Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২২. মেডিক্যাল রুমে ঢুকেছিলেন ভার্গিস

    বাইশ

    ঝড়ের মত মেডিক্যাল রুমে ঢুকেছিলেন ভার্গিস। ততক্ষণে দুজন ডাক্তার কাজ শুরু করে দিয়েছেন। ভার্গিস কিছুক্ষণ আকাশলালকে দেখলেন। এখনও প্রাণ আছে তো শরীরে?

    ভার্গিসকে দেখে একজন ডাক্তার এগিয়ে গেলেন, “মারাত্মক ধরনের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। একটু আগে সেটা বন্ধ হয়ে গেল। আমরা চেষ্টা করেছি কিন্তু— ।’

    ‘মাই গড!’ ভার্গিস বিড়বিড় করলেন। তারপর আবেদন করলেন, ‘ডক্টর। সেভ হিম। ওকে বাঁচান। লোকটার বেঁচে থাকার ওপর অনেক কিছু নির্ভর করছে।’

    ‘সরি স্যার। আমাদের আর কিছু করার নেই।’

    ‘আপনি সিওর,?’

    ‘হ্যাঁ। হার্ট অনেকক্ষণ বন্ধ হয়ে গেছে। পালস পাওয়া যাচ্ছে না।’

    ঝড়ের মত এসেছিলেন। এবার যেন পা সরতে চাইছিল না। আকাশলালের দিকে তাকাতে নিজের জন্যে কষ্ট হল। লোকটা মরে গিয়েও তাকে হারিয়ে দিল। এখন চোখের পাতা বন্ধ, নিঃসাড় শুয়ে আছে। ধীরে ধীরে বাইরে বেরুতে গিয়ে থমকে দাঁড়ালেন ভার্গিস, ‘ডাক্তার, আমি না বলা পর্যন্ত কেউ যেন এই খবরটা জানতে না পারে।’

    ‘আমরা আরও কিছুক্ষণ ওয়াচ করব। তারপর— !’

    ‘ওয়াচ করবেন মানে? মারা যাওয়ার পর ওয়াচ করে কী লাভ?’ ভার্গিস ঘুরে দাঁড়ালেন।

    ‘একটু সতর্কতা। হার্ট অ্যাটাকড্‌ কেসে কখনও কখনও মির‍্যাক্‌ল হয়।’

    ‘প্রে, প্রে ডক্টর।’

    ‘হ্যাঁ, এখন ওর জন্যে প্রার্থনা করা ছাড়া কোনও পথ নেই।’

    ‘ওর জন্যে নয়, আমার জন্যে।’ ভার্গিস বেরিয়ে গেলেন।

    নিজের ঘরে পৌঁছাতে অনেকসময় লেগে গেল যেন। ধপ করে শরীরটাকে চেয়ারে ছেড়ে দিলেন। খবরটা জানানো দরকার। কাকে জানাবেন? ম্যাডাম না মিনিস্টার। আইনমাফিক চললে মিনিস্টারকেই জানানো দরকার। যে লোকটাকে কাল সকালে তিনি উৎখাত করতেন এখন তাঁকেই সব নিবেদন করতে হবে। না। ম্যাডাম তাঁর প্রতি অনেক অনুগ্রহ দেখিয়েছেন।

    ভার্গিস নিজস্ব টেলিফোনের নম্বর ঘোরালেন। কয়েক মুহূর্ত। তারপর টেলিফোন বাজল। কয়েক মুহূর্ত। যে ধরল সে জানাল ম্যাডাম এখন যোগা করছেন। রিসিভার নামিয়ে রাখলেন ডার্গিস। আশ্চর্য! ভদ্রমহিলার ব্যাপার স্যাপার দেখে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না। এবার তাঁর নিজের টেলিফোন বেজে উঠতেই ভার্গিসের হাত এগিয়ে গেল, ‘হ্যালো!’

    ‘ভার্গিস!’

    ‘ইয়েস স্যার?’

    ‘ইউ ইডিয়ট, তুমি আকাশলালকে মেরে ফেললে?’ মিনিস্টার চিৎকার করলেন।

    ‘আমি? আমি মেরে ফেলেছি?’ ভার্গিস হতভম্ব।

    ‘হু উইল বিলিভ ইউ? পুলিশ কাস্টডিতে কেউ মারা গেলে লোকে তাই ভাববে। তুমি এত কেয়ারলেস যে লোকটাকে মরে যেতে অ্যালাউ করলে!’

    ‘স্যার। কারও হার্ট অ্যাটাকড্‌ হলে— ।’

    ‘বললাম তো, লোকে বিশ্বাস করবে না। লোকটা সুস্থ শরীরে কয়েকঘন্টা আগে সবার সামনে দিয়ে হেঁটে এসে ধরা দিল। বিদেশি সাংবাদিকরাও দেখেছে। খবরটা প্রচারিত হওয়ামাত্র কী রিঅ্যাকশন হবে চিন্তা করেছ?’

    ‘না স্যার, এখনও সময় পাইনি।’

    ‘তা পাবে কেন? ওকে অ্যারেস্ট করে বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছ।’ মিনিস্টার ব্যঙ্গ করামাত্র ভার্গিসের শরীর সোজা হল। লোকটা জানে নাকি সব খবর।

    ‘শোন ভার্গিস, বোর্ড মিটিং বসেছে। আকাশলালকে ধরার জন্যে আমি তোমার প্রশংসা করে বোর্ড-এর কাছে কিছু সুপারিশ করেছিলাম। কিন্তু এখন যে পরিস্থিতি দাঁড়াল তার জন্যে তোমাকে জবাবদিহি দিতে হবে। আকাশলালকে বিচার করে শাস্তি দিলে জনসাধারণ কিছু বলতে পারত না। এখন তো বিদ্রোহে ফেটে পড়তে পারে। তাছাড়া আমাদের বন্ধু রাষ্ট্রগুলো কাজটা পছন্দ করবে না। কি করতে চাও?’

    ‘বুঝতে পারছি না। পোস্টমের্টম করে মৃত্যুর কারণ জেনে জনসাধারণকে জানালে কেমন হয়?’ ভার্গিসের প্রশ্নের উত্তর দিলেন না মিনিস্টার। লাইন কেটে দিলেন।

    ভার্গিস অপারেটারকে হুকুম করলেন মেডিক্যাল ইউনিটের ডাক্তারকে ধরতে। ডাক্তার লাইনে আসামাত্র তিনি প্রশ্ন করলেন, ‘কোনও চান্স আছে?’

    ‘আকাশলাল মারা গেছে। তবে— ।’

    ‘তবে কী?’

    ‘কিছুদিন আগে ওঁর বুকে অপারেশন হয়েছিল। হয়তো মাইনর কিছু কিন্তু ভদ্রলোক সুস্থ ছিলেন না এটা পরিষ্কার।’

    ‘সুস্থ ছিলেন না! কি ডাক্তারি করো, অ্যাঁ! অত লোকের সামনে মেজাজে হেঁটে এল যে তাকে অসুস্থ বলছ? ওর ডেথ সার্টিফিকেট পাঠিয়ে দাও।’

    ভার্গিস এবার অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনারদের মিটিং-এ ডাকলেন। সবাই বসলে তিনি চুরুট ধরালেন, ‘আপনারা জানেন আমি আকাশলালকে গ্রেপ্তার করেছি। অর্থাৎ এ রাজ্যে আর কোন ঝামেলা হবে না। কিন্তু লোকটা এই ধাক্কা সামলাতে না পেরে হার্ট ফেল করে মারা গিয়েছে। মিনিস্টার মনে করছেন এর রি-অ্যাকশন খুব খারাপ হবে। আপনারা কী মনে করেন?’

    প্রত্যেকে কথা খুঁজতে লাগল যেন। ভার্গিস কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে অসহিষ্ণু গলায় বললেন, ‘বলুন, বলুন, আমি আপনাদের মতামত চাই।’

    সিনিয়র অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার বললেন, ‘ওকে ধরার জন্যে আজ গোলমাল হয়েছিল। পাবলিক ভাববে আমরা মেরে ফেলেছি। গোলমাল বাড়বেই।’

    ‘পাবলিক যদি না জানে?’

    সবাই চমকে উঠল। ভার্গিস আবার বলল, ‘ডেডবডি লুকিয়ে ফেলা যেতে পারে। অবশ্য সাংবাদিকরা ছিঁড়ে খাবে আমাকে। কিন্তু পাবলিকের হাতে ডেডবডি দিতে চাইছি না আমি। ওতে আবেগ আরও বেড়ে যাবে।’

    কনিষ্ঠ একজন অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার বললেন, ‘ওর এক কাকা বেঁচে আছে। তাঁকে ডেকে এনে কারফিউ থাকাকালীন সময়ে যদি কবর দেওয়া যায়— ।’

    ভার্গিস বললেন, ‘গুড আইডিয়া। হিন্দু হলে চিতা জ্বালাতে হত। এটা আজ চুপচাপ সেরে ফেলা যাবে। লোক পাঠাও, ওর কাকাকে ডেকে আনো’

    তরুণ অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার বলল, ‘স্যার। দিনের আলো ফোটার আগেই কাজটা করা উচিত এবং কালকের দিনটাতেও কারফিউ রাখুন।’

    ‘গুড।’

    প্রবীণ বললেন, ‘কিন্তু জনসাধারণকে খবরটা একটু একটু করে দিলে ভাল হয়।’

    ‘যেমন?’

    ‘আজ টিভিতে অ্যানাউন্স করা যেতে পারে আকাশলালের হার্ট অ্যাটাকড হয়েছে। অবস্থা ভাল নয়। ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়েছে ওকে!’

    ‘দ্যাটস স্পেলন্‌ডিড। তাই হবে। মিটিং শেষ।’

    টুরিস্ট লজের ঘরে বসে দ্রুত রিপোর্ট টাইপ করছিল অনীকা তার ছোট্ট টাইপরাইটারে। ফিরে এসে ও কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করে জেনেছিল হেডকোয়ার্টার্সে গিয়ে কোনও কাজ হয়নি। ভার্গিস আকাশলালের সঙ্গে সাংবাদিকদের দেখা করতে দেয়নি। আত্মসমর্পণের ঘটনাটার নাটকীয় বর্ণনা শেষ করে সে জানলায় উঠে গেল। রাস্তা সুনসান। কারফিউ জারি হওয়া রাতের রাজপথে এখন একটা কুকুর পর্যন্ত নেই। মাঝে মাঝে পুলিশের গাড়ি ছুটে যাচ্ছে। খবরটা ‘দরবার’ অফিসে পৌঁছাতে বেশি দূরে যেতে হবে না তাকে। টুরিস্ট লজের একজন কর্মচারী জানিয়েছে পাশেই একজনের ফ্যাক্স মেশিন আছে। লোকটার হাতে দিলে সে ওখান থেকে পাঠিয়ে দেবে। টিভি খুলল অনীকা। সিনেমা দেখানো হচ্ছে। ইংরেজি ছবি। হঠাৎ ছবি বন্ধ হল। ঘোষক জানাল, ‘আমরা অত্যন্ত উদ্বেগের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বিদ্রোহী নেতা আকাশলালের শরীর গুরুতর অসুস্থ। তাঁর হৃদযন্ত্রে গোলমাল দেখা দিয়েছে। ডাক্তাররা চিকিৎসা করছেন। তাঁকে ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

    অনীকার কপালে ভাঁজ পড়ল। যে মেয়েটি আকাশলালদের পারিবারিক কবরখানায় গিয়েছিল সে কি জানত এরকমটা হবে। সম্ভাবনার কথা সে বৃদ্ধকে শুনিয়ে এসেছিল। কেউ অসুস্থ হবার আগে কবরের জমি যখন দেখতে যাওয়া হয়, তখন, তখন ব্যাপারটা সাজানো নয় তো?

    শহর থেকে মাইল দশেক দূরে একটি ছোট্ট খামারবাড়ির সামনে মধ্যরাতে যে জিপটি থামল তা থেকে নেমে এল একজন পুলিশ অফিসার। তখন ঘড়িতে রাত বারোটা বেজে কুড়ি। চারধার সুনসান। ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামটিতে কুকুরেরাও ডাকছে না। বিশেষ একটি বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে অফিসার চারপাশে তাকিয়ে নিয়ে দরজায় শব্দ করল। তৃতীয় বারে ভেতর থেকে সাড়া এলে সে ঘোষণা করল, ‘দরজা খুলুন, পুলিশ।’

    দরজা খুলল। এক বৃদ্ধা হ্যারিকেন হাতে জবুথবু হয়ে দাঁড়িয়ে। বোঝাই যায় একটু আগেও ঘুমোচ্ছিলেন। অফিসার জিজ্ঞাসা করল, ‘কর্তা কোথায়?’

    ‘ঘুমাচ্ছে। শরীরটা ভাল নেই। আবার কী হল?’ বৃদ্ধার কণ্ঠস্বরে ভয়।

    ‘ডেকে তুলুন। জরুরি দরকার না থাকলে আপনার চুপসে যাওয়া মুখ দেখতে আমি এত রাত্রে আসতাম না। যান, চটপট ডেকে তুলুন। কোনও রকম বাহানা করার চেষ্টা করবেন না।’

    অফিসার যে গলায় কথা বলল তারপর বৃদ্ধার সাহস ছিল না দাঁড়িয়ে থাকার। ঠিক তিরিশ সেকেন্ড বাদে বৃদ্ধকে দেখা গেল হ্যারিকেন হাতে। পরনে ঘুমাবার পোশাক। খুব ভয়ার্ত গলায় তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কী হয়েছে?’

    ‘আপনার ভাইপোর নাম আকাশলাল?’

    ‘এই দুর্ভাগ্যের কথা তো সবাই জানে?’

    ‘হুম্‌। আপনাকে আমার সঙ্গে যেতে হবে।’

    সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধার গলা ভেসে এল পেছন থেকে, ‘সে কী! আমরা লিখিতভাবে ভার্গিস সাহেবকে জানিয়ে দিয়েছি আকাশলালের সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই। যদি তার কোনও খবর পাই সঙ্গে সঙ্গে এখানকার থানায় জানিয়ে দেব। মুশকিল হল, মড়াটা ভুলেও এদিকে আসে না। তা হলে ওঁকে আপনার সঙ্গে যেতে হবে কেন?’

    ‘প্রয়োজন আছে বলেই যেতে হবে।’ অফিসার ঘোষণা করল।

    মিনিট তিরিশের মধ্যে বৃদ্ধকে হাজির করল অফিসার ভার্গিসের সামনে। ভার্গিস চুপচাপ চুরুট খাচ্ছিলেন। বৃদ্ধকে দেখে গম্ভীর গলায় বললেন, ‘যাক, আপনি বাড়িতে ছিলেন দেখছি। শুনুন, আপনার ভাইপো মারা গিয়েছে।’

    বৃদ্ধ চমকে উঠলেন, ‘সে কী!’

    ‘কেন? দুঃখ উথলে উঠছে নাকি?’

    ‘আজ্ঞে তা নয়। ওর তো অনেক আগেই মারা যাওয়া উচিত ছিল। তাই।’

    ‘হুম্‌। আপনি খুব সেয়ানা। আমি লক্ষ করেছি বুড়ো হলেই মানুষ খুব সেয়ানা এবং স্বার্থপর হয়ে যায়। যাকগে। আপনার ভাইপো হার্ট ফেল করেছে। আমরা মারিনি। ওকে স্পর্শ পর্যন্ত করিনি। লোকটা বিয়ে-থা করেনি। আত্মীয় বলতে আপনি। এখন বলুন, আপনি কি পোস্টমর্টেম করাতে চান?’ চুরুট খেতে খেতে ভার্গিস প্রশ্ন করল।

    ‘কেন? পোস্টমর্টেম তো সন্দেহজনক ক্ষেত্রে করা হয় বলে শুনেছি।’

    ‘আপনি মনে করতে পারেন আমরা ওকে বিষ খাইয়ে মেরেছি।’

    ‘ছিঃ। একথা মনে আসার আগে আমার মরণ ভাল। বিচার করলেই ওর যখন মৃত্যুদণ্ড হবে তখন খামোকা বিষ দিতে যাবেন কেন? না, না, পোস্টমর্টেম করার কোনও দরকার নেই। ওঃ এতদিনে দুশ্চিন্তামুক্ত হলাম।’

    ভার্গিস বৃদ্ধের দিকে তাকালেন, ‘তুমি একটি খচ্চর বুড়ো।’

    ‘আজ্ঞে?’

    ‘শুনুন। পোস্টমর্টেম যদি না চান, একমাত্র আপনিই চাইতে পারেন, তা হলে ওর মৃতদেহের ব্যবস্থা করতে হয়। এই শহরের কবরখানায় আপনাদের পারিবারিক জায়গা আছে। তাই তো?’

    ‘আজ্ঞে হ্যাঁ। তবে বেশি জায়গা অবশিষ্ট নেই।’

    ‘সেটা আপনাদের সমস্যা। যে জায়গা আছে সেখানেই আকাশলালকে কবর দিতে হবে। বোর্ড চাইছে পাবলিক জানার আগেই কাজটা হয়ে যাক। কিন্তু যদি আপনার এই ব্যাপারে কোনও আপত্তি থাকে তা হলে স্বচ্ছন্দে বলতে পারেন।’

    ‘বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই। ছেলেটা কিছু লোককে খেপিয়েছিল। তারা জানতে পারলে গোলমাল পাকাবে। এ সব আমার একদম পছন্দ হয় না। আপনারা বেশি দেরি করবেন না। যদি সম্ভব হয় আজ রাত্রেই ওকে কবর দেওয়ার ব্যবস্থা করুন।’

    ভার্গিস অফিসারকে বললেন বৃদ্ধকে বাইরে নিয়ে যেতে। এবং সেই সময় তাঁর ব্যক্তিগত টেলিফোন বেজে উঠল। একটু শঙ্কিত হাতে রিসিভার তুললেন ভার্গিস, ‘হ্যালো। ভার্গিস বলছি।’

    ‘মিনিস্টার ফোন করেছিল?’ ম্যাডামের গলা।

    ভার্গিস সোজা হয়ে বসলেন, ‘না ম্যাডাম।’

    ‘ও কাল সকালে ফোন করবে। একটু আগে বোর্ডের মিটিং হয়ে গেছে। বোর্ড মনে করছে চেষ্টা করলে আকাশলালকে বাঁচানো যেত। মিনিস্টার কিন্তু আপনার পক্ষে সওয়াল। করেননি।’

    ‘এটা হার্ট অ্যাটাক। আমি এক্ষেত্রে অসহায়।’

    ‘আমি সেটা বলেছি। এখন কারফিউ চলছে বলে পাবলিক ওপিনিয়ন পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু বোর্ড মনে করছে আগামী কাল শহরে গোলমাল হবেই। আপনি কিভাবে ব্যাপারটার মোকাবিলা করেন তার ওপর বোর্ড আপনার সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেবে।’ ম্যাডাম বললেন।

    ‘ম্যাডাম?’

    ‘আপনি এখন পর্যন্ত কী স্টেপ নিয়েছেন?’

    ‘আগামী কাল সারাদিন কারফিউ জারি করেছি যাতে কেউ রাস্তায় না নামতে পারে আকাশলালের একমাত্র আত্মীয়, ওর কাকাকে, তুলে এনেছি হেডকোয়ার্টার্সে। তিনি চান না পোস্টমর্টেম হোক এবং অবিলম্বে শেষ কাজ করার পক্ষপাতী।’ ভার্গিস সত্যি ঘটনাটা জানালেন।

    ‘বাঃ। টিভিকে বলুন লোকটাকে ইন্টারভিউ করতে। ও যদি ওদের কাছে একই কথা বলে তা হলে সেটা বারংবার টেলিকাস্ট করতে বলুন। তাতে পাবলিক হয়তো কিছুটা শান্ত হবে। আপনি বুঝতে পারছেন?’

    ‘ইয়েস ম্যাডাম।’

    ‘আকাশলালকে কোথায় রেখেছেন?’

    ‘মর্গে নিয়ে যেতে চাইনি। এখানকার ঠাণ্ডা ঘরেই আছে।’

    ‘বেশ। ওর পারলৌকিক কাজকর্মের ব্যবস্থা করুন।’ লাইন কেটে গেল।

    ভার্গিস খুশি হলেন। যাক ম্যাডাম এখনও তাঁর পক্ষে আছেন। শালা মিনিস্টাররা ঠিক সময় বুঝে পেছনে লেগেছে। হ্যাঁ, আকাশলাল মরে গিয়ে কিছু ক্ষতি করে গেল। ব্যাটা বেঁচে থাকলে চাপ দিয়ে যেসব খবর বের করা যেত তা আর পাওয়া যাবে না। ব্যাটার কিছুদিন আগে অপারেশন হয়েছিল। করল কে? নিশ্চয়ই ইন্ডিয়ায় গিয়ে করিয়েছে। আর তারই ধকল সামলাতে পারল না।

    দরজায় শব্দ হতে ভার্গিস বললেন, ‘কাম ইন।’

    তরুণ অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার ঢুকল, ‘স্যার। ডেডবডির ছবি তোলা হয়ে গেছে।’

    ‘গুড। টিভিকে খবর দিয়েছেন?’

    ‘এখন তো কারফিউ চলছে— ’

    চলুক। গাড়ি পাঠিয়ে ওদের তুলে আনুন। আমাদের ডাক্তার আর ওর কাকাকে ইন্টারভিউ করতে বলুন। এবং সেই ইন্টারভিউটা টেলিকাস্ট করতে বলুন। বুঝেছেন?’

    ‘হ্যাঁ স্যার।’

    ‘এসব ব্যাপার একঘণ্টার মধ্যেই হওয়া চাই। ইতিমধ্যে একজন পাদরিকে জোগাড় করুন। একঘণ্টার পর পাদরি আর ওর কাকাকে নিয়ে আপনি যাবেন কবরখানায়। মাটির তলায় ঢুকিয়ে দিয়ে আমাকে রিপোর্ট করবেন।’ ভার্গিস হাত নাড়লেন।

    ‘স্যার, জনসাধারণকে ডেডবডি দেখার সুযোগ দেবেন না?’

    ‘হোয়াট? আপনি কী ভেবেছেন? লোকটা কি জাতীয় নায়ক?’

    ‘না স্যার। আসলে, পাবলিক সেন্টিমেন্ট— ।’

    ‘তার জন্যে ওর কাকা আছে। আমরা চাইছি কাল সকালে ওর যেন কোনও হদিশ না থাকে। বেঁচে থেকে যা পারেনি মরে গিয়ে লোকটা পাবলিককে দিয়ে সেই বিপ্লব করিয়ে ফেলতে পারে তা জানেন?’

    ‘সরি স্যার, এটা মাথায় আসেনি।’

    পঁয়তাল্লিশ মিনিট পরে টিভির লোকের অনুরোধে ভার্গিস ক্যামেরার সামনে গম্ভীর মুখে বসলেন। তার আগে একজন মেকআপ ম্যান তাঁর বিশাল মুখে পাউডারের পাফ বুলিয়ে দেওয়ায় তিনি একটু নার্ভাস। ইন্টারভিউ দুটো প্রচারিত হবার আগে কমিশনার অফ পুলিশ হিসেবে তাঁর বক্তব্য থাকা দরকার।

    আধ ঘণ্টার মধ্যেই রাত দুপুরে বিশেষ বুলেটিন প্রচারিত হতে লাগল। প্রথমে অনেক বার ফ্ল্যাশ ফ্ল্যাশ বিজ্ঞপ্তির পর ভার্গিসের মুখ দেখা গেল, ‘আমাদের প্রিয় জনগণ। আপনারা জানেন দেশের নিরাপত্তা, শান্তি এবং সংহতি বিনষ্ট করার জন্যে আমরা বহুদিন ধরে আকাশলালকে খুঁজছিলাম। গত কয়েক বছরে সে এবং তার দলের লোকেরা দুশো বারোজন দেশপ্রেমিক পুলিশকে হত্যা করেছে। শেষ শিকার আমাদের জাতির গৌরব বাবু বসন্তলাল। আমরা চেয়েছিলাম আকাশলালকে গ্রেফতার করে আইনসঙ্গত ব্যবস্থা নিতে। বিচার চলার সময় সে তার বক্তব্য বলার সুযোগ পেত। এ দেশে কেউ যেমন আইনের ঊর্ধ্বে নয় তেমনি আইনের সাহায্য নিতে আমরা কাউকে বঞ্চিত করতেও পারি না। কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের কথা, আজ যখন তাকে আমরা গ্রেফতার করতে পারলাম তখন সে যে অসুস্থ তা বুঝতে পারিনি। সে নিজেও তা প্রকাশ করেনি। গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। ডাক্তাররা অনেক চেষ্টা করে তাকে বাঁচাতে পারেননি। একজন দেশদ্রোহীর মৃত্যু এভাবে হোক তা আমরা চাইনি। কিন্তু আমি সবিস্ময়ে আবিষ্কার করলাম আকাশলালের নিকটতম আত্মীয় ওর কাকা এই মৃত্যুতে একটুও বিস্মিত নন। বরং তিনি আফশোস করছেন তাঁর ভাইপোর কোনও শাস্তি হল না। মৃত্যু ওই বৃদ্ধের কাছে শাস্তি নয়। বন্ধুগণ, আকাশলালের মৃত্যু নিয়ে ব্যবসা করার লোকের কোনও অভাব নেই। তারা আপনাদের উত্তেজনা বাড়াবার চেষ্টা করতে পারে। কিন্তু আমি আশা করব দেশপ্রেমিক হিসেবে দেশদ্রোহীদের উসকানিতে আপনারা কান দেবেন না। নমস্কার।’

    এরপরেই ডাক্তার এবং আকাশলালের কাকার ইন্টারভিউ প্রচারিত হল। সমস্ত দেশ জানল আকাশলাল নেই। ক্ষোভ দানা বাঁধার সুযোগ পেল না কারফিউ থাকায়! ডাক্তার অথবা সি পির বক্তব্য বিশ্বাস করতে না পারলেও আকাশলালের কাকার কথা উড়িয়ে দিতে পারছিল না বেশির ভাগ মানুষ।

    ঘন ঘন টেলিকাস্ট হচ্ছিল সেই রাত্রে। জরুরি অবস্থা বলে টিভি প্রোগ্রাম বন্ধ করেনি। ভার্গিস খুব খুশি। নিজের চেহারাটাকে অবশ্য তাঁর ঠিক পছন্দ হয়নি।

    রাত দুটোর পরে তিনটে বিশেষ গাড়ি বের হল হেডকোয়ার্টার্স থেকে। একটিতে তরুণ অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার এবং আকাশলালের কাকার সঙ্গে একজন পাদরি। দ্বিতীয় গাড়িতে আকাশলালের দেহ। তৃতীয়টিতে আধুনিক আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত পুলিশবাহিনী। গাড়ি তিনটে বেরিয়ে যাওয়ার আগে ভার্গিস টেলিফোন করেছিলেন মিনিস্টারকে। খুব সরল গলায় জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করেছিলেন, ‘ওর কাকা চাইছেন এখনই শেষকৃত্য করতে। আপনি কী বলেন?’

    মিনিস্টার জবাব দিলেন, ‘দ্যাখো ভার্গিস, আমি বিশ্বাস করি তুমি যদি সেই সময়ে হেডকোয়াটার্সে থাকতে তা হলে আকাশলালের চিকিৎসা আরও আগে করা যেত। এখন যে সিদ্ধান্ত নিতে চাও নাও। তার ফল যদি খারাপ হয় তা হলে তোমাকেই জবাবদিহি করতে হবে। বুঝেছ?’

    ‘ইয়েস স্যার।’

    ‘দেন গো অ্যাহেড।’ মিনিস্টার টেলিফোন ছেড়ে দিয়েছিলেন। এখন মধ্যরাত। কোনওভাবেই রাস্তায় মানুষজন নেই। ভার্গিস শুতে গেলেন না। এই লোকটা যদি আজ মরে না যেত তা হলে এতক্ষণে তিনি মিনিস্টার হয়ে যেতেন। সেটা হবেন কি না তা নির্ভর করছে জনতা কী রকম প্রতিক্রিয়া দেখায় তার ওপরে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }