Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৪. শহরের কয়েকটা রাস্তায়

    চব্বিশ

    শহরের কয়েকটা রাস্তায় পাক দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সটা চলে এসেছিল নির্জন এলাকায় যেখানে সাধারণত ধনী সম্প্রদায়েরা বাস করে থাকেন। বিশাল বাগান পেরিয়ে একটা প্রাচীন বাড়ির সিঁড়ির সামনে অ্যাম্বুলেন্স থামতেই কয়েকজন নেমে এল দৌড়ে, তাদের পেছনে হায়দার। খুব যত্নের সঙ্গে আকাশলালের শরীরকে স্ট্রেচারে শুইয়ে নামানো হল, নিয়ে যাওয়া হল বাড়িটির ভেতরে। ত্রিভুবনরা ভেতরে ঢুকতেই বড় কাঠের দরজা বন্ধ হয়ে গেল। আর অ্যাম্বুলেন্স অত্যন্ত নিরীহ ভঙ্গিতে বেরিয়ে গেল রাস্তায়, বাগান পেরিয়ে।

    এই বাড়ির একটি বিশেষ কক্ষকে অপারেশন থিয়েটারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। বৃদ্ধ ডাক্তার অধীর হয়ে অপেক্ষা করছিলেন, তাঁকে সাহায্য করতে যে-কজন মানুষ সেখানে ছিল তাদের চেহারা বেশ কৃশ। বোঝাই যায় বেশ চাপের মধ্যে আছে তারা। অপারেশন থিয়েটারের দরজা বন্ধ হয়ে গেলে হায়দার সেখানে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞাসা করল, ‘কোথাও কোনও অসুবিধে হয়নি তো?’

    ত্রিভুবন জবাব দিল, ‘না। তবে ডেভিড মনে হয় একটু নার্ভাস হয়ে পড়েছিল।’

    ‘তার মানে?’

    ‘সে সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কাজ চালাতে অনর্থক দেরি করেছে। তাকে বারংবার মনে করিয়ে দিতে হচ্ছিল যে আমাদের হাতে সময় খুব অল্প আছে।’ ত্রিভুবন জানাল।

    ‘তোমরা ওখান থেকে বেরিয়ে আসার সময় কোনও গোলমালের আওয়াজ পেয়েছ?’

    ‘না। আমরা চলে আসার মুখে ডেভিড আবার সুড়ঙ্গে ফিরে গিয়েছিল মাটি দিয়ে ভরাট করার কাজে। আমরা বিনা বাধায় রাস্তা পেরিয়ে এসেছি।’ ত্রিভুবন জানাল।

    ‘আশা করছি কেউ এই অ্যাম্বুলেন্সটার কথা পুলিশকে জানাবে না।’ হায়দার যেন নিজের মনেই কথাগুলো বলল। ত্রিভুবনের সন্দেহ হল, ‘কেন? কোনও ঘটনা ঘটেছে নাকি?’

    ‘হ্যাঁ। ডেভিড এবং তার সঙ্গীরা সুড়ঙ্গের মধ্যে আটকে পড়েছে।’

    ‘কি করে?’ চমকে উঠল ত্রিভুবন।

    ‘বিস্তারিত খবর আমি এখনও পাইনি। তবে কবরটা খুঁড়ে ফেলা হচ্ছে এবং পুলিশ মাটি ভর্তি বাড়িটাকেও আবিষ্কার করেছে। অনুমান করছি ডেভিড তার সঙ্গীদের নিয়ে ওই সুড়ঙ্গেই আটকে আছে। যদি ও সারেণ্ডার না করে তাহলে ভার্গিস ওকে জ্যান্ত কবর দিয়ে দেবে।’ হায়দার বলল।

    ‘ডেভিড সারেণ্ডার করবে?’ ত্রিভুবন বিশ্বাস করতে পারছিল না।

    ‘এছাড়া ওর সামনে কোনও পথ নেই।’ হায়দার চোখ বন্ধ করল, ভার্গিসের হাতে ও যদি একবার পড়ে তাহলে সে ওর মুখ খুলিয়ে ছাড়বেই। অপারেশনের জন্যে যা যা দরকার তুমি দায়িত্ব নিয়ে করো। আমি ওদিকের খবর নিচ্ছি।’

    ত্রিভুবনের কপালে ভাঁজ পড়ল, ‘যদি ডেভিড ধরা পড়ে তাহলে আমাদের এখনই এই বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়া উচিত।’

    ‘ঠিকই।’ হায়দার মাথা নাড়ল, ‘কিন্তু ও যাতে ধরা না পড়ে তার ব্যবস্থা করছি।’

    এলাকাটা এখন পুলিশের হাতে। কারফিউ যদিও চলছিল তবু পুলিশ মাইকে শেষ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে জনসাধারণের উদ্দেশে, ‘সামান্য কৌতূহল দেখাবেন না কেউ। রাষ্ট্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক কিছু মানুষকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা হচ্ছে। আপনারা নিজেদের বাড়ির জানলা দরজা বন্ধ করে রাখুন।’ অস্ত্রধারীদের সংখ্যা বেড়ে গেছে রাস্তায়। এলাকার সমস্ত বাড়ি তাই শব্দহীন।

    ভার্গিস কবরের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। কবরের মাটি অনেকটা নীচে বসে গিয়েছে। কারখানার কর্মচারীরা পেছনে সারবদ্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে। তারা প্রত্যেকেই হলফ করে বলেছে ওখানকার মাটির নীচে গর্ত ছিল না। এই কবরখানায় কখনও এমন কাণ্ড হয়নি। ভার্গিস এখানে আসার আগেই অবশ্য একজন পুলিশ অফিসার জানতে পারে খানিক আগে একটি অ্যাম্বুলেন্স রাস্তার উল্টোদিকের গলি থেকে বেরিয়ে কোথাও চলে গিয়েছে। গলির ভেতরের কয়েকটা বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে কেউ অসুস্থ হয়নি। অ্যাম্বুলেন্সটিকে খুঁজে বের করার জন্যে ওয়ারলেসে খবর পাঠানো হয়েছে চারধারে।

    একজন অফিসার ছুটে এল ভার্গিসের কাছে। স্যালুট করে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে বলল, ‘স্যার, ওই বাড়ির একটা ঘর থেকে সুড়ঙ্গ খোঁড়া হয়েছিল। সুড়ঙ্গের মুখটাকে আমরা আবিষ্কার করেছি।’

    ‘হুম্‌। সুড়ঙ্গের মুখটাকে সিল করে দাও।’

    ‘আপনি যদি অনুমতি দেন তাহলে আমরা সুড়ঙ্গের মধ্যে নামতে পারি!’ উত্তেজিত অফিসারটি প্রস্তাব দিল সোৎসাহে।

    ভার্গিস তাকে দেখলেন, ‘হামাগুড়ি দেবার ইচ্ছে হলে বাড়ি ফিরে বউয়ের সামনে দিয়ো। যা বলছি তাই করো। গেট আউট।’

    ‘ইয়েস স্যার।’ অফিসার স্যালুট সেরে আবার ছুটে গেল।

    ভার্গিস অন্য পুলিশদের হুকুম দিলেন কবর খুঁড়তে। বলে দিলেন কফিন পাওয়ামাত্র সবাই যেন সতর্ক হয়ে খোঁড়াখুঁড়ি করে।

    কোদাল বসতে লাগল মাটিতে। দেখা গেল খুব বেশি জায়গা জুড়ে গর্তটা তৈরি হয়নি। মাটি উঠছে সহজেই। কবর খোঁড়ার সময় যেটুকু গর্ত খুঁড়তে হয়েছিল ঠিক ততটুকু জায়গার মাটিতে ধস নেমেছিল।

    ভার্গিস উদ্বিগ্ন মুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ওদের মতলব ছিল আকাশলালের মৃতদেহ কবর থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার। কিন্তু কেন? মৃতদেহটিকে পূর্ণ মর্যাদায় সমাধি দেওয়ার জন্যে? এখন এই পরিস্থিতিতে সেটা ওরা করতেই পারত না। তাহলে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্যে সুড়ঙ্গ খুঁড়বে কেন?

    তারপরেই তাঁর মনে হল সুড়ঙ্গ খোঁড়ার কি দরকার ছিল? আজ রাত্রে কবরখানায় এসে ওরা এখান থেকেই কফিনটাকে তুলে নিতে পারত। রাস্তার ওপার থেকে মাটির নীচে দিয়ে সুড়ঙ্গ একদিনে খোঁড়া সম্ভব নয়। ওরা যখন সেটা করার চেষ্টা করছে তখন পরিকল্পনা অনেকদিনের। আকাশলাল মারা গিয়েছে গতকাল। তার কবরের কাছে মাটির নীচে দিয়ে পৌঁছবার জন্যে ওরা দীর্ঘদিন ধরে সুড়ঙ্গ খুঁড়বে কেন? ওরা কি জানত গতকাল লোকটা মারা যাবে এবং এখানেই কবর দেওয়া হবে? তাহলে এই মৃত্যু সাজানো। ভার্গিস আচমকা চিৎকার করে উঠলেন। এবং তখনই খননকারীরা জানাল, নীচে কোনও কফিন নেই, তার বদলে একটা সুড়ঙ্গের মুখ দেখা যাচ্ছে। .

    নিয়ে গিয়েছে। বডি নিয়ে গিয়েছে ওই অ্যাম্বুলেন্সে! রাগে অপমানে এবং হতাশায় ভার্গিসের মুখটা বুলডগের মত হয়ে গেল। তিনি হুকুম দিলেন সুড়ঙ্গের মধ্যে কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে। যদি কেউ এখনও ওখানে থাকে, তাকে বের করে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারবেন তিনি।

    সঙ্গে সঙ্গে সেলগুলি ছোঁড়া হল। ধোঁয়া বাইরে বেরিয়ে আসছে দেখে সরে এলেন ভার্গিস। একজন অফিসার বলল, ‘স্যার, রাস্তার পাইপ থেকে কানেকশন নিয়ে সুড়ঙ্গটা জলে ভরে দেব?’

    ভার্গিস মাথা নাড়লেন, ‘তাতে সোনার চাঁদ তুমি কি পাবে? ভেতরে কেউ থাকলে দমবন্ধ হয়ে মারা যাবে? সেই ডেডবডি তোমার কোনও প্রশ্নের জবাব দেবে? আমি জ্যান্ত চাই লোকগুলোকে। মাস্ক পরে শেল ছুঁড়তে ছুঁড়তে এগোও। ওরা বাধ্য হবে উল্টো দিক থেকে বেরিয়ে আসতে। কাজটা ওই দিক দিয়ে শুরু করো, আমরা এখানে ওদের অভ্যর্থনা জানাব।’

    মিনিট তিনেকের মধ্যে আর্তনাদ শোনা গেল। এক একটা মাথা কবরের গর্তে বেরিয়ে আসামাত্র রাইফেলের বাঁটের আঘাত পেয়ে অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে। তাদের টেনে ওপরে তোলা হচ্ছে। শুইয়ে দেওয়া হচ্ছে পাশাপাশি। যখন নিঃসন্দেহ হওয়া গেল আর কেউ নীচে নেই, যখন শূন্য কফিনটাকেও ওপরে নিয়ে আসা হয়েছে তখন ভার্গিস লোকগুলোর সামনে পিয়ে দাঁড়ালেন। বেশির ভাগ মানুষ তাঁর পরিচিত নয়, শুধু একজনকে তিনি এদের মধ্যে দেখতে পাবেন আশা করেননি। ডেভিড। এই হতচ্ছাড়া আকাশলালের সাকরেদ ছিল। নিশ্চয়ই ডেডবডি সরাবার দায়িত্ব নিয়েছিল লোকটা। কিন্তু কেন? অঘাত পেয়ে ওর মাথার পাশ দিয়ে রক্ত ঝরছে। চোখ বন্ধ কিন্তু মরে যাওয়ার মতো আহত হয়নি।

    ভার্গিস বললেন, ‘একে আমার চাই। ডাক্তারকে বলো আধঘণ্টার মধ্যে একে কথা বলার মতো অবস্থায় এনে দিতে। বি কুইক।’

    সঙ্গে সঙ্গে ডেভিডের জ্ঞানহীন শরীরটাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হল বাইরে অপেক্ষমাণ একটি জিপের কাছে। ঝকিদের পাইকারি হারে তোলা হতে লাগল ভ্যানে।

    আধঘণ্টার চার মিনিট পরে ডেভিডকে হাজির করা হল ভার্গিসের চেম্বারে। সে যে এখনও সুস্থ নয় তার মুখচোখ এবং হাঁটার ভঙ্গি বলে দিচ্ছিল।

    ভার্গিস বসে ছিলেন বিধ্বস্ত চেহারা নিয়ে। তাঁর হাতের চুরুট আপনাআপনি জ্বলে যাচ্ছিল। গত মিনিট দশেক তাঁকে একটার পর একটা কৈফিয়ত দিতে হয়েছে মিনিস্টারের কাছে। লোকটা আজ তাঁর সঙ্গে শকুনের মতো ব্যবহার করছে। আকাশলালের মৃতদেহ খুঁজে বের করতে বারোটা ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়েছে তাঁকে। ফোন রেখেই ভার্গিস ম্যাডামকে টেলিফোনে ধরার চেষ্টা করেছিলেন। ফোন বেজে গিয়েছে, ম্যাডাম বাড়িতে নেই। মিনিস্টারের চেয়ারটা তাঁর খুব কাছে চলে এসেছিল। হাত বাড়ালেই যেন ছুঁতে পারতেন। আকাশলাল মরে গিয়ে সেটাকে অনেক দূরে সরিয়ে দিল। এখন ওর ডেডবডি খুঁজে না পাওয়া গেলে— একমাত্র ম্যাডামই তাঁকে বাঁচাতে পারেন বলে ভার্গিসের বিশ্বাস। হঠাৎ ডেভিডের দিকে তাকিয়ে ওঁর মনে হল, এই লোকটাও পারে, এ যদি আকাশলালের হদিশ তাকে দিয়ে দেয় তাহলে তিনি লড়তে পারবেন।

    ভার্গিস চোখ বন্ধ করলেন। নিজেকে শান্ত করার চেষ্টা করলেন। তারপর হাসলেন, ‘আমি যদি ঘটনাস্থলে না থাকতাম তাহলে এতক্ষণে আপনার কবরের ব্যবস্থা করতে হত। আমার লোকগুলোর মাথা এত মোটা যে কি বলব! ওরা সুড়ঙ্গের ভেতরে জল ঢুকিয়ে আপনাদের ডুবিয়ে মারার পরিকল্পনা করেছিল। আপনি ভাগ্যবান।’

    ডেভিডের মাথা ঝিমঝিম করছিল, শরীর গোলাচ্ছিল। পুলিশ কমিশনার ভার্গিসকে চিনতে তার কোনও অসুবিধে হয়নি। এই লোকটার মুখে হাসি কেন?

    ‘আমার পরিচয়টা আপনাকে দেওয়া হয়নি। আমি ভার্গিস।’

    ডেভিড চুপ করে থাকল। ওরা এখন কি করছে? ত্রিভুবন কি অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে ফিরে যেতে পেরেছে। ওই কবরটা যদি ধসে না পড়ত!

    ‘মিস্টার ডেভিড! আমি চাই আপনি দীর্ঘদিন বেঁচে থাকুন। আমাদের খাতায় আপনার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আছে সেগুলোও আমি ভুলে যেতে চাই। কিন্তু আমি চাইলেই তো সেটা সম্ভব হবে না, আপনাকেও সেটা চাইতে হবে। এখন বলুন, সেটা আপনি কি চান?’ ভার্গিস বেল টিপলেন।

    ডেভিড চেয়ারে ধীরে ধীরে মাথা রাখল। তার মাথার অনেকখানি এখন ব্যাণ্ডেজের আড়ালে। মাথার ভেতরটা টনটন করে উঠল। ভার্গিস কি চাইছে?

    একজন বেয়ারা ঢুকল, ঢুকে স্যালুট করল। ভার্গিস বললেন, ‘দুটো কফি!’ লোকটা মাথা নেড়ে বেরিয়ে গেল। ভার্গিস একটা ফাইল টেনে নিয়ে মন দিয়ে কাগজপত্র দেখতে লাগলেন। তিনি যে ডেভিডকে প্রশ্ন করেছেন, উত্তরের অপেক্ষা করছেন সে-ব্যাপারে কোনও আগ্রহ এই মুহূর্তে তাঁর আছে বলে মনে হল না।

    ডেভিড উশখুশ করতে লাগল। শেষপর্যন্ত, জিজ্ঞাসা না করে পারল না, ‘আপনি কি চান?’ ফাইল থেকে মুখ তুললেন না ভার্গিস। ‘আগে কফি খান তারপর কথা।’

    ডেভিড ঘরটি দেখল। এই ঘরের কথা সে আগেই শুনেছে। হেডকোয়ার্টার্সের সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা এটি। এখন আর কেউ তাকে বাঁচাতে পারবে না। সুড়ঙ্গের মধ্যে যখন বুঝতে পেরেছিল তারা ধরা পড়ে গিয়েছে তখন মনে হয়েছিল আত্মহত্যা করার কথা। ধরা পড়ে ওদের হাতে গেলে কি ঘটতে পারে তা তার অজানা নয়। তবু মনে হয়েছিল বন্ধুরা হয়তো শেষ মুহূর্তে একটা চেষ্টা করতে পারে যা থেকে বাঁচার উপায় হবে। তাছাড়া আজ সুড়ঙ্গের মধ্যে শুয়ে নিজেকে খুন করতে তার ভারী মায়া লেগেছিল। এখন পুলিশ কমিশনার তার সঙ্গে যে ব্যবহার করছে তা সে মোটেই আশা করেনি। লোকটার এত ভদ্রতা যে নিছকই মুখোশ তা না বোঝার মতো মূর্খ সে নয়। কিন্তু কেন করছে লোকটা?

    কাফ এল। ডেভিডের সামনে কাপডিস রাখা হলে ভার্গিস বললেন, ‘নিন, খেয়ে দেখুন। এরকম কফি শহরের কোথাও পাবেন না। আচ্ছা, আপনি কখনও কোনও কফির বাগানে গিয়েছেন? এক্সপেরিয়েন্স আছে?’

    ‘না।’ বলল ডেভিড।

    ‘আমিও যাইনি। নিন, কাপ তুলুন।’

    ডেভিড কফির কাপে চুমুক দিতেই একটা মোলায়েম আরাম টের পেল। শরীরের এই চাহিদাটার কথা যেন ভার্গিস জানত। কফি খেতে খেতে সে যতবারই চোখ তুলেছে ততবারই দেখেছে ভার্গিস তার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। কোনও কথা বলছে না লোকটা। সে পেয়ালা শেষ করে বলল, ‘ধন্যবাদ।’

    ‘শব্দটা আমি উচ্চারণ করতে পারলে খুশি হব।’

    ‘তার মানে?’

    ‘আপনাকে আমি একটি প্রশ্ন করেছিলাম। আপনি দীর্ঘজীবন চান কি না?’

    ‘কে না চায়!’

    ‘আপনি?’

    ‘হ্যাঁ, আমিও।’

    ‘ধন্যবাদ মিস্টার ডেভিড।’ ভার্গিস সামান্য ঝুঁকলেন, ‘কিন্তু আপনাকে আমি এই রাজ্যে থাকতে দিতে পারছি না। আমার লোক আপনাকে সীমান্তে ছেড়ে দিয়ে আসবে। সেখান থেকে আপনি ইন্ডিয়ার যে কোনও বড় শহরে চলে যেতে পারেন। আমরা যদি না চাই তাহলে ইন্ডিয়া গভর্নমেন্ট আপনাকে কখনও বিরক্ত করবেন না। আপনি দীর্ঘ জীবন সেখানেই বাস করতে পারবেন। আপনার বয়স বেশি নয়, বিয়ে থা করে সংসারী হবার সময় এখনও আছে।

    ডেভিড ঠোঁট কামড়াল।

    ভার্গিস বললেন, ‘এ সবই সম্ভব হবে যদি আপনি আমার সঙ্গে হাত মেলান। আমি আপনাকে ছোট ছোট কয়েকটা প্রশ্ন করব, আপনি তার ঠিকঠাক জবাব দেবেন। ব্যস, আমার কথা আমি রাখব।’

    ‘আপনি কি প্রশ্ন করবেন?’

    ‘গুড। প্রথম প্রশ্ন, সুড়ঙ্গটা কেন খুঁড়েছিলেন?’

    ‘সেটা বুঝতে কি এখনও আপনার অসুবিধে হচ্ছে?’

    ভার্গিস থমকে গেলেন। নিজেকে সামলালেন, ‘প্রশ্ন আমি করব, আপনি নন।’

    ডেভিস হঠাৎ সাহসী হল, ‘আরে! সুড়ঙ্গ খুঁড়ে কবরের কাছে কেন পৌঁছেছিলাম সেটা কি বুঝতে কারও অসুবিধে হয়েছে? যে কেউ বুঝবে।’

    আমি নির্বোধ তাই বুঝিনি। ঠিক আছে, আরও আগে থেকে প্রশ্ন করছি। ওই সুড়ঙ্গ খোঁড়া শুরু হয় কবে থেকে?’ চুরুট নামিয়ে রাখলেন ভাসি অ্যাসট্রের কানায়।

    ডেভিডের শরীর শিরশির করে উঠল। এইবার ভার্গিস জাল গোটাতে শুরু করেছে। হয় তাকে সব কথা বলে দিতে হবে নয়—! জ্ঞান ফিরে আসার পরই মনে হয়েছিল তার ওপর অত্যাচারের বন্যা বইবে। এখনও সেটা হয়নি কারণ ভার্গিস তাকে বিশ্বাসঘাতক হবার সুযোগ দিচ্ছে। যে মুহূর্তে লোকটা বুঝবে মিষ্টি কথায় কাজ হবে না, তখনই নির্মম হয়ে উঠবে। ও ইচ্ছে করলে তাকে সারাজীবন জেলে পচিয়ে মেরে ফেলতে পারে, ফাঁসিতে ঝোলাতে একটুও সময় নেবে না। সে কি করবে? আধা সত্যি বলে সময় নেবে? সময় নিয়েই বা কি হবে? আধা সত্যি ধরা পড়ামাত্র ও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। কি করা উচিত। একজন বিপ্লবীর এই অবস্থায় অত্যাচার সহ্য করে মারা যাওয়াটাই নিয়ম। ডেভিড দেখল ভার্গিস তার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে রয়েছে। সে জবাব দিল, ‘কয়েকদিন হল।’

    ‘কয়েকদিন। তার মানে আকাশমাল ধরা পড়ার আগেই। তাই তো?’

    ‘সেরকমই দাঁড়ায়।’

    ‘মিস্টার ডেভিড, আমি বাঁকা কথা একদম পছন্দ করি না। আর আমার পছন্দের ওপর আপনার ইন্ডিয়ায় যাওয়া নির্ভর করছে। হ্যাঁ, আকাশলাল মারা যাওয়ার আগেই, অর্থাৎ সে যখন আপনাদের সঙ্গে ছিল তখনই ওই সুড়ঙ্গ খোঁড়া হয়েছিল। আপনারা কি করে জানতেন যে সে মারা যাবে; তার ডেডবডি কবর থেকে বের করতে হবে?’

    ‘আকাশলালই ব্যাপারটার পরিকল্পনা করেছিল।’

    ‘আপনারা কারণ জানতে চাননি?’

    ‘তার ধারণা ছিল আপনারা ওকে মেরে ফেলবেন।’

    ভার্গিস হাসলেন। ‘লোকটাকে নির্বোধ ভাবার মতো নিবোধ আমি নই। আকাশলাল নিশ্চয়ই জানত আমরা ওর বিচার করব। বিচারটা সাতদিনেও শেষ হতে পারে, সাতমাসও লাগতে পারে। বিচারের শেষে হয়তো ওর মৃত্যুদণ্ড হত। কিন্তু ততদিন ধরে একটা চওড়া রাজপথের নীচে সুড়ঙ্গ খুঁড়ে রাখার বোকামি সে করত না। সে মারা গেলে কবরের মাটি তোলার সময়েই তো ওই সুড়ঙ্গটাকে আমার পেয়ে যেতে পারতাম। না মিস্টার ডেভিড, আপনার এই মিথ্যাভাষণ আমার পছন্দ হচ্ছে না। আপনি সত্যি কথা বলুন।’

    ‘আমাকে হুকুম দেওয়া হয়েছে, আমি আদেশ পালন করেছি মাত্র।’

    ‘তার মানে আপনিও জানতেন না আকাশলাল ধরা পড়ার কিছু সময় পরেই মারা যাবে। খুব ভাল কথা। আকাশলালের মৃতদেহটা কোথায় পাঠিয়েছেন?’

    মাথা নাড়ল ডেভিড, ‘সেটা আমার জানা নেই।’

    ভার্গিসের মুখটা যেন আরও বড় হয়ে গেল, ‘আমার ধৈর্য বড় কম। একবার আপনার শরীরে হাত দিলে এতক্ষণ যে প্রস্তাব দিয়েছি তা আর মনে রাখা দরকার বলে ভাবব না।’

    ‘আপনি আমাকে বিশ্বাসঘাতকতা করতে বলছেন।’

    ‘বিশ্বাসঘাতকতা? কার বিরুদ্ধে? নিজের দেশকে বিপন্ন করে বাইরের শক্তির সঙ্গে হাত মেলানো বিশ্বাসঘাতকতা নয়?’ ভার্গিস হাত নাড়লেন, নেমে এলেন আপনি থেকে তুমিতে, ‘তোমার সঙ্গে এসব আলোচনা করে সময় নষ্ট করব না। আকাশলাল মরেছে কিন্তু কিছু রহস্য রেখে গেছে। বাকি যারা আছে তাদের খুঁজে বের করতে আমার বেশি সময় লাগবে না। এই যে তুমি, তোমাকে আমি সুড়ঙ্গের মধ্যেই মেরে ফেলতে পারতাম। মারিনি কিন্তু তার জন্যে কৃতজ্ঞতাবোধও তোমার নেই।’

    ডেভিডকে বেশ চিন্তিত দেখাচ্ছিল। শেষপর্যন্ত সে মাথা নাড়ল, ‘আমি জানি না।’

    ভার্গিস আর সময় নষ্ট করলেন না। হেডকোয়ার্টার্সের সবচেয়ে নির্মম পুলিশ অফিসারকে ডেকে পাঠালেন তিনি ফোন তুলে। নামটা কানে যাওয়ামাত্র কেঁপে উঠল ডেভিড। এর কথা সে অনেকবার শুনেছে। কয়েদিদের ওপর অত্যাচার করার ব্যাপারে এর কোনও জুড়ি নেই। আজ পর্যন্ত মুখ খোলানোর কাজে লোকটা কখনওই বিফল হয়নি। কিন্তু ওদের দুর্ভাগ্য যাদের ধরেছিল তারা দলের খুব সামান্য খবরই জানত।

    ডেভিড সোজা হয়ে বসল, ‘আপনি আর একটা ভুল করছেন!’

    ভার্গিস কথা না বলে ক্রুদ্ধ দৃষ্টিতে তাকালেন।

    ‘আমি যদি মুখ খুলতে না চাই তাহলে আমার মৃতদেহকে দিয়ে আপনাকে কথা বলাতে হবে। সেটা পারবেন কি না জানি না।’ ডেভিড হাসার চেষ্টা করল।

    ‘তুমি বেঁচে আছ না মরে গেছ তা নিয়ে আর আমার ভাবনা নেই। মরেই যদি যাবে তাহলে তার আগে আমার লোক শেষ চেষ্টা করুক।’ নির্লিপ্ত গলায় বললেন ভার্গিস, আমি এত কথা কারও সঙ্গে বলি না। যথেষ্ট ভদ্র ব্যবহার করেছি।’

    দরজায় শব্দ হতেই ভার্গিস হাঁকলেন, ‘কাম.ইন।’

    বেঁটেখাটো চেহারার, প্রায় নেংটি ইঁদুরের মতো একটি লোক ঘরে ঢুকে স্যালুট করল। ভার্গিস বললেন, ‘এই লোকটি মুখ খুলবে কি না জানতে তিনঘণ্টা সময় নেবে। যদি প্রথম আড়াই ঘণ্টায় মুখ না খোলে তাহলে শেষ আধঘণ্টা তোমাকে দিলাম। ডেডবডি পাহাড় থেকে ফেলে দেওয়া হবে।’

    বেল টিপলেন ভার্গিস। বেয়ারা ঘরে ঢোকামাত্র ইশারায় ডেভিডকে নিয়ে যেতে বললেন তিনি। বেঁটে লোকটি দ্বিতীয়বার স্যালুট করামাত্রই টেলিফোন বেজে উঠল। রিসিভার তুলে হ্যালো বলতেই ম্যাডামের গলা শুনতে পেয়ে সোজা হয়ে বসলেন ভার্গিস, ‘ইয়েস ম্যাডাম।’

    ‘আপনি একটার পর একটা ভুল করছেন।’

    ‘আমি ঠিক, আসলে ডেডবডির জন্যে ওরা এমন কাজ করবে— ।’ বিড় বিড় করলেন ভার্গিস।

    ‘ডেডবড়ি কোথায়?’

    ‘এখনই বের করে ফেলব। আকাশলালের ডান হাত ডেভিডকে আমি ধরেছি। সোজা কথায় কাজ না হওয়ায় টর্চার সেলে পাঠাচ্ছি। ও মুখ খুলবেই।’

    ‘আর একটা ভুল করতে যাচ্ছেন। টর্চার করে কোনও লাভ হবে না। কথা বের করতে হলে অন্য উপায় খুঁজতে হবে। অবশ্য আপনার যা ইচ্ছে— ।’

    ‘না ম্যাডাম। আমার মনে হচ্ছে আপনিই ঠিক।’

    ‘তাহলে ওকে বসন্তলালের বাংলোয় নিয়ে আসুন। ব্যাপারটা যত কম জানাজানি হয় তত ভাল। মিনিস্টার তো আপনাকে আলটিমেটাম দিয়ে দিয়েছেন।’

    ‘হ্যাঁ ম্যাডাম।’

    লাইন কেটে যেতেই ভার্গিস চিৎকার করলেন, ‘হেই দাঁড়াও।’

    ওরা তখন ডেভিডকে ধরে ধরে নিয়ে যাচ্ছিল বাইরে। ভার্গিসের চিৎকার শুনে হকচকিয়ে গেল। ভার্গিস গলা নামালেন, ‘যে যার ডিউটিতে চলে যাও। এভরিবডি। ওকে নিয়ে যাওয়ার দরকার নেই। গেট আউট।’

    বিস্মিত লোকগুলো এবং বেঁটে মানুষটা ধীরে ধীরে বেরিয়ে যাওয়ার পর ভার্গিস ডেভিডকে চেয়ারটা দেখিয়ে দিল, ‘দয়া করে হেঁটে এসে ওখানে বোসো। তোমার জীবনের আয়ু আমি আর একটু বাড়িয়ে দিলাম।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }