Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৪. দুপুরের খাবার খারাপ ছিল না

    চৌদ্দ

    দুপুরের খাবার খারাপ ছিল না। স্বজন প্রথমে আপত্তি করেছিল, কিন্তু পৃথা তাকে বুঝিয়েছিল না খেলে তার শরীরই কষ্ট পাবে, কাজের কাজ কিছু হবে না। স্ত্রী অথবা নিকটতম বান্ধবীকে পুরুষমানুষ সহজে নিজের কাজের কথা বলতে চায় না। খামোকা বিব্রত না করার ইচ্ছেই হয়তো তার কারণ। কিন্তু সমস্যা যখন প্রবল হয়ে ওঠে, যখন পিঠের পেছনে দেওয়াল নেই, তখন সে তাদের কাছেই নিজেকে মুক্ত করে।

    পৃথা সব কথা চুপচাপ শুনেছিল। তারপর বলল, ‘আমি এখন যা-ই বলি না কেন, তা এই অবস্থায় বলা অর্থহীন।’

    ‘কি বলবে বললা না, হয়তো— ।’ স্বজন থেমে গেল।

    ‘তুমি ভারতবর্ষ থেকে চলে এলে একজন পেশেন্টের চিকিৎসা করতে অথচ তার নাম জানলে না, পেশা জিজ্ঞাসা করলে না?’ পৃথা মুখ তুলল।

    ‘সত্যি ভুল হয়ে গেছে। আসলে তখন মাথায় আসেনি। স্যার বললেন এমন করে যে রাজি না হয়ে পারিনি।’

    ‘তুমি একটা বিদেশি রাজ্যে আসছ, তোমার নিরাপত্তা, আমার নিরাপত্তা নিয়ে না ভেবেই চলে এলে?’ পৃথার গলায় ঝাঁঝ।

    ‘স্যার বলেছিলেন কোনও অসুবিধে হবে না। ওরা আমাদের জন্যে টুরিস্ট লজে ঘর ঠিক করে রেখেছে। যে কয়দিন কাজ করতে হবে ওরাই সব ব্যবস্থা করবে, আর কাজের শেষে দেশটা ঘুরিয়ে দেখাবে। এটা শুনেই তোমাকে নিয়ে এসেছিলাম।’

    ‘ওরা তোমাকে টাকা দেবে বলেছিল?’

    ‘হ্যাঁ। ওরা মানে স্যার আমাকে বলেছিলেন।’

    ‘তার মানে তোমার স্যার এ সবই জানতেন।’

    ‘আমার বিশ্বাস হচ্ছে না। স্যারকে আমি অনেক বছর ধরে চিনি। ওঁর মধ্যে কোনও প্যাঁচ নেই। এরা আমাদের বন্দি করে রাখবে জানলে উনি আসতে বলতেন না।’

    পৃথা মাথা নাড়ল, ‘এখন এসব কথা বলার কোনও মানে হয় না।’

    তখন প্রায় বিকেল। ঘরে আলো জ্বালা রয়েছে। স্বজন পৃথার কাছে এগিয়ে এল, ‘পৃথা, যে করেই হোক আমাদের এখান থেকে পালাতে হবে।’

    পৃথা মাথা নাড়ল, ‘কিন্তু দিনের আলোয় সেটা অসম্ভব। রাত নামলেও তা কি করে যে সম্ভব হবে তা বুঝতে পারছি না। এই বাড়ির চারপাশে পাহারা আছে।’

    স্বজন গলা নামাল, ‘তুমি বুঝতে পারছ এরা কারা?’

    ‘এদেশের সরকার-বিরোধী কোনও দল।’

    ‘ইয়েস। এদেশের পুলিশ কমিশনার আমাকে অভদ্রের মতো ধরে নিয়ে গেলেও কোনও অশালীন ব্যবহার করেনি। লোকটা আমাকে ছেড়ে দিয়েছিল সকাল হতেই। এদের মতো ঘরের ভেতর জোর করে আটকে রাখেনি। তোমার মনে আছে ওই বাংলোয় আমি একটা ডেডবডি দেখেছিলাম। আমি নিশ্চিত, এরাই লোকটাকে খুন করেছে। অথচ এই মনে হওয়ার কথা আমি পুলিশ কমিশনারকে বলিনি। খুব ভুল করেছি।’

    পৃথা স্বামীর দিকে তাকাল, ‘সেই পুলিশ অফিসারের কথা বলেছ?’

    ‘হ্যাঁ। ওঁর সাহায্যেই আমরা বাংলো থেকে বেরিয়ে এসেছি একথা বলেছিলাম।’

    ‘তা শুনে উনি কি বললেন?’

    ‘খুব খেপে গেলেন।’

    ‘তার মানে ওই লোকটাও এদের দলে?’

    ‘ঠিক তা নয়, বুঝলে। ব্যাপারটা গোলমেলে।’

    ‘শোনো, এদেশের ব্যাপারে আমাদের থাকার কোনও দরকার নেই। রাত হোক, তারপর একটা উপায় বের করতেই হবে এখান থেকে পালাবার। তুমি যদি আগে আমাকে বলতে এখানে কাজ নিয়ে আসছ, তা হলে আমি কিছুতেই রাজি হতাম না।’ পৃথা ঠোঁট ফোলাল। স্বজন তাকে জড়িয়ে ধরল, ‘সরি, আমি আর কখনও তোমার অবাধ্য হবো না। কোনও কথা তোমার কাছে লুকোব না।’

    ‘ছাই।’ মুখ ফেরাল পৃথা।

    ‘মানে?’ দুহাতে কাছে টানল স্বজন।

    ‘এখন বলছ, ফিরে গিয়ে যেই নিজের জগৎ পাবে সব ভুলে যাবে।’

    ওই অবস্থাতেও স্বজনের মনে হল এই মেয়েটাকে ভাল না বেসে এক সেকেন্ডও নিশ্বাস নেবার কোনও মানে হয় না। সে মুখ নামাচ্ছিল, এমন সময় দরজায় শব্দ হল। সঙ্গে সঙ্গে ছিটকে সরে গেল পৃথা। আর স্বজনের গলা থেকে অসাড়ে একটিই শব্দ বেরিয়ে এল, ‘শালা!’

    স্বজন দরজার দিকে তাকাল। দ্বিতীয়বার শব্দ হল। সে গলা তুলে প্রশ্ন ছুঁড়ল, ‘আবার কি হল? দরজা তো ভেতর থেকে বন্ধ নেই।’

    দরজা খুলে গেল। একটি নতুন লোক, হাতে অস্ত্র, ঘরে ঢুকে খুব বিনীত ভঙ্গিতে বলল, ‘আপনাকে নিয়ে যেতে এসেছি।’

    ‘নিয়ে যেতে এসেছেন মানে?’ স্বজন খিচিয়ে উঠল।

    ‘আমাদের নেতা আপনাকে নিয়ে যেতে বলেছেন।’

    ‘তিনি কে হরিদাস পাল যে নিয়ে যেতে বললেই আমি যাব।’

    ‘তিনি আমাদের মহান নেতা, তাই আপনি ওঁর সম্পর্কে শ্রদ্ধা নিয়ে কথা বলবেন। উনি আপনার জন্যে অপেক্ষা করছেন।’ লোকটার গলার স্বর যেভাবে পাল্টে গেল তাতে সংশয় রইল না যে সে তার কর্তব্য সম্পর্কে সচেতন।

    পৃথা এবার কথা বলল, ‘ভালই হয়েছে। আমরা ওদের নেতাকেই সরাসরি প্রশ্ন করতে পারি কেন আমাদের এভাবে আটকে রাখা হয়েছে।’

    কথাটা মনে ধরল স্বজনের। সে উঠল, ‘চলো।’

    পৃথা এগোচ্ছিল কিন্তু লোকটি বাধা দিল, ‘মাফ করবেন, আপনি এখানেই অপেক্ষা করুন।’

    ‘তার মানে?’ পৃথা অবাক।

    ‘শুধু ডাক্তার সাহেবকে নিয়ে যাওয়ার হুকুম হয়েছে।’

    স্বজন পৃথার দিকে তাকাল, ‘অসম্ভব! এরা ভেবেছে কী! যা ইচ্ছে বলবে আর তাই আমাদের শুনতে হবে? তোমাকে না যেতে দিলে আমি যাচ্ছি না।’

    পৃথা জিজ্ঞাসা করল, ‘আমি গেলে অসুবিধে কোথায়?’

    লোকটা মাথা নাড়ল, ‘আমাকে বলা হয়েছে শুধু ডাক্তার সাহেবকে নিয়ে যেতে।’

    হঠাৎ পৃথা বসে পড়ল বিছানায়, ‘তুমি একাই যাও।’

    স্বজন স্ত্রীর দিকে এগিয়ে এল, ‘মানে?’

    ‘দুজনের যাওয়ার জেদ ধরলে হয়তো নেতার সঙ্গে কথা বলার সুযোগই পাওয়া যাবে না। তাছাড়া তুমি ডাক্তার। পেশেন্টের সঙ্গে যখন কথা বলো তখন সাক্ষী হিসেবে কি আমি উপস্থিত থাকি? এটাকেও সেইরকম ভেবে নেব।’ পৃথা বলল।

    কাঁধ ঝাঁকাল স্বজন। কথাটায় যুক্তি আছে। তারপর দ্রুত লোকটার দিকে এগিয়ে যেতেই সে দরজার বাইরে পৌঁছে ওপরের দিকে হাত দেখল। লোকটাকে অনুসরণ করে স্বজন হলঘর পেরিয়ে দেখল দোতলায় যাওয়ার দুটো সিঁড়ি আছে। লোকটা তাকে বাঁ দিকের সিড়ি দিয়ে ওপরে নিয়ে যাচ্ছে। হঠাৎ তার মনে হল এটা এ বাড়ির সামনের দিক হতে পারে না। বাড়িটার পেছনের দিকটাই এরা ব্যবহার করছে।

    দোতলায় চারজন মানুষ অস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে। হায়দারকে এগিয়ে আসতে দেখল সে। হাসিমুখে কাছে এসে হায়দার বলল, ‘আসুন ডাক্তার, আকাশলাল আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে। আপনার সঙ্গে কথা শেষ না হলে আমাদের ডাক্তার ওকে ঘুমের ওষুধ দিতে পারছে না। এদিকে আসুন।’ হায়দার এগিয়ে যাচ্ছিল।

    ঘুমের ওষুধ! আকাশলাল! প্রথমটা থেকে বোঝা যাচ্ছে অসুস্থ কেউ এখানে আছেন। আর আকাশলাল শব্দটার সঙ্গে পোস্টারের কল্যাণে ইতিমধ্যে পরিচিত হয়ে গিয়েছে।

    ঘরে অল্প আলো। খাটে একটি মানুষ আধা শোওয়া অবস্থায় ছিল, তারা ঢুকতেই উঠে বসল। এই হল আকাশলাল। যার জন্যে লক্ষ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। ছবির চেহারার সঙ্গে কোনও পার্থক্য নেই, শুধু সামনে বসা মানুষটাকে বেশ রোগা বলে মনে হচ্ছে। ঘরে আরও তিনজন মানুষ, যাদের একজন বৃদ্ধ এবং গলায় স্টেথো প্রমাণ করে উনি একজন ডাক্তার। দু-হাত জড়ো করে আকাশলাল বলল, ‘আসুন, আসুন। নমস্কার। আপনাকে বিপাকে ফেলার জন্যে আমি ক্ষমাপ্রার্থী। বসুন। আমার নাম আকাশলাল।’

    স্বজন আকাশলালকে দেখল। এরই মুখ পোস্টারে দেখেছে সে। তবে পোস্টারের থেকে এখন ওকে অনেক রোগা দেখাচ্ছে। চোখের কোল বসা। নাকটা বেশ এগিয়ে আছে। গায়ের রং পাহাড়িদের যেমন হয়। লোকটার চোখ দুটো খুব উজ্জ্বল, দৃষ্টি ধারালো।

    ‘আপনি অনুগ্রহ করে বসুন।’ আকাশলালের গলা শুনে সে চেয়ারটার দিকে তাকাল। তারপর নেহাতই বসতে হয় বলে বসে প্রশ্ন করল, ‘আপনাদের উদ্দেশ্য কি?’

    ‘হ্যাঁ। সেটা নিয়ে আলোচনা করব বলে আমরা এখানে সমবেত হয়েছি।’ আকাশলাল সামান্য কাশল। সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধ ডাক্তার উঠে এল, ‘কি ব্যাপার? কাশিটা কখন শুরু হয়েছে? এর আগে শুনিনি তো!’

    ‘না। এমন কিছু নয়। হঠাৎই হল।’

    ‘এই সময় কাশি হওয়া ভাল নয়।’ বৃদ্ধকে চিন্তিত দেখাল। সেটা উপেক্ষা করে আকাশলাল বলল, ‘আমি বুঝতে পারছি আপনি খুব টেনশনে আছেন। আসলে আজ পর্যন্ত আপনার এমন অভিজ্ঞতা হবার কথা ছিল না। আপনি সরাসরি টুরিস্ট লজে উঠবেন, ঘুরে বেড়াবেন এবং প্রয়োজনের সময় আমরা আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করব, এমনই স্থির ছিল। কিন্তু ঠিক সময়ে আপনি পৌঁছালেন না, সঙ্গে স্ত্রীকে নিয়ে এলেন, তার ওপর ভার্গিসের সঙ্গে আপনার দেখা হয়ে যাওয়া—এ সব ব্যাপার পরিকল্পনাটা পাল্টে দিস’।

    স্বজন জিজ্ঞাসা করল, ‘আমার সিনিয়রের মাধ্যমে আপনারাই যোগাযোগ করেছিলেন?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আমাকে বলা হয়েছিল একজন পেশেন্টের কথা, যিনি অসুস্থতার কারণে এই শহর ছেড়ে যেতে পারছেন না। তিনি কে?’

    ‘আমি। এই মুহূর্তে আমি সম্পূর্ণ সুস্থ নই। আপনার সঙ্গে আমার ডাক্তারবাবুর আলাপ করিয়ে দিই। এঁর কথাই আপনাকে বলেছিলাম।’ বৃদ্ধ ডাক্তারকে শেষ সংলাপটি বলল আকাশলাল।

    ডাক্তারকে নমস্কার করল স্বজন। তারপর আকাশলালকে বলল, ‘কিন্তু এই শহরের যে কোনও রাস্তা বলে দেবে পুলিশ আপনাকে চাইছে এবং ধরিয়ে দিলে লক্ষ লক্ষ টাকা। পুরস্কার পাওয়া যাবে। পুলিশের চোখে আপনি ক্রিমিন্যাল।’

    ‘হ্যাঁ। আপনি নিশ্চয়ই জানেন প্রতিবাদ করলে বুর্জোয়া শক্তি কি ভাবে রি-অ্যাক্ট করে।’

    এই প্রথম এখানে আসার পর স্বজনের হাসি পেল, ‘সেই রি-অ্যাকশন শুধু বুর্জোয়া শক্তি করে বলছেন কেন? যারা সর্বহারাদের নেতৃত্ব দেয় বলে দাবি করে তারাও তাদের কাজের বিরুদ্ধে কারও প্রতিবাদ হজম করতে পারে না। সঠিক হলেও না।’

    ‘আপনি হয়তো ঠিকই বলেছেন। কিন্তু ডাক্তার, আমরা আপনার সাহায্য চাই।’

    ‘কিন্তু আমি যদি সাহায্য করতে রাজি না হই?’

    আকাশলালের প্রায় রক্তশূন্য মুখ হঠাৎ খুব শক্ত হয়ে গেল। বোঝা গেল বেশ কষ্ট করেই নিজেকে সামলাচ্ছে সে। এই সময় হায়দার কথা বলল, ‘ডাক্তার! আপনাদের ভারতবর্ষ গণতান্ত্রিক দেশ। ভোটের বাক্সে সেখানে আপনারা নিজেদের মত ব্যক্ত করতে পারেন। সরকার অত্যাচারী হলে তাকে উৎখাত করতে পারেন ভোট না দিয়ে। কিন্তু আমাদের দেশে ভোট হয় না। একজন নাবালক রাজাকে সামনে রেখে বোর্ড রাজত্ব চালাচ্ছে। এই বোর্ডের ইচ্ছের বিরুদ্ধে এখানে কোনও কাজ হয় না। পুলিশ তাই এখানে প্রচণ্ড শক্তিমান। গরিব নিম্নবিত্ত মানুষেরা দিনের পর দিন অত্যাচার সহ্য করতে বাধ্য হচ্ছে। আমরা এই অবস্থা পাল্টাতে চাই। আমরা চাই জনসাধারণের নির্বাচিত সরকারই দেশ শাসন করুক। আর সেটা চাই বলেই ওরা আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। আমাদের শেষ করে দিতে চাইছে।’

    স্বজন বলল, ‘দেখুন, আমি একজন বিদেশি। আপনারা সরকার-বিরোধী কাজকর্ম করছেন। এই অবস্থায় আপনাদের সাহায্য করা মানে এদেশের সরকারের বিরোধিতা করা।’

    ‘এক সেকেন্ড!’ আকাশলাল হাত তুলল, ‘আপনি চিকিৎসক হিসেবে পেশেন্টকেই, দেখবেন বলে আশা করব, তার ব্যাকগ্রাউন্ড, দেখার কি প্রয়োজন আছে?’

    স্বজন আকাশলালের দিকে তাকাল। হঠাৎ তার মনে হল যাকে এখানকার পুলিশ হন্যে হয়ে খুঁজে বেড়াচ্ছে সে কি করে শহরের মধ্যেই এমনভাবে থাকতে পারে? লক্ষ লক্ষ টাকার লোভ কেন ওর সঙ্গীদের বিশ্বাসঘাতকতা করতে উদ্বুদ্ধ করেনি? নিশ্চয়ই এই মানুষটার মধ্যে এমন কিছু আছে, যা ওকে আলাদা করেছে। সে ইচ্ছে না করলে এরা তাকে বাধ্য করতে পারে না কাজ শুরু করতে। হয়তো অত্যাচার সহ্য করতে হবে। কিন্তু তার কৌতূহল হচ্ছিল। একজন অসুস্থ মানুষ, যাকে বিপ্লবের নেতা বলে সবাই জানে তার মনে কি উদ্দেশ্য থাকতে পারে অত দূর থেকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডেকে আনার?

    স্বজন বলল, ‘বলুন, আমাকে কি করতে হবে?’

    আকাশলালের গম্ভীর মুখে ধীরে ধীরে হাসি ফুটল। দেখা গেল ঘরের অন্য মানুষরাও কথাটা শুনে স্বস্তি পেল। আকাশলাল বলল, ‘থ্যাঙ্কু ডক্টর। আপনি কিছু খাবেন? চা বা কফি?’

    ‘না।’ মাথা নাড়ল স্বজন।

    ‘দেখুন ডাক্তার, এদেশের সব মানুষ আমাকে চেনে। আমাকে চেনে আমার মুখ দেখে। পুলিশ ওয়ান্টেড পোস্টারে আমার মুখের ছবি ছেপেছে। ঈশ্বরের দেওয়া এই মুখ নিয়ে আমি কখনই প্রকাশ্যে কাজ করতে পারব না। প্রকাশ্যে কাজ করতে না পারলে আমি বিপ্লবের কোনও সাহায্যেই আসব না। আমি ওভাবে বেঁচে থাকতে রাজি নই। আমি জার্নালে পড়েছি, বিজ্ঞান মানুষের মুখের চেহারা একদম পাল্টে দিতে পারছে। আপনাদের দেশে আপনি ওই ব্যাপারে একজন প্রথম শ্রেণীর বিশেষজ্ঞ। এই কারণেই আপনার শরণাপন্ন হয়েছি আমরা।’ আকাশলাল দ্রুত কথা বলছিল। ফলে শেষের দিকে হাঁপাতে দেখা গেল তাকে।

    স্বজন মাথা নাড়ল, ‘কিন্তু ওই অপারেশনের জন্যে যেসব যন্ত্রপাতি দরকার— !’

    ত্রিভুবন বলল, ‘বেশির ভাগই আমরা আপনার সিনিয়রের সঙ্গে কথা বলে আনিয়ে রেখেছি। কিছু আপনাকে সঙ্গে নিয়ে আসতে বলেছিলাম।’

    ‘আচ্ছা, আমার সিনিয়র কি এসব জানেন?’

    ত্রিভুবন মাথা নাড়ল, ‘তিনি জানতে চাননি।’

    ‘আপনাকে দেখে অসুস্থ মনে হচ্ছে। অপারেশন শুরু করার আগে আপনার শরীরের অবস্থা পরীক্ষা করা দরকার। ওঁর কন্ডিশন কি?’ স্বজন বৃদ্ধ ডাক্তারকে প্রশ্ন করল।

    তিনি উত্তর দিতে যাচ্ছিলেন কিন্তু আকাশলাল তাঁকে ইশারায় নিষেধ করল, ‘আমি ভাল আছি। আমার শরীর নিয়ে কোনও দুশ্চিন্তা নেই।’

    বৃদ্ধ ডাক্তার জিজ্ঞাসা করলেন, ‘আপনার অপারেশনের জন্যে বডি কন্ডিশন কি রকম থাকা উচিত? কতটুকু ঝুঁকি নিতে পারেন?’

    ‘পেশেন্টের ব্লাডসুগার একদম নর্মাল থাকবে। প্রেসারও।’

    বৃদ্ধ ডাক্তার চিন্তিত হলেন, ‘প্রেসারটা— !’

    ‘নর্মাল থাকবে।’ আকাশলাল বলে উঠল, ‘আমার ব্লাডসুগার নেই, এবং রক্ত এখন পর্যন্ত সব দিক দিয়েই ঠিক আছে। কিন্তু অপারেশনের পর মুখে কোনও দাগ থাকবে না তো?’

    স্বজন হেসে ফেলল, ‘সেটা নির্ভর করছে অপারেশন কি ধরনের হচ্ছে, তার ওপরে। আপনি চাইছেন আপনার মুখের পরিবর্তন এমন ভাবে করতে যাতে কেউ দেখে আপনাকে চিনতে না পারে। তাই তো?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }