Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৩. টিভিতে তিনজনের বক্তব্য

    তেইশ

    টিভিতে তিনজনের বক্তব্য শুনল অনীকা। তার ঘুম আসছিল না। টিভির সামনে বসে সে বিস্ময়ে হতবাক। একটু একটু করে সরকার থেকে কি সুন্দরভাবে আকাশলালের অসুস্থতা থেকে মৃত্যুসংবাদ প্রচার করে দিল। বিশেষ করে আকাশলালের কাকাকে হাতের কাছে রেখে তাঁকে দিয়ে ভাইপো সম্পর্কে বলানোর মধ্যে ভাল পরিকল্পনা আছে। সন্ধের পরে সে তার কাগজে যে খবর পাঠিয়েছিল তাতে উৎসবের বর্ণনার চেয়ে আকাশলালই অনেকখানি জুড়ে ছিল। মানুষটার অসুস্থতা সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেছিল সে। এখন মৃত্যুসংবাদ পাঠানোর কোনও উপায় নেই।

    হঠাৎ অনীকার মনে হল ওরা আজ রাত্রেই আকাশলালকে কবর দেবে। দিনের আলোয় কারফিউ থাকা সত্ত্বেও মৃতদেহ বের করার ঝুঁকি নিশ্চয়ই নেবে না। কিন্তু এই ব্যাপারটা আকাশলালের সঙ্গীরা আগাম জানল কি করে? নইলে কেউ কবরের জায়গা দেখতে যায়? ওই মেয়েটি এবং তার সঙ্গী যদি আকাশলালের দলের হয় তবে কবরখানা দেখে তাদের কি লাভ। পুলিশের খাতায় নিশ্চয়ই তাদের নাম আছে এবং পুলিশ নেতার মৃতদেহ হাতছাড়া করবে না। তাহলে কবরখানা দেখে ওদের কি লাভ? অস্বস্তি প্রবল হয়ে উঠল অনীকার। তার মনে হচ্ছিল আজ রাত্রে সেই কবরখানায় যেতে পারলে ও এমন কিছুর সাক্ষী হবে যা অন্য কোনও খবরের কাগজের লোক ভাবতেও পারবে না কাল। কিন্তু কি ভাবে যাওয়া যায় সেখানে? একেই এখন গভীর রাত। তার ওপর কারফিউ চলছে। যে কোনও মানুষকে রাস্তায় দেখলে পুলিশের গুলি করার অধিকার আছে। কারফিউ-এর মধ্যে মারা গেলে কারও সহানুভূতিও পাওয়া যাবে না। কিন্তু সেই ভয়ে বসে থাকলে খবরটা হাতছাড়া হয়ে যাবে।

    অনীকা চিরকালই একটু ডানপিটে। তার এই স্বভাবের জন্যে সাংবাদিকতার চাকরিতে যথেষ্ট সুবিধে হয়েছে। মেয়ে হিসেবে যারা তাকে গুরুত্ব দেয় না তারাই পরে বোকা হয়ে যায়। এই রাত্রে অনীকা ঠিক করল কবরখানায় যাবে। সে তৈরি হল জিনস আর জ্যাকেট পরে। পায়ে কেডস, যাতে দৌড়ানো সহজ হয়। ঘর থেকে বেরিয়ে দেখল টুরিস্ট লজের করিডোরে আলো জ্বলছে। যেহেতু এখন কারও জেগে থাকার কথা নয় তাই একটুও শব্দ নেই। সে নিঃশব্দে নীচে নেমে এসে দেখল সদর দরজা বন্ধ। সেখানে তালা পড়েছে। তালা খোলাতে গেলে যে ডাকাডাকি করতে হয় সেটা অভিপ্রেত নয়। এক মুহূর্ত চিন্তা করে সে পেছন ফিরল। তার ঘরের ব্যালকনি থেকে নীচে নামার চেষ্টা করতে হবে।

    নিজের ঘরে এসে অনীকা ব্যালকনিতে গেল। এই উচ্চতা লাফিয়ে নামা বিপজ্জনক হবে। তাছাড়া এদিকটা একদমই খাড়া। সেইসময় যদি টহলদারি ভ্যান আসে তাহলে দেখতে হবে না। তার মনে হল লজে ঢোকার জন্যে নিশ্চয়ই পেছনেও একটা দরজা আছে। সেখানেও কি তালা থাকবে? সে আবার ঘর থেকে বের হল।

    ‘ম্যাডাম! আপনার কি কোনও অসুবিধে হচ্ছে?’

    চমকে পেছন ফিরে তাকিয়ে অনীকা দেখল লজের সেই কর্মচারীটি তার দিকে তাকিয়ে আছে। নিজেকে সামলে নিয়ে সে বলল, ‘হ্যাঁ। আমার একটু বাইরে যাওয়া প্রয়োজন। দরজায় তালা থাকায় যেতে পারছি না। আপনি এখানে কি করছেন?’

    ‘আমার কথা ছেড়ে দিন। কিন্তু এত রাত্রে কারফিউ-এর মধ্যে আপনি কোথায় যাবেন?’

    ‘ব্যাপারটা একদম ব্যক্তিগত।’

    ‘আমি আপনাকে বলতে পারি এখন বের হলে বেঁচে ফিরে নাও আসতে পারেন। তাছাড়া এই সময়ে গেট খুলে দিলে সেটা পুলিশকে জানানো কর্তব্য। এই লজ সরকারি।’ লোকটি বলল।

    অনীকা ঠোঁট কামড়াল।

    লোকটি হাসল, ‘অবশ্য তেমন প্রয়োজন পড়লে আপনি পুলিশের কাছে কারফিউ পাশ চাইতে পারেন।’

    ‘অনেক ধন্যবাদ। কিন্তু ব্যাপারটা আমি পুলিশকে জানাতে চাই না।’

    লোকটির মুখচোখে পরিবর্তন এল যেন, অন্তত তাই মনে হল অনীকার। একটু ভাবল যেন। তারপর বলল, ‘আপনি এ দেশের মানুষ নন। তাহলে পুলিশের সঙ্গে ঝামেলায় যাচ্ছেন কেন?’

    ‘আমি সাংবাদিক। সংবাদ নেওয়া আমার কাজ। পুলিশ যদি সেটা গোপন রাখতে চায় তাহলে আমি তাদের এড়িয়ে যাব, এটাই স্বাভাবিক।’ অনীকা বলল।

    ‘আপনি এখানকার পথঘাট চেনেন?’

    ‘আমি যেখানটায় যাব সেখানে আজ বিকেলে গিয়েছিলাম। মনে হচ্ছে চিনে যেতে পারব।’ খুব দৃঢ়তার সঙ্গে বলল অনীকা।

    ‘আপনি নিশ্চয়ই বড় রাস্তা দিয়ে গিয়েছিলেন। সেইভাবে যেতে চাইলে একশ গজও এখন এগোতে পারবেন না। ঠিক আছে, চলুন, আমি আপনাকে সাহায্য করছি।’

    ‘আপনি সাহায্য করবেন মানে? আপনি আমার সঙ্গে যাবেন নাকি?’

    ‘আপনার সঙ্গে যাব না। কারণ আপনি কোথায় যেতে চাইছেন তা আমাকে বলেননি। আমি আমার কাজে যাব। আপনাকে গলির পথ চিনিয়ে দিতে পারি যেখানে সহজে পুলিশের দেখা পাবেন না। আসুন।’ লোকটি নীচে নামতে লাগল।

    সন্দেহ হচ্ছিল খুব কিন্তু অনীকা কোনও প্রশ্ন করল না। লোকটি রহস্যজনক। এই প্রায় শেষ রাত্রে এমন বাইরে যাবার পোশাক পরে লজের ভেতর দাঁড়িয়ে ছিল কেন? সে কোনও শব্দ করেনি। শব্দ শুনে জেগে ওঠার সম্ভাবনাও ছিল না।

    লোকটি তাকে পেছনের দরজায় নিয়ে এল। দরজাটা ভেতর থেকে বন্ধ। খোলার আগে লোকটি জিজ্ঞাসা করল, ‘আপনি কোন দিকে যেতে চাইছেন?’

    কি বলবে অনীকা? কবরখানার কথা তো না বলে উপায় নেই। সে বলল, ‘একটু আগে টিভি শুনে মনে হল পুলিশ আজ রাত্রেই আকাশলালের কবরের ব্যবস্থা করবে। আমার মনে হওয়া ঠিক কিনা তাই জানতে চাইছি।’

    ‘ও, তাই বলুন। আপনি কবরখানায় যাবেন। সেখানে যদি ওরা আপনাকে দেখতে পায় তাহলে কি ঘটবে অনুমান করছেন?’

    ‘আমাকে ভয় দেখাবার চেষ্টা করবেন না।

    লোকটি কাঁধ নাচাল। তারপর নিঃশব্দে দরজা খুলে বলল, ‘রাস্তার মুখে গিয়ে দুপাশ দেখে নিয়ে এক দৌড়ে পেরিয়ে যাবেন। ঠিক ওপাশে যে গলি আছে তার ভেতর ঢুকে অপেক্ষা করবেন। এগোন।’

    অনীকা প্যাসেজটা দ্রুত হেঁটে এল। রাস্তাটা নির্জন। কোথাও কোনও প্রাণের চিহ্ন নেই। সে দৌড় শুরু করল। রাস্তাটা পার হতে কয়েক সেকেন্ড লাগল। গলির মুখে ঢুকেই সে দাঁড়িয়ে পড়ল। এই গলিতে কোনও আলো নেই।

    ‘চলুন।’ লোকটি এসে গেল।

    অনীকা নিঃশব্দে সেই অন্ধকারে অনুসরণ করল। মনে হচ্ছিল লোকটি বিপজ্জনক নয়।

    তিনটে গাড়ি যখন কবরখানার সামনে এসে দাঁড়াল তখন একটা কুকুরও ধারেকাছে জেগে নেই। কবরখানায় ঢোকার মুখে অফিসঘরের কর্মচারীকে একজন পুলিশ অফিসার তুলে নিয়ে এসেছিল কিছুক্ষণ আগে। ডাক্তারের দেওয়া ডেথ সার্টিফিকেট অনুযায়ী খাতায় আকাশলালের নাম ওঠার পর পুলিশরাই কফিনটা নামাল। অন্ধকার কবরখানায় আলো জ্বালিয়ে সেই কফিনটিকে নিয়ে আসা হল নির্দিষ্ট জায়গাটিতে, যেখানে আকাশলালের পূর্বপুরুষরা মাটির নীচে শুয়ে আছেন।

    কয়েকজন লোক হ্যাজাক জ্বালিয়ে মাটি খুঁড়ছিল। সেই বৃদ্ধ তদারকি করছিলেন। খোঁড়ার সময় যাতে পূর্বপুরুষের কোনও কফিনে আঘাত না পড়ে তা খেয়াল রাখছিলেন তিনি। অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার ঘড়ি দেখছিলেন। এবার তাগাদা করলেন, ‘তাড়াতাড়ি।’

    কেউ কিছু বলল না। কফিনের ঢাকনা সরানো হল। পাদরি পারলৌকিক কাজকর্মে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন। বৃদ্ধ নিচু গলায় খননকারীদের বললেন, ‘আট ফুট গর্ত হয়ে গেছে। আর খোঁড়ার দরকার নেই। তোমরা ওপরে উঠে এসো।’ তারা আদেশ পালন করল।

    আকাশলালের কাকা হ্যাজাকের আলোয় ভাইপোর মুখ দেখছিলেন। পরম প্রশান্তিতে ঘুমাচ্ছে আকাশ। বেঁচে থাকতে খুব জ্বলতে হয়েছে ওর জন্যে। এই বৃদ্ধ বয়সে বিছানায় না শুয়ে আসতে বাধ্য হওয়া, তাও ওরই জন্যে। অথচ ছেলেটা একসময় কি শান্ত ছিল!

    পাদরির অনুমতি পাওয়ামাত্র ধীরে ধীরে কফিনটাকে ভাল করে বন্ধ করে মাটির নীচে নামিয়ে দেওয়া হল। আকাশলালের কাকা এবং উপস্থিত অনেকেই মাটি ফেলতে লাগল কফিনের ওপর। তারপর খননকারীরা ব্যস্ত হয়ে পড়ল। মিনিট দশেকের মধ্যেই গর্ত বুজে গেল এবং জায়গাটা সমান হয়ে গেল।

    তরুণ অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার বললেন, আপনার ভাইপোর জন্যে যে স্মৃতিসৌধ তৈরি করবেন তাতে লিখবেন মরার পর একটুও জ্বালায়নি।’

    কাকা বললেন, ‘মরার পর কে আর সেটা করে বলুন।’

    তরুণ অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার বললেন, ‘আমরা সেইরকম আশঙ্কা করেছিলাম। ব্যাপারটা গোপনে না সারলে এতক্ষণ এখানে গোলাগুলি চলত।’

    ‘হুঁ। এবার আমাকে দয়া করে আমার গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে দিন। আমার স্ত্রী সেখানে একা আছেন। বেচারা খুব ভয় পেয়ে গেছে।’ কাকা হাতজোড় করলেন।।

    মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই কবরখানা খালি হয়ে গেল। শুধু তার বাইরের রাস্তায় একটি পুলিশের ভ্যান দাঁড়িয়ে রইল সশস্ত্র সেপাইদের নিয়ে। হালকা বাতাস বয়ে যাচ্ছিল কবরখানার গাছগাছালিকে ঈষৎ কাঁপিয়ে দিয়ে। প্রায় একঘণ্টা সময় একটা গাছের আড়ালে দাঁড়িয়ে থাকা অনীকা ভেবে পাচ্ছিল না এখন কি করবে। তার চোখের সামনে ওরা আকাশলালের মৃতদেহ নিয়ে এল, কবর দিল এবং চলে গেল। ঘটনাটির বর্ণনা সে টুরিস্ট লজে ফিরে গিয়ে দারুণ ভাষায় লিখে তার কাগজের কাছে পাঠাতে পারবে। কিন্তু তেমন কোনও নাটকীয় ঘটনা তো ঘটল না।

    সকাল হলেও কারফিউ চলবে। সকালের আর বেশি দেরিও নেই। সামনের রাস্তা দিয়ে কবরখানা থেকে বের হওয়া মুশকিল। যে লোকটি তাকে টুরিস্ট লজ থেকে বের করে এনেছিল সে কবরখানার কাছাকাছি এসে সরে গিয়েছিল নিঃশব্দে। লোকটার আচরণ খুবই রহস্যময়।

    অনীকা কবরখানায় ঢুকেছিল রেলিং টপকে। ভেতরে ঢোকার পর সাপ বা বিষাক্ত প্রাণী ছাড়া অন্য কোনও ভয় ছিল না। তার এখন মনে হচ্ছে মানুষের চেয়ে বিষাক্ত প্রাণী কিছু নেই।

    অনীকা ধীরে ধীরে আড়াল ছেড়ে বের হল। এবং তখনই সে একটি ছায়ামূর্তিকে দুলতে দুলতে এগিয়ে আসতে দেখল। মূর্তিটি আসছে মাঝখানের পথ দিয়ে। অনীকা কাঠ হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। এখন লুকোবার সুযোগ নেই কিন্তু না নড়াচড়া করলে হয়তো চোখ এড়িয়ে থাকা যাবে এই অন্ধকারে। মূর্তিটি প্রায় হাত দশেক দূরে এসে সদ্য খোঁড়া কবরের দিকে এগিয়ে গেলে অনীকা চিনতে পারল। সেই বৃদ্ধ ফিরে এসেছে। লোকটার হাঁটার ধরনের জন্যেই মনে হচ্ছিল দুলতে দুলতে আসছে। বৃদ্ধ চারপাশে তাকাল। তারপর সন্তর্পণে খোঁড়া মাটি এড়িয়ে পাঁচিলের দিকটায় পৌঁছে ঘাসের ওপর উবু হয়ে বসল।

    অনীকা দেখল বৃদ্ধ প্রথমে মাটিতে হাত দিল। তারপর ধীরে ধীরে শুয়ে পড়ে একটা কান ঘাসের উপর চেপে ধরল। এমন অদ্ভুত আচরণের কোনও ব্যাখ্যা পাচ্ছিল না অনীকা। যে মানুষ মরে গিয়েছে যাকে কফিনে শুইয়ে মাটির নীচে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে তার কোনও হৃদস্পন্দন শুনতে চাইছে বৃদ্ধ।

    হঠাৎ পিঠে স্পর্শ অনুভব করতেই চমকে ফিরে তাকাল অনীকা। দুজন মানুষ তার পেছনে কখন এসে দাঁড়িয়েছে? টুরিস্টলজের কর্মচারীটি বলল, ‘ম্যাডাম, আশা করি আপনি যা দেখতে চেয়েছিলেন তার সবই দেখা হয়ে গেছে। এবার ফিরে চলুন।’

    ‘আপনি এখানে?’ বিস্ময় চেপে রাখতে পারল না অনীকা।

    ‘আপনাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার হুকুম হয়েছে আমার ওপর।’

    কে হুকুম করেছে?’

    ‘আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়। ভোর হয়ে আসছে, চলুন।’

    ‘দাঁড়ান। আমি ওই বৃদ্ধকে কয়েকটা কথা জিজ্ঞাসা করব।

    ‘না। আমরা চাই না কেউ ওঁকে বিরক্ত করুক। আসুন।’ লোকটা যে-গলায় কথা বলল তা অমান্য করতে পারল না অনীকা। ধীরে ধীরে সে ওকে অনুসরণ করে পেছনের পাঁচিলের দিকে চলে এল। এখন পাতলা অন্ধকার পৃথিবীতে জড়িয়ে। পাঁচিল টপকে দৌড়ে রাস্তা পার হবার সময় দূর থেকে চিৎকার ভেসে এল।।

    লোকটি বলল, ‘তাড়াতাড়ি গলির মধ্যে ঢুকে পড়ুন, ওরা দেখতে পেয়ে গেছে।’ কথা শেষ হওয়ামাত্র গুলির আওয়াজ ভেসে এল। পর পর কয়েকবার। ততক্ষণ গলিতে ঢুকে পড়েছে ওরা। লোকটি বলল, ‘জোরে হাঁটুন।’

    হাঁপাতে হাঁপাতে হাঁটছিল অনীকা। কিন্তু তার মাথা থেকে বৃদ্ধের কান পেতে শুয়ে থাকার দৃশ্যটি কিছুতেই যাচ্ছিল না। বৃদ্ধ কি শুনতে চাইছিলেন? আর এই লোকগুলোই বা ওখানে গিয়েছে কেন? শুধু তাকে ফিরিয়ে আনতে? আর একজন তো ওখানেই থেকে গেল! অনীকার মনে হচ্ছিল এর মধ্যে রহস্য আছে। এবং রহস্যটি কি তা জানতে হলে আজ তাকে আর একবার কবরখানায় আসতে হবে। একা।

    মাথার ওপর যে রাস্তা সেগুলো পড়ে আছে মরা সাপের মতো। যেহেতু ভার্গিস সাহেব কারফিউ জারি করেছেন তাই শহর আজ মৃত। মাঝে মধ্যে দু-একটি পুলিশের ভ্যান অথবা অ্যাম্বুলেন্স ছুটে যাচ্ছে গন্তব্যে। এইরকম একটা পরিস্থিতিতে কাজ করতে ওদের সুবিধে হচ্ছিল।

    কয়েক সপ্তাহ ধরে ধীরে ধীরে মাটির নীচে যারা সুড়ঙ্গ খুঁড়ে চলেছিল তারা আজ উত্তেজিত। ডেভিড এবং ত্রিভুবন শেষ তদারকির কাজে ব্যস্ত। কোদালের কোপ পড়ছে মাটিতে। ঝুড়িতে উঠছে মাটি। মাথায় মাথায় সেই ঝুড়ি চলে যাচ্ছে অনেক পেছনে। এত মাটি বাইরে ফেলার কোনও সুযোগ নেই। ফলে রাস্তার ওপাশে যে বিশাল বাড়ির মাঝখানের ঘরের মেঝে ফুঁড়ে সুড়ঙ্গ তৈরি হয়েছিল তার ঘরে ঘরে জমছে সেগুলো। ওই নির্দিষ্ট ঘরটিকে বাদ দিয়ে অন্যগুলোতে এখন সামান্য বাতাস ঢোকার জায়গা নেই। জানলা বন্ধই ছিল, এখন দরজাও। বাড়িটার ওজন বেড়ে গেছে প্রচুর পরিমাণে। ডেভিডের ভয় হচ্ছিল, যে কোনও মুহূর্তেই বাড়িটা হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়তে পারে।

    কিন্তু এছাড়া উপায় নেই। দিনের পর দিন অনেক ভেবেচিন্তে যে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে তার শেষ পর্যায় এখন। প্রথম দিকে ঠিক ছিল সুড়ঙ্গ হবে চার ফুট বাই চার ফুট। সামান্য ঝুঁকে এগিয়ে যাওয়া যাবে। খাটো চেহারার শক্তপোক্ত মানুষেরা এই কাজটি করছিল। এখন বাড়িটিতে যেহেতু জায়গা অবশিষ্ট নেই তাই শেষ মাটি ফেলা হচ্ছে সুড়ঙ্গের ভেতরেই। তার ফলে কোমর আরও বেশি বেঁকাতে হচ্ছে।

    রাস্তা পার হয়ে কবরখানার ভেতরে ঢুকে খোঁড়ার কাজ বন্ধ রাখা হয়েছিল। খোঁড়ার কাজ যারা করে যাচ্ছিল তাদের বুঝিয়ে সুঝিয়ে ওই বাড়ির নির্দিষ্ট ঘরটিতে আটকে রাখাও একটা সমস্যা ছিল। আকাশলালের প্রতি ভালবাসাই সেই সমস্যার সমাধান করে এসেছে এতদিন। ডেভিড পেছনে তাকাল। কালো অন্ধকারে দূরে দূরে ব্যাটারির সাহায্যে যে আলো জ্বলানো হয়েছে তা পর্যাপ্ত নয় কিন্তু দেখা যায়। মাথার ওপরে যে পৃথিবী তার সঙ্গে এই সুড়ঙ্গের কোনও মিল নেই। যথেষ্ট সতর্কতা সত্ত্বেও খুঁড়তে খুঁড়তে অন্য পথে চলে যাওয়া বিচিত্র নয়। অনুমানের ওপর ভাবা হচ্ছে আকাশলালের কবর এখন প্রায় সামনে। ম্যাপ এঁকে মেপেঝুকে চললেও যেহেতু প্রকাশ্যে যাচাই করার সুযোগ নেই তাই শেষ মুহূর্তে ডেভিডের বুকে ভয় জমছিল।

    ইতিমধ্যে বারো ঘণ্টা চলে গেছে। আকাশলালের শরীর এখন কবরের নীচে কফিনে শুয়ে আছে। আর বারোটা ঘণ্টা অতিক্রান্ত হলে আর কোনও সম্ভাবনা থাকবে না। এখনও হৃৎপিণ্ডের কাছে একটি পাম্পিং স্টেশন ওর শরীরের কয়েকটি মূল্যবান অঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের কাজ অব্যাহত রেখেছে। সেই সঞ্চালন অত্যন্ত সীমিত। ডাক্তারের হিসেবমতো চব্বিশ ঘণ্টায় সেটাও থেমে যাবে।

    কি করবে ডেভিড? নিজের সঙ্গে লড়াই করে সে ক্লান্ত। সিদ্ধান্তে আসা তার পক্ষে কিছুতেই সম্ভব হচ্ছে না। যে মানুষ একটা দেশকে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা করেও পারেনি, শেষের দিকে যাকে প্রায় ইঁদুরের মতো লুকিয়ে থাকতে হয়েছে সে নতুন জীবন ফিরে পেয়ে কতটা সফল হবে? ইদানীং ডেভিডের বারংবার মনে হচ্ছে এদেশে বিপ্লব সম্ভব নয়। আকাশলাল কিছুতেই বিদেশিদের কাছ থেকে সরাসরি সাহায্য নিতে চায়নি। ওর ধারণা বিদেশিদের কাছে নিজের ইজ্জত বন্ধক রেখে স্বাধীনতা অর্জন করা যায় না। টাকার ব্যবস্থা হলে অস্ত্র কেনা হয়েছে, এইমাত্র। কিন্তু সেই অস্ত্র নিয়ে বোর্ডের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে জেতার সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমে এসেছে। এদেশের বেশির ভাগ মানুষ চায় তারা স্বাধীনতা নামক ফলটিকে পেড়ে ওদের হাতে তুলে দেবে এবং ওরা সেটাকে উপভোগ করবে। আকাশলাল যতই মানুষকে উদ্দীপিত করুক বেশির ভাগ মানুষই তাদের নিজেদের কোটর থেকে বেরিয়ে আসতে কখনই চাইবে না। হ্যাঁ, আকাশলালকে সে নিজেও শ্রদ্ধা করে, ভালবাসে। কিন্তু আসল আকাশলাল যখন ব্যর্থ তখন পরিবর্তিত আকাশলাল কি করে সফল হবে? আর পরিবর্তিত আকাশলালকে ছেড়ে তার পক্ষে কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। সে নিজের অন্ধকার ভবিষ্যৎ যেন স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিল। এ থেকে মুক্তির উপায় হল ইন্ডিয়ায় পালিয়ে যাওয়া। কিন্তু আকাশলাল বেঁচে থাকতে সেটা সম্ভব নয়। বারোটা ঘণ্টা কেটে গেলে এই দ্বিধা তার থাকবে না।

    ‘কি হল?’ ঠিক পেছনে ত্রিভুবনের গলা শুনল ডেভিড। সুড়ঙ্গের প্রায় শেষ প্রান্তে সে উবু হয়ে বসে ছিল। তার সামনে তিনজন কর্মী আদেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে। ত্রিভুবনের গলার স্বরে চৈতন্য ফিরল যেন।

    ত্রিভুবন বলল, ‘আর মাত্র সাড়ে এগার ঘণ্টা বাকি। কাজ শুরু করে দাও।’

    ‘ওপরের অবস্থা কি?’

    ‘এখন ভোর হয়ে গেছে। কবরখানায় কেউ নেই। শুধু একজন মহিলা রিপোর্টার লুকিয়ে কবরখানায় ঢুকেছিল তাকে বের করে দেওয়া হয়েছে।’

    ‘মহিলা রিপোটার? ডেভিড অবাক।

    ‘হ্যাঁ। কিন্তু এখন সময় নষ্ট করা ঠিক হচ্ছে না।

    ‘আমার ভয় হচ্ছে। যদি সুড়ঙ্গটা ঠিকঠাক জায়গায় না এসে থাকে!’

    ‘ওঃ। আমি অনেক পরীক্ষা করেছি। আমি নিশ্চিত, কোনও ভুল হয়নি।’

    অতএব ডেভিডকে আদেশ দিতে হল। কোদালের কোপ পড়তে লাগল সামনে। মাটি পাথর উঠে আসতে লাগল সমানে। শব্দ হচ্ছে। অবশ্য এই শব্দ বাইরের কেউ শুনতে পাবে না। কোনও ধাতব বস্তু বা পাথর বা কাঠের গায়ে আঘাত লাগলেই থেমে গিয়ে সেটাকে পরীক্ষা করা হচ্ছে।

    সকাল আটটায় সুড়ঙ্গের বাতাস ভারী হয়ে গেল। অক্সিজেন কমে যাচ্ছে দ্রুত। সেই সময়ের খুব দেরি নেই যখন নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হবে। সুড়ঙ্গ খোঁড়ার প্রাথমিক সময়ে যে ভয় ছিল এখন সেটা তেমন নেই। তখন মনে হত যে কোনও মুহূর্তেই ওপরের মাটি নীচে নেমে এসে মৃত্যুফাঁদ তৈরি করে দেবে অথবা পুলিশ উদয় হবে। সুড়ঙ্গের মুখ বন্ধ করে দিলে কর্মরত সবাই আর পৃথিবীর আলো দেখবে না। সতর্ক করে দেবার জন্যে পাহারাদার থাকলেও ভয়টা মনে চেপে ছিল। কিন্তু ধীরে ধীরে যখন সেরকম কিছুই ঘটছিল না, তখন ভয়টাও মনের এক কোণে নেতিয়ে রইল।

    সামনের খননকারীদের মধ্যে একটা চাপা উত্তেজনা। কোদালের ডগায় কাঠের অস্তিত্ব। না, দিকভ্রান্ত হয়নি তারা। জমি মেপে মেপে রাস্তার তলা দিয়ে পাঁচিল ওপরে রেখে ঠিকঠাক কবরখানায় ঢুকে নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে যেতে পেরেছে। ত্রিভবন গুঁড়ি মেরে এগিয়ে গেল, ‘এবার সাবধান। আর কোদাল নয়। হাত চালাও ভাই সব। মাটি নরম আছে। সাবধানে কফিনটাকে টেনে নিয়ে এসো।’ বলাটা যত সহজ কাজটা ততটা ছিল না। আকাশলালের বন্ধ কফিন বাক্সটিকে বের করে সুড়ঙ্গে নিয়ে আসতে অনেক ঘাম বের হল খননকারীদের।

    কোমর যেখানে সোজা করা যাচ্ছে না সেখানে এত লম্বা কফিন বহন করে নিয়ে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। ডেভিড বলল, ‘আমাদের স্ট্রেচার আনা উচিত ছিল।’

    ‘কি উচিত ছিল তা এখন ভেবে লাভ কি। সময় দ্রুত চলে যাচ্ছে। কফিনটাকেই নিয়ে যেতে হবে ঘর পর্যন্ত। এসো ভাই, হাত লাগাই।’ ত্রিভুবন বলল।

    ‘কফিনটাকে এখানেই রেখে শরীরটাকে নিয়ে যাই।’

    ডেভিড ইতস্তত করছিল।

    কিন্তু ততক্ষণে কফিনটাকে কোনও মতে টেনে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়েছে। শরীরগুলো বেঁকেচুরে সেই ছোট্ট সুড়ঙ্গে একটা ভারী কফিনকে একটু একটু করে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল পরম মমতায়। সামান্য ঝাঁকুনি হলে ভেতরের মানুষটির শরীরে যে প্রতিক্রিয়া হবে সে সম্পর্কে তারা অত্যন্ত সচেতন ছিল।

    প্রায় আধঘণ্টা সময় পরে ওরা কফিনটাকে বাড়ির ভেতরে নিয়ে আসতে পারল।

    কফিনের ডালা খুলল ত্রিভূবন। আকাশলাল যেন পরম নিশ্চিন্তে ঘুমাচ্ছে। শরীরটাকে অত্যন্ত সাবধানে বাইরে বের করে নিয়ে আসা হল। আর মিনিট পাঁচেকের মধ্যে অ্যাম্বুলেন্স আসবে।

    ত্রিভুবন ডেভিডের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এবার দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ।’

    ডেভিড মাথা নাড়ল। আগে থেকেই এই ব্যাপারটা পরিকল্পনায় ছিল। কফিনটাকে রাখা হবে কফিনের জায়গায়। সুড়ঙ্গের ভেতরটায় মাটি ফেলে আবার ভরাট করে দেওয়া হবে। আজ অথবা আগামী কাল যেন কেউ না বুঝতে পারে এখানে এমন কর্মকাণ্ড ঘটেছে।

    ডেভিড় খালি কফিন এবং খননকারীদের নিয়ে নেমে গেল সুড়ঙ্গে। এখন কাজ সারতে হবে খুব দ্রুত। বাড়িটার সমস্ত ঘর থেকে মাটি বের করে নিয়ে যেতে হবে সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে। খালি কফিন বলেই এবং কারও আঘাতের সম্ভাবনা না থাকায় ওরা অনেকটা সহজেই চলে আসতে পারল সমাধিস্থলে। কিন্তু কফিনটাকে টেনে বের করার সময় কেউ লক্ষ করেনি জায়গা ফাঁকা পাওয়ায় ওপরের নরম মাটি নীচে নেমে এসেছে ভরাট করতে। এখন এই কফিনটাকে ঠিকঠাক রাখতে গেলে আবার মাটি সরাতে হবে। কাজটা শুরু করতেই আর একটা বিপদ হল। সামান্য জায়গা ফাঁকা হতেই ওপরের মাটি তাকে ভরাট করছে। এবং এইভাবে কিছুক্ষণ চললে সমাধিস্থল অনেকটাই বসে যাবে। কারখানার ওপরে দাঁড়ালে সেটা পরিষ্কার দেখা যাবে। আচমকা অতখানি জমি কেন বসে গেল সেই সন্দেহ পুরো ব্যাপারটাকে আর গোপনে রাখবে না। ডেভিড মরিয়া হয়ে উঠল।

    ঠিক সেইসময় ওপরের রাস্তা দিয়ে একটা অ্যাম্বুলেন্স ছুটে যাচ্ছিল। অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরে আকাশলাল শুয়ে আছে আর কয়েকঘণ্টার সম্ভাবনা নিয়ে। তার পাশে বসে আছে ত্রিভুবন, উদ্বিগ্ন এবং বেপরোয়া।

    ঠিক সেইসময় কবরখানার একজন কর্মচারী সরু পথ দিয়ে যেতে যেতে থমকে দাঁড়াল। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিল না সে। গতরাত্রে পুলিশ আকাশলালকে যেখানে কবর দিয়ে গিয়েছে সেই জায়গার মাটি নড়ছে। চিৎকার করতে করতে.সে অফিসঘরের দিকে ছুটে গেল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    अनीश दास
    मौलाना शाह वलीउल्लाह
    रेवरेंड के. के. जी. सरकार
    অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমরেন্দ্র চক্রবর্তী
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অরিন্দম দেবনাথ
    অর্পিতা সরকার
    অশোককুমার মিত্র
    অসম্পূর্ণ বই
    আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    কৌশিক সামন্ত
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোপেন্দ্র বসু
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যজ্যোতি মজুমদার
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণু শর্মা
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহতাব উদ্দিন
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    রেভারেণ্ড কে. কে. জি. সরকার
    লীলা মজুমদার
    লেইল লোনডেস
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শঙ্কর চ্যাটার্জী
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শাক্যজিৎ ভট্টাচাৰ্য্য
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সম্পাদনা : শৈলেন্দ্র হালদার
    সরদার ফজলুল করিম
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সায়ন্তনী পূততুন্ড
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্মরণজিৎ চক্রবর্তী
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026
    Our Picks

    মাহতাব উদ্দিন : জীবন ও গান

    May 18, 2026

    পরমপুরুষ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ ২ – অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত

    May 18, 2026

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেমের গল্প – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    May 16, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }