Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৫. দুটো গাড়ি ছুটে যাচ্ছিল

    পঁচিশ

    এখন দুপুর। দুটো গাড়ি ছুটে যাচ্ছিল শহর থেকে পাহাড়ি পথ ধরে। প্রথমটি জিপ। সামনের আসনে ড্রাইভারের পাশে ভার্গিস চুরুট মুখে। অত্যন্ত বিরক্ত এবং সেইসঙ্গে চিন্তিত। পেছনে আসছিল পুলিশের ভ্যান। সেখানে আটজন পুলিশের মাঝখানে ডেভিড রয়েছে। ভ্যানের বাইরে থেকে আরোহীদের বোঝা যাচ্ছিল না।

    ভার্গিসের বিরক্তি এইভাবে শহরের বাইরে আসতে হচ্ছে বলে। কদিন থেকে বিশ্রাম শব্দটাকে তিনি প্রায় ভুলতেই বসেছেন। সেটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না এখন। কিন্তু তাঁর মনে হয়েছিল এইসময় শহরে থাকা দরকার। অ্যাম্বুলেন্সটার খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু তার ড্রাইভার এবং অফিস জানিয়েছে লেডি প্রধান অসুস্থ খবর আসায় অ্যাম্বুলেন্সটি রাস্তায় বেরিয়েছিল। বৃদ্ধা মহিলা অসুস্থ হতেই পারেন এবং হয়েছেন। তার প্রমাণও বেরোবার আগে তিনি পেয়েছেন। অতএব অ্যাম্বুলেন্সটিকে নিয়ে বেশি দূর ভাবা যাচ্ছে না। হঠাৎ ভার্গিসের খেয়াল হল, লেডি প্রধানের মতো বিত্তশালিনী বৃদ্ধা হাসপাতালে যাওয়ার জন্যে কেন অ্যাম্বুলেন্সকে তলব করবেন? তাঁর নিজের গাড়িই তো রয়েছে। বৃদ্ধার সঙ্গে কথা বলা দরকার। ওঁর বাড়ির লোকদের জেরা করলে জানা যাবে সত্যি কেউ অ্যাম্বুলেন্সের জন্যে ফোন করেছিল কিনা! ভার্গিস তৎক্ষণাৎ হেডকোয়ার্টার্সের সঙ্গে ওয়ারলেসে যোগাযোগ করে এই তদন্তটি করে ফেলার নির্দেশ দিলেন। সময় বেরিয়ে যাচ্ছে। অথচ ডেডবডির কোনও পাত্তা নেই।

    ডেভিডকে নিজের গাড়িতে নিয়ে আসা হয়তো উচিত ছিল কিন্তু ঝুঁকি নিতে চাননি তিনি। কে বলতে পারে ওর বন্ধুরা শহরের বাইরে তার ওপর চড়াও হতে চেষ্টা করবে না। অবশ্য ভ্যানটাকে তিনি বাংলোর বেশ কিছুটা দূরেই রেখে দেবেন।

    চিন্তাটা অন্য কারণে। বাবু বসন্তলালের বাংলোয় ডেভিডকে নিয়ে যেতে নির্দেশ দিয়েছেন ম্যাডাম। কেন? তালেগোলে ওখানকার কথা মাথায় ছিল না ভার্গিসের। সেই সার্জেন্ট আর চৌকিদারটা এখনও বাংলোতেই আছে। বাবু বসলালের খুনি চৌকিদারটাকে বাঁচিয়ে রাখতেই হবে তাঁকে। ম্যাডাম জানেন লোকটা পলাতক। ওকে কিছুতেই ম্যাডামের সামনে আসতে দেওয়া যাবে না। মিনিস্টারকে যেমন ম্যাডাম আটকাতে পারেন ঠিক তেমনি ম্যাডামের ওঝা হবে ওই চৌকিদারটি। হেডকোয়ার্টার্স থেকে বের হবার আগে তিনি নিজস্ব টেলিফোনে কয়েকবার চেষ্টা করেছেন বাংলোর সার্জেন্টকে ধরতে। ওখানে সমানে রিং হয়ে গিয়েছে। কেউ রিসিভার তোলেনি।

    মূল রাস্তা ছেড়ে গাড়ি দুটো প্রাইভেট লেখা পথটায় ঢুকল। খানিকটা যাওয়ার পর বাঁক নেবার মুখে ভার্গিসের নির্দেশে তারা থামল। ভার্গিস চারপাশে দেখে নিলেন। কোথাও কোনও শব্দ নেই। হাওয়ারা গাছের পাতায় ঢেউ তুলে যাচ্ছে সমানে। পাহাড়ের এই সৌন্দর্য দেখার মন বা সময় ভার্গিসের নেই। তিনি চিতাটার কথা মনে করলেন। এই দিনদুপুরে নিশ্চয়ই সেটা এখানে অপেক্ষা করবে না আক্রমণের জন্যে।

    ভার্গিস হেঁটে ভ্যানের সামনে পৌঁছালেন। আদেশ দিলেন বন্দিকে নামিয়ে দিতে। ডেভিডকে নামানো হল। ওর হাতকড়ার দিকে একবার তাকালেন তিনি। ওটা থাক। ঝুঁকি নেবার কোনও মানে হয় না। সবাইকে ওখানেই অপেক্ষা করতে বলে ডেভিডকে জিপে তুলে ড্রাইভারকে সরিয়ে নিজেই স্টিয়ারিং-এ বসলেন। ডেভিডের মাথায় যন্ত্রণা হচ্ছিল। ব্যান্ডেজে ইতিমধ্যে লাল ছোপ এসেছে। সে ভার্গিসকে জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনি আমাকে কোথায় নিয়ে যাচ্ছেন?’

    ‘গেলেই দেখতে পাবে। এতক্ষণে তোমার ছাল চামড়া ছাড়িয়ে নেবার কথা। কপাল করে জন্মেছিলে বলে আমার পাশে বসে যেতে পারছ।’ ভার্গিস চুরুট চিবোলেন।

    ডানদিকে বাঁক ঘুরতেই জিপ চালাতে চালাতেই ব্রেকে পা দিলেন ভার্গিস। তার বুক ধক করে উঠল। নীচে ঢালু পথটার শেষের মাঠের গায়ে বাংলোর সামনে একটা সাদা টয়োটা দাঁড়িয়ে আছে। তার মানে ম্যাডাম ইতিমধ্যেই এখানে পৌঁছে গিয়েছেন। থুক্‌ করে থুতু ফেলতেই ভার্গিসের মুখ থেকে চুরুটটা ছিটকে বাইরে গিয়ে পড়ল। সর্বনাশ হয়ে গেল। এখন যা হবার তাই হবে। ম্যাডাম নিশ্চয়ই সাতসকালে এখানে এসে এখান থেকেই তাঁকে টেলিফোন করেছিলেন। তিনি যখন সার্জেন্টকে টেলিফোনে খুঁজেছেন তখন ওঁর নির্দেশেই কেউ রিসিভার তোলেনি। অথাৎ ওঁকে লুকিয়ে চৌকিদারকে পাহারা দেবার জন্যে যে তিনি এখানে একজন সার্জেন্টকে পাঠিয়েছেন তা ইতিমধ্যে ম্যাডাম জেনে গেছেন।

    ‘ভার্গিস ধীরে ধীরে বাংলোর সামনে জিপটা রাখতেই ম্যাডামকে দেখতে পেলেন। ওপাশে একটা বেতের চেয়ারে বসে আছেন টেবিলে দুই পা তুলে। চোখে বড় সানগ্লাস। গাড়ির শব্দে চোখ ফেরালেন না। ভার্গিস জানেন ম্যাডাম এখানে একা আসেননি। ওঁর দেহরক্ষী কাম ড্রাইভার নিশ্চয়ই ধারে-কাছে আছে।

    ভার্গিস জিপ থেকে নেমে কাছে এগিয়ে গেলেন, ‘গুড আফটারনুন ম্যাডাম!’

    ম্যাডামের মাথা ঈষৎ নড়ল। পা না সরিয়ে তিনি বললেন, ‘বসন্তলালের পছন্দ ছিল। জায়গাটা দারুণ!’

    ভার্গিস কি বলবেন ভেবে পেলেন না। এই সময়ে জায়গার তারিফ করা কেন? তিনি মুখ ঘুরিয়ে দেখার চেষ্টা করলেন চারপাশ। সার্জেন্ট কিংবা চৌকিদারটাকে দেখা যাচ্ছে না। ম্যাডাম কি বাংলোর ভেতরে ঢুকেছেন? বারান্দার ওপাশে দরজাগুলো এখন বন্ধ।

    ‘আপনি অবশ্য এসব কোনও দিন বুঝলেন না।’ ম্যাডাম পা নামালেন। চেয়ারে সোজা হয়ে বসে বললেন, ‘মিস্টার ভার্গিস, আপনার জীবনে শুনেছি কখনওই রোমান্স আসেনি!’

    ভার্গিসের গলা বুজে এল, ‘আসলে, ম্যাডাম, সার্ভিসে ঢুকেছিলাম অল্প বয়সে। এটাই মন দিয়ে করতে করতে কখন যে বয়স হয়ে গেল তা বুঝতে পারিনি।’

    ‘কত বয়স আপনার?’

    ‘ফিফটি ফোর।’

    ‘বোম্বেতে শুনেছি ওই বয়সের অভিনেতা নায়ক হয়। আপনি শোনেননি?’

    ‘আমি মানে, ফিল্ম সম্পর্কে কিছুই জানি না।’ ভার্গিস স্বীকার করলেন।

    ‘আকাশলালকে ওরা কবর থেকে তুলে কিভাবে সরাল?’

    হঠাৎই ম্যাডাম কাজের কথায় চলে আসায় ভার্গিস সোজা হলেন, ‘আমরা সন্দেহ করেছিলাম অ্যাম্বুলেন্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কারফিউ-এর সময় অন্য গাড়িকে রাস্তায় অ্যালাউ করা হয় না।’

    ‘শহরে যে-কটা অ্যাম্বুলেন্স আছে খোঁজ নিয়েছেন?’

    ‘হ্যাঁ। যে অ্যাম্বুলেন্সটিকে আটকানো হয়েছিল সেটা নাকি লেডি প্রধানের কল পেয়ে গিয়েছিল। ভদ্রমহিলা খুবই অসুস্থ।’

    ‘লেডি অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে যাবেন, এটা ভাবতে পারেন?’

    ‘না ম্যাডাম। কিন্তু লেডির সঙ্গে কথা বলা যাবে না এখন। ওঁর বাড়ির লোকদের জেরা করার অর্ডার দিয়ে এসেছি।’

    ‘গুড। লোকটাকে এনেছেন?’

    ‘হ্যাঁ। আমার জিপে আছে।’

    ‘নিয়ে আসুন এখানে।’

    ভার্গিস ফিরে গেলেন জিপের পাশে। ডেভিডকে হুকুম করলেন নেমে আসতে। ডেভিড ভদ্রমহিলাকে লক্ষ করছিল। এখানে তাকে কেন নিয়ে আসা হয়েছে তা সে বুঝতে পারছিল না।

    ডেভিড কাছে যেতেই ম্যাডাম উঠে দাঁড়ালেন, ‘হ্যালো! আপনি ডেভিড?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘বসুন। মিস্টার ভার্গিস, আমরা কি কথা বলতে পারি?’

    ‘অ্যাঁ?’ ভার্গিস প্রথমে বুঝতে পারেননি।’

    ‘আমরা একটু কথা বলতে চাই। আপনি ততক্ষণে জায়গাটাকে দেখুন। বলা যায় না এই ফিফটি ফোরেও নতুন করে সব কিছু শুরু করতে পারেন।’ ম্যাডাম শব্দ করে হাসলেন।

    অর্থাৎ ওঁকে সরে যেতে বলা হচ্ছে। এটা বেআইনি। ম্যাডাম সরকারের কেউ নন। তাঁর সঙ্গে এত বড় অপরাধীকে একা রেখে যাওয়ার জন্যে তাঁকে জবাবদিহি দিতে হতে পারে। কিন্তু একথাও ঠিক, ম্যাডাম ছাড়া তাঁর কোনও অবলম্বন নেই। ভার্গিসের মনে হল তাঁর সামনে একটা সুযোগ এসেছে। হাতকড়া থাকায় ডেভিডের পক্ষে পালিয়ে যাওয়া অসম্ভব। কিন্তু তিনি এই ফাঁকে বাংলোটাকে সার্ভে করে নিতে পারেন। যদি সার্জেন্ট চৌকিদারকে নিয়ে এর ভেতরে লুকিয়ে থাকে তাহলে তাদের সরাবার ব্যাবস্থা করতে পারবেন।

    ভার্গিস হাঁটতে শুরু করলে ম্যাডাম বললেন, আপনাকে বসতে বলেছি।’

    ডেভিড বসল। এতক্ষণে সে ভদ্রমহিলাকে চিনতে পেরেছে। এই রাজ্যের সবচেয়ে ক্ষমতাবতী মহিলা। এঁর আঙুলের ইশারায় সব কিছু হতে পারে।

    ম্যাডাম চেয়ারে বসে বললেন, ‘আকাশলালকে নিয়ে গিয়ে কি করবেন?’

    ‘আমি জানি না।’

    ‘আমি জানি।’

    ‘তার মানে?’

    ‘কোনও মৃত মানুষকে নতুন করে কবর দেবার জন্যে কেউ এমন ঝুঁকি নেয় না।’

    ‘আমি আপনার কথা বুঝতে পারছি না।’

    ‘ঠিক আছে, আপনি চাইলে আমি বুঝিয়ে দেব। তার আগে বলুন আমাদের মধ্যে কি ধরনের সম্পর্ক হবে? আপনি আমার বন্ধুত্ব চান?’ ঠোঁটের কোণে মদির ভাঁজ ফেললেন ম্যাডাম। ধরা পড়ার পর থেকে এতক্ষণ যেভাবে কেটেছে, এই মুহূর্তটি তার সম্পূর্ণ বিপরীত। ওই হাসিটি ডেভিডকে বেশ নাড়া দিল। তবু সে বলল, ‘বন্ধুত্ব সমানে সমানে হয়।’

    ‘ঠিক কথা। আর হয় নারী এবং পুরুষে। তাই না?’ এবার হাসিটা আরও একটু জোরে।

    বাংলোর বারান্দায় উঠেও সেই হাসি শুনতে পেলেন ভার্গিস। মেয়েমানুষটার মতলব কি? এত হাসি ওরকম একটা দেশদ্রোহীর সঙ্গে কিভাবে হাসছে? মানুষ যদি হাসি শুনেই পেটের সব কথা উগরে দিত তাহলে টরচার-শেল তুলে দিতে হত বাহিনী থেকে।

    ভাঙা কাচের দরজার সামনে এসে দাঁড়ালেন ভার্গিস। চাপ দিলেন কিন্তু ওটা খুলল না। অতএব ভাঙা জায়গা দিয়ে হাত ঢোকাতে ছিটকিনি পেয়ে গেলেন। যে কেউ বাইরে এসে এইভাবে দরজা বন্ধ করে চলে যেতে পারে। ভার্গিস ঘাড় ফিরিয়ে তাকালেন। লনের দুটো মানুষ এখন নিজেদের কথা নিয়ে ব্যস্ত। তিনি দরজাটা ভেতরে ঢুকেই বন্ধ করে দিলেন।

    বাইরে তবু হাওয়ার শব্দ ছিল, ভেতরে কোনও আওয়াজ নেই। ভার্গিস জানেন ওরা এখানেই লুকিয়ে আছে। হয়তো ম্যাডাম এসেছেন বলেই সামনে আসতে পারছে না। তিনি চাপা গলায় ডাকলেন, ‘অফিসার!’ কেউ সাড়া দিল না।

    ভার্গিস ধীরে ধীরে ঘরটি অতিক্রম করলেন। জানলাগুলোর সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় তাঁর চোখ বাইরে লক্ষ করছিল। ম্যাডাম এবং ডেভিড কথা বলছে। ভার্গিস হাসলেন। ম্যাডামের শরীরে এখনও ওই কিসব বলে, সেসব আছে। কিন্তু লনের চেয়ারে বসে কথা বললে ডেভিড কতটা কাত হবে?

    দ্বিতীয় ঘরটি ডাইনিং কাম স্টোর রুম। লুকোবোর জায়গা নেই। তৃতীয় ঘরটিতে একটা ন্যাড়া তোশক রয়েছে খাটের ওপরে। ঘরটিকে ব্যবহার করা হয়েছে। অ্যাসট্রেতে প্রচুর সস্তার সিগারেটের অবশিষ্ট। ঘরের একপাশে টেবিল চেয়ার। ভার্গিস টেবিলের সামনে দাঁড়ালেন। কয়েকটা পেপারওয়েট আর একটা কলমদানি ছাড়া টেবিলে কিছু নেই। লোক দুটো গেল কোথায়? ম্যাডামকে দেখে জঙ্গলে পালিয়ে যায়নি তো? যেতে পারত যদি সার্জেন্ট একা থাকত। চৌকিদারটা তো সহজে যেতে চাইবে না। ওর মস্তিষ্ক ঠি্‌কঠাক নেই। ভার্গিস ড্রয়ার টানলেন। কয়েকটা কাগজ, একটা ডটপেন এবং হাতঘড়ি চোখে পড়ল। ঘড়িটাকে তুলে নিলেন ভার্গিস। ঠিক সময় দিচ্ছে। সাধারণ ঘড়ি, নিত্য দম না দিলে যে ঘড়ি বন্ধ হয়ে যায় এটি সেই রকমের। ব্যান্ড চামড়ার। নাকের কাছে ধরতে ঘামের গন্ধ পেলেন। এবং তার পরই খেয়াল হল গতবছর বাহিনীর সব পুলিশ অফিসারকে বোর্ড একটা করে হাতঘড়ি দিয়েছিল। ওপরের অফিসাররা দামি ঘড়ি পেয়েছিলেন। নীচের তলায় এইরকম ঘড়ি দেওয়া হয়। অর্থাৎ ঘড়িটি এখানে সার্জেন্ট রেখেছে। দম দেওয়া হয়েছে গত চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে। আর তার একটাই অর্থ সে এখানে ছিল এবং এখনও আছে। ভার্গিস চাপা গলায় ডাকলেন, ‘সার্জেন্ট!’

    দরজা জানলা বন্ধ থাকায় নিজের গলা আরও মোটা এবং জড়ানো বলে মনে হল ভার্গিসের। ব্যাটা গেল কোথায়? তিনি ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন ঘড়িটা পকেটে পুরে। এপাশে একটা ছোট দরজা। ঠেলাঠেলি করতে সেটাও খুলল। ভার্গিস দেখলেন নীচে সিঁড়ি চলে গেছে এবং নীচের তলায় আলো জ্বলছে। আচ্ছা। সার্জেন্টের লুকিয়ে থাকার জায়গা আবিষ্কার করে ভার্গিস খুশি হলেন। মাটির নীচের ঘরেই বাবু বসন্তলালের কফিন ছিল। নিজের রিভলভারটাকে হাত দিয়ে ছুঁয়ে নিয়ে ভার্গিস তাঁর ভারী শরীর কাঠের সিঁড়িতে রাখলেন। ঠক্ ঠক্ শব্দ হচ্ছে। নীচের ঘরে বোটকা গন্ধ। তিনি নীচে নামামাত্র শব্দ হতে লাগল। একটা ছোট কাঠের টুকরো যেন পড়ে গেল। ভার্গিস রিভলভার বের করে ডাকলেন, ‘সার্জেন্ট। ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ম্যাডাম এখনই চলে যাবেন। বেরিয়ে আসুন। কুইক।’

    আর একটা আওয়াজ হল। ভার্গিস মুখ ফিরিয়ে দেখতে পেলেন দুটো ধাড়ি ইঁদুর ছুটে গেল পাশ দিয়ে। এত বড় ইঁদুর সচরাচর দেখা যায় না। তিনি কয়েক পা এগিয়ে ঘরটিকে দেখলেন। পুরনো আসবাব ডাঁই করে রাখা আছে এখানে। মাকড়সার জাল ছিল একসময়। এখন তার কিছু কিছু এখানে ওখানে ঝুলছে। টেবিলের ওপর একটা কফিন পড়ে আছে। এই কফিনটির কথা তিনি জানেন। বাবু বসন্তলালের মৃতদেহ মাটির নীচের ঘরে একটি কফিনে রাখা ছিল। মনে হচ্ছে এটিই সেই কফিন। তিনি এগিয়ে যেতেই কফিনের ভেতর থেকে স্রোতের মত ইঁদুরের দল বাইরে লাফিয়ে লাফিয়ে পড়তে লাগল। ভার্গিসের মতো মানুষও একটু ভয় পেয়ে গেলেন কাণ্ড দেখে। রিভলভারের গুলি দিয়ে ইঁদুর মারার মতো কাজ যদি তাঁকে করতে হয় তাহলে লজ্জার শেষ থাকবে না। কিন্তু এদের কাণ্ড এবং সাহস দেখে সেটাই মনে হচ্ছে। ভার্গিস বুঝতে পারলেন কফিনে কিছু না থাকলে ওর ভেতর ইঁদুরদের আকর্ষণ থাকত না। তিনি আর একটু এগিয়ে মুখ নামাতে গিয়ে চমকে উঠলেন। সমস্ত শরীর থরথরিয়ে কেঁপে উঠল। তাঁর মতো জাঁদরেল পুলিশ অফিসারের পেট গুলিয়ে উঠল দৃশ্যটা দেখে। দ্রুত, প্রায় ছিটকে সিঁড়ির কাছে চলে এলেন তিনি। নিজের শরীরটাকে প্রায় টেনে হিঁচড়ে ওপরে তুলে এনে শোওয়ার ঘরের চেয়ারে ফেলে দিলেন। যদিও সাধারণ মানুষের চেয়ে তাঁর অনেক কম সময় লাগল সামলে নিতে, তবু দৃশ্যটা তিনি ভুলতে পারছিলেন না। সরকারি ইউনিফর্ম পরা সার্জেন্ট শুয়ে আছে কফিনের মধ্যে। চিত হয়ে। ইতিমধ্যেই ইঁদুরেরা ওর শরীরের খোলা জায়গা থেকে মাংস খুবলে নিয়েছে। প্রথম আক্রমণ ওরা করেছে চোখ এবং ঠোঁটের ওপর। চোখের গর্ত দুটো আর মুখের ভেতরে রক্তাক্ত গহ্বর দেখতে পেয়েছেন তিনি। হ্যাঁ, এখনও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় চটচটে রক্ত রয়েছে। কালো জমাট হবার সময় পুরোটা পায়নি।

    ভার্গিস উঠে দাঁড়ালেন। সার্জেন্টকে খুন করা হয়েছে। এবং ওই ঘটনা ঘটেছে আজ সকালের মধ্যেই। খুন করে কফিনে শুইয়ে দিয়েছে আততায়ী। এখনই হেডকোয়ার্টার্সে টেলিফোন করে এক্সপার্টদের এখানে আনা দরকার। তিনি পা ফেলে জানলার কাছে আসতেই তাঁর চোখ লনের ওপর গেল। ম্যাডাম কথা বলছেন। ডেভিডের মুখ নিচু।

    সঙ্গে সঙ্গে ভার্গিসের খেয়াল হল। সার্জেন্ট কেন এখানে এসেছিল এই কৈফিয়ত যদি তাঁর কাছে চাওয়া হয় তাহলে তিনি কি জবাব দেবেন? ওকে তিনিই পাঠিয়েছিলেন এই বাংলোয় তা আর কি কেউ জানে? না। চটজলদি কিছু করার দরকার নেই। তিনি জানেন না, কিছুই দেখেননি। নিজেকে বোঝাতে চেষ্টা করলেন ভার্গিস। কোনওভাবেই তিনি ম্যাডামের কাছে ধরা পড়তে রাজি নন।

    কিন্তু এত বড় খুন করল কে? একটা আধাপাগল চৌকিদার এমন কাজ করবে তা তিনি বিশ্বাস করেন না। তাঁর মনে পড়ল সার্জেন্ট যখন চৌকিদারের সঙ্গে কথা বলার পর তাঁকে টেলিফোন করেছিল তখন কিছু সাক্ষী থেকে গিয়েছিল। থাকগে। কিছু কিছু ব্যাপার উপেক্ষা করতেই হয়। কিন্তু খুনি কে? যে-ই হোক তাকে তিনি ছাড়বেন না কিছুতেই।

    ভার্গিস সন্তর্পণে দরজা বন্ধ করে বারান্দায় পা রাখলেন। তাঁর কানে এল ম্যাডাম বলছেন, ‘ধরুন আমি যদি প্রচার করি আপনি আমার কাছে, পুলিশের কাছে সব কথা ফাঁস করে দিয়েছেন তাহলে আপনার দলের লোকেরা সেটা কি অবিশ্বাস করবে?’

    ‘হ্যাঁ, করবে।’

    ‘না। করবে না। আকাশলাল মারা যাওয়ার আগেই সুড়ঙ্গ খোঁড়া হয়েছিল। তার শরীর যখন কবর দেওয়া হচ্ছিল তখন আপনারা সুড়ঙ্গের মধ্যে ছিলেন। আমি বলব আপনি বলেছেন এই মৃত্যুটা সাজানো।’

    ‘না। আমি এই কথা বলিনি।’

    ‘বলেছেন। আকাশলাল তো নাও মারা যেতে পারে। যে ডাক্তারের সার্টিফিকেটের ওপর নির্ভর করে ওকে কবর দেওয়া হয়েছিল সে মিথ্যা কথা বলতে পারে। এই কথাও আমি আপনার কাছ থেকে শুনেছি।’

    ম্যাডামের কথা শেষ হওয়ামাত্র ডেভিড খুব নার্ভাস গলায় বলল, ‘এসব আপনি কি বলছেন! আমি এ কথাগুলো বলিনি।’

    ‘কিন্তু কথাগুলো সত্যি হতেও তো পারত।’

    ‘হয়তো।’

    ‘হয়তো নয়। আপনি বলুন, এটাই সত্যি।’

    ‘আপনি আমাকে এতক্ষণ যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা রাখবেন?’

    ‘অবশ্যই।’

    ‘বেশ। আমি যা জানি তার সঙ্গে আপনার অনুমানের মিল আছে।’

    ‘গুড। মিস্টার ভার্গিস। ডেভিডকে আমরা এখান থেকেই ছেড়ে দিতে পারি?’

    ‘তার মানে?’ ভার্গিসের গলা মিনমিনে।

    ‘ধরুন উনি এখান থেকে চলে যাওয়ার পর আপনি কি বলতে পারেন না যে পুলিশের ভ্যান থেকে পালিয়ে গেছেন। এমন তো কত আসামি পালায়। আপনি ওঁকে সময় দেবেন ইন্ডিয়ায় চলে যেতে। উনি যে সহযোগিতা করছেন তার বিনিময়ে এটুকু আমাদের করতেই হবে।’

    ‘আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।’

    ‘আমরা অনুমান করছি আকাশলাল মারা যায়নি। ডাক্তার মিথ্যে সার্টিফিকেট দিয়েছেন। ওঁরা জীবিত আকাশলালের জন্যেই সুড়ঙ্গ খুঁড়েছিলেন।’

    ‘অসম্ভব। ডাক্তারকে আমি চিনি। তাছাড়া আমি নিজে ডেডবডি দেখেছি। ম্যাডাম, আকাশলাল অত্যন্ত অসুস্থ ছিল। তার হৃদযন্ত্র বন্ধ ছিল না, পাল্‌স পাওয়া যায়নি। ওই অবস্থায় মাটির নীচে পাঁচ মিনিট থাকলেও, ধরে নিলাম ওকে জীবন্ত কবর দেওয়া হয়েছিল, ধরে নিয়ে বলছি, পাঁচ মিনিটও ওর পক্ষে মাটির নীচে থাকা সম্ভব নয়।’ তীব্র প্রতিবাদ করলেন ভার্গিস, এই লোকটা আপনাকে আষাঢ়ে গল্প শোনাচ্ছিল।’

    ‘গল্পটা আষাঢ়ে কিনা সেটার প্রমাণ আমরা শিগ্‌গির পাব। মিস্টার ডেভিড, আপনি ইন্ডিয়ায় চলে যাওয়ার পরেই আমরা আকাশলালকে অ্যারেস্ট করব।’

    ‘আকাশলাল? তাকে আমরা কোথায় পাচ্ছি?’ ভার্গিস জিজ্ঞাসা করলেন।

    কিছু বলতে গিয়েও থেমে গেলেন ম্যাডাম। তাঁর চোখে বিস্ময়। সেই চোখ দুটো স্থির হয়ে আছে হাত দশেক দূরের ঝোপের মধ্যে। ভার্গিস সেটা লক্ষ করলেন। ম্যাডাম বললেন, ‘কেউ আমাদের লক্ষ করছে। এখানে আর কে থাকে?’

    ‘কেউ না, কেউ না।’ ভার্গিস অনুমান করলেন চৌকিদারটা ফিরে এসেছে। ম্যাডাম যদি তাকে একবার দেখতে পায়! কি করা যায় এখন?

    ম্যাডাম বললেন, ‘ডেভিড, আপনার দলের কেউ না তো?’

    ‘আমি জানি না।’

    ‘লোকটা, আমি স্পষ্ট একটা লোককে ওখানে দেখেছি। ও আমাদের খুন করতে পারে মিস্টার ভার্গিস। আপনি কিছু একটা করুন।’

    ভার্গিস সন্তর্পণে রিভলভার বের করলেন। তাঁর মনে হল চৌকিদারের মুখ বন্ধ করার এটাই সুযোগ। ওকে মেরে ফেললে ম্যাডাম কিছুই জানতে পারবেন না। তিনি চকিতে গুলি চালালেন। সঙ্গে সঙ্গে একটা আর্তনাদ শোনা গেল এবং ঝোপের ওপাশে কেউ পড়ে গেল।

    ভার্গিস রিভলভার নিয়ে ছুটে গেলেন। ঝোপ সরিয়ে কাছে যেতেই লোকটাকে দেখতে পেয়ে তিনি হতভম্ব হয়ে গেলেন। ওর পরনে ড্রাইভারের পোশাক। এই লোকটাই তো ম্যাডামের গাড়ি চালায়। এইসময় পেছনে আওয়াজ পেলেন ভার্গিস।

    ‘মাই গড! এ আপনি কাকে গুলি করেছেন?’

    ‘আমি বুঝতে পারিনি। আমি একদম ভাবিনি!’ ককিয়ে উঠলেন ভার্গিস!

    ‘ইজ হি ডেড?’

    ভার্গিস ঝুঁকে দেখলেন। বুঝতে অসুবিধে হল না। মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললেন।

    ‘ওর পকেটে কি আছে দেখুন।’

    ভার্গিস চিত করে লোকটাকে শুইয়ে পকেটে হাত দিলেন। কাগজ, আইডেন্টিটি কার্ড, কারফিউ পাশ এবং একটি ছোট পিস্তল বেরিয়ে এল।

    ‘ওগুলো আমার হাতে দিন।’

    ভার্গিস আদেশ মান্য করল। ড্রাইভারের পকেটে পিস্তল কেন?

    ম্যাডাম ঘুরে দাঁড়িয়ে চিৎকার করলেন, ‘ওহো নো!’

    ভার্গিস বেরিয়ে এলেন ঝোপের আড়াল থেকে। ডেভিড ততক্ষণে দৌড়ে লনের শেষ প্রান্তে চলে গিয়েছে। জঙ্গলে ঢুকে পড়ছে। ম্যাডাম ঠাণ্ডা গলায় বললেন, ‘ফায়ার করুন।’

    ছুটে গেলে লোকটাকে ধরা যায়। হাতে হাতকড়া নিয়ে কেউ দ্রুত পালাতে পারে না।ওকে মেরে ফেললে অনেক ক্ষতি। ম্যাডাম দাঁতে দাঁত চাপলেন, ‘শুট হিম।’

    আর পারলেন না ভার্গিস। রিভলভারের লক্ষ্য সম্পর্কে কোনও দ্বিধা করার কারণ ছিল, না। ডেভিডের শরীরটা জঙ্গলে আটকে পড়ল।

    ম্যাডাম বললেন, ‘গিয়ে দেখুন মারা গিয়েছে কিনা।’

    ভার্গিসকে ছুটতে হল। ডেভিড মৃত জানাতেই ম্যাডাম বললেন, ‘ওর হাতকড়া খুলে নিন। আমার ড্রাইভারকে খুন করে পালাচ্ছিল বলে আপনি ওকে খুন করতে বাধ্য হয়েছেন। বাই।’

    মহিলা দ্রুত চলে গেলেন গাড়ির পাশে। ব্যাগ থেকে চাবি বের করে দরজা খুলে স্টিয়ারিং-এ বসলেন। তারপরই সাদা হাঁসের মতো বেরিয়ে গেল সাদা টয়োটা।

    দুপাশে দুটো মৃতদেহ। ভার্গিস লনের মাঝখানে এসে দাঁড়ালেন। পকেট থেকে রুমাল বের করে কপালের ঘাম মুছলেন। গাড়ির চাবি ড্রাইভারের কাছেই থাকার কথা। ওর পকেটে চাবিটা ছিল না, ছিল ম্যাডামের ব্যাগে। কেন? যিনি গাড়ি চালিয়ে আসেননি তিনি কেন চাবি রাখবেন? ড্রাইভারকে পাশে বসিয়ে ম্যাডাম নিশ্চয়ই গাড়ি চালাননি। ম্যাডাম কি জানতেন ড্রাইভারকে সরিয়ে দিতে হবে? তার মানে ওই ড্রাইভারই সার্জেন্টকে খুন করেছে। আর সেই কারণে প্রমাণ লোপ করতে পিস্তলটা নিয়ে গেলেন।

    ভার্গিসের সমস্ত শরীর কেঁপে উঠল। কী ভয়ানক মহিলা। নিজের ড্রাইভারকে খুন হতে দেখেও তিনি ভার্গিসকে কোনওরকম দোষারোপ করেননি। কেন? ভার্গিস দেখলেন চার-পাঁচজন পুলিশ ছুটে আসছে। হয়তো ম্যাডামই তাদের জানিয়ে গেছেন। তিনি একটা চেয়ারে বসে পড়ে বললেন, ‘দুপাশে দুটো মৃতদেহ আছে। ভেতরে নীচের তলার ঘরে আর একজন। তিনটে বডি এক জায়গায় করো।’

    পুলিশরা কাজে লেগে গেল। ভার্গিস বসে বসে ভেবে কূল পাচ্ছিলেন না। এসব করে ম্যাডামের কি লাভ হচ্ছে। ঘটনাগুলো এমনভাবে ঘটে গেল যে ম্যাডামকে কোনও ভাবেই দোষী করা যাবে না। বরং ম্যাডাম ইচ্ছে করলে তাঁকেই—মাথা নাড়লেন ভার্গিস। আর তখনই ওপাশের জঙ্গল থেকে একটা পুলিশ চিৎকার করে সঙ্গীদের ডাকতে লাগল। মিনিট খানেকের মধ্যেই ভার্গিস নিজের চোখে দৃশ্যটা দেখলেন। তিনটে নয়। আজ বাংলোর ভেতরে বাইরে চারটে মৃতদেহ রয়েছে। চৌকিদারকে গলায় ফাঁস দিয়ে মেরে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওর জন্যে বুলেট খরচ করেনি ম্যাডামের ড্রাইভার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }