল বেআদবির শাস্তি। ব্যাপারটা সবাই যেন মনে রাখে।’

    প্রতিজ্ঞা করেছিল ডেভিড, গৌতমকে জ্যান্ত সেখান থেকে ফিরতে দেবে না। কথা রেখেছিল সে। পরদিন যখন গৌতম এবং তার তিন সঙ্গীর গাড়ি ফিরছিল তখন পাহাড়ে সোজাসুজি লড়াইয়ে নেমেছিল তারা।

    গৌতমের মৃত্যুর খবর পৌঁছানো মাত্র অদ্ভুত ব্যাপার ঘটল। একজন অফিসারের নেতৃত্বে কয়েকজন সেপাই বাড়িতে হামলা চালাল। বাবা এবং মায়ের মৃতদেহ বাড়ির সামনে শুইয়ে দিয়ে তারা চলে গিয়েছিল। মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছিল ডেভিডের। আকাশলাল না থাকলে সেই সময় সে হয়তো আত্মহত্যাই করত। আকাশলাল তার কাঁধ জড়িয়ে ধরে বলেছিল, ‘তরবারির ফলায় হাত রাখলে কেটে যায় ডেভিড, ওকে কব্জা করতে হলে তার হাতল ধরতে হয়। সেই সময় না আসা পর্যন্ত ধৈর্য ধরতে হবে আমাদের। তার আগে মাথা গরম করা মানে শুধু আত্মহত্যা করা। নিজেকে সংবরণ করো।’

    অনেক কষ্টে নিজেকে সামলেছিল সে। বাবা মা বোনের সমাধির সময় সে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখেছিল। আর তখন থেকেই সে সরকারের ওয়ান্টেড লিস্টের তিন নম্বরে রয়ে গেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }