Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আট কুঠুরি নয় দরজা – সমরেশ মজুমদার

    সমরেশ মজুমদার এক পাতা গল্প412 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৯. রিসিভারটা যেন কানের ওপর সেটে ছিল

    উনিশ

    রিসিভারটা যেন কানের ওপর সেঁটে ছিল। সম্বিত ফিরতেই সেটাকে সরিয়ে নিয়ে কিছুটা নরম গলায় ভার্গিস বললেন, ‘হ্যলো!’ এক দুই তিন সেকেন্ড যেতে না যেতে ভার্গিস বুঝতে পারলেন লাইনটা ডেড হয়ে গেছে। ‘আমি আত্মসমর্পণ করছি এবং সেটা বন্ধুভাবেই হোক’। ধীরে ধীরে রিসিভারটা নামিয়ে রেখে দু’হাতে মুখ ঢাকলেন ভার্গিস। গলাটা সত্যি আকাশলালের তো। কোনও রকম কথা বলার সুযোগ না দিয়ে একটানা বলে লাইন কেটে দিল লোকটা। বোধহয় অনুমান করেছিল, কোত্থেকে টেলিফোন করা হচ্ছে তা তিনি ধরতে চাইবেন। বুদ্ধিমান, কিন্তু ওইটুকু সময়ই তাঁর লোকের কাছে যথেষ্ট।

    এই সময় আবার টেলিফোন বাজল। ডেস্কের সার্জেন্ট জানাচ্ছে আট নম্বর রাস্তার একটি নির্জন টেলিফোন বুথ থেকে ফোনটা করা হয়েছিল এবং সেখানে ইতিমধ্যেই পুলিশ পৌঁছে গিয়েছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় সেখানে একটি সস্তার টেপরেকর্ডার ছাড়া কাউকে পাওয়া যায়নি। ভার্গিস গর্জে উঠলেন, ‘টেপরেকর্ডার?’

    সার্জেন্ট মিউমিউ গলায় বলল, ‘হ্যাঁ স্যার। সেটা নিয়ে আসা হচ্ছে।’

    রিসিভারটা দড়াম করে রেখে দিলেন ভার্গিস। তার মানে তিনি আকাশলালের রেকর্ড করা কথা শুনেছেন। ওঃ, কি আহাম্মক। একবারও খেয়াল করেননি রেকর্ড বলেই কোনও বাড়তি সংলাপ বলেনি লোকটা। আর এর একমাত্র কারণ আকাশলাল তাঁর চেয়ে বুদ্ধিমান। নিজে না এসে রেকর্ড করা গলা পাঠিয়েছে। এমন কি টেপরেকর্ডার ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্যে ওর লোক দাঁড়িয়ে থাকেনি।

    লোকটার আস্পর্ধা এত যে তাঁকে ভার্গিস এবং তুমি বলে গেছে। আর বলার ধরনে প্রভুত্ব পরিষ্কার। সে যা বলবে ভার্গিসকে যেন তা শুনতে হবে। অসম্ভব! দাঁতে দাঁত ঘষলেন ভার্গিস। একটা ক্রিমিন্যাল, দেশদ্রোহীকে তিনি তাঁর সঙ্গে ও ভাষায় কথা বলতে দিতে পারেন না। আলোচনা করতে চায়। কিসের আলোচনা? কয়েক বছর ধরে যে লোকটা তাঁর ঘুম কেড়ে নিয়েছে যাকে না ধরতে পারলে তাঁর চেয়ার আজ বিকেলে থাকবে না, তার সঙ্গে আলোচনার প্রশ্নই ওঠে না। বেলা বারোটায় মেলার মাঠে ওর জন্যে অপেক্ষা করতে হুকুম করেছেন উনি। আস্পর্ধা!

    এই সময় একজন অফিসার টেপরেকর্ডারটা নিয়ে ভার্গিসের ঘরে ঢুকলেন। সস্তা জিনিস। অবহেলায় আঙুল তুলে তিনি রেখে দিতে বললেন টেবিলে। অফিসার বেরিয়ে যেতে ঈষৎ ঝুঁকে বোতামটা টিপতে কোনও আওয়াজ হল না। ফিতেটাকে ঘুরিয়ে নিয়ে আবার বোতাম টেপার কিছুক্ষণ বাদে গলা শোনা গেল, ‘ভার্গিস। আমি তোমার সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। আজ ঠিক বারোটার সময় মেলার মাঠের মাঝখানে আমার জন্যে তুমি অপেক্ষা করবে’। থাপ্পড় মেরে যন্ত্রটাকে বন্ধ করে লাফিয়ে উঠলেন ভার্গিস, ইডিয়ট। নিজেকে একটা আস্ত ইডিয়ট বলে মনে হচ্ছিল তাঁর। লোকটা স্বেচ্ছায় ধরা দিতে চাইছে আর তিনি কি সব উল্টোপাল্টা ভাবছেন। ওর নিশ্চয়ই আর কোনও উপায় নেই, কোনও রাস্তা নেই তাই ধরা দিতে বাধ্য হচ্ছে। যাই হোক না কেন ধরা দিলে তিনি নিজে হাতকড়া পরাবেন। আর এই জন্যে এখন যত ইচ্ছে তাঁর নাম ধরে ডাকুক অথবা তুমি বলুক কি এসে যায়। আরামের নিঃশ্বাস ছাড়লেন ভার্গিস। তাঁর হাত চলে গেল টেলিফোনের দিকে। মিনিস্টারকে খবরটা জানানো দরকার। সমস্ত দুশ্চিন্তার আজ অবসান হচ্ছে, চিতাকে জালে পুরছেন তিনি আজ বারোটায়। কিন্তু তার পরেই অন্য ভাবনা মাথায় এল। যদি লোকটা শেষ মুহূর্তে মত পাল্টায়। যদি মেলার মাঠে না আসে। বেইজ্জত হয়ে যাবেন তিনি আরও একবার। আগে থেকে গান না গেয়ে ধরার পরেই কথা বলা ভাল। কিন্তু এত জায়গা থাকতে মেলার মাঠের মাঝখানে কেন? ননসেন্স! ওই হাজার হাজার মানুষের ভিড়ের মধ্যে পুলিশের কাছে ধরা দিলে ওর সম্মান থাকবে? ওসব না করে সোজা এই হেডকোয়ার্টাসে চলে আসতে পারত। অথবা কোনও নির্জন জায়গায় তাঁকে যেতে বললেও চলত। নিজে আসবে অস্ত্রহীন হয়ে অথচ সঙ্গীদের সঙ্গে বন্দুক থাকবে। ওকে গুলি করলে তেনারা তাঁকে গুলি করবেন! করাচ্ছি! নিজে যদি না যান মেলার মাঠে? ভেবে নিজেই আপত্তি করলেন। ভার্গিস ইজ নট এ কাওয়ার্ড। তিনি যাবেন। গুলিও করবেন না। ধরার পর কয়েকদিন রেখে ইলেকট্রিক চেয়ারে বসিয়ে সুইচ টিপে দেবেন।

    প্রসন্ন মুখে চুরুট ধরাতে গিয়েও থমকে গেলেন ভার্গিস। হোয়াই ইন মেলার মাঠ? নিজের মানসম্মানের কথা না ভেবে জায়গাটাকে বেছে নিল কেন লোকটা? পাবলিক খেপাবার ধান্দা নাকি? কেউ কেউ বলে জনতা লোকটাকে ভালবাসে। বাসতেই পারে। আজ ওরা যাকে ভালবাসে কাল তাকে ছুঁড়ে ফেলে দিতে দেরিও করে না। ও নিয়ে ভাবনা নেই। কিন্তু আজ আকাশলালকে দেখতে পেলে জনতা নিশ্চয়ই উদ্বেল হয়ে উঠবে। এত লোককে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষমতা তাঁর পুলিশের নেই। সেক্ষেত্রে গুলি চালাতে হবে। গুলি চললে জনতা ভয় পেতে পারে আবার বিপরীত ফলও হতে পারে। ভার্গিসের মনে হল কোণঠাসা হয়ে পড়ায় আকাশলাল এই চালটা চেলেছে। সে জনতাকে একসঙ্গে হাতের কাছে পেয়ে তাদের পুলিশের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিতে চায়।

    এখন মেলার মাঠ লোকারণ্য। জোর করে তার সবটা খালি করে দেওয়া অসম্ভব। অথচ সংঘর্ষ বাধলে গুলি চালাতে হবে। ভার্গিস উঠে দাঁড়ালেন। তারপর সমস্ত অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনারদের জরুরি তলব করলেন।

    মিনিট পনেরোর মধ্যে অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনাররা তাঁর টেবিলের উল্টোদিকে চলে এল। এদের সঙ্গে সোমও আসত, আজ তার শরীর মর্গে। লোকগুলোর মুখ গম্ভীর। ভার্গিস গলা পরিষ্কার করলেন অল্প কেশে, ‘প্রথমে আমি আমাদের সহকর্মী সোমের জন্যে দুঃখপ্রকাশ করছি। আপনারা কেউ এ ব্যাপারে কথা বলবেন?’

    কেউ সাড়াশব্দ করল না। ভার্গিস বললেন, ‘হ্যাঁ, আপনারা জানেন ওপর মহল থেকে আমার ওপর প্রচণ্ড চাপ আসছে আকাশলালকে গ্রেপ্তার করার জন্যে। যে কোনও কারণেই হোক সেটা এখনও পর্যন্ত করা সম্ভব হয়নি। কিন্তু আমার কাছে যে খবর আছে তাতে তাকে আজ আমরা ধরতে পারি।’ ভার্গিস দেখলেন প্রত্যেকের মুখে কৌতূহল ফুটে উঠল।

    ভার্গিসের পেছনের দেওয়ালে এই শহরের ম্যাপ টাঙানো ছিল। তিনি উঠে সেই মাপের সামনে দাঁড়ালেন, ‘আজ আমাদের উৎসবের দিন। লক্ষের ওপর মানুষ আজ এই শহরে জড়ো হয়েছে। উৎসব হয় শহরের এই জায়গাটায় যাকে মেলার মাঠ বলা হয়ে থাকে।’ ভার্গিস তাঁর মোটা আঙুল ম্যাপের একটি জায়গায় রাখলেন, ‘এই মাঠে পঞ্চাশ হাজার মানুষ স্বচ্ছন্দে ধরে যায়। মাঠটিতে ঢোকার রাস্তা চারটে। চারটেই চওড়া। একটি রাস্তা, এটা, আমরা নো এনট্রি করে রেখেছি। আমাদের বাহিনী এবং ভি আই পিরা ছাড়া কেউ ওই রাস্তায় যাবে না। বাকি তিনটে রাস্তায় হাঁটা যাবে না মানুষের ভিড়ে। এখন মেলার মাঠ থেকে কেউ যদি ওই তিন রাস্তা দিয়ে পালাতে চায় তাকে প্রতি পায়ে বাধা পেতে হবে। জোরে বা দ্রুত যেতে পারবে না। আপনাদের তিনজন এই তিনটি পথ নজরে রাখবেন। আমি কাউকে পালাতে দিতে রাজি নই।’ ভার্গিস হাত তুললেন, ‘কোনও প্রশ্ন আছে?’

    প্রবীণ একজন অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার, যাঁর কোনও দিন প্রমোশন পাওয়ার সুযোগ নেই, উঠে দাঁড়ালেন, ‘ওই তিনটে রাস্তা পালাবার জন্যে ব্যবহার করতে হলে প্রথমে মাঠে ঢুকতে হবে। ব্যাপারটা আমি বুঝতে পারছি না।’

    ‘না বোঝার তো কিছু নেই। মাঠে ওরা ঢুকবে। আকাশলাল এবং তার সঙ্গীরা। আর ওদের ঢোকার সময়ে আমরা কোনও বাধা দেব না। কিন্তু পালাবার সময় দেব।’ ভার্গিস যেন খুব সরল ব্যাপার বুঝিয়ে দিলেন।

    দ্বিতীয় অ্যাসিস্টেন্ট কমিশনার উঠে দাঁড়ালেন, ‘ওরা মাঠে আসবে কেন?’

    ‘হ্যাঁ। এটা ভাল প্রশ্ন। সাহস বেড়ে গেলে মানুষের মাথা খারাপ হয়ে যায়। আমার কাছে খবর আছে আকাশলাল মাঠে আসবে।’ টেলিফোনের কথা বেমালুম চেপে গেলেন ভার্গিস। এদের বললে মিনিস্টারকেও জানাতে হয়।

    ‘কিন্তু অত মানুষের ভিড়ে তাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব?’

    ‘সম্ভব। আমি এমন একটা টোপ দিয়েছি যাতে সে কাছে আসবে। সে এলেও তার সঙ্গীরা আসবে না। তারা থাকবে জনতার সঙ্গে মিশে। আমি তাদের পালাতে দিতে চাই না। আন্ডারস্ট্যান্ড? আর যদি আকাশলাল না আসে তো কি করা যাবে। এটা একটা চান্স। হ্যাঁ, মাঠের এ জায়গাটা এখনই ঘিরে ফেলা দরকার যাতে জনতার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। ঘেরা জায়গা থেকে একটা পথ যাবে ওই নো-এনট্রি করা রাস্তায়। এক ঘণ্টার মধ্যে কাজটা শেষ করে আমাকে রিপোর্ট দিন। ও-কে।’ কাঁধ ঝাঁকালেন ভার্গিস যার অর্থ মিটিং শেষ হয়ে গেছে, এবার ঘর খালি করে দিন।।

    অফিসাররা ঘর থেকে বেরিয়ে গেলে এক কাপ কালো কফির হুকুম দিলেন ভার্গিস। আজ বেশ আরাম লাগছে। যদিও টেপরেকর্ডারের মাধ্যমে আকাশলালের কথা বলা তিনি পছন্দ করেননি। লোকটা অত্যন্ত ধূর্ত। তিনি যা চিন্তা করেন তা যেন আগে থেকে ভেবে ফেলে। ভাবুক। এখন আর কোনও উপায় নেই বলে আত্মসমর্পণ করছে।

    কফি খেতে গিয়ে ভার্গিসের মনে হল যদি আত্মসমর্পণ ভান হয়। কাছাকাছি না এলে ওকে সার্চ করা যাবে না। ও যদি হাত দশেক তফাতে এসে সোজা তাঁর বুক লক্ষ করে গুলি চালায় তা হলে কিছুই করতে পারবেন না তিনি। হয়তো গুলি করার পর লোকটাকে জ্যান্ত ফিরে যেতে দেবে না তাঁর বাহিনীর লোকজন কিন্তু তাতে কি লাভ হবে। যে লোকটা জানে এমনিতেই মরতে হবে তার পক্ষে তো প্রধান শত্রুকে মেরে মরাই স্বাভাবিক।

    কফিটাকে বিস্বাদ লাগল। ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে হবে। সরাসরি সামনে না থেকে দূরে গাড়ির মধ্যে অপেক্ষা করলে নিশ্চয়ই আকাশলাল প্রকাশ্যে আসবে না। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট থাকলেও মুখ মাথা কি করে আড়াল করবেন? ভার্গিস মনে মনে একটা পরিকল্পনা এঁটে নিলেন। যদি দেখেন আকাশলাল গুলি করতে হাত তুলছে তা হলে এই পরিকল্পনাটা কাজে লাগবে।

    টেলিফোন বাজল। অবহেলায় রিসিভারটা তুললেন ভার্গিস, ‘হ্যালো।’

    ‘আজকের জন্যে তুমি তৈরি ভার্গিস?’ মিনিস্টারের গলা।

    ‘সেন্ট পার্সেন্ট।’

    ‘উৎসবের জনতা নিয়ন্ত্রণে থাকবে?’

    ‘কোন বছর সেটা না থেকেছে?’

    ভার্গিসের পাল্টা প্রশ্নে ওপাশে কিছুটা সময় চুপচাপ কাটল। ভার্গিস সেটা বুঝলেন, কিছু বললেন না। যা হবার তা তো হবেই।

    ‘তুমি তা হলে নিশ্চিত আজ বিকেলের মধ্যেই আকাশলালকে ধরতে পারবে?’

    ‘আমি তো আপনাকে বলেছি।’

    ‘ফোন করেছিল সে?’

    এবার একটু অস্বস্তি হল। যে গলায় কথা বলছিলেন ভার্গিস তা পাল্টে গেল, হ্যাঁ, ‘ফোনে কথা হয়েছে। লোকটা বারোটার সময় আত্মসমর্পণ করবে।’

    ‘হোয়াট? আত্মসমর্পণ? অসম্ভব।’

    ‘ওর নাভিশ্বাস উঠে গেছে। আর লুকিয়ে থাকতে পারছে না। আমিই ওকে উপদেশ দিলাম আত্মসমর্পণ করতে। আপনি সাড়ে বারোটায় ওর সঙ্গে কথা বলতে পারবেন।’

    ‘ফোন লোকেট করেছিলে?’

    ‘হ্যাঁ। কিন্তু একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল।’ টেপরেকর্ডারের কথা বলতে একটুও ভাল লাগল না ভার্গিসের।

    মিনিস্টার বললেন, ‘ব্যাপারটা বিশ্বাস করতে আমার অসুবিধে হচ্ছে ভার্গিস। মনে হচ্ছে এর পেছনে কোনও মতলব আছে। থাকগে, ভাগ্য তোমার পক্ষে থাকুক। আর হ্যাঁ, বাবু বসন্তলালের বাংলোর কেয়ারটেকারের ব্যাপারটা তোমার কাছ থেকে এখনও শুনতে পাইনি।’

    ধ্‌ক্‌ করে উঠল ভার্গিসের বুক। এরা সব ঠিকঠাক জানতে পেরে যায় কি করে। উত্তর একটা দিতে হবে। ভার্গিস বলল, ‘ওহো! আমি আজই খবরটা পেলাম। লোকটা নাকি পাগল হয়ে গিয়েছে। সামান্য একটা কেয়ারটেকার তাও পাগল, তার কথা বলে আপনাকে বিব্রত করতে চাইনি।’

    ‘ওই কেয়ারটেকারটাকে খুঁজে বের করো। পাওয়ামাত্র আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।’

    ‘বেশ। কিন্তু আমার মনে হয় ওর সঙ্গে বাবু বসন্তলালের হত্যার কোনও যোগাযোগ নেই। লোকটা ভয় পেয়ে পালিয়ে গিয়েছিল। দেহাতি মানুষ।’ ভার্গিস অভিনয় করলেন।

    ‘লোকটাকে দরকার।’ মিনিস্টার লাইন কেটে দিল।

    রিসিভার নামিয়ে রেখে ভার্গিস মনে মনে বললেন, আর বোকামি নয়।

    আজ শহরের প্রতিটি খোলা জায়গায় মানুষজন থিক থিক করছে। দিনটা শুরু হয়েছিল চমৎকারভাবে, আকাশে মেঘের চিহ্ন নেই কোথাও। হালকা ফুরফুরে রোদে ওই উৎসবের মেজাজ যেন আরও খুলে গিয়েছিল। বেলা বাড়তেই সবার গন্তব্যস্থল হয়ে দাঁড়াল মেলার মাঠ এবং তার দিকে যাওয়ার রাস্তাগুলো। ঢাক ঢোল ভেঁপু বাজছে সর্বত্র, উড়ছে বেলুন। এই উৎসব হয়তো কোনওকালে বিশেষ এক ধর্মের মানুষদের প্রয়োজনে শুরু হয়েছিল। কিন্তু সেখানে ধর্মীয় আচারানুষ্ঠান প্রবল না হয়ে ওঠায় উৎসবের আনন্দে অংশ নিতে অন্য ধর্মের মানুষেরা আপত্তি করেনি। মেলায় ঘুরে বেড়ানো কেনাকাটা করতে কোনও বিশেষ ধর্মের ছাড়পত্র লাগে না। সাধারণ মানুষ চিরকাল এই অল্পেতেই খুশি।

    আকাশলাল তৈরি হয়ে বসে ছিল। একটু আগে স্বজনকে তার কাছে নিয়ে আসা হয়েছিল। আকশলাল ঠিক কি চায় তা সে স্বজনকে বুঝিয়ে বলেছে। লোকটা সম্পর্কে স্বজনের কৌতূহল একটু একটু করে বাড়ছিল। এখন প্রস্তাব শোনার পর তার মনে হল চ্যালেঞ্জটা সে গ্রহণ করবে। সে বলল, ‘আপনি যখন আমার ওপর নির্ভর করছেন তখন দায়িত্ব আমি নিচ্ছি। তবে একটা কথা জানবেন, শুধু মুখ নয়, শরীরের সর্বত্র যেসব চিহ্ন এই মুহূর্তে আপনার পরিচয় হিসেবে রয়েছে সেগুলোকে আমি রাখতে চাই না।’

    আকাশলাল হাসল, ‘ডাক্তার, এ ব্যাপারে আপনার সম্পূর্ণ স্বাধীনতা রইল।’

    ‘আমি কোথায় কাজ করব?’

    ‘ডেভিড আপনাকে সাহায্য করবে।’

    ঠিক পৌনে এগারটায় হায়দাররা ফিরে এল। তারাও তৈরি। আকাশলাল জিজ্ঞাসা করল, ‘আমার সঙ্গে কে কে যাচ্ছে?’

    হায়দার বলল, ‘চারজনকে আমরা এর মধ্যেই মেলার মাঠে পাঠিয়ে দিয়েছি। কিন্তু খবর এসেছে ভার্গিস মাঠের ঠিক একটা ধারে কিছুটা জায়গা ঘিরে ফেলেছে বাঁশ দিয়ে। পাবলিককে ওখানে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। ঘেরা জায়গাটার পেছনের রাস্তা ওরা নো এনট্রি করে রেখেছে। ব্যাপারটা ভাল লাগছে না।’

    ‘হয়তো আমাকে অভ্যর্থনা জানাতে ওটা করেছে ভার্গিস।’

    ‘কিন্তু ঢোকার রাস্তাগুলোতে পুলিশের লোক ছড়িয়ে আছে।’

    ‘খুবই স্বাভাবিক। তুমি হলেও তাই রাখতে।’ আকাশলাল স্বজনের দিকে হাত বাড়াল, ‘গুডবাই ডক্টর। তোমাকে মেলায় যাওয়ার অনুমতি দিতে পারছি না বলে দুঃখিত। ভার্গিস তোমাকে পেলে এই মুহুর্তে ছাড়বে না। তবে কাজ হয়ে যাওয়ার পর তুমি যাতে ইন্ডিয়ায় ফিরে যেতে পার তার ব্যবস্থা আমার বন্ধুরা করবে। তুমি এবং তোমার স্ত্রীর কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

    আকাশলালকে নিয়ে ওরা বেরিয়ে এল। ধীরে ধীরে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নেমে এল ওরা। হলঘরে কয়েকজন পাহারাদার সপ্রশংস চোখে আকাশলালকে দেখছিল। প্রত্যেকের হাত কপালে চলে যেতেই আকাশলাল তাদের নমস্কার করল।

    এই বাড়ি থেকে বেরুবার যে পথটা স্বজন জেনেছে সেই পথ দিয়ে গেল না আকাশলাল। স্বজন দেখল বাঁদিকের একটা দরজার সামনে পৌঁছে আকাশলাল শব্দ করল। একটু বাদেই একজন সে দরজাটা ভেতর থেকে খুলল। চেহারায় সম্পন্ন বাড়ির কাজের মেয়ে বলেই মনে হয়। স্বজন শুনল আকাশলাল বলছে, ‘আমি খবর পাঠিয়েছিলাম, উনি যদি কয়েক মিনিট সময় আমাকে দেন।’

    দুদিনে মানুষটাকে সে যত দেখছে তত বিস্ময় বাড়ছে। যার জন্যে সরকার এত লক্ষ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করেছে তার ব্যবহার, কথাবার্তা এমন মার্জিত ভদ্র হবে কে জানত। কাজের মেয়েটি আকাশলালকে নিয়ে ভেতরে চলে গেল। ওর সহযোগীরা বাইরে অপেক্ষা করছে। স্বজন বুঝতে পারছিল না যে কাজের দায়িত্ব তাকে দিয়ে গেল আকাশলাল তা কি করে করা সম্ভব? এই যে লোকটা সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে পুলিশের হাতে ধরা দিতে যাচ্ছে তার পরিণাম মৃত্যু ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না। মৃত মানুষের ওপর সে কখনও অস্ত্র-প্রয়োগ করেনি। প্রয়োজনও হয় না করার।

    পকেট থেকে দুটো ছবি বের করল স্বজন। পোস্টকার্ড সাইজ ছবি। আকাশলালের মুখের দুটো দিক। খুব সাম্প্রতিক ছবি না হলেও ওর মুখ তেমন পাল্টায়নি। নাকের পাশে একটা ছোট আঁচিল আছে। এত ছোট যে তিল বলে ভুল হবে। ঠোঁটের দু কোণ থেকে যে ভাঁজটা সেটা সরালেই— স্বজন মাথা নাড়ল। না সে চব্বিশ ঘণ্টা সময় পাচ্ছে। একটা লোক তার দেশের জন্যে এভাবে নিজেকে খরচ করতে করতে শেষ সীমায় পৌঁছেছে, নিজে রাজনীতি না করলেও শ্রদ্ধাশীল না হয়ে পারা যায় না। ব্যাপারটা নিয়ে আরও ভাবতে হবে।

    আকাশলাল ধীরে ধীরে সিঁড়ি ভেঙে ওপরে উঠল কাজের মেয়েটির সঙ্গে। তার বুকে চাপ পড়ছিল বলে গতি কমছিল। মেয়েটি একটু অবাক হয়েই বারংবার পেছনে তাকাচ্ছিল। আকাশলাল তার কাছেও বিস্ময়। মালিক তাকে দিয়ে প্রতিজ্ঞা করিয়েছেন বলে সে এ-বাড়ির অন্য প্রান্তে যায় না, কারও সঙ্গে কথাও বলে না। কিন্তু তার মনে হল লোকটা খুব অসুস্থ। মুখ হাঁ করে বাতাস নিচ্ছে।

    ওপরে ওঠার পর আকাশলাল একটু দাঁড়াল। মনে হল সে সহজ হয়েছে। বলল, ‘আজকাল একটুতেই, ঠিক আছে এখন, চলো—!’

    বিশাল একটি সোফায় হেলান দিয়ে যে বৃদ্ধা বসেছিলেন তাঁর মাথায় একটিও কালো চুল নেই। দুটো হাত যেন হাড়জড়ানো শিরাদের ভিড়। মুখও কুঁচকে গিয়েছে। কাজের মেয়েটি সামনে গিয়ে কিছু বলতেই জানলার বাইরে তাকানো চোখ দুটো এদিকে ফিরল, ‘বলো, আকাশ!’

    আকাশলাল দুহাত যুক্ত করল, ‘আজ উৎসবের দিন। আমি স্থির করেছি আজই ঠিক দিন’।

    ‘কিসের ঠিক দিন?’

    ‘আমি আত্মসমর্পণ করছি।’

    ‘কি?’ বৃদ্ধা সোজা হয়ে বসলেন, ‘তুমি আত্মসমর্পণ করছ?’

    ‘হ্যাঁ। আপাতত এ ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই।’

    ‘তুমি জানো এর পরিণাম কি হবে?’

    ‘হ্যাঁ জানি।’

    ‘আর যারা তোমার সঙ্গে থেকে লড়াই করে এসেছে তাদেরও সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছ?’

    ‘না। তারা থাকবে। তাদের লড়াই থামবে না।’

    ‘আমি বুঝতে পারছি না তোমার কথা।’

    ‘যদি কখনও সুযোগ পাই আপনাকে বুঝিয়ে বলব। আপনি আমাকে আশীর্বাদ করুন যাতে আমাদের পরিকল্পনা সার্থক হয়।’

    ‘অসম্ভব। তুমি আত্মসমর্পণ নয় আত্মহত্যা করতে চলেছ আর আমি তোমাকে আশীর্বাদ করব? কখনও নয়। তোমার মা আমার বান্ধবী ছিলেন। আমি তাঁর আত্মার শান্তির জন্য আজ প্রার্থনা করব।’ বৃদ্ধা ধীরে ধীরে শুয়ে পড়লেন সোফায়।

    আকাশলাল বলল, ‘জানি না ইতিহাস কখনও এসব কথা লিখবে কি না, কিন্তু প্রতিটি মুক্তিযোদ্ধা আপনার কাছে কৃতজ্ঞ।’

    চোখ বন্ধ করেই বৃদ্ধা জিজ্ঞাসা করলেন, ‘কেন?’

    ‘আপনি আশ্রয় না দিলে আমরা কোথায় ভেসে যেতাম।’

    বৃদ্ধা হাত নাড়লেন। যার অর্থ এসব তিনি শুনতে চান না।

    আকাশলাল বলল, ‘এবার আমি চলি।’

    বৃদ্ধা সাড়া দিলেন। আকাশলাল সরে যেতে শুরু করেছে, বৃদ্ধা ডাকলেন, ‘শোন। তোমার সঙ্গীদের বলো এক ঘণ্টার মধ্যে এই বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে।’

    ‘সেকি?’ চমকে উঠল আকাশলাল।’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘কিন্তু আপনি আমাকে আশ্বাস দিয়েছিলেন পুলিশ না আসা পর্যন্ত… ।’

    ‘দিয়েছিলাম। আমি লেডি জে সি প্রধান। পুলিশ আমার বাড়ির ওপর কখনই সন্দেহের চোখে তাকাবে না। যদি তোমরা তাদের আগবাড়িয়ে ডেকে না আনো তা হলে কোনও ভয় নেই। কিন্তু আমি দিয়েছিলাম একজন প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে। কাপুরুষকে নয়।’

    আকাশলাল হেসে ফেলল, ‘আপনি ঠিক বলেছেন। আপনি হিন্দু। হিন্দুদের আত্মীয় বিয়োগ হলে অশৌচ পালন করতে হয় এগারো দিন। আমার মৃত্যুর খবর পেলে অন্তত এগারোটা দিন যা চলছিল তা চলতে দেবেন। তারপর আর কেউ এখানে থাকবে না, আমি আপনাকে কথা দিলাম।’

    বৃদ্ধা হাত নাড়লেন সেইভাবেই। কোনও কথা আর বলতে চান না তিনি। অর্থাৎ আকাশলালের প্রস্তাব তিনি মেনে নিলেন।

    গাড়িটা ধীরে ধীরে বাগানের পথ দিয়ে এগিয়ে আসছিল। ড্রাইভার ছাড়া পেছনের আসনে আরও দুজন বসেছিল। একজন আকাশলাল। তার মুখ একটা মাফলারে জড়ানো। পাশে ত্রিভুবন। গাড়িটা বড় রাস্তায় পড়েই গতি বাড়াল। এদিকটা মেলার পথ নয় বলেই লোকজন কম, গাড়ির ভিড় বেশি নেই।

    কিছুটা দূর যাওয়ার পর ত্রিভুবন হেনাকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল রাস্তার পাশে, একা। ত্রিভুবন বলল, ‘আমরা কি গাড়িতেই অপেক্ষা করব?’

    আকাশলাল মাথা নাড়ল, ‘না। তুমি গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যাও। এরকম একটা জায়গায় গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকলে অনেকের সন্দেহ হবে।’

    ‘কিন্তু আপনি— ’

    ‘একটু ঝুঁকি নিতেই হবে।’

    গাড়িটা দাঁড়াল। আকাশলাল দরজা খুলে নামতেই হেনা এগিয়ে এল। কিন্তু ত্রিভুবনের ইচ্ছে করছিল না প্রিয় নেতাকে এভাবে ছেড়ে যেতে। আকাশলাল তার দিকে হাত বাড়াল, ‘বিদায় বন্ধু।’

    ত্রিভুবন নিজেকে সংযত করে হাত মেলাল।

    গাড়িটা চলে যেতে আকাশলাল হেনার দিকে তাকিয়ে বলল, ‘বাঃ, তুমি তো বেশ সুন্দর হয়েছ। এবং বুদ্ধিমতীও।’

    হেনা মাথা নামাল, ‘সেটা কি করে বুঝলেন?’

    ‘সোম নিশ্চয় বুঝতে পেরেছিল তোমরা ওকে চিনে ফেলেছ!’

    ‘হ্যাঁ, গ্রামের কয়েকজন ওঁর দিকে তেড়ে এসেছিল চিনতে পেরে।’

    ‘তারপর?’

    ‘আমি ওঁকে পরে বুঝিয়েছিলাম লোকগুলো ভুল করেছে। সোমের মতোই দেখতে এক জনের সঙ্গে ওরা গুলিয়ে ফেলেছে।’

    ‘সোম বিশ্বাস করেনি?’

    ‘না। আমার তো তাই মনে হয়। তবে সেটা মনে রেখে দিয়েছিলেন।’

    ‘হুঁ। ত্রিভুবনকে তুমি বিয়ে করছ কবে?’

    ‘আশ্চর্য। এই প্রশ্ন এখন আপনার মাথায় আসছে? এই সময়ে?’

    আকাশলাল রসিকতা করতে যাচ্ছিল, এমন সময় দূরে ঢাকঢোল বাজিয়ে একটা মিছিল আসতে দেখা গেল। মানুষগুলো কোনও গ্রাম থেকে তাদের গ্রামদেবীকে বহন করে নিয়ে চলেছে মেলার মাঠে। হেনা এগিয়ে গেল তাদের দিকে।

    মিছিলটা আকাশলালের সামনে এসে কয়েক সেকেন্ড দাঁড়াল। আটজন মানুষ বাঁশের ওপর মূর্তি বহন করছে। মৃর্তির চারপাশে পর্দা টাঙানো। ওরা নিচু হতেই আকাশলাল ঘেরাটোপে উঠে বসল। সেখানে কোনও দেবী বা মূর্তি নেই। মিছিলটি চলল আগের মতোই ঢাকঢোল বাজিয়ে। মিছিলের জনাকুড়ি মানুষকে দেখে প্রকৃত দেহাতি ভক্ত বলে মনে হচ্ছিল। ভিড় বাড়ছিল রাস্তায়। কিন্তু মিছিলকে পথ করে দিচ্ছিল সবাই শ্রদ্ধায়। মেলার মাঠে না-যাওয়া দেবীর মুখদর্শন করা যাবে না, এটাই নিয়ম।

    আকাশলাল দেখল, ঘেরাটোপের ভেতর নির্দেশমত পোর্টেবল মাইক রাখা আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleউত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার
    Next Article ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    Related Articles

    সমরেশ মজুমদার

    চব্বিশ ঘণ্টার ঈশ্বর – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    ছোটগল্প – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    উত্তরাধিকার – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    গর্ভধারিণী – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    কইতে কথা বাধে – সমরেশ মজুমদার (অসম্পূর্ণ)

    December 4, 2025
    সমরেশ মজুমদার

    সাতকাহন ১ – সমরেশ মজুমদার

    December 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }